30 C
Dhaka, BD
বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬

রাণীশংকৈলে করোনায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন রত্না বেগম

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল,(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৩১ মে রবিবার করোনা আক্রান্ত রত্না বেগম সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

রত্না বেগম গত ১৬ মে রাতে করোনায় পজেটিভ সংক্রমিত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে ভর্তি হয়েছিলেন। এরপর গত ১৪ দিনে রত্নার পর পর দু’বার নমুনা সংগ্রহের পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে এবং সম্পুর্ণ করোনামুক্ত হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে বাড়ি যাওয়ার জন্য আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে ছাড়পত্র দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ ফিরোজ আলম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ চৌধুরী, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ ফিরোজ আলম, এমও (ডিসি) ডাঃ মোরশেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
টিএইচএ ও পঃ পঃ কর্মকর্তা বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, বাসায় অবস্থান করুন, নিজে নিরাপদে থাকুন এবং সকলকে নিরাপদ রাখতে সহায়তা করুন।

রাণীশংকৈল উপজেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ জন এবং মৃত্যুর পর করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে ১ জনের।

আওয়ামীলীগ সরকার মদিনা সনদের আলোকেই দেশ পরিচালনা করছে – মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্জ্ব এ্যাড, সাইফুজ্জামান শিখর ।

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : রবিবার সকালে মাগুরার শ্রীপুরের মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে আর্থিক অনুদান বিতরণকালে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্জ্ব এ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর উপস্থিত মসজিদের সভাপতি,ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের উদ্দেশ্যে বলেন, মদিনা সনদের আলোকেই দেশ পরিচালিত হচ্ছে।

এ কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের সকল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা উপহার দিয়ে সম্মানিত করেছেন। করোনার এ দূর্যোগের সময়ে তিনি সারা দেশের ন্যায় মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার ২৭৫ টি মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কথা বিবেচনা করে মসজিদ প্রতি ৫ হাজার টাকা হারে উপহার দিয়েছেন। রবিবার সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলার মসজিদের সভাপতি,ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলি ব্যক্ত করেন। তিনি আরোও বলেন, মদিনা সনদের আলোকেই দেশ পরিচালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী ঈদের আগ মূহূর্তে সারা দেশের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের শুভেচ্ছা উপহার দিয়ে সম্মানিত করেছেন।

তবে ঈদের আগে এ অর্থ পাওয়ার কথা থাকলেও ইসলামিক ফাউন্ডেশন মাগুরার পরিচালকের গাফিলতির কারণে তা হয়ে ওঠেনি। একটু বিলম্ভ হলেও এ উপহারটি গ্রহন করে দেশের জন্য কাজ করতে এবং করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য দোয়া করতে ইমামদের প্রতি আহবান করেন।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মিয়া মাহমুদুল গনি শাহিন, থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আহমেদ মাসুদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মশিয়ার রহমান, শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুসাফির নজরুল, আমলসার ইউপি চেয়ারম্যান সেবানন্দ বিশ্বাস, শ্রীকোল ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাসিম বিল্লাহ সংগ্রাম, দ্বারিয়াপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন কানন, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা আক্তারুজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কহিনুর জাহান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২৭৫টি মসজিদের সভাপতি,ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণ। একই সময় প্রধান অতিথি মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর ঘুর্নিঝড় আম্পানসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ ৬০টি পরিবারের মাঝে ৬০ বান্ডিল টিন,জনপ্রতি নগদ ৩ হাজার করে টাকা ও ১০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করেন।

বিশেষ ব্যবস্থায় বেনাপোল রেলপথে আমদানি হলো প্রথম খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: মহামারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় বেনাপোল স্থলপথে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় বিশেষ ব্যবস্থায় রেলপথে খাদ্যদ্রব্য জাতীয় কাঁচামাল আমদানি শুরু হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। কাস্টমস ও রেলওয়ে বিভাগের পণ্য ছাড়করনের কার্যক্রম চলছে। এর আগে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে রেলপথে আমদানির অনুমতি দেন।

রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ৭ টায় ৪২ টি ওয়াগানে ভারত থেকে ২ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন শুকনা মরিচ, হলুদ ও আদা আমদানি করা হয়। এটি বেনাপোল রেলপথে প্রথম খাদ্যদ্রব্য জাতীয় কোন পণ্যের আমদানি। পণ্যের আমদানিকারক বগুড়ার রুবেল এন্টারপ্রাইজ, সিঅ্যান্ডএফ এফ এজেন্ট বেনাপোলের রাজিব ট্রেড লংট্রেড।

আমদনিকারকের প্রতিনিধি বাদশা জানান, করোনাভাইরাসের কারণে স্থলপথে আমদানি বন্ধ থাকায় তাদের এসব পণ্য আড়াই মাস যাবত ভারতের পেট্রাপোলে বন্দরে আটকা ছিল। অবশেষে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টায় রেলপথে এসব পণ্য ঢুকেছে। এতে তারা কিছুটা হলেও ক্ষতির হাত থেকে বাঁচবেন।

বেনাপোল বন্দর সূত্র জানায়, বাংলাদেশে শিল্প কারখানার জন্য ভারতীয় পণ্য, কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতির চাহিদা ক্রমশ: বাড়ছে। আমদানিকারকরা চীন ও ইউরোপের পরিবর্তে ভারত থেকে পণ্য ও কাঁচামাল আনতে আগ্রহী। কিন্তু বিলম্ব ও হয়রানির কারণে তারা বেনাপোল বন্দর থেকে থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রকৃতি ভারতীয় পণ্যের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে বেনাপোলে রেলকার্গো চালু অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ রেলকার্গো হ্যান্ডলিংয়ের সকল প্রস্তুুতি গ্রহণ করেছে। ট্রাকে বাহিত পণ্য বেনাপোল আসতে যেখানে ৫ থেকে ৭ দিন লাগে, সেখানে রেলকার্গোতে পৌঁছাতে লাগবে মাত্র ৩ ঘণ্টা। বাকি কয়েক ঘণ্টায় শুল্কায়ন ও খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে পণ্য চলে যাবে নির্দিস্ট আমদানিকারকের ঘরে। এ পরিস্থিতিতে পুরোদমে রেলকার্গো চালু হলে আমদানি দ্বিগুণ হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের রাজস্ব কর্মকর্তা নঈম মিরন বলেন, বর্তমানে স্থলপথে আমদানি বন্ধ রয়েছে। বিশেষ ব্যবস্থায় কাস্টমস কমিশনারের প্রচেষ্টায় এসব পণ্য রেলপথে আমদানি হচ্ছে।আশা করা যাচ্ছে এভাবে বাণিজ্য চালু থাকবে। ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রæত পণ্য খালাস নিতে পারেন তার জন্য তারা আন্তরিক ভাবে কাজ করছেন।

বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন সেকেন্ড মাস্টার মোছাঃ পারভিনা খাতুন বলেন, আমদানিকৃত খাদ্যদ্রব্যের চালান ছাড় করাতে কাস্টমস ও রেলওয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলছে। কাজ সম্পূর্ণ হলে চালানটি ছাড় দেওয়া হবে।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রকৃতি ভারতীয় পণ্যের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে বেনাপোলে রেলকার্গো চালু এখন সময়ের দাবি। আমদানিকারকের সামনে মুক্তবাজার অর্থনীতি, বিকল্প পণ্য, বিকল্প দেশ উন্মুক্ত। বহু আমাদানিকারক বেনাপোল থেকে চট্রগ্রাম, মোংলা ও অন্যান্য বন্দরে চলে গেছে। ৩৫ হাজার কোটি টাকা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কিছু লোভী ও দুর্বৃত্ত ব্যক্তির খামখেয়ালের ওপর নির্ভরশীল হয়ে চলতে পারে না। দু’দেশের নীতি নির্ধারকদেরকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে মাফিয়ামুক্ত সুষম বাণিজ্যের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সিন্ডিকেটমুক্ত সহজ সুষম বাণিজ্য নিশ্চিত করতে হলে কমলাপুর আইসিডির মতো শর্তহীন অবাধে সব রকম পণ্য রেলকাগো ও কন্টেইনারে আমদানির বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।

ধামরাইয়ে মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন , ধামরাই প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাইয়ের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির প্রায় লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ রবিবার সকালে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের কেলিয়া এলাকায় মহাসড়কের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা জানান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে কেলিয়া থেকে শার্ট ও পেন্ট পড়া অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের নাম ও পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরে আটকে পড়া ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা দেশে ফিরতে চাই

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানিকৃত বিভিন্ন পন্য নিয়ে আসা ১৯ জন ভারতীয় ট্রাকচালক ২মাসের অধিক সময় অতিবাহিত হলেও তাদেরকে এখনো পর্যন্ত দেশে ফেরত নেয়নি ভারত সরকার। ফলে মানবেতর জীবনযাপন করছে এসমস্ত ট্রাক চালক।

বাংলাদেশে আমদানিকারক ও স্থানীয় সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা করোনাভাইরাস দুর্যোগে ভারতীয় ট্রাকচালকদের নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে। বিষয়টি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও কোন ফলপ্রসূ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট ।

বেনাপোল স্থলবন্দর ও কাস্টমস সূত্র জানিয়েছে, ভারতে লকডাউন ঘোষনার আগের দিন গত ২০শে মার্চ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে শিল্প কারখানার কাঁচামালসহ বিভিন্ন ধরনের পন্য নিয়ে আসে ট্রাক চালকরা। কিন্তু পন্য বেনাপোল বন্দরে খালাসের পর থেকে ট্রাক ও চালকদেরকে নিজ দেশে ফেরত নেয়নি ভারত।

ভারতের উত্তর প্রদেশে বাড়ি ট্রাক চালক সীতারাম বলেন,আমরা বাংলাদেশে এসে আটকে পড়েছি। ভারত সরকার আমাদের নিচ্ছে না। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কোন যোগাযোগ করতে পারছি না। কাছে যা টাকা পয়সা ছিল অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে।খেয়ে না খেয়ে গাড়িতেই ঘুমাচ্ছি।

বেনাপোল বন্দর,কাস্টমস ও সিএন্ডএফ এজেন্টের লোকজন মাঝে মাঝে কিছু খাদ্য সহয়তা দিয়েছে। তাতে জীবন চলে না। খাদ্য সহয়তা চায় না ,আমরা দেশে ফিরতে চাই। মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, করোনাভাইরাস আতঙ্ক ও ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি না থাকায় গাড়ি ও চালকদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। আমরাও কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা করছি। অনুমতি পেলেই ভারতীয় চালকরা ট্রাকসহ বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসবে।

বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (ডিডি) মামুন কবির তরফদার বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থলবন্দরের ইয়ার্ডের ভেতরেই ট্রাক ও চালকদের রাখা হয়েছে।বন্দর,কাস্টমস ও সিএন্ডএফ এজেন্টরা চালকদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন।

চালকরা নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছেন।দ্রুত সমস্যা সমাধানে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। অনুমতি পেলে যে কোন মুহর্তে চালক ও ট্রাক গুলো ফেরত পাঠানো হবে।

রাণীশংকৈলে নূতন করে করোনা আক্রান্ত ৪, মৃত্যু ১

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল ( ঠাকুরগাও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ২৮ মে শনিবার নূতন করে ৪ জন করোনা রোগি শনাক্ত করা হয়েছে।

রোগিরা হলেন- দুর্লভপুর গ্রামের মুসলেউদ্দীন(৪৬) পিতা- মৃত রহিমউদ্দীন, বাঁশরাইল গ্রামের আশরাফুল ইসলাম(২৫) পিতা-হারুনুর রশিদ, লেহেম্বা গ্রামের রাত্রিবালা(১৭) পিতা- ভূপেন চন্দ্র, চাপোর পার্বতীপুর গ্রামের চেনবানু(২৬) পিতা- নজরুল ইসলাম।

তাদেরকে রাণীশংকৈল হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। তারা সবাই ঢাকা ফেরত। এদিকে, গত ২৪ মে পৌর শহরের ভান্ডারা মহল্লায় গত ২৪ মে মারা যাওয়া আমেনা বেগম(৮০) এর নমূনা সংগ্রহের রিপোর্ট
আজ পজিটিভ পাওয়া গেছে। প্রসঙ্গত,আজকের ৪ জন সহ রানীশংকৈল হাসপাতালে মোট ৮ জন রোগি চিকিৎসাধীন আছেন। ইতোপূর্বে ৩ জন রোগি করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ফিরোজ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বর্ষায় মশার উপদ্রব: ডেঙ্গু আতংকে বেনাপোল বাসী

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ শীতের বিদায় ঘণ্টা বাজার পরপরই বেনাপোলে শুরু হতে থাকে মশার উৎপাত। মশার কামড়ে অতিষ্ঠ বেনাপোল বাসী। আর গত ৫-৭ দিনের থেমে থেমে সামান্য বৃষ্টিতে এর মাত্রা আরও ছাড়িয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে পৌর ও ইউনিয়নবাসীর মনে ছড়িয়েছে পুরোনো ডেঙ্গু আতঙ্কও। তবে, বেনাপোল পৌরসভা থেকে বলা হয়েছে, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসসহ মশন নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

গত বছরের এই সময়ে রাজধানী ঢাকাতে এডিস মশার উৎপাত বাড়ে। জুন-জুলাই মাসে এর ব্যাপকতা আরও বেড়ে গিয়ে প্রাণঘাতী ডেঙ্গু ছড়াতে থাকে, রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। গ্রাম-শহরের অনেক মানুষের মৃত্যু হলেও সবচেয়ে বিপর্যস্ত অবস্থা হয় রাজধানী ঢাকায়। ঢাকাসহ জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা ইউনিট খুলতে হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে জানা গেছে, গেলো বছর দেশে এক লাখেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও ১৩৩ জন ডেঙ্গুতে মারা গেছেন বলে জানায় আইইডিসিআর। ফলে, চলতি বছর মশার উৎপাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুর আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

বেনাপোল পৌরসভা বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সন্ধ্যার পরপরই মশার উৎপাত বাড়ে। কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করলেও মশা যায় না। বাধ্য হয়ে মশারি টাঙাতে হয়। এতে বাসায় চলাফেরায় বাধা সৃষ্টি হয়।

ভবারবেড় এলাকায় আল আমিন বলেন, ‘সন্ধ্যার পরপরই বাসায় মশার উৎপাত বাড়ে। রাতভর মশা আর ডেঙ্গু আতঙ্কে কাটাতে হয়। মশার স্পে ও কয়েল কোনো কাজে আসে না। ’

আল-আমিনের মতো একই অভিজ্ঞতার কথা জানান কাগজপুকুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম, ছোট আচঁড়ার ইশরাত সুলতানা, নামাজ গ্রামের জাকির হোসেন , বেনাপোলের আসাদুজ্জামান রিপন,আবুল কালাম, ইদ্রিস আলম, বড়আঁচড়ার সাগর হোসেন, সাদিপুর গ্রামের জমির হোসেন। এজন্য তারা মশক নিধনে বেনাপোল পৌরসভা ও বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদের ব্যর্থতাকে দায়ী করেন।

দূর্গাপুর গ্রামের মিরাজ বলেন, এবছরও তাদের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ছে না। বেনাপোল পৌরসভা যদি তারা ঠিকভাবে কাজ করতো, তাহলে মশার উৎপাত এত বাড়তো না।’

দিঘিরপাড় গ্রামের মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মশার উৎপাত বাড়ায় ছেলে-মেয়ে ঠিক মতো পড়ার টেবিলে বসতে পারে না। এতে তাদের অনেক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। এভাবে চললে বেনাপোলে বসবাস করা কঠিন হয়ে যাবে।’

এদিকে, শার্শা উপজেলা কীটতত্ত¡বিদরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গু নির্মূলে শুধু একটি মৌসুম নয়, সারা বছর কাজ করতে হবে। তা না হলে এডিসসহ অন্যান্য মশা থেকে বাঁচা সম্ভব হবে না।এডিস মশা প্রতিক‚ল পরিবেশেও ডিম ছাড়তে পারে। ডিমগুলো অনেক দিন টিকে থাকতে পারে। পানির স্পর্শ পেলেই এগুলো থেকে লার্ভা হয়। ওইসব মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারসহ এসকল এলাকায় কাজ করতে হবে। ’

বেনাপোল পৌরসভার সচিব রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের যেসব ওয়ার্ড ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিত কার্যক্রম চলছে।’ যেহেতু ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে, এজন্য এখন মশক নিধনের ঔষধ ছিটানোর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কারণ বৃষ্টির ভিতর ঔষধ ছিটালে ওষুধের কার্যকারিতা থাকেনা। বৃষ্টি কমে গেলে ওষুধ ছিটানোর কাজ অব্যাহত থাকবে। এগুলো মনিটরিং করার জন্যও টিম করে দেওয়া হয়েছে।’ মশা নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের কার্যক্রম চালানো হবে বলেও তিনি জানান।

বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বজলুর রহমান বলেন ইতিমধ্যে বিøচিং পাউডার ছিটানো হয়েছে।আগামী ১লা জুন থেকে মশক নিধনের স্প্রে করা হবে। বেনাপোল ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আমাদেরকে জানান।

আজ জামাই ষষ্ঠী,মেয়ে জামাইয়ের মঙ্গল কামনাই ব্যস্ত শাশুড়িরা

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ আজ জামাই ষষ্ঠী।হিন্দু বাঙ্গালীর কাছে এই দিনটি বিশেষ একটি দিন।মেয়ে- জামাইয়ের মঙ্গল কামনাই শাশুড়িরা এই ষষ্ঠী পূজা করে থাকে। জ্যৈষ্ঠের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে শাশুড়িরা যে বিশেষ ষষ্ঠীর পুজো করেন সেটাই জামাইষষ্ঠী নামে পরিচিত। আজও বেশ কিছু বনেদি পরিবারে অতীতের রীতি মেনে হয় জামাইষষ্ঠী।

এই দিনে আম,কাঁঠাল,করমচা,সাদাভাত, শুক্তো, সাত রকমের ভাজা, শাক, মুগের ডাল, সরষে পাবদা, পোলাও, পাঁঠার ঝোল, কই মাছ, ইলিশ সরষে হরগৌরী। শশুরবাড়িতে পৌঁছলে জামাইকে দেওয়া হত ধুতি, পাঞ্জাবি। তার পরে শুরু হত জামাইষষ্ঠীর মূল অনুষ্ঠান। একটা ঝুড়িতে পান, নানা ধরনের ফল আর উপহার জামাইকে দেওয়া হত।

কিন্তু এই বছর লকডাউন অনেক কিছুই কেড়ে নিয়েছে। পয়লা বৈশাখ পালন হয়েছে নমো নমো করে। ঘরেই সারতে হয়েছে ইদের আনন্দ।জামাই ষষ্ঠী নিয়েও কৌতুহল ছিলো শাশুড়িদের মনে মনে।করোনার ছোঁবলে সরকারী লকডাউনের যাতাকলে এবার জামাই ষষ্ঠীর বাজার যে মন্দা।

এবার লকডাউনের কারনে শাশুড়িরা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও যেতে পারবে না মন্দিরের সেই বট,বেল গাছটার কাছে।ঘরেই করতে হবে জামাই আদর।ঘরোয়া পরিবেশ এই পালন করতে হবে জামাই ষষ্ঠী।

এবার হয়তো হবে না মেয়ে জামাইকে নতুন পোষাক উপহার দেওয়া, হবেনা বিভিন্ন মিন্ডা মঠাই খাওয়ানো।গাছের নতুন টসটসে পাকা আমটি কেটে জামাইএর হাতে দিয়ে মনেমনে মন্ত্র বলে মঙ্গল কামনা করা।

সব কিছু উপেক্ষা করে মেয়ে জামাইদের জন্য মনে মনে উন্নতি ও মঙ্গল কামনা করবে শাশুড়িরা।

তালতলীতে জাতীয় সমাজ কল্যান পরিষদের ত্রান বিতরণ

তালতলী বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলী সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে শুক্রবার ত্রান বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. শফিকুল আলম উপস্থিত থেকে উপজেলা পরিষদ চত্তরে এ ত্রান বিতরণ করেন।

জানা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজ কল্যান পরিষদের অর্থায়ণে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. শফিকুল আলম উপজেলার প্রতিবন্ধি, দুঃস্থ, অসহায় ও বিধবাদের মধ্য হতে ৪শত ৫৫জনের মধ্যে এ ত্রান বিতরণ করেন।

এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবী উল কবির জোমাদ্দার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি)মো. সেলিম মিঞা ও তালতলী প্রেসক্লাব সভাপতি মু. আ. মোতালিব উপস্থিত ছিলেন।

শ্রীপুরে আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম টোকনের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক ও শ্রীপুর সদর ২নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম টোকনের ব্যক্তিগত উদ্যোগে শুক্রবার সকালে শ্রীপুর পুরাতন বাজারস্থ ইয়াংস্টার ক্লাব প্রাঙ্গণে এলাকার দু’শতাধীক কর্মহীন হতদরিদ্র, অসহায় দুঃস্থদের মাঝে সেমাই, চিনি, সাবান, তেলসহ বিভিন্ন ধরণের ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছেন ।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সুধীর অধিকারী,শ্রীপুর
উপজেলা পূজা উদযাপণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন সরকার,সাংবাদিক আশরাফ হোসেন পল্টু ও হরিন্দী গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক জাহাঙ্গীর হোসেন ।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক ও ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম
টোকন এসময় বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে এ এলাকার অসংখ্য খেটে খাওয়া মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে বিষয়টি ভেবে এবং প্রধানমন্ত্রীর আহবানে সাড়া দিয়ে তিনি চতুর্থবারের মতো এবার তিনি হতদরিদ্র, অসহায় দুঃস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করলেন । তিনি আরোও বলেন,যতদিন দেশে করোনা ভাইরাস প্রাদূভাব থাকবে ,ততদিন তিনি এভাবেই অসহায়দের পাশে থেকে সহযোগিতা করে যাবেন ।

সর্বশেষ আপডেট...