26 C
Dhaka, BD
রবিবার, এপ্রিল ১২, ২০২৬

শার্শার ১১টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গনের হাতে করোনা প্রতিরোধী সামগ্রী তুলেদেন এমপি শেখ আফিল উদ্দিন

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে উপজেলা পরিষদ,শার্শা এর আওতায় এডিপি অর্থ দ্বারা শীত মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবিলায় শার্শা উপজেলার জনগনের মাঝে করোনা প্রতিরোধ উপকরন-মাস্ক,হ্যান্ড স্যানিটাইজার,এন্টিসেপ্টিক সাবান,শিক্ষা উপকরন ও বেঞ্চ বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শার্শার সাংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মঞ্জু,উপজেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক নুরুজ্জামান,সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ,যশোর জেলা পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল,উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি সালেহ আহম্মেদ মিন্টু,ছাত্রনেতা রহিম সর্দার ও ছাত্রনেতা ইকবাল হোসেন রাসেল প্রমুখ।

শার্শায় উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষে চিকিৎসকদের মাঝে চিকিৎসা উপকরণ বিতরণ

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে শার্শা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের মাঝে চিকিৎসা উপকরন করেন এমপি শেখ আফিল উদ্দিন।

উপজেলা পরিষদ শার্শা কর্তৃক আয়োজিত এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এর বাস্তবায়নে চিকিৎসা উপকরন গুলি চিকিৎসকদের হাতে তুলে দেন প্রধান অতিথি। অপর দিকে শার্শার এমপি শেখ আফিল উদ্দিন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প(জিওবি-আইডিবি) এর আওতায় নির্মিত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর,শার্শা উপজেলার নতুন দ্বিতল ভবন এর শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন।

ভবনটিতে লাল ফিতা কেটে ও দোয়া অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দ্বিতল ভবনটি উদ্বোধন করা হয়েছে। ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শার্শা উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, উপজেলা ভূমি ম্যাজিস্ট্রেট রাসনা শারমিন মিথি, কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার শীল, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল ওহাব, শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান, শার্শা থানার ওসি বদরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান,যশোর জেলা পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৌস,যশোর জেলা আ.লীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসিফ উদ দৌলা সরদার অলোক, ছাত্রলীগ নেতা আব্দুর রহিম সর্দার ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রাসেলসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বৃন্দ।

ধামরাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ১০টি উদ্যোগ বাস্তবায়নে মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন,ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাইয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ ১০টি উদ্যোগ বাস্তবায়নে মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে ঢাকা জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কক্ষে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ঢাকা জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ আরিফ সাদেকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সামিউল হক ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দশটি উদ্যোগ একটি বাড়ি একটি খামার, আশ্রয়ণ প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়ক কর্মসুচী, নারীর ক্ষমতায়ন, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসুচী এবং পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করণে তৃণমুল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সেলিনা খানম, আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক উপজেলা সমন্বয়কারী মির্জা তানজীদা সুলতানা সহ আরো অনেকেই ।

অবহেলা নয় তরুণ প্রজন্মকে সাংবাদিকতায় দিতে হবে

লেখকঃ নজরুল ইসলাম তোফাঃঃ আমি ব্যক্তিগত ভাবেই লিখে যাচ্ছি কিন্তু টাকার প্রত্যাশা না করলেও কিছু টাকাপয়সা দিলে কারনা ভালো লাগে, তো দেখা যায়, উল্টো আমাদের কাছেই চায়।

তাই বলি- ৮ বছরের লেখা লেখির জগতে আজ অনেকটাই ক্লান্ত। আগে সাংবাদিকতার গুনগত পরিবর্তন এতোটা খারাপ ছিল না। বেশ ক’টি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ হতো তাদের যেন আদর্শ ছিল। ‘সনাতন মূদ্রণ’ পদ্ধতি পরিবর্তিত হয়ে কম্পিউটার অর্থাৎ ডিজিটালযুগে প্রবেশ করে যেন শুরু হয়েছে সব ঝামেলা। কিছু সাংবাদিক স্থানীয়ভাবেই স্বল্প পারিশ্রমিক পেতে শুরু করলেও এখন সেটাও বন্ধ করা জন্য প্যাইতারা চালায়।

এমন নতুন প্রযুক্তির সাথে মেধা সম্পন্ন সাংবাদিকরা নিজেদের সমন্বয় করতেই হিমশিম খাচ্ছে। তাদের পেশাদারিত্বের প্রতিও অবহেলা বাড়ছে। বেশকিছু নতুন সাংবাদিকরা পেশায় অন্তর্ভুক্ত হয়, তারা আজকে মানুষের দ্বারেই ক্রাইম করছে। সত্য কথা এমন ভাবে বলার সৎ সাহসটাও সাংবাদিকদের নেই। যারা না কি এখনো দাপটের সঙ্গেই পেশায় আছে তারা মিডিয়ার বিস্ফরন ঘটানোর জন্য বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এর দ্বারস্ত হচ্ছে।সাংবাদিকতায় এই ঠান্ডা যুদ্ধ শুরু হয় প্রিন্ট আর ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মধ্যে।

বলা যায় যে স্থীর ক্যামেরা হাতের সাংবাদিকের হাতে চলে আসে “চলমান ক্যামেরা”, ৩৫ ফ্লিল্ম দুনিয়া সমাপ্ত হয়ে এখন- ডিজিটাল ক্যামেরায় পদার্পন। খরচ কমে যায়, সাংবাদিকরা পায়ে হাটা আর বাইসাইকেল ভুলেই গাড়ী আর মটরসাইকেল আর মোবাইল ফোন ইন্টারনেট জগতে ঢুকে পড়ে।

অতীতের সময় থেকে এই মূহুর্ত পর্যন্ত ক্রমে ক্রমেই যেন আধুনিকতায় প্রবেশ করেছে, সুযোগ সন্ধানী বেশ কিছু সাংবাদিকরা। অবশ্যই বুকটা ভরে যায়, যখন দেখি এই সাংবাদিকরা ঐ জায়গার সাংবাদিক হয়ে নানা চ্যানেলে লাইভ সংবাদে ক্যামেরার সামনে দাড়িয়েই তথ্য বিলিয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে বসেই তারা যেন ভবিষ্যত দেখতে পান, ভালোই লাগে, অথচ এ দেশের কোনো লেখক দৃঢ় কণ্ঠে বলতেই পারবেন না, পত্রিকা গুলোর করুন দশায় এসে দাঁড়িয়েছে। উপযুক্ত সম্মানী ও প্রকাশক করবার কিছুটা ঝামেলা থেকে রেহাই পেতেছে। আর একটা কথা, এখন যারা সা়ংবাদিকতায় ভাল কাজ করবার জন্যে খুব চেষ্টা করছে। তারা শেখার আগেই যেন তেষ্টা মেটানোর দিকে বেশি ঝুকে পড়ছে। সুতরাং, তাড়াতাড়ি স্মার্ট ফোন আর কত বেতন হবে এইসব কথা আগেই শর্ত দিয়ে ফেলছে। শিখলে, জানলে, বুঝলে, পারলে এইসব সুবিধা আপনা আপনি এসে যাবে। নিজের মান বৃদ্ধিটাই জরুরি বিষয়। অভাবে থেকে বাহাদুরি নয়, নতুন কিছু করার চেষ্টাতেই প্রস্তুত হই। নতুন কিছুর পরিবর্তন এনে ‘আবিস্কার করি’।

সুতরাং অভাবে স্বভাব নষ্ট না করে এমন সা়ংবাদিকতার পেশাটাকে ‘পরিচ্ছন্ন রাখি’। বর্তমানে এই সা়ংবাদিকতায় তরুণপ্রজন্মের অনেক জায়গা এখনো খালি আছে। এই দেশে প্রকাশনা শিল্পটাকে সমৃদ্ধ করি।

১১শ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ ও হাইজিন কিট বিতরণ করলেন রাসিক মেয়র লিটন

সৌমেন মন্ডল রাজশাহী ঃ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রাজশাহী সিটি ইউনিটের পক্ষ থেকে কোভিড-১৯ ক্ষতিগ্রস্থ অসহায়-দুস্থ ১১শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী (ফুড প্যাকেজ) ও হাইজিন কিট বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান বিভাগীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রেড ক্রিসেন্টের ব্যবস্থাপনা পর্যদ সদস্য, রাজশাহী সিটি ইউনিট চেয়ারম্যান ও রাসিক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন তাদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও হাইজিন কিট বিতরণ করেন। এইচএসবিসি ব্যাংক ও প্রাণ-আরএফএল গ্রæপের সহযোগিতায় এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, যেকোন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে থাকে রেড ক্রিসেন্ট। এরই ধারাবাহিকতায় আজ রাজশাহী সিটি ইউনিটের পক্ষ থেকে ১১শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও হাইজিন কিট বিতরণ করা হলো। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও এর আগেও কয়েক দফা খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আগামীতেও এ ধরনের সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখা হবে।

মেয়র আরো বলেন, মহামারি করোনায় বিশে^র বড় বড় দেশ বিপর্যস্ত। এমতাবস্থায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও বিজ্ঞ নেতৃত্বে বাংলাদেশ করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করছে। প্রধানমন্ত্রী অব্যাহতভাবে গরীব ও অসহায়, কর্মহীন মানুষদের খাদ্য, অর্থসহ বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান করছেন। রাজশাহীতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে চাল, ডাল, আলু, আটাসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত থাকবে।

এরআগে শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান বিভাগীয় স্টেডিয়ামে মাঠজুড়ে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে সারি সারি করে বসানো হয় এক হাজার ১০০টি চেয়ার। সকাল থেকে স্টেডিয়ামে আসতে শুরু করেন উপকারভোগীরা। স্টেডিয়ামে বসানো প্রতিটি চেয়ারের পাশে রাখা হয় ফুড প্যাকেজের প্যাকেট। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল ৭ কেজি ৫০০গ্রাম চাল, ডাল ১ কেজি, তেল ১ লিটার, চিনি ১ কেজি, লবন ১ কেজি, সুজি ৫০০ গ্রাম, লন্ড্রি সোপ ১৫০ গ্রাম-২টি, বাথ সোপ ১০০ গ্রাম-২টি, সার্জিকাল মাস্ক-২টি। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাসিক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন আনুষ্ঠানিকভাবে কয়েকজনের হাতে খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দিয়ে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এরপর প্রতিটি ব্যক্তি তার চেয়ারের পাশে রাখা প্যাকেট নিয়ে সামাজিক দূরত্ব মেনে সুশৃঙ্খলভাবে মাঠ ত্যাগ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাজশাহী সিটি ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, প্রফেসর ড. ফরিদা সুলতানা, ডা. এফ.এম.এ জাহিদ, ফিরোজা বেগম, মাননীয় মেয়রের একান্ত সচিব মো. আলমগীর কবির, প্রাণ-আরএফএল গ্রæপের বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ মো. সারোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রেড ক্রিসেন্টের রাজশাহী জেলা ও সিটি ইউনিট অফিসার মোঃ বাকী বিল্লাহ। রাজশাহী সিটি ইউনিটের যুগ্ম প্রধান মোঃ শিমুল হোসেনের নেতৃত্বে ৫০জন যুব সদস্য অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করেন। অনুষ্ঠানস্থলে ছিল রেজিস্ট্রেশন বুথ, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান কেন্দ্র, ও বেস্ট ফিডিং কর্ণার।

ধামরাইয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম গ্রেজেটভুক্ত না হওয়ায় বিক্ষোভ মিছিল।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন ,ধামরাই(ঢাকা)প্রতিনিধিঃ-ঢাকার ধামরাই উপজেলার ৫৯ জন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা গ্রেজেটে না উঠার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার সদস্যরা। আজ শনিবার সকালে ধামরাই বাজারের অবস্থিত উপজেলা মুক্তিযোদ্ধার অফিসের সামনে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার সদস্যরা বিক্ষোভ মিছিল করেন।

অথচ সরকার নির্ধারিত মন্ত্রালয় থেকে দুইটি যাচাই-বাচ্ছাই কমিটিতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা প্রমাণিত হওয়ার পরও ৫৯ জনের নাম গ্রেজেট ভুক্ত না হওয়ায় তারা ক্ষোভে বিক্ষোভ করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। বিক্ষোভ মিছিলে মুক্তিযোদ্ধারা জানান,কেউ ভারতের টেনিং প্রাপ্ত কেউ বা আবার বাংলাদেশে টেনিং করে মুক্তিযোদ্ধে অংশ গ্রহণ করে। এই সময় তারা বলেন সরকারি ভার্তার জন্য তারা দেশ স্বাধীন করে নাই। যেহেতু বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা যাচ্ছে তা গ্রহণ করে আসছে তারা। মুক্তিযোদ্ধা শরিফুল ইসলাম,জসিম উদ্দন,মহিউদ্দন,সামছুল আলম,ফজলুল হক,আফাজ উদ্দিন,মৃত নুরমুহাম্মদের পরিবারসহ ৫৯ জন মুক্তিযোদ্ধার নামের তালিকা ২০১৪ সালে গ্রেজেটে ভুক্ত না হওয়ায়। মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রেজেট থেকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা বাদ পরে ধামরাইসহ সারা বাংলাদেশে। এনিয়ে সারাদেশে মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন আন্দোলন কমসূচি শুরু করে।

সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা করার জন্য ২০১৭ সালে সরকার নিধারিত স্থানীয় এমপিকে সভাপতি করে ৫ সদস্য একটি যাচাই-বাচ্ছাই কমিটি গঠন করে। ওই যাচাই-বাচ্ছাই কমিটিতে ৫৯ জনের নাম প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হয়। এরপর ২০১৯ সালে সরকার মুক্তিযোদ্ধাকালিন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা

কমান্ডারকে সভাপতি,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব ও জেলা প্রশাসকে সদস্য করে তিন সদস্য একটি যাচাই-বাচ্ছাই কমিটি গঠন করে দেয়। ওই কমিটিতেও ৫৯ জন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা প্রমাণিত হয়। সরকারি ভার্তাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পেতে থাকে। তারপরও গ্রেজেটে তাদের নাম সংযোজন না হওয়ায় গত অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের ভাতা থেকে তারা বঞ্চিত হয়।বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ব্যাংকের মাধ্যমে আসবে।সেখানে ধামরাই থেকে ওই ৫৯ জন মুক্তিযোদ্ধা সরকারি সম্মনি ভাতা থেকে বাদ পরে। তাই ওই ৫৯ জন মুক্তিযোদ্ধা কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে হাইকোটে রিট করে। সেই রিটের রায়েও ৫৯জন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে রায় পায়। সেই রায়ের কপি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রালয়ে জমা দিলে তাদের নাম গেজেটে না আসে নাই। এবিষয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন,ভারতের টেনিং শেষ করে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে দেশ স্বাধীন করি।

সরকার নির্ধারিত দুইটি যাচাই-বাচ্ছাই কমিটিতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া হাইকোটের রিটেও
আমরা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে রায় পায়। অথচ গ্রেজেটে আমার নাম উঠে নাই।তিনি আরো বলেন, আমাদের নাম গ্রেজেট ভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এমন কর্মসূচি অব্যহত থাকবে। মুক্তিযোদ্ধা আফাজ উদ্দিন খাঁন জানান,২০১৮ সালে হাই কোটে রিট করেন
তিনি। রিট নং ৮৪০২। সেই রিটে আমাদের পক্ষে রায় দিয়ে আমাদের নাম গ্রেজেটে উঠানোর জন্য এবং ভাতা দেওয়ার জন্য মন্ত্রালয়কে নির্দেশ দেন। তারপরও আমাাদের নাম গ্রেজেটে উঠে নাই। তিনি আরো মুক্তিযোদ্ধা সম্মনি ভাতা বর্তমানে ব্যাংকে এমআইএস মাধ্যমে আসেব কিন্তু সেখানে তারা ভাতা পাবে না। যার কারনে তারা বিক্ষোভ মিছিল চারিয়ে যাবে।

তাই আমাদের দাবি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়েও আমরা কেন গ্রেজেট থেকে বাদ যাব। তাই দেশরত্ন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের দাবি আমাদের নাম গ্রেজেট ভুক্ত করার জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি।

মোহনপুরে পুকুরের জমিকে কেন্দ্র করে আক্রশমূলক হামলায় আহত ওহাব মৃত্যু শয্যায়

সৌমেন মন্ডল ,রাজশাহী প্রতিনিধি ঃ রাজশাহীর মোহনপুরে পুকুরে জমি ছুরিকাঘাতে চারজন আহতের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মোহনপুর গ্রামের মৃত কছিমুদ্দিনের ছেলে ওহাব আলী (৪৮), ছেলে রাইসুল ইসলাম (১৬) ও নছিমুদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩২) এবং আহাদ।

চিকিংসায় আহতদের মধ্যে তিনজন সুস্থ হলেও মৃত্যু শয্যায় ওহাব আলী। গত ৩ অক্টোবর রাজশাহী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ওহাব আলীকে এবং ৩১ শে অক্টোবর তাকে হাসপাতাল থেকে তাকে ছুটি দেওয়া হয়। তবে তার শরীর কোন উন্নতি হয়নি। এখন বাড়িতে শুয়ে শুয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মোহনপুর উপজেলার ধুরইল ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের দুই ছেলে হারুন ও আব্দুল রশিদ এবং মহব্বতপুর গ্রামের মৃত সাবের আলী ছেলে রবিউল ইসলাম মল্লিকপুর মৌজায়একটি জলাশয় লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন মাছ চাষ করে আসছিলেন এবং লিজকৃত জলাশয়ের পাশে ওহাব আলীর নিজস্ব জমিতে মাছ চাষ করেন কিন্তু লিজকৃত জমির মালিকেরা ক্ষমতার বলে ওহাব আলীকে নিজস্ব জমিতে মাছ চাষ করতে নিষেধ করেন এবং প্রান নাশের হুমকি দেন।

গত ৩ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় মহব্বতপুর বাজারে রবিউল ইসলাম কথা বলবে বলে পার্শে ওহাব আলীকে ডাক দেন। ওহাব আলী তার সাথে কথা বলতে গেলে পার্শে থেকে এসেই হারুন ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতারি ভাবে আঘাত করতে থাকে এবং রশিদ হাতুরি দিয়ে এলোপাতারি পিটাতে থাকেন। এই সময় উদ্ধার করতে আসলে ওহাব আলীর ছেলে রাইসুল ইসলাম, নছিমুদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলামকে ছুরি আঘাতে আহত করেন এবং মহব্বতপুর গ্রামের আহাদ নামের এক ব্যক্তিও গুরুত্বর আহত হন।

উল্লেখ্য এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১ নং আসামী আব্দুল হামিদের ছেলে হারুন, ২ নং আসামী আব্দুর রশিদ এবং ৩ নং আসামী সাবের আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম। গত মঙ্গলবার রাজশাহী আদালতে জামিনের জন্য ২ ও ৩ নং আসামী হাজির হলে আদালত জামিন নামুঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠান এবং মামলার ১ নং আসামী হারুন পলাতক রয়েছেন।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনা আমার জানা নেই, কয়েক দিন আগে আমি এই থানায় নতুন যোগদান করেছি। তবে বিষয় টি তদন্ত করে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীর দারুসসালাম এলাকা থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জামদি ও ইয়াবাসহ আটক ২

স্টাফরিপোটারঃ রাজধানীর দারুসসালাম এলাকা থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জামদি ও ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব ৪।

রাতে তাদেরকে আটক করা হয়। র‌্যাব ৪,জানায় রাতে দারুসসালাম এলাকায় অভিযান অভিযান চালিয়ে বোমা তৈরির সরঞ্জামদিসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাজ থেকে ১০০ পিচ ইয়াবা তিনটি চোরাই মোবাইল উদ্ধার করা হয়। আটক দুই মাদক ব্যবসায়ী হলো আউয়াল হোসেন (৩২),ও সোলাইমান মিয়া (২৮)। অন্যদিকে চার’শ পিচ ইয়াবাসহ সাভার থেকে ছয়জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।

র‌্যাব আরও জানায়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় তাদের কৃতকর্মের বিষয় স্বীকার করার পাশাপাশি জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন যাবত ঠিকানা বদল করে কক্সবাজার জেলা হতে ইয়াবা ক্রয় করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ডিলার ও খুচরা মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় করে আসছিলো। জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায় যে, তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন যাবত দেশে নাশকতামূলক কর্মকান্ড পরিচালনার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর লক্ষ্যে বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে আসছিলো।

তাদেরকে সংশ্রিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

রাণীশংকৈল কাতিহার পশুর হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়

রাণীশংকৈল,( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার কাতিহার পশুর হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

২৮ নভেম্বর শনিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত সরেজমিনে গরুর হাঁটে গিয়ে অতিরিক্ত টোল আদায়ের বিষয়টি জানা গেছে।

হাটে গরু প্রতি ২২০ টাকা ও ছাগল প্রতি ৯০ টাকা টোল নেওয়ার সরকারি নিয়ম থাকলেও হাট ইজারাদার তা উপেক্ষা নিজ ক্ষমতার দাপটে গরু প্রতি ৩৫০ টাকা ও ছাগল প্রতি ১৫০ টাকা নিচ্ছে । হাটে গরু কিনতে আসা দুু’জন ব্যক্তি লোহাগাড়া গ্রামের রফিকুল ও বগুড়া জেলার আঃ মজিদ নামে দু’জন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘সরকারি নিয়ম ভঙ্গকরে হাট কমিটির লোকজন এভাবে আমাদের কাছে বেশি টাকা নেওয়ায় আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। প্রশাসনকে এটা দেখা উচিত’।

গরুর রশিদ লেখক ফতেপুর গ্রামের মুনির ইসলামকে টোল হিসাবে বেশি টাকা নেয়ার কথা বললে তিনি বলেন, এ হাটের ইজারাদার গোলাম আজমের নির্দেশে ৩৫০ টাকা করে নিচ্ছি। এ বিষয়ে গরুর হাঁটে আসা লোকের অনেকেই জানায় কোনভাবেই সরকারি নিয়ম পালন করছেন না হাট ইজারাদারসহ সংশ্লিষ্টরা।

হাট ইজারাদার গোলাম আজমের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, অতিরিক্ত টোলের টাকা আদায়ের বিষয়টি আমি জানিনা। তিনি কৌশলে টোল হিসেবে বেশি টাকা নেয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিমের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, এ ব্যপারে আমরা অবগত নই, কিন্তু হাটে অতিরিক্ত টোল আদায় করলে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

আনন্দ টিভির শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদক নির্বাচিত হলেন মাসুদ সরদার

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই(ঢাকা) প্রতিনিধি: বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন আনন্দ টিভির মফস্বল পর্যায়ে অর্থনীতি বিষয়ক প্রতিবেদনের জন্যে শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদকের পুরস্কার স্বরুপ ক্রেস্ট পেলেন ঢাকার ধামরাই উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ মাসুদ সরদার।

শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের অডিটোরিয়ামে আনন্দ উৎসব-২০২০ অনুষ্ঠানে সকল প্রতিনিধির উপস্থিতিতে তার হাতে এই সম্মাননা ক্রেস্ট তুলেদেন আনন্দ টিভির উর্ধতন কতৃপক্ষ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আনন্দ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, হাসান তৌফিক আব্বাস, মানব সম্পদ বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো সাইফুল ইসলাম, ন্যাশনাল ডেক্স ইনচার্জ মোস্তফা কামাল তোহা সহ আনন্দ টিভির বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লেঃ কর্ণেল (অব:) ফোরকান আহমদ সহ অন্যান্যরা।

মোহাম্মদ মাসুদ সরদারকে আনন্দ টিভির পক্ষ থেকে এই সম্মাননা দেওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা সহ আরো অনেকে।

সর্বশেষ আপডেট...