বিপুল চন্দ্র রায় ( ২২) চাপোড় পারবর্তীপুর গ্রামের শেদ কুমারের ছেলে ও পারুল রাণী রায় (২০) চাপোড় পারবর্তীপুর গ্রামের বিপুল চন্দ্রের স্ত্রী ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আধারদিঘি গ্রামের ঝাটালু শিংহের মেয়ে। পারুল রাণী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
রাণীশংকৈলে নতুন করে ১ নারী ও ১ পুরুষ করোনায় আক্রান্ত
হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল,(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১৫ জুন সোমবার নতুন করে এক নারী ও এক পুরুষ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।
রোগীরা হলেন, উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের হাটগাঁও গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে মামুন (২১) ও রাতোর ইউসিয়নের বাবুরিয়া গ্রামের জড়াস চন্দ্রের মেয়ে এপি রায় (১৮) এরা দুজনই ঢাকা ফেরত। গত ৬ জুন তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং ১৫ জুন প্রাপ্ত রিপোর্টে তাদের ফলাফল পজিটিভ আসে। রাত ৯ টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপঃ স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ চৌধুরী। রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃপক্ষের তত্বাবধানে রোগীদের নিজ বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন বলে জানান টিএইচএ ও পঃ পঃ কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত: বর্তমানে এই উপজেলায় এ নিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৪ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫ জন এবং মৃত্যুর পর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে ১ জনের। বাকীরা চিকিৎসাধীন।
আশুলিয়ায় পরিবহনে চাঁদাবাজির সময় ওয়েলকাম মিন্টু গ্রেফতার
সাভারের আশুলিয়ায় পরিবহনে চাঁদাবাজিকালে জিএম মিন্টু ওরফে ওয়েলকাম মিন্টু নামে এক চিহ্নিত চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মিন্টুসহ অজ্ঞাত আরো দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) ভোরে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকা থেকে পরিবহনে চাঁদা আদায়কালে তাকে হাতেনাতে আটক করে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ।
গ্রেফতার জিএম মিন্টু ওরফে ওয়েলকাম মিন্টু আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।
গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, সম্প্রতি পরিবহনে চাঁদাবাজি নিয়ে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে চাঁদাবাজি বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ভোরে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার রূপসা হোটেলের সামনে স্থানীয় পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়ের গোপন খবর পান তারা। পরে অভিযান চালিয়ে মৌমিতা ও ওয়েলকাম পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়কালে জিএম মিন্টু ওরফে ওয়েলকাম মিন্টু নামে এক চিহ্নিত পরিবহন চাঁদাবাজকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এসময় অজ্ঞাত আরো দুই চাঁদাবাজ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলে তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বেলায়েত হোসেন জানান, জেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে চলাচলরত পরিবহনে সকল প্রকার চাঁদাবাজি বন্ধে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদারের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। তাই পরিবহন চাঁদাবাজদের আটকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পরিবহনে চাঁদাবাজির ঘটনায় ঢাকা জেলার সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইসহ বিভিন্ন থানায় এক ডজন মামলা দায়ের করে পুলিশ। এ পর্যন্ত এসব মামলায় ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সময় ডেস্ক ঃ




































