এফ এম ফজলু (মানিকগঞ্জ) সিংগাইরঃ সিংগাইর উপজেলার খাসির চর ২য় খন্ডে (ভাটির চর খালাসি পাড়া) আঃ মালেক এর মেয়ে সনি আক্তার (১৯) বাবার গৃহে গত রাতে আত্মহত্যা করেন বলে জানা যায় ।
সনি আক্তারের ঐ একই গ্রামের সাইদুল ইসলামের সাথে কয়েক মাস আগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় ।
মৃত্যু সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এলাকাবাসী ও স্বামীসহ স্বজনরা উপস্থিত হয়ে সিংগাইর থানায় সংবাদ দেয়।
সিংগাইর থানা পুলিশ এই সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন, সিংগাইর সার্কেল এএসপি রেজাউল হক, ওসি মো: সফিকুল ইসলাম মোল্লা সহ তদন্ত কর্মকর্তা এস আই তারেকুল ইসলাম।
এ সময় এস আই তারেকুল ইসলাম জানায় মেয়েটি বাবার বাড়িতে বসত ঘরের জানালার সাথে নিজের ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে ।
এরপর সিংগার থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে, ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই ঢাকা থেকেঃ ধামরাই উপজেলা কুল্লা ইউনিয়নের ফুডনগর এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিটাগুড়ের সঙ্গে চিনি, কাপড়ের রং ও ক্ষতিকর হাইডোজ রাসায়নিক মিশিয়ে দেদার তৈরি হচ্ছে বিষাক্ত ভেজাল গুড়।
উচ্চমাত্রার হাইডোজ মেশানো গুরের খবর শুনে আতঙ্কিত না হয়ে উপায় নেই।খাদ্যসামগ্রী তৈরির সময় জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা থাকা দরকার। কিন্তু অধিক মুনাফার আশায় পণ্যকে আকর্ষণীয় হিসেবে উপস্থাপন করতে অসাধু ব্যবসায়ী ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করছেন জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি পুরোপুরি অগ্রাহ্য করে। তা ছাড়া যে পরিবেশে সাধারণের জন্য গুড় প্রস্তুত করা হয়, তা রীতিমতো আঁতকে ওঠার মতো।
রাস্তার সাথেই ময়লার স্তূপের মত পরে আছে গুড় রাখার খালি পাত্র। দেখে মনে হয় এটা আবর্জনা রাখার জায়গা। গুড়ের পাত্র গুলো ব্যবহার শেষে তা ফেলে দেয়া হয়েছে এখানে। এবং তার পাশেই বিশাল একটি রুমের ভিতরে তৈরি করা হচ্ছে গুড়। রুমের বাহির থেকে দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে যেন সবাই মনে করে ভিতরে কেও নেই বা কারখানা বন্ধ রয়েছে। রুমের ভিতরের পরিবেশও নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর।
অসাধু ব্যবসায়ীরা কম দামের পুরোনো আখের নরম চিটা গুড়, চিনি, ময়দা, কাপড়ের রং, ফিটকিরি, চুন ও হাইড্রোজ দিয়ে গুড় তৈরি করে তা আখের গুড় বলে বাজারে বিক্রি করছে। এতে যেমন প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতারা তেমনই স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
আলামিন নামের আরেকজন জানান, এখানে বলা হয় আখের গুড় তৈরি করে। কিন্তু এই কারখানা তৈরি পর থেকে এখন পর্যন্ত একটি আখও দেখি নাই। তা হলে কি দিয়ে এখানে গুড় বানানো হয়। শুনেছি চিনি ও কয়েক প্রকার কেমিক্যাল মিশিয়ে এই গুড় তৈরি করা হয়। যা আমাদের মানব দেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
কারখানার মালিক তাপস মোবাইল ফোনে বলেন, আমার এই কারখানায় আগে গুড় তৈরি করা হতো। কিন্তু করোনার জন্য কারখানা বন্ধ রয়েছে।
এবিষয়ে ধামরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অন্তরা হালদার বলেন, এরকম কোন বিষয় আমাদের জানা নেই বা কেও কখনো অভিযোগ করেনি।অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিপ্লব,সাভারঃ সাভার হেমায়েতপুরের বিসিক শিল্পনগরীর মুক্তি নামক ট্যানারি ভিতরে মাহবুবুর রহমান (৫০) নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে ট্যানারি ফাঁড়ি পুলিশ ।
স্থানীয় এক শ্রমিক জানাই, শনিবার ভোর সকাল ৬ টা নাগাদ তিনি কাজে যোগদান করার সময় ,জানালা দিয়ে মুক্তি ট্যানারি দ্বিতীয় তলায় ,জানালার গ্রিলের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মাহবুব রহমানের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মাহবুবুর রহমানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন ।
জানা যায়,মৃত মাহবুবুর রহমানের বাড়ি, গোবিন্দপুর, চন্দ্রগঞ্জ, লক্ষীপুর এলাকায় ,
মাহবুবুর রহমান পিতা-মৃত মৌলভী আব্দুর রহমান এর ছেলে ।
লাশটি উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে ।
তবে পুলিশ জানায় এ বিষয়ে তদন্ত চলছে তদন্ত শেষে বিষয়টি জানা যাবে।
এফ এম ফজলু (মানিকগঞ্জ) সিংগাইর: ২০২০ – ২০২১ অর্থ বছরের শেষ দিনে থানার গোলঘরে সকলের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই পুরস্কার তুলে দেন।
সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: সফিকুল ইসলাম মোল্যার অধিনস্থ সকল অফিসার ও ফোর্সদের নিয়ে সিংগাইর বাসীকে সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের জন্য বদ্ধপরিকর। অধীনস্থ অফিসার ও ফোর্সদের কাজের গতিকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সকলে উৎসাহ প্রদান করা সহ প্রতি মাসে মাসিক কনফারেন্সের আয়োজন
করেছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় ৩০ জুন ২০২১ তারিখ মাসের শেষ দিনে অফিসার ও ফোর্সদের কাজের মূল্যয়নের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ অফিসার ও ফোর্সের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং বদলীজনিত কারনে একজন কনস্টবলকে বিদায় সংবর্ধনা আয়োজন করেন।
এসময় সিংগাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো:রেজাউল হক, অফিসার ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম মোল্যা, শান্তিপুর পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ খালিদ মনসুর, ইন্সপেক্টর(তদন্ত) আবুল কালাম ,পিপিএম সহ থানার সকল অফিসার- ফোর্স ও আমন্ত্রিত অথিতিবৃন্দ রা উপস্থিত ছিলেন। এসআই শেখ তারিকুল ইসলাম, এএসআই মোঃ আশরাফুল ইসলাম, কনস্টেবল (মুন্সি) মোঃ সোলায়মান, আসাদুজ্জামান, অপারেটর মোঃ কামরুল ইসলাম,কম্পিউটার কম্পোজকারী মোঃ হামিদুল ইসলাম ও মোরছালিন-কে পুরস্কার প্রদান করা সহ বিদায়ী কনস্টেবল মোঃ সাইদুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে।
অফিসার ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম মোল্যা ইতোপূর্বেও এধরণের অনুষ্ঠান আয়োজন করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবেন মর্মে সকল সকল অফিসার ও ফোর্স আশাবাদ ব্যক্ত করা এছাড়াও অফিসার্স ইন চার্জ মো: সফিকুল ইসলাম মোল্লা আমন্ত্রিত অতিথিসহ থানায় কর্মরত সকলের জন্য বিশেষ রাতের খাবারের আয়োজন করেন ।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন ,ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাই উপজেলার রৌহাটেক এলাকায় ধর্ষণের বিচার না পেয়ে তিন সন্তানের জননী বিধবা শামেলা বেগম বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেলে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে রৌহারটেক জামে মসজিদের ইমাম আশরাফুল ইসলাম ওই বিধবা নারীকে বিয়ে প্রলোভনে গত এক বছর ধর্ষণ করে আসছিল।
এঘটনায় এলাকার মাতাব্বরা ধর্ষক ইমমাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ধর্ষক মসজিদের ইমামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায়। নিহত বিধবা নারীর বাড়ি সূয়াপুর ইউনিয়নের রৌহারটেক গ্রামে সে মৃত কালা চাঁন মিয়ার স্ত্রী।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে,রৌহারটেক গ্রামের তিন সন্তানের জননী বিধবা শামেলা বেগমকে (৩৫) বিয়ের প্রলোভনের গত এক বছর ধরে ধর্ষণ করে আসছে ওই গ্রামের মসজিদের ইমাম আশরাফুল ইসলাম (৩৮)। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পরলে বিধবা ওই নারী গত বুধবার দুপুরে মসজিদের ভিতরে যেয়ে এলাকার মুসল্লিদের উপস্থিতিতে তাকে বিয়ে করতে বলে ইমামকে। ইমাম তাকে সবার সামনে মারধর করে মসজিদ থেকে বের করে দেয়। পরে ওই নারী সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের গিয়ে চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান সোরহাবের কাছে ধর্ষণের বিচার চাই।
চেয়ারম্যান তাকে থানায় গিয়ে অভিযোগ দিতে বলে। এঘটনায় বুধবার রাতেই এলাকার মাতাব্বরা মসজিদের মাঠে শ্যালিসে বসে। উক্ত শ্যালিসে মসজিদ কমিটি ধর্ষক ইমাম আশরাফুল ইসলামকে থানায় দেওয়ার জন্য সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার রহিম মিয়ার কাছে হস্তান্তর করে। ধর্ষকের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ খেয়ে মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক জাহিদ হোসেন,দলিল লেখক শরীফ হোসেন,মাতাব্বর ইউসুফ আলী,পাগলা মিয়াসহ কয়েকজন মাতাব্বরা দফাদার কাছ থেকে ধর্ষক ইমামকে ছিনিয়ে নিয়ে তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে।
ধর্ষক ইমাম পালিয়ে গেছে এখবর শুনার পর আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বিধবা শামেলা বেগম তার ঘরের দরজা লাগিয়ে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে। এলাকার ওই মাতাব্বরা পুলিশকে না জানিয়ে গোপনে লাশ দাফনের তরগরি করে। এমন সংবাদ জানতে পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা শহীদ সোর্য়াদী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।রৌহাটেক জামে মসজিদের ইমাম আশরাফুল ইসলাম ও স্থানীয় মাতাবরা পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় সেলিম হোসেন বলেন,মাতাব্বরা ইমাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে। সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার রহিম মিয়া বলেন,মাতাব্বরা যদি সঠিক বিচার করতো তাহলে বিধবা মহিলা আত্মহত্যা করত না। মাতাব্বরা আমার কাছ থেকে ইমামকে নিয়ে তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে।
সূয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান সোরহাব বলেন,বুধবার বিকেলে রৌহারটেক থেকে এক বিধবা মহিলা আমার কাছে অভিযোগ দেয়,বিয়ে প্রলোভনে মসজিদের ইমাম আশরাফুল ইসলাম তাকে ধর্ষণ করেছে। আমি তাকে থানায় গিয়ে অভিযোগ দিতে বলেছিলাম।ধামরাই থানার এস আই নুরমোহাম্মদ বলেন,লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত পর বুঝা যাবে আসল ঘটনা কি।
শেখ নাইম ইসলাম বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল থেকেই পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী সড়ক ও মহাসড়কে টহল শুরু করেছে।
বাগেরহাটের শরণখোলা-মোড়েলগঞ্জ, ফকিরহাট-মোল্লাহাট ও সদরের বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীর পৃথক পৃথক টিম টহল দিচ্ছেন। যাতে বিনা প্রয়োজনে কোনো মানুষ ঘরের বাইরে না আসে।
এছাড়া যারা জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে আসছে তাদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতেও কাজ করছে সেনা সদস্যরা।
এছাড়া বাগেরহাট জেলার গুরুত্বপূর্ণ ১৩টি পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্ট রয়েছে। রোগী এবং জরুরী কাজে ব্যবহৃত পরিবহন ছাড়া অন্য কোন পরিবহন চলতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি পুলিশের একাধিক ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করছে।
এদিকে মোংলায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত ও মানুষকে ঘরে রাখতে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা টহল জোরদার করেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও লকডাউন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মোংলা পৌর শহরের বিভিন্ন রাস্তায় টহল দিচ্ছে দুই প্লাটুন নৌবাহিনীর সদস্য, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। জরুরি পণ্য ও হাসপাতাল ব্যাতিত বন্ধ রয়েছে শহরের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শপিংমল। রাস্তা ঘাটে কোন প্রকারের যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি।
মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার জানান, প্রয়োজন ছাড়া যেন কেউ ঘর থেকে না বের হয় সেজন্য উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এর আগে গত ৩০ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মোংলায় কঠোর বিধি নিষেধ চলমান ছিলো ।
এদিকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোংলা বন্দরে অবস্থানরত সকল বাণিজ্যিক জাহাজে পণ্য খালাস স্বাভাবিক রাখা হবে বলে জানান বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। করোনাকালীন সময়ে মানুষকে ঘরে রাখতে ও সুস্থ রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
বিপ্লব, সাভারঃ সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ৪ জন মাদকাসক্ত ব্যক্তি কে সুস্থ জীবনে এনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলেন সমর ।
আজ বৃহস্পতিবার ( ১লা জুলাই ) দুপুরে এলজি এসপি-৩ এর অর্থায়নে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের সুস্থ্য জীবনে ফিরে এনে, চারটি পরিবারকে কর্মসংস্থার জন্য ৩টি ভ্যান গাড়ী ও ১টি মাইক ও সেট উপহার দিয়ে তাদের কর্মসংস্থ্যার ব্যাবস্থা করেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর ।
মাইক প্রাপ্তি ব্যাক্তি করোনা মোকাবেলায় সতর্কতা মূলক প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাবেন বলেও জানা যায় ।
সাভারকে এক সময় মাদকের রাজ্য বলা হলেও এখন সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত এলাকা হিসেবে গণ্য করা হয়। মাদকাসক্তদের সুস্থ্য জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মাদকাসক্তদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে এনে তাদের বিভিন্ন কাজের প্রশিক্ষন দিয়ে কাজ করার মতো উপযোগী করে গড়ে তুলছেন ।
এলজি এসপি-৩ এর অর্থায়নে সার্বিক সহযোগীতা করেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফকরুল আলম সমর। এবং বাস্তবায়নে ছিলেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ।
এসময় তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর বলেন, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নকে মাদক মুক্ত করার লক্ষ্যে, আমি কাজ করে যাচ্ছি, এজন্য যখন যেকোনো সহযোগিতায় আমি যথেষ্ট আছি ।
এসময় তিনি আরো বলেন, যারা মাদকে আসক্ত আছেন, আমরা পর্যায়ক্রমে চেষ্টা করছি তাদেরকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার ,ইনশাল্লাহ আপনাদের সহযোগিতায় এই তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন কে যেকোনোভাবে আমি মাদকমুক্ত করব । এ বিষয়ে আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করছি ।
সৌমেন মন্ডল,রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে করোনা ইউনিটে গেলে ২৪ ঘণ্টায় ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩০ জুন) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই ) সকাল ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের মধ্যে তারা মারা যান।
রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, মৃত ২২ জনের মধ্যে ৫ জন করোনা পজিটিভ ছিলেন। আর ১৬ জন ভর্তি ছিলেন করোনার উপসর্গ নিয়ে। একজন করোনা নেগেটিভ হওয়ার পর মারা যান। মৃতদের মধ্যে রাজশাহীর ১৪ জন , ১ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জের, নাটোরের ১ ও নওগাঁর ৫ জন ও ঝিনাইদহের ১ জন করে।
জুন মাসে এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৩৫৪ জন।
দুপুরে তাদেরকে আটকের বিষয়টি নিশিচত করেছেন র্যাব ৪ এর সহকারী পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান চৌধুরী।
র্যাব ৪ জানায়,রাতে সাভারের আনন্দপুর এলাকায় একদল মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করছে গোপন সংবাদের ভিতিত্বে অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় ১১৪৭ পিচ ইয়াবা,দুই ক্যান বিয়ার ও মাদক বিক্রির ১৭,২৪ টাকাসহ আট মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটক মাদক ব্যবসায়ীরা হলো ।
বিপ্লব হোসেন (৩৮),জহির ইসলাম (৩৮),রোকেয়া (৩৬),সানোয়ার হোসেন (৩৬), ওমর সরদার (৩০), মহি আক্তার (২৩),আরিফুর রহমান (৫২),রাকিব হাসান (১৮),। পরে তাদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন র্যাব ৪।
ভোক্তাপর্যায়ে দাম বাড়ানো হয়েছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এবং অটোগ্যাসের দাম। দেশিয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মূল্য সমন্বয় করেছে জুলাই মাসের জন্য নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। যা বৃহস্পতিবার ১ জুলাই থেকে এ দাম কার্যকর হবে।
৩০ জুলাই বুধবার অনলাইনে এক সংবাদ সম্মেলনে ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির তৃতীয়বারের মতো দামের এই আদেশ দেয় কমিশন। এসময় চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আবু ফারুকসহ উপস্থিত ছিলেন।
বিইআরসি জানিয়েছে, নতুন দামে এলপিজির সাড়ে ৫ কেজি সিলিন্ডার ৪০৮ টাকা, সাড়ে ১২ কেজি ৯২৮ টাকা, ১৫ কেজি ১১১৪ টাকা, ১৬ কেজি ১১৮৮ টাকা, ১৮ কেজি ১৩৩৭ টাকা, ২০ কেজি ১৪৮৫ টাকা, ২২ কেজি ১৬৩৩ টাকা, ২৫ কেজি ১৮৫৬ টাকা, ৩০ কেজি ২২২৮ টাকা, ৩৩ কেজি ২৪৫১ টাকা, ৩৫ কেজি ২৫৯৯ টাকা এবং ৪৫ কেজি ৩৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বেসরকারি পর্যায়ে এলপিজির দাম প্রতিকেজি ৭৪ টাকা ২৪ পয়সা ধরে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম মূসকসহ ৮৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা জুন মাসে ছিল ৮৪২ টাকা। এ হিসেবে ৪৯ টাকা দাম বেড়েছে। এদিকে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৪১ দশমিক ৮৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে সরকারি পর্যায়ে সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম আগের মতোই ৫৯১ টাকা থাকবে। যেহেতু এই দামের সঙ্গে সৌদি সিপির কোনও সম্পর্ক নেই। যা কমিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
এদিকে তিন মাস পার হলেও লাইসেন্স পাওয়া ২৮টি এলপিজি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ১০টি কোম্পানি তাদের পরিবেশকদের তালিকা কমিশনের কাছে জমা দিয়েছে। খুচরা বিতরণকারীদের তালিকা কমিশনের হাতে আসেনি।