নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ রাতেই ফোনপেয়ে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চলমান অঘোষিত লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া দিনমজুর এবং দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়িতে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের রমজান আহমেদে ।আজ সোমবার সন্ধ্যা রাতের পর হঠাৎ করেই রাস্তায় দেখা গেলো সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের রমজান আহমেদকে , তাহার হাতে আর কাঁদে করে কিছু একটা নিয়ে যাচ্ছেন ।
এমন সময় তাহাকে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি প্রথমে কিছু না বলেই হেটে যাচ্ছিলেন , আবারো জিজ্ঞেসা করায় ,তিনি উত্তরে বললেন ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছি ।
তাহার পিছু নেওয়ায়, দেখতে পেলাম তিনি ফোনপেয়ে গরিবের ঘরে ঘরে ত্রাণ দিচ্ছেন ।
এ সময় তিনি আরো বলেন ,করোনা মোকাবিলায় কয়েক দিন ধরে বন্ধ রয়েছে যানবাহন চলাচল। বন্ধ হয়ে গেছে অনেক কলকারখানা ও দোকানপাট। কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। অসহায় হয়ে পড়েছেন অনেক দিনমজুর, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। জনসমাগম এড়িয়ে এসব অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করতে আমি সবসময় পাশে আছি ।
এছাড়াও রমজান আহমেদ সাভার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বাড্ডা এলাকায় দুইশত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন ।
এ আর আহমেদ হোসাইন,(কুমিল্লা)প্রতিনিধি :কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ সামনে সোমবার সকালে ইউনিয়নের ১৯৫ জন হতদরিদ্র সাধারন জনগনের মাঝে ৩০কেজি করে করোনা মোকাবেলায় সরকারি বরাদ্দ ভিজিডি ও ডিজিএফ’র চাউল বিতরণ করা হয়।ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেনের সন্ঝালনায় ওই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় অফিসার মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া, ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার, আব্দুর রশিদ, আবুল কাশেম বাবুল, আবুল কালাম আজাদ,বজলুর রহমান, আব্দুল হালিমসহ আরও অনেকে।ওই সময় ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বলেন-জাফরগঞ্জ ইউনিয়নে সরকারি ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে আমাদের প্রতিটি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে নামের তালিকা করে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
মোঃ রাসেল ইসলাম ,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ জিবনকে বাজি রেখে করোনা ভাইরাসকে ভয় না করে ভারতীয় ৭০ বোতল ফেন্সিডিল সহ পুটখালী গ্রামের আলী হোসেন এর ছেলে লিটন(২৫) ও খড়িডাঙ্গা গ্রামের কামাল হোসেন এর ছেলে মিকাইল হোসেন(২০) নামে দুই মাদক বহনকারীকে গ্রেফতার করেন। সোমবার(১৩ ই এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪ টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মোস্তাফিজুর রহমান,এএসআই আলমগীর হোসেন,কনেস্টবল খলিলুর রহমান ও কনেস্টবল চঞ্চলকর্মকর বেনাপোল পোর্ট থানাধীন খড়িডাঙ্গা মাঠ থেকে ৭০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল সহ দুই মাদক বহনকারীকে গ্রেফতার করা হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মামুন খান গ্রেফতার আসামী সহ মাদক উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি আরো বলেন, উদ্ধার মাদক সহ আসামীদের যশোর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি :মাগুরার শ্রীপুর থানা পুলিশ কৃষক বেশে অভিনব কায়দায় গতকাল সোমবার দুপুরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় দাইরপোল গ্রাম থেকে মতিয়ার রহমান (৫৫), শরিফুল ইসলাম (৫০),নাহিদুল ইসলাম রোমেল (৩৭) ও রাসেল শেখ (২৫) নামে চার মাদক ব্যবসায়ীকে ৮০পিচ ইয়াবাসহ আটক করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের পুত্র মতিয়ার রহমান ও একই গ্রামের এজের আলী শেখের পুত্র শরিফুল ইসলাম, টুপিপাড়া গ্রামের আবুল হাসেমের পুত্র নাহিদুল ইসলাম ও মদনপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ শেখের পুত্র রাসেল শেখ এরা সবাই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নামে পরিচিত ।
বারইপাড়া গ্রামের মাদক সম্রাট ও অসংখ্য মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামী মতিয়ার রহমানসহ আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে অত্র এলাকায় গাঁজা, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকের ব্যবসা করে আসছিল। এরই সূত্রধরে গতকাল সোমবার দুপুরে আটককৃতরা ইয়াবা বেচাকেনা করার জন্য দাইরপোল গ্রামস্থ ঈদগা এর পার্শ্ববর্তী ইমারত বিশ্বাসের মেহগিনি বাগানের কাছে অবস্থান করছিল ।
এমন সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহাবুবুর রহমানের নির্দেশে এস,আই প্রনয় কুমার এর নেতৃত্বে এ,এস,আই রমজান আলী,এ,এস,আই রকিবুল ইসলাম,এ,এস,আই ইমরান হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স পুলিশি পোশাক খুলে রেখে কৃষক বেশ ধারণ করে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মাদক বিক্রেতাদের আটক করতে সক্ষম হয়। আটকের পর তাদের দেহ তল্লাশী করে ৮০পিচ ইয়াবা (যার আনুমানিক মূল্য ৪০ হাজার টাকা) উদ্ধার করা হয় ।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহাবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আটককৃতরা প্রত্যেকেই মাদক ব্যবসায় সাথে জড়িত । এদের বিরুদ্ধে পূর্ব থেকেই থানায় অভিযোগ ছিল । আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে শ্রীপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের হয়েছে,যার মামলা নং ০৭ তাং ১৩/০৪/২০২০,ধারা ৩৬(১) এর ১০(ক)/৪০ । সোমবার দুপুরেই তাদের মাগুরা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ।
এনামুল হক, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের মধ্যে সাহাবাজ গ্রামের মোঃ আতোয়ার রহমান ও তার বাবা গ্রামে ভ্যানে করে কর্মহীন হয়ে পড়া ও দুস্থদের মাঝে তার ব্যক্তিগত অর্থে খাদ্য সামগ্রী ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন।সোমবার সকালে উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের মধ্যে সাহাবাজ ও দক্ষিণ সাহাবাজ গ্রামে তিনটি ভ্যানে ত্রাণ নিয়ে গ্রামের ১৫০ টি পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রতি পরিবারের মাঝে চাল,ডাল,লবন,সাবান,মরিচ,পিয়াজ,আলু ঘরে ঘরে পৌছে দেন মধ্যে সাহাবাজ পাড়াস্থ আতোয়ার ও তার বাবা মোঃ ফয়জার রহমান ।
এসময় তার বাবা ফয়জার রহমান বলেন, আমার তিন ছেলে ঢাকায় শিপইয়ার্ডে কর্মরত আছে তন্মধ্যে জানুয়ারী মাসেই দুই ছেলে বাড়ীতে এসেছে কিন্তু পরবর্তীতে দেশে করোনা ভাইরাস ভয়াবহ আকার ধারণ করায় তারা যেতে পারেনি। দেশের এ অবস্থায় যখন খেটে খাওয়া মানুষেরা কর্মহীন হয়ে পরে ঠিক তখনি ছেলেদের সাথে পরামর্শ করে দুস্থ, কর্মহীন অসহায়দের ঘরে ঘরে খাবার পৌছে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই ।তাই আমরা আজকে আমাদের সর্বানন্দ ইউনিয়নের মধ্যে সাহাবাজ ও দক্ষিণ সাহাবাজ গ্রামের অসহায়, দুস্থ, কর্মহীনদের ঘরে ঘরে গিয়ে খাবার পৌছে দিচ্ছি। এবং করোনা প্রতিরোধে সকলকে সচেতন করছি ও ঘরে থাকার অনুরোধ করছি।সেই সাথে সমাজের বিত্তবান শ্রেণির মানুষের কাছে অনুরোধ করে বলেন ,, ভাই আপনারা যদি কয়েকজন বিত্তবান শ্রেণির মানুষ সম্মিলিত হয়ে একটি সমাজকে ক্ষুধা মুক্ত করেন তাহলে দেশে কোনো মানুষ অনাহারে থাকবেনা।
জাহিন সিংহ, সাভার: করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চলমান পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া এলাকার দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়ালেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন খান শুভ।সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব ও ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর ইসলামের নির্দেশনায় বিভিন্ন সামাজিক সেবামূলক কাজ করে আসছেন তিনি।
তারই ধারবাহিকতায় সাভারের আমিনবাজার ইউনিয়নের বড়দেশী গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রায় শতাধিক দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিলেন এই ছাত্রলীগ নেতা।
এব্যপারে ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন খান শুভ বলেন, সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ও মানবিক হতে শিখিয়েছেন। তাই মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে এলাকার অসহায় মানুষের ঘরে খাবার পৌঁছে দিতে চেষ্টা করছি।
এসময় ত্রাণ সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দুস্থ পরিবারগুলো। বিতরণ করা ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- চাল, ডাল, তেল, লবন, আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য।
এছাড়া ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন খান শুভ’র নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পাড়া মহাল্লায় বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নিয়মিত এধরণের বিভিন্ন সেবামূলক সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান ছাত্রলীগ নেতা শুভ।
সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করোনা ভাইরাস (কোভিট-১৯) বিস্তৃতি ও সংক্রমণ ঝুঁকি মোকাবেলায় জেলায় জনসাধারণের প্রবেশ ও প্রস্থান নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে গত ১০ এপ্রিল জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে জরুরী বিধি নিষেধ জারী করা হয়। এতে জেলার এক ইউনিয়ন থেকে অন্য ইউনিয়নের যেকোন প্রবেশ পথ দিয়ে যান বাহন প্রবেশ ও প্রস্থানের নিষেধাজ্ঞা জারী করে জেলার প্রতিটি ইউনিয়নের প্রবেশপথ সমূহে ব্যারিকেড স্থাপন করে চলাচল নিয়ন্ত্রণের রাখার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড মেম্বার ও গ্রাম পুলিশদের নির্দেশনা দেয়া হয়। কিন্তু জেলা প্রশাসন কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশনা সিরাজদিখান উপজেলায় গত তিন দিনেও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কোন চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গ্রাম পুলিশকে উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ সদর ও টংগিবাড়ী থেকে সিরাজদিখান উপজেলা প্রবেশ পথ বাড়ৈপারা ব্রিজ। মধ্যপাড়া,ইছাপুরা ও শ্রীনগর উপজেলা থেকে মালখানগর হয়ে মুন্সীগঞ্জ সদরে যাওয়ার কাকালদী জোর পুলের মোড়। বয়রাগাদী থেকে মালখানগরের প্রবেশ পথের ব্রীজ। জোর পুল (জংসন রোড) সিরাজদিখান উপজেলায় প্রবেশ পথের ব্রীজসমূহ খোলা থাকায় অন্য উপজেলা থেকে যানবাহন প্রবেশ করছে এবং বেরও হচ্ছে । এছাড়া উপজেলার তালতলা বাজারের পূর্ব দিকের নদীপথে দুইটি খেয়া ঘাট রয়েছে। এ খেয়া ঘাট দুটো পার হয়ে খুব সহজেই নারায়ণগঞ্জ জেলা থেকে সিরাজদিখানে উপজেলায় প্রবেশ করা যায়। এতে করে উপজেলাবাসী করোনা ভাইরাস আতঙ্কে রয়েছে। এব্যাপারে সিরাজদিখান উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের কাছে জানতে চাইলে অনেক চেয়ারম্যান বিষয়টি জানেনা বলে জানান।
সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধি : প্রানঘাতি করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ঝালকাঠিতে অঘোষিত লকডাউন চলছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকান ছাড়া সব দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে সেলুন চুল কাটাতে না পেরে ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় যুবকরা । সেচ্ছায় মাথা ন্যাড়া হয়েছেন অনেকেই।১১/০৪/২০২০ইং তারিখ শনিবার ঝালকাঠি বেশ কিছু এলাকার শিশু ও কিশোরদের মাথা ন্যাড়া করা একটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
একটি এলাকায় একই সাথে ২২ জন শিশু ও কিশোর মাথা ন্যাড়া করেছে। স্থানীয় এক যুবক জানায়, করোনা ভাইরাসের কারনে বাজার লকডাউন থাকায় আমরা চুল কাটাতে পারছিলাম না। চৈত্রের প্রচন্ড তাপদাহ থেকে একটু স্বস্তি পাওয়ার আশায় মাথা ন্যাড়া করেছি।
কল্যাণকাঠি, সুগন্ধিয়া, বিনয়কাঠি, মানপাশা সহ জেলার বিভিন্ন এলাকার শিশু ও কিশোর সহ নানা বয়সের মানুষের মাথা ন্যাড়া করার বিন্ন চিত্র।
বিপ্লব ,সাভার ঃবকেয়া বেতনের দাবিতে সাভারের হেমায়েতপুর,তেঁতুলঝোড়া রাকেফ এপারেলস লিঃ এর শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ।
আজ রবিবার সকালে হেমায়েতপুর তেতুঝোড়া এলাকায় রাকেফ এপারেলস লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা এ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন ।
কারখানার একাধিক শ্রমিকরা জানায়, রাকিব ফ্যাশন লিমিটেডের মালিক জানুয়ারি থেকে শ্রমিকদের বেতন নিয়ে টালবাহানা করে আসছিলেন।
মার্চে বকেয়া বেতন পরিশোধের কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ ওই দিন বেতন না দিয়ে ১৩ তারিখে বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে কারখানাটি ছুটি ঘোষণা করেন।
কারখানার একাধিক শ্রমিকরা অফিস স্টাফদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আগামীকাল সোমাবর (১৩ এপ্রিল) বেতন দেওয়া হবে না বলে , জানতে পারেন ।
পরে তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশের একটি দল ঘটনা স্থলে পোঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন।
শ্রমিকদের দাবী গেল জানুয়ারি মাস থেকে তারা বেতন পাচ্ছেন না , এই কারখানায় প্রায় চার হাজার শ্রমিক কাজ করে , গেল জানুয়ারি মাস থেকে মালিকপক্ষ নানা অজুহাতে তাদের বেতন নিয়ে তালবাহানা করছেন , বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের আর কোন উপায়অন্ত নেই, আমাদের বকেয়া বেতন দিয়ে দেয়া হউক ।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১১ এপ্রিল শনিবার বিকাল থেকে সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা থেকে উপজেলায় আগতদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারাইন্টেনে রাখতে চিরুনি অভিযান অব্যাহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকাল থেকে ১২ এপ্রিল দুপুর পর্যন্ত চিরুনি অভিযানে উপজেলার হোসেনগাঁও, রাউতনগর, সিদলি বারঘরিয়া, খঞ্জনা ও মিরডাঙ্গীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১৬ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে এসেছে অভিযান টিম। আগের ৮ জনসহ মোট ২৪ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রেখেছে রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য বিভাগ। চিরুনি অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও সোহাগ চন্দ্র সাহা। এ ছাড়াও অভিযান পরিচালনায় সহোযোগিতা করেন, থানা অফিসার ইনর্চাজ আব্দুল মান্নান, ভাইসচেয়ারম্যান সোহেল রানা ও ডাঃ সালাম প্রমুখ।
সম্প্রতি করোনা সংক্রমণে নারায়নগঞ্জকে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) ঝুঁকিপূর্ণ (হটস্পট) হিসেবে চিহ্নিত করেছে। যার ফলে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি বাস ও কিছু মানুষ গোপনে রাণীশংকৈলে আসার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে এ অভিযান শুরু করেছেন উপজেলা প্রশাসন। এ ব্যাপারে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ ফিরোজ আলম বলেন, কিছুদিন আগে সনাক্ত করে ৮ জনকে এবং গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ১৬ জনকে আমরা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করেছি।
এছাড়াও আমাদের স্বাস্থ্য সহকারিদের সহোযোগিতায় আরো ফেরতদের তালিকা হাতে এসেছে, তাই চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে।