17 C
Dhaka, BD
মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

সাভার পৌর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় মেয়র পদে ৬ জনের নাম চুরান্ত।

বিপ্লব,সাভারঃ সাভার পৌর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় মেয়র পদে ৬ জনের নাম চুরান্ত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে সাভার কলেজে এই বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসেস হাসিনা দৌলা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব, আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ফারুক হাসান তুহিন, যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

সভা সঞ্চালনা করেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম মানিক মোল্যা।

সভার শুরুতে কোনোরকম পূর্ব ঘোষণা বা আলোচনা ছাড়াই মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছয়জনের মধ্যে নামের ক্রমনুসার ঠিক করতে গোপন ব্যালটে ভোটের প্রস্তাব করেন নজরুল ইসলাম মানিক মোল্যা। পরে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। মোট ভোটার ৮৫ জনের মধ্য উপস্থিত ছিলেন,৭৬ জন । প্রাপ্ত ভোটের ক্রমানুসারে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র হাজি আব্দুল গনি, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম মানিক মোল্যা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ চৌধুরী, ঢাকা জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুজ্জামান খান ও গোলাম ফয়েজ উদ্দিন খান শিহাব-এর নাম কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভা শেষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এমপি সাংবাদিকদের বলেন, আজ বিকেলেই কেন্দ্রে মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ৬ জনের নাম কেন্দ্রেীয় কার্যলয়ে পাঠানো হবে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের দাবিতে রাজশাহীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা।

শনিবার বেলা ১২টায় মহানগরীর সোনাদিঘি সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত ভবনের সামনে রাজশাহীর সর্বস্তরের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দের আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সোনাদিঘি সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত ভবনের জায়গায় রাজশাহীর কেন্দ্রীয় শহীদ নির্মাণ করতে হবে। আমরা জানতে পেরেছি সেখানে শহীদ মিনারের পরিবর্তে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের পাঁয়তারা করছে একটি কুচক্রি মহল।

শহীদ মিনারের পরিবর্তে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের পাঁয়তারা বন্ধ করা না হলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রæয়ারি মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে শহীদদের স্মরণে রাজশাহীতেই দেশের প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছিল। এরপর দীর্ঘদিনেও রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়নি। ঢাকায় যেমন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার রয়েছে, তেমনি রাজশাহীতেও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের জোর দাবি জানাচ্ছি। যেখানে আমরা সবাই মিলে একসাথে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে পারবো।

রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ করা হোক-এটি আমাদের প্রাণের দাবি। আগামী ২১ ফেব্রæয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পূর্বেই পূর্বনির্ধারিত ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিত্যক্ত ভবনের জায়গায় রাজশাহীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে হবে। তা না করা হলে ২২ ফেব্রয়ারি হতে সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।

মানববন্ধন থেকে রাজশাহীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সিয়াম আলী। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নর্থ বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আল মাহমুদ দ্বীপ ও মো. রিয়াজ, এইএইচটি‘র শিক্ষার্থী মো. আকাশ, আইন মহাবিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র রাকিবুল হাসান সোহেল, রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগের ছাত্র হাসান আলী, বরেন্দ্র বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সিরাজুন নবী সোহেল প্রমুখ। মানবন্ধন পরিচালনা করেন শিক্ষার্থী মিলন সরকার।

মানববন্ধনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে বক্তব্য দেন মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি রকি কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজিব, রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগে সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক নাইমুল হাসান নাঈম।

মানববন্ধনে রাজশাহীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সর্বস্তরেরর শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশ নেন।

সাভারে বংশী নদী দখল ও দূষণ কারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন

বিপ্লব,সাভারঃ সাভারে বংশী নদী দখল ও দূষণ কারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সাভারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসুচী পালন করেছে সাভার নদী ও পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদ।

শনিবার দুপুরে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের থানা বাসষ্ট্যান্ড,বঙ্গবন্ধু চত্বর ও বংশ নদীতে এ মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করা হয়।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে এসময়,সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফখরুল আলম সমর, সাভার নদী ও পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি রফিকুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক শামসুল হকসহ বিভিন্ন পরিবেশবীদসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষজন অংশ গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য সাভারের একটি প্রভাবশালী মহল সাভারের ঐহিত্যবাহী বংশী নদীর তীর দখল করে বিভিন্ন দোকান পাট ঘরবাড়ি নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এতে করে নদীর পানি প্রবাহের গতি কমে যাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে বর্ষার সময় জলাবন্ধতা দেখা দেয়।

রাজশাহীতে শীতবস্ত্র হস্ত ও কুটির শিল্প মেলার উদ্বোধন

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীতে শীতবস্ত্র হস্ত ও কুটির শিল্প মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ শনিবার (০৫ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল মাঠে এর উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপাস্থিত ছিলেন, রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক ড. মোসা. নূরজাহান বেগম, রাজশাহী চেম্বারের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি, বাংলাদেশ রেশন মিল্প মালিক সমিতির সভাপতি লিয়াকত আলী।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, ইউমেন এন্টারপ্রিমিয়ার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ওয়েব) রাজশাহী শাখার নির্বাহী সদস্য নাসিমা খাতুন।

সভাপতিত্ব করেন, ইউমেন এন্টারপ্রিমিয়ার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ওয়েব) রাজশাহী শাখার আঞ্জুমান আরা পারভীন।

শেখ মণি: চতুর্মুখী প্রতিভাবান এক যুবনেতার নাম

মাহবুবুর রহমান পলাশ সহ-সভাপতি ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগ: শেখ ফজলুল হক মনি যিনি বাংলাদেশের যুব রাজনীতির পথিকৃৎ।

বাংলাদেশের রাজনীতি, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধে এক আলোচিত নাম শেখ ফজলুল হক মনি। চতুর্মুখী প্রতিভাবান এই যুবনেতা গত শতকের ষাটের দশকে একদিকে যেমন তুখোড় ছাত্রনেতা অন্যদিকে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানও। পাশাপাশি একাধারে একজন সাংবাদিক, লেখক ও বাঙালি সংস্কৃতির একনিষ্ঠ ধারক। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে এবং রাজনৈতিক অনুসারী।

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৭২ সালে যুবলীগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি এ দেশে যুব রাজনীতির সূচনা করেন। তিনি যুবলীগের প্রথম চেয়ারম্যান। আজ যুব রাজনীতির আইকন এ নেতার জম্ম দিন। ১৯৩৯ সালের ৪ ডিসেম্বর টুঙ্গিপাড়ায় ঐতিহাসিক শেখ পরিবারে জন্ম নেয় শেখ ফজলুল হক মনি। তার বাবা শেখ নূরুল হক বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি ও মা বঙ্গবন্ধুর বড় বোন আছিয়া খাতুন।

যুব রাজনীতির সঙ্গে লাখো যুবক যুক্ত থাকলেও শেখ মনি’র সম্পর্কে আমরা অনেক কিছুই জানি না। মুক্তিযুদ্ধে গঠিত মুজিব বাহিনীর বিমান বাহিনী গঠনের মূল চিন্তাধারা ছিল যে মানুষটির তিনি হলেন শেখ মনি। এছাড়া ষাটের দশক থেকেই সামরিক শাসনবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। এ জন্য ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে মুজিব বাহিনী গঠনের ধারণার উন্মেষ ঘটে। সেই নিউক্লিয়াসের প্রাণপুরুষ শেখ মনি।

কিন্তু বয়সের কারণে তাকে দেখার ভাগ্যে হয়নি। যুব রাজনীতির এ প্রতিষ্ঠাতার সম্পর্কে জানার আগ্রহ তৈরি হয়, বর্তমানে ইন্টারনেট এর কল্যানে কিছুটা জানতে পেরে আরো আগ্রহ তৈরী হয় মনে এবং আশ্চর্য হই, অভিভূত হই, একজন মানুষ কিভাবে এত গুনাবলীর অধিকারী হয় কি করে? মনে মনে খুজতে থাকি তার সম-সাময়িক রাজনীতিক কার এখন জীবিত আছে।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য, আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রেজাউর রহমান স্যার যিনি আমাকে সন্তানের মতো স্নেহ করেন। স্যারকে মনি ভাইয়ের কথা জানতে চাইলে জানতে পারি, স্যার ছিল মনি ভাইয়ের একান্ত সহচর, যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য এবং পরে প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও মুজিব বাহিনীর অন্যতম সদস্য। স্যার বলেন, মনি ভাই ছিল এক কথায় জিনিয়াস। বঙ্গবন্ধু মনি ভাইয়ের মেধা মনন সাহসীকতা দেখেই তার আপন ভাগ্নেকে তার সাথে রাজনীতিতে এনেছিলেন। রেজা স্যার বলেন, ঘাতকরা ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর আগে কেন মনি ভাইকে হত্যা করেছিল তা জানো? আমি মাথা ঝুকিয়ে না বলি। স্যার বলেন, ‘চিন্তা করে দেখো উওর পাবে। তিনি বলেনম মনি ভাইকে নিয়ে একটি স্মারক গ্রন্থ বানানো হবে। স্মারক গ্রন্থটি হলে বর্তমান সমাজ মনি ভাইয়ের সম্পর্কে আরো জানতে পারবে।’

আমি বাংলাদেশের যুব রাজনীতির পথিকৃৎ কে নিয়ে লিখার সাহস করছি আমার মানসিক শক্তি দিয়ে কিন্তু যত গভীরে যাচ্ছি ভয় ও পাচ্ছি আবার এমন একজন গুনি জন সম্পর্কে লিখতে উত্তেজনাও অনুভব করছি! মনি ভাইয়ের কোথা হতে শুরু করবো তা বুঝতে অনেক সময় লাগলো তারপর এইভেবে শুরু করলাম অসাধারণ মানুষের বর্নাঢ্য জীবনি, ইতিহাস, কাহিনী যেভাবেই লিখি তা মানুষ পড়বেই কারণ মানুষ কে লিখছে সেটার কথা ভুলে যাবে যখন সে পড়বে যে এটা একজন বহু প্রতিভাধর, বহুগুণ সম্পন্ন, একজন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার দিন শেখ মনি এবং তার স্ত্রী আরজু মনিকেও হত্যা করা হয়েছিল। শেখ মনি দম্পতি রেখে গেছেন দুই পুত্র সন্তান শেখ ফজলে শামস পরশ এবং শেখ ফজলে নূর তাপস। রক্তে তাদের রাজনীতি। অনেক চড়াই উৎসাই পেরিয়ে আবার রক্তের উত্তরাধিকারই এখন উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ এই যুব সংগঠনের নেতৃত্বে। ইংরেজী সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করা শেখ ফজলে শামস পরশ এখন সংগঠনটির নেতৃত্বে। দায়িত্ব পাওয়ার পরেই অতীতের ‘কলঙ্ক’ ঘুচিয়ে ইতিবাচকতার পথে যুবলীগকে এগিয়ে নেয়ার গুরু দায়িত্ব নতুন নেতৃত্বের কাধে। পরশের নেতৃত্বে করোনা, বন্যাসহ প্রকৃতিক দুর্যোগগুলোকে সেই পরীক্ষায় প্রশংসা কুড়িয়েছে সংগঠনটি। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের দেখিয়েছেন মুন্সিয়ানা। এখন নতুন উদ্যমে এগিয়ে চলার সময় তাদের। পথেয় হিসেবে সঙ্গে রয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শেখ ফজলুল হক মনির আর্দশ। এই পথ ধরেই এগিয়ে যাব বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। শেখ মনির জন্মদিনের যুবলীগের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে বড় চাওয়া আর কি হতে পারে।

শেখ ফজলুল হক মনি
১৯৬০-১৯৬৩ সালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬২ সালে হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন রিপোর্টের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ায় তিনি গ্রেফতার হন এবং ছয় মাস কারাভোগ করেন। ১৯৬৪ সালের এপ্রিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর আবদুল মোনেম খানের কাছ থেকে সনদ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান এবং সরকারের গণবিরোধী শিক্ষানীতির প্রতিবাদে সমাবর্তন বর্জন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার ডিগ্রি প্রত্যাহার করে নেয়। পরবর্তী সময়ে তিনি মামলায় জয়লাভ করে ডিগ্রি ফিরে পান। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার হন এবং দেড় বছর কারাভোগ করেন। ১৯৬৬-এর ৬ দফা আন্দোলন তার রাজনৈতিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

তিনি ছিলেন একজন সাংবাদিক, লেখক ও বাঙালি সংস্কৃতির একনিষ্ঠ ধারক। ১৯৭২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তার সম্পাদনায় সাপ্তাহিক বাংলার বাণী পত্রিকা দৈনিকে রূপান্তরিত হয়। ১৯৭৩ সালের ২৩ অগাস্ট তিনি সাপ্তাহিক সিনেমা পত্রিকা প্রকাশ করেন। ১৯৭৪ সালের ৭ জুন তার সম্পাদনায় ইংরেজি দৈনিক বাংলাদেশ টাইমস প্রকাশিত হয়। তার রচিত গল্পের সংকলন বৃত্ত ১৯৬৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়, সম্প্রতি সংকলনটি আবারও প্রকাশিত হয়েছে ‘গীতারায়’ নামে। এ সংকলনের ‘অবাঞ্ছিত’ গল্পটি নিয়ে টেলিফিল্মও হয়েছে। শিশু-কিশোরদের সংগঠন শাপলা কুঁড়ির আসরের তিনি প্রতিষ্ঠাতা।

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের বেনাপোল বন্দর পরিদর্শন

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের সাথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম স¤প্রসারণ ও পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াতে সুবিধা অসুবিধা দেখতে সরেজমিনে আসে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী বিক্রয় কুমার দুরাই স্বামী। বেনাপোল কাস্টমস, ইমিগ্রেশন পেট্রাপোল চেকপোস্ট পরিদর্শন করেছেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনার বেনাপোলে পৌঁছালে তাকে পৃথক পৃথক ভাবে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান কাস্টমস কর্মকর্তা ও বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

ভারতীয় হাই কমিশনারের সফর সঙ্গী ছিলেন, ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার আর কে রায়না ও ভারতীয় হাইকমিশনারের সহধর্মিনী।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান, বন্দর উপ-পরিচালক আব্দুল জলিল, নাভারন সার্কেল এএসপি জুয়েল ইমরান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল, বেনাপোল থানার ওসি মামুন খান, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজল প্রমুখ।

সাভারে দিনে দুপুরে যুবককে কুুপিয়ে হত্যা, ইমন নামে একজন পলাতক

https://www.youtube.com/watch?v=qibpjFw4rZY

বিপ্লব,সাভারঃ সাভারের পৌর এলাকায় একটি পুকুরের পাশে দিনে দুপুরে মিলন (২০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

সাভারের পৌর এলাকায় একটি পুকুরের পাশে, দিনে দুপুরে মিলন (২০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহ¯প্রতিবার সাভার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ জামসিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে৷

পুলিশ বলছে,দুপুরে সাভারের জামসিং এলাকায় ফজলুক হকের ছেলে মিলন মিয়া একটি খেতে লাউয়ের চারা রোপন করতে যায়। এসময় ওই য্বুকের প্রতিবেশী মহি উদ্দিনের ছেলে ইমন মিয়াও ওই খেতে লাউয়ের চারা রোপন করতে যায়।

পরে মিলন মিয়া নামের ওই যুবককে প্রকাশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃওরা।

এসময় প্রত্যক্ষদর্শীরা ইমন মিয়াকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে এঘটনার পর থেকে ইমন মিয়া নামের ওই যুবক নিজের বাড়ি ঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

বিষয়টি নিশিচত করে সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত সাইফুল ইসলাম বলেন,জামসিং এলাকায় ওই যুবককে কে বা কারা খুন করেছে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ধামরাইয়ে ধর্ষণের ঘটনায় কাজী গ্রেপ্তার।

 সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই (ঢাকা)থেকেঃ- ঢাকার ধামরাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে ইউসুফ আলী (৪৫) নামের এক বিবাহ রেজিস্ট্রারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) ধামরাই পৌরসভার চন্দ্রাইল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ধর্ষক ইউসূব আলী বিবাহের কাবিন বাড়িয়ে দেয়ার কথা বলে এক গৃহবধুকে ধর্ষণ করেন। ভন্ডকাজী নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা থানার, হাপানিয়া গ্রামের মৃত, লাল মাহমুদের ছেলে।

তিনি দীর্ঘদিন যাবত ধামরাই এলাকায় বিবাহ রেজিস্ট্রারের কাজ করেন।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুজ্জামান বলেন, অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে থানা হাজতে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা এজহারভুক্ত হয়েছে। এজহার নাম্বার ৫। আগামীকাল শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করা হবে।

যশোরের শার্শায় ভারতীয় ফেনসিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা থানাধীন বাগআঁচড়া সোনালী ব্যাংক বাগআঁচড়া শাখার সামনে থেকে ৭২ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব সদস্যরা।

গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন, কলারোয়া থানাধীন রামভন্দ্রপুর গ্রামের মৃত: রমজান আলীর ছেলে মোঃ আবু হাসান (৪১) ও একই গ্রামের মৃত: ফজের আলীর ছেলে মোঃ গোলাম রসূল (৪৫)। বুধবার ভারতীয় ফেনসিডিল হাতেনাতে দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।

যশোর র‌্যাব-৬ সিপিসি ৩ ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার লেঃ এম সারোয়ার হুসাইন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শার্শা থানাধীন বাগআঁচড়া বাজার এলাকার সোনালী ব্যাংক এর সামনে অভিযান চালিয়ে ৭২ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল সহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ধৃত আসামী ও জব্দকৃত আলামত সহ যশোর জেলার শার্শা থানায় হস্তান্তর এবং ২০১৮ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬ (১) এর সারনী ক্রমিক ১৪ (গ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যশোরের বেনাপোল বাজার কমিটি’র উদ্দ্যোগে ‘নো মাস্ক,নো সেল’ কর্মসুচী চালু

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোর জেলার বেনাপোল বাজার এলাকায় করোনা ভাইরাসের সংক্রামন প্রতিরোধে মাস্ক বিহীন পন্য ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ করতে ‘নো মাস্ক,নো সেল’ নামক কর্মসূচী চালু করেছে বেনাপোল বাজার কমিটি কতৃপক্ষ। প্রথমদিনেই মাস্ক বিহীন ক্রেতার নিকট পণ্য বিক্রির দায়ে কয়েকটি দোকানকে হুশিয়ারী করে দেওয়া হয়েছে। সাথে সাথে বাজারে আসা ক্রেতা ও সাধারন জনগনের মাঝে বাজার কমিটির পক্ষ থেকে ফ্রী মাক্স বিতরণ করা হয়।

বুধবার(২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে বেনাপোল বাজারে ‘নো মাস্ক,নো সেল’ এই কমসূচীর উদ্বোধন করেন বেনাপোল বাজার কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আজিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক বেনাপোল ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বজলুর রহমান।

এসময় তারা বিভিন্ন দোকানে দোকানে গিয়ে তাদেরকে মাস্ক ছাড়া পণ্য ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকার আহবান জানান। একই সাথে মাস্ক ছাড়া ক্রেতার নিকট পণ্য বিক্রির দায়ে কয়েকটি দোকানকে সতর্ক করে দেন। এসময় সেখানে বাজারের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বেনাপোল বাজার কমিটি,র সভাপতি আলহাজ্ব আজিজুর রহমান বলেন, সরকারি নির্দেশ মেনে ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় করোনা ভাইরাসের সংক্রামন রোধে আজ থেকে বেনাপোল পৌরসভায় বাজার এলাকায় মাস্ক ছাড়া কোন দোকানে ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবেনা এমন কর্মসূচী চালু করা হয়েছে। এই সিন্ধান্ত অমান্য করলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোকান বন্ধ ঘোষনা ও জরিমানার আওতায় আনা হবে। এই কর্মসূচী আমাদের অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেট...