মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানিকৃত বিভিন্ন পন্য নিয়ে আসা ১৯ জন ভারতীয় ট্রাকচালক ২মাসের অধিক সময় অতিবাহিত হলেও তাদেরকে এখনো পর্যন্ত দেশে ফেরত নেয়নি ভারত সরকার। ফলে মানবেতর জীবনযাপন করছে এসমস্ত ট্রাক চালক।
বাংলাদেশে আমদানিকারক ও স্থানীয় সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা করোনাভাইরাস দুর্যোগে ভারতীয় ট্রাকচালকদের নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে। বিষয়টি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও কোন ফলপ্রসূ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট ।
বেনাপোল স্থলবন্দর ও কাস্টমস সূত্র জানিয়েছে, ভারতে লকডাউন ঘোষনার আগের দিন গত ২০শে মার্চ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে শিল্প কারখানার কাঁচামালসহ বিভিন্ন ধরনের পন্য নিয়ে আসে ট্রাক চালকরা। কিন্তু পন্য বেনাপোল বন্দরে খালাসের পর থেকে ট্রাক ও চালকদেরকে নিজ দেশে ফেরত নেয়নি ভারত।
ভারতের উত্তর প্রদেশে বাড়ি ট্রাক চালক সীতারাম বলেন,আমরা বাংলাদেশে এসে আটকে পড়েছি। ভারত সরকার আমাদের নিচ্ছে না। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কোন যোগাযোগ করতে পারছি না। কাছে যা টাকা পয়সা ছিল অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে।খেয়ে না খেয়ে গাড়িতেই ঘুমাচ্ছি।
বেনাপোল বন্দর,কাস্টমস ও সিএন্ডএফ এজেন্টের লোকজন মাঝে মাঝে কিছু খাদ্য সহয়তা দিয়েছে। তাতে জীবন চলে না। খাদ্য সহয়তা চায় না ,আমরা দেশে ফিরতে চাই। মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, করোনাভাইরাস আতঙ্ক ও ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি না থাকায় গাড়ি ও চালকদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। আমরাও কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা করছি। অনুমতি পেলেই ভারতীয় চালকরা ট্রাকসহ বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসবে।
বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (ডিডি) মামুন কবির তরফদার বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থলবন্দরের ইয়ার্ডের ভেতরেই ট্রাক ও চালকদের রাখা হয়েছে।বন্দর,কাস্টমস ও সিএন্ডএফ এজেন্টরা চালকদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন।
চালকরা নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছেন।দ্রুত সমস্যা সমাধানে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। অনুমতি পেলে যে কোন মুহর্তে চালক ও ট্রাক গুলো ফেরত পাঠানো হবে।
তাদেরকে রাণীশংকৈল হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। তারা সবাই ঢাকা ফেরত। এদিকে, গত ২৪ মে পৌর শহরের ভান্ডারা মহল্লায় গত ২৪ মে মারা যাওয়া আমেনা বেগম(৮০) এর নমূনা সংগ্রহের রিপোর্ট
আজ পজিটিভ পাওয়া গেছে। প্রসঙ্গত,আজকের ৪ জন সহ রানীশংকৈল হাসপাতালে মোট ৮ জন রোগি চিকিৎসাধীন আছেন। ইতোপূর্বে ৩ জন রোগি করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ফিরোজ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ শীতের বিদায় ঘণ্টা বাজার পরপরই বেনাপোলে শুরু হতে থাকে মশার উৎপাত। মশার কামড়ে অতিষ্ঠ বেনাপোল বাসী। আর গত ৫-৭ দিনের থেমে থেমে সামান্য বৃষ্টিতে এর মাত্রা আরও ছাড়িয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে পৌর ও ইউনিয়নবাসীর মনে ছড়িয়েছে পুরোনো ডেঙ্গু আতঙ্কও। তবে, বেনাপোল পৌরসভা থেকে বলা হয়েছে, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসসহ মশন নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
গত বছরের এই সময়ে রাজধানী ঢাকাতে এডিস মশার উৎপাত বাড়ে। জুন-জুলাই মাসে এর ব্যাপকতা আরও বেড়ে গিয়ে প্রাণঘাতী ডেঙ্গু ছড়াতে থাকে, রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। গ্রাম-শহরের অনেক মানুষের মৃত্যু হলেও সবচেয়ে বিপর্যস্ত অবস্থা হয় রাজধানী ঢাকায়। ঢাকাসহ জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা ইউনিট খুলতে হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে জানা গেছে, গেলো বছর দেশে এক লাখেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও ১৩৩ জন ডেঙ্গুতে মারা গেছেন বলে জানায় আইইডিসিআর। ফলে, চলতি বছর মশার উৎপাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুর আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
বেনাপোল পৌরসভা বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সন্ধ্যার পরপরই মশার উৎপাত বাড়ে। কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করলেও মশা যায় না। বাধ্য হয়ে মশারি টাঙাতে হয়। এতে বাসায় চলাফেরায় বাধা সৃষ্টি হয়।
ভবারবেড় এলাকায় আল আমিন বলেন, ‘সন্ধ্যার পরপরই বাসায় মশার উৎপাত বাড়ে। রাতভর মশা আর ডেঙ্গু আতঙ্কে কাটাতে হয়। মশার স্পে ও কয়েল কোনো কাজে আসে না। ’
আল-আমিনের মতো একই অভিজ্ঞতার কথা জানান কাগজপুকুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম, ছোট আচঁড়ার ইশরাত সুলতানা, নামাজ গ্রামের জাকির হোসেন , বেনাপোলের আসাদুজ্জামান রিপন,আবুল কালাম, ইদ্রিস আলম, বড়আঁচড়ার সাগর হোসেন, সাদিপুর গ্রামের জমির হোসেন। এজন্য তারা মশক নিধনে বেনাপোল পৌরসভা ও বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদের ব্যর্থতাকে দায়ী করেন।
দূর্গাপুর গ্রামের মিরাজ বলেন, এবছরও তাদের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ছে না। বেনাপোল পৌরসভা যদি তারা ঠিকভাবে কাজ করতো, তাহলে মশার উৎপাত এত বাড়তো না।’
দিঘিরপাড় গ্রামের মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মশার উৎপাত বাড়ায় ছেলে-মেয়ে ঠিক মতো পড়ার টেবিলে বসতে পারে না। এতে তাদের অনেক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। এভাবে চললে বেনাপোলে বসবাস করা কঠিন হয়ে যাবে।’
এদিকে, শার্শা উপজেলা কীটতত্ত¡বিদরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গু নির্মূলে শুধু একটি মৌসুম নয়, সারা বছর কাজ করতে হবে। তা না হলে এডিসসহ অন্যান্য মশা থেকে বাঁচা সম্ভব হবে না।এডিস মশা প্রতিক‚ল পরিবেশেও ডিম ছাড়তে পারে। ডিমগুলো অনেক দিন টিকে থাকতে পারে। পানির স্পর্শ পেলেই এগুলো থেকে লার্ভা হয়। ওইসব মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারসহ এসকল এলাকায় কাজ করতে হবে। ’
বেনাপোল পৌরসভার সচিব রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের যেসব ওয়ার্ড ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিত কার্যক্রম চলছে।’ যেহেতু ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে, এজন্য এখন মশক নিধনের ঔষধ ছিটানোর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কারণ বৃষ্টির ভিতর ঔষধ ছিটালে ওষুধের কার্যকারিতা থাকেনা। বৃষ্টি কমে গেলে ওষুধ ছিটানোর কাজ অব্যাহত থাকবে। এগুলো মনিটরিং করার জন্যও টিম করে দেওয়া হয়েছে।’ মশা নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের কার্যক্রম চালানো হবে বলেও তিনি জানান।
বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বজলুর রহমান বলেন ইতিমধ্যে বিøচিং পাউডার ছিটানো হয়েছে।আগামী ১লা জুন থেকে মশক নিধনের স্প্রে করা হবে। বেনাপোল ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আমাদেরকে জানান।
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ আজ জামাই ষষ্ঠী।হিন্দু বাঙ্গালীর কাছে এই দিনটি বিশেষ একটি দিন।মেয়ে- জামাইয়ের মঙ্গল কামনাই শাশুড়িরা এই ষষ্ঠী পূজা করে থাকে। জ্যৈষ্ঠের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে শাশুড়িরা যে বিশেষ ষষ্ঠীর পুজো করেন সেটাই জামাইষষ্ঠী নামে পরিচিত। আজও বেশ কিছু বনেদি পরিবারে অতীতের রীতি মেনে হয় জামাইষষ্ঠী।
এই দিনে আম,কাঁঠাল,করমচা,সাদাভাত, শুক্তো, সাত রকমের ভাজা, শাক, মুগের ডাল, সরষে পাবদা, পোলাও, পাঁঠার ঝোল, কই মাছ, ইলিশ সরষে হরগৌরী। শশুরবাড়িতে পৌঁছলে জামাইকে দেওয়া হত ধুতি, পাঞ্জাবি। তার পরে শুরু হত জামাইষষ্ঠীর মূল অনুষ্ঠান। একটা ঝুড়িতে পান, নানা ধরনের ফল আর উপহার জামাইকে দেওয়া হত।
কিন্তু এই বছর লকডাউন অনেক কিছুই কেড়ে নিয়েছে। পয়লা বৈশাখ পালন হয়েছে নমো নমো করে। ঘরেই সারতে হয়েছে ইদের আনন্দ।জামাই ষষ্ঠী নিয়েও কৌতুহল ছিলো শাশুড়িদের মনে মনে।করোনার ছোঁবলে সরকারী লকডাউনের যাতাকলে এবার জামাই ষষ্ঠীর বাজার যে মন্দা।
এবার লকডাউনের কারনে শাশুড়িরা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও যেতে পারবে না মন্দিরের সেই বট,বেল গাছটার কাছে।ঘরেই করতে হবে জামাই আদর।ঘরোয়া পরিবেশ এই পালন করতে হবে জামাই ষষ্ঠী।
এবার হয়তো হবে না মেয়ে জামাইকে নতুন পোষাক উপহার দেওয়া, হবেনা বিভিন্ন মিন্ডা মঠাই খাওয়ানো।গাছের নতুন টসটসে পাকা আমটি কেটে জামাইএর হাতে দিয়ে মনেমনে মন্ত্র বলে মঙ্গল কামনা করা।
সব কিছু উপেক্ষা করে মেয়ে জামাইদের জন্য মনে মনে উন্নতি ও মঙ্গল কামনা করবে শাশুড়িরা।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. শফিকুল আলম উপস্থিত থেকে উপজেলা পরিষদ চত্তরে এ ত্রান বিতরণ করেন।
জানা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজ কল্যান পরিষদের অর্থায়ণে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. শফিকুল আলম উপজেলার প্রতিবন্ধি, দুঃস্থ, অসহায় ও বিধবাদের মধ্য হতে ৪শত ৫৫জনের মধ্যে এ ত্রান বিতরণ করেন।
এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবী উল কবির জোমাদ্দার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি)মো. সেলিম মিঞা ও তালতলী প্রেসক্লাব সভাপতি মু. আ. মোতালিব উপস্থিত ছিলেন।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক ও শ্রীপুর সদর ২নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম টোকনের ব্যক্তিগত উদ্যোগে শুক্রবার সকালে শ্রীপুর পুরাতন বাজারস্থ ইয়াংস্টার ক্লাব প্রাঙ্গণে এলাকার দু’শতাধীক কর্মহীন হতদরিদ্র, অসহায় দুঃস্থদের মাঝে সেমাই, চিনি, সাবান, তেলসহ বিভিন্ন ধরণের ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছেন ।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সুধীর অধিকারী,শ্রীপুর
উপজেলা পূজা উদযাপণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন সরকার,সাংবাদিক আশরাফ হোসেন পল্টু ও হরিন্দী গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক জাহাঙ্গীর হোসেন ।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক ও ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম
টোকন এসময় বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে এ এলাকার অসংখ্য খেটে খাওয়া মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে বিষয়টি ভেবে এবং প্রধানমন্ত্রীর আহবানে সাড়া দিয়ে তিনি চতুর্থবারের মতো এবার তিনি হতদরিদ্র, অসহায় দুঃস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করলেন । তিনি আরোও বলেন,যতদিন দেশে করোনা ভাইরাস প্রাদূভাব থাকবে ,ততদিন তিনি এভাবেই অসহায়দের পাশে থেকে সহযোগিতা করে যাবেন ।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি)করোনাভাইরাসের কারনে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ঢাকার ধামরাইয়ে পৌর আওয়ামী লীগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী, তরুণ সমাজ সেবক জাহাঙ্গীর আলমের উদ্যোগে সাংবাদিকদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকালে ধামরাই রিপোটার্স ক্লাবের সাংবাদিকদের মাঝে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা হিসেবে এ ঈদ সামগ্রী বিতরন করা হয়।
ঈদ সামগ্রী বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ধামরাই প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শারমিনা লিপা যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইস মেসৌরী থেক এক মোবাইল কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এ ঈদ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
মোবাইল কনফারেন্সে তিনি সাংবাদিকদের কে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আপনারা নিরাপদ দূরত্বে থাকবেন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্ক পরে সচেতন থাকবেন।
তিনি আরো বলেন, সামনে ঈদ। আমরা করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছি। ঈদ আমাদের জীবনের সংস্কৃতির একটা বড় অঙ্গ। তাই যে যেখানেই থাকি না কেন, ঘরে বসে হলেও আমরা আনন্দের সাথে পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করবো। এই মহামারি কাটিয়ে আমরা উন্নত ধামরাই গড়ার দিকে এগিয়ে যাবো।
রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক, কর্মচারীরা ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বেতন ভাতার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট করেছে।
২০ মে (বুধবার) দুপুরে কলেজ প্রশাসনিক ভবনের সামনে ৩ মাসের বকেয় বেতন ভাতার দাবি জানিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবস্থান ধর্মঘট করেছে শিক্ষক কর্মচারীরা।করোনা মোকাবেলায় লোকডাউনের মধ্যদিয়ে বেতন ভাতা ছাড়াই মানবেতর জীবন যাপন করছে বলে জানান তারা।
বক্তরা বলেন, আজকের মধ্যে শিক্ষক কর্মচারীদের ৩ মাসের বকেয়া বেতন ভাতা না দিলে, কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে। এ সময় অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচিতে কলেজের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষক কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
প্রভাষক তাহের হোসেন বলেন, “শিক্ষকরা বছরে মাত্র দুটি উৎসব ভাতা পাবেন, এটা দিতে এত টালবাহানা মেনে নেওয়া যায় না। অপরদিকে এই করোনার ভিতরেও তারা শিক্ষক নিয়োগ নিতেই আছেন। এটা কি করে সম্ভব”?
বক্তারা বলেন, করোনা মোকাবেলায় লোকডাউনের মধ্যদিয়ে বেতন ভাতা না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে কলেজের শিক্ষক কর্মচারীরা এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও উপাধ্যাক্ষ কলেজে নিয়োগ বানিজ্য অব্যাহত রেখেছে। অথচ এই সব শিক্ষকদের খোঁজখবর নিচ্ছেন না তারা।
এ প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম বলেন, “গতকাল অনার্সের শিক্ষকদের বেতন ভাতা দেওয়ার জন্য তাদের কলেজে ডাকা হয়েছিল। তারা বোনাস ছাড়া বেতন নিবেন না। এমপিও শিক্ষকদের ঈদ বোনাসের বিষয়টি গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তক্রমে হবে। আমার একার পক্ষে কিছু করার নেই। কলেজে ফান্ড না থাকায় তাদের বোনাস দিতে পারছেনা কলেজ কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে এ করোনা পরিস্থিতিতে অনেক প্রতিষ্ঠান বেতন বিল দিতে পারছেন না। আমরা তো তাদের জন্য ব্যবস্থা করেছি। তারা না নিলে আমরা কি করব”?
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি ঃ মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বুধবার দুপুরে লাঙ্গলবাঁধ বাজারে কর্মহীন,দুস্থ ও অসহায় এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে চাউল, ডাউল, তেল, চিনি সেমাই ও সাবানসহ বিভিন্ন ধরণের উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় ও মাগুরা-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী মনোয়ার হোসেন খানের সার্বিক সহযোগিতায় করোনা ভাইরাসের কারণে উপজেলার এক হাজার লোকের মাঝে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
করা হয়।
শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বদরুল আলম হিরোর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক আলী আহম্মেদ, যুগ্ম-আহবায়ক আলমগীর হোসেন, মাগুরা পৌর বিএনপির আহবায়ক খান মাহমুদ হাসান কিজিল, সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ কুতুবউদ্দিন, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র
সহ-সভাপতি শিকদার মঞ্জুর আলম, সাধারণ সম্পাদক মুন্সী রেজাউল করিম, যুুগ্ম-সম্পাদক খন্দকার আশরাফুল ইসলাম নালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্যা খলিলুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্সী জাহাঙ্গীর হোসেন, ছাত্রদল নেতা সোহেল মুন্সীসহ প্রত্যেক ইউনিয়ন থেকে আগত বিএনপি’র সভাপতি, সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা প্রতিনিধি ঃ মাগুরা জেলায় করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ, অসহায়, প্রতিবন্ধী ও নিম্ন আয়ের ১৫’শ পরিবারের মধ্যে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে স্বেচ্ছাসেব সংস্থা জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন মাগুরা জোন শাখা ।
বুধবার দুপুরে মাগুরা সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাহাবুবুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুস্থদের মাঝে এ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
এ সময় জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের মাগুরা জোনের জোনাল ম্যানেজার মিজানুর রহমান, মাগুরা সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা ওবাইদুল্লাহ, পারনান্দুয়ালী শাখা ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম ও মাগুরা সদর শাখা ব্যবস্থাপক পংকজ শীল প্রমুখ ।
জাগরনী চক্র ফাউন্ডেশনের মাগুরা জোনের জোনাল ম্যানেজার মিজানুর রহমান জানান, করোনা পরিস্থিতিতে জেলায় কর্মহীন মানুষের সহযোগিতায় কাজ করছে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন।
বুধবার একযোগে মাগুরা সদর, শ্রীপুর, শালিখা ও মহম্মদপুরে ১৫’শ কর্মহীন মানুষের মাঝে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান দেয়া হলো। করোনায় দুস্থ মানুষের পাশে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।