28 C
Dhaka, BD
শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২৬

রাণীশংকৈলে করোনায় আরো শনাক্ত ১ মোট আক্রান্ত ২৫

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল,(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১৯ জুন শুক্রবার নতুন করে একজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় মোট করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাড়ালো ২৫ জনে। তিনি পৌরশহরের দঃ সন্ধ্যারই এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বয়স ৪৩ বছর। তিনি ঢাকা ফেরত এবং একজন সরকারি চাকুরীজীবী। গত ৮ জুন ১৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং ১৯ জুন প্রাপ্ত রিপোর্টে তার ফলাফল পজিটিভ আসে। এদিন রাত ১০টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

তাকে যথারীতি এদিনেই রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃপক্ষের তত্বাবধানে তাঁর নিজ বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসার সেবা দিচ্ছেন বলে জানান, উপঃ স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুর সামাদ চৌধুরী

প্রসঙ্গত বর্তমানে এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে এ নিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৫ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ জন এবং মৃত্যুর পর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে ১ জনের। বাকী ১৬ জনের মধ্যে ৪ জন স্বাস্থ কমপ্লক্সেের আইসোলেসন ওয়ার্ড এবং ১২ জন রোগীকে তাদের নিজ বাড়িতে হোম আইসোলেসনে হাসপাতালের তত্বাবধানে চিকিৎসা দিচ্ছেন বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

(ঠাকুরগাঁও) জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁয়ে ১৯ জুন শুক্রবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এক বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রত্যেক নেতা কর্মীকে অন্তত ৩টি করে গাছ লাগানোর নির্দেশনা প্রদান করেন। এ নির্দশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ এবং সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবুর আহবানে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

এ সময় তারা জেলা জজ কোর্ট চত্বর ও শহরের চারলেন বিশিষ্ট সড়কের ডিভাইডারে ২০০ ফলদ, বনজ, ঔষধীসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন।

এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো। আগামী তিন মাসের মধ্যে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা, সদর উপজেলারসহ সমগ্র জেলায় ৭ হাজার ফলদ, বনজ, ঔষধীসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে বলে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জানান। তিনি আরো বলেন,এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সমগ্র জেলায় বাস্তবায়ন হলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা সহ জেলার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অনেক ভূমিকা রাখবে।

এছাড়াও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সুনাম,সহ-দফতর সম্পাদক মোহাঃ সাবা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক স্বপন কুমার ঘোষসহ, জেলা ও সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নের্তৃবৃন্দ প্রমুখ।

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ “ মাস্ক নেই, সেবা নাই ”, “ মাস্ক নেই, বিক্রি নাই ” ।

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : “ মাস্ক নেই,সেবা নাই , মাস্ক নেই, বিক্রি নাই ” এ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনসচেতনতামূলক এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহন করেছেন ।

এ উদ্যোগকে বাস্তবায়ন করতে তিনি উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান, সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইউপি চেয়ারম্যান, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত মাইকে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণের কাজ শুরু করেছেন। শুক্রবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর তাঁর অফিস কক্ষে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবকদের হাতে “ মাস্ক নেই,সেবা নাই , মাস্ক নেই, বিক্রি নাই ” শ্লোগান সম্বলিত লিফলেটগুলি তুলে দেন।

লিফলেট বিতরণ শেষে মুষলধারে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে নিয়ে উপজেলা সদরের কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন এবং ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক বক্তব্য ও লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাজির হোসেন কানন ও শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন পল্টু ।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই । কিছু কিছু মানুষের মাস্ক ব্যবহারে যথেষ্ট অনীহা রয়েছে। যেকারনে মাস্ক ব্যবহার,সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও নিয়মিত বিশ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধোয়াকে সামাজিক আন্দোলনে পরিনত করতে হবে । আর এজন্যই মানুষকে মাস্ক ব্যবহারে আরো সচেতন করতে উপজেলা প্রশাসন “ মাস্ক নেই,সেবা নাই , মাস্ক নেই, বিক্রি নাই ” কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ।

এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মাস্ক ব্যবহার না করলে তাকে কোন সেবাও দেওয়া যাবেনা আবার তার কাছে কোন পণ্য সামগ্রী বিক্রি করা যাবে না । তাই জনগণকে সচেতন করতে “ মাস্ক নেই,সেবা নাই , মাস্ক নেই, বিক্রি নাই ” লিফলেটটি প্রতিটি সরকারি দপ্তর,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,যানবাহনসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে টাঙিয়ে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে । তবে কেউ এ বিষয়টির ব্যত্যয় ঘটালে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।

যশোরের বেনাপোলে মালবাহী ট্রেনের সাথে পণ্য বোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ বেনাপোল রেল স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া মালবাহি ট্রেন এর ধাক্কায় একটি ট্রাক খাদে পড়েছে। বেনাপোল পৌরসভার দিঘিরপাড়-ছোট আঁচড়া বাইপাস সড়কে রেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় একটি লোহার কুচি বোঝাই ট্রাককে ধাক্কা দিলে ট্রাকটি দুমড়ে মুচড়ে খাদে পড়ে যায়। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটে নাই।

শুক্রবার ১৯শে জুন ভোররাতে ভারত থেকে আমদানিকৃত পন্য পেয়াজ বোঝাই মালবাহি ট্রেনটি বেনাপোল থেকে যশোর নওয়াপাড়ার উদ্দেশ্য ছেড়ে যায়। মাত্র ১ কিলোমিটার রেলপথ পাড়ি দিয়ে বেনাপোলের দিঘিরপাড় নামক স্থানে বাইপাস সড়ক পার হওয়ার সময় সিলেট-ট-০০১১৮১ নং লোহার কুচি বোঝাই ট্রাকটিকে ট্রেনটি ধাক্কা দিলে ট্রাকটি রাস্তার খাদে দুমড়ে মুচড়ে পড়ে যায়। তবে ট্রাকের চালক ও হেলপার এর কোন ক্ষয় ক্ষতি হয়নি।

বেনাপোল রেল ষ্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান বলেন, বাইপাস সড়কে এর রেল পারাপারের ওই জায়টি স্থানীয় প্রকৌশলীদের জায়গা হওয়ায় সেখানে রেল কর্তৃপক্ষের কোন গেট ম্যান নেই। যার ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনা কবলিত স্থান রেল কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করেছেন। রেল চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে তিনি জানান।

সাভারে মন্ত্রী এনামকে অশ্লীল গালিগালাজের অডিও ফাঁস!

বিপ্লব ,সাভার ঃ সাভারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ সরকার বিরোধী বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করা রাজু আহমেদ নামে কথিত এক যুবলীগ নেতার অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। এঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, অভিযুক্ত আশুলিয়ার বাসিন্দা রাজু আহমেদ নিজেকে যুবলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে থাকেন। এছাড়া রাজু গ্রæপ নামে তিনি একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বলেও চাওড় রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ড থেকে জানা যায়, রাজু আহমেদ নামে নিজেকে যুবলীগ নেতা পরিচয়দানকারী ওই ব্যক্তি স্বপ্রণোদিত হয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমানকে নানা বিষয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। কখনও ব্যক্তিগত আবার কখনও রাজনৈতিক বিষয়ে নিয়ে সরকার বিরোধী বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করছেন তিনি।

অডিও রেকর্ডটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘আজিজ (বর্তমান সেনাপ্রধান) সাহেব আমার দাদা শ^শুড়ের ক্লোজ বন্ধু, ক্লাসমেট, দোস্তর দোস্ত, বন্ধুর বন্ধু। সেনাপ্রধান, প্রাইম মিনিষ্টার, রাষ্ট্রপতির সাথে আমাদের সম্পর্ক আছে। আমাদের সম্পর্ক নাই, বাংলাদেশে এমন কেউ নাই।’
আশুলিয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর হামলার বিষয়ে এই প্রতারক বলেন, ‘মন্ত্রী এনাম সাহেবরে আমি লিখছি- ভাই আপনিতো বললেন এটা খুব খারাপ কাজ হইছে, বেআইনি কাজ হইছে। আপনাদের তাদের নিয়ে টান দেন কেন? উনি টান দেয়, সাহাবুদ্দিন (আশুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান) ধরে রাখে। এই বাইনচোদ এনাম! এই কথাটা একটু বলতে চাইছিলাম- আমি রাজু, আমার কিন্তু এমপি, চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ার দরকার নাই। আমি রাজু, আশুলিয়ার একটাই। আর কোন রাজু তৈরি হয় নাই, অনেক আগে থেকেই। আমাকে সাভার-আশুলিয়ার মানুষ আমাকে চেনে। যত সিআইডি, রিকশাওয়ালা, মুচি সবাই চেনে।’
‘এনামের নির্বাচন-টির্বাচন করে দিলাম। আমার এলাকায় ভোটমোট পাইলাম। সিলমিল সহ মাইরা দিলাম সত্য কথা। আশুলিয়া কেন্দ্র আমি দেখছি। এই খানকির পোলায় ৪-৫ মাস আগে আমার ছোট ভাইয়ের বিয়া গেছে, দু:খের কথা ভাই। আমি এনামের বাসায় গিয়া বইসা রইছি দাওয়াত দেওয়ার জন্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আমি, উ..(এনাম) একসাথে বসছি। কামাল (বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ভাই কিন্তু আমার আত্মীয়। কামাল ভাই, আমার দাদার বন্ধুর ছেলে। যাই হোক ভাই দ্যাহেন- উ..(এনাম) করল কি গাড়ীর সামনে বইসা, আমাগো কি প্যারাডো গাড়ি নাই মাদারচোদ। প্যারাডো গাড়িতে আমরা চলি না? গাড়ির মধ্যে বইসা আমারে এনাম কয়- আপনি কে? আমি বললাম যে রাজু ভাই। আমার বাসা আশুলিয়া।’

এছাড়া এই রাজুর বিরুদ্ধে আশুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বাড়িতে বাড়িতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয় সে গত কয়েক মাস আগে ফেসবুকে একটি স্টাটাস দেন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ব্যর্থ সরকার এই সরকারের পদত্যাগ করা উচিত। এছাড়া পরিবেশ দূষণের অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর সাভার ও আশুলিয়ায় অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করে দিলে তিনি আমিনবাজার এলাকায় সরকারের বিরুদ্ধে একটি মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করে বর্তমান সরকারের পদত্যাগ দাবি করেন। এখন কথা হচ্ছে সে কিভাবে যুবলীগ করলো। এই রাজু গুপ্তচর বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

এবিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও দুযোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমান বলেন কথিত এই রাজুর বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ও তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
এবিষয়ে সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব বলেন এই অবৈধ গ্যাস সংযোগকারীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে সাভার উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসোসিয়শনের সভাপতি পারভেজ দেওয়ান ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফখরুল আলম সমর বলেন কথিত এই যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে সাভার উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা মামলা দায়ের করবে।

এই রাজুর বাড়ি আশুলিয়ার চাঁনগাও এলাকায় সে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে নিজ এলাকায় একটি অট্টলিকা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। সেখানে তিনি নানা অপকর্ম করে থাকেন।

এদিকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীকে গালি দেওয়ার ভিডিওটি ভাইরাস হলে সমাহের সর্বস্তরেরর মানুষ কথিত এই যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
এঘটনায় নিজের অপকর্ম আড়াল করতে গতকাল নিজ এলাকায় ভুইফোড় কিছু লোকদেরকে নিয়ে এক লোক দেখানো সংবাদ সম্মেলন করে নিজের অপকর্ম ঢাকার চেষ্টা করেন ও বলেন তার কথা বিকৃত একটি মহল ফেসবুকে অডিও রেকড বের করেছেন।

অবিলম্বে এলাকাবাসী এই ভয়ঙ্কর কথিত যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে স্থানীয় পুলিশ ও র‌্যাব বলছেন ভয়ঙ্কর এই কথিত যুবলীগ নেতা ও অবৈধ গ্যাস সংযোগকারী ও প্রতিমন্ত্রীকে গালি দেওয়ার কারণে তাকে আটকের প্রক্রিয়া চলছে।
এলাকাবাসী এই কথিত যুবলীগ নেতার সম্পাদের পাহাড়ের খোজে দুদককে অনুসন্ধানের আহবান জানিয়েছেন।

ঝালকাঠি মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীকে অসামাজিক কাজে বাধ্য করতে না পারায় নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে।

১৭/০৬/২০২০ইং বুধবার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

অভিযুক্ত সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম ওই নারী নেত্রীকে মারধর ও তাঁর বসতঘর ভাঙচুর করেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ ঘটনার বিচার চেয়ে থানায় গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও নূরে আলমের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে তাঁর পক্ষ নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ওই নারী নেত্রী।

লিখিত অভিযোগে ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বিউটি বেগম দাবি করেন, একই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম দীর্ঘ দিনধরে তাকে অসামাজিক কাজের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এমনকি তাকে স্থানীয় গরিব ও অসহায় নারীদের তাঁর কাছে নিয়ে আসার জন্য বলা হয়।
এতে রাজি না হওয়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয় নূরে আলমের সঙ্গে।

গত ১৯/০৬/২০২০ইং তারিখ বোম্বাই মরিচ মেশানো পানি তাঁর শরীরে ঢেলে দেয় নূরে আলম ও তার সহযোগিরা।

নারী নেত্রীকে মারধর ও তাঁর বসতঘরও ভাঙচুর করা হয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে পরিবারের লোকজন সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।

এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে চাইলে পুলিশ মামলা নেয়নি। সদর থানার এসআই অচিন্ত কুমার পাল ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে নূরে আলমের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ঘটনা ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নির্যাতিত ওই নারী।

বিষয়টি গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা মাছুম শেরওয়ানীর কাছেও অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার পায়নি। তিনি উল্টো নূরে আলমের পক্ষ নিয়ে ওই নারী নেত্রীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিউটি বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নুরুল ইসলাম খান ও সিদ্দিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগ নেতা নূরে আলম জানান, মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করে বিউটি বেগম তাঁর সম্মানহানি করছেন।

রাণীশংকৈলে সাপের কামড়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু

হুমায়ুন কবির রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১৭ জুন গভীর রাতে বোচোর ইউনিয়নে ৫ম শ্রেনির ছাত্রী ফরিদা পরভীনকে (১১) সাপের কামড়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

ফরিদা রাজোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনির ছাত্রী ও রাজোর মালধরিয়া পাড়ার আব্দুল করিমের মেয়ে।

স্থানীয় সুত্রমতে, গত বুধবার রাতে প্রতিদিনের মতো ফরিদা ও তার দাদী একটি শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়লে গভীর রাতে হঠাৎ নাতনী আফরিদার পায়ে কামড় দিলে সে চিৎকার দিয়ে উঠে। এতে পরিবারের লোকজন তার অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত ঐ রাতেই তার মাইক্রোবাস যোগে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর রাতে সে মারা যায়।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিতেন চন্দ্র রায় সাপের কামড়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ তালতলীতে ১৫ পরিবার পানিবন্দি

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে খাল বেনামে বন্দোবস্ত নিয়ে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করায় অতিবর্ষনের ফলে পানি বন্দি হয়ে পরেছে ১৫ পরিবার। পুকুর উঠান এমনকি রান্নাঘরে পানি ঢোকার কারনে গত ৩দিন ধরে ওই পরিবারগুলোর রান্নাবান্না বন্ধ রয়েছে। সন্তান সন্ততি নিয়ে অনাহারে অর্ধহারে দিন কাটছে তাদের। বৃহস্পতিবার উপজেলার দক্ষিন ঝাড়াখালী গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা গেছে।

ভূক্তভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর ঝাড়াখালী মৌজায় শাহজাহান মৃধা নামে আলীরবন্দর খালের খাস খতিয়ানের ১০৭০, ২৫০২ ও ৩১০৬ নং দাগের ১একর জমি ২০০৬ সালে বন্দোবস্ত দেখিয়ে দক্ষিন ঝাড়াখালী গ্রামের শাহজাহান খান ভোগদখল করে আসছে। চলতি বছরে ওই খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে। চলতি অমাবশ্যার জো’য়ের কারনে অতিবৃষ্টির পানি নামতে না পারায় দক্ষিন ঝাড়াখালী গ্রামের মন্নান খান, আইউব আলী মাস্টার ও তোতা মিয়াসহ ১৫ পরিবার পানি বন্দি হয়ে পরেছে। বৃষ্টির পানি নামতে না পারায় তলিয়ে রয়েছে তাদের পুকুর, উঠান এমনকি অনেকের রান্না ঘরও। চলাফেরায় কষ্টসহ সন্তান সন্ততি নিয়ে অনাহারে অর্ধহারে দিন কাটছে তাদের।

ওই ১৫ পরিবারের অভিযোগ, পানিতে রান্নাঘর তালিয়ে যাওয়ার কারনে ৩দিন ধরে রান্নাবান্না বন্ধ রয়েছে অনেকেরই। শাহজাহান মৃধা নামের ৯৭২নং ভূয়া বন্দোবস্ত কেসটি বাতিল করে শাহজাহান খানের ভোগদখলকৃত খালটি কেটে দিলে চিরদিনের জন্য পানি বন্দি থেকে মুক্তি পাবে ওই ১৫ পরিবার।

এ বিষয় শাহজাহান খানকে না পাওয়ায় তার পুত্র শাহিন খান জানান, পরিবারগুলো পানি বন্দি আমাদের মৎস্য ঘেরের কারনে নয়। এ ছাড়াই ওই পরিবারগুলো পানি বন্দি রয়েছে। আমাদের ঘের পর্যন্ত পানি আসলে বাঁধ কেটে পানি নামিয়ে দেব।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান জানান, সংবাদটি মোবাইল ফোনে জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শার্শার রামপুরে শশুরের বিরুদ্ধে পুত্রবধূর শ্লীলতাহানির অভিযোগ: থানায় মামলা

বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শার রামপুর গ্রামের নিজ শশুরের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে শার্শা থানায় একটি নারী নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন এক সন্তানের জননী ভুক্তভোগী পুত্রবধূ।এমন অভিযোগ দেওয়ায় পুত্র ও পুত্রবধূকে জোর পূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন পাষÐ শশুর রফিকুল ইসলাম বিশ্বাস ওরফে সুদখোর রফিকুল।সরেজমিন গিয়ে দেখা যাই অভিযুক্ত সুদখোর রফিকুল এর আগেও এমন অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে এলাকা বাসী এবং স্থানীয় চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে জানা যায়। এলাকাবাসী অভিযুক্ত বিত্তবান রফিকুলের ভয়ে মুখ খুলতে পারে না। সে রামপুর গ্রামের কদর উদ্দীন বিশ্বাসের পুত্র।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়,সুদখোর রফিকুল তার সুদের ব্যবসাতে অল্পদিনে কোটিপতি বনে গিয়েছে।অবৈধ ভাবে আয় করা কোটি টাকার বনিয়াদে সে যা ইচ্ছা তাই করে?তার নামে নারীঘটিত কেলেঙ্কারি শেষ নেই।এমনিতেই দুইটা বউ নিয়ে সংসার করে।এবার তার কু নজর পড়লো নিজের ছেলের বউয়ের দিকে!এলাকাবাসী এমন নিকৃষ্ট লজ্জাজনক কর্মকাÐ মেনে নিতে পারছে না।এলাকাজুড়ে ধিক্কার জানাচ্ছে আর তার উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।
শ্লীলতাহানি হওয়াতে লম্পট শশুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এক সন্তানের জননী বলেন,বিয়ের পর পরই লম্পট শশুর আমার দিকে তার কু নজর দিতে শুরু করে।এক পর্যায়ে আমার সাথে আপত্তিকর কথাবার্তা বলতে লাগে।আমি লজ্জায় কারোর সাথে কিছু বলতে পারি না।একদিন হঠাৎ করে আমার লম্পট শশুর আমার হাত টেনে ধরে আর কু-প্রস্তাব দেয়।তখন আমি সহ্য না করতে পেরে আমার স্বামীর সাথে সব ঘটনা খুলে বলি,কিন্তু অভিযোগ স্বামীর জন্মদাতা লম্পট বাবার বিরুদ্ধে ছিলো বলে সে আমার শাশুড়িদের সাথে বলতে বলে।তাদের সাথে বলার পর হিতের বিপরীত হয়।শাশুড়িরাই তখন আমার উপর নির্যাতন শুরু করে।

স¤প্রতি আমার লম্পট শশুর আমাকে আপত্তিকর কথা বলে।আর বিভিন্ন প্রলোভন দেখাতে থাকে।আমাকে কু-প্রস্তাব দেয়।আমি রাজি না হওয়ায়,লম্পটটা আমার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং জোর করে ধর্ষন করার চেষ্টা চালাই।আমি কোনোরকম প্রান নিয়ে পালিয়ে আসি। পরবর্তিতে আমি আর আমার স্বামী স্থানীয় ভাবে বিচার দিয়ে আসি।এতে ক্ষিপ্ত এক পয়ার্যে আমাদের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক বের করে দেয়।এখন আমি স্বামী সন্তান নিয়ে পথে পথে ঘুরছি।আমি তার উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাই।

এ বিষয়ের সুদখোর রফিকুলের ছেলে অভিযোগ করে বলেন,আমার বাবা চরিত্রগত সমস্যা আছে। আমার বাবা এর আগেও অনেক বার এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।আমার স্ত্রীর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য স্থানী ভাবে বিচার দিলে সেখানে সে হাজির না হয়ে তার পক্ষ থেকে তার ভাই সাবেক মেম্বার বাদশাকে তার তরফ থেকে পাঠায়। পরে স্থানীয় শালিসি বিচারের রায় প্রত্যাখ্যান করে।এবং আমাকে ত্যাজ্যপুত্র করার ও মৃত্যুর হুমকি প্রদান করে।

এবিষয়ে উলাশী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আয়নাল হক বলেন,ঘটনাটি পারিবারিক সমস্যা বলে সুষ্ঠ ভাবে সমাধান করে দেওয়ার জন্য উক্ত ওয়ার্ডের মেম্বার কবির হোসেন কে দায়িত্ব দিয়েছিলাম।পরে শুনলাম শালিসি বৈঠকের রায় অভিযুক্ত সুদখোর রফিকুল প্রত্যাখ্যান করে পালিয়ে গেছে।আসলে সুদখোর রফিকুলের নামে নারীঘটিত কেলেঙ্কারির শেষ নেই।স¤প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাটি আমি ভুক্তভোগী মেয়েটির কাছ থেকে শুনেছি।ঘটনাটি আসলেই খুবই লজ্জাজনক আপত্তিকর ঘটনা। তাদের আমি থানা পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম বলেন, অভিযুক্ত রফিকুলের বিরুদ্ধে তার পুত্র ও পুত্রবধূ বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি নারী নির্যানত আইনে মামলা দায়ের করেছেন।আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে।

ধামরাইয়ে পৌরসভা সহ ৬টি ইউনিয়নকে লকডাউন ঘোষণা,

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন , ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাই উপজেলায় করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ও অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার পৌরসভা সহ ৬টি ইউনিয়নকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মইনুল আহসান এই ঘোষণা দিয়ে পরিপত্র জারি করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূর রিফফাত জানান, ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মইনুল আহসান হলুদ জোন থেকে উপজেলার পৌরসভা সহ আরো ছয়টি ইউনিয়নকে রেড ঘষোনা করে রেড জুন ইউনিয়নগুলো হলো আমতা ইউনিয়ন, সানোড়া ইউনিয়ন, সুতিপাড়া ইউনিয়ন, সোমভাগ ইউনিয়ন, ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন, ধামরাই সদর ইউনিয়ন ও ধামরাই পৌরসভা।

এ সকল রেড জুন এলাকার মধ্যে ধামরাই পৌরসভাকে পুরোপুরি লকডাউন করা হবে আর বাকি ছয় ইউনিয়নে মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন হচ্ছে না। ইউনিয়ন পর্যায়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এমন সব এলাকাকেই লকডাউন ঘষোণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার থেকে ধামরাই পৌরসভা, রোয়াইল ইউনিয়নের সেনাইল গ্রাম, সূতিপাড়া ইউনিয়নের কালামপুর, বাথুলি, শ্রীরামপুর বাজার, ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের কাকরান ও তেতুলিয়া বাজার কঠোর লক ডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এদিকে উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮৩ জন। এর মধ্যে এক চিকিৎসক সহ ৭ জন মারা গেছেন। এছাড়া ৫১ জন সুস্থ হয়েছেন এবং ৩৩ জন প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন। অন্যরা বাড়ি থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবির মোল্লা জানান, বুধবার ধামরাই উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এলাকা ভিত্তিক কঠোর লক ডাউন ঘোষণা করার সময় জানিয়ে দেয়া হবে এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পৌর প্রশাসন সব সময় মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেট...