35 C
Dhaka, BD
শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে: মির্জা ফখরুল

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় সরকার সব কিছু খুলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (০৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ডিআরইউতে আয়োজিত নাগরিক ঐক্যের অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, সরকারের কাছে ব্যবসায়ী ও আমলাদের মূল্য যতটা রয়েছে জনগণের মূল্য তার ছিটেফোঁটাও নেই।

মির্জা ফখরুল বলেন, সমস্ত সিদ্ধান্তহীনতা, ভুল সিদ্ধান্ত, সমন্বয়ের অভাব, সরকারের একটা ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে আরেকটি ডিপার্টমেন্টের কোন সমন্বয় নেই। যার ফলে আমরা দেখলাম, এখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। আর পরিস্থিতি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, তখন তো সরকারকে সব কিছু খুলে দিতে হবে। তাই করেছে তারা। এখন তাদের কোন স্থায়ী ভূমিকা দেখা যাবে না।

ঝালকাঠিতে নতুন করে ৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলায় করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) ৪ জনেজনের শনাক্ত হয়েছে।

শনাক্তদের মধ্যে কাঠালিয়া উপজেলায় ২ জন এবং রাজাপুর উপজেলায় ২ জন সনাক্ত করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৫৬ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। মোট শনাক্তদের মধ্যে ঝালকাঠি সদরে ১৯জন, নলছিটিতে ১৬ জন, রাজাপুরে ১২ জন এবং কাঠালিয়াতে ৯ জন।

জেলায় মোট মৃত্যু হয়েছে ২ জনের, মোট সুস্থ হয়েছেন ১৭ জন। মোট সুস্থদের মধ্যে সদরে ১০ জন, নলছিটিতে ৫ জন এবং রাজাপুরে ২ জন জন।

ডাঃ অজিত কুমার বসাকের মতে আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০কোভিড-১৯ এর মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি)ঢাকার ধামরাইয়ে ডাঃ অজিত কুমার বসাকের মতে আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30) কোভিড-১৯ এর মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। করোনা ভাইরাসের এখনও পর্যন্ত ঔষধ বা ভ্যাকসিন তৈরি হয়নি কিন্তু সারা বিশ্বের চিকিৎসকরা এই করোনা ভাইরাসের ঔষধ ও ভ্যাকসিন তৈরি করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে করোনা আতঙ্ক যেন জেকে বসেছে বাংলাদেশেও। কড়া নজরদারিতে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে রোগীদের বিচ্ছিন্ন চিকিৎসা ব্যবস্থা ছাড়া আর কোনো পদক্ষেপ এখনও পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।

ডাঃ অজিত কুমার বসাকের মতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় এই করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মৃত্যুর ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব বলে জানান তিনি। ডাঃ অজিত কুমার বসাক বলেন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30)কোভিড-১৯ এর মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়,করোনা আক্রান্তের উপসর্গ সারানোর জন্য হোমিওপ্যাথিক ঔষধ অত্যন্ত কার্যকর বলে জানানো হয়।

এই হোমিওপ্যাথির উৎপত্তি জার্মানিতে প্রায় দু’শ বছর আগে থেকে,কিন্তু যদিও ভারতীয় উপমহাদেশে এর ব্যবহার শুরু হয় প্রায় আশি বছর আগে। বাংলাদেশেও এর ব্যবহার বহু বছর ধরে হয়ে আসছে, এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক ডা.স্যামুয়েল হ্যানিমেন,

ডাঃ অজিত কুমার বসাক জনান তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে এই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা দিয়ে আসছে রুগীদের, এর সুফলও পাচ্ছে রুগীরা। তিনি এই করোনা ভাইরাসের বিস্তার শুরু থেকেই মানুষকে হোমিওপ্যাথি ঔষধ
আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30)ব্যবহারের পরামর্শ দেন এবং সে
আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30) ঔষধ অনেক মানুষের মাঝে বিনা মূল্যেও দিয়েছেন,তিনি এখন পযন্ত সাংবাদিক সহ বিভিন্ন পযার্য়ের মানুষকে ২০০০ ডোজ/ ডার্ম দিয়েছেন এছাড়া পুলিশ প্রসাসনকে দিয়েছেন ২৮০০ ডোজ/ডার্ম, এর শুফল হলো মানব দেহের প্রিভেনশন/প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় যদি কোন ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হলে এই আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30) ডোজ সেবনে মৃত্যু ঝুঁকি কমে যাবে বলে জানান। এই আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০ (arsenicum album 30) সেবন করলে জিংক ও ভিটামিন ডি দেহে বাড়িয়ে দেয় যে কারনে দেহের চর্বি নষ্ট করে দেয় যদি কোন ব্যক্তি সুস্থ অবস্থায় আর্সেনিকাম অ্যালবাম ৩০
(arsenicum album 30) সেবন করে তার দেহের কোভিড-১৯ জীবানু ধংশ করার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

চিকিৎসার নিয়মঃ তিন দিন খালিপেটে খাওয়ার আধা ঘন্টা আগে চার বড়ি করে সেবন করতে হবে,পুনরায় এক মাস পর আবার আগের নিয়মে তিন দিন খালিপেটে চার বড়ি করে সেবন করতে হবে।ডাক্তার অজিত কুমার বসাক ৫ জানোয়ারি থেকে বিনা মূল্যে এই আর্সেনিকাম
অ্যালবাম ৩০(arsenicum album 30)ঔষুধ মানুষকে দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।আর্সেনিকাম
অ্যালবাম ৩০(arsenicum album 30)মানব দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, এটি ইটালি ও ভারতের আইয়ুস অনুমোদিত।
এই রোগের লক্ষণঃ জ্বর হওয়া, গলা ব্যথা হওয়া, ঠান্ডা লাগা, হাঁচি ও কাশি হওয়া, শরীর ব্যথা হওয়া, অসহনীয় পিপাসিত হওয়া, শ্বাস কষ্ট হওয়া, ছটফটানি করা, মৃত্যু ভয় হওয়া, পাকাশয়ে অতান্ত জ্বালা করা, কলেরা, শিশু কলেরা, রক্ত আমাশা।

ডাঃ অজিত কুমার বসাক আরো বলেন এই মহামারী করোনা ভাইরাস এর কারনে আমার চিকিৎসা সেবা থেমে নেই শুধু আমি নয় আমার পরিবারে যে কজন ডাক্তার আছেন আমার স্ত্রী ডাঃলতা বসাক (হোমিওপ্যাথি),আমার ভাই ডাঃ অরবিন্দো বসাক (এম বি বি এস),আমার মেয়ে ডাঃ উর্মি বসাক (এম বি বি এস),আমার মেয়ের জামাই ডাঃ সোমনাথ সরকার সুমন(এম বি বি এস),আমরা থেমে নেই মানব সেবা থাকে এই মহামারীর সময়েও আমরা শিশু সহ সকল রুগীকেই চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি। তিনি সকলকেই সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্য বিধি মনে চলার পরামর্শ দেন এবং যথা সম্ভব দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরারও পরামর্শ দেন তিনি।

শ্রীপুরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

আশরাফ হোসেন পল্টু, শ্রীপুর( মাগুরা) প্রতিনিধি ঃ আজ (মঙ্গলবার)বিকেলে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার গোপালপুর পূর্বপাড়া এলাকায় পুকুরের পানিতে ডুবে সুরাইয়া খাতুন (৪) নামে এক শিশু কন্যার করুণ মৃত্যু হয়েছে।

নিহতের পিতা মন্টু বিশ্বাস জানান,, দুপুর গড়িয়ে বিকেল অতিবাহিত হতে গেলেও মেয়েটি বাড়িতে ফিরে না এলে পরিবারের লোকজন শিশুটিকে খুঁজতে থাকে। খুজাখুজির একপর্যায়ে পাশের বাড়ির  পুকুরে  শিশুটি ভাসতে দেখে। ভাসমান অবস্থায় পুকুর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষনা করেন।

এ ঘটনায় এলাকা  শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রাণীশংকৈল পৌরশহরের শামীম মাস্টারের আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া !

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার পৌশহরের ভান্ডারা চাঁদনী এলাকার মৃত আব্দুল হামিদ মাস্টারের বড় ছেলে, রাণীশংকৈল দাখিল মাদ্রাসার সিনিয়র সহকারি শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রনেতা মোস্তফা শামীম, ০২ জুন সকাল সাড়ে ১১ টায় মারা গেছেন। ইন্নাল্লিলাহি ওয়া ইন্না ইলাহির রজিউন।

পারিবারিক সুত্রমতে উচ্চ রক্তচাপের ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সকালে নিজ বাড়িতেই তিনি ইত্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ কন্যা, ১ পুত্র সন্তান, আত্মীয়-স্বজনসহ অনেক গুনোগ্রাহী রেখে গেছেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে রাণীশংকৈল মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি, রাণীশংকৈল উপজেলা শিক্ষক সমিতি (বাশিস) গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

এছাড়াও তার মৃত্যুতে রাণীশংকৈল পৌর এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পারিবারিক সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজ মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় রাণীশংকৈল দাখিল মাদ্রাসা মাঠে তার জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাযা শেষে পৌরসভার পাঁচপীর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির সভাপতির জানাযা পুলিশের উপস্থিতিতে দাফন সম্পন

এ আর আহমেদ হোসাইন (দেবীদ্বার-কুমিল্লা)প্রতিনিধি : কুমিল্লা দেবীদ্বারের ন্যায় বিচারের প্রতীক খ্যাত আলহাজ্ব মনিরুল হক ভূঁইয়া(৭৮) আর নেই। তিনি সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় দেবীদ্বার পৌর এলাকার বিজলীবাঞ্জার গ্রামে নিজ বাড়িতে বার্ধক্য জনিত নানা রোগে আক্রান্ত ও করোনা উপস্বর্গ নিয়ে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন।

তার মৃত্যু সংবাদে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।তবে এ নেতার জানাযা বাদ আসর বিজলীবাজার ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশের উপস্থিতিতে বিকেল ৪টা ১০ মিনিটেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জানাযা সম্পন্ন করে ফেলা হয়েছে।

করোনা রোগিদের মৃত্যুর পর দাফন সম্পন্ন করার দায়িত্বে নিয়োজিত ছাত্র লীগ কুমিল্লা উত্তর জেলা সভাপতি আবু কাউছার অনিক’র নেতৃত্বে ‘হেলো ছাত্র লীগ’ টিমের নেতৃত্বে দাফন সম্পন্ন হয়েছে কিনা জানতে চাইলে হেলো ছাত্র লীগ দাফন টিম প্রধান ছাত্র লীগ কুমিল্লা উত্তর জেলা সভাপতি আবু কাউছার অনিক জানান, আমরা শোনেছি বিএনপি উপজেলা সভাপতি আলহাজ্ব মনিরুল হক ভূঁইয়া করোনা উপস্বর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

তাই আমরা আমাদের টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে প্রস্তুত ছিলাম। পরিবার এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের দাফনের অনুমতি না দেয়ায় আমরা উপস্থিত থেকেও দাফন কার্যক্রমে অংশ নেই নাই। নির্ধারিত সময়ের পূর্বে দাফন সম্পন্ন হওয়ার কারন জানতে চাইলে অনিক জানান, বিএনপির এ নেতার দাফন সম্পন্নে ব্যাপক সাংগঠনিক আয়োজনে করার প্রস্তুতির সংবাদে প্রশাসন করোনা ঝুকি এড়াতেই নির্ধারিত সময়ের পূর্বে দাফন সম্পন্ন করার পরামর্শ দিলে, তার পরিবারের পক্ষ থেকে ওই দাফন সম্পন্ন করা হয়।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, আত্মীয় স্বজন ও বহু গুণগ্রাহী এবং রাজনৈতিক সহকর্মী রেখে যান। প্রবীণ রাজনীতিক ও সালিসদার প্রয়াত আলহাজ্ব মনিরুল হক ভূঁইয়া উপজেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি ও দেবীদ্বার সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।

তিনি ছাত্র জীবনে ছাত্র ইউনিয়ন ও পরবর্তীতে ন্যাপ প্রধান অধ্যাপক মোজাফ্ফব আহমেদ’র একজন সাচ্চা অনুস্মারী ছিলেন। ১৯৯১ সালে সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মূন্সীর অনুরোধে ন্যাপ ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান করেন।
মনিরুল হক ভূঁইয়া ব্যাক্তি জীবনে নি:সন্তান ছিলেন। তিনি রাজনৈতিক নেতা পরিচয়ের চেয়ে বেশী পরিচিতি ছিলেন স্বজ্জন ও ন্যায় পরায়ন বিচারক হিসেবে। সর্বজন শ্রদ্ধেয় এ ব্যাক্তি দলমত নির্বিশেষে সকলের নিকট সাদা মনের মানুষ হিসেবে একজন ন্যায় বিচারকের প্রতীক ছিলেন। সামাজিক, পারিবারিক, জমি সংক্রান্ত বিরোধ মিমাংসায় শুধু দেবীদ্বার উপজেলায়ই নন, পাশ্ববর্তী উপজেলা গুলোতেও সকলের নিকট এবং- বিচার প্রার্থীদের ভরসার ও নির্ভরযোগ্য ব্যাক্তি ছিলেন্। তিনি ফতেহাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি, দেবীদ্বার আলহাজ্ব জোবেদা খাতুন মহিলা কলেজ ও দেবীদ্বার রেয়াজ উদ্দিন সরকারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ সদস্য সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্বজনরা জানান, মৃত্যুর কিছুক্ষণ পূর্বেও তিনি বিভিন্ন লোকজনের সাথে সেল ফোনে কথা বলেছেন। তবে গত কয়েকদিন যাবত তিনি জ্বরে ভোগছিলেন, এক পর্যায়ে তিনি অসুস্থ্য বোধ করছেন বলে জানান, কিছুক্ষনের মধ্যেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সংবাদ পেয়ে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একদল স্বাস্থ্য কর্মী মরহুম মনিরুল হক ভূঁইয়ার করোনা নমুনা সংগ্রহ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহাম্মেদ কবির।

তার মৃত্যুতে কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মূন্সী, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল খান, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাজেদা আহসান মূন্সী, ব্যারিষ্টার রিজভিউল আহসান মূন্সী,হংকং শাখা সভাপতি এ,এফ,এম তারেক মূন্সী, বিএনপি উপজেলা সাধারন সম্পাদক মোঃ গিয়াস উদ্দীন আহমেদ, কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা দল সভাপতি সুফিয়া বেগম প্রমূখ ব্যাক্তিবর্গ গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

রাণীশংকৈলে করোনায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন রত্না বেগম

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল,(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৩১ মে রবিবার করোনা আক্রান্ত রত্না বেগম সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

রত্না বেগম গত ১৬ মে রাতে করোনায় পজেটিভ সংক্রমিত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে ভর্তি হয়েছিলেন। এরপর গত ১৪ দিনে রত্নার পর পর দু’বার নমুনা সংগ্রহের পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে এবং সম্পুর্ণ করোনামুক্ত হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে বাড়ি যাওয়ার জন্য আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে ছাড়পত্র দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ ফিরোজ আলম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ চৌধুরী, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ ফিরোজ আলম, এমও (ডিসি) ডাঃ মোরশেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
টিএইচএ ও পঃ পঃ কর্মকর্তা বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, বাসায় অবস্থান করুন, নিজে নিরাপদে থাকুন এবং সকলকে নিরাপদ রাখতে সহায়তা করুন।

রাণীশংকৈল উপজেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ জন এবং মৃত্যুর পর করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে ১ জনের।

আওয়ামীলীগ সরকার মদিনা সনদের আলোকেই দেশ পরিচালনা করছে – মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্জ্ব এ্যাড, সাইফুজ্জামান শিখর ।

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : রবিবার সকালে মাগুরার শ্রীপুরের মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে আর্থিক অনুদান বিতরণকালে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্জ্ব এ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর উপস্থিত মসজিদের সভাপতি,ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের উদ্দেশ্যে বলেন, মদিনা সনদের আলোকেই দেশ পরিচালিত হচ্ছে।

এ কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের সকল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা উপহার দিয়ে সম্মানিত করেছেন। করোনার এ দূর্যোগের সময়ে তিনি সারা দেশের ন্যায় মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার ২৭৫ টি মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কথা বিবেচনা করে মসজিদ প্রতি ৫ হাজার টাকা হারে উপহার দিয়েছেন। রবিবার সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলার মসজিদের সভাপতি,ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলি ব্যক্ত করেন। তিনি আরোও বলেন, মদিনা সনদের আলোকেই দেশ পরিচালিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী ঈদের আগ মূহূর্তে সারা দেশের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের শুভেচ্ছা উপহার দিয়ে সম্মানিত করেছেন।

তবে ঈদের আগে এ অর্থ পাওয়ার কথা থাকলেও ইসলামিক ফাউন্ডেশন মাগুরার পরিচালকের গাফিলতির কারণে তা হয়ে ওঠেনি। একটু বিলম্ভ হলেও এ উপহারটি গ্রহন করে দেশের জন্য কাজ করতে এবং করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য দোয়া করতে ইমামদের প্রতি আহবান করেন।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মিয়া মাহমুদুল গনি শাহিন, থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আহমেদ মাসুদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মশিয়ার রহমান, শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুসাফির নজরুল, আমলসার ইউপি চেয়ারম্যান সেবানন্দ বিশ্বাস, শ্রীকোল ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাসিম বিল্লাহ সংগ্রাম, দ্বারিয়াপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন কানন, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা আক্তারুজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কহিনুর জাহান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২৭৫টি মসজিদের সভাপতি,ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণ। একই সময় প্রধান অতিথি মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর ঘুর্নিঝড় আম্পানসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ ৬০টি পরিবারের মাঝে ৬০ বান্ডিল টিন,জনপ্রতি নগদ ৩ হাজার করে টাকা ও ১০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করেন।

বিশেষ ব্যবস্থায় বেনাপোল রেলপথে আমদানি হলো প্রথম খাদ্যদ্রব্য জাতীয় পণ্য

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: মহামারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় বেনাপোল স্থলপথে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় বিশেষ ব্যবস্থায় রেলপথে খাদ্যদ্রব্য জাতীয় কাঁচামাল আমদানি শুরু হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। কাস্টমস ও রেলওয়ে বিভাগের পণ্য ছাড়করনের কার্যক্রম চলছে। এর আগে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে রেলপথে আমদানির অনুমতি দেন।

রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ৭ টায় ৪২ টি ওয়াগানে ভারত থেকে ২ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন শুকনা মরিচ, হলুদ ও আদা আমদানি করা হয়। এটি বেনাপোল রেলপথে প্রথম খাদ্যদ্রব্য জাতীয় কোন পণ্যের আমদানি। পণ্যের আমদানিকারক বগুড়ার রুবেল এন্টারপ্রাইজ, সিঅ্যান্ডএফ এফ এজেন্ট বেনাপোলের রাজিব ট্রেড লংট্রেড।

আমদনিকারকের প্রতিনিধি বাদশা জানান, করোনাভাইরাসের কারণে স্থলপথে আমদানি বন্ধ থাকায় তাদের এসব পণ্য আড়াই মাস যাবত ভারতের পেট্রাপোলে বন্দরে আটকা ছিল। অবশেষে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টায় রেলপথে এসব পণ্য ঢুকেছে। এতে তারা কিছুটা হলেও ক্ষতির হাত থেকে বাঁচবেন।

বেনাপোল বন্দর সূত্র জানায়, বাংলাদেশে শিল্প কারখানার জন্য ভারতীয় পণ্য, কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতির চাহিদা ক্রমশ: বাড়ছে। আমদানিকারকরা চীন ও ইউরোপের পরিবর্তে ভারত থেকে পণ্য ও কাঁচামাল আনতে আগ্রহী। কিন্তু বিলম্ব ও হয়রানির কারণে তারা বেনাপোল বন্দর থেকে থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রকৃতি ভারতীয় পণ্যের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে বেনাপোলে রেলকার্গো চালু অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ রেলকার্গো হ্যান্ডলিংয়ের সকল প্রস্তুুতি গ্রহণ করেছে। ট্রাকে বাহিত পণ্য বেনাপোল আসতে যেখানে ৫ থেকে ৭ দিন লাগে, সেখানে রেলকার্গোতে পৌঁছাতে লাগবে মাত্র ৩ ঘণ্টা। বাকি কয়েক ঘণ্টায় শুল্কায়ন ও খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে পণ্য চলে যাবে নির্দিস্ট আমদানিকারকের ঘরে। এ পরিস্থিতিতে পুরোদমে রেলকার্গো চালু হলে আমদানি দ্বিগুণ হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের রাজস্ব কর্মকর্তা নঈম মিরন বলেন, বর্তমানে স্থলপথে আমদানি বন্ধ রয়েছে। বিশেষ ব্যবস্থায় কাস্টমস কমিশনারের প্রচেষ্টায় এসব পণ্য রেলপথে আমদানি হচ্ছে।আশা করা যাচ্ছে এভাবে বাণিজ্য চালু থাকবে। ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রæত পণ্য খালাস নিতে পারেন তার জন্য তারা আন্তরিক ভাবে কাজ করছেন।

বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন সেকেন্ড মাস্টার মোছাঃ পারভিনা খাতুন বলেন, আমদানিকৃত খাদ্যদ্রব্যের চালান ছাড় করাতে কাস্টমস ও রেলওয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলছে। কাজ সম্পূর্ণ হলে চালানটি ছাড় দেওয়া হবে।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রকৃতি ভারতীয় পণ্যের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে বেনাপোলে রেলকার্গো চালু এখন সময়ের দাবি। আমদানিকারকের সামনে মুক্তবাজার অর্থনীতি, বিকল্প পণ্য, বিকল্প দেশ উন্মুক্ত। বহু আমাদানিকারক বেনাপোল থেকে চট্রগ্রাম, মোংলা ও অন্যান্য বন্দরে চলে গেছে। ৩৫ হাজার কোটি টাকা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কিছু লোভী ও দুর্বৃত্ত ব্যক্তির খামখেয়ালের ওপর নির্ভরশীল হয়ে চলতে পারে না। দু’দেশের নীতি নির্ধারকদেরকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে মাফিয়ামুক্ত সুষম বাণিজ্যের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সিন্ডিকেটমুক্ত সহজ সুষম বাণিজ্য নিশ্চিত করতে হলে কমলাপুর আইসিডির মতো শর্তহীন অবাধে সব রকম পণ্য রেলকাগো ও কন্টেইনারে আমদানির বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।

ধামরাইয়ে মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন , ধামরাই প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাইয়ের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির প্রায় লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ রবিবার সকালে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের কেলিয়া এলাকায় মহাসড়কের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা জানান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে কেলিয়া থেকে শার্ট ও পেন্ট পড়া অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের নাম ও পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেট...