রাণীশংকৈল মহিলা ডিগ্রী কলেজে ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সমাপনী
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল মহিলা ডিগ্রী কলেজের সপ্তাহব্যাপী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিরতার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।


কোন ধরনের দরপত্র ও প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই একের পর এক গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই। গত তিন মাসে বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০/৫০টি গাছ কেটে বিক্রি করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা। তবে শিক্ষকদের দাবি গাছ কেটে বিদ্যালয়ের দড়জা-জানালা তৈরি করা হচ্ছে।
জানা গেছে, বায়রা উচ্চ বিদ্যালয়ে শতাধিক মেহগনির গাছ রোপন করা হয় প্রায় ৩০ বছর আগে। গাছগুলো বেশ বড় আকৃতি হওয়ায় নজরে আসে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ বিল্লাহ হোসেনের। বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই প্রতি নিয়ত গাছগুলো কেটে বিক্রি করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজমুল হুদা শাহ এ্যাপলো। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্র সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান টিটু।পাবনার বেড়া উপজেলার আলোচিত শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলার আসামি ইমরান হোসেন (২১) হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আজাদুর ও তার বন্ধু আলাউদ্দিন জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে মঙ্গলবার আদালতে জবানবন্দি দেন।
জানা যায়, শিশু আরাফাত (৮) হত্যার বদলা নিতে ভাই আজাদুর রহমান ওরফে নবীন (২৪) তিন মাস মেয়ে সেজে মুঠোফোনে ইমরানের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করেন। পরে গেল ২৬ মার্চ রাতে মেয়ে কণ্ঠে ইমরানকে বাড়ির বাইরে ডেকে এনে বন্ধু মো. আলাউদ্দিনের (২০) সহায়তায় ইমরানকে হত্যা করেন। ইমরান সাঁথিয়ার করমজা গ্রামের আবদুল কুদ্দুসের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, বেড়া উপজেলার আলোচিত শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলার আসামি ইমরান হোসেন (২১)। ২৭ মার্চ সকালে বেড়া পৌর এলাকার আলহেরানগর মহল্লার একটি খেত থেকে ইমরানের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ইমরান ২০১৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বেড়া পৌর এলাকার সান্যালপাড়া মহল্লার আরাফাত নামের এক শিশু অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কিশোর অপরাধী হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর যশোর কিশোর সংশোধনাগারে কারাভোগের পর কয়েক মাস আগে মুক্তি পান।
এরপর ইমরান হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরাফাতের ভাই আজাদুর ও তার বন্ধু আলাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আজাদুর ও আলাউদ্দিন বলেন, ২০১৫ সালের আগস্ট মাসে ইমরানসহ তিনজন মিলে শিশু আরাফাতকে অপহরণের পর হত্যা করেন। এ ঘটনায় কারাভোগ শেষে বের হওয়ার পর তিনি আরাফাতের ভাই আজাদুরকে ‘কী করতে পারলি’ বলে তির্যক মন্তব্য করেন। এরপরই তার মধ্যে বাই হত্যার বদলা নেয়ার ইচ্ছে জাগ্রত হয়। তারপর গেল ২৬ মার্চ রাত সাড়ে ১১টার দিকে মেয়ে কণ্ঠে ইমরানকে বেড়া পৌর এলাকার আলহেরানগর মহল্লার একটি নির্দিষ্ট জায়গায় আসতে বলেন আজাদুর। সেখানে পৌঁছানোর পর আজাদুর ও আলাউদ্দিন এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ইমরানকে হত্যা করেন।
সময়ের খবর ডেস্ক:দুই বাংলাতেই তুমুল জনপ্রিয় উপস্থাপক ও অভিনেতা মীর আফসার আলী। ‘মীরাক্কেলের মীর’ নামেই তিনি সর্বাধিক পরিচিত। কাজের ক্ষেত্র কলকাতা হলেও বাংলাদেশের মানুষ, বিশেষকরে তরুণরা তার ভীষণ ভক্ত। বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করা মীর সেটা ভালোই টের পাচ্ছেন। ভালোবাসা পেয়ে এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চাইলেন এই উপস্থাপক।
‘ফুডকা’ নামের একটি ফুড ভ্লগিং প্রজেক্টের অংশ হিসেবে দিনকয়েক আগে বাংলাদেশে এসেছেন মীর। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে নানা পদের খাবার খেয়েছেন। এখন আছেন কক্সবাজারে। যখনই রাস্তায় বেরুচ্ছেন, তাকে ঘিরে ধরছে তরুণরা। সেলফি তুলছে, অটোগ্রাফ নিচ্ছে, কথা বলার চেষ্টা করছে। এসবে অভিভূত মীর আফসার আলী।
একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে মীর বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আমাকে এতটা ভালোবাসে, যা আমার কাছে রীতিমতো অবিশ্বাস্য। ঢাকায় আসার প্রথম তিন দিনে তিন শতাধিক নিমন্ত্রণ পেয়েছি। শুধু কি মানুষের ভালোবাসা, এখানকার খাবার-দাবারও অসাধারণ। এই ভালোবাসা ছেড়ে যেতে চাই না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি নাগরিকত্ব দেন, তাহলে এখানেই থেকে যাবো।