সাভার,প্রতিনিধি ঃ ঢাকার সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকালে সাভার কলেজ মাঠে এই পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মিসেস হাসিনা দৌলার সভাপতিত্বে এবং সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান এমপি।
এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমেদ এমপি। অনুষ্ঠানের শুরুতে এবং শুভেচ্ছা বক্তব্যের ফাঁকে ফাঁকে সম্মিলিত সাভার সাংষ্কৃতিক জোট এর আয়োজনে বর্ণাঢ্য সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। দেশাত্মবোধক গান এবং নৃত্যে মুগ্ধ হন আমন্ত্রিত সকল অতিথি ও দর্শকবৃন্দ। এর আগে, সাভারের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতৃবৃন্দ আনন্দ-মিছিল সহকারে অনুষ্ঠানস্থলে আসতে থাকেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের এই নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভাকে কেন্দ্র করে সাভারে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব নবগঠিত কমিটির সকল সদস্যদেরকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে মঞ্চে আহবান করেন। এসময় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন- আলহাজ্ব বেনজীর আহমেদ এমপি, সাভার কলেজের ভাইস-প্রিন্সিপ্যাল, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাসুদ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফখরুল আলম সমর, মেহেদী মাসুদ মঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোঃ লিয়াকত হোসেন, সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মানিক মোল্লা প্রমুখ সহ অন্যরা।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাননীয় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান এমপি নবগঠিত কমিটির সকল সদস্যদেরকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, দেশের উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে এই কমিটির সকলের প্রতি আহবান জানান। সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব তাঁর বক্তব্যে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ কাজ করে যাবে।
এই সম্পূর্ণ কমিটি গঠিত হওয়ায় এখন সংগঠন আগের চেয়ে আরো গতিশীল হবে উল্লেখ করে এব্যাপারে নবগঠিত কমিটির সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
হুমায়ুন কবির রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত এখন মৃৎশিল্পিরা। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে পুজা অনুষ্ঠিত হবে।
এ বছর দেবী দুর্গা দোলায় চড়ে পৃথিবীতে আসবেন এবং গজে (হাতি) চড়েই কৈলাসে ফিরবেন বলে সনাতন ধর্মীয় নেতারা জানান । দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে রানীশংকৈল উপজেলার প্রতিমা তৈরির কারিগররা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।
তবে এ প্রতিমা তৈরির কারিগর শিল্পীদের মধ্যে এবার কিছু অসন্তোষ অভিযোগ রয়েছে ।
১৬ অক্টোবর শুক্রবার দুপুরে সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, রাণীশংকৈল পৌরশহরের হাটখোলা সার্বজনিন মন্দিরের মৃৎশিল্পী কাদিহাট মালিবস্তি গ্রামের পরেশ মালাকার ও কেন্দ্রীক গোবিন্দ মন্দিরের প্রতিমা শিল্পী দিনাজপুর মির্জাপুরের মানিক রায় বলেন, করোনার কারণে এবারে আমাদের প্রতিমা নির্মাণে কম মুজুরিতে কাজ করতে হচ্ছে। তাছাড়া আবহাওয়া খারাপ থাকায় কাজ ঠিকমত করা যাচ্ছে না ।
এদিকে বাঁশ, কাঠ, খড়, লোহা, রশি, মাটি, রংসহ প্রতিমা তৈরির সব উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো পোষায় না। তবুও জীবীকার তাগিদে ও বাপ-দাদার পেশা হিসেবে এ কাজকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছি।
পূজা সন্নিকটে তাই প্রতিমা তৈরির বিভিন্ন ভাগের কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে আছেন প্রতিমা শিল্পিরা। রং-তুলির আঁচড়ে আর বাহারি সাজপোষাকে প্রতিমাকে মনের মতো করে সাজিয়ে তুলছেন তারা।
তবে এবার করোনা কালের এমন পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ দূর্গা পূজার আনন্দ কতটুকু উপভোগ করবে এ নিয়ে প্রশ্ন আছে। । জানা গেছে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই এবারের পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
কিন্তু গতবারের মত ধুমধাম করে পূজা উদযাপন না হলেও আয়োজনের তেমন কোন কমতি থাকবেনা বলে জানান পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা । এবার রাণীশংকৈল উপজেলায় মোট ৫৪ টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
এ ব্যপারে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাধন কুমার বসাক বলেন, “প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতার নিশ্চয়তায়, প্রতিটি মন্ডপে স্বাস্থবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং অশ্লীল গান ও নৃত্যকে পরিহার করে সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।”
রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, “এবার করোনার কারণে সরকারি নির্দশানা মোতাবেক পুজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি মন্ডপে পূজা সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আমরা পুলিশ প্রশাসন সকল প্রকার নজরদারির জন্য মনিটরিং টিম গঠন করেছি।”
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন ,ধামরাই ঢাকা প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাইয়ে পাঠানটোলা যুবসংঘ ক্লাবের উদ্যোগে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকেল ৪টায় ধামরাই হার্ডিঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে এই ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত ফুটবল টুর্নামেন্টে শুরু থেকে ৫টি দল অংশ নেই এতে মোট ২৩টি খেলা হয়। শেষে খেলার ফাইনালে পৌঁছায় লায়ন একাদশ এবং টাইগার একাদশ আজ খেলার পর টাইগার একাদশকে হারিয়ে ০-১গোলে বিজয়ী হন লায়ন একাদশ।
খেলাটি পাঠানটোলা যুবসংঘ ক্লাবের আয়োজনে শহিদুল ইসলাম লিটন এর সংঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা ২০এর সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ। খেলার উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ শওকত হোসেন শাহিন, ধামরাই থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি দীপক চন্দ্র সাহা, পৌর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ অজিত কুমার বসাক, পৌর ৪ং ওয়ার্ড কাউন্সিল মোহাম্মদ আলী, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিল জাকির হোসেন, ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিল সাহেব আলী, যুবলীগ নেতা হাফিজুর রহমান হাফিজ, যুবলীগ নেতা হারুনুর রশিদ রোকন, যুবলীগ নেতা আমিনুল হাসান গার্নেলসহ আরো অনেকে।
উক্ত খেলায় সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ধামরাই বন্ধু মহল। খেলা শেষে লায়ন একাদশ টিমের হাতে বিজয়ী পুরোষ্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি।
সময় ডেস্কঃ রাজধানীতে পরিকল্পনাহীন তার অপসারণে শুধু অর্থনীতি নয়, দাফতরিক কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। কেবল অপারেটরেরা ধর্মঘট শুরু করলে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ। আলোচনার মাধ্যমে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে সবপক্ষ।
নানা আপত্তি, অসুবিধা জানানোর পরও থেমে নেই রাজধানীতে চলছে ঝুলন্ত তার অপসারণ অভিযান। করা হয়নি বিকল্প কোনো ব্যবস্থাও। ইন্টারনেট কিংবা স্যাটেলাইট সংযোগ সেবা পেতে চরম ভোগান্তি পড়েছেন রাজধানীর লাখ লাখ মানুষ। লোকসানে পড়ে রোববার (১৮ অক্টোবর) থেকে প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে সারা দেশে ইন্টারনেট ও কেবল টিভি সেবা বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সেবাদাতারা।
করোনা সংকট মোকাবিলা করে দেশের অর্থনীতির স্বাভাবিক গতি ধরে রাখতে সারাবিশ্বই নির্ভর করছে অনলাইন যোগাযোগের ওপর। এ অবস্থায় হঠাৎ করে তার অপসারণে স্থবির হয়ে পড়ছে অর্থনৈতিক ও দাপ্তরিক নানা কাজকর্ম। দেশের দুই শেয়ারবাজারের লেনদেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এমনকি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যক্রমও হচ্ছে বাধাগ্রস্ত। নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট না পেলে বন্ধ থাকবে এটিএম সেবাও। এতে শত শত কোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কা করছেন প্রযুক্তিবিদরা।
এদিকে, ১৭ অক্টোবরের মধ্যে চলমান সমস্যা সমাধানের সিটি করপোরেশন সময়সীমা বেধে দিয়েছেন, ইন্টারনেট ও ডিস সেবা প্রদানকারী দুটি সংগঠনের নেতারা।
সময় ডেস্কঃ ঢাকা-৫ (ডেমরা, যাত্রাবাড়ী ও আংশিক কদমতলী এলাকা) আসনের নির্বাচনি এলাকায় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মধ্যরাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। ১৮ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে না কোনো মোটরসাইকেল।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে বন্ধ থাকবে ট্রাক ও পিকআপ চলাচল।
আগামী ১৭ অক্টোবর শনিবার ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সময়ে মোটরসাইকেল, ট্রাক ও পিকআপ ছাড়া বাকি সব ধরনের যান চলাচল করতে পারবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি ১৬ অক্টোবর রাত ১২টা থেকে ১৭ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত ট্রাক ও পিকআপ বন্ধ থাকবে। এসব যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক/সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে ক্ষমতা দিয়েছে ইসি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী/তাদের নির্বাচনি এজেন্ট, দেশি/বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য। তাছাড়া নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত দেশি/বিদেশি সাংবাদিক, নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শক এবং কতিপয় জরুরি কাজ যেমন- অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য উল্লিখিত যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ রূপ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারবেন।
মোঃনাহিদুলইসলামনাহিদ(নাটোর প্রতিনিধি) ঃ নাটোর প্রতিনিধিনাটোরের লালপুরের অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মরদেহের পরিচয় মিলেছে। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগেএকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য জানান হয়। প্রেস ব্রিফিংকালে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান,গত ৭ অক্টোবর জেলার লালপুর থানাধীন ডহরশৈলা গ্রামের মাদ্রাসার পাশে থেকে ওই অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
অনেক চেষ্টা করেও মরদেহের পরিচয় উদ্ধার করতে না পেরে ময়না তদন্ত শেষে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে তার দাফন করা হয়। এঘটনায় পুলিশ গত ৭ অক্টোবর একটি মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের পরে মামলার রহস্য উদঘাটন ও ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের ৪ টি টীম মাঠে নামে। তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় পুলিশ ভিকটিমের পরিচয় বের করতে সমর্থ হয়।
পুলিশ জানতে পারে মরদেহটি লালপুর উপজেলার হাবিবপুর গ্রামের সানোয়ারের ছেলে আসাদুলের স্ত্রী লাকী খাতুনের। পরে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ একই উপজেলার আড়বাব মধ্যপাড়া গ্রামের মানিক আলীর ছেলে টুটুল আলীকে মাগুড়া জেলার সদর থানার শিমুলের ঢাল এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত টুটুল আলী স্বীকার করে যে সে এবং তার দুলা ভাই আসাদুল একত্রে ভিকটিম লাকি খাতুনকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, (ধামরাই প্রতিনিধি): “সাদাছড়ির উন্নতি,দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির অগ্রগতি “এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে ঢাকার ধামরাইয়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন (প্রতিবন্ধী) শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫টি হুইল চেয়ার,৩০টি সাদাছড়ি ও ৫টি এয়ারিং এইড বিতরণ করা হয়।
সোমবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার হল রোমে প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র, সংস্থার আয়োজনে,ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামিউল হক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ২০ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ধামরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাদ্দেস হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহানা জেসমিন মুক্তা,সমাজসেবা কর্মকর্তা মো.হাসান ও কৃষি কর্মকর্তা আরিফুল হাসান সহ সানোড়াইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ খান লাল্টু ধামরাই উপজেলা যুবলীগ নেতা হাফিজুর রহমান হাফিজ,ও হারুনুর রশীদ রোকন,ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোঃ বিল্লাল হোসেন সহ সুশীল সমাজের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি : ঝালকাঠি নলছিটিতে মা ইলিশ রক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উপজেলা প্রশাসনের কয়েকটি টহল টীম ১৫/১০/২০২০ইং তারিখ বৃহস্পতিবার দিনভর নদীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল জব্দ করেছে।
প্রতিবছরের ন্যায় ইলিশ শিকার,পরিবহন ও সংরক্ষনে নিষেধাজ্ঞা শুরু হলেও এবারে প্রশাসনের তাৎপরতা অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে জোরদার করা হয়েছে।
উপজেলা নিবার্হী(ভারঃ)অফিসার মো.সাখাওয়াত হোসেন’র প্রচেষ্টায় এবারে অভিযান পরিচালনার জন্য একটি হাই স্পিড বোট প্রশাসনের সাথে যুক্ত হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা নির্বাহী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে ছিলেন সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা রমনী কান্ত মিস্ত্রি, নলছিটি থানায় কর্মরত এএসআই অনিক সিদ্দিকীসহ উপজেলা মৎস্য বিভাগের এসএম সোয়েব ও শাহিন পঞ্চায়েত।
জব্দকৃত কারেন্ট জাল নলছিটি শহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় বসে পুড়িয়ে ফেলা হয়। তবে অভিযানের সময় কোন জেলে আটক করা যায়নি। এছাড়া জব্দকৃত মাছ পাশ্ববর্তী ইয়াতিম খানায় পৌছে দেওয়া হয়েছে ।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারঃ) মো.সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞা শতভাগ বাস্তবায়ন করতে চাই তাই কাউকে নদীতে অবৈধ ভাবে জাল ফেলতে দেওয়া যাবে ন । আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সৌমেন মন্ডল,রাজশাহী ব্যুরোঃ শিক্ষা নগড়ি রাজশাহী,পরিছন্ন রাজশাহী,শান্তীর রাজশাহী কতই না শুনাম।কিন্তু দিন দিন যে হারে অটোরিকশা ও বাটারি চালিত রিকশা বাড়ছে শহরে যানযট সৃষ্টি হচ্ছে।
যানযটে দুর্ভোগের শেষ নেই।দেশে অন্ন শহর গুলোতে যখন ঘন্টার পর ঘন্টা জেম লেগে থাকে তখন আমাদের রাজশাহীর চিত্র ভিন্ন। যানযট মুক্ত শহর রাজশাহী।
যানযট মুক্ত শহর গরতে রাজশাহী ট্রাফিক এর দ্বায়িত্ব জনগনের মন কেরেছে। রাজশাহীর বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে তীব্র বৃষ্টির মাঝে মাঝ রাস্তাই দ্বারিয়ে ডিউটি পালন করছে সার্জেন্ট সহ কনস্টেবল।
রেলগেট পথচারি জলিল মুন্সি বলে শহরে অটোর সংখ্যা বেশি হয়ে গেছে।সাথে চালকে দের বেপরোয়া চলাচল।যেখানে সেখানে যাত্রীর জন্য দাড়ীয়ে পরে। রাজশাহীর ট্রাফিকে নৈপুর্ন দ্বায়িত্বের কারনে শহর এখন ও যানযট মুক্ত।
রেলগেট দ্বায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট কাইয়ুম বলেন বৃষ্টি হোক বা রৌদুর দ্বায়িত্ব পালন করতেই হবে।জনগনের চলাচলের জন্য রাস্তাই যানযট খুবই কষ্টদায়ক। রৌদ্রে জ্যামে আটকে থাকা খুব কষ্ট দায়ক।যতটা পারি দ্বায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করার চেষ্টা করি।
এদিকে ঢাকা বাস টার্মিনাল এ দ্বায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট দিপু কুমার বলেন প্রখর রোদ বা ঝুম বৃষ্টি উপেক্ষা করে
সাধারণ জনগনের নির্বিঘেœ চলাচল ও রাস্তায় জ্যাম নিয়ন্ত্রণের জন্য আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব আমরা পালন করি।অন্য শহরের মত রাজশাহীর মহানগড় বাসি জ্যামেন মত অসস্থিকর ঘটনা না ঘটে সে দিকে খিয়াল রাখি সব সময়।সব সময় নিজের বেষ্ট টা দেওয়ার চেষ্ঠা করছি।
একজন অটোচালক ফরিদ পরিবহণ নামের অটো চালাই শহরে তারে জিঙ্গাসা করলে তিনি বলেন শহরে লোকজনের চেয়ে অটোর সংখ্যা বেশি।উপার্জন খুব কষ্ট সাধন হয়ে পরেছে।যাত্রীর আশাই আমরা যেখানে সেখানে অটো দার করাই ঠিক আছে কিন্তু ট্রাফিক দের সম্মান করি।যাতে শহরে জ্যাম না হয় সে দিকে খেয়াল রাখি।শহরে জ্যাম আমরাও চাইনা।
হাফিজ নামের আর একজন সার্জেন্ট বলেন জনগন আগের থেকে সচেতন হয়েছে। কিন্তু আরও সচেতন হতে হবে।এখন আর তিনজন মটরসাইকেল এ চরে না।মামলার পরিমান ও কম হচ্ছে দিনদিন।তবে শহরে জ্যাম নাই বললেই চলে।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল ( ঠাকুরগাও) প্রতিনিধিঃ আসন্ন দুর্গাপূজা সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৪ অক্টোবর বুধবার এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ উপলক্ষে এদিন দুপুরে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে ইউএনও মৌসুমী আফরিদার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন আ’লীগ সভাপতি অধ্যাপক সইদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহম্মেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম, ওসি এসএম জাহিদ ইকবাল, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাধন বসাক।
এ ছাড়াও পৌরসভা সহ ৮ ইউনিয়নের পূজা কমিটির সভাপতি-সম্পাদক, আ’লীগ নেতা গোলাম সারওয়ার বিপ্লব, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম শিল্পি, ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম মুকুল ও জমিরুল ইসলাম, রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমি আফরিদা ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রেরিত পূজা সংক্রান্ত নির্দেশাবলী সকলের উদ্দেশ্যে পড়ে শোনান।
অন্যান্য অতিথিরাও সরকারি বিধি-নিষেধের আলোকে পূজা পালনের কথা তুলে ধরে বক্তব্য দেন। এবছর মহামারি করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে উপজেলায় মোট ৫৪ টি মন্ডপে নাচ-গান ও মেলা বাদে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থবিধি মেনে পূজা পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।