ধামরাইয়ে ২৪ ঘন্টায় করোনায় আরো এক জনসহ মোট আক্রান্ত ১১
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাইয়ে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আরো এক জনসহ মোট আক্রান্ত ১১ জন।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নূর রিফফাত আরা।
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিলেও ধামরাই উপজেলা ছিলো প্রথম দিকে সংক্রমণ মুক্ত কিন্তু সত সচেতনতা আর দূরত্ব বজায় রেখেও ধামরাইয়ে এখন পযন্ত ১১ জন আক্রান্ত। এদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশন আছেন ৩ জন, ১১/০৫/২০২০ইং এ পর্যন্ত নমূনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪৫৭ জনের, এর মধ্যে এ পর্যন্ত সর্বমোট আক্রান্ত হয়েছে ১১ জন, এদের মধ্যে প্রথম দিকে আক্রান্ত হওয়া ৩ জন সুস্থ হয়েছেন এরা দুইজন বাসায় থেকে সুস্থ হয়েছেন আর এক জন প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে থেকে সুস্থ হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন নারী ও একজন পুরুষ।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নূর রিফফাত আরা বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলা ঘরে অবস্থান করুন ও দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্য বিধি মনে চলোন নিজে সচেতন হন এবং অন্যকে সচেতন করুন, সচেতনতায় আমাদেরকে এই ভাইরাস থেকে দুরে রাখতে পারে।
মাগুরার আশা’র ৭’শ প্যাকেট খাদ্য সহায়তা প্রদান
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার করোনা পরিস্থিতিতে অসহায়দের সাহায্যার্থে পাশে দাঁড়িয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আশা মাগুরা সদর ব্র্যাঞ্চ। সোমবার এনজিওটি জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সুফিয়ানের কাছে সদর উপজেলার গরীব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের জন্য ৭’শ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেছে।
বিকাল ৩ টায় জেলা প্রশাসক ড.আশরাফুল আলমের নিকট ৫’শ প্যাকেট ও সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সুফিয়ানের নিকট ২’শ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেছে।
এ সময় আশা’র ডিভিশনাল ম্যানেজার উত্তম কুমার ভৌমিক, জেলা ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম, রিজিওনাল ম্যানেজার মোঃ কামরুজ্জামান ও সদর ব্র্যাঞ্চ ম্যাানেজার মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
আশা’র ডিভিশনার ম্যানেজার উত্তম কুমার ভৌমিক জানান, করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় আশা’র সহযোগিতায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। আমরা মাগুরা জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট ৭’শ খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছি। এখানে প্রতি প্যাকেটে পরিবার প্রতি ১০ কেজি চাল,২ কেজি ডাল,২ কেজি আলু, ১ কেজি তেল ও ১কেজি লবণ রয়েছে। পাশাপাশি জেলার শ্রীপুর, শালিখা ও মহম্মদপুর উপজেলা ২’শ করে প্যাকেট খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।
দেবীদ্বারে লাশ দাফনে কেউ আসেনি ১১ ঘন্টা পর স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে দাফন
এ আর আহমেদ হোসাইন,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি : কুমিল্লা দেবীদ্বারে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যাক্তির পাশে স্ত্রী সন্তান ছাড়া কেউ নেই।
লাশ দাফনে আত্বীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী এগিয়ে না আসায় ১১ ঘন্টা পর স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে গোসল, জানাযা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়। রোববার ঘটনাটি ঘটেছে দেবীদ্বার উপজেলা বরকামতা ইউনিয়নের নবীয়াবাদ গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত ভোর ৪টায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান নবীয়াবাদ গ্রামের সাবেক কৃষি কর্মকর্তা শাহেদ আলী ভূইয়ার ছেলে হেলাল ভূইয়া। তিনি গত কয়েক দিন যাবৎ জ্বর-ঠান্ডা ও কাঁশিসহ করোনা উপসর্গ নিয়ে ঘরে বসেই চিকিৎসা নিচ্ছিলো। পারিবার তার অসুস্থতার বিষয়টি গোপন রেখে ছিলো। তার মৃত্যুর সংবাদে আত্বীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর কেউ এগিয়ে আসেনি। মৃত্যুর পর ১১ঘন্টা লাশ নিয়ে বসে থাকেন স্ত্রী ও তিন অবুঝ সন্তান। খবর পেয়ে বিকাল ৩ ঘটিকায় কুমিল্লা জেলা সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন সরকারের উদ্যোগে লাশের গোসল, জানাযা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা সে¦চ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন জানান, ভোর রাতে লোকটি মারা গেলে লাশের পাশে অসহায় স্ত্রী ও অবুঝ তিনটি সন্তান কান্না-কাটি করলেও এলাকাবাসী বা তার কোন আত্বীয়-স্বজনরা এগিয়ে আসেনি। লাশ দাফনতো দূরের কথা ওই অসহায় পরিবারটিকে শান্তনা দিতেও তার বাড়ির আশে পাশে কেওই আসে নাই। আমি খবর পেয়ে বিকাল ৩ ঘটিকায় স্থানীয় সেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে লাশের গোসল, জানাযা ও দাফন সম্পন্ন করি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহাম্মদ কবির জানান, হেলাল ভূইয়ার মৃত্যুর খবরটি আমরা পাইনি। তার পরিবারের লোকজন বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কেহই বিষয়টি অবগত করেন নি। মৃত্যুর পর তিন ঘন্টার মধ্যে স্যাম্পল কালেকশন করতে হয়। যখন জেনেছি তখন স্যাম্পল নেওয়া সময় ছিলোনা। তবে আগামীকাল তার পরিবারের সদস্যদের স্যাম্পল নেওয়া ব্যবস্থা করা হবে।
বিএনপি ফটোসেশনের মধ্যই ব্যস্ত-তথ্যমন্ত্রী
সময়-ডেস্ক ঃ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিএনপির উদ্দেশে বলেছেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করার আগে ইউরোপ-আমেরিকা-ভারত-পাকিস্তানের পরিস্থিতির দিকে তাকান, তাহলেই তাদের তুলনায় আমাদের পরিস্থিতিটা বুঝতে পারবেন।
এ সময় দেশের গণমাধ্যম বিষয়ে মন্তব্যকারী কূটনীতিকদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অন্যের বিষয়ে বলার আগে নিজের দেশের প্রশ্নগুলো নিরসন করাই শ্রেয়।





































