স্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশ আন্তঃজিলা ট্রাক চালক ইউনিয়ন,তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ট্যানারি শিল্প নগরী হেমায়েতপুর শাখা এর উদ্যোগে এক বিশাল বাউল গানের আয়োজন করা হয়েছে ।
আগামী (২৯ অক্টোবর) শুক্রবার রাত ৯ টায় সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুর বাস স্টান্ড সংলগ্ন ,মোল্লা মার্কেটের সামনে এই বাউল গানের আয়োজন করা হয়েছে ।
উক্ত বাউল গান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব । অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম সমর।
বাউল গান অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করবেন মোঃ ইমান আলী সভাপতি বাংলাদেশ আন্তঃজিলা ট্রাক চালক ইউনিয়ন ,তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ট্যানারি শিল্প নগরী হেমায়েতপুর ,সাভার ,ঢাকা । অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন মোহাম্মদ সুমন আহম্মেদ, সম্পাদক বাংলাদেশ আন্তঃজিলা ট্রাক চালক ইউনিয়ন, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ট্যানারি শিল্প নগরী হেমায়েতপুর শাখা সাভার ,ঢাকা ।
চৌধুরী তানভীর আহম্মেদ, ঢাকাঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টার মন্ডলীর সদস্য, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের যুগ্ম-আহবায়ক, বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সদস্য, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এর বার বার নির্বাচিত সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর সাবেক সম্পাদক/সভাপতি গরীবের আইনজীবী খ্যাত সর্বজন শ্রদ্ধেয় জেষ্ঠ্য আইজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার বুধবার সকাল আনুঃ সোয়া ৮টায় ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।)
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩বছর। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ে মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্খী রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে মেরুদন্ডের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন আবদুল বাসেত মজুমদার। গত ৩০সেপ্টেম্বর তাঁকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার (২৫ অক্টোবর) তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। বুধবার বাদ জোহর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে প্রথম জানাযা শেষে তাঁকে কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হবে। কুমিল্লার নিজ বাড়িতে জানাজা শেষে সেখানেই তাঁকে দাফন করা হবে বলে তাঁর ছেলে অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা জানিয়েছেন।
তাঁর মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ কেন্দ্রীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য এডভোকেট শহীদুল ইসলাম টিটু ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জিয়াউল হক চৌধুরী বাবু শোক প্রকাশসহ শোকসন্তপ্তÍ পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৩৮সালের ১জানুয়ারি কুমিল্লার লাকসাম (বর্তমানে লালমাই) উপজেলার শানিচোঁ গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন আবদুল বাগেু মজুমদার। বাবা আব্দুল আজিজ মজুমদার, মা জোলেখা বিবি। স্থানীয় হরিচর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক (এসএসসি) এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে আইএ (এইচএসসি) ও বিএ পাস করেন তিনি। এরপর প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ও আইন বিষয়ে ডিগ্রি নেওয়ার পর তিনি আইন পেশায় যোগ দেন। ১৯৬৬ সালে ঢাকা হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। নির্ধারিত বেতন-ভাতাহীন কঠিন পথযুক্ত আইন পেশায় বিচার প্রার্থীদের পাশে দাঁড়ান একাধারের ৫০বছরের বেশি সময় ধরে। ছিলেন জুনিয়র আইনজীবীবান্ধব নেতা। তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা আদালত পাড়ার কমবেশি সবাই করেন।
ভালো আইনজীবীর পাশাপাশি দক্ষ নেতৃত্বও ছিলো তাঁর মধ্যে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন প্রবীণ এই আইনজীবী।
শুধু আইনজীবীই নন, রাজনীতিতেও সম্পৃক্ত ছিলেন সমানতালে। মৃত্যুর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছিলেন বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহবায়ক। দুস্থ আইনজীবীদের জন্য নিজের নামে ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেন। যেখান থেকে দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতিতে এই ফান্ড থেকে অর্থ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘ পেশাজীবনে ২০হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনামূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে আইনি সহায়তা দিয়েছেন তিনি। গরিবের আইনজীবী হিসেবে খ্যাত আবদুল বাসেত মজুমদার আইন পেশায় ৫৬বছর পার করেছেন। এদিকে বাংলাদেশের এই প্রবীণ জেষ্ঠ্য আইনজীবীর মৃত্যুতে আইন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কুষ্টিয়ায় এক দরবারে ভক্ত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি পিরের জায়গায় অন্য কেউ আত্মসমর্পণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলার সাক্ষীরা আদালতকে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তিকে মূল আসামি নয়।
জেলার দৌলতপুর আমলি আদালতে সোমবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আনা হলে সাক্ষীরা তাকে ভুয়া আসামি বলে শনাক্ত করেন।
ওই ঘটনার পর আত্মসমর্পণ করা ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হলে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের কাছে মূল আসামির জাতীয় পরিচয়পত্রও চাওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, চলতি বছরের ৬ জুন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার চরদিয়ার কল্যাণপুর দরবার শরীফে ভক্ত রাশেদুল ইসলাম রাশেদকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করে দরবারের লোকজন। পরে তাকে দরবারের বাগানে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
নিহত রাশেদ দৌলতপুর উপজেলার হরিণগাছী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি ওই দরবার শরীফের পির সৈয়দ তাছের আহমেদের মুরিদ ছিলেন। ঘটনার ৪-৫ মাস আগে থেকে তিনি দরবারে বসবাস করা শুরু করেন।
এ ঘটনায় রাশেদের বাবা আব্দুর রাজ্জাক পির তাছেরকে প্রধান আসামি করে দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
এ মামলায় পুলিশ ৬ আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। তবে দৌলতপুর উপজেলার কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা আসামি পির তাছেরসহ তার অন্য ভক্ত-অনুসারীরা আত্মগোপনে যান।
সবশেষ গত ১৭ অক্টোবর পির তাছের হিসেবে একজন কুষ্টিয়ার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিসহ বিদেশি শ্রমিকদের আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কোনো প্রকার দালাল ছাড়াই কর্মীদের নিজ নিয়োগকর্তার মাধ্যমে বৈধতা গ্রহণ করতে বলেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি হামজা জাইনউদ্দিন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, সরকারের দেওয়া সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পরও যে সব নিয়োগকর্তা তাদের অবৈধ কর্মীদের বৈধতার আওতায় আনবে না সেসব নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। ৩১ ডিসেম্বরের পর অবৈধদের ধরতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় যৌথ উদ্যোগে চিরুনি অভিযান চালানো হবে বলেও জানান তিনি।
রিক্যালিব্রেশন লেবার প্রোগ্রামে প্রথম দিকে শুধুমাত্র নির্মাণ, উৎপাদন, চাষ ও কৃষি খাতে বৈধতার ঘোষণা দিলেও পরবর্তিতে সোর্সকান্ট্রি বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশের অবৈধ বিদেশি কর্মীদের সার্ভিস সেক্টরের চারটি সাব সেক্টর- রেস্তোরাঁ, কার্গো, পরিষেবা এবং হোলসেল ও রিটেইলারে বৈধতার সুযোগ প্রদান করা হয়।
এছাড়া ২০১১ সালে ৬পি এবং ২০১৬ সালে রি-হায়ারিং প্রোগ্রামে নাম নিবন্ধন করেও বৈধ হতে পারেননি সেসব কর্মী, বৈধতা নিতে তারাও নিবন্ধিত হতে পারবেন এবং যেসব কর্মী কোম্পানি থেকে পালিয়ে অন্যত্রে চলে গেছেন তবে তাদের বিরুদ্ধে কোম্পানি কর্তৃক যদি কোনো পুলিশ রিপোর্ট না থাকে তাহলে তারাও বৈধতা গ্রহণ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
রিক্যালিব্রেশনের লেবার কর্মসূচি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ২ লাখ ১২ হাজার ৯২৬ জন অবৈধ অভিবাসী নিবন্ধিত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩৪ হাজার ৩১৮ জন তাদের যাচাই প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ হয়েছেন বাকি আরও ২০ হাজার ৮৮৯ জন যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় ব্যর্থ হয়েছেন।
অন্যদিকে অভিবাসন বিভাগে আরও ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৯ জন নাম নিবন্ধন করলেও এখনও তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সোমবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কেন্দ্র করে শেখ হাসিনার মনোনীত নৌকার মার্কার প্রার্থী ও ধর্মগড় ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি আবুল কাশেমের নির্বাচনী প্রচারনার অংশ হিসেবে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ উপলক্ষে এদিন সন্ধায় ইউনিয়ন আ’লীগের উদ্যোগে ধর্মগড় মাদ্রাসা মাঠে সাধারণ সভার সভার সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আ’ লীগ সহ- সভাপতি মোকসেদুর রহমান। এতে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সুজন, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি সইদুল হক, সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমেদ, পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ হোসেন বিপ্লব।
আরো বক্তব্য দেন, প্রবীর আ’লীগ নেতা আব্বাস আলী, ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম মুকুল, উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী, মহিলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান,সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজা বেগম প্রমুখ।
এছাড়াও উপজেলা ও ইউনিয়ন আ’লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বক্তারা বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নৌকা মার্কার কোন বিকল্প নেই । নৌকার প্রার্থী আবুল কাশেম বলেন আমি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি , আমার জীবন যৌবন সব দলের জন্য বিলিয়ে দিয়েছি ,সেজন্য নেত্রী আমাকে নৌকা মার্কার প্রতিক দিয়েছে এ নৌকা আপনাদের সকলের, তাই আপনাদের সকলের কাছে আমি নৌকা মার্কায় ভোট চাই । আমি আমার জীবনে কারো কাছে এক টাকার বিনিময়ে কাজ করি নাই ,আমি জেলা পরিষদের সদস্য ছিলাম আমি এলাকার অনেক প্রতিষ্ঠানে লক্ষ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছি। মসজিদ মন্দির নির্মাণের জন্য টাকা দিয়েছি । তাই আমি নির্বাচিত হলে এলাকার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবো ইনশাআল্লাহ ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক।
স্টাফ রিপোর্টার: আচরন বিধি লঙ্ঘন করায় মানিকগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের সামনে ও মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল এলাকায় থেকে দালাল চক্রের ১৬ জনকে আটক করেছে র্যাব-৪ সিপিসি-৩ মানিকগঞ্জ।
রবিবার ২৪/১০/২১ সকাল ০৯:০৫ মিনিট হতে সকাল ১১:৩০টা পর্যন্ত,মানিকগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট অফিস এলাকায় ও মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মোহাম্মদ যুবায়ের হোসেন এর সহায়তায় পৃথক পৃথক দুইটি মোবাইল কোর্ট অভিযানে মোট ১৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করেন ।
আসামীদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ এবং দুই জন মহিলা। অভিযান চালিয়ে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাদেরকে ০৭ দিন করে কারাদন্ড প্রদান করেন। ১ম অভিযানের দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন – রাসেদুল (৩৫), পিতা-রেজাউল হাসান, গ্রাম-বেউথা, থানা- মানিকগঞ্জ সদর জেলা- মানিকগঞ্জ, রায়হান (৩৫) পিতা- মৃত গোলাম মোস্তফা, গ্রাম -পশ্চিম বান্দুটিয়া ,থানা- মানিকগঞ্জ সদর জেলা- মানিকগঞ্জ, মোঃ আরিফ (৩৪), পিতা- ফরহাদ, গ্রাম- থানা মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ, শাওন (২৪) , পিতা- আকিকুর, গ্রাম- পশ্চিম বান্দুটিয়া, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ, মেহেদী হাসান সুজন (২৮), পিতা- সাইজুদ্দিন গ্রাম- পশ্চিম বান্দুটিয়া, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ, রাসেল মিয়া (৩৮),পিতা -আব্দুল মোতালেব, গ্রাম- পশ্চিম বান্দুটিয়া, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ, শাহজাহান (৪৫). পিতা- খোরশেদ, গ্রাম- পশ্চিম বান্দুটিয়া, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ।
দ্বিতীয় অভিযানে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল এলাকায় সকাল ১২:৩০ মিনিট হইতে দুপুর ২ টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সদর হাসপাতালে দালাল চক্রের ০৯ জন সদস্যকে আটক করেন। যাহার মধ্যে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ০২ জন মহিলা ও ০১জন পুরুষকে ০৭ দিন করে এবং বাকী ০৬ জনকে ১০ দিন করে কারাদন্ড প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলো- জবেদা(৪০), পিতা জাবেদ আলী, গ্রাম- বাইচাইল, থানা- মানিকগঞ্জ, জেলা-মানিকগঞ্জ, রাশেদা(৪০), পিতা- জলিল মোল্লা, গ্রাম- তরা, থানা- ঘিওর, জেলা- মানিকগঞ্জ, সম্রাট (৩০), পিতা- কুসুম ,গ্রাম- দানকুড়া, থানা- সাটুরিয়া, জেলা- মানিকগঞ্জ, ইলিয়াস (৪০). পিতা-মৃত হাকিমুদ্দিন, গ্রাম- উত্তর সেওতা, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা-মানিকগঞ্জ, আয়নাল (৪০), পিতা- একলাস, গ্রাম-তিল্লি, থানা- সাটুরিয়া, জেলা- মানিকগঞ্জ, নাসির (৩৫), পিতা- আশরাফ, গ্রাম- বালিয়াখোড়া, থানা- ঘিওর, জেলা- মানিকগঞ্জ, নরেশ চন্দ্র শীল (৩০), পিতা মনিন্দ্র চন্দ্র শীল, গ্রাম- ডাউটিয়া, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ, মোঃ রায়হান উদ্দিন (৪০), পিতা- আবুল কাশেম, থানা- পশ্চিম দাশুড়া, জেলা- মানিকগঞ্জ, মনির হোসেন (৩০), পিতা-মৃত দেলোয়ার হোসেন ,গ্রাম- ঘিওর, থানা-ঘিওর, জেলা -মানিকগঞ্জ। দন্ড প্রাপ্ত আসামীদেরকে মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রেরনের জন্য প্রক্রিয়াধীন আছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল কমান্ডার মোহাম্মদ আরিফ হোসেন র্যাব-৪ সিপিসি-৩ মানিকগঞ্জ
হুমায়ুন কবির, প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার আলী আকবর ক্রীড়া একাডেমির খেলোয়াড়দের মাঝে শনিবার ২৩ অক্টোবর ১৮ সেট ট্র্যাক স্যুট ও জার্সি বিতরণ করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে এদিন বিকেলে পৌরশহরের রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজ মাঠে- হরিপুর উপজেলার সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম রবিউল ইসলাম সবুজ ও ঢাকাস্থ অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা অসিত কুমার মন্ডলের যৌথ সৌজন্যে এ ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বিতরণ কার্যক্রমে একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ’লী সহ- সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষা কর্মকর্তা ও একাডেমির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম রবিউল ইসলাম সবুজ, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, প্রভাষক মাহমুদুল হাসান সোহাগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জাকারিয়া হাবিব, ক্রীড়া একাডেমির কোচ মানিক হোসেন ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সাবেক সাংসদ সেলিনা জাহান লিটা তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে একাডেমির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বলেন, “অভিশপ্ত জীবন থেকে যুব সমাজকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। যুব সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়াতে হবে।
এতে স্থানীয়ভাবে খেলাধুলায় আগ্রহী যুবকরা একসময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় হবে।”
আমিনুল ইসলাম, ইবি সংবাদদাঃ দেশের বিভিন্ন জেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপর হামলা, হত্যা, মন্দির ভাঙচুর এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ তথা সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শনিবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের আয়োজনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ইবি শাখার সভাপতি(ভারঃ) ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল দেশের মানুষের সমৃদ্ধ ঠিকানা দেবার জন্য, মানবতার পতাকা তুলে ধরবার জন্য। আর সেই পতাকাই আজ পাকিস্তানী প্রেত্মাতা যারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বে, উন্নয়নে বিশ্বাস করে না তারা বার বার থাবা দিচ্ছে। এই অশুভ চক্র দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করতে চাই।দেশের মধ্যে বিঙ্খৃলা সৃষ্টি করতে চাই।
তাই অসাম্প্রদায়িক ও সম্পৃতির বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীগুলো পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। তিনি এই অশুভ চক্রকে বাংলার মাটি থেকে সমূলে উৎপাটনের জন্য সরকার প্রধানের কাছে জোরালো দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখনই দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের উপর আঘাত করছে। তাই আমাদেরকে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে এই অপশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, মুসলিম, হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধসহ সকল ধর্মের লোকেরই প্রথম পরিচিতি আমরা বাঙালী। আর এই আঘাতটা আজ বাঙালী জাতি সত্বার উপর আঘাত। তিনি বলেন, সবাই যার যার ইচ্ছেমতো নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। সেখানে স্বাধীনতা বিরোধী কুচক্রী মহল ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে দেশের মধ্যে বিঙ্খৃলা সৃষ্টি করবে তা কখনোই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে হতে দেয়া হবে না। তিনি বার বার এই ধর্মীয় আঘাতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহবান জানান।
অপর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ সম্পৃতি ও সাম্যের বাংলাদেশ। তাই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠগুলো এখানে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়াতে চাই। তারা চাই এই দেশ হবে আফগান। এদের বিরুদ্ধে এখনই আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম ধর্মে কোন ধরনের ধর্মীয় বাড়াবাড়িকারীদের জায়গা নেই।
শুরুতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠানে টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ডাঃ এস.এ মালেক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি মতিউর রহমান লাল্টু, বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন, প্রফেসর ড. অরবিন্দু সাহা, প্রফেসর ড. শাহজাহান মন্ডল, প্রফেসর ড. মামুনুর রহমান, প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারন সম্পাদক প্রফেসর ড. মাহবুবুল আরফিন।
কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি সামছুল ইসলাম জোহা, সাধারন সম্পাদক ও আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের মহাসচিব মীর মোর্শেদুর রহমান প্রমুখ।
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ দেশব্যাপী উগ্র সাম্প্রদায়িক হামলা, মন্দির ভাংচুর, বাড়িঘর লুট, অগ্নিসংযোগ ও হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে গণ অনশন এবং বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ রাজশাহী জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে সংগঠনের কেন্দ্রিয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ৯টায় নগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে এই কর্মসূচি শুরু হয়।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, মহিলা ঐক্য পরিষদ, ছাত্র ঐক্য পরিষদ, ইসকন ও রাজশাহীর সকল পূজা মণ্ডপের নেতৃবৃন্দ এতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রাজশাহী মহানগরের সভাপতি ড. সুজিত সরকারে সভাপতিত্বে গণ অনশন ও বিক্ষোভ চলাকালে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলার সভাপতি অনিল সরকার, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, সহ-সভাপতি দেবাশীষ প্রামানিক দেবু, অধ্যক্ষ রাজকুমার সরকার, জেলার সাধারণ সম্পাদক অসিত কুমার ঘোষ, মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ রনজিৎ সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ, নগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অলোক কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক শরৎ চন্দ্র সরকার, জেলার সভাপতি অম্বর সরকার, সাধারণ সম্পাদক কাঞ্চন রায় চৌধুরী, নগর সহ-সভাপতি আনন্দ কুমার ঘোষ, গৌতম দাস, বিপন্ন কুমার সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মৃদুল সাহা, ছাত্র ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক রুদ্র ধর, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সমন্বয়ক রনি সরকার, ইসকন রাজশাহী কেন্দ্রের অধ্যক্ষ রামেশ্বর দাস।
গণ অনশনের শুরুতে খেলাঘরের শিল্পীদের উদ্যোগে গণসঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। কর্মসূচিতে বক্তারা দেশব্যাপী উগ্র সাম্প্রদায়িক হামলা, মন্দির ভাংচুর, বাড়ীঘর লুট, অগ্নিসংযোগ ও হত্যার প্রতিবাদ জানান এবং এসব ঘটনায় দায়ীদের কঠোর বিচার দাবি করেন।
বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন। সকাল ৯টায় থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত এই গণ অনশন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি চলে।
হুমায়ুন কবির রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর রাতে উপজেলা আ’লীগের উদ্যোগে সম্প্রতি দুর্গাপুজায় কুমিল্লায় কোরান অবমাননার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার প্রতিবাদে মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হকের সভাপতিত্বে সভায় সভাপতি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, আ’লীগ সম্পাদক তাজউদ্দিন, আ’লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, ফরিদা ইয়াসমিন, সুকুমার মোদক, ছবিকান্ত দেব, রেজাউল ইসলাম, অনিল বসাক, প্রশান্ত বসাক, মৌলানা আব্দুল হাকিম, মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, আবু শাহানশাহ ইকবাল, আহমেদ হোসেন বিপ্লব, অমল কুমার রায়, মহাদেব বসাক, তারেক আজিজ, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি প্রাণ গোবিন্দ সাহা বাচ্চু, সম্পাদক সাধন বসাক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহাফুজা বেগম ও ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা সাদেকুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পরে আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হককে সভাপতি করে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি ও শান্তি রক্ষা কমিটি গঠন করা হয়।