মঙ্গলবার(২৪শে ডিসেম্বর) সকালে বেনাপোলে ৫টি খাবার হোটেল ও রেস্তোরায় স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের উপস্থিতিতে ভোক্তা অধিকার আইনে শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) কর্মকর্তা খোরশেদ আলম চৌধুরী অভিযান পরিচালনা কালে হোটেল গুলো অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার পরিবেশন করছে এবং মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করেনি। উপর্যুক্ত অপরাধে এবং লাইসেন্স না থাকার কারণে সৌরভ হোটেলকে ৫০০০০/-(পঞ্চাশ হাজার),শাপলা হোটেলকে ৫০০০০/-(পঞ্চাশ জাজার) এবং আরব চাইনিজ রেস্টুরেন্টেকে ১০০০০/-(দশ হাজার) টাকা অর্থদন্ড করা হয়। মর্বমোট ১১০০০০/-(এক লাখ দশ হাজার) টাকা অর্থ আদায় করেন।
শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) কর্মকর্তা খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, শার্শা উপজেলার সকল হোটেল গুলোকে আগামী ১সপ্তাহের মধ্যে সব কিছু ঠিক করে নেওয়ার নির্দেশ দেয় এবং অনিয়ম ও ভেজালের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এসময় সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেনসহ নেতাকর্মীরা স্থানীয় সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদের কেন্দ্রিয় নির্দেশনা না মেনে সম্মেলন করাসহ গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কর্মকান্ডের বিষয় অবিহিৃত করেন।
এসময় সোহরাব হোসেন আরো জানান, গত ২৩ ডিসেম্বর সিরাজদিখান উপজেলা সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগতসহ বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের নিয়ে জমায়েত করে সিরাজদিখান মাঠে সমাবেশ করে সেটাকে একতরফাভাবে সম্মেলন বলে প্রচার করছেন। এসময় নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মনোযোগ সহকারে অভিযোগ শুনেন এবং বিষয়টি তিনি জানেন বলে জানান।
২৩/১২/২০১৯ইং তারিখ সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর নেতৃত্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,উপজেলার সাচিলাপুর বাজার, গোয়ালদাহ, কোদলা, টিকারবিলা, আমলসার, লাঙ্গলবাধঁ, জোকা, গয়াশপুর, শ্রীপুর, কাজলী, বরইচারা, নাকোলসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডে সরকারি খাল ও খাল পাড়ের হাজার হাজার হাজার একর সরকারি জমি জবর-দখল নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি অবৈধভাবে গড়ে তুলেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পাকা স্থাপনা । সরকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব ব্যক্তি অবৈধ স্থাপনা ভাড়া দিয়ে বা নিজেই ব্যবহার করে প্রতিমাসে আয় করছে লক্ষ লক্ষ টাকা ।
এছাড়াও খাল ও নদী দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার কারণে একদিকে যেমন খাল ও নদীর পানি প্রবাহে বাঁধা প্রাপ্ত হচ্ছে অপরদিকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও বিনষ্ট হচ্ছে । বিষয়টি ভেবে গত কয়েকদিন ধরেই মাগুরার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে মাইক ও বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম এবং লিখিত নোটিশের মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপসারনের লক্ষে বারংবার অবৈধ দখলদারদের অবগত করা হয় ।
এ রায়ের ফলে দেশের ৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশ বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে আজ সোমবার (২৩ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা এবং তদন্ত ওসি কামাল হোসেন কে ফুলের শুভেচ্ছা দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য থাকে যে গ্রাম পুলিশের কুশুরা ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার মোঃ লাল মিয়া গ্রাম পুলিশের পক্ষে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করে। সেই রিট বিচারপতি আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সেটা আমলে নিয়ে রিট শুনানী শেষে গত ১৫/১২/১৯ তারিখে রোজ রবিবার এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এই ব্যাপারে ধামরাই উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের দফাদারদের সভাপতি মোঃ লাল মিয়া বলেন, আমাদের দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে দফাদার ও মহলদার হিসেবে কর্মরত গ্রাম পুলিশের সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার। এদের মধ্যে দফাদারদের মাসিক বেতন ৩ হাজার ৪০০ টাকা। আর মহলদারদের বেতন ৩০০০ টাকা। গ্রাম পুলিশের চাকরি
স্থানীয়রা জানান, আত্রাই নদীর বন্যানিয়ন্ত্রণ এ বাঁধের সংস্কার নেই দীর্ঘদিন। ফলে রাস্তার পিচ উঠে গিয়ে ছোটবড় অনেক খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দু’ধার ভেঙে গিয়ে সংকুচিত হয়ে পড়েছে পাকা রাস্তাটি। অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা।