26 C
Dhaka, BD
সোমবার, এপ্রিল ১৩, ২০২৬

সাভারে সক্রিয় কিশোররা ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার অভাবে অপরাধে জড়াচ্ছে : জাহিদুল ইসলাম জাহিদ(বিপিএম.পিপিএম)

জাহিদুল ইসলাম অনিক,সাভারঃ  ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। রাজধানী ঢাকাসহ সাভারে বিভিন্ন এলাকায় স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ হয়ে চুরি, ছিনতাই, মাদকসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

শুধু তাই নয়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে এক গ্রুপের সদস্যরা অন্য গ্রুপের সদস্যদের খুন করতেও দ্বিধাবোধ করছে না। পারিবারিক শিক্ষা, করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ দিন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা ও নৈতিক শিক্ষার অভাবে কিশোররা এমন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সাভার হেমায়েতপুর এর ট্যানারি পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (বিপিএম.পিপিএম)।

তাই জনসচেতনতার জন্য হেমায়েতপুরে বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিদের মাঝে পুলিশের উদ্যোগে কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী আলোচনা সভা করা হয়।

পুলিশের এ মহৎ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সেখানে বসবাসরত জনগণ।

এ সময় হেমায়েতপুর ট্যানারি পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম জাহিদ মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের আশপাশে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা দেখামাত্রই আমাদের জানাবেন, আমরা পুলিশ আপনার তথ্য গোপন করে, তাদের আইনের আশ্রয় নিয়ে আসব।

আশুলিয়ায় মুসার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

সাভার প্রতিনিধি : সাভারের আশুলিয়ায় ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর বিরুদ্ধে সৎ ভাইয়ের জমি জোরপুর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী মোশাররফ হোসেন মুশাসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫ থেকে ৭ জনের বিরুদ্ধে তারই সৎ ভাই মজিবুর রহমান আশুলিয়া থানায় হজির হয়ে এই অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযুক্তরা হলেন- আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে মহিবুর রহমান (৪০), আজিবর রহমান আজি (৩৭), নাজিমুদ্দিন নাজি (৩৬)।

অভিযোগের এজাহারের তথ্যমতে, আশুলিয়ার মনসন্তোষ মৌজার আর এস খতিয়ান ৩৯৪, আর এস দাগ ৪৭৮, ৭০ শতাংশ পরিমান জমি খোগ দখল করে আসছেন মজিবুর রহমান। কিন্তু এই জমি অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে জোর পুর্বক দখলের পায়তারা করে আসছে। একই সাথে দখল ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রান নাশের হুমকিসহ নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। এমতাবস্থায় তার স্বাভাবিক চলাফেরা বিঘ্নিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে আদালতে মামলা দায়ের করলে (মামলা নং ৬০৯/২০১৯) ২০১৯ সালের গত ২৮ মার্চ জমিতে স্থিতিবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। কিন্তু আদালতের নেষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিবাদিরা অনধিকার প্রবেশ করে বাড়ি নির্মানের জন্য রাজমিস্ত্রী দিয়ে নির্মান কাজ আরম্ভ করে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বললে বিবাদীরা মজিবুর রহমানকে প্রাননাশের হুমকি প্রদান করে ও মারপিটের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। পরে থানায় হাজির হয়ে তিনি এই অভিযোগ দায়ের করেন।

এব্যাপারে বিবাদী মুশা বলেন, আমার ওই জমির আশেপাশে কোন জমি নাই। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা ভিত্তিহীন। তবে শুনেছি থানায় অভিযোগ হয়েছে এবং তদন্ত করতে থানা থেকে পুলিশ এসেছিল।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক জলিল বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। একই সাথে দুপক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে তারা আসতেও ছেয়েছেন।

বাংলার লোকজ শিল্পে শুভ্র এই বস্তুর কদর রয়েছে

মিঠু হালদার ঃ শোলা এক প্রকার উদ্ভিদ ,যা ধানখেত ও জলাভূমিতে জন্মে। এটি দিয়ে কারুকার্যময় হরেক রকম জিনিস তৈরি করা হয়।

প্রতিমা নির্মাণে ও বর-কনের টোপর তৈরিতে শোলা ব্যবহৃত হয়। টোপরে কদম ফুলের ঝালর থাকে। শিশুতোষ খেলনা ও ঘরের শৌখিন সাজ শোলাশিল্পে বৈচিত্র্য এনেছে। বৃত্তিজীবী মালাকারেরা এ শিল্পের রূপকার। এটি বাংলার উল্লেখযোগ্য লোকজ শিল্প।

তারা শোলা, সুতা, কাগজ, আঠা ও রঙের সাহায্যে পাখি, হাতি, ফুল, পুতুল, নৌকা, চাঁদমালা, ঝালর ইত্যাদি তৈরি করে মেলা ও হাটবাজারে বিক্রি করে। শোলার বৈজ্ঞানিক নাম Aeschymene aspera ।

বৈষ্ণবেরা শোলানির্মিত রাধাকৃষ্ণের মূর্তি রাসমঞ্চে প্রতিষ্ঠা করেন পূজার জন্য। তিন সারির কদম ফুল ও পাতার মাঙ্গলিক নামের এই শিল্পকর্ম একটি শৌখিন দ্রব্য; ঘরে ঝুলিয়ে রাখা হয়। ব্রিটিশ আমলে শোলার হ্যাট জনপ্রিয় ছিল। ধারালো ছুরি ও কাঁচি এ শিল্পের প্রধান যন্ত্র। শুকনো শোলার ছাল খুলে এর সাদা অংশ ব্যবহার করা হয়। ছুরি দিয়ে প্রয়োজনমতো কেটে মালাকার হাতের কৌশলে এসব শিল্পকর্ম তৈরি করেন।

বাংলাপিডিয়া থেকে জানা গেছে, শিব হিমালয়কন্যা পার্বতীকে বিবাহ করার সময় শ্বেত মুকুট পরার ইচ্ছা পোষণ করেন। দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা তখন মুকুট তৈরির উপাদানের কথা ভাবতেই শিবের ইচ্ছায় জলাশয়ে একধরনের উদ্ভিদ জন্মে, সেটাই শোলাগাছ।

কিন্তু বিশ্বকর্মা শুধু পাথর বা কাঠের মতো শক্ত দ্রব্যে কাজ করতে পারদর্শী, শোলার মতো নরম জিনিসে নয়। তখন শিবের ইচ্ছায় জলাশয়ে এক সুকুমার যুবকের আবির্ভাব ঘটে, যাকে বলা হয় মালাকার। শোলাশিল্পের সঙ্গে জড়িতরা এখন এই নামেই পরিচিত এবং হিন্দু সমাজভুক্ত।

মালাকারেরা বংশানুক্রমে শোলা দিয়ে বৈচিত্র্যময় টোপর, দেবদেবীর অলংকার, চালচিত্র, পূজামন্ডপের অঙ্গসজ্জার দ্রব্যাদি, মালা, গয়না, খেলনা ও গৃহসজ্জার নানা উপকরণ তৈরি করে।

সূত্রধর ও কর্মকারেরা বিশ্বকর্মার এবং মালাকারেরা শিবের উপাসক। এদের ধারণা, শিবের ইচ্ছায় তাদের আবির্ভাব ঘটেছে, তাই তিনিই তাদের উপাস্য।
শোলা একটি কান্ডসর্বস্ব গাছ। কান্ডের বাইরের আবরণটা মেটে রঙের, ভেতরটা সাদা। গাছ সাধারণত ৫-৬ ফুট লম্বা হয়, কান্ডের ব্যাস দুই থেকে তিন ইঞ্চি। বাংলাদেশে দুই প্রকার শোলা জন্মে: কাঠশোলা ও ভাটশোলা। কাঠশোলা অপেক্ষাকৃত শক্ত, ভাটশোলা হালকা ও নরম।

বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ (ঢাকা), মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, জামালপুর, শেরপুর, যশোর, রংপুর, দিনাজপুর ও বরিশাল অঞ্চল শোলাশিল্পের জন্য প্রসিদ্ধ। একসময় পুরান ঢাকার মালিটোলা এলাকায় এর কারিগর মালাকারদের বসবাস ছিল বলে ওই এলাকার নাম হয়েছে মালিটোলা। অবশ্য এখন সেখানে শোলার কাজ তেমন হয় না; বরং শাঁখারীবাজার এলাকায় এখনো অনেকে শোলার কাজ করেন। তাঁরা হলেন প্রকাশ সুর, অভি সুর, তপন নন্দী প্রমুখ।

তপন নন্দী দেবদেবীর গয়না, তাদের চালচিত্র ও পোশাক তৈরিতে অত্যন্ত দক্ষ। শাঁখারীবাজারের বেশির ভাগ পূজামন্ডপের পশ্চাৎপট ও সজ্জার কাজ তিনিই করে থাকেন।
ঢাকার বাইরে মাগুরা জেলার শতপাড়ার হাজরাহাটি গ্রামের মহাদেব মালাকার ও শঙ্কর মালাকারের শোলার তৈরি টোপর ও বিয়ের মালা সূক্ষ্মতা আর নিপুণতায় অপূর্ব। তারা বংশপরম্পরায় এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। কুষ্টিয়ার আড়পাড়া গ্রামের গোপেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীও একজন দক্ষ শিল্পী।

শোলার শিল্পকর্ম সৃষ্টিতে তেমন কোনো যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয় না। একটি ধারালো ছুরি আর একখন্ড পাথর কিংবা কাঠই যথেষ্ট। প্রথমে ধারালো ছুরির সাহায্যে শোলাকে প্রয়োজনমতো টুকরো করা হয়। পরে ছুরির মাধ্যমে পাতলা করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে একটি লম্বা পাতের মতো করা হয়। যেটিকে জড়িয়ে জড়িয়ে পুনরায় কান্ডের মতো করে দড়ি বেঁধে ছুরির সাহায্যে নানা আকারের পাপড়ি কেটে বেলি, কদম ইত্যাদি ফুল তৈরি হয়।
টোপর, পশুপাখি, অলংকার, পশ্চাৎপট, পটচিত্র প্রভৃতি তৈরিতে পাতলা করে কাটা শোলাকে আঠার সাহায্যে যুক্ত করা হয়। পরে প্রয়োজন অনুসারে তাকে বিভিন্ন আকার দেওয়া হয়। শোলাকে যুক্ত করতে সাধারণত নিজেরাই তেঁতুলবিচির আঠা তৈরি করে নেয়। এখন অবশ্য কৃত্রিম আঠা ব্যবহার করা হচ্ছে।

শোলার শিল্পকর্ম আকর্ষণীয় করতে মালাকারেরা রং, জরির সুতা, চুমকি ইত্যাদি ব্যবহার করেন। শাঁখারীবাজারে সম্পূর্ণ শোলা দিয়ে তৈরি একটি বিয়ের টোপর চার শ থেকে পাঁচ শ টাকায় বিক্রি হয়। এ ছাড়া এর তৈরি কুঁচিমালাও হিন্দু বিয়েতে প্রয়োজন পড়ে। ধর্মীয় উৎসবে এটি দিয়ে ক্যানভাসের মতো তৈরি করে তাতে বিভিন্ন দেবদেবীর চিত্র অঙ্কন করা হয়। এগুলো ঘটচিত্র, করন্ডিচিত্র, মুখচিত্র ইত্যাদি নামে পরিচিত। অনেক সময় গণেশ, শীতলা, মনসা, কার্তিক ও চামুন্ডার চিত্রও আঁকা হয়ে থাকে।

এখন মালাকারেরা বিয়ের টোপর, মালা ছাড়াও চাহিদা অনুযায়ী নানা ধরনের খেলনা, পাখি, ফুল, পুতুল ইত্যাদিও তৈরি করে। শোলাশিল্প সংরক্ষণ করা কষ্টকর; কারণ, এর স্থায়িত্ব কম।

এ শৌখিন শিল্প আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। এটি হারিয়ে যাওয়ার আগে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। করোনাভাইরাসের প্রভাবে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ক্ষুদ্র শোলাশিল্প খাত।

গত বছর নববর্ষ সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কারিগরেরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নববর্ষের অনুষ্ঠান হয়নি। তাই শোলার থোকা থোকা ফুল তৈরি করলেও ক্রেতা ছিল না।

সারা বছর টুকটাক শোলার কাজ থাকলেও মৌসুম হচ্ছে অগ্রহায়ণ থেকে বৈশাখ।

সাভারে শুরু হল বিডি ক্লিন এর ময়লা-আর্বজনা পরিস্কার কর্যক্রম(ভিডিও)

বিপ্লব,সাভার ঃ পরিছন্নতা শুরু হোক আমার থেকেই,এই শ্লোগানকে সামনে রেখেই সাভারে শুরু হল বিডি ক্লিন এর ময়লা-আর্বজনা পরিস্কার কর্যক্রম।

সাভারের রাজফুলবাড়ীয়া,পানপাড়াসহ কয়েকটি এলাকায় শুক্রবার সাকলে থেকে শরু করে দুপুর পর্যন্ত ময়লা-আর্বজনা পরিস্কার করে বিডি ক্লিন এর উদ্যেগে।

এসময় তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা উক্ত ময়লা-আর্বজনা পরিস্কার কর্যক্রমের সাথে যুক্ত হয়ে সেচ্ছাশ্রমে কাজ করেন।পরে তারা আঞ্চলিক কয়েকটি সড়কের ময়লা পরিস্কার সহ বাস্তার পাশের ময়লার স্তুপ পরিস্কার করেন।ময়লা-আর্বজনা পরিস্কার কর্যক্রম অনন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন,সাভার উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম,তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সুমন ইমতিয়াজ,আবির মাসুম,আমজাদসহ বিডি ক্লিন এর সাভার শাখার নেতৃবৃন্দ ও যুবলীগ ,ছাত্রলীগের অনেকে ।

ধামরাইয়ে ভিক্ষুকদের মাঝে গরু বিতরণ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই প্রতিনিধি : ভিক্ষকুদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ঢাকার ধামরাইয়ে ভিক্ষুকদের মাঝে গরু বিতরণ করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ভিক্ষুকদের মাঝে ১০টি গরু বিতরন করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সামিউল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা -২০ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব বেনজির আহমদ।

প্রধান অতিথি আলহাজ্ব বেনজির আহমদ উপস্থিত ভিক্ষুকদের বলেন, নবীজির শিক্ষা করো না ভিক্ষা, তাই আপনাদের যাতে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করতে না হয় সেজন্য বর্তমান সরকার আপনাদের পুনর্বাসনের জন্য গরু দিচ্ছে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি কাজী শওকত হোসেন শাহীন, উপজেলা আওয়ামীলীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোঃ সাহেব আলী, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এস এম হাসান প্রমুখ।

সারাদেশে ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতন ধর্ষণসহ নারীর বর্বরতার প্রতিবাদে ধামরাইয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন ,ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ-সারাদেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বন্ধের প্রতিবাদে ধামরাই উপজেলার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ধামরাই শাখার উদ্দোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জুমার নামাজ শেষে ধামরাই ঢুলিভিটা বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ধামরাই বাজার অতিক্রম করে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ করেন।

পরে সেখানে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন। এই সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ধামরাই শাখার সভাপতি আলহাজঃ আঃ মান্নান এর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ধামরাই উপজেলার পূর্ব শাখার সভাপতি মোঃ ফজলুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ধামরাই শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নাজিমুদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ধামরাই শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা সামছুল হক,ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন শাখার সভাপতি মোঃ আব্বাস উদ্দিন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঃ জলিল, ইসলামী যুব আন্দোলনের মোঃ খোকন মোল্লাসহ প্রমুখ।

এইসময় বক্তারা বলেন,নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে গৃহবধূকে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি ও নির্যাতন, লক্ষীপুরের রামগতিতে বিধবা নারীকে গণধর্ষণ, ভোলার চরফ্যাশনে গৃহবধূকে ধর্ষণ, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ধর্ষণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধর্ষণ, সিলেটের এমসি কলেজ ধর্ষণ, খাগড়াছড়ি ও সাভারে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে, নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে এবং এ সকল ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানান।

ব্যর্থতার দায়ে বিএনপির নেতাদের টপ টু বটম পদত্যাগ করা উচিত : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ৮ অক্টোবর, ২০২০ : আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থতার দায়ে বিএনপির টপ-টু-বটম পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতাদের চরম ব্যর্থতায় কর্মিরা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ছে। কখনো ঈদের পর, কখনো বর্ষার পর, আবার কখনো এসএসসি পরীক্ষার পর তাদের আন্দোলন হবে। কত ঈদ গেল, পরীক্ষা গেল, বর্ষা গেল কিন্তু বিএনপির আন্দোলনের মরা গাঙে জোয়ার আসেনা। তাদের আন্দোলন মুখে-মুখে প্রেস বিফিং-এ আর ফেসবুক স্ট্যাটাসে সীমাবদ্ধ। এদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যর্থ বিরোধী দল বিএনপি। সরকার নয় ব্যর্থতার দায় নিয়ে বিএনপির নেতাদের টপ-টু-বটম পদত্যাগ করা উচিত।’

ওবায়দুল কাদের আজ বৃহষ্পতিবার সংসদ ভবন এলাকায় তার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন।

‘সরকারের নাকি ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। তারা একই ঢোল সকল মওসুমে বাজিয়ে যাচ্ছে। আন্দোলন, নির্বাচনে চরম ভাবে ব্যার্থ বিএনপি এখন পথহারা পথিকের মত দিশেহারা। তাদের নেত্রীর মুক্তির জন্য আন্দোলনতো দূরের কথা একটু চাপও তৈরি করতে পারেনি। রাজপথে একটা মিছিল পর্যন্ত করতে পারেনি।’

কোনো অপকর্ম রাজনৈতিক রঙ দিয়ে আড়াল করতে চায় না সরকার উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির আন্দোলন শুধু মুখে আর পত্রিকার পাতায় ও ফেসবুক স্ট্যাটাসে। বিএনপি দেশে-বিদেশে যেখানেই সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্র করুক না কেন, সে সম্পর্কে সরকার সজাগ।

সাম্প্রতিক নারীর প্রতি অবমাননা এবং সহিংসতার বিষয়ে আওয়ামী লীগ ও সরকার নিজস্ব অবস্থান স্পষ্ট করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, নোয়াখালীর ঘটনাসহ প্রতিটি ঘটনায় অভিযুক্তদের তাৎক্ষণিক গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। এসকল ঘৃন্য অপরাধীদের কোন দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না, দলীয় পরিচয় তাদের রক্ষার ঢাল হতে পারে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আন্দোলনের আগেই সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে, এসব অপরাধ ও ঘৃন্য অপকর্মের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের অবস্থান সবসময়ই স্পষ্ট এবং কঠোর। এসকল ঘৃন্য অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া যাবে না, যারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিবে তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে।

একটি দল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা করছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি এসব ঘটনাকে অন্যদিকে ঘোরানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত। যখনই কোন ইস্যু পায় তা খড়কুটোর মত আঁকড়ে ধরে সরকার বিরোধী আন্দোলনের অপপ্রয়াস চালায় বিএনপি। বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর দেশে হত্যা, সন্ত্রাস, নারী নির্যাতন ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের যে অভয়ারণ্য তৈরি করেছিলো তা কি তারা ভুলে গেছে? জাতি তা জানতে চায়?

তিনি বলেন, বিএনপির আমলে আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল, নারী নির্যাতন বিশ্ব বিবেককে হতবাক করে দিয়েছিলো। ফাহিমা, মাহিমা, পূর্ণিমাসহ হাজারো নারী ধর্ষণের স্বীকার হয়েছিলো,কেউই বিচার পায়নি। বিচারের বাণী তখন নিভৃতে কেঁদেছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সংখ্যালঘু নির্যাতন ৭১’এর পাক হানাদারদের নির্যাতনকেও হার মানিয়েছিল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আজ বড়-বড় কথা বলে, – চট্টগ্রামে নিজ দলের নেতা জামাল উদ্দিনকে প্রথমে অপহরণ ও পরে হত্যা করে নিজ দলের লোকেরা, সেই হত্যার বিচার পর্যন্ত তারা করেনি। তাই কিছু বলা আগে নিজের চেহারা আয়নায় দেখুন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, অপরাধী ও খুনীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া, পূনর্বাসন করা, খুনীদের লালন-পালন এবং খুন, সন্ত্রাস আর ষড়যন্ত্র বিএনপির রাজনৈতিক সংস্কৃতি। বেগম জিয়া অপারেশন ক্লিন হার্টের নামে ৯৮ জন মানুষকে হত্যার বিচার বন্ধে সংসদে ইনডেমনিটি বিল এনে বিচার বন্ধ করেছিলে।

শেখ হাসিনা সরকার যে কোন অপরাধকে অপরাধ হিসেবেই দেখে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং যে কোন অপরাধের মূলোৎপাটনে সরকারের কোন পিছুটান নেই। প্রতিটি ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে,বিচার হচ্ছে, কোন অপরাধীই রক্ষা পাবে না।

তিনি বলেন, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটলে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার ভয়ে অনেকে প্রকাশ করে না, এজন্য অনেক ঘটনাই আড়ালে থেকে যায়। এধরণের ঘৃণা অপরাধের বিষয় গোপন না রেখে অপরাধীদের শাস্তি প্রদানের জন্য যেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সময়মত অবহিত করা হয়।

নারী নির্যাতন বিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অপচেষ্টা চলছে : তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৮ অক্টোবর, ২০২০ : তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘নারী নির্যাতন বিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে কেউ কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অপচেষ্টা করছে’।

তিনি বলেন, ‘নারী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলনে কেউ কেউ সরকারের পদত্যাগ দাবি করছেন, তাদের উদ্দেশ্য অপরাধীদের শাস্তি দেয়া নয়, এই ইস্যুর আড়ালে স্বার্থ চরিতার্থ করা।’

তথ্যমন্ত্রী আজ দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দীন আহমেদের কাছ থেকে কাউন্সিলের বার্ষিক প্রতিবেদন গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এসময় নারী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলনে কেউ কেউ সরকারের পদত্যাগ দাবি করছে- এবিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি একথা বলেন।

তথ্যসচিব কামরুন নাহার ও প্রেস কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল মজিদ, নূরে জান্নাত আকতার সীমা ও কাউন্সিল সচিব শাহ আলম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ইদানিংকালে যে সমস্ত অনভিপ্রেত ঘটনা বিশেষ করে নারী ও শিশুনির্যাতন ঘটেছে, সেগুলোর অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। তাদের বিরুদ্ধে ত্বরিৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে, আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে যে প্রতিবাদ হচ্ছে, প্রতিবাদ হবে, সেটা স্বাভাবিক এবং প্রতিবাদ হলে সরকারের পক্ষে ব্যবস্থা নেয়াও সহজ হয়।’

‘কিন্তু এই প্রতিবাদ করতে গিয়ে যারা সেখানে সরকারের পদত্যাগ চায় কিংবা প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে মন্তব্য করে, তখন বুঝতে হবে এদের উদ্দেশ্য নারী এবং শিশু নির্যাতনকারীদের শাস্তি দেয়া নয়, তাদের লক্ষ্য হচ্ছে এই ইস্যুর আড়ালে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করা এবং এটি বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার একটি অপচেষ্টা’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এবিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সরকার অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দিতে বদ্ধপরিকর এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।

তথ্য মন্ত্রণালয় এবিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না -এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ‘তথা মন্ত্রণালয় এধরনের বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বহু আগে থেকেই প্রচার কাজ চালিয়ে আসছে। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ও এক্ষেত্রে কাজ করছে। আজকের প্রেক্ষাপটে এবিষয়ে প্রচার কার্যক্রম আরো জোরদার করা হবে। একইসাথে ওটিটি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন প্লাটফর্মে যাতে দেশের আর্থ-সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির পরিপন্থী কিছু আপলোড করা না হয়, সেজন্যও আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের সবার সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।’

ড. হাছান মাহমুদ এসময় প্রতিবেদন উপস্থাপন ও সম্পাদিত কার্যাবলীর জন্য প্রেস কাউন্সিলকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, প্রেস কাউন্সিলের বার্ষিক প্রতিবেদনটি তিনি প্রথানুযায়ী জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন।

মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে গঠিত প্রেস কাউন্সিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বহুমাত্রিক ন্যায়ভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে। প্রেস কাউন্সিল আইন যুগোপযোগী করার লক্ষ্যেও কাজ করছে সরকার।

কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে নাটোরে বিএনপির মানববন্ধন

মোঃ নাহিদুল ইসলাম নাহিদ(নাটোর প্রতিনিধি) ঃ দেশব্যাপী নারী ও শিশু নির্যাতন এবং গনধর্ষনের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে মানবন্ধন করেছে জেলা বিএনপি।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে শহরের আলাইপুরস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়।

মানববন্ধন চলাকালে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আহব্বায়ক কমিটির আহব্বায়ক আমিনুল হক, সাবেক সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাচ্চু,বিএনপি নেতা রহিম নেওয়াজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ সহ দলের নেতা কর্মিরা।

ধামরাইয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের মত বিনিময় সভা।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই ঢাকা থেকেঃ- করোনা পরিস্থিতিতে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎসব উদযাপন ও প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে ধামরাই উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মত বিনিময় সভা করেছে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মুন্নু কমিউনিটি সেন্টার সম্মেলন কক্ষে এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মত বিনিময় সভায় ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার এর নির্দেশনা ও ধামরাই থানা অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহার সহযোগিতায় উক্ত অনুষ্ঠান টি পরিচালিতহয়। ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার বলেন প্রত্যেকটি পূজামন্ডবে সার্বক্ষনিক একজন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ৬টি আনছার সহ মোবাইলটিম সার্বক্ষনিক পুজামন্ডবগুলো নজরদারী রাখবে।

অনুষ্ঠানে ধামরাই পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অজিত চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক নন্দগোপাল সেন ও ১৬২টি পূজা মন্ডপের আয়োজক সহ ১৬টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডের কমিশনার বৃন্দ উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রাক-প্রস্তুতি এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। করোনার প্রেক্ষাপটে পূজামণ্ডপে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সার্বজনীন এ উৎসব উদযাপনের পক্ষে সকলে মতামত ব্যক্ত করেন। এবং যার যার সাধ্যমতো হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাক্স রাখার ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দেন, উচ্চ শব্দের সাউন্ড সিস্টেম ও ডান্স করা থেকে বিরত থাকতেও বলা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

সভায় ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সকলকে শারদীয় দূর্গাপূজার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানানো হয়।

সর্বশেষ আপডেট...