28 C
Dhaka, BD
মঙ্গলবার, আগস্ট ১৮, ২০২৬

দেবীদ্বারে গরিবের চাউল আত্মসাতের অভিযোগে চেয়ারম্যানের ভাইয়ের ডিলারশীপ বাতিল ১ইউপি মেম্বার আটক

এ আর আহমেদ হোসাইন(দেবীদ্বার-কুমিল্লা) :গরিবের চাউল আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলার ৩নং সুবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের সরকারের বড় ভাই আব্দুল কুদ্দুস সরকারের ওএমএস’র ডিলারশীপ বাতিল করেছে প্রশাসন।

একই সাথে ওই ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ আব্দুল মান্নান মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার দুপুরে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সুবিল ইউনিয়নে ওএমএস’র চাউল বিক্রয় করা হচ্ছে কিন্তু সাধারন ক্রেতারা চাউল পাচ্ছেন না। ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে ধরনা দিয়েও চাউল থাক দূরের কথা নানাভাবে তিরস্কার ও নাজেহাল হয়ে আসতে হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ভোক্তভূগীদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সেল ফোনে জানালে তিনি উপজেলা কৃষিকর্মকর্মতা উত্তম কুমার কবিরাজকে প্রধান করে ৩সদস্যের একটি তদন্ত টিম করেন। উপজেলা কৃষিকর্মকর্মতা উত্তম কুমার কবিরাজ’র নেতৃত্বে ৩সদস্যের একটি টিম বৃহস্পতি ও শুক্রবার তদন্তে নামেন।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সরজেমিনে স্থানীয়দের যতজনের সাথে সাথে কথা বলেছেন ওনারা কেউ ১০টাকা কেজি দরে চাউল পাননি এবং এ কর্মসূচী পূর্ব থেকে চলমান তাও কেউ জানেনা।

এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও তদন্ত টিম প্রধান উত্তম কুমার কবিরাজ জানান, এলাকায় তদন্তে যেয়ে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তাতে মনে হল ওএমএস’র চাউল বিতরণ কার্যক্রম সম্পর্কে ওই ইউনিয়নরে কেহই অবগত নন। প্রতি ইউনিয়নে উপকারভোগী ৫শত জন ১০টাকা দরে ৩০ কেজি করে চাউল পাওয়ার কথা থাকলেও এ ইউনিয়নের কেউ পেয়েছেন তা জানেনইনা। এমনকি এ কর্মসূচীর আওতায় কার্ডধারী ৫শতজনের একটি কার্ডও গ্রাহকের কাছে পৌঁছে নাই। কার্ডধারীরাও জানেনা ওরা ওএমএস তালিকাভূক্ত আছেন।

এব্যাপারে সুবিল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল মান্নান মোল্লাকে আটক করে ওএমএস’র কার্ডগুলো গ্রাহকদের কাছে পৌঁছান নাই কেন জানতে চাইলে তিনিও ওই কার্ড সম্পর্কে কিছুই জানেনা বলে জানান। প্রমান করার জন্য তাকে নিয়ে ওএমএস ডিলারের বাড়িতে গেলে সে পালিয়ে যায়। পরে মেম্বারকে থানা পুলিশের হেফাজতে রেখে আসি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশেই পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ওই কর্মসূচীর আওতায় পূর্বেও কাউকে চাউল দেয়া হয়নি।

ওয়াহেদপুর গ্রামের সরু মিয়া জানান, গত ৮এপ্রিল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সুবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের সরকারের ট্রাক্টর ভর্তি চাউল পাচারের বিষয়টি সন্দেহ হলে এলাকাবাসীকে জানাই। ট্রাক্টরের চালক ছিলেন রাঘবপুর গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন। সন্দেহ করার কারন জানতে চাইলে তিনি জানান, ওই ইউপি চেয়ারম্যান অতিতে নানা অনিয়ম দূর্নীতির সাথে জড়িত ছিলেন, স্থানীয়রা সম্ভবত: এ বিষয়কি ইউএনওকে জানিয়েছেন।

এব্যপারে একাধিকবার চেষ্টা করেও সুবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের সরকারের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিব হাসান জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। ওই ঘটনার তদন্তে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উত্তম কুমার কবিরাজকে প্রধান করে ৩সদস্যে কমিটি করে দিয়েছি। তারা তদন্ত করে এসেছেন। প্রাথমিকভাবে অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ডিলার’র ডিলারশীফ বাতিল করা হয়েছে। এখন আমাদের সব চেয়ে বড় কাজ হল উপকারভোগীদের কার্ডগুলো উদ্ধার করা, কোথায় এবং কার কাছে সেগুলো রক্ষিত আছে তা উদ্ধার করে গ্রাহকদের হাতে পৌঁছে দেয়া, যাতে চলমান বিতরণকৃত চাউল থেকে তারা বঞ্চিত না হন। তিনি আরো জানান, অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদেরও গ্রাহকদের কাছে কার্ড পৌঁছে দেয়ার বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছি। এখন শোনছি তারাও কার্ডগুলো বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, গরিবরে চাউল পাওয়া বিষয়টি নিশ্চিত করতে যা করার তাই করা হবে। এ বিষয়ৈ কোন আপোষ নেই।

যুবকের ফেইসবুক স্ট্যাটাস দেখে বাড়ীতে ত্রান (সাংসদ) রাজী মোহাম্মদ ফখরুল

এ আর আহমেদ হোসাইন (দেবীদ্বার-কুমিল্লা)প্রতিনিধি :কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বাঙ্গুরী পাঠান বাড়ির বাসিন্দা হুমায়ন কবির জীবন নামে এক যুবকের ফেইসবুক স্ট্যাটাস দেখে বাড়ীতে ত্রান পাঠিয়েছে কুমিল্লা-৪(দেবীদ্বার) সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ।ফেইসবুকে তিনি লিখেন”আমি কর্মজীবি হয়েও করোনার কারনে বেকার বেকার জীবন ভালো লাগে না পকেটের টাকা শেষ হাওলাত চাইলেও কেউ দেয় না ”

এমন স্ট্যাটাস নজরে আসলে সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের নির্দেশে শুক্রবার ত্রান নিয়ে বেকার যুবক হুমায়ন কবির জীবনের বাড়ীতে গিয়ে ত্রান বিতরন করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ।

ত্রান বিতরনের সময় উপস্থিত ছিলেন, দেবীদ্বার উপজেলা ছাত্রলীগ এর যুগ্ম আহবায়ক হুসাইয়ন আহম্মেদ,কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক কাজী শিহাব ,জেলা ছাত্রলীগের সম্পাদক নুরউদ্দিন ,উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য সাব্বির আহম্মেদ পলাশ ,প্রণব দাশ,নাজমুল হাসান ,আহম্মেদ শুভ,নয়ন আহম্মেদ প্রমুখ

উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ইকবাল হোসেন রুবেল বলেন, করোনা ভাইরাস এর মহামারিতে দেবীদ্বার এর কোনো জনগন না খেয়ে থাকবে না এমটাই নির্দেশ দিয়েছেন আমাদের নেতা সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল। মাননীয় সাংসদ এর নির্দেশে দেবীদ্বার এর প্রত্যেকটি ইউনিয়ন ওয়ার্ড ও গ্রামে গ্রামে ত্রান বিতরন চলছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু কলেজ-এর পক্ষ থেকে দুই শত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার বঙ্গবন্ধু কলেজ (আড়ুয়াডাঙ্গী) চত্বরে গতকাল আমলসার ও দারিয়াপুর ইউনিয়নে করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে ঘরে থাকা ১৪টি গ্রামের ২’শত পরিবারের মধ্যে চাল ,ডাল ,তেল ,লবন,আলুসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কলেজ শিক্ষকদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্তমানবতার সেবায় অসহায় দুস্থ ও ছিন্নমূল পরিবারের সাহায্য করার লক্ষ্যে শ্রীপুর উপজেলার আমলসার ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ একেএম জালাল উদ্দিন-এর নেতৃত্বে সামাজিক সুরক্ষা বজায় রেখে এ ত্রাণ বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেন শিক্ষকরা। বৃহস্পতিবার এ কর্মসূচী উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মিয়া মাহমুদুল গনি শাহীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ এ,কে,এম জালাল উদ্দিন, প্রভাষক মোঃ আছাদুর রহমানসহ শিক্ষকবৃন্দ। কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ এ,কে,এম জালাল উদ্দিন বলেন, আমরা বিনা পারিশ্রমে এই প্রতিষ্ঠানে ৮টি বছর কাজ করছি ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ১৪ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু কলেজকে সরকারী ঘোষনা করেছেন । এই জন্য কলেজের পক্ষ থেকে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে এই দুঃসময়ে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মানুষ যেন অনাহারে না থাকে তাই এই মহতি উদ্যোগ গ্রহন করেছি। ভবিষ্যতেও এটি অব্যাহত থাকবে। উপজেলা চেয়ারম্যান মিয়া মাহমুদুল গনি শাহীন বলেন, সারা দেশে করোনা ভাইসার ছড়িয়ে পরার পরে থেকে শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে ।

আমরা যারা জনপ্রতিনিধি আছি তারা সবাই প্রশাসনের সাথে দিনরাত কাজ করছি যেন আমরা নিরাপদ থাকতে পারি । সেই সাথে এই দুঃসময়ে বেকার হয়ে যাওয়া পরিবারগুলোর মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছি।

সবাক চাউল দেয় হামাক কেউ কিছু দেয় না বাহে।

এনামুল হক,সুন্দরগঞ্জ(গাইবান্ধা)প্রতিনিধিঃ এক সপ্তাহ থাকি খুবে কষ্ট করি দিন-আইত পার করবার নাকছি বাবা এই দুনিয়াত কেউ নাই যে,হামাক এক পোয়া চাউল দিয়া সাহায্যে করবে। বউ বেটা -বেটিক নিয়া হামরা খুব কষ্ট করি চলবার নাকছি হামাক দেখার মত কেউয়ে নাই । খালি শুনি ওমুক তুমুক চাউল সুদ্ধা ম্যালা কিছু পায় হামরা কি কছছি হামাক দেয় না ক্যা।হামরা কেংকা করি বাচঁমো বাবা চোখের জলে অনেক বেদনাভার ক‌ণ্ঠে কথাগু‌লো বল‌ছি‌লেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের মধ্য সাহাবাজ ও আকন্দ পাড়াস্থ নুরুল ইসলাম(৫৬)আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা(৬০)আলিমউদ্দিন(৫০)রমজান আলী(৭৪) বাবু মিয়া( ৫০)আলম মিয়া(৪৫)মনোয়ার(৪০) ।

করোনা ভাইরাসের নামটা শুনেছে তারা এখনো বুঝেনা করোনা ভাইরাস কতটা ভয়াবহ ও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কল্পে কি করতে হবে ।

জানা গেছে, উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের মধ্য সাহাবাজ ও আকন্দ পাড়াস্থ বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী,আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা, দিনমজুর নুরুল ইসলাম, আলিমউদ্দিন,বাবু মিয়া,মনোয়ার হোসেন,আলম মিয়া পরিবারে সদস্যদের নিয়ে খুব কষ্ট করে দিনাতিপাত করছেন। তারা বলেন এ দুঃসময়ে খেয়ে পরে বেঁচে থাকাই এখন আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ কিন্তু সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম চললেও আমরা তা পাচ্ছি না।

আকন্দ পাড়া ও মধ্যে সাহাবাজ পাড়ার ভ্যান চালক আলিমউদ্দিন ও আলম মিয়া জানান রাস্তাঘাটে ভ্যান নিয়ে বের হতে পারছিনা ও আগের মত লোকজন চলাচল করেনা তাই উপার্জন নাই । আর উপার্জন নাহলে পরিবারের লোকজনকে খাওয়াবো কি। আমরা তো কাজ হারিয়ে এখন বেকার। পেটে যখন খাবার জুটছেনা তখন সন্তানের দুধ ও বয়োবৃদ্ধ মায়ের ওষুধের খরচ জোগান দিবে কে এমন প্রশ্ন তাদের। অপরদিকে দিনমজুর মনোয়ার হোসেন ও নুরুল ইসলাম,বাবু মিয়া জানান, শুধু গ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল কাজের।

সাম্প্রতিক সময়ে নোভেল করোনা ভাইরাসের কারণে কোন কাজই তারা পাচ্ছে না। কাজ না পেয়ে তারা বেকার হয়ে পড়েছে।তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে খুব কষ্ট করে দিন পাড় করছে। তারা বলেন, প্রতিদিন ডাল-ভাতই তাদের প্রধান খাবার। সেটাও সঠিক সময়ে দুইবেলা জুটছে না।

বয়োবৃদ্ধ রমজান আলী ও আব্দুল কুদ্দুছ মোল্লা বলেন “আমরা তো কারো কাছে হাত পাততে পারি না।সরকারের অঘোষিত লক ডাউনে পরিবার পরিজন নিয়ে এখন ঘরে বসা। আমাদের অবস্থা খুবই খারাপ। সরকার যদি সাহায্য না করে তাহলে বাঁচার কোন রাস্তা নাই। আমরা খুবই কষ্টে আছি।

এ সময় বাবু মিয়ার সা‌থে কথা হ‌লে তি‌নি ব‌লেন, কত মেম্বার,চেয়ারম‌্যা‌নের কা‌ছে গেছিলাম কোন‌দিন একটা কিছু দেয় নাই হামাক। ভাতা কা‌র্ডের জন‌্য টাকা লাগে এমন কি আমার প্রতিবন্ধী নাতির কার্ড করে নেয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঘুরাঘুরি করে কোন সুরহা পায়নি ।

ভ্যান চালক আলম মিয়া ব‌লেন, আমি গরীব মানুষ, দিন এনে দিন খাই। আমার মা বয়োবৃদ্ধ হাটতে চলতে পারেনা তাই তার এক‌টি ভাতা কা‌র্ডের জন‌্য মেম্বার চেয়ারম‌্যা‌নের কা‌ছে কত ঘুর‌ছি তবুও তা‌দের মনে দয়া হয়নি ।আলম মিয়া আরো জানান,ভোটের সময় আসলে বাড়ী বাড়ী শ্লিপ দিয়া যায় আর এখন এই দুঃসময়ে কোন ভালো মানুষের চেহারাটাও চোখে পড়েনা কেন তারা এখন গরীবদেরকে সহায়তা করতে পারেনা। তারা এখন কোথায়?

এ বিষ‌য়ে সর্বানন্দ ইউপি চেয়ারম‌্যান মাহাবুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।

কুমিল্লা বুড়িচংয়ের শিশু ধর্ষনকারী আসামী গ্রেফতার

এ আর আহমেদ হোসাইন,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি ঃ কুমিল্লা র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ অভিযান দল গত ০৮-০৪-২০২০ইং তারিখ বুধবার গভীর রাতে জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার মিয়া বাজার এলাকা হতে শিশু ধর্ষন মামলার একমাত্র আসামী নেয়ামত উল্লাহ বাদল(২৫)কে গ্রেফতার করেন।গত ১১ মার্চ ২০২০ইং তারিখ কুমিল্লার বুড়িচং থানার ঘিলাতলী(বড়বাড়ি)গ্রামের হাজী শফিকের ছেলে নেয়ামত উল্লাহ বাদল(২৫) সে একজন ৫ বছরের শিশুকে একই গ্রামের ছমেদের পরিত্যাক্ত টিনের চৌচালা বসত ঘরে নিয়ে শিশুটিকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ে ইচ্ছার বিরোদ্ধে জোর পূবর্ক ধর্ষন করে পালিয়ে যায়।

পরে ওই ধর্ষন ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ১২ মার্চ ২০২০ ইং তারিখ বুড়িচং থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেন।

কুমিল্লা র্যাব-১১ সিপিসি-২ উপ-পরিচালক মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব’র প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায় গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ধামরাই পৌর ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ড যুবসমাজের উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন ধামরাই প্রতিনিধি) ঃ ঢাকার ধামরাই পৌরসভার ৪ ও ৫নং ওয়ার্ড যুবসমাজের কয়েকজন বন্ধুর উদ্যোগে ২৫০ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন এলাকার এ সকল বন্ধুরা। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে সারাদেশে চলছে লকডাউন, আর এই লকডাউনের কারণে কর্মহিন হয়েছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ। সেই সমস্ত কর্মহিন অসহায়, দিন মজুুরদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।আজ সন্ধার পরে থেকে বন্ধুরা সবাই মিলে ৪ ও ৫নং ওয়ার্ডের প্রতিটা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। খাদ্য সামগ্রী প্রতি বেগে দেয়া হয়েছে চাল, ডাল, আলো, পেয়াজ, সাবান এসমস্ত খাদ্য সামগ্রী ভেনে করে প্রতেক বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেন বন্ধুরা।

এ সময় বন্ধুদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম গার্নেল বলেন করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে লকডাউন চলছে আর একারণে কর্মহিন হয়েছে অনেক পরিবার তাদের মধ্যে আমরা সকল বন্ধুরা মিলে আপাতত ২৫০ পরিবারকে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করি এবং পরবর্তীতেও এই কার্যক্রম চলবে। তিনি আরো বলেন এতে করে দরিদ্র ও মধ্য আয়ের মানুষরা নিরাপদে ও নিশ্চিন্তে ঘরে অবস্থান করতে পারবে। এ সময় আমিনুল ইসলাম গার্নেল সহ সকল বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন।

রাণীশংকৈলে যুবককে কাদা পানিতে মাথা ঢুকিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা, আসামী গ্রেফতার

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল  নেকমরদ পারকুন্ডা দিঘিয়া গ্রামে শামীম হোসেন (১৮) নামে এক যুকক কে কাদাপানিতে মাথা ঢুকিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার খবর পাওয়া গেছে। শামীম পারকুন্ডা দিঘিয়া গ্রামের সামসুল হকের ছেলে।

রাণীশংকৈল থানা সূত্রমতে গত ৮ এপ্রিল বিকাল ৫ টা থেকে ৬ টার মধ্যে একই গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদ চোখা মিয়ার ছেলে হাসান আলী শামীমকে, পূর্বে হাসান কর্তৃক তার বাড়ি থেকে চুরির টাকা ফেরত ও কম দামে মেমোরি কার্ড বিক্রির  লোভ দেখিয়ে পাশের ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে যায়। কারণ চুরির টাকার ফেরত না দিলে হাসানের টাকা চুরির কর রেকডিং শামীম ফাঁস করে দিবে। ঘটনাস্থলে শামীমকে পরিমানে কম টাকা দিতে চাইলে এক পর্যায়ে দু’জনের মধ্যে ঝগড়া লেগে যায়।

এতে হাসান ক্ষিপ্ত চুরি ও রেকডিংয়ের ঘটনাকে থামাচাপা দিতে  পাশের ধান ক্ষেতের কাদাপানিতে কৌশলে জোড়পূর্কক শামীমের মাথা ঢুকিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে হাজি রমজানের সেচ পাম্প থেকে কোদাল নিয়ে এসে ভুট্টাবাড়িতে গর্ত করে লাশ পুতে ফেলে। এদিকে শামীকে কে বিকাল থেকে খুজে পাচ্ছিলনা তার পরিবার।

এমন খবরে এলাকাবাসী  হাসান ও শামীমকে একসাথে বিকালে মাঠের দিক যেতে দেখে। পরে হাসানকে লোকজন ধরে ফেলে। হাসানকে লোকজন জোড়করে  ঘটনাস্থলে নিয়ে পৌছালে ভুট্টাবাড়ির গর্ত ভরাট মাটি দেখে লোকজনের সন্দেহ হয়। এবং মাটি খুঁড়ে শামীমের নিথর দেহ উদ্ধার করে। হাসানকে তাতক্ষণিক এলাকাবাসী আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসামী ও লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

আসামী হত্যার সকল ঘটনা স্বীকার করে। পরে তাকে জেল থাজতে পাঠানো হয় এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রাণীশংকৈল থানা পলিশ পরিদর্শক তদন্ত খায়রুল আনাম ডন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

সাভারে করোনায় কর্মহীন তিনশত পরিবারের খাবারের দ্বায়ীত্ব নিলেন যুবলীগ নেতা জুয়েল।

ষ্টাফ রিপোর্টার : করোনা ভাইরাস মহামারীতে কর্মহীন হয়ে পরা ৩শো অসহায় দরিদ্র রিক্সা চালক ও দিন মুজুর পরিবারদের খাবারের দায়ীত্ব নিয়েছেন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ আশরাফুল ইসলাম জুয়েল।বুধবার বিকেলে ঢাকার সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের পান পাড়া এলাকায় কর্মহীন দিন মুজুর ৩শো পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রি বিতরন করা হয়।এসময় সকাল থেকে সন্ধা প্রর্যন্ত যুবলীগ নেতা মোঃ আশরাফুল ইসলাম জুয়েল তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডে পান পাড়া নয়াপাড়া ভাওয়ালিয়া পাড়া সহ বিভিন্ন মহল্লায় বাসা বাড়িতে গিয়ে কর্মহীন অসহায় দিনমুজুর পরিবারদের চাউল, ডাউল,আলু, তেল,পিয়াজসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রি পৌছে দেন।

এসময় যুবলীগ নেতা আশরাফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুরুল আলম রাজীব এর নির্দেশে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন যুব লীগের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস মহামারীতে কর্মহীন হয়ে পরা অসহায় দরিদ্র দিন মুজুর ৩শো পরিবারের খারের দায়ীত্ব নিয়েছেন তিনি।

এসময় তিনি আরো বলেন, যতদিন এই মহামারী থাকবে ততদিনই এই কর্মহীন ৩শো দিন মুজুর পরিবারের মাঝে নিয়মিত খাদ্য সামগ্রি বিতরন করবেন বলে জানান তিনি।
খাদ্য সামগ্রি বিতরন কালে এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাভার থানা যুব লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ নাছির হোসেন, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন যুব লীগের সভাপতি মোঃ আশরাফুল ইসলাম জুয়েল ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সাভারে তাবলীগ থেকে ফেরা ব্যক্তিদের ৬ বাড়ি লকডাউন

জাহিন সিংহ, সাভার : করোনা ভাইরাস রোধে সাভারে ৬টি বাড়িকে লকডাউন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাভার পৌর এলাকার সবুজবাগ মহল্লায় বাড়ি লকডাউন করে লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে দেয় সাভার মডেল থানা পুলিশ।এরআগে মঙ্গলবার সিলেট থেকে তাবলীগ জামাত শেষ করে ৭জন এলাকায় আসেন। পরে স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনারের উপস্থিতিতে তাদের বাড়ি লকডাউন করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিলেট থেকে তাবলীগ জামাত থেকে ৭ জন তাদের বাড়িতে পৌঁছানোর পর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সানজিদা শারমিন মুক্তার সাথে পরামর্শ করে তাদের ৬টি বাড়িকে প্রশাসন লকডাউন করে দেয়। আগামী ১৪ দিন তারা কেউ বাড়ির বাইরে বের হতে বা বাইরে থেকে কেউ ভিতরে কেউ প্রবেশ করতে পারবেনা। এসময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবারহ করা হবে।

সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ৬টি বাড়িকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়।

কুমিল্লা র্যাব ১১,সিপিসি’র-২ হাতে ফেইসবুকে করোনা গুজবকারী আটক

এ আর আহমেদ হোসাইন(কুমিল্লা জেলা)প্রতিনিধি : কুমিল্লা র্যাব- ১১ সিপিসি-২ মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব’র একটি অভিযান দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ০৭-০৪-২০২০ইং তারিখ মঙ্গলবার গভীর রাতে চাদঁপুর জেলার মতলব দক্ষিণ থানাধীন মুন্সী বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ফেইসবুকে গুজব অপপ্রচারকারীকে আটক করেন।ওই আটককারীর মোঃ তাজুল ইসলাম(৪২) পিতাঃ মোঃ তফাজ্জল হোসেন, গ্রামঃ দক্ষিন দিঘলদি, থানাঃ মতলব দক্ষিণ, চাদঁপুর।

ওই আটককৃত আসামী বর্তমান বৈশ্বিক আলোচিত মহামারী করোনা ভাইরাস সম্পর্কে ” ঞধুঁষ ওংষধস ” নামক ফেইসবুক আইডি ব্যাবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা গুজব ও বিভ্রান্তকর অপপ্রচার চালিয়ে আসছিল, পেশায় তিনি এলাকর মসজিদের ইমাম বলে জানা যায়। তার হাতে আটককৃত মোবাইলে নানান অশ্লীল ভিডিও অসামাজিক কার্যবলীছিল বলে র্যাব জানান।
পরে তাকে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হয়।

আটককৃত আসামী উপরোক্ত অপরাধের কথা স্বীকার করলে তার বিরোদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে কুমিল্লা র্যাব- ১১ সিপিসি-২ মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব জানান।

সর্বশেষ আপডেট...