33 C
Dhaka, BD
শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২৬

“নাটোরের লালপুরে ৩৭০ পিচ ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক”

মোঃ নাহিদুল ইসলাম (নাহিদ) নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ রাজশাহী র‍্যাব-৫ সিপিসি-২ (নাটোর) লালপুর থেকে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।

শনিবার ১৮ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই গ্রামের ইয়াকুব খামারুর ছেলে আকাশ হোসেন বাদশা (৩১) নামে এক মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করা হয়।

রাজশাহী র‍্যাব-৫ এর সহকারী পরিচালক বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, কোম্পানী কমান্ডার এএসপি রাজিবুল আহসান এর নেতৃত্বে সিপিসি-২, নাটোর র‍্যাব ক্যাম্পের একটি অপারেশনা দল নাটোর লালপুরের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আকাশ হোসেন বাদশা নামে এক মাদক ব্যাবসায়ীকে হাতেনাতে আটক করেছে।

সেসময় ১টি মোবাইল ফোন, ২টি সিম কার্ড, ১টি মেমোরী কার্ড জব্দ করা হয়। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ৩৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রেখেছিল বলে স্বীকার করে ওই মাদক ব্যবসায়ী আকাশ হোসেন বাদশা।

মাদক সংরক্ষণ ও বহন করায় বাদশার বিরুদ্ধে লালপুর থানায় মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

লালপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ইউপি সদস্যের

মোঃ নাহিদুল ইসলাম নাহিদ নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ লালপুর উপজেলার ২নং ইশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যকে গত ৩ বছর ধরে সম্মানি ভাতা ও ৩ মাস ধরে সরকারি ভাতা দেননি ইউপি চেয়ারম্যান।

এর প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করেছেন ভুক্তভূগী ওই ইউপি সদস্য। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,লালপুর উপজেলার ২নং ইশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য মজনুর মণ্ডলকে ইউনিযন পরিষদের সব উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখেছেন ইউনিযন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জয়।

তাছাড়া বিগত ৩ বছরে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রাপ্য সম্মানি ও গত ৩ মাসের সরকারি ভাতাও দেয়া হয়নি। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জয় বলেন এসব অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন।

লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মুল বানীন দ্যুতি অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সুন্দরগঞ্জে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতিকে দলীয় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি ঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি,স্বেচ্ছাচারিতা, দলীয় শৃংখলা বিরোধী কাজের অভিযোগে বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি শমেস উদ্দিন বাবুকে অব্যাহতি প্রদান করেছেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে সুন্দরগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ’র অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বামডাঙ্গা ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারন সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম জাবেদ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন শমেস উদ্দিন বাবু একজন ক্ষমতা লিপ্সু ব্যক্তি। দলের ভিতরে অনুপ্রবেশকারীর নামান্তর। ধূর্ত চরিত্রের এই ব্যক্তি সভাপতি পদে আসিন হয়েই নানান অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন। একের পর এক তাঁর দুর্নীতির মাত্রা বাড়তে থাকে। এছাড়া তিনি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে পদ-পদবী ব্যবহার করে অনৈতিক সুবিধা আদায় করে স্থানীয় রাজনীতিতে দলকে করেছেন প্রশ্নবিদ্ধ ও গণবিচ্ছন্ন। তিনি গড়ে তোলেন একটি অসাধু নিকৃষ্ট চক্র। যাদের কাজ মানুষকে বেকায়দায় ফেলে আর্থিক সুবিধা বাগিয়ে নেয়া।

বিশেষ করে সমাজের হত-দরিদ্র শ্রেণির লোকদের নিকট থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়া তাঁর নিত্য নৈমিত্তিক কাজ। তাকে তাগাদা দিয়ে এসব কাজ থেকে ফেরানো যায়নি। সংবাদ সম্মেলনে জাবেদ আরো বলেন, এমতাবস্থায় গত ১৪ জুলাই/২০২০ বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে সিনিয়র সহ-সভাপতির নির্দেশক্রমে ইউনিয়ন আ.লীগ কার্যালয়ে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জরুরী সভা আহ্বান করা হয়। সভায় ৬০ জন সদস্যর মধ্যে পাঁচজন সদস্য মৃত্যবরণ করায় বাকি ৫৫ জন সদস্যের মধ্যে ৪৪ জনের উপস্থিতিতে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক সভাপতি শমেস উদ্দিন বাবুকে ইউনিয়ন আ.লীগের যাবতীয় কর্মকা- থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। এছাড়া সাংগঠনিক বিধান অনুযায়ী জোষ্ঠ সহসভাপতি আব্দুল খালেক গাফলাদারকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল খালেক গাফলাদার, সহসভাপতি মমতাজ উদ্দিন, সহসভাপতি পরেশ চন্দ্র মন্ডল, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ফজলুল হক মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ আউয়াল কবির, প্রচার সম্পাদক শাহ আলম ভুইয়াঁ, ৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুল করিম ইজারাদার, ৮ নং ওয়ার্ড সাধারন সম্পাদক বিরেন্দ্র নাথ গঙ্গা প্রমূখ।

সুন্দরগঞ্জে ভাতা প্রাপ্তদের মাঝে বই বিতরণ

এনামুল হক ,সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ১৯-২০ অর্থ বছরের বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতাপ্রাপ্ত ২৮৫ জনের মাঝে বই বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে উপজেলার বেলকা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ভাতাপ্রাপ্তদের মাঝে বই বিতরণ করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম সরকার লেবু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার গৌতম কুমার বিশ্বাস, ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহীম খলিলুল্যাহ, ইউপি সদস্য রিয়াজুল হক, জবেদ আলী, আবুল কালাম, রিয়াজুল হক ভুট্টু, লাবলু প্রামাণিক, সানোয়ার হোসেন বাবু, ফারুক মিয়া, নূর মোহাম্মদ মিন্টু, সাহিদা বেগম, ইউপি সচিব আলতাফ হোসেন প্রমূখ।

সাভারের এভার লাস্টিং হিউমান রাইটস এর সেচ্ছাসেবকদের উদ্যেগে মাক্স বিতরন (ভিডিও)

বিপ্লব,সাভার ঃ সাভারে মাক্স বিতরন ও ডেঙ্গু সচেতনতামুলক আলোচনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকালে সাভারের কমলাপুর বাজারে এভার লাস্টিং হিউমান রাইটস এর সেচ্ছাসেবকদের উদ্যেগে মাক্স বিতরন ও ডেঙ্গু সচেতনতামুলক আলোচনাসভার আয়োজন করেন । এ সময় সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সের সিভিল সার্জন ডাঃ সায়েমুল হুদা উপস্তিত হয়ে এ মাক্স বিতরন করেন। পরে তিনি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এবং ডেঙ্গু সচেতনতায় স্বাস্থ্য বিষয়ক নানাবিধ পরামর্শ সহ বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন

এসময় এভার লাস্টিং হিউমান রাইটস এর চেয়ারম্যান মোঃ রবিউল আলম, মহাসচিব মোঃ খলিলুর রহমান, মোঃ তৌহিদুল ইসলাম সহ অনেকে উপস্তিত ছিলেন।

পুলিশ পরিচয়ে প্রতারক গ্রেফতার ।

মোঃ নাহিদুল ইসলাম (নাহিদ) নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ রাজশাহী থেকে একদল পর্যটক অদ্য ১৭-০৭-২০২০ খ্রি. পাটুল যাওয়ার পথে নাটোর থানাধীন দিঘাপতিয়া গনভবণের সামনে পৌঁছিলে মোঃ শাহিন আলম (৩৫), পিতা-মৃত সমসের আলী @ গোলাম হোসেন, সাং-উলিপুর আমহাটি, থানা ও জেলা-নাটোরসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন প্রতারক নিজেদেরকে পর্যটকদের কাছে পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাদের ব্যাগে ইয়াবা ট্যাবলেট দেওয়ার চেষ্টা করলে শাহিনকে ধৃত করা হয়।

এ সংক্রান্তে নাটোর থানার মামলা নং-৫৯, তারিখ-১৭-০৭-২০২০ খ্রি., ধারা-৩৪১/১৭০/৩২৩ পেনাল কোড রুজু করা হয়েছে।

মামলা রুজুর পর নাটোর থানা পুলিশ, ডিএসবি এবং ডিবি কর্তৃক এ ঘটনার সাথে জড়িত প্রতারক ১। মোঃ শাহাদৎ হোসেন (৩০) এবং ২। মোঃ রুবেল পাটোয়ারী (৩২) দ্বয়কে গ্রেফতার করেন। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

লালপুরে গৃহবধূকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।

মোঃ নাহিদুল ইসলাম (নাহিদ) নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ নাটোরের লালপুর উপজেলার মোহরকয়া গ্রামের ইংরেজের পুত্র জাব্বারে স্ত্রী স্মৃতি’ কে মারপিট করে হত্যা শেষে পুকুরে ফেলে দিয়েছে এই মর্মে স্ত্রীর স্বজনরা ও স্থানীয়রা জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ শুক্রবার ( ১৭ জুলাই) দুপুরে লালপুরের মোহরকয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামে মৃত এলাহী বক্সের পুকুরে একটি লাশ ভেসে উঠে। এ সময় স্থানীয় লোকজন লাশটি জাব্বারের স্ত্রী স্মৃতি’র (২০) বলে নিশ্চিত করে।
স্থানীয়রা আরো জানায়, মোহরকয়া পিয়াদাপাড়া গ্রামের তসলু আলীর মেয়ে স্মৃতির সাথে ইংরেজের পুত্র জাব্বারের (৩০) বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ১ কন্যা সন্তান রয়েছে বলেও জানান।

জাব্বার পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়লে মাঝে মধ্যে তাদের দ্বন্দ্ব হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে কলহের জেরে স্মৃতিকে মারপিট করে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেয় স্বামী জব্বার। শুক্রবার দুপুরে লাশটি ভেসে উঠলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। নিহতের দেহে মারধরের চিহ্নের পাশাপাশি তার সামনের দাত ভাঙ্গা রয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিম রেজা জানান, লাশের শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে, তদন্তের জন্য উদ্ধার শেষে মর্গে পাঠানো হচ্ছে। স্বামী পলাতক রয়েছে, তাকে আটকের জন্য জোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে পুলিশ ।

সাভারের হেমায়েতপুরে জিসান নামের (১৮) এক রং মিস্ত্রির লাশ উদ্ধার ।

জাহিদুল ইসলাম অনিক, নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ সাভারে জিসান নামের (১৮) এক রং মিস্ত্রির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে সাভারের হেমায়েতপুরের হিলিং এইড হাসপাতাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে হেমায়েতপুরের বাগবাড়ি এলাকায় একটি ওয়াকসপে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় জিসান নামের ওই রং মিস্ত্রিকে উদ্ধার চিকিৎসার জন্য হেমায়েতপুরের হিলিং এইড হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

পরে খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এবিষয়ে সাভার মডেল থানার এস আই (উপ-পরিদর্শক) সুজন শিকদার বলেন, ময়না তদন্তের পর জানাযাবে এটা হত্যা না অন্য কিছু আমরা বিষয়টি গভির ভাবে তদন্ত করে দেখছি।

প্রশাসনিক কর্তাদের চোখে ইবি উপাচার্য ড. রাশীদ আসকারী।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ১২তম উপাচার্য হিসেবে আগামী ২০ আগস্ট মেয়াদপূর্ণ করতে যাচ্ছেন অধ্যাপক ড. মোঃ হারুন উর রশিদ আসকারী। এর আগে কেউ মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেন নাই।

এই দীর্ঘ চার বছরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক, অবকাঠামোগত, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় কেমন অবদান রেখেছেন, কেমন নৈপুণ্য দেখিয়েছেন। উপাচার্য হিসেবে কেমন পারদর্শী ছিলেন এসব বিষয়ে প্রশাসনিক কর্তাদের মতামত তুলে ধরেছেন মাহমুদুল হাসান কবীর।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, খুবই চমৎকারভাবে উপাচার্য ড. মোঃ হারুন উর রশিদ আসকারী, কোষাধ্যক্ষ ড. সেলিম তোহা এবং সেই টিমে আমি খুবই সুন্দরভাবে, সুস্থভাবে কাজ করতে পেরেছি। বর্তমান প্রশাসন যা প্রত্যাশা ছিল তার থেকে বেশি উপহার দিয়েছে। উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ এর কাজের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা এতই ভালো ছিল যার তুলনা হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে উন্নতি হয়েছে এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি মনে করি এত স্বচ্ছ, সুন্দরভাবে কাজের পরিবেশ খুবই কম হয়েছে। এই প্রশাসন নতুন করে আসলে আরো ভালো হবে।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা বলেন, উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য সব সময় আমাকে সহযোগিতা করে আসছেন। ওনারা নির্ভীকভাবে, নিবেদিতভাবে স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য স্বপ্ন দেখেছেন, পরিপূর্ণ সময় দিয়েছেন। আমাদের তিনজনের সমন্বয় হয়েছে বিধায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমূল পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ বলেন, আমার দৃষ্টিতে আসকারী স্যার অত্যন্ত সৎ মানুষ। তিনি শুধুমাত্র আইসিটি সেলে ৩জন অফিসার নিয়োগ দিয়েছেন এছাড়া একজনও কর্মকর্তা নিয়োগ দেন নাই। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে তার আমলেই ক্রাইটেরিয়ার মান বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে শুধু ভাইভার মাধ্যমে হতো এখন লিখিত পরীক্ষা হয়। বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি করেছেন এবং ৩৭ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শাস্তি দিয়েছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি জিরো টলারেন্স নীতিতে ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক বিষয়ে যেমন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা সকল বিষয়ে তিনি হস্তক্ষেপ করেছেন। সার্বিক বিষয়ে গত প্রশাসন ও তার আগের প্রশাসন থেকে বর্তমান প্রশাসনের অগ্রগতি ভালো হয়েছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকা উচিত বলে আমি মনে করি।

প্রক্টর অধ্যাপক ড.পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার দেখা একজন ইতিবাচক মানুষ ড. রাশিদ আসকারী। তিনি সহজে বিচলিত হন না। জটিল কোন কাজ বাস্তবায়নে যখন আমরা দ্বিধাগ্রস্ত থাকি সেক্ষেত্রে তিনি প্রথমে নিজে করে অন্যদের উৎসাহিত করেন। যেমন তিনি ভিসি হওয়ার পর যখন অফিস সময় বৃদ্ধি করলেন, অনেকের বিকালে ক্লাস নিতে দ্বিধা বা জড়তা ছিল। তিনি তার সমস্ত ক্লাসগুলো বিকালে নিতেন। আমার দেখা মতে তিনি কঠোর প্ররিশ্রমী একজন দর্শক, শ্রোতা, পাঠক, গবেষক, বিশ্লেষক, মননশীল রূপকারী এবং বক্তা। অর্থাৎ উন্নত নেতৃত্ব প্রদানের যোগ্যতাসমূহ তার মধ্যে বিদ্যমান।

ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.সাইদুর রহমান বলেন, এ যাবতকালে নিকট অতীতে আমরা যে প্রশাসন দেখেছি বর্তমান ভিসির মেয়াদকালে প্রকৃত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। সে উন্নয়ন শুধু ভৌত অবকাঠামোগত নয় এ উন্নয়ন একাডেমিক, প্রশাসনিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিগত। বর্তমান উপাচার্য আসার পর আঞ্চলিকতার যে তকমা ছিল তা খসিয়ে ফেলে জাতীয় লেভেল ছাড়িয়েও আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে, ভাবমূর্তি অনেক উজ্জ্বল করেছে। একাডেমিক ক্ষেত্রে সেশন জ্যাম দূরীকরণ, সেমিস্টার পদ্ধতি প্রণয়ন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় না দেওয়া। সার্বিকভাবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভুত উন্নতি সাধন করেছেন। মোদ্দা কথা ইতিবাচক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন এটিই ওনার বড় অবদান।

পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক উনি উপাচার্য সুতরাং ওনার অনেক কিছুই আমার না জানা থাকবে৷ আমি পরিবহন প্রশাসক হিসেবে ওনার সাথে কাজ করতে হচ্ছে সে হিসেবে গত চার বছর ভালোই চলছে, পড়াশোনার পরিবেশ ভালো ছিলো। বিশ্ববিদ্যালয় কখনও অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে বন্ধ হয়নি। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ বছরের অভিজ্ঞতায় বিগত চার বছরে বিশ্ববিদ্যালয় বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যও অনেক বর্ধণ করেছেন। আমি গত ২০১০ সালেও একবার পরিবহন প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলাম কিন্তু তখন ছাত্রছাত্রীদের যেমন পরিবহনে ভোগান্তি ছিলো আমি ২০১৮ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর ছাত্র ছাত্রীদের এতো সমস্যা আমি দেখিনি। গত চার বছরে পরিবহন পুলে ১৫ টি বাস সংযুক্ত হওয়ায় পরিবহন ভোগান্তি অনেকাংশে কমেছে। গত চার বছরে একজন শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্য হিসেবে আমরা খুব যে খারাপ ছিলাম সেটা আমার মনে হয়না আমরা ভালোই ছিলাম।

ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এফেয়ার সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন আজাদ বলেন, আন্তর্জাতিকীকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা কিভাবে আসবে ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কিভাবে বিদেশ যাবে, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ইবি কিভাবে জোরালোভাবে সম্পৃক্ত হতে পারে এক্ষেত্রে উপাচার্য ড. রাশিদ আসকারী কাজ করেছেন যা ইতিপূর্বে কেউ করেন নাই। এক্ষেত্রে তিনি টপ প্রায়োরিটি দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রায়োরিটি দিয়েছেন যার কারনে অল্প দিনে আমরা সফলতা পেয়েছি। আমার দৃষ্টিতে প্রশাসক হিসেবে তিনি খুবই তড়িৎকর্মা ও ডায়নামিক।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান খান টুটুল বলেন, নিঃসন্দেহে উপাচার্য ড. রাশিদ আসকারী একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, সৎ, সৃষ্টিশীল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো নিয়ে চিন্তা করার জন্য অদ্বিতীয় মানুষ। তিনি দায়িত্বে আসার পর আইএমিডির রিপোর্ট অনুযায়ী শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করছে। ই টেন্ডার বাস্তবায়ন শুরু করেছি সাড়ে তিন বছর আগে থেকেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে গুণগত মান নিশ্চিত ও সততার উপর অবিচল ছিলেন। টেন্ডার সংক্রান্ত বিষয়ে আমার উপর চাপ আসলে তিনি শক্ত হাতে দমন করার পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি উন্নয়ন কাজে কখনো অন্যায় প্রশ্রয় দেন নাই। ওনার সবসময় নির্দেশনা ছিল ক্যাম্পাসের অবকাঠামো উন্নয়ন করার পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধন করা।

ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক আতাউর রহমান বলেন, উপাচার্য রাশিদ আসকারীর সাথে আমার কাজের খুব একটা সংশ্লিষ্টতা ছিলো না। ওনার সময়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিত মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, বঙ্গবন্ধু কর্নার হয়েছে, অটোমেশন হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো চেয়েছেন, ভালে কাজের জন্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছেন। লাইব্রেরির উন্নয়নের জন্য যখন যেটা চেয়েছি উনি করার চেষ্টা করেছেন। এছাড়া ব্যাক্তিগত ভাবে উনি খুব ভালো মানুষ।

ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এ কে আজাদ লাভলু বলেন, উপাচার্য স্যারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পনেরো বছর পর সমাবর্তন হয়েছে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল একটা অর্জন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইলফলক। তিনি দায়িত্বে আসার পর সেশন জট, অফিস টাইম পরিবর্তন এছাড়া পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসেও অনেক প্রযুক্তি সংযুক্ত করেছেন। মূল সার্টিফিকেট কম্পিউটারাইজড করেছেন। এছাড়া আগে ২৫ টি বিভাগ ছিলো তিনি আরও ৯ টি বিভাগ সংযুক্ত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন অনলাইনে রেজাল্ট সহ অটোমেশনের কাজ চলছে। আমার মনে হয় স্যার বিগত চার বছর তার দায়িত্ব ভালোই পালন করেছেন।

চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, উপাচার্য ড. রাশিদ আসকারীর মেয়াদে চিকিৎসা কেন্দ্রের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এই চার বছর তিনি সার্বিক দিক দিয়ে দক্ষতার সাথে পরিচালনা করেছেন। একজন প্রশাসক হিসেবে সব বিষয়ে তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আমি ওনার সাথে কাজ করে আর্থিক, মৌখিক সহযোগিতা পেয়েছি। মেডিকেল ৩য় তলায় বর্ধিত হচ্ছে। গুড, বেটার, বেস্ট, এর মধ্যে ওনাকে আমার বেস্ট মনে হয়েছে।
শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক মোঃ সোহেল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে উপাচার্যের অবদান অনেক যা আগের কোনো উপাচার্য থেকে পাইনি। আমি যতগুলো উপাচার্য দেখেছি তারমধ্য তিনি সুন্দর, সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি একজন সৎ মানুষ।

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ডাকাত দলের পস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ জন গেপ্তার

এ আর আহমেদ হোসাইন,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি : কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ডাকাত দলের পস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ জনকে গেপ্তার করেন বুড়িচং থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে বুধবার গভীর রাতে। ১৬ – ০৭ – ২০২০ ইং তারিখ বৃহস্পতিবারে পৃথক দুটি মামলা রুজু করিয়া গেপ্তারকৃতদের কুমিল্লা জেলা হাজতে প্রেরন করা হয়।

পুলিশি সৃত্রে জানা যায়, অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোজাম্মেল হক’র নেতৃত্বে এস আই নন্দন চন্দ্র সরকার, এসআই মোঃ মিন্নত আলী, এএসআই মোঃ মহসীন আলম, এএসআই মোঃ মেসবাহ আলম, এএসআই মোঃ ওয়াহিদ উল্লাহসহ তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বুড়িচং থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক উদ্ধার, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও রাত্রিকালীন টহল অভিযানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ০৪নং ষোলনল ইউনিয়নের মহিষমারা সাকিনস্থ ফাইভ স্টার ফিস ফিট ফ্যাক্টরী হইতে পঞ্চাশ(৫০) গজ দক্ষিনে কুমিল্লা টু বিপাড়া পাকা রাস্তার পার্শ্ব হইতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃ জেলা ডাকাতদলের সদস্যদের কে গেপ্তার করা হয়।

গেপ্তারকৃত ডাকাত দলের সদস্য হলেন-(১) মোঃ বাবুল হোসেন(৪৪), পিতা-মৃত আরব আলী, মাতা-অফুলা খাতুন, গ্রামঃ এতাবারপুর(ওয়ারিশ বাড়ি),থানা- চান্দিনা, কুমিল্লা,
(২) মোঃ বিল্লাল হোসেন (৩০), পিতা- জয়নাল আবেদীন প্রধানীয়া, মাতা-রেহেনা আক্তার, গ্রামঃ ডুব্বী (প্রধানীয় মসজিদ বাড়ী),
থানা- মতলব উত্তর, চাঁদপুর,
(৩) মোঃ রবিউল আউয়াল জিসান (২৫), পিতা- জয়নাল আবেদীন, মাতা- ছালেহা বেগম, গ্রাম- মহিদপুর (মোল্লা বাড়ী), থানা- বরুড়া, কুমিল্লা, (৪)মোঃ নুরু মিয়া (৬০), পিতাঃ মৃত- রেজু মিয়া, মাতা- সুফিয়া বেগম, গ্রাম- শিকারপুর(ষোলনল ইউপি), থানা- বুড়িচং, জেলা- কুমিল্লা।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ০১ টি দেশীয় লোহার পাইপগান, ০৪ রাউন্ড কার্তুজ, ০১ টি লম্বা কিরিছ, ০১টি লোহার তৈরি দা, ০১টি লোহার দা, ০১টি স্টীলের চাপাতি, ০১টি এসএস স্টীলের পাইপ, ০১ টি লোহার পাইপ, ০১টি লোহার রড সহ গ্রেফতার করেন।
থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোজাম্মেল হক(পিপিএম)বলেন- গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুইটি মামলা রুজু করিয়া জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেট...