26.9 C
Dhaka, BD
শনিবার, জুলাই ১৮, ২০২৬

মানিকগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস ও মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল এলাকায় থেকে দালাল চক্রের ১৬ জন আটক (ভিডিও)

স্টাফ রিপোর্টার: আচরন বিধি লঙ্ঘন করায় মানিকগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের সামনে ও মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল এলাকায় থেকে দালাল চক্রের ১৬ জনকে আটক করেছে র‍্যাব-৪  সিপিসি-৩ মানিকগঞ্জ।

রবিবার ২৪/১০/২১ সকাল ০৯:০৫ মিনিট  হতে সকাল ১১:৩০টা পর্যন্ত,মানিকগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট অফিস এলাকায় ও মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহ মোহাম্মদ যুবায়ের হোসেন এর সহায়তায় পৃথক পৃথক দুইটি মোবাইল কোর্ট অভিযানে মোট ১৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করেন ।

আসামীদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ এবং দুই জন মহিলা। অভিযান চালিয়ে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ  ম্যাজিস্ট্রেট তাদেরকে ০৭ দিন করে কারাদন্ড প্রদান করেন। ১ম অভিযানের দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন – রাসেদুল (৩৫), পিতা-রেজাউল হাসান, গ্রাম-বেউথা, থানা- মানিকগঞ্জ সদর জেলা- মানিকগঞ্জ, রায়হান (৩৫) পিতা- মৃত গোলাম মোস্তফা, গ্রাম -পশ্চিম বান্দুটিয়া ,থানা- মানিকগঞ্জ সদর জেলা- মানিকগঞ্জ, মোঃ আরিফ (৩৪), পিতা- ফরহাদ, গ্রাম- থানা মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ, শাওন (২৪) , পিতা- আকিকুর, গ্রাম- পশ্চিম বান্দুটিয়া, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ, মেহেদী হাসান সুজন (২৮), পিতা- সাইজুদ্দিন গ্রাম- পশ্চিম বান্দুটিয়া, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ, রাসেল মিয়া (৩৮),পিতা -আব্দুল মোতালেব, গ্রাম- পশ্চিম বান্দুটিয়া, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ, শাহজাহান (৪৫). পিতা- খোরশেদ, গ্রাম- পশ্চিম বান্দুটিয়া, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ।

দ্বিতীয় অভিযানে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল এলাকায় সকাল ১২:৩০ মিনিট  হইতে দুপুর ২ টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সদর হাসপাতালে দালাল চক্রের ০৯ জন সদস্যকে আটক করেন। যাহার মধ্যে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ  ম্যাজিস্ট্রেট ০২ জন মহিলা ও ০১জন পুরুষকে ০৭ দিন করে এবং বাকী ০৬ জনকে ১০ দিন করে কারাদন্ড প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলো- জবেদা(৪০), পিতা জাবেদ আলী, গ্রাম- বাইচাইল, থানা- মানিকগঞ্জ, জেলা-মানিকগঞ্জ, রাশেদা(৪০), পিতা- জলিল মোল্লা, গ্রাম- তরা, থানা- ঘিওর, জেলা- মানিকগঞ্জ, সম্রাট (৩০), পিতা- কুসুম ,গ্রাম- দানকুড়া, থানা- সাটুরিয়া, জেলা- মানিকগঞ্জ, ইলিয়াস (৪০). পিতা-মৃত হাকিমুদ্দিন, গ্রাম- উত্তর সেওতা, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা-মানিকগঞ্জ, আয়নাল (৪০), পিতা- একলাস, গ্রাম-তিল্লি, থানা- সাটুরিয়া, জেলা- মানিকগঞ্জ, নাসির (৩৫), পিতা- আশরাফ, গ্রাম- বালিয়াখোড়া, থানা- ঘিওর, জেলা- মানিকগঞ্জ, নরেশ চন্দ্র শীল (৩০), পিতা মনিন্দ্র চন্দ্র শীল, গ্রাম- ডাউটিয়া, থানা- মানিকগঞ্জ সদর, জেলা- মানিকগঞ্জ, মোঃ রায়হান উদ্দিন (৪০), পিতা- আবুল কাশেম, থানা- পশ্চিম দাশুড়া, জেলা- মানিকগঞ্জ, মনির হোসেন (৩০), পিতা-মৃত দেলোয়ার হোসেন ,গ্রাম- ঘিওর, থানা-ঘিওর, জেলা -মানিকগঞ্জ। দন্ড প্রাপ্ত আসামীদেরকে মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে প্রেরনের জন্য প্রক্রিয়াধীন আছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল কমান্ডার মোহাম্মদ আরিফ হোসেন র‍্যাব-৪  সিপিসি-৩ মানিকগঞ্জ

ঠাকুরগাঁওয়ে আলী আকবর ক্রীড়া একাডেমির খেলোয়ারদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ 

হুমায়ুন কবির, প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার আলী আকবর ক্রীড়া একাডেমির খেলোয়াড়দের মাঝে শনিবার ২৩ অক্টোবর ১৮ সেট ট্র্যাক স্যুট ও জার্সি বিতরণ করা হয়েছে।


এ উপলক্ষে এদিন বিকেলে পৌরশহরের রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজ মাঠে- হরিপুর উপজেলার সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম রবিউল ইসলাম সবুজ ও ঢাকাস্থ অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা অসিত কুমার মন্ডলের যৌথ সৌজন্যে এ ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিতরণ কার্যক্রমে একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ’লী সহ- সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষা কর্মকর্তা ও একাডেমির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম রবিউল ইসলাম সবুজ, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, প্রভাষক মাহমুদুল হাসান সোহাগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জাকারিয়া হাবিব, ক্রীড়া একাডেমির কোচ মানিক হোসেন ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সাবেক সাংসদ সেলিনা জাহান লিটা তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে একাডেমির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বলেন, “অভিশপ্ত জীবন থেকে যুব সমাজকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। যুব সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়াতে হবে।

এতে স্থানীয়ভাবে খেলাধুলায় আগ্রহী যুবকরা একসময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় হবে।”

ইবিতে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু পরিষদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

আমিনুল ইসলাম, ইবি সংবাদদাঃ দেশের বিভিন্ন জেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপর হামলা, হত্যা, মন্দির ভাঙচুর এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ তথা সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শনিবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের আয়োজনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ইবি শাখার সভাপতি(ভারঃ) ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল দেশের মানুষের সমৃদ্ধ ঠিকানা দেবার জন্য, মানবতার পতাকা তুলে ধরবার জন্য। আর সেই পতাকাই আজ পাকিস্তানী প্রেত্মাতা যারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বে, উন্নয়নে বিশ্বাস করে না তারা বার বার থাবা দিচ্ছে। এই অশুভ চক্র দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করতে চাই।দেশের মধ্যে বিঙ্খৃলা সৃষ্টি করতে চাই।

তাই অসাম্প্রদায়িক ও সম্পৃতির বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীগুলো পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। তিনি এই অশুভ চক্রকে বাংলার মাটি থেকে সমূলে উৎপাটনের জন্য সরকার প্রধানের কাছে জোরালো দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখনই দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের উপর আঘাত করছে। তাই আমাদেরকে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে এই অপশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, মুসলিম, হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধসহ সকল ধর্মের লোকেরই প্রথম পরিচিতি আমরা বাঙালী। আর এই আঘাতটা আজ বাঙালী জাতি সত্বার উপর আঘাত। তিনি বলেন, সবাই যার যার ইচ্ছেমতো নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। সেখানে স্বাধীনতা বিরোধী কুচক্রী মহল ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে দেশের মধ্যে বিঙ্খৃলা সৃষ্টি করবে তা কখনোই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে হতে দেয়া হবে না। তিনি বার বার এই ধর্মীয় আঘাতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহবান জানান।

অপর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ সম্পৃতি ও সাম্যের বাংলাদেশ। তাই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠগুলো এখানে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়াতে চাই। তারা চাই এই দেশ হবে আফগান। এদের বিরুদ্ধে এখনই আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম ধর্মে কোন ধরনের ধর্মীয় বাড়াবাড়িকারীদের জায়গা নেই।

শুরুতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠানে টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ডাঃ এস.এ মালেক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি মতিউর রহমান লাল্টু, বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন, প্রফেসর ড. অরবিন্দু সাহা, প্রফেসর ড. শাহজাহান মন্ডল, প্রফেসর ড. মামুনুর রহমান, প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারন সম্পাদক প্রফেসর ড. মাহবুবুল আরফিন।

কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি সামছুল ইসলাম জোহা, সাধারন সম্পাদক ও আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের মহাসচিব মীর মোর্শেদুর রহমান প্রমুখ।

মন্দির ভাংচুর ও হত্যার প্রতিবাদে গণ অনশন এবং বিক্ষোভ মিছিলে উত্তাল রাজশাহী জিরো পয়েন্ট

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ দেশব্যাপী উগ্র সাম্প্রদায়িক হামলা, মন্দির ভাংচুর, বাড়িঘর লুট, অগ্নিসংযোগ ও হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে গণ অনশন এবং বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ রাজশাহী জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে সংগঠনের কেন্দ্রিয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ৯টায় নগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে এই কর্মসূচি শুরু হয়।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, মহিলা ঐক্য পরিষদ, ছাত্র ঐক্য পরিষদ, ইসকন ও রাজশাহীর সকল পূজা মণ্ডপের নেতৃবৃন্দ এতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন।

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রাজশাহী মহানগরের সভাপতি ড. সুজিত সরকারে সভাপতিত্বে গণ অনশন ও বিক্ষোভ চলাকালে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলার সভাপতি অনিল সরকার, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, সহ-সভাপতি দেবাশীষ প্রামানিক দেবু, অধ্যক্ষ রাজকুমার সরকার, জেলার সাধারণ সম্পাদক অসিত কুমার ঘোষ, মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ রনজিৎ সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ, নগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অলোক কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক শরৎ চন্দ্র সরকার, জেলার সভাপতি অম্বর সরকার, সাধারণ সম্পাদক কাঞ্চন রায় চৌধুরী, নগর সহ-সভাপতি আনন্দ কুমার ঘোষ, গৌতম দাস, বিপন্ন কুমার সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মৃদুল সাহা, ছাত্র ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক রুদ্র ধর, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সমন্বয়ক রনি সরকার, ইসকন রাজশাহী কেন্দ্রের অধ্যক্ষ রামেশ্বর দাস।

গণ অনশনের শুরুতে খেলাঘরের শিল্পীদের উদ্যোগে গণসঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। কর্মসূচিতে বক্তারা দেশব্যাপী উগ্র সাম্প্রদায়িক হামলা, মন্দির ভাংচুর, বাড়ীঘর লুট, অগ্নিসংযোগ ও হত্যার প্রতিবাদ জানান এবং এসব ঘটনায় দায়ীদের কঠোর বিচার দাবি করেন।

বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন। সকাল ৯টায় থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত এই গণ অনশন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি চলে।

কুমিল্লায় কোরান অবমাননার ঘটনায় সহিংসতার প্রতিবাদে রাণীশংকৈলে র‍্যালি ও সভা

হুমায়ুন কবির রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর রাতে উপজেলা আ’লীগের উদ্যোগে সম্প্রতি দুর্গাপুজায় কুমিল্লায় কোরান অবমাননার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার প্রতিবাদে মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হকের সভাপতিত্বে সভায় সভাপতি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, আ’লীগ সম্পাদক তাজউদ্দিন, আ’লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, ফরিদা ইয়াসমিন, সুকুমার মোদক, ছবিকান্ত দেব, রেজাউল ইসলাম, অনিল বসাক, প্রশান্ত বসাক, মৌলানা আব্দুল হাকিম, মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, আবু শাহানশাহ ইকবাল, আহমেদ হোসেন বিপ্লব, অমল কুমার রায়, মহাদেব বসাক, তারেক আজিজ, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি প্রাণ গোবিন্দ সাহা বাচ্চু, সম্পাদক সাধন বসাক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহাফুজা বেগম ও ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা সাদেকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পরে আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হককে সভাপতি করে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি ও শান্তি রক্ষা কমিটি গঠন করা হয়।

ধামরাইয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৪

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই(ঢাকা)থেকেঃ-ঢাকার ধামরাইয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন চারজন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধামরাই থানায় দুই পক্ষ পাল্টা পাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানাগেছে। ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর ফকির পাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।আহতরা হলেন. মোঃ ইমরান হোসেন পিতা মোঃ লোকমান হোসেন. হায়দার আলী পিতা লোকমান হোসেন. মোঃ মামুন হোসেন. বোন সোনিয়া বেগম. পিতা মোঃ নিলা মিয়া।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রে জানাযায়. গত ১৮ সেপ্টেম্বর রোজ সোমবার দিনগত রাত ৮ ঘটিকার সময় হযরত এন্ড রবিউল হ্যান্ডিক্যাপ একটি কুটির শিল্প কারখানার শ্রমিক মামুন ও হায়দার দুইজনে কাজ করার সময় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র দুইজনের মধ্যে ব্যাকবিতন্ড হয়। এই ঘটনায় দুইজনকে মিমাংসা করার লক্ষে এক জায়গায় বসে। সেখানে মামুন ও তার পিতা নিলামিয়া চলে যাওয়ার সময় হঠাৎ করে মামুন পিছনে থেকে গিয়ে হায়দারের মাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। তখন হায়দারের ভাই ইমরান এগিয়ে গিয়ে মামুনকে ধরে। সেখানে দুই পক্ষের মারামারিতে চার জন অহত হয়। পরে গ্রামের লোকজন এসে ৯৯৯ নাইনে ফোন দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। গ্রামের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে সাভার সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এদের মধ্যে ইমরানের অবস্থা খারাপ হলে তাকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠান। পরে ইমরানের স্বজনরা তাকে সভার একটি প্রাইভেট হাসপালে ভর্তি করেন।এদিকে সোনিয়া ও মামুনকে সাভার সরকারি হাসপাতা ও এনাম মেডিকেলে ভর্তি করেন বলে জানাগেছে।প্রত্যক্ষদর্শী কারখানার শ্রমিক ও মালিক জানান, সোমবার বিকেলে কারখানায় কাজ করার সময় মামুনের মেশিন হঠাৎ নষ্ট হয়ে যায়। তখন শ্রমিক হায়দার বলেন তোমার কাছে যে মেশিন যায় সেই মেশিন তুমি নষ্ট করে ফেলো এ কথা বলার শেষ না হতে মামুন এক পর্যায়ে মালিকের ভাইকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাচ করতে থাকে মামুন। এসময় হায়দার প্রতিবাদ করতে গেলে ঘুষি মারে মামুন পরে তাদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এসময় মামুনর বোন সোনিয়া এগিয়ে এসে ভাই মামুনের সাথে মিলে হায়দারকে মারতে থাকে।

খবর পেয়ে হায়দারের বড় ভাই ইমরান এগিয়ে আসলে মামুন ও তার বোন সোনিয়া তাদের হাতে থাকা কাঁচি দিয়ে ইমরানকে মাথায়,বুকে, পিঠে আঘাত করলে নীচে ফুলোরে পড়ে যায়।পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে সাভার সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে।আরও বলেন, ৯৯৯ নাইনে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে শ্রমিক মামুনকে আটক করে রাখে মালিক পক্ষ পরে পুলিশ ও সাইফুল ইসলাম নামে এক প্রতিবেশি মামুনকে চিকিৎকার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।সাইফুল ইসলাম বলেন,কারখানায় মারামারির পর উভয় পক্ষই আমাকে ডাকলে আমি সেখানে উপস্থিত হয়। উভয় পক্ষইকে মিমাংসার কথা বললে তারা রাজি হয়।আমি বল্লাম চিকিৎসা করে সুস্থ হওয়ার পর মিমাংসা করে দেওয়া হবে। উভয় পক্ষ দরিদ্র হওয়ায় চিকিৎসার টাকা আমি দিয়েছি।

মামুনের পক্ষের লোকজন আমার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করছে।এখন পুরা বিষয়টা দেখি অন্য পর্যায়ে চলে গেছে। এলাকার লোকজন আমাকে মিমাংসার কথা বলেছিলো এখন আর সম্ভব নয়,শুনেছি উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ করেছে।এসময় তিনি উভয়পক্ষই অসহায় জানিয়ে বলেন, ‘যদি তারা (দুই) পক্ষই মিমাংসা হয় এটা হলো সবচেয়ে আলহামদুলিল্লাহ। যদি হ্যারা মিমাংসায় না আসে তাহলে মামলা করবে।ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর ইসলাম বলেন, ‘ওই ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকদের মধ্যে একটা ঝামেলা সৃষ্টি হয়। পরে ট্রিপল নাইনে ফোন পাইয়া আমি ওখানে যায়।

যাওয়ার পরে দেখলাম উভয়পক্ষই মারামারি করছে। পরে ওখানকার এলাবাসি ও সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ওসি স্যাররে সাথে কথা বলে উভয়পক্ষের সাথে মিমাংসার কথা বলে।ঠিক আছে আপনারা মিটমাট কইরা নিয়েন। বইলা আমি চইলা আসছি। তবে উভয় পক্ষের অভিযোগের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।

এসএসসির সিলেবাস কমানোর দাবিতে সাভারে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ( ভিডিও)

বিপ্লব,সাভারঃ ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস ৭০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ করার দাবিতে সাভারে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২০ অক্টোবর ) সাভার বাসস্ট্যান্ডের সিটি সেন্টারের সামনে মানববন্ধন করেন তারা।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন স্কুল প্রতিষ্ঠান বন্ধ। দরিদ্র পরিবারের অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে, যারা এই মহামারিতেও ভার্চুয়ালি ক্লাস করতে পারেনি।

এমন অবস্থায় ও এতো অল্প সময়ে ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত সিলেবাস পড়ে শেষ করা কোনো শিক্ষার্থীর পক্ষেই সম্ভব নয়। তাই সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী ও দরিদ্র পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা চিন্তা করে সিলেবাস ৭০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা আরও বলেন, আমরা আপনার সন্তানের মতো। সন্তানদের সকল সুবিধা-অসুবিধা দেখার দায়িত্ব আপনার। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি বিবেচনা করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি আপনার (শিক্ষামন্ত্রী) মানতে হবে এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

 মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা এমন সিদ্ধান্ত মানি না মানব না বলে স্লোগান দেন।

ধামরাইয়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারসহ প্রতিষ্ঠিত ৮ সন্তানের মা এখন রাস্তায়

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই(ঢাকা)থেকেঃ- ধামরাই উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের রশ্মিমপুর গ্রামের মরিয়ম বেগম নামে এক শতবর্ষী বৃদ্ধা মাকে সন্তানরা গাড়ি থেকে ফেলে দিলেন স্থানীয় বঙ্গবাজারের পাশে। এলাকাবাসী তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে একটি বাড়িতে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।

ডাক্তার, ব্যাংকার, ইঞ্জিনিয়ার ও ব্যবসায়ীসহ ওই বৃদ্ধা মায়ের ৮ ছেলে মেয়েদের, সবাই সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত। তারপরও কোনো ছেলের বাড়িতেই তার মাথা গুঁজবার ঠাঁই হলো না। তার পিতার দেওয়া ১৫ বিঘা জমি সন্তানদের লিখে না দেওয়ায় এ পরিণতি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গ্রামবাসী। শেষ পর্যন্ত তার দায়িত্ব নিলেন গ্রামবাসী।

সরেজমিন জানা যায়, ওই গ্রামের প্রয়াত মো. আসুরুদ্দিন সরকার নামে এক ব্যক্তি ছিলেন। তাঁতশিল্পসহ কয়েকশ বিঘা জমি ছিল আসুরুদ্দিন সরকারের। তাই একমাত্র মেয়ে মরিয়ম বেগমের সুখের কথা ভেবে তাকে ১৫ বিঘা জমি লিখে দিয়ে বিলাসবহুল একটি বাড়ি নির্মাণ করে দিয়ে বিয়ে দেন। এরপর জামাতা মো. আব্দুস সালামকে ঘরজামাই হিসেবে বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত করেন।পরবর্তীতে মরিয়ম বেগম ৬ ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তানের জননী হন। প্রত্যেক সন্তানকেই তিনি লেখাপড়া শিখিয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। বড়ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আক্তারুজ্জামান একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা। ছোট ছেলে ডা. মো. হুমায়ুন কবীর বিসিএস কর্মকর্তা (ডাক্তার)।

তিনি একটি সরকারি আবাসিক হাসপাতালে কর্মরত। সাখাওয়াত হোসেন সাকী ও আব্দুল্লাহেল বাকী নামকরা ব্যবসায়ী ও আলমগীর হোসেন বিদেশে ভালো বেতনে চাকরি করেন।তাদের কারও সংসারে কোনো অভাব অনটন নেই। শুধু বৃদ্ধা মাকে ভরণপোষণ করতে যেন তাদের অভাবের শেষ নেই। ক্ষুধার জ্বালায় সদা ছটফট করেন এই বৃদ্ধা মরিয়ম বেগম। ক্ষুধার যন্ত্রণা মেটাতে ঘুরে বেড়ান এদিক-সেদিক। না খেয়ে তার বাকশক্তি হারিয়ে ফেলার উপক্রম হয়ে গেছে।সন্তানদের কাছে বিষয়টি বারবার বলায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ওই শতবর্ষী বৃদ্ধা মাকে চিকিৎসার কথা বলে গাড়িতে তুলে স্থানীয় বঙ্গবাজারের পাশে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়। তার গোঙানির শব্দ পেয়ে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় মো. আব্দুল লতিফের বাড়িতে নিয়ে সেবা-শুশ্রূষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।বৃদ্ধার ছেলে মো. আলমগীর হোসেন বলেন, আমার মায়ের অনেক বয়স হয়েছে। তার মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।

তাই আমাদের নিয়ে এমন মিথ্যাচার করছেন। আমরা তাকে যথেষ্ট ভরণপোষণ দিচ্ছি ও সেবাযত্ন করছি।মো. আব্দুল লতিফ নামে এক গ্রামবাসী বলেন, বৃদ্ধার ছেলেরা যদি তার এত ভরণপোষণ দিচ্ছে ও সেবাযত্ন করছে তাহলে তার এ করুণদশা কেন? শুধু তাই নয়, গ্রামবাসী মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে স্থানীয় বঙ্গবাজারের পাশের রাস্তা থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিচ্ছেন কেন?

রাণীশংকৈলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ “শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস অদম্য আত্মবিশ্বাস” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝরে যাওয়া এক উজ্জল নক্ষত্র শেখ রাসেলের ৫৮ তম জন্মদিন উদযাপন করলো রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসন।

এ উপলক্ষে সোমবার ১৮ সকাল ৭টায় সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহার নের্তৃত্বে পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এ সময় ওসি এসএম জাহিদ ইকবাল সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

সকাল ৯:৩০ মিনিটে স্কুল, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ১০০ টি তাল গাছের চারা রোপন করা হয়। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, এসিল্যান্ড ইন্দ্রজিত সাহা, কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ, উপসহকারি কৃষি অফিসার সাদেকুল ইসলামসহ অনেকে অংশগ্রহণ করেন। পরে সকাল সাড়ে ১১ টায় সহকারি কমিশনার ( ভূমি) ইন্দ্রজিত সাহার সভাপতিত্বে অলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কৃষি কর্মকর্তা সঞ্চলনা দেবনাথ, থান পুলিশের প্রতিনিধি এসআই আব্দুল মোমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, মহিলা আ’লী সাধারণ সম্পাদব ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ। এছাড়াও সামাজিক, রাজৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বিভিন্ন ইভন্টে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত: তিন ভাই এবং দুই বোনের মধ্যে রাশেল ছিলেন সর্বকনিষ্ঠজন। অপর চারজন হচ্ছেন শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ভাই-বোনদের মধ্যে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছাড়া কেউই জীবিত নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালোরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু এবং মাতা ফজিলাতুন্নেছাসহ শেখ রাসেলকে ও তার পরিবারের সকল সদস্যরা ঘাতকদের হাতে নিহত হন।

ধামরাইয়ে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন ও বঙ্গবন্ধু কর্ণার শুভ উদ্বোধন।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন , ধামরাই(ঢাকা): শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস অদম্য আত্নবিশ্বাস” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকার ধামরাইয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন এবং শেখ রাসেল দিবস ২০২১ উদযাপন করা হয়েছে।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ধামরাই হার্ডিঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের হলরুমে বিদ্যালয়ের আয়োজনে কেক কাটা আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়। উদযাপন শেষে বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন করা হয়।

এই বঙ্গবন্ধু কর্ণার থেকে শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনি এবং ৭১এর মুক্তিযোদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারবে।এসময় বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ লিটনের সঞ্চালনায় উপজেলা নিবার্হী অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমেদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহানা জেসমিন মুক্তা, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরুল হক, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোখলেসুর রহমান সহ সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেট...