29 C
Dhaka, BD
মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

যশোরের বেনাপোলে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদন্ড

বেনাপোল সীমান্তে আটককৃত দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

সোমবার(০১ এপ্রিল) বিকাল ৫ টায় শার্শা উপজেলা এ্যাসি ল্যান্ড মৌসুমি জেরিন কান্তা ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে তাদেরকে এ কারাদন্ড প্রদান করেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বেনাপোলের দৌলতপুর গ্রামের রেজাউলের ছেলে মাহাবুব (১৮) ও গোগা গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে শামিম হোসেন(২৩)।

২১ ব্যাটালিয়ন বেনাপোলের পুটখালী বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার মোজাম্মেল হোসেন আমাদের বেনাপোল প্রতিনিধি রাসেল ইসলামকে জানান, গোঁপন খবর পেয়ে তারা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। পরে তাদের কাছ থেকে দুটি প্যাকেটে ৩শ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। এসময় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে তাদের ৬ মাস করে কারাদন্ড দেওয়া হয়।

জানা যায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা প্রায়ই মাদক কারবারীদেরকে আটক করছেন। কিন্তু কদিন যেতে না যেতে তারা আবার ফিরে এসে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে।মাদক ব্যবসা প্রতিরোধ করতে এমন কার্যক্রম গ্রহন করা হচ্ছে বলে ধারণা অনেকের।

হাজী মহিউদ্দিন আহমেদ তৃতীয় বারের মত উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিশাল ব্যবধানে জয়ী ।

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী মহিউদ্দিন আহমেদ তৃতীয় বারের মত উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

নৌকা প্রতীকে বিজয়ী উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মালখানগর ইউনিয়নের পাচ বারের নির্বাচিত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা পরিষদ এর তৃতীয় বারের মত নির্বাচিত চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি।

উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২২২৩১৯ জন। আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হাজী মহিউদ্দিন আহমেদ নৌকা প্রতীক ৮৬৩৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিকল্পধারার বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান কুলা প্রতীকে ২৪৭৭ ভোট পেয়েছেন। এই নির্বাচনে ৮৯৫৫৫ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী মহিউদ্দিন আহমেদ ও কুলা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেন বিকল্পধারার বাংলাদেশ এর মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। কোনোপ্রকার সহিংসতা ছাড়াই সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সাধারণ ভোটারদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় এই নেতাকে নিয়ে সকাল থেকেই সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

জেলার অন্যান্য উপজেলা থেকে সিরাজদিখান উপজেলার ভোটের চিত্র ছিল একেবারে ভিন্ন। ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।

খাদ্যে বিষক্রিয়ায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু ।

নওগাঁর মহাদেবপুরে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার ভোরে উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের চকযথুরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, অর্জুন (৩২), তার স্ত্রী তিথী (২৫) এবং তাদের তিন বছরের মেয়ে অনন্যা।

স্থানীয় উত্তরগ্রাম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সংবাদ পেয়েছি। আসলে কী কারণে মারা গেছে ঘটনাস্থলে না গেলে বলতে পারব না।

মহাদেবপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, শুক্রবার বাজার থেকে অর্জুন দই কিনে আনেন। রাতে দই খাওয়ার পর তারা ঘুমিয়ে পড়েন। মধ্যরাত থেকে পেটের সমস্যা শুরু হয়।

এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেয়ে অনন্যা মারা যায়। এরপর শনিবার ভোরে স্বামী ও স্ত্রী মারা যান। মরদেহ ময়নাতদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।

আবারও নওগাঁয় নীল গাই উদ্ধার ।

নওগাঁর পত্নীতলা থেকে নীল গাই উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় উপজেলার হাটশাওলী কানুপাড়া থেকে এ নীল গাইটি উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, সকালে গ্রামের লোকজন এলাকায় একটি নীল গাই ছুটাছুটি করতে দেখতে পায়। এসময় তারা নীল গাইটিকে আটক করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে খবর দেয়। চেয়ারম্যান বিষয়টি থানাপুলিশ ও বনবিভাগকে অবহিত করলে রাজশাহী বনবিভাগের কর্মকর্তারা নীল গাইটিকে উদ্ধারের জন্য আসছেন বলে জানাগেছে।

পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) পরিমল কুমার জানান, নীল গাইটি উদ্ধারের বিষয়ে শুনেছি। সম্ভবত এটা ভারত থেকে এসছে। আমরা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবহিত করেছি তিনি ঘটনাস্থলে আছেন সেখানে হাটশাওলী বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যারাও উপস্থিত আছেন বনবিভাগের লোকজনরা আসলে সেটার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নতুন শিল্প অঞ্চলে প্রকৃত উদ্যোক্তাদের প্লট বরাদ্দ দেয়া হবে: মেয়র লিটন ।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহীর জন্য ইতোমধ্যে তিনটি শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলার অনুমতি দিয়েছেন। বিসিক-২, বিশেষ অর্থনৈতিক জোন ও চামড়া শিল্পপার্ক নামের এই তিনটি শিল্প অঞ্চল গড়ে উঠলে সেখানে প্রকৃত উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের প্লট বরাদ্দ দেয়া হবে। এ ব্যাপারে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে হবে।

শনিবার দুপুরে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন পরিচালনা পর্ষদের শপথগ্রহণ ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংগঠনটির কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন আরো বলেন, আমি প্রথম মেয়াদে মেয়র থাকাকালে রাজশাহীতে শিল্পায়ন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগেই আমি কাজ করার সুযোগ দ্বিতীয়বার পেলাম না। কিন্তু এখন আবারো সুযোগ পেয়েছি, রাজশাহীতে শিল্পায়ন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ আবারো গ্রহণ করা হচ্ছে।

এরআগে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক পরিচালনা পর্ষদের ২০ নেতৃবৃন্দ শপথগ্রহণ করেন। রাজশাহী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) আলমগীর হোসেন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। এরআগে অনুষ্ঠানে শুরুতে প্রধান অতিথি মেয়র খায়রুজ্জামানসহ অন্যান্য অতিথি এবং নবনির্বাচিত পর্ষদের সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। এরপর প্রধান অতিথি মেয়রকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মনিরুজ্জামান মনি অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। এ সময় সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু ও নাসিমুল গণি খান টোটন এবং পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাহাদুরপুর প্রভাতী মর্ডান কিন্ডার গার্টেনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শার্শার বাহাদুর ইউনিয়নের প্রভাতী মর্ডান কিন্ডার গার্টেনের আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস পালন উপলক্ষে সোমবার ১লা এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৩টার সময় বাহাদুরপুর প্রভাতী মর্ডান কিন্ডার গার্টেনের মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয়েছে।

উলাশী কিন্ডার গার্টেনের আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্কুলের শিক্ষার্থীরা ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন শিল্পীরা অংশ গ্রহণ করেন। মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক দর্শক উপিস্থিত হন।এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রভাতী মর্ডান কিন্ডার গার্টেনের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান,ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মফিজুর ইসলাম, আব্দুল রহমান তিতাস, আব্দুল মান্নান মেম্বার, আকবর আলী, সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোলের সভাপতি সাহিদুল ইসলাম শাহিন, সেক্রেটারী আয়ুব হোসেন পক্ষী, অনুষ্ঠানটির সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন প্রভাতী মর্ডান কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক মোহাম্মাদ সেলিম ।

আরো উপস্থিত ছিলেন , সীমান্ত প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আরিফুল ইসলাম সেন্টু,প্রচার সম্পাদক রাসেল ইসলাম, সহঃ প্রচার সম্পাদক সেলিম রেজা তাজ,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জাকির হোসেন,সদস্য লোকমান রাসেল সহ অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ।

বাহাদুরপুর প্রভাতী মর্ডান কিন্ডার গার্টেনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিলেন সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোল।

জাবিতে ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৫ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারীর জামাতাকে তুলে নিয়ে ‘ছিনতাই, মারধর ও মুক্তিপণ’ দাবি করার অভিযোগে পাঁচ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রবিবার বিকালে অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া ঘটনাটি অধিকতর তদন্তের জন্য ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান পাঁচ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি অধিকতর তদন্তের জন্য যে কমিটি গঠন করা হয়েছে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বহিষ্কৃত পাঁচ শিক্ষার্থী কোনো ক্লাস-পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। অন্যদিকে অপরাধের বিষয়টি তাদের পরিবারকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান।

সাময়িক বহিষ্কৃতরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৪তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সঞ্জয় ঘোষ, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪৫তম আবর্তনের মোহাম্মদ আল রাজি, ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের ৪৫তম আবর্তনের রায়হান পাটোয়ারী, দর্শন বিভাগের ৪৫তম আবর্তনের মোকাররম শিবলু ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শাহ মোস্তাক সৈকত। সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
এদিকে আগের এক ছিনতাইয়ের ঘটনায় গত বছর রায়হান পাটোয়ারীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

গত শনিবার ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী আলমগীর হোসেনের জামাতা মোহাম্মদ মনির সরদার কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। বিশমাইল এলাকায় পৌঁছার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী তাকে ধরে বোট্যানিকাল গার্ডেন এলাকার ঝোঁপে নিয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায়। এ সময় তাকে দিয়ে বাড়িতে ফোন করে ১ লাখ টাকা দাবি করে ছিনতাইকারীরা। মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনতাইয়ে বাধা দিলে তাদের

সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। তাকে মাদক চোরাকারবারি হিসেবে ধরিয়ে দেবে বলেও ভয় দেখায় তারা।
খবর পেয়ে আলমগীর হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মচারী ঘটনাস্থলে যান। তারা তিনজনকে ধরতে পারলেও দুইজন পালিয়ে যায়। পরে পালিয়ে যাওয়া দুইজনের পরিচয় পাওয়া যায়।

ধামরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাদ্দেস হোসেন এগিয়ে,একটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহন স্থগিত।

ঢাকার ধামরাইয়ে রবিবার (৩১ মার্চ) পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে ধামরাইয়ে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহন সম্পন্ন হয়। সারাদিন ভোট গ্রহনের মাধ্যামে ১৪৮ কেন্দ্রের মধ্যে ১৪৭ টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহন শেষ হলো । বাকী একটি কেন্দ্র তথা বাইসাকান্দা ইউনিয়নের কান্দাপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট স্থগিতকরা হয়েছে।

কান্দাপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৌকা প্রতীকে জাল ভোট দিতে সহায়তা করায় ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আবুল বাসার বাদশাকে আটক করেছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রনব কুমার। ঢাকার ধামরাইয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ছিলেন ৪ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নৌকা প্রতীকের মিজানুর রহমান মিজান।

স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোহাদ্দেস হোসেন (আনারস প্রতীক)। ঢাকা জেলা জাতীয় পাট্রির সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন খান মিলন লঙ্গাল প্রতীক। জাসদের আনোয়ার হোসেন মন্নু।ধামরাই উপজেলা মোট ভোটার ৩,২০,৩২২ জন।মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৮ টি। মোট ভোট কাষ্ট হয়েছে ৮০ হাজার ৬৬৯ টি। বাকী একটি কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছে ১ হাজার ৮৯১ জন।১৪৭টি কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাদ্দেস হোসেন ভোট পেয়েছেন ৪০ হাজার ৫৬৬টি । নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান পেয়েছেন ৩৯ হাজার ১টি। ১ হাজার ৫৬৫ ভোট বেশী পেয়ে মোহাদ্দেস হোসেন তার প্রতিদ্ধনদ্ধী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজানের চেয়ে এগিয়ে আছেন। জাতীয় পাট্রির দেলোয়ার হোসেন ল্ঙ্গাল প্রতীকে ৮৩৪ ভোট পেয়েছেন। মশাল প্রতীক নিয়ে শেখ আনোয়ার হোসেন মুন্নু পেয়েছেন ১২১ ভোট । এর আগে ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোহানা জেসমিন মুক্তা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ।১৪৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪৭টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কালাম আজাদ।

পরবর্তীতে ওই কেন্দ্রে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান সহকারী রিটার্নিং অফিসার আবুল কালাম আজাদ। বাকী একটি কেন্দ্রের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে ধামরাই উপজেলা পরিষদে কে হতে যাচ্ছেন চেয়ারম্যান।

নওগাঁয় বহুতল একটি ভবনে আগুন ।

নওগাঁ শহরের ডাবপট্টি এলাকার একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (০১/০৪/১৯) বিকেল ৩টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তবে আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস সূত্র।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শহরের ডাবপট্টি এলাকার ব্যবসায়ী মজনু রহমানের পাঁচতলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিকেল ৩টার দিকে সদর উপজেলার ওই বহুতল ভবনের চারতলা থেকে হঠাৎ ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নওগাঁর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে ছুটে আসে। এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন, জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান ও পৌরসভার মেয়র নাজমুল হক সনি।

নওগাঁ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই বলেন, আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সবকিছু ঠিক আছে।

বিখ্যাত নারী মুক্তিযুদ্ধ গবেষক অধ্যাপক ড.জেবুন্নেছা

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি মহাযজ্ঞ। এই যজ্ঞের কুশীলব ছিলেন এই ভূখণ্ডের ভেতরের মানুষ, দেশান্তরি মানুষ। আবার যাঁরা অনেক দূরে ছিলেন, তাঁরাও নতুন দেশের জন্মযন্ত্রণা অনুভব করেছেন। পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে অনেকের পক্ষেই যুদ্ধে যাওয়া সম্ভব হয়নি, হূদয়ে-মননে তারাও স্বাধীনতাকে ধারণ করেছেন।

স্বাধীনতার মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশে ক্ষমতাসীনদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অনেকটাই হয়ে পড়েছিল ভূলুণ্ঠিত। রাষ্ট্রের প্ররোচনায়ই নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করা হচ্ছিল, বাঙালির আত্মত্যাগের মর্যাদাকে করা হচ্ছিল অবমাননা; উন্নয়নের নামে ইতিহাসের অমোঘ সত্যকেও করা হচ্ছিল অস্বীকার।

এ রকম একটা সময়েই বাংলাদেশের অনেক খ্যাতিমান লেখক ও গবেষক মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণা করেছেন,তুলে ধরেছেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্মৃতি ও আদর্শ। বর্তমানে অনেক বিখ্যাত লেখক ও গবেষক মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণা করছেন,যারা অন্ধকারে থাকা মুক্তিযুদ্ধের নানান বিষয় আলোতে এনেছেন।

তাদেরই একজন হলেন ড. জেবুন্নেছা, ইতিমধ্যে তিনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণ এবং অন্ধকারে থাকা মুক্তিযুদ্ধের নানা বিষয় আলোতে আনতে মুক্তিযুদ্ধের উপর গবেষণায় ইতিমধ্যে সাড়া জাগিয়েছেন । প্রাচ্যের ড্যান্ডি’ নামে খ্যাত নারায়ণগঞ্জ জেলার শীতলক্ষ্যার তীর ঘেঁষে ‘সাহিত্য পল্লী’ নলুয়া । সেই পল্লীতে ০৭ ফেব্রæয়ারী,১৯৮০,২৩ মাঘ,১৩৮৬,১৯ রবিউল আউয়াল ১৪০০ হিজরী সনে সকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে করিম ভিলা,সাত্যিাংগন,৭২ নলুয়া সড়কে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন জেবউননেছা। তাঁর পিতা নারায়ণগঞ্জের ষাট দশকের বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার, চত্বর সাহিত্য স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত এবং নারায়ণগঞ্জের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক হিসেবে পুরস্কারপ্রাপ্ত ও ১৩ টি গ্রন্থের প্রণেতা আলহাজ্ব মুঃ জালাল উদ্দিন নলুয়া। মাতা ‘অলংকার’ কাব্যগ্রন্থ ও ‘বেলা শেষের তারা’,ভালোবাসার তানপুরা’র লেখক এবং ‘এম.এ কুদ্দুস শ্রেষ্ঠ মা, ২০১৩’ পদকপ্রাপ্ত আলহাজ্ব লুৎফা জালাল।

জেবউননেছার কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ যেন সকালের ঝলমলে রোদের মত। এম.এস.এস পরীক্ষায় উত্তীর্ন হবার ২১ দিনের মধ্যে তিনি ইএনডিপি’তে জেন্ডার প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে তাঁর কর্মময় জীবন শুরু করেন। তারপর আর থেমে থাকেননি। একে একে চাকুরী পরিবর্তন করে নিজের অভিজ্ঞতার ঝুলি বাড়িয়েছেন । যথাক্রমে তিনি বিয়াম মডেল স্কুল এন্ড কলেজ ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। অতঃপর তিনি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনে সহকারী পরিচালক ( প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১০ সনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে লোক প্রশাসন বিভাগে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি সহযোগী অধ্যাপক ,তিনি যতগুলো প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। সকল স্থানে অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ছিলেন। তিনি বিয়াম মডেল কলেজ এবং গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে জনপ্রিয় শিক্ষক ছিলেন। তাইতো তাঁর বিদায় বেলায় ছাত্র-ছাত্রীরা কেঁেদ বুক ভাসিয়েছেন কেঁদেছেন তিনি ও । তিনি ও ছাত্র ছাত্রীদের প্রচন্ড রকমের ভালোবাসেন। তাইতো তাঁর রচিত ভ্রমণ কাহিনী ‘লক্ষ্যা থেকে পিয়াসী’ গ্রন্থের এক পর্যায়ে তিনি লিখেন ‘ছাত্রছাত্রীরা আমার প্রাণ,আমার হৃদয়। স্বীকার করছি তাদের খুব শাসন করি। কঠিন বকাঝকা দেই। কিন্তু অকপটে এটা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে, তাদেরকে আমি কতটা ভালোবাসি। হৃদয়স্থানে তাদের জন্য যে ভালোবাসা আছে। তা দেখা যায়না, যায়না স্পর্শ করা।’ এতটুকু বুঝতে বাকী নেই যে,জেবউননেছা কতটা মমতাময়ী শিক্ষক। বর্তমানে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সভাপতি হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিভাগের প্রথম নারী সভাপতি।

ড.জেবুন্নেছার জন্ম যদিও মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রায় দশ বছর পরে। তবে ইতিমধ্যে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ও অজানা অনেকগুলো বিষয় আলোতে এনেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের এই শিক্ষক।

দেশের নানা প্রান্ত থেকে মুক্তিযুদ্ধের সমৃদ্ধ ঘটনা ও ইতিহাস সংগ্রহ ও গবেষণার পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের বিষয়গুলোও তিনি বেশ গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রকাশিতব্য ‘এনসাইক্লোপেডিয়া অব বাংলাদেশ ওয়ার অব লিবারেশনে’র মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিকথা এন্ট্রি লেখক হিসেবে লিখেছেন এই নারী গবেষক।

২০০৯ সনে তাঁর সম্পাদিত প্রথম গ্রন্থ ‘মুক্তিযুদ্ধ: বুদ্ধিজীবির দৃষ্টিকোণ ও অভিজ্ঞতা’ গ্রন্থের মুখবন্ধের এক পর্যায়ে তিনি লিখেন, ‘পারিবারিকভাবে বাবার কাছ থেকে শিখেছি কিভাবে ভালোবাসতে হয় দেশকে। কিভাবে শ্রদ্ধা করতে হয় মুক্তিযোদ্ধাকে। আশি দশকের শেষের দিকে আমার বাবা কবি ও নাট্যকার মুঃ জালাল উদ্দিন নলুয়া রচিত ‘টাকার পাহাড় চাই’ নাটকের একটি সংলাপ ছিল ‘জন্মদাতা, কর্মদাতা, শিক্ষাদাতার মতোই আমি ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি দেশের মুক্তিদাতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের’। এই সংলাপটি তাঁর মনের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা সৃষ্টি করেছিল।’ তবে ১৯৯৫ সনের দিকে নিজ এলাকা নারায়ণগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন।শিশু শিল্পী হিসেবে ছোটবেলা থেকেই মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কবিতা এবং নাটক পরিবেশন করে বেশ কিছু পুরস্কার কুঁড়িয়েছেন।

তাঁর রচিত গবেষণাগ্রন্থ ‘মুক্তিযুদ্ধে নারী’ নামক গ্রন্থটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর রচিত ‘মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকা’ প্রবন্ধ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ‘অগ্রপথিক’ মার্চ, ২০১৪ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। ‘একাত্তুরের যাত্রী’ নামক সংগঠন থেকে প্রকাশিত ‘একাত্তুরের নারী’ ম্যাগাজিনে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নারীদের নিয়ে লেখা ‘তোমাদেরকে জানাই সালাম’ লেখা প্রকাশিত হয়েছে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নানা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

জাতীয় গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘টক শো’তে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন সংগঠন থেকে আমন্ত্রিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বক্তব্য এবং সেমিনারে লেখা পাঠ করেন। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশে আয়োজিত সেমিনারে ‘মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকা’ নামক গবেষণাভিত্তিক লেখা পাঠ করেন। জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একাধিক লেখা প্রকাশিত হয়েছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নেটওয়ার্ক শিক্ষক হিসেবে গত ১০ বছর যাবৎ দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষার্থীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেবার জন্য শিক্ষার্থীবৃন্দদের নিয়ে তিনি ‘মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর’ পরিদর্শন করেন। তিনি প্রতিবছর ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও অভিযাত্রী আয়োজিত “অদম্য পদযাত্রা”য় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের “সমন্বয়ক” হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা সর্ম্পকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সত্যিকারের কাহিনী নিয়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং ডকুমেন্টারী ফ্লিম করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, ধানমন্ডি সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের ‘টর্চার সেল’ মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণ প্রকল্পে অন্তভূর্ক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে একনেকের অর্থায়নে একটি শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়েছে।

১৯৭১ সালে ঢাকার ধানমন্ডি সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের নির্যাতনে ঘটনাটি তিনিই প্রথম আবিস্কার করেন। এর প্রেক্ষিতে বিষয়টি সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরবর্তীতে একনেকে ওই প্রকল্পটি উঠে।

ড. জেবউননেছার প্রকাশিত গ্রন্থ-‘আলোকিত নারীদের স্মৃতিতে মুক্তিযুদ্ধ’ নামক গ্রন্থটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচী’র অন্তর্ভূক্ত। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের মাসদাইরের রংপুর হাউসে অবস্থিত দু’জন শহীদ জালাল উদ্দিন হায়দার রানা এবং তৌফিক সাত্তার চুন্নার কবরকে শহীদের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করার জন্য কাজ করছেন।
তিনি খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধের স্মৃতিকথা সম্বলিত ‘সূর্য সন্তানদের ৭১ এর স্মৃতি’ নামক গ্রন্থ সম্পাদনা করেন। তিনি ১৯৫২ এর সত্যিকারের ইতিহাস নিয়ে মুঃ জালাল উদ্দিন নলুয়া রচিত ‘বাংলা আমার বাংলা’ নামক একুশভিত্তিক নাটক সম্পাদনা করেন। উক্ত দুটি গ্রন্থ স্বনামধন্য প্রকাশনী “অনন্যা প্রকাশনী” থেকে প্রকাশিত হয়েছে।তিনি মুঃ জালাল উদ্দিন নলুয়া রচিত ‘বঙ্গবন্ধু একুশ নির্বাচিত কবিতা’ নামক কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি তরুণ মুক্তিযুদ্ধ গবেষক হিসেবে বিনোদনধারা পারফরম্যান্স এ্যাওয়াড, বিশেষ সম্মাননা-২০১৪,আমরা কুঁড়ি পদক-২০১৪, বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পুরষ্কার -২০১৩ এবং বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক পরিষদ (বাসাপ এ্যাওয়ার্ড)-২০১৩ অর্জন করেন।

সর্বশেষ আপডেট...