29 C
Dhaka, BD
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬

সাভারে মন্ত্রী এনামকে অশ্লীল গালিগালাজের অডিও ফাঁস!

বিপ্লব ,সাভার ঃ সাভারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ সরকার বিরোধী বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করা রাজু আহমেদ নামে কথিত এক যুবলীগ নেতার অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। এঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, অভিযুক্ত আশুলিয়ার বাসিন্দা রাজু আহমেদ নিজেকে যুবলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে থাকেন। এছাড়া রাজু গ্রæপ নামে তিনি একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বলেও চাওড় রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ড থেকে জানা যায়, রাজু আহমেদ নামে নিজেকে যুবলীগ নেতা পরিচয়দানকারী ওই ব্যক্তি স্বপ্রণোদিত হয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমানকে নানা বিষয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। কখনও ব্যক্তিগত আবার কখনও রাজনৈতিক বিষয়ে নিয়ে সরকার বিরোধী বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করছেন তিনি।

অডিও রেকর্ডটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘আজিজ (বর্তমান সেনাপ্রধান) সাহেব আমার দাদা শ^শুড়ের ক্লোজ বন্ধু, ক্লাসমেট, দোস্তর দোস্ত, বন্ধুর বন্ধু। সেনাপ্রধান, প্রাইম মিনিষ্টার, রাষ্ট্রপতির সাথে আমাদের সম্পর্ক আছে। আমাদের সম্পর্ক নাই, বাংলাদেশে এমন কেউ নাই।’
আশুলিয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর হামলার বিষয়ে এই প্রতারক বলেন, ‘মন্ত্রী এনাম সাহেবরে আমি লিখছি- ভাই আপনিতো বললেন এটা খুব খারাপ কাজ হইছে, বেআইনি কাজ হইছে। আপনাদের তাদের নিয়ে টান দেন কেন? উনি টান দেয়, সাহাবুদ্দিন (আশুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান) ধরে রাখে। এই বাইনচোদ এনাম! এই কথাটা একটু বলতে চাইছিলাম- আমি রাজু, আমার কিন্তু এমপি, চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ার দরকার নাই। আমি রাজু, আশুলিয়ার একটাই। আর কোন রাজু তৈরি হয় নাই, অনেক আগে থেকেই। আমাকে সাভার-আশুলিয়ার মানুষ আমাকে চেনে। যত সিআইডি, রিকশাওয়ালা, মুচি সবাই চেনে।’
‘এনামের নির্বাচন-টির্বাচন করে দিলাম। আমার এলাকায় ভোটমোট পাইলাম। সিলমিল সহ মাইরা দিলাম সত্য কথা। আশুলিয়া কেন্দ্র আমি দেখছি। এই খানকির পোলায় ৪-৫ মাস আগে আমার ছোট ভাইয়ের বিয়া গেছে, দু:খের কথা ভাই। আমি এনামের বাসায় গিয়া বইসা রইছি দাওয়াত দেওয়ার জন্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আমি, উ..(এনাম) একসাথে বসছি। কামাল (বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ভাই কিন্তু আমার আত্মীয়। কামাল ভাই, আমার দাদার বন্ধুর ছেলে। যাই হোক ভাই দ্যাহেন- উ..(এনাম) করল কি গাড়ীর সামনে বইসা, আমাগো কি প্যারাডো গাড়ি নাই মাদারচোদ। প্যারাডো গাড়িতে আমরা চলি না? গাড়ির মধ্যে বইসা আমারে এনাম কয়- আপনি কে? আমি বললাম যে রাজু ভাই। আমার বাসা আশুলিয়া।’

এছাড়া এই রাজুর বিরুদ্ধে আশুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বাড়িতে বাড়িতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয় সে গত কয়েক মাস আগে ফেসবুকে একটি স্টাটাস দেন বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ব্যর্থ সরকার এই সরকারের পদত্যাগ করা উচিত। এছাড়া পরিবেশ দূষণের অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর সাভার ও আশুলিয়ায় অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করে দিলে তিনি আমিনবাজার এলাকায় সরকারের বিরুদ্ধে একটি মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করে বর্তমান সরকারের পদত্যাগ দাবি করেন। এখন কথা হচ্ছে সে কিভাবে যুবলীগ করলো। এই রাজু গুপ্তচর বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

এবিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও দুযোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমান বলেন কথিত এই রাজুর বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ও তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
এবিষয়ে সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব বলেন এই অবৈধ গ্যাস সংযোগকারীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে সাভার উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসোসিয়শনের সভাপতি পারভেজ দেওয়ান ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফখরুল আলম সমর বলেন কথিত এই যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে সাভার উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা মামলা দায়ের করবে।

এই রাজুর বাড়ি আশুলিয়ার চাঁনগাও এলাকায় সে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে নিজ এলাকায় একটি অট্টলিকা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। সেখানে তিনি নানা অপকর্ম করে থাকেন।

এদিকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীকে গালি দেওয়ার ভিডিওটি ভাইরাস হলে সমাহের সর্বস্তরেরর মানুষ কথিত এই যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
এঘটনায় নিজের অপকর্ম আড়াল করতে গতকাল নিজ এলাকায় ভুইফোড় কিছু লোকদেরকে নিয়ে এক লোক দেখানো সংবাদ সম্মেলন করে নিজের অপকর্ম ঢাকার চেষ্টা করেন ও বলেন তার কথা বিকৃত একটি মহল ফেসবুকে অডিও রেকড বের করেছেন।

অবিলম্বে এলাকাবাসী এই ভয়ঙ্কর কথিত যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এবিষয়ে স্থানীয় পুলিশ ও র‌্যাব বলছেন ভয়ঙ্কর এই কথিত যুবলীগ নেতা ও অবৈধ গ্যাস সংযোগকারী ও প্রতিমন্ত্রীকে গালি দেওয়ার কারণে তাকে আটকের প্রক্রিয়া চলছে।
এলাকাবাসী এই কথিত যুবলীগ নেতার সম্পাদের পাহাড়ের খোজে দুদককে অনুসন্ধানের আহবান জানিয়েছেন।

ঝালকাঠি মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীকে অসামাজিক কাজে বাধ্য করতে না পারায় নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে।

১৭/০৬/২০২০ইং বুধবার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

অভিযুক্ত সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম ওই নারী নেত্রীকে মারধর ও তাঁর বসতঘর ভাঙচুর করেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ ঘটনার বিচার চেয়ে থানায় গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও নূরে আলমের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে তাঁর পক্ষ নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ওই নারী নেত্রী।

লিখিত অভিযোগে ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বিউটি বেগম দাবি করেন, একই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম দীর্ঘ দিনধরে তাকে অসামাজিক কাজের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এমনকি তাকে স্থানীয় গরিব ও অসহায় নারীদের তাঁর কাছে নিয়ে আসার জন্য বলা হয়।
এতে রাজি না হওয়ায় বিরোধ সৃষ্টি হয় নূরে আলমের সঙ্গে।

গত ১৯/০৬/২০২০ইং তারিখ বোম্বাই মরিচ মেশানো পানি তাঁর শরীরে ঢেলে দেয় নূরে আলম ও তার সহযোগিরা।

নারী নেত্রীকে মারধর ও তাঁর বসতঘরও ভাঙচুর করা হয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে পরিবারের লোকজন সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।

এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে চাইলে পুলিশ মামলা নেয়নি। সদর থানার এসআই অচিন্ত কুমার পাল ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে নূরে আলমের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ঘটনা ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নির্যাতিত ওই নারী।

বিষয়টি গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা মাছুম শেরওয়ানীর কাছেও অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার পায়নি। তিনি উল্টো নূরে আলমের পক্ষ নিয়ে ওই নারী নেত্রীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিউটি বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নুরুল ইসলাম খান ও সিদ্দিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগ নেতা নূরে আলম জানান, মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করে বিউটি বেগম তাঁর সম্মানহানি করছেন।

রাণীশংকৈলে সাপের কামড়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু

হুমায়ুন কবির রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১৭ জুন গভীর রাতে বোচোর ইউনিয়নে ৫ম শ্রেনির ছাত্রী ফরিদা পরভীনকে (১১) সাপের কামড়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

ফরিদা রাজোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনির ছাত্রী ও রাজোর মালধরিয়া পাড়ার আব্দুল করিমের মেয়ে।

স্থানীয় সুত্রমতে, গত বুধবার রাতে প্রতিদিনের মতো ফরিদা ও তার দাদী একটি শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়লে গভীর রাতে হঠাৎ নাতনী আফরিদার পায়ে কামড় দিলে সে চিৎকার দিয়ে উঠে। এতে পরিবারের লোকজন তার অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত ঐ রাতেই তার মাইক্রোবাস যোগে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর রাতে সে মারা যায়।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিতেন চন্দ্র রায় সাপের কামড়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ তালতলীতে ১৫ পরিবার পানিবন্দি

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে খাল বেনামে বন্দোবস্ত নিয়ে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করায় অতিবর্ষনের ফলে পানি বন্দি হয়ে পরেছে ১৫ পরিবার। পুকুর উঠান এমনকি রান্নাঘরে পানি ঢোকার কারনে গত ৩দিন ধরে ওই পরিবারগুলোর রান্নাবান্না বন্ধ রয়েছে। সন্তান সন্ততি নিয়ে অনাহারে অর্ধহারে দিন কাটছে তাদের। বৃহস্পতিবার উপজেলার দক্ষিন ঝাড়াখালী গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা গেছে।

ভূক্তভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর ঝাড়াখালী মৌজায় শাহজাহান মৃধা নামে আলীরবন্দর খালের খাস খতিয়ানের ১০৭০, ২৫০২ ও ৩১০৬ নং দাগের ১একর জমি ২০০৬ সালে বন্দোবস্ত দেখিয়ে দক্ষিন ঝাড়াখালী গ্রামের শাহজাহান খান ভোগদখল করে আসছে। চলতি বছরে ওই খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে। চলতি অমাবশ্যার জো’য়ের কারনে অতিবৃষ্টির পানি নামতে না পারায় দক্ষিন ঝাড়াখালী গ্রামের মন্নান খান, আইউব আলী মাস্টার ও তোতা মিয়াসহ ১৫ পরিবার পানি বন্দি হয়ে পরেছে। বৃষ্টির পানি নামতে না পারায় তলিয়ে রয়েছে তাদের পুকুর, উঠান এমনকি অনেকের রান্না ঘরও। চলাফেরায় কষ্টসহ সন্তান সন্ততি নিয়ে অনাহারে অর্ধহারে দিন কাটছে তাদের।

ওই ১৫ পরিবারের অভিযোগ, পানিতে রান্নাঘর তালিয়ে যাওয়ার কারনে ৩দিন ধরে রান্নাবান্না বন্ধ রয়েছে অনেকেরই। শাহজাহান মৃধা নামের ৯৭২নং ভূয়া বন্দোবস্ত কেসটি বাতিল করে শাহজাহান খানের ভোগদখলকৃত খালটি কেটে দিলে চিরদিনের জন্য পানি বন্দি থেকে মুক্তি পাবে ওই ১৫ পরিবার।

এ বিষয় শাহজাহান খানকে না পাওয়ায় তার পুত্র শাহিন খান জানান, পরিবারগুলো পানি বন্দি আমাদের মৎস্য ঘেরের কারনে নয়। এ ছাড়াই ওই পরিবারগুলো পানি বন্দি রয়েছে। আমাদের ঘের পর্যন্ত পানি আসলে বাঁধ কেটে পানি নামিয়ে দেব।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান জানান, সংবাদটি মোবাইল ফোনে জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শার্শার রামপুরে শশুরের বিরুদ্ধে পুত্রবধূর শ্লীলতাহানির অভিযোগ: থানায় মামলা

বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শার রামপুর গ্রামের নিজ শশুরের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে শার্শা থানায় একটি নারী নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন এক সন্তানের জননী ভুক্তভোগী পুত্রবধূ।এমন অভিযোগ দেওয়ায় পুত্র ও পুত্রবধূকে জোর পূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন পাষÐ শশুর রফিকুল ইসলাম বিশ্বাস ওরফে সুদখোর রফিকুল।সরেজমিন গিয়ে দেখা যাই অভিযুক্ত সুদখোর রফিকুল এর আগেও এমন অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে এলাকা বাসী এবং স্থানীয় চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে জানা যায়। এলাকাবাসী অভিযুক্ত বিত্তবান রফিকুলের ভয়ে মুখ খুলতে পারে না। সে রামপুর গ্রামের কদর উদ্দীন বিশ্বাসের পুত্র।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়,সুদখোর রফিকুল তার সুদের ব্যবসাতে অল্পদিনে কোটিপতি বনে গিয়েছে।অবৈধ ভাবে আয় করা কোটি টাকার বনিয়াদে সে যা ইচ্ছা তাই করে?তার নামে নারীঘটিত কেলেঙ্কারি শেষ নেই।এমনিতেই দুইটা বউ নিয়ে সংসার করে।এবার তার কু নজর পড়লো নিজের ছেলের বউয়ের দিকে!এলাকাবাসী এমন নিকৃষ্ট লজ্জাজনক কর্মকাÐ মেনে নিতে পারছে না।এলাকাজুড়ে ধিক্কার জানাচ্ছে আর তার উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।
শ্লীলতাহানি হওয়াতে লম্পট শশুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এক সন্তানের জননী বলেন,বিয়ের পর পরই লম্পট শশুর আমার দিকে তার কু নজর দিতে শুরু করে।এক পর্যায়ে আমার সাথে আপত্তিকর কথাবার্তা বলতে লাগে।আমি লজ্জায় কারোর সাথে কিছু বলতে পারি না।একদিন হঠাৎ করে আমার লম্পট শশুর আমার হাত টেনে ধরে আর কু-প্রস্তাব দেয়।তখন আমি সহ্য না করতে পেরে আমার স্বামীর সাথে সব ঘটনা খুলে বলি,কিন্তু অভিযোগ স্বামীর জন্মদাতা লম্পট বাবার বিরুদ্ধে ছিলো বলে সে আমার শাশুড়িদের সাথে বলতে বলে।তাদের সাথে বলার পর হিতের বিপরীত হয়।শাশুড়িরাই তখন আমার উপর নির্যাতন শুরু করে।

স¤প্রতি আমার লম্পট শশুর আমাকে আপত্তিকর কথা বলে।আর বিভিন্ন প্রলোভন দেখাতে থাকে।আমাকে কু-প্রস্তাব দেয়।আমি রাজি না হওয়ায়,লম্পটটা আমার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং জোর করে ধর্ষন করার চেষ্টা চালাই।আমি কোনোরকম প্রান নিয়ে পালিয়ে আসি। পরবর্তিতে আমি আর আমার স্বামী স্থানীয় ভাবে বিচার দিয়ে আসি।এতে ক্ষিপ্ত এক পয়ার্যে আমাদের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক বের করে দেয়।এখন আমি স্বামী সন্তান নিয়ে পথে পথে ঘুরছি।আমি তার উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাই।

এ বিষয়ের সুদখোর রফিকুলের ছেলে অভিযোগ করে বলেন,আমার বাবা চরিত্রগত সমস্যা আছে। আমার বাবা এর আগেও অনেক বার এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।আমার স্ত্রীর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য স্থানী ভাবে বিচার দিলে সেখানে সে হাজির না হয়ে তার পক্ষ থেকে তার ভাই সাবেক মেম্বার বাদশাকে তার তরফ থেকে পাঠায়। পরে স্থানীয় শালিসি বিচারের রায় প্রত্যাখ্যান করে।এবং আমাকে ত্যাজ্যপুত্র করার ও মৃত্যুর হুমকি প্রদান করে।

এবিষয়ে উলাশী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আয়নাল হক বলেন,ঘটনাটি পারিবারিক সমস্যা বলে সুষ্ঠ ভাবে সমাধান করে দেওয়ার জন্য উক্ত ওয়ার্ডের মেম্বার কবির হোসেন কে দায়িত্ব দিয়েছিলাম।পরে শুনলাম শালিসি বৈঠকের রায় অভিযুক্ত সুদখোর রফিকুল প্রত্যাখ্যান করে পালিয়ে গেছে।আসলে সুদখোর রফিকুলের নামে নারীঘটিত কেলেঙ্কারির শেষ নেই।স¤প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাটি আমি ভুক্তভোগী মেয়েটির কাছ থেকে শুনেছি।ঘটনাটি আসলেই খুবই লজ্জাজনক আপত্তিকর ঘটনা। তাদের আমি থানা পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম বলেন, অভিযুক্ত রফিকুলের বিরুদ্ধে তার পুত্র ও পুত্রবধূ বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি নারী নির্যানত আইনে মামলা দায়ের করেছেন।আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে।

ধামরাইয়ে পৌরসভা সহ ৬টি ইউনিয়নকে লকডাউন ঘোষণা,

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন , ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাই উপজেলায় করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ও অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার পৌরসভা সহ ৬টি ইউনিয়নকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মইনুল আহসান এই ঘোষণা দিয়ে পরিপত্র জারি করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূর রিফফাত জানান, ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মইনুল আহসান হলুদ জোন থেকে উপজেলার পৌরসভা সহ আরো ছয়টি ইউনিয়নকে রেড ঘষোনা করে রেড জুন ইউনিয়নগুলো হলো আমতা ইউনিয়ন, সানোড়া ইউনিয়ন, সুতিপাড়া ইউনিয়ন, সোমভাগ ইউনিয়ন, ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন, ধামরাই সদর ইউনিয়ন ও ধামরাই পৌরসভা।

এ সকল রেড জুন এলাকার মধ্যে ধামরাই পৌরসভাকে পুরোপুরি লকডাউন করা হবে আর বাকি ছয় ইউনিয়নে মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন হচ্ছে না। ইউনিয়ন পর্যায়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এমন সব এলাকাকেই লকডাউন ঘষোণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার থেকে ধামরাই পৌরসভা, রোয়াইল ইউনিয়নের সেনাইল গ্রাম, সূতিপাড়া ইউনিয়নের কালামপুর, বাথুলি, শ্রীরামপুর বাজার, ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের কাকরান ও তেতুলিয়া বাজার কঠোর লক ডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এদিকে উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮৩ জন। এর মধ্যে এক চিকিৎসক সহ ৭ জন মারা গেছেন। এছাড়া ৫১ জন সুস্থ হয়েছেন এবং ৩৩ জন প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন। অন্যরা বাড়ি থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবির মোল্লা জানান, বুধবার ধামরাই উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এলাকা ভিত্তিক কঠোর লক ডাউন ঘোষণা করার সময় জানিয়ে দেয়া হবে এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পৌর প্রশাসন সব সময় মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।

তালতলীতে করোনা উপসর্গে একজনের মৃত্যু

মৃধা শাহীন শাইরাজ,তালতলী প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে ১জনের মৃত্যু হয়েছে। বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

জনিাগেছে, উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের লালুপাড়া গ্রামের মেহের আলী সরদারের ছোট ছেলে মোঃ খলিলুর রহমান(৫০) ভোলা জেলা শিক্ষা অফিসের অতিরিক্ত শিক্ষা অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। সেখানে বসে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত রোববার বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্ত্তি হন।

মঙ্গলবার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তাকে বিকেলে পুলিশ প্রটোকলে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

শার্শার নাভারন সদর ও বেনাপোল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড লক ডাউন ঘোষনা

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ মহামারী করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে প্রশাসনের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলাকে রেড জোন ঘোষণা করায়, তার আওতাধীন শার্শা উপজেলার নাভারণ সদর ও বেনাপোল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড সম্পূর্ণরুপে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর থেকে শার্শা উপজেলার নাভারণ সদরের কাজিরবেড়, নাভারন রেলবাজার, উত্তর ও দক্ষিণ বুরুজবাগান এবং বেনাপোল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড নামাজগ্রাম ও দূর্গাপুর গ্রামকে সম্পূর্ণ রুপে লকডাউনের আওতাভুক্ত করা হয়।

এসময় সেখানে উপস্থিত থেকে বাঁশের বেড়া দিয়ে তাতে লকডাউন ব্যানার টাঙিয়ে এর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোরশেদ আলম, বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান সহ প্রশাসন ও পৌরসভার কর্মকর্তাগণ ও সংশ্লিষ্ট বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল জানান, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস দেশে দিন দিন ভয়াবহ রুপ ধারণ করছে। ইতিমধ্যে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। তাই সরকারি সীদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। রেড জোন, ইয়োলো জোন ও গ্রীন এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে করোনা প্রাদুর্ভাবে দেশকে। সেই সাথে দেশে রেড জোন এলাকা লকডাউনভুক্ত ঘোষণা করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এসব এলাকা লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে।

উদ্ভাবণী কার্যক্রমে স্বীকৃতিস্বরুপ পুরস্কার পেলেন মাগুরা জেলা তথ্য অফিসার রেজাউল করিম

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার আলোকে গৃহীত উদ্ভাবন কর্মপরিকল্পনা ২০১৯-২০২০ মোতাবেক উদ্ভাবণী কার্যক্রম “এসো মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি” শীর্ষক অনুষ্ঠান গ্রহণের স্বীকৃতিস্বরুপ গণযোগাযোগ অধিদপ্তর,তথ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা কর্তৃক মাগুরা জেলা তথ্য অফিসার মোঃ রেজাউল করিমকে সম্মাননা পুরস্কার প্রদানের জন্য মনোনিত করা হয়েছে ।

মাগুরা জেলা তথ্য অফিসার মোঃ রেজাউল করিম বলেন,তাঁর এ অর্জনের জন্য গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক,পরিচালকবৃন্দ,উপ-পরিচালকবৃন্দসহ মাগুরা জেলা তথ্য অফিসের সহকর্মীবৃন্দ ও মাগুরার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে চিরঋনী । তাঁর এ পুরস্কার ও সম্মাননা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী সকল বীরমুক্তিযোদ্ধাদেও প্রতি উৎসর্গ করেছেন ।

তিনি আরোও জানান, তারঁ এ স্বীকৃতি তাঁর কাজের প্রতি অরোও বেশী আন্তরিক ও মনোযোগি হতে অনুপ্রাণীত করবে।

তালতলীতে একটা পাকা রাস্তার অপেক্ষায় ৭টি গ্রাম

মৃধা শাহীন শাইরাজ ,তালতলী প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে একটা পাকা রাস্তার অপেক্ষায় স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ ৭টি গ্রামের মানুষ। রাস্তাটি পাকা করনের দাবিতে মানববন্ধন করেন এলাকার সাধারণ মানুষ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সড়কটি পাকা করার আশ্বাস দেন।

মঙ্গলবার(১৬জুন)বেলা ১২টার দিকে কাঁচা রাস্তায় মানববন্ধন করেন ঐ সব গ্রামের জনসাধারণ।

জানা যায়, উপজেলার আমতলী-তালতলী সড়কের পশুহাসপাতালের পাশেই একটি গ্রামীন রাস্তা বয়ে গেছে। ছাতনপাড়া,জাকিরতবক,সুন্দরিয়া,চল্লিশ কানি,বেহেলা,পাঁচশবিঘা ও বেতিপাড়া গ্রামের স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ হাজার মানুষের চলাচলের এক মাত্র রাস্তা এটি। কিন্ত বর্ষার সময় ৩ কিলোমিটাররের এই রাস্তাটি কাঁদা হয়ে যায়। ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় এই ৭টি গ্রামের জনসাধারণদের। সাপ্তাহিক বাজারের জন্য তালতলী বন্দর বাজারে আসতে হয় এই প্রান্তিক মানুষের। বর্ষার সময় ঠিকভাবে বাজারের আসাযাওয়া করা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে জীবনজীবিকা তাগিদে ছুটে বেড়াতে হয় দিনমজুর মানুষের কিন্তু বর্ষার এই তিন মাস কর্মহীন হয়ে ঘড়ে বসে থাকতে হয়। এদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সড়কটি পাকা করার আশ্বাস দেন।

মানবন্ধনে বক্ত্যরা বলেন, আমাদের ৭ টি গ্রামের মানুষের প্রানের দাবি এই রাস্তাটি যাতে পাকা হয়। প্রতি বছর বর্ষার সময় আমাদের সব ধরণের কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়।ঘন বর্ষায় এই রাস্তা দিয়ে চলাচলেরন সুযোগ হয়না।তাই সরকারের কাছে দাবি উপজেলার পাশের এই রাস্তাটি পাকা করে দিলে ৭ গ্রামের স্কুল-মাদ্রাসা ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ হাজারহাজার মানুষের দুঃখ-দুদর্শা থেকে মুক্তি পাবে।

এবিষয়ে তালতলী উপজেলা প্রকৌশলী আহম্মেদ আলী বলেন,খোঁজখবর নিয়ে দেখতে হবে আমাদের কোনো প্রকল্প দেওয়া আছে কি না। থাকলে দ্রুত কাজ করা হবে। যদি নাও তাকে তাহলে পাকা করণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হবে ।

সর্বশেষ আপডেট...