26 C
Dhaka, BD
সোমবার, এপ্রিল ১৩, ২০২৬

সাভারে এক হোটেল ব্যবসায়ীকে হত্যা করে পরিবারের সদস্যদের হুমকি(ভিডিও)

বিপ্লব,সাভার ঃ সাভারে এক হোটেল ব্যবসায়ীকে হত্যা করে নিহতের মোবাইল ফোন দিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের লাশ নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে এক ব্যক্তি।

এঘটনায় এলাকার বেশ চালঞ্চের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত হোটেল ব্যবসায়ীর নাম মোসলেম লস্কও (৪২)। নিহত ওই হোটেল ব্যবসায়ী নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার মোসলেম লস্কর এর ছেলে। তার ঢাকার মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে রুবিনা নামের একটি খাবারের হোটেলের দোকান রয়েছে ।

মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের বলিয়ারপুর এর যমুনা ন্যাচারাল পিকনিক স্পট এর সামনে থেকে তার লাশ উদ্ধার সাভার মডেল থানা পুলিশ। নিহত ওই ব্যক্তি নড়াইলের নড়াগাতি থানা বঙ্গববন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতির পদেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।

নিহত হোটেল ব্যবসায়ীর স্ত্রী হাফিজা বেগম জানান,গতকাল সোমবার তার স্বামী রাতে আশুলিয়ার ডিইপিজেড এলাকার এক বন্ধুর সাথে দেখা করার জন্য মিরপুরের ভাড়াবাড়ি থেকে বের হন। পরে রাত ১২ টার দিকে তার স্বামীর মোবাইল ফোন দিয়ে এক ব্যক্তি তাকে জানায় তার স্বামী খুন হয়েছে লাশটি হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজারের যেকোন স্থানে রয়েছে । খুজে যেন লাশটি নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর থেকে তার স্বামীর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তারা হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজারের বিভিন্ন স্থানে লাশ খুজে না পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশকে জানায়।

পরে বিকেলে স্থানীয়রা ঢাকা আরিচা মহাসড়কের সাভারের বলিয়ারপুর এর যমুনা ন্যাচারাল পিকনিক স্পট এর সামনে ওই ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশের জাতীয় জরুরী সেবা (৯৯৯) নাইনে সাভার মডেল থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে। এঘটনায় পুলিশ এ হত্যাকান্ডের মোটিভ উদ্ধার করতে গভীর তদন্তে নেমেছে। নিহত ওই ব্যক্তির সারা শরীরে আঘাতের চিহৃ রয়েছে তাকে শ^াসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এদিকে নিহত ওই ব্যক্তির ঘটনাস্থলের সাত’শ গজ সামনে থেকে মিরাজ নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে। নিহত মিরাজ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এবিষয়ে সাভারের আমিনবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্য এস আই সবুর খাঁন বলেন,কিকারণে ওই হোটেল ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়েছে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে ও তার মোবাইল ফোন উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে।

এঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বিবস্ত্র করে নারী নির্যাতন: গ্রেফতার আরো ১

স্টাফরিপোটারঃ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিবস্ত্র করে নারী নির্যাতন ও ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় মামলার এজহারভুক্ত আসামি রাজুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ঢাকা ও নোয়াখালীতে এ পর্যন্ত মামলার এজহারভুক্ত চারজনসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করা হল। এর মধ্যে দুজনকে গতকাল তিনদিন করে রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত দুইটার দিকে রাজুকে ঢাকার শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এছাড়া, এ ঘটনায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে সোহাগকে (৪২) গ্রেফতার করা হয়েছে।

নোয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খীসা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার এখলাছপুর এলাকা থেকে ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে সোহাগকে গ্রেফতার করা হয়। তবে সোহাগ এজাহারভুক্ত আসামি নন।

গ্রেফতার এই দুজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ আদালতে হাজির করা হতে পারে বলেও জানায় পুলিশ।

এর আগে সোমবার সকালে মামলার ১নং আসামি বাদলকে ঢাকা থেকে ও স্থানীয় দুর্ধর্ষ কিশোর গ্যাং লিডার ও দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ারকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আটক করে র‌্যাব-১১। আটক বাদল (২২) একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মধ্যম একলাশপুর গ্রামের মোহর আলী মুন্সিবাড়ির রহমত উল্যার ছেলে, দেলোয়ার একই গ্রামের কামাল উদ্দিন ব্যাপারী বাড়ির সাইদুল হকের ছেলে। এ ছাড়া একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামের খালপাড় এলাকার হারিদন ভূঁইয়াবাড়ির শেখ আহম্মদ দুলালের ছেলে মো. রহীম (২০) ও একই এলাকার মোহর আলী মুন্সিবাড়ির মৃত আবদুর রহীমের ছেলে মো. রহমত উল্যাহকে (৪১) গ্রেফতার করে পুলিশ।

এদিকে নির্যাতিত নারী বাদী হয়ে সোমবার রাতে ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামাসহ নয়জনকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি আইনে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেছেন। এর আগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একই থানায় ওই ব্যক্তিদের আসামি করে আরেকটি মামলা করা হয়।

প্রসঙ্গত গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ওই নারীর আগের স্বামী তার সঙ্গে দেখা করতে তার ঘরে ঢোকেন। বিষয়টি দেখে ফেলে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার। রাত ১০টার দিকে দেলোয়ার তার লোকজন নিয়ে ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে পরপুরুষের সঙ্গে অনৈতিক কাজ ও তাদের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে পিটিয়ে নারীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে। ৪ অক্টোবর দুপুরে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

আমতলীতে মানব পাচার চক্রের হোতা গ্রেফতার

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: মানব পাচার চক্রের মুল হোতা মোঃ সোহরাফ চৌকিদারকে গ্রেফতার করেছে পটুয়াখালী র‌্যাব-৮ সদস্যরা। আমতলী পৌরসভার ফায়ার সার্ভিস এলাকা থেকে শনিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার তাকে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ সাকিব হোসেন জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

জানাগেছে, উপজেলার গুলিশাখালী গ্রামের সুন্দর আলী চৌকিদারের ছেলে মোঃ সোহরাফ চৌকিদার দীর্ঘদিন ধরে এলাকার যুবক ও যুবতীদের বিদেশে মোটা অংকের বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে মধ্যপ্রাচ্যেসহ বিভিন্ন দেশে ভুয়া ভিসা দিয়ে পাচার করে আসছিল। তার প্রতারনার ফাঁদে পরে এলাকার স্বল্প আয়ের মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেছে। তার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী নারী ও শিশু আদালতে মামলাসহ বিভিন্ন থানায় মানব পাচার, নারী নির্যাতন ও প্রতারনা মামলা রয়েছে। তিনি পটুয়াখালী নারী ও শিশু আদালতের একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী।

এ মামলায় তিনি দীর্ঘদিন পালিয়ে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে পটুয়াখালী র‌্যাব-৮’র সিপিসি-১ মোঃ রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে মানব পাচার চক্রের মুল হোতা মোঃ সোহরাফ চৌকিদারকে আমতলী ফায়ার সার্ভিস এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ভুয়া ভিসা দিয়ে মানব পাচারের কথা স্বীকার করেছে বলে জানান পটুয়াখালী র‌্যাব-৮’র সহকারী পরিচালক মোঃ রবিউল ইসলাম। র‌্যাব সদস্যরা তাকে রবিবার আমতলী থানায় সোপর্দ করে। থানা পুলিশ ওইদিনই তাকে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রেরন করেন। আদালতের বিচারক মোঃ সাকিব হোসেন তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন, আসামীর নামে পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী। ওই মামলা তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

রাজশাহীতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ক্যুরো: বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহী জেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে আনন্দ র্যাহলি ও কেক কেটে আলোচনা সভা করা হয়েছে। রোববার বিকাল ৫ টার দিকে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের পাশে কেশরহাট বাজারে এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়।

আলোচনা সভায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বির্নিমানের অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতারা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আলমগীর মুরশেদ রনজু, মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রুস্তম আলী প্রাং, মোহনপুর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল বাশার, কেশরহাট স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি বুলবুল আহমেদ, কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সহ-সম্পাদক আজমল হোসেন সানা, রাজশাহী জেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের দপ্তর সম্পাদক মাহাবুর রহমান, মোহনপুর উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সংগ্রামী সভাপতি আসগর আলী সাগর, সাধারন সম্পাদক শিহাব শিশির, পবা উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক নেহাল ইসলাম, তানোর উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহবায়ক হাসান পারভেজ, যুগ্ম আহবায়ক রুবেল রানা, বাগমারা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতা সান্টু ও তন্ময়, মোহনপুর উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সহ-সভাপতি নাজমুল ইসলাম, কেশরহাট পৌরসভা মুক্তি যুদ্ধমঞ্চের সভাপতি রুবেল মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা, কেশরহাট পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি মমিনুল ইসলাম জীবন, সাধারণ সম্পাদক শাহিন আলমসহ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

রাণীশংকৈলে হাই স্কুল শিক্ষক কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান

রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির দেশব্যাপী কর্মসূচির আওতায় মাধ্যমিক শিক্ষক- কর্মচারীরদের চাকুরী জাতীয় করণের দাবীতে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা বাশিসের আয়োজনে ৫ অক্টোবর সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক শিক্ষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে উপজেলা বাশিস সভাপতি প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক সহ- শিক্ষক মোশাররফ হোসেন ছাড়াও বক্তব্য দেন, প্র.শি রেজাউল করিম, রাজেকুল ইসলাম, ফেরদৌস আলম মানিক ও সোহেল রানা, সহ-শিক্ষক আবু শাহানশাহ ইকবাল, জাহাঙ্গীর আলম ও সাইদুর রহমান প্রমুখ।

সমাবেশে উপজেলার ৬০ মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক- কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহ- শিক্ষক রব্বানী পারভেজ। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

দাতা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির সংবাদ সম্মেলন তালতলীতে মাদরাসা ধ্বংসের পায়তারা

মৃধা শাহীন শাইরাজ ,তালতলী প্রতিনিধি:বরগুনার তালতলীতে আমখোলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা স্থানান্তরিত করে ধ্বংসের পায়তারা চালানো হচ্ছে। সোমবার তালতলী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ঐ মাদরাসার দাতা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন কতিপয় এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে জালাল উদ্দিন বলেন, উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের আমখোলা গ্রামে ১৯৭৯ সালে ৪২নং বড় নিশানবাড়িয়া মৌজার ২০৫নং খতিয়ানের ৫৪৬৫ নং দাগের জমি থেকে অর্পননামা রেজিট্রিকৃত দলিল দিয়ে আমখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপন করেন। স্কুলে দেয়া দলিলের চৌহদ্দিমতে ঐ দাগেই বর্তমানে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ তলা বিশিষ্ট ভবন রয়েছে। অন্যদিকে ১৯৮৫ সালে একই খতিয়ান থেকে ৪০ শতাংশ জমি অর্পননামা রেজিট্রিকৃত দলিলমুলে ৫৪৫৬ নং দাগে আমখোলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা স্থাপন করেন। স্কুল ও মাদরাসাটি প্রায় একই ক্যাম্পাসে। মাদরাসাটি ধ্বংস করার লক্ষে একই ক্যাম্পাস থেকে সরিয়ে পশ্চিম দিকে স্থানান্তরিত করার জন্য স্থানীয় কিছু সংখ্যক দুর্নীতি পরায়ন লোকেরা পায়তারা চালাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আমখোলা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাটি আইনানুগ পন্থায় নিজস্ব গতিতে পরিচালিত হওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারিখ ০৫-১০-২০২০ইং

ছবি ১ঢ়রপ সংযুক্ত, ছবির ক্যারাপসনঃ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ঐ মাদরাসার দাতা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন।

রাজশাহীতে পুলিশের বিরুদ্ধে সোনা ধরে সোনা গায়েব এর অভিযোগ

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহী মহানগর পুলিশের বিরুদ্ধে সোনা কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। চারটি সোনার বার আটকের পর দুটি গায়েব করার অভিযোগ উঠেছে বোয়ালিয়া থানার সামারি টিমের প্রধান এসআই মতিনের বিরুদ্ধে। সোনা গায়েব নিয়ে মহানগর পুলিশের ভেতর তোড়পাড় শুরু হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর কাতার প্রবাসী শ্রমিক আজিজুল ও ফারুক দুটি করে সোনার বার নিয়ে দেশের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফিরছিলেন। নগরীর বর্ণালীর মোড় এলাকায় তাদের বাস থেকে নামিয়ে নেন এসআই মতিন। এর পর দুটি সোনার বারসহ ২ অক্টোবর সন্ধ্যায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করে আজিজুল ও ফারুককে আদালতে চালান করা হয়।

পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ দুটি সোনার বার গায়েব করেছেন। মামলায় না দেয়া দুটি সোনার বার ফেরতের জন্য তাদের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকাও নিয়েছেন এসআই মতিন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর ফেরত দেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই শ্রমিকের বাড়ি ও এসআই মতিনের গ্রামের বাড়ি একই জায়গায় এবং তারা পরস্পরের প্রতিবেশী। দুই প্রতিবেশী প্রবাসী শ্রমিকের দেশে ফেরার আগাম খবর পেয়েই তাদের বাস থেকে নামিয়ে নেন মতিন। সোনা ও বিদেশ থেকে আনা মূল্যবান সামগ্রী কেড়ে নিতেই মতিন পরিকল্পিতভাবে তাদের আটক করেন। চারটি সোনার বার পেয়ে দুটি গায়েব করে দেন।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগে আরও জানা গেছে, আজিজুল ও ফারুককে আটকের পর এসআই মতিন তাদের পরিবারের কাছে নিজেই ফোন করেন। ফলে দুই প্রবাসীর স্ত্রীসহ আত্মীয় স্বজন ও এলাকার কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তি ওই রাতেই বোয়ালিয়া থানায় যান তার কাছে। চারটি সোনার বার ও লাগেজসহ আটক দুইজনকে ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেন তারা। কিন্তু মতিন তাদেরকে বলেন, ছাড়া যাবে না। আর ছাড়তে গেলে মোটা টাকা লাগবে। বিদেশে কাজ করে অনেক কামিয়েছে।

এদিকে দুই শ্রমিকের নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তারা দেশে ফেরার আগের দিন কাতারের সুকসাউদ গোল্ড মার্কেটের গালফ জুয়েলারি থেকে চারটি চালানের মাধ্যমে প্রতিটি ১০ তোলা ওজনের ২৪ ক্যারেট মানের প্রতিটি সোনার বার ২৬ হাজার ৫০০ কাতারি রিয়ালে ক্রয় করেন। ফারুকের নামের দুটি সেলস ইনভয়েস নম্বর দুটি হল ১৮২১৪৩ ও ১৮২১৪৩। অন্যদিকে আজিজুলের নামের সেলস ইনভয়েসের দুটি নম্বর যথাক্রমে ১৮২১৭০ ও ১৮২১৭১।

আটকের দিন রাতে আজিজুল বোয়ালিয়া থানায় থাকা অবস্থায় বলেন, তারা দুটি করে সোনার বার কিনেছিলেন এই ভেবে যে দেশে ফিরে বিক্রি করলে কিছু বেশি টাকা পাওয়া যাবে। কাতারে চাকরি চলে যাওয়ায় আর সেখানে ফেরা হবে না। আর এই টাকা দিয়ে দেশে ছোটখাটো কিছু ব্যবসা করে পরিবার চালাবেন। সোনা আনলে বিমানবন্দরে জানাতে হয় এটা তাদের জানা ছিল না। তারা কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে সোনা আনেননি।

আজিজুলের স্ত্রীসহ এলাকার আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি জানান, আটকের পরদিন এসআই মতিন তাদের প্রস্তাব দেন, দুটি সোনার বার দিয়ে মামলা দেয়া হবে। আর ৫ লাখ টাকা দিলে দুটি সোনার বার ফেরত দেয়া হবে। তার প্রস্তাব অনুযায়ী আজিজুল ও ফারুকের স্বজনরা ২ অক্টোবর দুপুরে থানার দোতলায় মতিনের চেম্বারে গিয়ে নগদ ৫ লাখ টাকা তার হাতে দেন। এরপর সন্ধ্যার পর মাল ফেরত দেয়ার কথা বলে অপেক্ষা করতে বলেন। কিন্তু সন্ধ্যার আগে আজিজুল ও ফারুককে দুটি সোনার বার দিয়ে আদালতে পাঠানোর পর এসআই মতিন মোবাইল ফোন বন্ধ করে থানা থেকে চলে যান।

৩ অক্টোবর এলাকার লোকজনসহ শরিফা আবারও মতিনের কাছে এসে অন্তত: দুটি সোনা ফেরত দেয়ার জন্য তার হাতে পায়ে ধরেন কিন্তু তিনি না করে দেন। অভিযোগকারীরা নেয়া টাকা ফেরত চাইলে তাদেরকে ইয়াবা দিয়ে মামলায় ঢুকিয়ে দেয়ার ভয় দেখায়।

গ্রেপ্তারকৃত আজিজুলের স্ত্রী শরিফা খাতুন বলেছেন, তিনি ও তার পরিবার ন্যায়বিচারের আশায় পুলিশ কমিশনার বরাবর অভিযোগ করতে চাইলে ৩ অক্টোবর এসআই মতিন তাকে ফোনে হুমকি দিয়ে বলেছেন, অভিযোগ করলে রিমান্ডে এনে তোর স্বামীকে একবারেই খালাস করে দিব। স্বামীকে বাঁচাতে চাইলে মুখ বন্ধ রাখবি।

অভিযোগকারী, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আড়াই বছর কাতারের দোহায় শ্রমিক হিসেবে কাজ শেষে গত ১ অক্টোবর ইউএস বাংলার বিএস-৩৩৪ নম্বর ফ্লাইটে সকাল ৮টায় শাহজালাল বিমানবন্দরে নামেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রাজারামপুর গ্রামের আজিজুল ইসলাম (৪০) ও ফারুক হোসেন। ওই দিনই তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী একটি বাসে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন।

এ ঘটনায় এসআই মতিন বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় তিনি দাবি করেছেন, আজিজুল ও ফারুকের দেহ তল্লাশি করে দুটি সোনার বার পাওয়া যায়। যার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সোনা আনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সোনার দুটি বার গায়েবের বিষয়ে এসআই আবদুল মতিন বলেন, আসামিরা বিদেশ থেকে সোনা চোরাচালান করে এনেছে। এ অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করে মামলা করা হয়েছে। দুটি সোনার বার ফেরতের জন্য ৫ লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। অন্য অভিযোগগুলোর কোনো ভিত্তি নেই বলে তার দাবি।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ বলেন, দুইজনের কাছে দুটি সোনার বার পাওয়া যায়। দুটি দিয়েই মামলা দেয়া হয়েছে।

রাণীশংকৈলে ৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ-৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ০৫ অক্টোবর সোমবার রাতে বড় বাঁশবাড়ি গ্রামের পাকা রাস্তা থেকে ৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন পার্শ্ববর্তী হরিপুর উপজেলার ডাবরি গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে ইয়াকুব আলি( ২৫), একই উপজেলার মানিকখাড়ি গ্রামের মৃত ডাকু মোহাম্মদের ছেলে বাসেদ ( ২২) ও রুহিয়া গ্রামের মৃত কবিরউদ্দিনের ছেলে সোহেল (৩৫)।

পুলিশ সুত্রে জানা গেছে ৫ অক্টোবর রাত সাড়ে আটটার দিকে গোপন সুত্রে সংবাদ পেয়ে পুলিশ উক্ত স্থান থেকে ঐ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ঐ মাদক ব্যবসায়ীরা হরিপুর থেকে ঐ ফেন্সিডিল নিয়ে রাণীশংকৈল আসছিল।

তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করে থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, আসামীদেরকে আগামীকাল ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার জেলা জেল হাজতে পাঠানো হবে।

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ০৫ অক্টোবর সোমবার রাতে বড় বাঁশবাড়ি গ্রামের পাকা রাস্তা থেকে ৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলেন পার্শ্ববর্তী হরিপুর উপজেলার ডাবরি গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে ইয়াকুব আলি( ২৫), একই উপজেলার মানিকখাড়ি গ্রামের মৃত ডাকু মোহাম্মদের ছেলে বাসেদ ( ২২) ও রুহিয়া গ্রামের মৃত কবিরউদ্দিনের ছেলে সোহেল (৩৫)।

পুলিশ সুত্রে জানা গেছে ৫ অক্টোবর রাত সাড়ে আটটার দিকে গোপন সুত্রে সংবাদ পেয়ে পুলিশ উক্ত স্থান থেকে ঐ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ঐ মাদক ব্যবসায়ীরা হরিপুর থেকে ঐ ফেন্সিডিল নিয়ে রাণীশংকৈল আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করে থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, আসামীদেরকে আগামীকাল ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার জেলা জেল হাজতে পাঠানো হবে।

বাঞ্ছারামপুর ভুরভুরিয়া গ্রামে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

‘রক্ত দিতে ভয় নেই, চলুন নিয়ম মেনে রক্ত দেই’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ভুরভুরিয়া গ্রামে “মানবতার তরী” রক্তদান সংগঠনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ভুরভুরিয়া গ্রামের ওয়াই ব্রিজের সামনে এ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে রক্তের গ্রুপ, পেসার পরিমাপ ও ডায়াবেটিস নির্ণয় করাসহ বিভিন্ন রোগের ডাক্তারী পরামর্শ প্রায় তিন শতাধিক নারী ও পূরুষ চিকিৎসা সেবা গ্রহন করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন হোমনা উপজেলার মানবতার শ্রেষ্ঠ রক্তদাতা সংগঠন “মুক্ত জীবন স্বেচ্ছায় রক্তদান” এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ। এসময় সমাজকর্মী আরিফুল ইসলাম মাসুমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করেন বাঞ্ছারামপুর ব্লাড ডোনার ফোরাম। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, রাকিবুল হাসান, রাশেদুল হক, খায়ের উদ্দিন, আরমান আহমেদ, সাইদুল ইসলাম, ইব্রাহিম, সুজন সাকিক, ইমন,মেহেদী, মাহমুদুল হাসান ও আতিকুর রহমানসহ অন্যান্যরা।

ফ্রি রক্ত পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন…

 

সাভারে ময়লা-আর্বজনা মুক্ত রাখতে বিডি ক্লিন এর আলোচনাসভা।

জিয়া উদ্দিন,সাভার: সাভারে ময়লা-আর্বজনা মুক্ত রাখতে আলোচনাসভা আনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বিকেলে সাভারের তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যলয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান আতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেতুলঝোড়া ইউপি চেয়ারমম্যান ফখরুল আলম সমর।পরে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নকে কিভাবে ময়লা-আবর্জনা মুক্ত রাখা যায় সেই ব্যাপারে টিম “বিডি ক্লিন” সাভার শাখার প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করেছেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।বিডি ক্লিন সাভার শাখার উদ্যেগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উক্ত আলোচনা সভায় অনন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, তেতুলঝোড়া ইউপি সচিব মীর আব্দুল বারেক, তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন,সাভার উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম,তেতুলঝোড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সুমন ইমতিয়াজসহ বিডি ক্লিন এর সাভার শাখার নেতৃবৃন্দরা।

সর্বশেষ আপডেট...