মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাইয়ে জহিরুল ইসলাম জুয়েল এর নিজ অর্থায়নে বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া রাস্তা মেরামত করে দিয়েছেন।
ধামরাই উপজেলায় কুল্লা ইউনিয়নে দক্ষিণ কেলিয়া গ্রাম হতে বান্দিমারা গ্রামে যাওয়ার প্রধান রাস্তাটিতে বন্যার পানির স্রোতে রাস্তার একাধিক জায়গায় ভেঙ্গে খালে পরিণত হয়ে মানুষ চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পরেছে। রাস্তাটি ঢাকা আরিচা মহা সড়কে উঠেছে গ্রামের এই প্রধান সড়কটি বন্যার পানিতে ভেঙ্গে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়ায় বিপাকে পড়েছে গ্রামে হাজার হাজার মানুষ। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী যাতায়েত করে। এই রাস্তাটি নিয়ে বিপাকে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা।
রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করে হাজার হাজার কারখানা শ্রর্মিক। রাস্তা দিয়ে যানবাহন তো দূরের কথা হেঁটে চলাচলও বিপদজ্জনক হয়ে পড়ে। যা প্রতিনিয়ত সৃষ্টি করছে জনদুর্ভোগের। রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে।
ঢাকা (২০) আসনের সাংসদ সদস্য জননেতা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ ২০০৮ সালে এই রাস্তাটি সম্পুর্ণ করেন এবার বন্যার কারণে রাস্তাটির বেহালদশা হয়। সেইজন্য ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা ২০ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ এর নির্দেশে ও সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য ব্যাবস্থাপনা পরিচালক কুলসুম ফিড লি: ও কমিউনিটি বিট পুলিশিং সাধারন সম্পাদক,আওয়ামী লীগ নেতা কুল্লা ইউনিয়নের কেলিয়া গ্রামের সন্তান মোঃ জহিরুল ইসলাম জুয়েল তার নিজ অর্থায়নে দক্ষিণ কেলিয়া ও বান্দিমারা গ্রামের রাস্তাটি একই দিনে দুই জায়গায় বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া রাস্তার মেরামত করে দেন। এর আগে জুহিরুল ইসলাম জুয়েল কেলিয়া গ্রামের বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া প্রধান রাস্তার ৩০০ফুট নিজ অর্থায়নে মেরামত করেন এবং তিনি করোনা কালিন ও বন্যা কালিন সময়ে একাধিক বার অসহায় মানুষদের মাঝে ত্রান সামগ্রী ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
এসময় জহিরুল ইসলাম জুয়েল সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ এর নির্দেশে ও মানুষের চলাচলের কষ্ট ও দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে আমি এ গ্রামের সন্তান হিসেবে আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে আমি মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
এসময় গ্রামে স্থানীয়রা বলেন বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া এই রাস্তাটি মেরামত হওয়ায় আমাদের অনেক উপকার হয়েছে এই রাস্তা দিয়ে এখন চলাচল করা যাবে আমরা খুব আনন্দিত।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের জায়গা অবৈধভাবে দখলের সময় বাধা দেয়ায় দখলকারী পৌর নারী কাউন্সিলরের সমর্থকদের হামলায় কলেজটির শিক্ষকসহ ৯ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পৌর শহরের বটতলী মোড়ে সরকারি কলেজের জায়গা দখল করে টিনসেট ঘর নির্মাণ করতে বাধা দেয়ায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এদিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে কলেজের শিক্ষার্থীরা বেলা সাড়ে ১২টা থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন। দুপুর ১টায় ফুলবাড়ী থানার ওসি ফকরুল ইসলাম হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেয়ায় অবোরোধ প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষার্থীরা।
পৌর কাউন্সিলর ও তার লোকজনের হামলায় আহতরা হলেন- ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক এরশাদ হোসেন, কলেজের দর্শন বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মনসুর পারভেজ, একই বিভাগের সাগর হোসেন, মানবিক শাখার স্নাতক বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন, একই বিভাগের শিক্ষার্থী নাসিম আহম্মেদ, সাজু মেহেদী হাসান, সাব্বির ও শুভ। তারা সকলে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নাজমুল হক বলেন, পৌর কাউন্সিলর রোকেয়া বেগম দীর্ঘদিন থেকে ফুলবাড়ী কলেজের জায়গা অবৈধভাবে জবর দখল করে ঘরবাড়ি ও দোকানপাট করেছিলেন। রাস্তা প্রসস্তের সময় উচ্ছেদ অভিযানে তার অবৈধ দখল করা জায়গা উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, বুধবার সকাল থেকে উদ্ধার করা জায়গায় আবোরো ঘর নির্মাণ শুরু করেন পৌর কাউন্সিলর রোকেয়া বেগম। এ ঘটনায় কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক এরশাদ হোসেন বাধা দেয়। এসময় পৌর কাউন্সিরর রোকেয়া বেগম ও তার সাথে থাকা লোকজন শিক্ষক এরশাদ হোসেনের ওপর হামলা করে। এরপর শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে পৌর কাউন্সিলর লোকজন দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এ কারণে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেছেন।
ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী নাসিম আহম্মেদ বলেন, শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে পৌর কাউন্সিলর রোকেয়া ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। হামলা ও কলেজের জায়গা অবৈধভাবে দখলের প্রতিবাদে রাস্তা অবোরোধ করে তারা।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর কাউন্সিলর রোকেয়া হামলার কথা অস্বীকার করে বলেন তর্ক-বিতর্কের মাধ্যমে শিক্ষক পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন। কিন্তু সরকারি কলেজের জায়গা কেন দখল করছেন এই প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন উত্তর দেয়নি।
ফুলবাড়ী থানার ওসি ফকরুল ইসলাম বলেন, রাস্তা অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে, তারা অবোরোধ প্রত্যাহার করে নেন।
তিনি বলেন, ঘটনা তদন্ত করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কলেজের শিক্ষার্থীরা বলেন, পৌর কাউন্সির রোকেয়া বেগমসহ কয়েকজন ব্যক্তি সরকারি কলেজের জায়গা দখল করে দোকান-পাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। সরকারি উচ্ছেদ অভিযানে তাদেরকে উচ্ছেদ করা হলেও তারা আবোরো দখল তা শুরু করেছে।
টেকনাফে মেজর সিনহা হত্যা মামলায় ৭ আসামির কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) এক ব্রিফিংয়ে এতথ্য জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, পুলিশের করা তিনটি মামলার আলামত বুঝে নেয়া হয়েছে। এছাড়া পুলিশের জব্দ করা সিনহার সহযোগী শিপ্রার ২৯ টি ডিভাইস পুলিশের কাছ থেকে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) গ্রহণ করবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
র্যাব আরো জানায়, রিমান্ডে থাকা আসামিদের কাছ থেকে সিনহা হত্যার বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত র্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা পেয়েছে। যা এই হত্যা মামলার তদন্তকে আরো এগিয়ে নিয়ে গেছে। আসামি ও সাক্ষীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিচার বিশ্লেষণ করে এই হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন করা হবে।
এছাড়া, নিহতের বড় বোন টেকনাফ থানায় বাদী হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এদের মধ্যে বরখাস্তকৃত ৭ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এছাড়া আরো দুইজনের নাম এজাহারে ছিল। এই দুইজনের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে র্যাবের তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে বুধবার লিখিত আবেদন করেছে বলেও জানায় র্যাব।
এর আগে, সাবেক মেজর সিনহার সহাযোগী শিপ্রা দেবনাথের জব্দকৃত মালামাল র্যাবের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন আদালত। এগুলো মধ্যে রয়েছে- মোবাইল, ল্যাপটপ, হার্ডডিস্কসহ ২৯ ধরনের মালামাল।
শিপ্রা দেবনাথ জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তার বেশকিছু আপত্তিকর ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তার অভিযোগ, রামু থানায় সংরক্ষিত ডিভাইস থেকেই এসব ছবি ভিডিও বাইরে ছড়ানো হয়েছে।
গত ৩ জুলাই সিনহার সঙ্গে শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও তাসকিন ভ্রমণবিষয়ক ভিডিওচিত্র ধারণ করতে কক্সবাজার যান। ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিষবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা। এ সময় সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকেও আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত।
এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি মামলা করা হয়। একটি মামলা হয় টেকনাফ থানায়। এ মামলায় সরকারি কাজে বাধা ও গুলিতে নিহত হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। সেই মামলার আসামি করা হয় সিফাতকে। এছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রামু থানায় দায়ের করা মাদক মামলায় আসামি করা হয় শিপ্রা দেবনাথকে।
এদিকে ৫ আগস্ট সিনহার বড় বোন বাদী হয়ে একই আদালতে টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলী, থানার এসআই নন্দলাল রক্ষিতসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এছাড়া বাদীর আবেদন মঞ্জুর করে সবগুলো মামলা তদন্তের দায়িত্ব র্যাবকে দেন বিচারক।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা।। ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আবু আজম মুুহা: সারওয়ার হোসেন (৪৩), তার মেয়ে সোহানা সাবরিন (১৫) ও ছেলে তাসিন আহম্মেদ (১২) সম্পুন্ন মুক্ত হয়েছেন।গত ১৪ আগস্ট তাদের সর্বশেষ নমুনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে।
ইতোমধ্যে তিনি তার কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার ফিরোজ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সারওয়ার হোসেন ও তার পরিবারের করোনা মুক্তিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ ঐ পরিবারের প্রতি শুভ কামনা জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত : এ উপজেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮৬, সুস্থ হয়েছেন ৪৮ , মারা গেছেন ২ জন। বাকীরা চিকিৎসাধীন আছেন।
আমিনুল ইসলাম, ইবি ঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ( ইবি)তে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবার্ষিকী স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
এ সময় উপাচার্য ড. রাশীদ অাসকারী বলেন,জাতির পিতাকে ইবির ১৭৫ একরে চর্চার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি”এখন পর্যন্ত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ব্যর্থ স্বাধীনতা সংগ্রামে যুগের পর যুগ কাটিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি সর্বৈব সফল স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের মধ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গতা দিয়ে গেছেন।
সেই কীর্তিমান মহাপুরুষকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭৫ একরে চর্চার জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব’ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে ‘শ্বাশত মুজিব’ ও ‘মুক্তির আহবান’ নামে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমার বিদায়ের প্রাক্কালে বিনম্র শ্রদ্ধায় অবনত মস্তকে স্মরণ করি মহীয়সী নারী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি কৃপা করে মেগা প্রজেক্টটি না দিলে আজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এ জায়গায়
দাঁড়াতো না। আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রীসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দকে। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে। তিনি আরও বলেন, আমার উদ্যমের মুল প্রেরণাশক্তি আমার প্রাণপ্রিয় শিক্ষার্থীরা। প্রাণপ্রিয় শিক্ষার্থীদের আমি স্বপ্ন দেখা শেখানোর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেছি এবং তারা অনেকখানি এগিয়েছে। উপাচার্য বলেন, আমাদের আনন্দ এটাই যে, আমরা একটি ট্রেনকে লাইনে তুলে দিতে পেরেছি।
আজ (১৯ আগস্ট) দুপুরে প্রশাসন ভবনের তৃতীয় তলাস্থ সম্মেলন কক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবার্ষিকী স্মারকগ্রন্থ ২০২০ ‘মহানক্ষত্র মুজিব’ ও ‘ইম্মর্টাল মুজিব’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু এক অবিস্মরণীয় নেতা। তাঁর কীর্তিমান জীবন নিয়ে অনন্তকাল ইতিহাস রচিত হবে। তিনি প্রকাশিত গ্রন্থ দুটির ভুঁয়সী প্রশংসা করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির অন্যতম ছিল বাংলা ও ইংরেজিতে বঙ্গবন্ধুর জীবন নিয়ে গ্রন্থ প্রকাশ করা। তা সম্পন্ন হওয়ায় তিনি উপাচার্য ও সংশ্লিষ্ট সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অপর বিশেষ অতিথি ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেন, আগস্ট মাস বাঙালি জাতির জীবনে শোকের মাস হলেও আজকের দিনটা আনন্দের। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আজ আমরা ‘মহানক্ষত্র মুজিব’ ও ‘ইম্মর্টাল মুজিব’ গ্রন্থ দুইটি প্রকাশ করতে পেরেছি। এ প্রকাশনার সকল কৃতিত্ব উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের
উল্লেখ করে তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। বঙ্গবন্ধুর জীবনের অজানা অধ্যায় তুলে ধরে উপস্থিত সকলকে তা সভা-সমাবেশে তুলে ধরার জন্য অহব্বান জানান তিনি। সাফল্যের সাথে চার বছর পূর্ণ করতে পারায় ট্রেজারার সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
‘মহানক্ষত্র মুজিব’ স্মারকগ্রন্থের সম্পাদক ও বাংলা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাঃ সাইদুর রহমান-এর
সভাপতিত্বে এ মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস. এম. আব্দুল লতিফ।
অনুষ্ঠানে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. নাসিম বানু, আইআইইআর-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাঃ মেহের আলী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. কাজী আখতার হোসেন, প্রফেসর ড. মোঃ জাকারিয়া রহমান, প্রফেসর ড. রুহুল কে এম সালেহ, প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান, প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম¥ন, প্রফেসর ড. রেবা মন্ডল, প্রফেসর ড. তপন কুমার জোদ্দার, প্রফেসর ড. এম. এয়াকুব আলী, পরিবহন প্রশাসক প্রফেসর ড. মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম, প্রেস প্রশাসক ড. মোঃ আবু হেনা মোস্তফা জামাল, পরীক্ষা-নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবুল কালাম আজাদ, অফিসার্স এসোসিয়েশনের আহŸায়ক মোঃ আলমগীর হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হান্নান, সাধারণ কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোঃ আতিয়ার রহমান, সহায়ক কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোঃ আব্রাহাম লিংকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. নওয়াব আলী খান।
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রকাশিত গ্রন্থ দুটিতে বিখ্যাত লেখকদের লেখা স্থান পেয়েছে। ইংরেজি ‘ইম্মর্টাল মুজিব’ স্মারকগ্রন্থ সম্পাদনা করেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান ও সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম. আব্দুল লতিফ। ‘মহানক্ষত্র মুজিব’ স্মারকগ্রন্থের সম্পাদনা করেন বাংলা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাঃ সাইদুর রহমান ও সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোঃ নওয়াব আলী খান। দুটি স্মারকগ্রন্থ সম্পাদনা ও প্রকাশনায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী। গ্রন্থ দুটি শিক্ষক, গবেষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের জ্ঞানান্বেষণে পথিকৃৎ হয়ে থাকবে।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরাম ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ উপাচার্যের সাথে সাক্ষাৎ করেন। অভূতপূর্ব সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সাফল্যের সাথে চার বছরের দায়িত্ব শেষ করায় তাঁরা উপাচার্যের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: ভারতের পেট্রাপোল ক্যাম্পে বিএসএফের সাথে বাংলাদেশের ৪৯ বিজিবি’র মধ্যে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার(১৭ই আগস্ট) সকাল ১১ টা থেকে প্রায় ৩ টা পর্যন্ত এ বৈঠক টি অনুষ্ঠিত হয়।
দুই দেশের এই পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশে পক্ষে উপস্থিত ছিলেন যশোর ৪৯ বিজিবি’র অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সেলিম রেজা, খুলনা সেক্টর জিটু মেজর সৈয়দ সোহেল আহমেদ, ৪৯ বিজিবি’র উপ অধিনায়ক মেজর নজরুল ইসলাম সহ ৪জন। ভারতের পক্ষে ১৭৯ বিএসএফের অধিনায়ক শ্রী অনিল কুমার ঠাকুর সহ ৪ জন।
পতাকা বৈঠকে পেট্টাপোল বর্ডারের বিএসএফ অস্থায়ী টিন সেট ঘর তৈরী,মাদক পাচার,চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল আই,সি,পি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আব্দুল ওহাব।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে ১৫ আগষ্ট স্বাধীনতার মহান স্থাপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও গণভোজের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১৭আগষ্ট সোমবার বেলা ১১টায় ধামরাই উপজেলা চত্বরে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে ধামরাই উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাদ্দেছ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয়।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা -২০ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ মালেক, বিএসটিআইয়ের সাবেক মহা পরিচালক দেওয়ান আফসার উদ্দিন জিন্নাহ,
ধামরাই পৌরসভা যুবলীগ সভাপতি আমিনুর রহমান, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সানাউল হক সুজন, ধামরাই সরকারি কলেজ শাখা ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান, ছাত্র লীগ নেতা সাইদুল ইসলাম পিয়াস সহ উপজেলা আওয়ামী লীগ যুবলীগ ছাত্র লীগ ও অন্যান অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি ও জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর ২১ আগষ্ঠ গ্রেনেট হামলার সাথে জড়িত আসামীদের দেশে ফিরিয়ে এনে দৃষ্টন্তমুলক শাস্তির দাবি জানান। এবং বঙ্গবন্ধুর সকল খুনীদের ফাঁসি কার্যকর করার দাবি জানান।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মাগুরার শ্রীপুর আলোর দিশারী সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠির আয়োজনে সোমবার বিকেলে নাট্য গোষ্ঠির অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়ার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
আলোর দিশারী সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠির সভাপতি বাবু কিশোর কুমার রায় এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মসিয়ার রহমান ।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বদিয়ার রহমান মন্ডল, আলোর দিশারী সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠির সহ-সভাপতি আবু জাফর নয়ন,সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোল্লা,সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেদ মাহমুদ,শ্রীপুর ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবর শেখ, শ্রীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আচু মিয়া ও মদনপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বদিয়ার রহমান প্রমূখ ।
আলোচনা সভা শেষে হাফেজ মাওলানা মোঃ রিয়াজুল ইসলাম মোল্লার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয় দোয়া অনুষ্ঠান ।
স্টাফ রিপোর্টার ঃ অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে বেকারী খাবার তৈরি করে বাজারে বিক্রি করার অভিযোগে ঢাকার ধামরাইয়ে একটি বেকারী কারখানাকে নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে র্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত।
রোববার বিকেলে ধামরাইর ঢুলিভিটা এলাকায় হাবিবা বেকারী কারখানায় অভিযান চালায় র্যাব ৪ এর ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আনিসুর রহমান।
র্যাব ৪ জানায়, ধামরাইর ঢুলিভিটা এলাকার হাবিবা বেকারী কারখানার মালিক ইকবাল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বেকারী কারখানায় রুটি,চানাচুর,বিস্কুটসহ বিভিন্ন বেকারী খাদ্য অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিলো। সেইসব বেকারীর খাদ্য খেয়ে এলাকার শিশুসহ নানা বয়সী মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হয়েছিলো।
পরে এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিতিত্বে বিকেলে ওই বেকারী খারখানায় অভিযান চালিয়ে এর মালিক ইকবাল মিয়াকে নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে তিন মাসের কারদন্ড প্রদান করেন র্যাব ৪ এর ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আনিসুর রহমান। সেই সাথে বেকারীর মালিককে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে বেকারী খাদ্য তৈরি করতে না করতে সর্তক করে দেওয়া হয়।
এলাকাবাসী জানায়,ওই বেকারীর শ্রমিকরা করোনা ভাইরাসের স্বাস্থ্য সুরক্ষা না মেনে পা দিয়ে পাড়িয়ে বেকারী খাদ্য তৈরি করে আসছিলো। এছাড়া সরেজমিনে কারখানায় গিয়ে দেখা যায় বেকারী কারখানাটিতে খাদ্য তৈরির সময় দেখা গেলো ময়দার উপর দিয়ে তেঁলাপোকাসহ নানা পোকা মাকঁড় ঘোড়াঘুড়ি করছে এসময় শ্রমিকরা ওই ভাবেই বেকারী খাদ্য তৈরি করছে।
এছাড়া কারখানাটির মালিক মেয়াদোত্তীর্ণ ময়দা সুজি কেমিক্যাল দিয়ে খাদ্য তৈরি করছিলো।
র্যাব ৪ এর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আনিসুর রহমান বলেন,অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে কেউ খাবার তৈরি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।
ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে এসময় র্যাব ৪ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার উনুমং সহ আরো অনেকে।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই ঢাকা থেকেঃ-ঢাকার ধামরাইয়ে যাত্রীবাহী বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী সজীব রিশাদ (২০) ও রাশেদুল ইসলাম (২০) নামে দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের শ্রীরামপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন ধামরাইয়ের উত্তর হাতকোড়া এলাকার সাগর আলীর ছেলে সজিব (২১) অপরজন আলতাব হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম (২০)। তারা দুজনই একই এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
সজীব মানিকগঞ্জের দেবেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের স্নাতকে অধ্যয়নরত ছিল। রাশেদ মানিকগঞ্জের খান বাহাদুর কলেজের একই শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ জানায়, সকাল ১০টার দিকে পাটুরিয়াগামী সাকুরা পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব ১১-৩৩২০) যাত্রীবাহী বাস অপরদিক থেকে আসা ঢাকাগামী মোটরসাইকেলটিকে (খুলনা মেট্রো-ল ১১-২৮২৬) চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়।
এবিষয়ে গোলড়া হাইওয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ঘাতক বাস আটক করা হয়েছে। তবে বাসের চালক পালিয়ে গেছে। এবিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।