27.5 C
Dhaka, BD
বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৬, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে এতিমখানা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে বেসরকারি সকল এতিমখানা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সোমবার ৩১ জানুয়ারি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। সদর উপজেলার ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট প্রাপ্ত বেসরকারি এতিমখানার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও তত্ত্বাবধায়কদের অংশগ্রহণে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে।

এ উপলক্ষে এদিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁও সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আল মামুন।

পরে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,
সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আ’লীগ সভাপতি অরুনাংশু দত্ত টিটো,ইউএনও আবু তাহের মো.সামসুজ্জামান।
এছাড়াও সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত: ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশের জনগণ অবহেলিত দুঃস্থ এতিম শিশুদের প্রতিপালনের দায়িত্ব গ্রহণে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশের সকল ধর্মীয় জনগনেরই এতিম শিশুদের লালনপালনের জন্য বেসরকারিভাবে এতিমখানা পরিচালনা করে আসছে। এরই প্রেক্ষিতে এসব এতিমখানা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত করার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তর এ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে সংশ্লিষ্ঠ সুত্র জানিয়েছেন।

ধামরাইয়ে অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন ,ধামরাই(ঢাকা)থেকেঃ-ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির সৃষ্ট ধোঁয়ার ফলে শ্বাস কষ্টসহ নানা ধরনের জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং এলাকার লোকজনের গরুসহ বিভিন্ন জাতের প্রাণী মারা যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুকির মুখে পড়ছে বলে এলাকাবাসির দাবি করেছে। এছাড়া ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির ফলে তিন ফসলি জমিসহ বিভিন্ন গাছের ফলও ঝরে পড়ছে । যার কারণে এলাকায় আজকাল কোন গাছের ফল দেখা যায়না। শুধু তাই নয় আবার বিভিন গাছ কেটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে এলাকার গাছপালা উজার করে ফেলছে, যা পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরুপ।প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে আইনের তোয়াক্কা না করে অনুমোদনহীন কারখানায় করে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি করিতেছে ধামরাই উপজেলার নান্নার ইউনিয়নে মোঃ আরিফ হোসেন নামে এক ব্যাক্তি। তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধ ব্যবসা করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে । এই যেন দেখার কেউ নেই।পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি করার ফলে পরিবেশের মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে এলাকাবাসির দাবি। কারণ ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি এবং কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার ফলে কালো ধোঁয়ার কারণে আশ পাশের এলাকায় লোকজনের দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ধরনের অজানা রোগ এবং ছোট বড় সকলের দেখা দিয়েছে শ্বাসকষ্ট। এই ব্যাপারে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার ফলে উল্টো প্রতিবাদ কারীদের বিভিন্ন হামলা মামলার ভয় দেখিয়ে এলাকা ছাড়ার হুমকি প্রদান করে বলে এলাকার লোকজনের অভিযোগে তা উঠে এসেছে। ফলে অসহায় হয়ে পড়েছে লোকজন।তাই এলাকাবাসির কষ্ট তাদের দেখার কেউ নেই।অনুসন্ধানে দেখা গেছে ঔ কারখানার চারপাশের বাড়ীর টিনের তৈরি ঘরগুলি, সিসার তৈরি এবং কাঠপুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারণে টিনগুলি ছিদ্র ছিদ্র হয়ে গেছে। কারণ পুরাতন ব্যাটারী ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার সময় দেখা গেছে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া চারদিকে ছড়িয়ে পরার কারণে ভেশে আসে ঝাঁঝালো গন্ধ। এতে দেখাগেছে আশ পাশের যত গাছপালা আছে তাতে কোন রকমের ফল হয়না। যা পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরুপ শুধু তাই নয় মানুষের জন্য ও বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে বলে অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে।অনুসন্ধানে আর দেখা গেছে রাতের অধারে শ্রমিকরা কোন প্রকার নিরাপত্তা বলাই না রেখে হাতে মুখে গ্লাভস ও মাক্স না পরে আগুন জ্বালিয়ে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করিতেছে। শ্রমিকদের জিঞ্জাসাবাদ করে জানাযায়, এই ভাবে রাতে একই চুল্লিতে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সেই ব্যাটারী থেকে সিসা বের করা হয়। পরে সেই সিসা আবার লোহার তৈরি কড়াইয়ে ঢেলে পাটা তৈরি করা হয় এবং প্রতিটি পাটার ওজন প্রায় ৩০/৩২ কেজি।পরে সে গুলি বাজারে বিক্রি করা হয়। তবে কারখানার অনুমোদন নিয়ে একাদিকবার প্রশ্ন করা হলে মেলেনি কোন উত্তর।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন, আমার বাড়ীর পাশে এই কারখানার কারণে আমিসহ আমার বাড়ীর ছোট ছেটে বাচ্চারা শ্বাসকষ্টেসহ নানা ধরণের রোগে ভুক্তে হচ্ছে। আমিসহ এলাকার সবায় মিলে আরিফকে বার বার নিষেধ করা হলেও সে আমাদের অনুরোধ না শনে উল্টো বিভিন্ন ধরনের মামলা হামলার ভয়-ভীতি দেখায়।আমার এখন অসহায় হয়ে পড়েছি। তাই আমাদের দাবি যাতে এই অবৈধ সিসা কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়।এই বিষয়ে কাঠপুড়িয়ে কয়লা তৈরি হেড মিস্ত্রি মোঃ আবুল হোসেন জানান, ভাই কাগজপত্র সর্ম্পকে আমরা কিছু বলতে পারব না। এই গুলি সর্ম্পকে মালিক ভাল বলতে পারবে। আমরা জানি এই কাজ করলে আমাদের বিভিন্ন ধরনের অসুখ হবে কি করব পেটের দুঃখে কাজ করে খায়।এই ব্যাপারে নান্নার গ্রামের মোঃ আতা মিয়া বলেন, পুরানো ব্যাটারীর সিসা গলানোর কারণে এলাকার অনেক মানুষের বিভিন্ন ধরণের রোগবালায় সহ মারাত্মক শ্বাসকষ্টের রোগে ভুকতেছে।এই ব্যাপারে একই গ্রামের মোঃ আতামিয়ার সাথে কথা বলে জানাযায়, জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে সেই সাথে এলাকার গাছ পালার সকল ফল ও জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। তিনি আর বলেন এসিডযুক্ত ধোঁয়া নির্গত হওয়ায় জমির ফসলের ক্ষতির কারণ।এই ব্যাপারে ব্যাটারী কারখানার মালিক মোঃ আরিফ হোসেনের সাথে কথা বলতে গেলে সে বলে, আপনারা যা পারেন তা করেন।আমি ৩২বছর যাবত এই পেশার সাথে জড়িত। আপনাদের চাইতে বড় বড় সাংবাদিক আমার কিছু করতে পারে নাই। যান যান যা পারেন করেন।এই বিষয়ে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নুর রিফাত আরা বলেন, ব্যাটারী ও কাঠ পুড়ানোর ফলে কার্বন ও সিসা উৎপন্ন হয়।পওে সে গুলি বাতাসের সাথে মিশে মানব দেহের ক্ষতি করে। যেমন মানুষের শ্বাস কষ্টজনিত রোগ, অ্যালার্জি,চর্মরোগ, চোখে কম দেখাসহ নানা ধরণের রোগ দেখা দেয়।এই ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আরিফুল হাসান বলেন,সিসা এমনি এক খারাপ পদার্থ। এই সিসা যেখানে পরবে সেখানে কোন ধরনের ফসল হবে না। হলেও সেটা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর।এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি বলেন,অবৈধ সিসা কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে আইন অনুযাযী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আর বলেন যা মানবদেহের জন্য হুমকিস্বরুপ ও জমির ফসলের জন্য ক্ষতিকর সেই কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হবে।ধামরাইয়ে অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন ,ধামরাই(ঢাকা)থেকেঃ-ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির সৃষ্ট ধোঁয়ার ফলে শ্বাস কষ্টসহ নানা ধরনের জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং এলাকার লোকজনের গরুসহ বিভিন্ন জাতের প্রাণী মারা যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুকির মুখে পড়ছে বলে এলাকাবাসির দাবি করেছে। এছাড়া ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির ফলে তিন ফসলি জমিসহ বিভিন্ন গাছের ফলও ঝরে পড়ছে । যার কারণে এলাকায় আজকাল কোন গাছের ফল দেখা যায়না। শুধু তাই নয় আবার বিভিন গাছ কেটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে এলাকার গাছপালা উজার করে ফেলছে, যা পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরুপ।প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে আইনের তোয়াক্কা না করে অনুমোদনহীন কারখানায় করে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি করিতেছে ধামরাই উপজেলার নান্নার ইউনিয়নে মোঃ আরিফ হোসেন নামে এক ব্যাক্তি। তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধ ব্যবসা করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে । এই যেন দেখার কেউ নেই।পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি করার ফলে পরিবেশের মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে এলাকাবাসির দাবি। কারণ ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি এবং কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার ফলে কালো ধোঁয়ার কারণে আশ পাশের এলাকায় লোকজনের দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ধরনের অজানা রোগ এবং ছোট বড় সকলের দেখা দিয়েছে শ্বাসকষ্ট। এই ব্যাপারে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার ফলে উল্টো প্রতিবাদ কারীদের বিভিন্ন হামলা মামলার ভয় দেখিয়ে এলাকা ছাড়ার হুমকি প্রদান করে বলে এলাকার লোকজনের অভিযোগে তা উঠে এসেছে। ফলে অসহায় হয়ে পড়েছে লোকজন।তাই এলাকাবাসির কষ্ট তাদের দেখার কেউ নেই।অনুসন্ধানে দেখা গেছে ঔ কারখানার চারপাশের বাড়ীর টিনের তৈরি ঘরগুলি, সিসার তৈরি এবং কাঠপুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারণে টিনগুলি ছিদ্র ছিদ্র হয়ে গেছে। কারণ পুরাতন ব্যাটারী ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার সময় দেখা গেছে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া চারদিকে ছড়িয়ে পরার কারণে ভেশে আসে ঝাঁঝালো গন্ধ। এতে দেখাগেছে আশ পাশের যত গাছপালা আছে তাতে কোন রকমের ফল হয়না। যা পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরুপ শুধু তাই নয় মানুষের জন্য ও বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে বলে অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে।অনুসন্ধানে আর দেখা গেছে রাতের অধারে শ্রমিকরা কোন প্রকার নিরাপত্তা বলাই না রেখে হাতে মুখে গ্লাভস ও মাক্স না পরে আগুন জ্বালিয়ে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করিতেছে। শ্রমিকদের জিঞ্জাসাবাদ করে জানাযায়, এই ভাবে রাতে একই চুল্লিতে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সেই ব্যাটারী থেকে সিসা বের করা হয়। পরে সেই সিসা আবার লোহার তৈরি কড়াইয়ে ঢেলে পাটা তৈরি করা হয় এবং প্রতিটি পাটার ওজন প্রায় ৩০/৩২ কেজি।পরে সে গুলি বাজারে বিক্রি করা হয়। তবে কারখানার অনুমোদন নিয়ে একাদিকবার প্রশ্ন করা হলে মেলেনি কোন উত্তর।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন, আমার বাড়ীর পাশে এই কারখানার কারণে আমিসহ আমার বাড়ীর ছোট ছেটে বাচ্চারা শ্বাসকষ্টেসহ নানা ধরণের রোগে ভুক্তে হচ্ছে। আমিসহ এলাকার সবায় মিলে আরিফকে বার বার নিষেধ করা হলেও সে আমাদের অনুরোধ না শনে উল্টো বিভিন্ন ধরনের মামলা হামলার ভয়-ভীতি দেখায়।আমার এখন অসহায় হয়ে পড়েছি। তাই আমাদের দাবি যাতে এই অবৈধ সিসা কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়।এই বিষয়ে কাঠপুড়িয়ে কয়লা তৈরি হেড মিস্ত্রি মোঃ আবুল হোসেন জানান, ভাই কাগজপত্র সর্ম্পকে আমরা কিছু বলতে পারব না। এই গুলি সর্ম্পকে মালিক ভাল বলতে পারবে। আমরা জানি এই কাজ করলে আমাদের বিভিন্ন ধরনের অসুখ হবে কি করব পেটের দুঃখে কাজ করে খায়।এই ব্যাপারে নান্নার গ্রামের মোঃ আতা মিয়া বলেন, পুরানো ব্যাটারীর সিসা গলানোর কারণে এলাকার অনেক মানুষের বিভিন্ন ধরণের রোগবালায় সহ মারাত্মক শ্বাসকষ্টের রোগে ভুকতেছে।এই ব্যাপারে একই গ্রামের মোঃ আতামিয়ার সাথে কথা বলে জানাযায়, জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে সেই সাথে এলাকার গাছ পালার সকল ফল ও জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। তিনি আর বলেন এসিডযুক্ত ধোঁয়া নির্গত হওয়ায় জমির ফসলের ক্ষতির কারণ।এই ব্যাপারে ব্যাটারী কারখানার মালিক মোঃ আরিফ হোসেনের সাথে কথা বলতে গেলে সে বলে, আপনারা যা পারেন তা করেন।আমি ৩২বছর যাবত এই পেশার সাথে জড়িত। আপনাদের চাইতে বড় বড় সাংবাদিক আমার কিছু করতে পারে নাই। যান যান যা পারেন করেন।এই বিষয়ে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নুর রিফাত আরা বলেন, ব্যাটারী ও কাঠ পুড়ানোর ফলে কার্বন ও সিসা উৎপন্ন হয়।পওে সে গুলি বাতাসের সাথে মিশে মানব দেহের ক্ষতি করে। যেমন মানুষের শ্বাস কষ্টজনিত রোগ, অ্যালার্জি,চর্মরোগ, চোখে কম দেখাসহ নানা ধরণের রোগ দেখা দেয়।এই ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আরিফুল হাসান বলেন,সিসা এমনি এক খারাপ পদার্থ। এই সিসা যেখানে পরবে সেখানে কোন ধরনের ফসল হবে না। হলেও সেটা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর।এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি বলেন,অবৈধ সিসা কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে আইন অনুযাযী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আর বলেন যা মানবদেহের জন্য হুমকিস্বরুপ ও জমির ফসলের জন্য ক্ষতিকর সেই কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

রাণীশংকৈলে ৭৬ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার-২

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকলে মিঠুন (২৮) এবং শাহাজামাল (৩০) নামে দুই মাদক কারবারিকে সোমবার ২৫ জানুয়ারি ভোররাতে ৭৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করেছে থানা পুলিশ।

মিঠুন উপজেলার দোশিয়া গ্রামের এন্তাজের ও শাহাজামাল পশ্চিম ভান্ডারা গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে।

থানা সুত্র জানা গেছে, থানা পুলিশের একটি মাদক অভিযান পরিচালনাকারী টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরশহরের রাজবাড়ি সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর থেকে মিঠুনকে ২২ পিস এবং শাহাজামালকে ৫৪ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

রাণীশংকৈল থানা ওসি তদন্ত আব্দুল লতিফ সেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ৭৬ পিস ইয়াবাসহ মিঠুন ও শাহাজাহানকে গ্রফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে জেলা জেল পঠানো হয়েছে।

মাগুরায় শতভাগ করোনা টিকা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণটিকা কর্মসূচি উদ্বোধন

আশরাফ হোসেন পল্টু ,মাগুরা: মাগুরা জেলার ৪টি উপজেলা মাগুরা সদর, শ্রীপুর, শালিখা ও মহম্মদপুর উপজেলার ৩৬টি ইউনিয়নে করোনা টিকার শতভাগ নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে মাগুরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার সকালে একযোগে গণটিকা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

মাগুরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জুলিয়া সুকায়না শ্রীপুর উপজেলা সদরের মা ও শিশু কেন্দ্রে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিউজা-উল-জান্নাহ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্যামানন্দ কুÐু, শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন পল্টু প্রমুখ।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিউজা-উল-জান্নাহ বলেন, এখন পর্যন্ত যারা করোনা টিকার একটি ডোজও গ্রহণ করেননি একমাত্র তাদের জন্যই মূলত এ ভ্যাক্সিনেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে । জেলা ৩৬ টি ইউনিয়নে একযোগে এ টিকা দান কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয় । স্বাস্থ্য বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় জেলা, উপজেলা প্রশাসন ও আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী প্রথম থেকেই এবিষয়ে নিষ্ঠার সংগে কাজ করে যাচ্ছেন।

শতভাগ ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচি সফল করতে সবাই কে একসাথে মিলে-মিশে কাজ করার আহবান জানান।

গফরগাঁওয়ে ডাকাত আতঙ্কে নজি বসতভটিায় উঠতে পারছনে না ষার্টোধ্ব গোলন্দাজ”

স্টাফ রিপোর্টার: ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজলোর নগিুয়ারী ইউনয়িনরে চাকুয়া গ্রামরে মৃত আব্দুল গণি শখেরে সন্তান মোঃ গোলন্দাজ ময়িা।

গত ২৭বছর যাবত নজি বসতভটিায় ফসলি জমতিে চাষাবাদ করে কোনরকম জীবন-যাপন করে আসছলি ষার্টোধ্ব গোলন্দাজ। এলাকার কছিু ভূমদিস্যুর নজর পড়ে গোলন্দাজ এর জমরি উপর।

গোলন্দাজ পরবিার ও  নাম উল্লখে না করা র্শতে এলাকাবাসী কয়কেজন জানান, র্দীঘদনি যাবৎ গোলন্দাজ এর পতৈৃক সম্পত্তি নয়িে বরিোধ চলে আসছলি। বশে কছিুদনি ধরে র্কোটে মামলা চলমান অবস্থায় নষিধোজ্ঞা জারি করা হয় তাদরে সম্পদরে উপর। তব,ে আদালতরে আদশে অমান্য করে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দখেযি়ে স্থানীয় দুস্কৃতকিারী অবধৈভাবে জমতিে বাঁশরে খুঁটি দযি়ে জবর দখলরে চষ্টো করে বলে অভযিোগ গোলন্দাজরে।

স্থানীয় ডাকাতদল জোরর্পূবক জমটিি দখলে নয়িে শুরু করে দয়ে সবজি চাষ। জমরি মালকি গোলন্দাজ জমি দখলে বাধা দওেয়ায় দশেীয় অস্ত্রশস্ত্র নযি়ে গোলন্দাজ কে হামলা করে এবং স্থানীয়দরে সহযোগতিায় প্রাণে বঁেচে যায় ষার্টোধ্ব গোলন্দাজ। তার অভযিোগ, প্রতনিযি়তই তাদরেকে ডাকাতদল হুমকি দযি়ে যাচ্ছনে প্রাণনাশরে। এই ঘটনায় গোলন্দাজ পাগলা থানায় একটি অভযিোগ দায়রে করেন ।

এলাকাবাসীর অভযিোগ, বভিন্নি সময়ে ডাকাতি সন্ত্রাসী র্কাযকলাপে এলাকায় ত্রাসরে রাজত্ব কায়মে করছনে স্থানীয় ডাক্তাত দলটি ।

গোলন্দাজ এর সম্পত্তরি তফসলি, জলো ময়মনসংিহ ,থানা পাগলা ,মৌজা চাকুয়া খতযি়ান নং এসএ বআিরএস ২২৫ ,২৩৭৩ ,দাগ নং এস এ ৪৮৪, জমরি পরমিাণ ৪৩ শতাংশ , জমরি চৌহদ্দি উত্তরে রহমান গং, দক্ষনিে প্রথম পক্ষ নজি, র্পূবে আবুল-কালাম গং,পশ্চমিে প্রথম পক্ষ।

সিংগাইরে চোরায় গরুসহ এক পেশাদার গরুচোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (ভিডিও)

স্টাফ রিপোর্টার: মানিকগঞ্জের সিংগাইরে চোরায় গরুসহ শামিম নামে এক পেশাদার গরুচোরকে গ্রেফতার করেছে সিংগাইর থানা পুলিশ ।

সিংগাইর থানা পুলিশ লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি ) সকালে সিংগাইর উপজেলার বালিয়াডাংগী গ্রাম থেকে শামিমকে আটক করে জেলহাজতে পেরন করেন। উদ্ধারকৃত গরুটি বাদীর জিম্বায় দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে চুরির সাথে জরিত আরেক অপরাধী রাসেলকে গ্রেফতারের চেষ্ঠা চলছে বলে জানান শান্তিপুর ফাঁড়ির উপ পুলিশ পরিদর্শক জাকির হোসেন ।

এ বিষয়ে সিঙ্গাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শফিকুল ইসলাম মোল্লা বলেন,অভিযান চালিয়ে পেশাদার চোর চক্রের এই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাকিদের ও গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে,উদ্ধার গরু আদালতের মাধ্যমে মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হবে ।

রাণীশংকৈলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) ও ওমিক্রন প্রতিরোধে এবং সরকারের দেয়া ১১টি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের জন্য বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) উপজেলা প্রশাসন জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এরই অংশ হিসাবে এদিন সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ উপজেলা চত্বর থেকে শিবদিঘী মোড় পর্যন্ত প্রায় এক হাজার পথচারিদের মাঝে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করেন।

সেই সাথে তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে জনসাধারণকে চলাফেরাসহ ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করা এবং সরকারের দেয়া বিধি নিষেধ মেনে চলার আহবান জানান।

এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী
উপস্থিত ছিলেন।জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান।

তালতলীতে ৪দিনেও খোজ মেলেনি মাদ্রাসা ছাত্র ইয়ামিনের

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার তালতলীতে নিখোঁজ হওয়া মাদ্রাসাছাত্র ইয়ামিনের খোঁজ মিলেনি ৪ দিনেও।

উপজেলার সওদাগর পাড়া গ্রামের মোঃ ইয়াছিন মিয়ার পুত্র ইয়ামিন (১২) তালতলী মালিপাড়া হিফজুল কোরআন মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের ছাত্র।

হিফজুল কোরআন মাদ্রাসার মুহতামিম মোঃ আরিফুর রহমান ও তালতলী থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিতে জানা গেছে, ওই মাদ্রাসার ছাত্র মোঃ ইয়ামিন ১১ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কেহর কাছে না বলে মাদ্রাসা হইতে বাজারের দিকে চলিয়া যায়। সে সন্ধ্যায় আর মাদ্রাসায় না ফিরলে শিক্ষকরা খোঁজ নিয়ে জেনে তার অভিভাবকদের কাছে জানায়। রাতে অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে আর পাওয়া যায়নি।

পরদিন ১২ জানুয়ারি সকালে তার পিতা ইয়াসিন এসে তালতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। যার নং-৪৪৭, তারিখঃ ১৫-০১-২০১১ইং।

সিঙ্গাইরে অজ্ঞাত এক নারীর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার

সিঙ্গাইর(মানিকগঞ্জ)প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে অজ্ঞাত নারীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছেন থানা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের ওয়াইজনগর চকবাড়ি বিল থেকে আনুমানিক ৩৬ বছর বয়সী ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার নাম পরিচয় জানা যায়নি।

থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সাড়ে ১১ টার দিকে সিঙ্গাইর উপজেলার চান্দহর ইউনিয়নের ওয়াইজনগর চকবাড়ী বিলে বস্তাবিন্দী এক যু্বতীর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশ খবর দেয় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

।এ ঘটনায় সিংগাইর সার্কেলের এএসপি মোহা. রেজাউল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিঙ্গাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সফিকুল ইসলাম মোল্লা বলেন, লাশটি উদ্ধার করে বিকেলে ময়না তদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তার গলায় কাটা চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ৩/৪ দিন আগে দুর্বত্তরা তাকে হত্যার পর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে বিলের পানিতে ফেলে দেয়।

বাউলের ছদ্মাবরণে ‌ সেলিম ফকির , কেটে গেল ২০ বছর ।

ডেস্ক নিউজ : বাউল হিসেবে তাঁর পরিচিতি । ‘ভাঙা তরি ছেঁড়া পাল’ গানের বাউল মডেল হিসেবে তার রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। সবাই বলে, সেলিম ফকির। কিন্তু আসলে তিনি একাধিক হত্যা মামলার আসামি একজন সিরিয়াল কিলার ।

বাউলবেশে দীর্ঘ ২০ বছর নিজেকে আড়াল করে রেখেছিলেন ভযংকর এই সিরিয়াল কিলার সেলিম। আসল পরিচয় গোপন করতে বেশভূষা পরিবর্তন করে তিনি বড় চুল ও দাঁড়ি রাখেন। পলাতক থেকে তিনি বাউল গান ও গানের মডেলিং করতেন বলেও জানা যায় ।

গেল রাতে তাকে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমকে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া শাখার পরিচালক, কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানিয়েছেন, আলোচিত ‘ভাঙা তরি ছেঁড়া পাল’ গানের মডেল সেলিম ফকির ছিলেন ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার।

উত্তরবঙ্গ এলাকায় তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলা আছে। এসব মামলায় তার সাজাও আছে। কিন্তু তিনি নিজেকে আড়াল করতে সবসময় বিভিন্ন বেশভূষা ধারণ করেন। নিজেকে আত্মগোপনে রাখতে বিভিন্ন সময় মাজার বা রেলস্টেশনে থাকতেন সিরিয়াল কিলার সেলিম।

আগামীকাল সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

সর্বশেষ আপডেট...