17 C
Dhaka, BD
মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

তালতলীতে ইউপি উপনির্বাচন নৌকা ডুবানো সেই বিদ্রোহী প্রার্থী নুর মোহাম্মদ এবারে নৌকার মাঝি

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি॥ নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় আ’লীগের ভোট ভাগাভাগিতে সেবারে নিজে ডুবে এবং নৌকাকে ডুবিয়ে দিয়ে এবার মাঝি হলেন সেই বিদ্রোহী প্রার্থী নুর মোহাম§দ মাস্টার। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় সামান্য ভোটের ব্যবধানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন নৌকা প্রতীক।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কড়ইবাড়ীয়া ইউনিয়নে ২০১৭ সালের এপ্রিলের ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিল নুর মোহাম§দ মাস্টার। আর সেই কারনে মাত্র ৩৯৬ ভোটে হেরে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছিলেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন মোল্লা। তখনকার নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী নুর মোহাম§দ মাস্টার মাত্র ১০২৯ ভোট পেয়ে ৩য় তম হয়েছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আ’লীগ নেতাকর্মীরা জানান, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে শুধু এ ইউনিয়নেই নৌকার প্রার্থী হেরে যান। তখন এ ইউনিয়নে নৌকা হেরে যাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা কষ্ট পেয়েছেন। এখন তারা এ প্রার্থীকে কতটা গ্রহন করতে পারবে এটা ভাবার বিষয়।

গতবারের নৌকা মার্কার প্রার্থী জসিম উদ্দিন মোল্লা বলেন-২০১৭ সালের ইউপি নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার কারনে সামান্য ভোটে হেরে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছি। বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলে নৌকা মার্কা বিপুল ভোটে বিজয়ী হতো।

উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ছোটবগী ইউপি চেয়ারম্যান মুহাঃ তৌফিকউজ্জামান তনু বলেন, উপজেলা ও জেলা আওয়ামীলীগের তরফ থেকে প্রার্থীদের প্যানেল তালিকায় ৩জনের নাম পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় মনোনয়ন সভায় প্রধানমন্ত্রী নুর মোহাম§দ মাস্টারকে মনোনয়ন দিয়েছেন। সকল দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এ মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে উপজেলা আ’লীগের নেতা কর্মীদের প্রতি আহবান জানাই।

সাভারে অবৈধ ভাবে টায়ার পুড়িয়ে পরিবেশ দূষণ করে ফার্নেস অয়েল তৈরির অভিযোগে পাঁচটি কারখানা গুড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্ত নগদ আট লক্ষ টাকা জরিমানা(ভিডিও)

সাভার,প্রতিনিধি ঃ সাভারে অবৈধ ভাবে টায়ার পুড়িয়ে পরিবেশ দূষণ করে ফার্নেস অয়েল তৈরির অভিযোগে পাঁচটি কারখানা গুড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সাথে কারখানাগুলোর মালিকদের নগদ আট লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এ অবৈধ কারখানাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ।

পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ বলেন,সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কৃষি জমি ভরাট করে পরিবেশ দূষণ করে টায়ার পুড়িয়ে জ¦ালানী ফার্নেস অয়েল তৈরি করে বিক্রি করে আসছিলেন পাঁচটি কারখানার মালিকরা।

আর এতে করে ওই সব কারখানার কালো ধোয়ায় আশেপাশের ফসলী জমির ফসলনষ্টসহ এলাকাবাসী নানা রোগে ভুগছিলেন। জীব বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছিলো।

পরে এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিত্বে আজ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ওইসব কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ। এসময় পরিবেশ দূষণের দায়ে মিনহা,সারা ১ ও ২সহ পাঁচটি কারখানা ভেকু দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

সেই সাথে পাঁচটি কারখানার মধ্যে চারটি কারখানার মালিকদের নগদ আট লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় আর একটি কারখানার মালিক ও কর্মচারীদের না পাওয়ায় তাদেরকে জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন পরে হলেও এসব অবৈধ কারখানার গুড়িয়ে দেওয়ায় এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করে কারখানার মালিকদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।

এলাকাবাসী বলছে,এসব অবৈধ কারখানার কালো ধোয়ায় এলাকার শিশুসহ নানা বয়সী মানুষ নানা রোগে ভুগছিলেন।

অভিযানে এসময় পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলার সহকারী পরিচালক মোছাব্বের হোসেন,ভাকুর্তা পুলিশ ক্যাম্পের এস আই শাহ্ আলমসহ আরো অনেকে।

রাণীশংকৈলে বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা ডডাই রাম বর্মণ (৭৪) ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এদিনেই বিকাল ৫ টায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। তিনি দীর্ঘদিন দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভূগছিলেন।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহকারি কমিশনার (ভূমি) প্রীতম সাহা ও থানা পুলিশ তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। ডডাই রাম বর্মন উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের কুয়াভিটা নায়ানপুর গ্রামের খোত খতু বর্মণের ছেলে। তিনি ২ স্ত্রী, ২ ছেলে, ১ মেয়েসহ অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।

তাঁর মৃত্যুতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড গভীর শোক প্রকাশ করেন। পরে স্থানীয় শ্মশানে তাকে দাহ করা হয়।

আশুলিয়ায় এক পোশাক শ্রমিককে গুলি করার অভিযোগে এক যুবলীগ কর্মীকে আটক

সাভার প্রতিনিধিঃ সাভারের আশুলিয়ায় এক পোশাক শ্রমিককে গুলি করে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুটপাটের অভিযোগে আশুলিয়া থানা যুবলীগের কথিত সদস্য সোহাগ মুন্সীকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ। আজ গভীর রাতে আশুলিয়ার দক্ষিণ বাইপাইল এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। আটক সোহাগ মুন্সী দক্ষিণ বাইপাইল এলাকার হরমুজ আলীর ছেলে।

পুলিশ বলছে,গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে আশুলিয়ার গাজীরচট আড়িয়ারার মোড় এলাকায় স্থানীয় নার্গিস সোয়েটারের শ্রমিক নুর আলমকে গুলি ও আরও পাঁচজনকে পিটিয়ে আহত করে একটি পোশাক কারখানা ভেঙ্গে তাদের সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুটপাট করে পালিয়ে যায় ওই এলাকার মাদক ব্যবসায়ী রিপন,টিপু ও শামিম।

পরে আহতরা আশুলিয়া থানা কথিত যুবলীগ কর্মী সোহাগ মুন্সীর নির্দেশে মাদক ব্যবসায়ীরা তাদেরকে গুলি ও পিটিয়ে আহত করেছে আশুলিয়া থানায় গতকাল রাতে অভিযোগ করলে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে সোহাগ মুন্সীর সংশ্রিষ্টতার প্রমাণ পায়। পরে গতকাল রাতেই আশুলিয়ার দক্ষিণ বাইপাইল এলাকার নিজ বাড়ি থেকে সোহাগ মুন্সীকে আটক করে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়,বর্তমানে কথিত যুবলীগ কর্মমী সোহাগ মুন্সী আশুলিয়া থানা হেফাজতে রয়েছে। সকালে তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করে দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছে আশুলিয়া থানার এস আই ফজর আলী।

এলাকাবাসী জানায়, আটক যুবলীগ কর্মী সোহাগ মুন্সীর নামে চাঁদাবাজি, ধর্ষণসহ নানা অভিযোগে আশুলিয়া থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। নানা অপকর্মে জড়িত থাকলেও যুবলীগের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ান সোহাগ।

সোহাগ মুন্সীকে আটক করায় সন্তোষ প্রকাশ করে তার কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

পুলিশ জনগণের বন্ধু এই কথাটির দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেলেন ঝালকাঠির একজন কৃতি পুলিশ কর্মকর্তা এম এম মাহামুদ হাসান

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ খুপড়ি ঘরে জীবন কাটছিল হিন্দু পরিবারটির। জমি থাকতেও আদালতের নির্দেশ মান্য করে ঘর উত্তোলন করতে পারেনি এই পরিবারটি। কখনো বৃষ্টিতে ভিজে, আবার কখনো রোদে শুকিয়েছে, একাকার, কখনো রোদের তীব্রতায় জলে ওঠে প্রাণ।

মাটির ঘরে ৩৬ বছর জীবন যুদ্ধ করে থাকতে হয়েছিল এই পরিবারটির। প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথাও বন্ধ সেই থেকে। বিরোধ গড়ায় আদালত পর্যন্ত। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পরে অবশেষে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মগড় গ্রামের দুই পরিবারের বিরোধ মিটে গেল। চোখের কোনের অশ্রুজল মুছে যায় নিরঞ্জন চক্রবর্ত্তীর। পুরনো বিরোধ নিস্পত্তিতে খুশি প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম ওরফে ইউনুস মাঝিও। একে অন্যের হাতে ফুল দিয়ে জড়িয়ে ধরলেন ভুক্তভোগীরা। এই সবকিছুই সম্ভব হয়েছে একমাত্র ঝালকাঠি জেলা পুলিশের সহযোগিতায়।

তিনি হলেন ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম মাহমুদ হাসানের কার্যালয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে এই বিরোধ নিস্পত্তি হয়।

ঝালকাঠি সদর উপজেলার পরমহল গ্রামে সৎ ছেলের কোপে এক হাত হারানো মিনারা বেগম (৪০)এর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম মাহমুদ হাসান। এবং তৎকালীন চিকিৎসার দায়িত্বও নিয়েছিলেন তিনি। এমনকি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর তাকে বসবাসের জন্য নিজের টাকায় একটি বসতঘর নির্মাণ করে দিয়েছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা এম এম মাহমুদ হাসান।

ঝালকাঠি শহরের কাঠপট্টি পুরাতন কলাবাগান এলাকায় জন্ম থেকেই বিরল রোগে আক্রান্ত ছিল শিশু তামিমা আক্তার। তার পিঠে একটি টিউমারের মতো দেখা যায়। অথচ চিকিৎসকরা জানান, এটি টিউমার নয়। ধীরে ধীরে সেটি বড় হতে থাকে।

পরে জানতে পারেন রোগটির নাম ‘মেনিংগোসেল’। একমাত্র সন্তানের এ রোগের চিকিৎসা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন বাবা ও মা। হত দরিদ্র পরিবার স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করিয়ে কোন সুফল পাচ্ছিলেন না। তখন শিশুটির বেড়ে ওঠাও থমকে যায়। দিন দিন মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়তে থাকে।

এমত অবস্থায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য শিশুটির বাবা স্মরণাপন্ন হন ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম মাহমুদ হাসানের। তখন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম মাহমুদ হাসান শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব দায়িত্বভার গ্রহণ করেন । ঢাকায় তাঁর এক চিকিৎসক বন্ধুর মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু হয় ওই শিশু তামিমার।

দেড় বছর বয়স হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অপারেশন করার ব্যবস্থা করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। অপারেশন সফল হলে তামিমা ফিরে পায় নতুন জীবন। তখনই খুশিতে মন ভরে ওঠে তামিমার এবং বাবা আমার। ফিরে পেল এক নতুন জীবন।

শুধু নিরঞ্জন, মিনারা ও তামিমাই নয়, ঝালকাঠিতে যোগদানের পর অসংখ্য মানুষের বিরোধ নিস্পত্তি ও অসহায় মানুষের সহযোগিতা করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা এম এম মাহমুদ হাসান।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলায় রাত দিন মাঠ পর্যায়ে নিরলস ভাবে মানুষের সেবাদানে কাজ করেছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম মাহমুদ হাসান । মানুষকে সচেতন করা, মাস্ক বিতরণ, পিপিই ও খাদ্যসামগ্রীও দিয়েছেন অসংখ্য মানুষকে। হারানো মোবাইলফোন উদ্ধার, প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করে ঝালকাঠিবাসীর হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা এম এম মাহমুদ হাসান ।

এছাড়াও মাদক, সন্ত্রাস ও চুরি-ডাকাতি রোধে কার্যক্রর ব্যবস্থা গ্রহণ করে সুনাম অর্জন করেছেন মাহামুদ হাসান। তিনি জঙ্গিবাদ, বাল্যবিয়ে ও মাদক বিরোধী প্রচারণায় অসামান্য অবদান রেখে চলেছিলেন। স্টুডেন্ট বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং ও স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং কর্মকান্ডে দক্ষতা ও সাফল্যের সাথে স্বীকৃতি স্বরূপ একাধিকবার বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে পিপিএম-বার পদক গ্রহণ করেছিলেন । বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সাধারণ মানুষের। নানা সামাজিক কর্মকান্ডে তাকে দেখা যেত অগ্রভাগে। অধিনস্তদের মাঝে জনপ্রিয় এম এম মাহামুদ হাসানের সাফল্যে খুশি জেলা পুলিশ বিভাগ।

নিরঞ্জন চক্রবর্ত্তী বলেন, আমার চোখের পানি মুছে দিয়েছিলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা । আমি এখন নিশ্চিন্তে ঘর তুলে বসবাস করতে পারবো।

নজরুল ইসলাম ওরফে ইউনুস মাঝি বলেন, তুমি আমার জমি মামা নিয়ে ৩৬ বছর ধরে বিব্রতকর অবস্থায় মধ্যে পড়ে ছিলাম। মামলা-হামলা কত কিছুই না হয়েছে। সব কিছুই মিটিয়ে দিয়েছে এই পুলিশ কর্মকর্তা। আমাদের মধ্যে আজ থেকে কোন বিরোধ দেখা দেয়নি ।

এক হাত হারানো মিনারা বেগম বলেন, আমি যে, বেঁচে আছি, তা মাহমুদ স্যারের জন্যই। তিনি আমাকে বাঁচার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলেন। আমাকে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে সহযোগিতা করেছিলেন। একটি খুপড়ি ঘরে থাকতাম, আমার বসতঘর তুলে দিয়েছিলেন তিনি। মাঝে মাঝে সে আমাদের বাড়িতে এসে আমার সবসময় খোঁজ খবর নিত এবং টাকা পয়সা দিয়ে সাহায্য করতেন । আমাকে মেরে টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলো সৎ ছেলে মাসুদ সরদার। তাকেও এই পুলিশ কর্মকর্তা সাবধান করে দিয়েছিলেন । স্যারের মতো লোক হয় না।

তানিমার বাবা তাবির হোসেন বলেন, আমার মেয়ের জীবন যখন সংকটাপন্ন, তখন আমি মাহমুদ হাসান স্যারের শরণাপন্ন হয় সাহায্য প্রার্থনা করেছিলাম। কখন তিনি আমার মেয়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। এতে যত টাকা খরচ হয়েছে, মদ হাসান শারে নিজেই আমাকে দিয়েছিলেন । তাঁর কাছে আমরা চিরঋণি এবং কৃতজ্ঞ। এমন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা সব জেলাতেই থাকা প্রয়োজন। আমরা সব সময় তাঁর জন্য দোয়া করি।

ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম মাহমুদ হাসান বলেন, ঝালকাঠিতে চাকরিতে যোগদানের পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা বিরোধ নিস্পত্তি করেছি। মাদক ও সন্ত্রাস রোধে দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখেছে জেলা পুলিশ। পুলিশের ভাল কাজের পাশে থাকার জন্য সাংবাদিকদের কাছে আহ্বানও জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, আমি এখানে অনেক দিন চাকরি করে মানুষের ভালবাসা অর্জন করতে করেছি। এখন বদলীজনিত কারণে ঝালকাঠি থেকে ঢাকা এন্টি টেরোরিজম ইউনিটে চলে যেতে হচ্ছে। তবে এ জেলার মানুষের কথা কখনোই ভোলার মত নয় এবং ভুলবো না । আমি যেখানেই থাকি না কেন ফোন দিলেই ঝালকাঠির মানুষের জন্য উপকার করে যাবো। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। অশ্রুসিক্তে বিদায় নিয়ে গেলেন ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম মাহমুদ হাসান।

রাজশাহীতে শিশুর টিউমার কাটতে গিয়ে কিডনি কেটে ফেলেছেন চিকিৎসক

সৌমেন মন্ডল,রাজশাহী ব্যুরোঃ রাজশাহীতে টিউমারের অপারেশনের সময় শিশুর কিডনি কেটে ফেলেছেন এক চিকিৎসক।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা উজ্জ্বল (৩০) নগরের রাজপাড়া থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়েছেন। রোববার দুপুরে তিনি এই অভিযোগ দায়ের করেন।

উজ্জ্বলের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বড়শিমলা গ্রামে। তার বাবার নাম নরেস। আর অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। গত ১৩ এপ্রিল রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় বেসরকারি রয়্যাল হাসপাতালে তিনি উজ্জ্বলের মেয়ে অনুর পেটে অস্ত্রোপচার করেন।

অস্ত্রোপচারের সময় কিডনি ফেলে দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন ডা. সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, টিউমার ছিল কিডনিতে। সেটা ক্যান্সার। সে কারণেই ফেলে দেয়া হয়েছে। আর অস্ত্রোপচারের সময় শিশুটির অভিভাবক যারা ছিলেন তাদের বিষয়টি জানিয়ে অনুমতি নেয়া হয়েছে। তবে ওই সময় শিশুর বাবা উজ্জ্বল হাসপাতালে ছিলেন না।

উজ্জ্বল বলেন, তার মেয়ের কিডনিতে টিউমার বা সে ক্যান্সারে আক্রান্ত এমন কোন বিষয় তাদের জানানো হয়নি। তাদের না জানিয়েই শিশু অনুর কিডনি কেটে ফেলে দেয়া হয়েছে। পরে শুধু ক্যান্সারের বিষয়টি জানানো হয়েছে দ্বিতীয় দফায় চিকিৎসকের কাছে গেলে। এ কারণে তিনি আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

তিনি বলেন, তার মেয়ে অনু জন্মের পর থেকেই পেটের সমস্যায় ভুগছিল। তার পেট ছিল অস্বাভাবিক বড়। প্রায় নয় মাস আগে উজ্জ্বল তার মেয়েকে রাজশাহীর শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. এবি সিদ্দিকীর কাছে নিয়ে যান। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান, অনুর পেটে টিউমার রয়েছে। তাই ডা. এবি সিদ্দিকী শিশু অনুকে রয়্যাল হাসপাতালে ডা. সৈয়দ সিরাজুল ইসলামের কাছে নিয়ে যেতে বলেন। তার কথামতো উজ্জ্বল তার মেয়েকে ডা. সৈয়দ সিরাজুল ইসলামের কাছে নিয়ে যান।

চিকিৎসক সিরাজুল ইসলাম অনুকে দেখার পর জানান তার মেয়ের পেটে অস্ত্রোপচার করে টিউমার অপসারণ করতে হবে। এরপর তার কথামতো গত ১২ এপ্রিল উজ্জ্বল তার মেয়েকে রয়্যাল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরদিন বেলা ৩টার দিকে তার মেয়ের পেটে অস্ত্রোপচার করেন ডা. সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম। এরপর ১৭ এপ্রিল এই হাসপাতাল থেকে তার মেয়েকে ছুটি দেয়া হয়। ছুটি দেয়ার সময় ১৫ দিন পর তার মেয়েকে আবার ডা. সিরাজুল ইসলামের কাছে নিয়ে যেতে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

উজ্জল তার অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, বাড়ি যাওয়ার পর অনুর শারীরিক অবস্থার কোন উন্নতি হয়নি। ১৫ দিন পর তার বাবা উজ্জ্বল আবার ডা. সৈয়দ সিরাজুল ইসলামের কাছে যান। তিনি পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে বলেন, তার মেয়ের ক্যান্সার হয়েছে। এরপর উজ্জ্বল তার মেয়েকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন।

শিশুটি এখনও এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভর্তির পর রামেক হাসপাতাল থেকে অনুর পেট আল্ট্রাসনোগ্রাম করে রিপোর্ট আনতে বলা হয়। উজ্জ্বল গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) লক্ষ্মীপুর এলাকার দ্য এপোলো ডায়াগনষ্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম করান।

এপোলো ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট দেখে চিকিৎসকরা জানায় তার মেয়ের একটি কিডনিই নেই। একটি কিডনি কেটে ফেলা হয়েছে। এখানকার চিকিৎসকরা জানান, পেটের অস্ত্রোপচারের আগে যে সমস্ত ডায়াগনষ্টিক রিপোর্ট আছে, সেসবে অনুর দুটি কিডনিই আছে। কিন্তু অস্ত্রপচারের পর যে রিপোর্ট হচ্ছে তাতে তার একটি কিডনি দেখা যাচ্ছে না।

রাজপাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসান বলেন, এ ধরনের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। প্রাথমিক তদন্ত করতে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। অভিযোগকারীকে রোগীর সমস্ত রিপোর্ট আনতে বলা হয়েছে। তদন্ত করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সৌমেন মন্ডল,রাজশাহী ব্যুরো

ঝালকাঠিতে বিদ্যালয় গুলো জাতীয় করণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি :ঝালকাঠিতে জাতীয়করণ থেকে বাদপড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জাতীয়করণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

২০/০৯/২০২০ইং তারিখ রবিবার সকালে জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলীর পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহন করেন নেজারত ডেপুটি কালেক্টরেট আহমেদ হাসান।

স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে ২৬ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছেন তৎকালীন পরিসংখ্যান ভুলের কারণে ৪১৫৯ টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়নি। স্মারকলিপিতে তারা ৬ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের চিঠি বাতিল ও সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাতীয়করণ দাবি করেন বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকরা ।

এ সময় বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি বিপ্লব সিকদার, সাধারণ সম্পাদক মোসাঃ মাকসুদা বেগমসহ ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন উপজেলার সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাভারের আশুলিয়া থেকে ৬৮টি চোরাই মোবাইল সহ ৪ জনকে আটক করেছে র‌্যাব-৪

সাভার ,প্রতিনিধি ঃ সাভারেরআশুলিয়া থেকে ৬৮টি চোরাই মোবাইলসহ মোবাইল চোরসিন্ডিকেটের ৪ সক্রিয়সদস্যকে আটককরেছে র‌্যাব-৪। আটক কৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব ।

উদ্ধারকৃত মোবাইলের মধ্যে ৩৩ টি স্মার্ট ফোন এবং বাকী ৩৫ টি ফিচার ফোন রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

আজ সকালে এই তথ্য জানায় সাভার র‌্যাব-৪ এরএর কোম্পানীক মান্ডার জমির উদ্দিন আহমেদ।

র‌্যাব জানায়, মোবাইল চোর সিন্ডিটেকের সক্রিয় সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে চুরি ও ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন বিক্রির উদ্দেশ্যে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর একটি দল অভিযান পরিচালনা করে।

এসময় মোবাইল চোর সিন্ডিকেটের সক্রিয় ৪ সদস্য আবুল কালাম, মহসিন আলী, সোহেল রানা এবং সুজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে চুরি ও ছিনতাই কৃত ৩৩ টি স্মার্ট ফোন ও ৩৫টি ফিচার ফোনসহ মোট ৬৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

আটক কৃতদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে র‌্যাব বলছে- এই চক্রের বাকী সদস্যদের আটক করতে তাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ঝালকাঠি জেলা যুব মহিলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ফাতেমা শরীফের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী

ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি: ঝালকাঠি জেলা যুব মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ফাতেমা শরীফকে জড়িয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে জনৈক পারভিন বেগম (৩০) বাদী হয়ে দায়েরকৃত কথিত ‘মধ্যযুগীয় নির্যাতনের’ মিথ্যা মামলা করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি ।

সাংবাদিকদের সাথে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি ঘটনার দিন ও সময়ে ঢাকা এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ে একটি কাজের জন্য অবস্থান করছিল যাহা প্রমান রয়েছে জানিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানিয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় আলাপকালে তিনি বলেন, শহরের পূর্ব চাঁদকাঠি এক ব্যবসায়ীর পরিবারে দুই স্ত্রীর মধ্যে সংগটিত ঘটনার আমি সংবাদ মাধ্যম ও ফেজবুক মারফত জানতে পারলেও ঘটনার দিন ও সময়ে আমি ঝালকাঠিতে ছিলামই না। আমি একটি ঠিকাদারী কাজের বিষয়ে ৩০ আগষ্ট বিমানের টিকিট কেটে বরিশাল অবস্থান করি ও পরের দিন সকালে ঢাকা যাই। সেখানে এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ে একটি কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট পিডির সাথে সাক্ষাৎ করি ও কয়েকদিন পর ঝালকাঠি আসি।

কিন্তু অজ্ঞাত কারনে মামলার বাদী ও তার সহযোগী একটি কুচক্রি মহল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক ভাবে আমাকে দায়েরকৃত মামলার ৫নং আসামী তালিকাভূক্ত করে। এমন কি মামলায় উল্লেখ করে ২নং আসামী আমাকে কেচি আনতে নির্দেশ দিলে আমি একটি কেচি সংগ্রহ করে তার হাতে দিলে সেটা দিয়ে বাদীর চুল কেটে দেয়া হয়। যাহা সম্পুর্ন মিথ্যা বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।

তিনি আরো বলেন, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্র মূলক উক্ত মামলায় বাদীর ওয়ারড্রপ থেকে আমি তিন ভরি স্বর্নালংকার লুটে নিয়ে শাড়ীর আচলে বেধে রাখি বলে মনগড়া কাহিনীর অবতারন করে আমাকে অন্যায় ভাবে রাজনৈতিক ও আইনীভাবে হয়রানির নোংরা ষড়যন্ত্র চালায় বলে দাবী করেন তিনি ।

সেই সাথে ঝালকাঠি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের অনুরোধ করেন। তাছাড়া জেলা যুব মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ফাতেমা শরীফকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা দায়েরের নেপথ্যে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।

তিনি আরো জানান, ঘটনার বিষয় কিছুই জানেন না এবং ঘটনার সময় তিনি ঝালকাঠি জেলায়ও ছিলেন না এ বিষয় তার প্রমান আছে। বিমানের টিকিট ও ঢাকায় অবস্থান সহ সকল প্রমান থাকা সত্তেও তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে দাবী করেন।

অপরদিকে মামলার বাদী ঘটনার পর দেওয়া সাক্ষৎকারে ফাতেমার নাম বলেননি হঠাৎ মামলায় উর্দেশ্যমুলকভাবে ফাতেমা শরীফকে আসামী করা হয় বলে জানান তিনি ।

তালতলীতে ঘর তুলে জমি দখলের চেষ্টা যুবলীগ কর্মীর

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার তালতলীতে শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে দোকান ঘর তুলে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের জমি দখলের চেষ্টা কথিত যুবলীগ কর্মীর। অভিযোগ পেয়ে রাতেই ওই ঘরের একাংশ খুলে নিয়ে গেছে পুলিশ।

জানা গেছে, উপজেলা শহরের সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পুকুরের উত্তর পাড়ে মুল সড়কের পাশে গভীর রাতে দোকান ঘর তুলেছেন কথিত যুবলীগ কর্মী বাহাদুর মীর। খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। ওই রাতেই ঘরের একাংশ খুলে নেয় পুলিশ। তবে এসময় কাউকে আটক করতে পারেনি। কথিত যুবলীগ নেতা বাহাদুর মীর একটি পারিবারিক ও একটি হত্যা মামলার আসামী। তার ভোটার আইডি কার্ডে বাহাদুর মীর নাম থাকলেও এসআই বাহাদুর নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক খুলে চালান তিনি।

এ ব্যাপারে বাহাদুর মীর ঘর তোলার কথা অস্বীকার করে বলেন, ঘর তোলা সম্পর্কে তিনি জানেননা। পারিবারিক ও হত্যা মামলায় তাকে মিথ্যাভাবে জড়ানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে এসআই বাহাদুর সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন তার আসল নাম সফিকুল ইসলাম বাহাদুর। তাই সংক্ষেপ করে এসআই বাহাদুর নামে আমার ফেইসবুক আইডি খোলা হয়েছে।

তালতলী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে সরকারি জমিতে ঘর উঠানোর সময় ঘরের একাংশ থানায় নিয়ে আসি। এ সময় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেট...