ধামরাইয়ে হিন্দুসম্প্রদায়ের দুর্গোৎসবে ‘নিসচা’ সড়কে শৃঙ্খলায়নে বদ্ধপরিকর।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি)ঃজাতি ধর্ম নির্বিশেষে “মানুষের কথা চিন্তা করেই এমন উদ্যোগ” হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় দশমীর বিজয়া উপলক্ষ্যে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই শাখার উদ্যোগে সড়কে শৃঙ্খলায়নে সকল প্রকার প্রাইভেট কার, অটোরিক্সা, হ্যালো বাইক, সিএনজি চালিত যানবাহন দীর্ঘ সময় বন্ধ করে দেয়া হয়।
সোমবার (২৬ শে অক্টোবর) দুপুর থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে সাধারণ মানুষের ক্ষণিকের কষ্ট হলেও সড়কে চলাচলরত মানুষের মধ্য ছিল অনেকটাই স্বস্তির দীর্ঘশ্বাস ।
উক্ত কাজে স্থানীয় পৌর মেয়র গোলাম কবির মোল্লা ভূয়সী প্রশংসায় বলেন, মুসলমানদের বড় উৎসবের মধ্য যেমন ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহা। তেমনি স্বণাতন ধর্মের বড় উৎসব এই শারদীয় দুর্গাপূজা। এ উৎসবে সড়কে প্রতিবার বিশৃঙ্খলা বা যানবাহনের চাপে চলাচল কষ্ট হলেও এ বছর নিসচা ধামরাই শাখার উদ্যোগে সড়কে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তাদের সদস্যরা গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় সড়ক যেন তার নিজেস্বতা ফিরে পেয়েছে।এতে রাস্তায় চলাচলে মানুষের যেমন ভোগান্তি দূর হয়েছে তেমনি স্বস্তি পেয়েছে।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, নিসচা প্রতিনিয়ত সড়কে পুলিশকে সহযোগিতা করেন এটা অতি মহৎকর্ম। আজ এতো বড় উৎসবের দিনেও ধর্ম,বর্ণ,জাতি নির্বিশেষে যে ধরনের কাজ করছে এটা ধামরাই বাসীর জন্য গৌরবময়। নিসচা ধামরাই শাখার ভালো উদ্যোগের সাথে পুলিশের সহযোগিতা থাকবে সর্বত্র।
নিসচা’র এমন উদ্যোগে সভাপতি মোঃ নাহিদ মিয়া বলেন,নিসচার সদস্যরা সর্বত্র মানুষের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয়। বর্তমান পেক্ষাপট অনুযায়ী এ সময় ধামরাই বাসী সড়কে চলাচলের বিষয়টি চিন্তা করেই এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছি।এতে আমার সকল সহযোদ্ধারা আমাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।
নাটোরে পারিবািরক কলহে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে স্বামী (ভিডিও)
মোঃ নাহিদুল ইসলাম নাহিদ (নাটোর প্রতিনিধি) ঃ নাটোরের সদর উপজেলার নারায়নপুরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে গেছে স্বামী।
পুলিশ জানায়, গতরাতে সদর উপজেলার তেবারিয়া ইউনিয়নের নারায়নপুরে পারিবারিক কলহে স্বামী মইনুল ইসলাম তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগমকে বাড়ীর সামনে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। আনোয়ারার চিৎকারে স্থানিয়রা এসে উদ্ধার করে রাতে সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।
নিহত আনোয়ারা সদর উপজেলার তেবারিয়া ইউনিয়নের নারায়নপুর এলাকার বাহার উদ্দিনের মেয়ে। স্বামী মইনুল একই ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের মৃত জাফরের ছেলে।
প্রতিমা বিসর্জনে নৌকা উল্টে চারজনের মৃত্যু
সময় ডেস্কঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রতিমা বিসর্জনের সময় নৌকা উল্টে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন বেশ কয়েকজন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে কলকাতা থেকে আনুমানিক ২৫০ কিলোমিটার দূরে মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান চালাচ্ছে ডুবুরি দল।
স্থানীয় ডুমনিদহ বিলে প্রায় কয়েক শ’ প্রতিমা বিসর্জন চলছিল। এ সময় প্রতিমা বহনকারী দুইটি নৌকার মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে দুটি নৌকাই উল্টে যায়। এ সময়ে প্রতিমাও পড়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নিহতরা সবাই প্রতিমার কাঠামোর নিচে চাপা পড়ে মারা গেছেন।
ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনী ছাড়াও রয়েছে উদ্ধারকারী দলের বেশ কয়েকজন।
পদ হারাতে পারেন ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান আহমেদ সেলিম
সময় ডেস্কঃবরখাস্ত হতে পারেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান আহমেদ সেলিম। মাদক ও অবৈধ ওয়াকিটকি রাখা ও ব্যবহারের দায়ে সাংসদ হাজী সেলিমের দ্বিতীয় ছেলে ইরফান সেলিমের এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম তাকে এ সাজা দেন। এ সময় ইরফানের দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসলামেও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ (সংশোধিত ২০১১) অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধের জন্য মেয়র বা কাউন্সিলররা বরখাস্ত হয়ে থাকেন। এ আইনের ১২ ধারায় মেয়র ও কাউন্সিলরদের বরখাস্ত করার বিষয়ে বলা হয়েছে।
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে স্থানীয় সরকার বিভাগকে অবহিত করতে হয়।
উপ-ধারা ১২ (১) বলা হয়েছে, যে কোন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বা কাউন্সিলরের অপসারণের জন্য ধারা ১৩ এর অধীন কার্যক্রম আরম্ভ হয়েছে অথবা তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার অভিযোগ আদালত কর্তৃক গৃহীত হয়েছে। সে ক্ষেত্রে সরকার লিখিত আদেশের মাধ্যমে ক্ষেত্রমত, মেয়র বা কোন কাউন্সিলরকে বরখাস্ত করতে পারবে।
এ আইনের ১৩ ধারায় মেয়র এবং কাউন্সিলরগণের অপসারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে। ১৩ এর উপধারা ১ এর খ-তে বলা হয়েছে, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে আদালত কর্তৃক দণ্ডিত হলে তিনি অপসারিত হবেন। ১৩ এর ঘ-তে বলা হয়েছে, অসদাচরণ বা ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন তাহলেও তিনি অপসারিত হবেন।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মেয়র বা কাউন্সিলররা আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত হলে তিনি বরখাস্ত হন। তবে এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে হলে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন থেকে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হয়।’
এর আগে অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে সময় সংবাদের বিশেষ প্রতিনিধি ওমর ফারুক জানিয়েছেন, দুপুর ১২টার দিকে অভিযান শুরু হয়। ৮তলা ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে অভিযান চলে। ইরফানের বাসা থেকে বেশ কিছু অবৈধ জিনিস উদ্ধার করে র্যাব। এর মধ্যে আছে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, যেটা অবৈধ। সেটির কাগজপত্র এখনও দেখাতে পারেননি তিনি। এছাড়া, ৫-৬ লিটার মদ ও ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় বাড়িটি থেকে। পাওয়া গেছে বেশ কিছু বিয়ারের ক্যান।
উল্লেখ্য, ২৫ অক্টোবর রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও ২৬ অক্টোবর ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওয়াসিফ।
মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন, ইরফান সেলিম, এ বি সিদ্দিক দীপু, জাহিদ, মীজানুর রহমান ও অজ্ঞাতনামা আরও দুই/তিনজন।
মামলায় আরো বলা হয়, ইরফানের গাড়ি ওয়াসিমকে ধাক্কা মারার পর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিম সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামান এবং গাড়ির সামনে দাঁড়ান। নিজের পরিচয় দেন। এরপরই গাড়ি থেকে কয়েকজন বের হয়ে ওয়াসিমকে কিলঘুষি মারেন এবং তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা মারধর করে ওয়াসিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান।
পরে তার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডির ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
এর আগে, সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে ভুক্তভোগী নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিম নিজেই বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম (৩৭), তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ (৩৫), হাজী সেলিমের মদীনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু (৪৫), গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ (৩০) অজ্ঞাতপরিচয়ের দু-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
হাজী সেলিমের ছেলের বাসায় টর্চার সেল
নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত সাংসদ হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের বাসায় টর্চারের সন্ধান পেয়েছে র্যাব।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুরান ঢাকার চকবাজারের ২৬ নম্বর দেবিদাসঘাট লেনের বাড়িতে অভিযান চালান র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখান থেকে বেশ কিছু অবৈধ জিনিসপত্র উদ্ধারের পর র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালত ইরফান সেলিম এবং তার দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলামকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন।
অভিযানের পর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ব্রিফিংয়ে র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের প্রধান লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, বেলা সাড়ে ১২টার সময় তারা অভিযুক্তের বাসা এবং অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে সক্ষম হন। এরপর তারা সাংসদ হাজী মোহাম্মদ সেলিমের দ্বিতীয় ছেলে ইরফান মোহাম্মদ সেলিম এবং তার দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।
র্যাব জানিয়েছে, ইরফানের বাসা তল্লাশি করে বেশ কিছু অবৈধ জিনিসপত্র পাওয়া গেছে। এরমধ্যে রয়েছে লাইসেন্সবিহীন একটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫-৬ লিটার বিদেশি মদ এবং ৩৮ থেকে ৪০টি বিভিন্ন ধরণের ওয়াকিটকি।
র্যাব জানিয়েছে, সাধারণ নিরাপত্তা বাহিনী বা যেকোনো সুশৃঙ্খল বাহিনী এ ধরণের ওয়াকিটকি ব্যবহার করে থাকে।
এছাড়া দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলামের কাছ থেকে চারশ পিস ইয়াবা এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
আরো পড়ুন: হাজী সেলিমের ছেলের গাড়িচালক রিমান্ডে
তাদের অবৈধ ওয়াকিটকি রাখা ও ব্যবহারের জন্য ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মাদক রাখার জন্য আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অর্থাৎ প্রত্যেকের মোট এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
এছাড়া ইরফান সেলিমের ভবনের পাশেই একটি টর্চার সেল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
এদিকে সময় সংবাদের প্রতিবেদক আফজাল হোসেন ঘটনাস্থল থেকে জানিয়েছেন, আসিক টাওয়ারের ১৬ তলার একটি কক্ষকে নিজের মতো করে সাজিয়েছেন ইরফান সেলিম। সেই রুমটিকেই তিনি টর্চার সেল হিসেবে গড়ে তুলেছেন।
অভিযান চলাকালে সেখানে হ্যান্ডকাপ পাওয়া গেছে। এছাড়া একজন মানুষকে নির্যাতন করার মতো যে উপকরণ থাকা দরকার সেরকম কিছু উপকরণও রয়েছে। এরমধ্যে আছে দড়ি, গামছা, ছোরা, হকিস্টিট এবং দুর্বীণ। এছাড়া একটি হাড় পাওয়া গেছে সেখানে। তবে হাড়টি কিসের বা কি করা হয় তা দিয়ে সেটা জানা যায়নি।
ওই কক্ষেও ওয়াকিটকি পাওয়া গেছে। এছাড়া গ্যাসলাইট এবং ফয়েল পেপার পাওয়া গেছে।
এর আগে ২৫ অক্টোবর রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও ২৬ অক্টোবর ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ধাণমন্ডি থানায় মামলা করেন ওয়াসিফ।
মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন, ইরফান সেলিম, এ বি সিদ্দিক দীপু, জাহিদ, মীজানুর রহমান ও অজ্ঞাতনামা আরও দুই/তিনজন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ইরফানের গাড়ি ওয়াসিমকে ধাক্কা মারার পর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিম সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামান এবং গাড়ির সামনে দাঁড়ান। নিজের পরিচয় দেন। এরপরই গাড়ি থেকে কয়েকজন বের হয়ে ওয়াসিমকে কিলঘুষি মারেন এবং তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা মারধর করে ওয়াসিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান।
পরে তার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডির ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
নাটোরের লালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মা-মেয়ে নিহত,আহত ১০
মোঃ নাহিদুল ইসলাম (নাহিদ) নাটোর জেলা প্রতিনিধি: নাটোর পাবনা মহাসড়কের লালপুর উপজেলার গোধড়া এলাকায় গাড়ি ওভার টেক করার সময় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পাশে ডোবায় পরে মা ও মেয়ে নিহত হয়েছে আহত হয়েছে ১০ জন।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শফিকুল ইসলাম জানান, সকাল আটটার দিকে পাবনা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাস চন্চল পরিবহন রাজশাহীর উদ্যেশে রওনা দিলে পথে লালপুর উপজেলার গোধরা এলাকায় আসলে অন্য একটি গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে পাশের খাদে পড়ে গিয়ে একই পরিবারের মা ও মেয়ে মারা যায় ।
নিহত মা জোসনা (৫০)ও মেয়ে রোজিনা (৩২) মুলাডুলি থেকে ঐ গাড়িতে উঠেছিল জামাইয়ের সাথে, তারা নাটোর মিশন হাসপাতালে গলার অপারেশন করাতে যাচ্ছিলেন।
ঘটনাস্থলেই মা জোসনা বেগম মারা যায় এবং পরে মেয়ে রোজিনাকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।সে সময় আহতদের উদ্ধার করে এলাকার জনসাধারন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেন ।
কাঠালিয়ায় বিষখালী নদীর চর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কচুয়া পঞ্চানন্দ এলাকায় বিষখালী নদীর চর থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।




























বুধবার দুপুরে ধামরাই এলাকা থেকে তাকে আটক করে র্যাব। র্যাব বলছে,গত ২১ অক্টোবর সাভারের ভাগলপুর এলাকায় হত্যার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করে তাকে রুমের মধ্যে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায় নিজামুদ্দিন সরদার মিজান নামের এক বাস চালক।



