27 C
Dhaka, BD
মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২০, ২০২৬

পরীমনির মামলায় জামিন পেলেন নাসির ও অমি

গত ৯ জুন মধ্যরাতে সাভারে অবস্থিত ঢাকা বোট ক্লাবে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ঘটনার চার দিন পর ১৩ জুন রাত ৮টার দিকে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এবং রাত ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘটনা প্রকাশ করেন নায়িকা পরীমনি।

পরদিন ১৪ জুন সকালে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় মামলা করেন তিনি।

ওইদিন বিকালে উত্তরা থেকে নাসির ও অমিসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। এরপর ডিবির গুলশান জোনাল টিমের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানিক কুমার সিকদার বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

ওই মামলায় গত ১৫ জুন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসি নাসির ও অমির সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পরে ওই মামলায় রিমান্ড শেষে পরীমনির মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় তাদের।

সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে এলজি এসপি-৩ এর অর্থায়নে কৃষকদের মাঝে স্প্রে মেশিন এবং কৃষাণীদের মাঝে হাঁস বিতরন করা হয়েছে ।

বিপ্লব,সাভারঃ সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে এলজি এসপি-৩ এর অর্থায়নে কৃষকদের মাঝে স্প্রে মেশিন এবং কৃষাণীদের মাঝে হাঁস বিতরন করা হয়েছে ।

সোমবার দুপুরে সাভারে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ১০০ জন কৃষকদের মাঝে ১০০ টি জৈব বালাই দমন স্প্রে মেশিন ও ১০০ জন কৃষাণীদের মাঝে তিনটি করে মোট ৩০০ টি হাঁস বিতরণ করা হয়েছে ।

উক্ত বিতরণী অনুষ্ঠানটি তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমরের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মঞ্জুরুল আলম রাজীব, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাভার উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ মাজহারুল ইসলাম ।

এ সময় আরো উপস্থিত, উক্ত ইউনিয়নের সচিব ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মীর আব্দুল বারেক , উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন, উক্ত ইউনিয়নের সকল ইউপি সদেস্য সহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ,সেচ্ছাসেবক লীগ সহ স্থানীয় সকল মান্যগণ্য ব্যাক্তি বর্গ ।

এসময় উপকার ভুগি কৃষক ও কৃষাণীরা কীটনাশক দমন ব্যবস্থাপনা স্প্রে মেশিন ও হাঁস পেয়ে হাস্যমুখ দেখতে পাওয়া যায়।

ঢাকার মগবাজারের বিস্ফোরণে ৭ জনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর মগবাজারে একটি ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন ২৮ জন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল ও শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার (২৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মগবাজার ওয়্যারলেস গেট এলাকার একটি ভবনে বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মিডিয়া সেল) মো. শাহজাহান শিকদার বলেন, ‘ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের একটি অ্যাম্বুলেন্সসহ ৯টি ইউনিট পাঠানো হয়েছে।’

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দফতরের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার এরশাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা একটি এসি বিস্ফোরণ হওয়ার সংবাদ পেয়েছি। কেউ কেউ ফোন করে বলেছে গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ।’

হাতিরঝিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম আজম বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে আছি। এখানে অর্ধশতাধিক আহতের খবর পাচ্ছি। তবে এখনও নিশ্চিত নয়। এখন পর্যন্ত নিহতের কোনো খবর পাইনি।’

রাণীশংকৈলে ইএসডিও’র অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ২৭ জুন রোববার ইএসডিও’র আযোজনে কিশোর কিশোরী ও যুব উন্নয়নে গুণগত মান, প্রাথমিক শিক্ষা এবং প্রাক শৈশব যত্ন ও শিক্ষা প্রকল্প” শীর্ষক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে এদিন দুপুরে সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও প্রীতম সাহার সভাপতিত্বে সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না।

বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও শেফালী বেগম। এ ছাড়াও উপজেলা প্রশাসন ও ইএসডিও’র বিভিন্ন কর্মকর্তা,কর্মচারি, শিক্ষক, ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নতুন করে লকডাউনে কী খোলা থাকবে, কী থাকবে বন্ধ

করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার আবারও দেশে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করল।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সোমবার (২৮ জুন) সকাল ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত আংশিক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এই সময়ে সারা দেশে রিকশা ছাড়া যাত্রী পরিবহনে আর কোনো বাহন চলবে না। আজ রোববার (২৭ জুন) বিকালে তিন দিনের বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

কঠোর লকডাউন শুরুর আগে সোমবার থেকে আগামী তিন দিনের বিধিনিষেধে কী কী খোলা থাকবে, কী কী বন্ধ থাকবে- তা স্পষ্ট করেছে সরকার। সোমবার (২৮ জুন) সকাল ৬টা থেকে ১ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ থাকবে।

রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। এই বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষে ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা শুরু হবে।

তিন দিনের বিধিনিষেধে যে পাঁচ শর্ত দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো:

(১) সারা দেশে পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ব্যতীত সব গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক নিয়মিত টহলের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

(২) সব শপিংমল, মার্কেট পর্যটন কেন্দ্র রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

(৩) খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় করতে পারবে।

(৪) সরকারি-বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠানসমূহে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা/কর্মচারীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নিজ নিজ অফিসের ব্যবস্থাপনায় তাদের আনা-নেওয়া করতে হবে।

(৫) জনসাধারণকে মাস্ক পরার জন্য আরও প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এর আগে সোমবার পহেলা জুলাই থেকে দেশে এক সপ্তাহের দেশে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৬ জুন) রাতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এর আগে, করোনাভাইরাসের উচ্চসংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী সোমবার থেকে এক সপ্তাহের ‘কঠোর লকডাউনে’ ঘোষণার কথা জানানো হয়। এ সময় জানানো হয়, লকডাউনে সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। জরুরি পণ্যবাহী ছাড়া সব ধরনের গাড়ি চলাচলও বন্ধ থাকবে। শুধু অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে যানবাহন চলাচল করতে পারবে। জরুরি কারণ ছাড়া ঘর থেকে কেউ বের হতে পারবে না।

শুক্রবার রাতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনও সাত দিনের ‘কঠোর লকডাউনের’ তথ্যবিরণীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধান তথ্য কর্মকর্তার এ সংক্রান্ত বক্তব্য ঠিক আছে। করোনার সংক্রমণ রোধে আমরা সোমবার থেকে সাত দিনের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করছি।

দরকার হলে লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়বে। এ সময় বিধিনিষেধ কঠোরভাবে পরিপালন করা হবে। বিজিবি ও পুলিশ থাকবে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মাঠে নামতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কঠোর লকডাউনের সময় জরুরি পণ্যবাহী বাহন ছাড়া সব ধরনের যানবাহনের চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত যানবাহন শুধু চলাচল করতে পারবে। গণমাধ্যম এ বিধিনিষেধের আওতাবহির্ভূত থাকবে।

এর আগে করোনার বিস্তার রোধে সারা দেশে কমপক্ষে ১৪ দিন সম্পূর্ণ ‘শাটডাউনের’ সুপারিশ করেছে করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। গত বৃহস্পতিবার কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লার সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। আগের দিন বুধবার রাতে কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। কমিটির সুপারিশ ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিড়ি শিল্প মালিক ও শ্রমিক মজদুর ইউনিয়নের আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল

আর কে আকাশ, পাবনা প্রতিনিধি: ২০২১-২০২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি শিল্পের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব না করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার বেলা ১২টায় পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের কার্যালয়ে পাবনা জেলা বিড়ি শিল্প মালিক সমিতি এবং জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের আয়োজনে উক্ত আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, পাবনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন।

পাবনা জেলা বিড়ি শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি শাহাদত হোসেনের সভাপতিত্বে ও জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সভাপতি হারিক হোসেনের পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, বিড়ি শিল্প মালিক সমিতির সহ-সভাপতি কাজী হুমায়ন কবীর, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাসেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক নয়ন শেখ, অর্থ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন, পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামীম ইসলাম, মো. মোস্তফা কামাল প্রমূখ।

আলোচনাসভায় জেলা বিড়ি শিল্প মালিক সমিতি ও বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ২০২১-২০২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি শিল্পের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব না করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়রম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

সেই সাথে বিগত অর্থবছরের বাজেটে আরোপিত বিড়ির ওপর অতিরিক্ত ৪ টাকা ম‚ল্যস্তর কমানো, আরোপিত অগ্রিম ১০ ভাগ আয়কর কমানো, নি¤œমানের সিগারেটের শুল্ক বৃদ্ধি এবং বহুজাতিক কোম্পানির আগ্রাসন থেকে বিড়ি শিল্পকে সুরক্ষার দাবি জানান।

আলোচনাসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন, বায়তুল মাল জামে মসজিদের খতিব মাওলানা হারুনুর রশিদ। এসময় জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের উপদেষ্টা মজিবর রহমান, গণমাধ্যমকর্মী, বিড়ি শিল্প মালিক সমিতি ও বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ক্যাপসন : পাবনায় প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি শিল্পের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব না করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রামেক করোনা ইউনিটে আরও ১৭ জনের মৃত্যু

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহীঃ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে করোনায় ৮ জন ও উপসর্গে ৯ জন মারা গেছেন।

শনিবার (২৬ জুন) সকালে রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শুক্রবার (২৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে শনিবার (২৬ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত রামেক হাসপাতাল করোনা ইউনিটের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ১৭ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে পুরুষ ৮ জন ও নারী ৯ জন মারা গেছেন। মৃতদের বয়স ৩৫-৬৫ বছরের মধ্যে।

তিনি আরও জানান, ২৪ ঘন্টায় মৃতদের মধ্যে রাজশাহীর নয়জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের চারজন ও নওগাঁর দুইজন ও নাটোরের দুইজন ছিলেন। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন রাজশাহীর চারজন ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুইজন, নাটোর একজন ও নওগাঁর একজন। অন্যদিকে, উপসর্গে মারা গেছেন রাজশাহীর পাঁচজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুইজন, নওগাঁর একজন ও নাটোরের একজন।

রোগীদের ভর্তি ও সংক্রমণের বিষয়ে রামেক উপ পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৫২ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৪ জন। রামেকে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৮৮ জন এবং সন্দেহভাজন ও উপসর্গ নিয়ে ২৪৩ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রামেকে ৩৫৭টি শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তি ছিলেন ৪৩১ জন।

করোনা পরীক্ষার বিষয়ে সাইফুল ফেরদৌস জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালের পিসিআর মেশিনে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৯ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। অন্যদিকে, মেডিকেল কলেজের পিসিআর মেশিনে ৩১৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১১৩ জন করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। দুই ল্যাবের টেস্টে মোট ৫০১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এতে ১৬২ জনের করোনা পজিটিভ রেজাল্ট আসে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

বিনা কারণে রাস্তায় বের হলেই জরিমানা-ডিএমপি

করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ায় সারাদেশে লকডাউন দিতে যাচ্ছে সরকার।

সোমবার (২৮ জুন) থেকে শুরু হতে যাওয়া লকডাউনে সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। জরুরি পণ্যবাহী ছাড়া সব ধরনের গাড়ি চলাচলও বন্ধ থাকবে। কঠোর বিধিনিষেধ পালনে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি।

কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। শুক্রবার (২৫ জুন) রাতে গণমাধ্যমকে এ কথা জানান তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এবার পুলিশ কাউকেই লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনে ছাড় দেবে না। গত লকডাউন চলাকালে অনেকেই বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে রাস্তায় বের হয়েছিলেন। কিন্তু এবার তা হতে দেওয়া হবে না।

শফিকুল ইসলাম জানান, প্রত্যকে মোড়ে মোড়ে থাকবে পুলিশের কড়া চেকপোস্ট। কারণ দর্শানো ছাড়া চেকপোস্ট পার হয়ে কেউ যেতে পারবে না। করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে এবার কঠোর ভূমিকায় মাঠে থেকে কাজ করবে পুলিশ।

ডিএমপি কমিশনা আরও বলেন, বিনা কারণে কেউ রাস্তায় বের হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শুক্রবার (২৫ জুন) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, ২৮ জুন থেকে সাত দিনের কঠোর লকডাউন থাকবে। পরে প্রয়োজনে আরও বাড়ানো হবে। এ সময় মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মোতায়েন থাকবে পুলিশ, বিজিবি এবং সেনাবাহিনী।

আগামীকাল প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এক সপ্তাহ পর পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

র‌্যাবের অভিযানে ২৫ মাদক ব্যবসায়ী আটক

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের কাঠপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-২)।

আটক শুক্রবার (২৫ জুন) রাতে র‌্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মো. ফজলুল হক সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ফজলুল হক বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজধানীর কারওয়ানবাজার কাঠপট্টি এলাকায় মাদক বিরোধী সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-২। এ অভিযানে ১১ জন নারী ও ১৪ জন পুরুষসহ মোট ২৫ জন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ মাদক কারবারি চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা পারস্পরিক যোগসাজশে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মাদক বিক্রি ও সরবরাহ করে আসছিলেন।

ভবিষ্যতে এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আটকদের প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

সাভারে ওটি বয় যখন হাসপাতালের মালিক, ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু

বিপ্লব ,সাভার:সাভার একটি বেসরকারী হাসপাতালে মালিকের গাফিলতিতে ভূল চিকিৎসায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

এঘটনায় এতিম মা হারিয়েছে তিন আগে জন্ম নেয়া নিহতের পুত্র সন্তাটি। বৃহস্পতিবার রাতে পৌর এলাকার মজিদপুর মহল্লায় অবস্থিত ইসলামিয়া ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হসপিটালে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

নিহতের নাম হাজেরা বেগম (৪৫)। সে সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নের কোন্ডা এলাকার মোঃ মাসুদের স্ত্রী।
রোগীর স্বজনেরা অভিযোগ করেন, গত তিন দিন আগে ওই হাসাপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে হাজেরা বেগম একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেয়। এরপর থেকেই তার রক্ত বন্ধ না হওয়ায় দিন দিন হাজেরার শরীর দুর্বল হয়ে পড়ছিলো। এঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে রক্ত দেয়ার পরামর্শ দিলে স্বজনরা রক্তের জন্য খোজাখুজি করতে থাকেন।

এর ভিতরেই হাসপাতালের মালিক জশিম জানায় তাদের কাছেই রক্ত আছে এবং রোগীকে দেয়া যাবে। পরে হাসপাতালের দেয়া রক্তই কাল হয়ে যায় হাজেরার জন্য।
রিপন নামে হাজেরা এক আত্মীয় বলেন, কোন ধরনের পরিক্ষা ছাড়াই রক্ত দেয়ার সাথে সাথে রোগীর খিচুনি শুরু হয়। এসময় আমরা অন্য হাসাপাতালে স্থানান্তর করতে চাইলেও হাসপাতাল মালিক জশিম তা না করে আরও এক ব্যাগ রক্ত দিতে বলে। দুই ব্যাগ রক্ত দেয়ার সময় অচেতন হয়ে যায় হাজেরা। এসময় হাসপাতাল মালিক জশিমসহ রোগীর স্বজনেরা হাজেরাকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃতু ঘোষনা করেন। এঘটনার পরপরই জশিম হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়, তাকে আর খুজে পাওয়া যায়নি। তবে সোহেল নামে একজন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মালিকের সাথে বসে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়ার আশ^াস দিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, নিহতের পরিবারের লোকজন এখন শোকে দিশেহারা। শিঘ্রই এঘটনায় আমরা হাসপাতাল মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করবো।
এব্যাপারে হাসপাতালের মালিক মোঃ জশিম হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। লোকমারফত খোজ নিয়ে তাকে চেনা গেলেও সে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানায়, ইসলামিয়া ডিজিটাল ল্যাব ও হসপিটালের মালিক জশিম হাওলাদার কিছুদিন আগেও একই ভবনে থাকা রোজ ক্লিনিকের ওটি বয় হিসেবে কাজ করতো। এর আগে সে পাশর্^বর্তী ল্যাব জোন হাসপাতালে চিকিৎসকের ভিজিটর হিসেবে কাজ করেছে। মুলত চতুর জশিম অল্প দিনেই হাসপাতাল দিয়ে মানুষের জীবন নিয়ে ব্যবসা করে একাধিক অপরাধ করেও সুকৌশলে পার পেয়ে যাচ্ছে। তাই দ্রুত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ অন্যান্য হাসপাতালের মালিকগন। কারন একজনের অন্যায়ের জন্য সকলের সুনাম এবং সেবাদানে বিঘ্ন ঘটুক তা কেউই চায়না।
সাংবাদিক পরিচয় দানকারী সোহেল বলেন, যখনই রোগীর অবস্থা খারাপ হলো তখন রোগীর স্বজনরা অন্য হাসপাতালে নিতে চান। কিন্তু হাসপাতালের মালিক জশিম তাকে নিতে দেয়নি। যে কারনে রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয় এবং মারা যায়। জশিম এর আগেও এরকম কাজ করেছে। সে আসলে কোন চিকিৎসক না হয়েও হাসপাতালের মালিক হয়ে গায়ের জোরে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সায়েমুল হুদা বলেন, যদি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় কিংবা ভূল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়ে থাকে তাহলে পরিবারের পক্ষ থেকে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করতে হবে। অভিযোগ পাওয়া গেলে পরবর্তীতে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেট...