31.3 C
Dhaka, BD
মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬

নওগাঁয় বিএসএফের গুলিতে ১ বাংলাদেশি আহত

আপেল মাহমুদ, নওগাঁ: নওগাঁর পোরশা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে ইব্রাহীম (২৬) নামে এক রাখাল গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে ১৬-বিজিবির টহলরত সদস্যরা আহত ইব্রাহীমকে উদ্ধার করে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।আহত ইব্রাহীম সাপাহার উপজেলার রোদ গ্রামের মৃত সোয়েদ মন্ডলের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে ইব্রাহীম তার এলাকার কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে ভারতে গরু আনতে যান। রাখাল হিসেবে তিনি গরু আনা-নেয়ার কাজ করতেন। ভারতীয় সীমান্তের অভ্যন্তরে ২৩০/৩৭/৮(আর) নং পিলারের কাছে বুধবার ভোরে তারা বাংলাদেশে ফিরছিলেন।

এ সময় তার সঙ্গে থাকা অন্যরা আগেই বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তবে ভারতীয় সীমান্তের অভ্যন্তরে ২৩০/৩৭/৮ (আর) নং পিলারের নিকটে ভারতের জতজগনপুর ক্যাম্পের ৬০ বিএসএফ সদস্যরা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদের ধাওয়া করে। এ সময় বিএসফের সদস্যরা ইব্রাহিমকে লক্ষ্য করে গুলি করলে তার ডান পায়ে লাগে। গুলিতে আহত হয়ে তিনি বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পরে বিজিবি সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এ বিষয়ে পোরশা ১৬-বিজিবি নিতপুর ক্যাম্পের কমান্ডার আনিসুর রহমান বলেন, আহত ইব্রাহীমকে উদ্ধার করে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এ ব্যাপারে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের জন্য চিঠি দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আওয়ামীলীগের নব-নির্বাচিত সাধারন সম্পাদকের সাথে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাত

চৌধুরী তানভীর আহম্মেদ, ঢাকাঃ উপমহাদেশের প্রাচীন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠন, মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর ২১’তম জাতীয় সম্মেলনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ২য় বারের মতো নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী মোহাম্মদ ওবায়দুল কাদের এম.পি-র সাথে মঙ্গলবার সকালে তাঁর সরকারী বাসভবনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী বাংলাদেশের আইন শিক্ষার্থীদের সর্ববৃহত সংগঠন বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট মোঃ জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমিটির একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাত ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন এবং আইনের সুশান প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সহ দলীয় অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের পাশাপাশি শিক্ষা, শান্তি, শৃংখলা ও ন্যায়নীতি পতাকাবাহি সংগঠনের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ কেন্দ্রীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট মোঃ শহীদুল ইসলাম টিটুর দিক নির্দেশনায় বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে এই মর্মে আওয়ামীলীগের নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে অবহিতকরণ পূর্বক তাঁর সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করা হয়।সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট মোঃ জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুর নেতৃত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট রবিউল আলম জুয়েল, এ্যাডভোকেট শাহদাত হোসেন রিয়াদ, রনজিত সাহা রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী তানভীর আহম্মেদ, শরিফ আকবর লিমন, দপ্তর সম্পাদক জাকারিয়া হাবিব, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন স্বপন, উপ-গন-যোগাযোগ সম্পাদক মোঃ হাসান ইমাম মাসুম, সহ-সম্পাদক ইমন শিকদার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপ-সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, চৌধুরী ব্রেলভীর আহম্মেদ সহ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ

বেনাপোলে ৫টি খাবার হোটেলের মালিককে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোলে পাঁচটি হোটেল-রেস্তোরার মালিককে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।মঙ্গলবার(২৪শে ডিসেম্বর) সকালে বেনাপোলে ৫টি খাবার হোটেল ও রেস্তোরায় স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের উপস্থিতিতে ভোক্তা অধিকার আইনে শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) কর্মকর্তা খোরশেদ আলম চৌধুরী অভিযান পরিচালনা কালে হোটেল গুলো অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার পরিবেশন করছে এবং মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করেনি। উপর্যুক্ত অপরাধে এবং লাইসেন্স না থাকার কারণে সৌরভ হোটেলকে ৫০০০০/-(পঞ্চাশ হাজার),শাপলা হোটেলকে ৫০০০০/-(পঞ্চাশ জাজার) এবং আরব চাইনিজ রেস্টুরেন্টেকে ১০০০০/-(দশ হাজার) টাকা অর্থদন্ড করা হয়। মর্বমোট ১১০০০০/-(এক লাখ দশ হাজার) টাকা অর্থ আদায় করেন।শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) কর্মকর্তা খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, শার্শা উপজেলার সকল হোটেল গুলোকে আগামী ১সপ্তাহের মধ্যে সব কিছু ঠিক করে নেওয়ার নির্দেশ দেয় এবং অনিয়ম ও ভেজালের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঝালকাঠিতে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালিয়েছে দুদক

সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি পাসপোর্ট আঞ্চলিক অফিসে নানা দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২৪/১২/২০১৯ইং তারিখ মঙ্গলবার দুপুরে এ অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন( দুদক)। এ সময় পাসপোর্ট গ্রহীতাদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়া নগদ দুই লাখ ১২ হাজার পাঁচশত টাকা উদ্ধার করা হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা ও দালাল ছাড়া অধিকাংশ পাসপোর্ট দেওয়া হয় না। অনেক সময় অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও পাসপোর্ট প্রতি অতিরিক্ত দেড় হাজার টাকা করে নিয়ে পাসপোর্ট প্রদান করে ।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক দেবব্রত মণ্ডলের নেতৃত্বে একটি দল ঝালকাঠি পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালায়।

এ সময় একটি লকারের মধ্য থেকে পাসপোর্ট গ্রহীতাদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়া দুই লাখ ১২ হাজার পাঁচশত টাকা উদ্ধার করে।

এ অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল দুদকের সহকারী পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, উপ-সহকারী পরিচালক রনজিৎত কুমার কর্মকার ও আলম আমীন।

সূত্র জানায়, একটি সাধারণ পাসপোর্টের জন্য ৩ হাজার ৪৫০ টাকা ও জরুরি ৬ হাজার ৯০০ টাকা ফি সোনালী ব্যাংকে জমা দিতে হয়। ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গেলে কর্মকর্তারা ফরমে কোনো ভুল না থাকলেও, নানা ভুল আছে বলে ফিরিয়ে দেন। তারা দালাল দেখিয়ে দেন। আবার নিজেরাও টাকা নিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করে দেন।

প্রতিটি পাসপোর্টে এক হাজার থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয় পাসপোর্ট গ্রহীতাদের। ঘুষের টাকা না দিলে কোনোভাবেই পাসপোর্ট পাওয়া যায় না ঝালকাঠি পাসপোর্ট অফিস থেকে।

বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদুক) উপপরিচালক দেবব্রত মণ্ডল বলেন, নানা অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এখান থেকে নগদ দুই লাখ ১২ হাজার পাঁচশত টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। অফিসে টাকা রাখার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ পাসপোর্টের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ব্যাংকে জমা হয়। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক ফাতেমা বেগম বলেন, আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি। আমার অফিসে ঘুষ দুর্নীতি নেই। এর পরেও দুদক অভিযান করেছে, তারা তদন্ত করে দেখুক। অভিযোগ সত্য হলে যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা নেবে।

নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে ওবায়দুল কাদেরকে সিরাজদিখান আ’লীগের ফুলেল শুভেচ্ছা

স্টাফ রিপোর্টার:সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীরা নব নির্বাচিত কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। আজ সোমবার দলীয় সভাপতির ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে সন্ধ্যায় এই শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেনসহ নেতাকর্মীরা স্থানীয় সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদের কেন্দ্রিয় নির্দেশনা না মেনে সম্মেলন করাসহ গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কর্মকান্ডের বিষয় অবিহিৃত করেন।এসময় সোহরাব হোসেন আরো জানান, গত ২৩ ডিসেম্বর সিরাজদিখান উপজেলা সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগতসহ বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের নিয়ে জমায়েত করে সিরাজদিখান মাঠে সমাবেশ করে সেটাকে একতরফাভাবে সম্মেলন বলে প্রচার করছেন। এসময় নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মনোযোগ সহকারে অভিযোগ শুনেন এবং বিষয়টি তিনি জানেন বলে জানান।

একই সময় নব নির্বাচিত প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আফম বাহা উদ্দিন নাসিমকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এসএম সোহরাব হোসেন।

উল্লেখ মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগে বিএনপি জামায়াত বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রিয় আওয়ামীলীগের সম্মেলনের আগে মুন্সিগঞ্জের অসমাপ্ত সব উপজেলা ও জেলা স্থগিত ঘোষণা করেন তৎকালিন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ডা: দিপু মনি। এই ঘোষণা উপেক্ষা করে সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মহিউদ্দিন আহম্মেদ সম্মেলন ঘোষণা দিয়ে একটি কমিটি ঘোষণা করেন সেই কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিককে ঘোষনা দেয়া হয়েছে ।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রার্থী কেন্দ্রিয় যুবলীগের সাবেক সদস্য রফিকুল ইসলাম অরুন চৌধুরীর নেতৃত্বে সাধারণ সম্পাদক এসএম সোহরাব হোসেন সেই সম্মেলন কেন্দ্রিয় নির্দেশনা পরিপন্থি বলে বর্জন করেন ।

ঝালকাঠিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু

সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাউকাঠি থেকে ভিমরুলী বাজার পর্যন্ত চার কিলোমিটার খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন ও পনি উন্নয়ন বোর্ড অধিদপ্তর।২৩/১২/২০১৯ইং তারিখ সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর নেতৃত্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

এসময় খালের দুই পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ১৫টি বসতঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভেঙে স্থাপনা সরানো হয়।

এর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছিলো । যারা নোটিশ জারির পরেও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি, তাদের বসতঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা হয়।

উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম ফরিদ উদ্দিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভুমি) জহিরুল ইসলাম, এনডিসি আহমেদ হাসান ।

জেলা প্রশাসক জহর আলী বলেন, ছোট নদী, খাল এবং জলাশয়ে পানি প্রবাহ সচল রাখতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নওগাঁর মান্দায় ইটভাটা শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু

আপেল মাহমুদ,নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় জাহাঙ্গীর আলম (৩০) নামে এক ইটভাটা শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার দাসপাড়া এলাকায় স্থাপিত এআরএম ব্রিক্স নামের একটি ইটভাটায় বোরবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর থেকে ওই ভাটার ম্যানেজারসহ সকল শ্রমিকরা গা ঢাকা দিয়েছে। নিহত জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের দাসপাড়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, নিহত জাহাঙ্গীর আলম ওই ভাটায় কাজ করার জন্য রোববার রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারকে জানানো হয়। এরপর পরিবারের লোকজন ওই ভাটা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে ভাটার শ্রমিকরা গা ঢাকা দিয়েছে বলেও জানান তারা। লাশের গলায় গভীর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।

সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় নিহত জাহাঙ্গীরকে দাফনের প্রস্তুতি চলছে। গোসলের পর কাফন পরিয়ে লাশ খাটিয়াতে রাখা হয়েছে। কবর খননসহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে ইতোমধ্যে। স্থানীয়দের দাবি, ভাটায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর কোন কারণ নেই। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। তাদের অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দিতেই ভাটামালিক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজেম উদ্দিন ও তার লোকজন নিহতের পরিবারকে ম্যানেজ করে তড়িঘড়ি লাশ দাফনের চেষ্টা করছেন।

মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় থানার একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেই তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

মাগুরার শ্রীপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান ।

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি ঃ পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি জমিতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কাঁচা-পাকা দোকান ঘর ও অবৈধ স্থাপনা অপসারণ ও উচ্ছেদ অভিযান গতকাল সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন । সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,উপজেলার সাচিলাপুর বাজার, গোয়ালদাহ, কোদলা, টিকারবিলা, আমলসার, লাঙ্গলবাধঁ, জোকা, গয়াশপুর, শ্রীপুর, কাজলী, বরইচারা, নাকোলসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডে সরকারি খাল ও খাল পাড়ের হাজার হাজার হাজার একর সরকারি জমি জবর-দখল নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি অবৈধভাবে গড়ে তুলেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পাকা স্থাপনা । সরকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব ব্যক্তি অবৈধ স্থাপনা ভাড়া দিয়ে বা নিজেই ব্যবহার করে প্রতিমাসে আয় করছে লক্ষ লক্ষ টাকা । এছাড়াও খাল ও নদী দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার কারণে একদিকে যেমন খাল ও নদীর পানি প্রবাহে বাঁধা প্রাপ্ত হচ্ছে অপরদিকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও বিনষ্ট হচ্ছে । বিষয়টি ভেবে গত কয়েকদিন ধরেই মাগুরার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর নির্দেশে মাইক ও বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম এবং লিখিত নোটিশের মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপসারনের লক্ষে বারংবার অবৈধ দখলদারদের অবগত করা হয় ।

কিন্ত অবৈধ দখলদাররা বিষয়টি কর্ণপাত না করায় গতকাল সোমবার মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সারোয়ার জাহান সুজন ও জেলা প্রশাসনের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কাওছার হাবীব এর নেতৃত্বে সাচিলাপুর বাজার, গোয়ালদাহ বাজার, টিকারবিলা বাজার ও আমলসার বাজারে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে শতাধীক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় । এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা করেন সহকারি প্রকৌশলী জি.এম রাইসুল ইসলাম, উপ-সহকারি প্রকৌশলী নাঈমুর রহমান ও উপ-সহকারি তৌফিকুর রহমান ।

এবিষয়ে মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সারোয়ার জাহান সুজন বলেন,সারা বাংলাদেশের অবৈধ উচ্ছেদ অভিযানের ন্যায় মাগুরার জেলার শ্রীপুর উপজেলার সাচিলাপুর বাজার,গোয়ালদাহ বাজার,টিকারবিলা বাজার,আমলসার বাজারে দিন ব্যাপী এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয় । ভবিষ্যতেও এ অভিযান চলমান থাকবে ।

তবে উচ্ছেদ অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বে নিয়োজিত রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কাওছার হাবীব এবিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

গ্রাম পুলিশের চাকরি সরকারী করণের হাইকোর্টে নির্দেশ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) : গ্রাম পুলিশের চাকরি সরকারি করণের হাইকোর্ট নির্দেশ দেওয়া সে সঙ্গে চতুর্থ শ্রেণির স্কেলের সমমর্যাদায় তাদের বেতন দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার মন্ত্রালয়কে। এ রায়ের ফলে দেশের ৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশ বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে আজ সোমবার (২৩ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা এবং তদন্ত ওসি কামাল হোসেন কে ফুলের শুভেচ্ছা দেওয়া হয়।উল্লেখ্য থাকে যে গ্রাম পুলিশের কুশুরা ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার মোঃ লাল মিয়া গ্রাম পুলিশের পক্ষে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করে। সেই রিট বিচারপতি আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সেটা আমলে নিয়ে রিট শুনানী শেষে গত ১৫/১২/১৯ তারিখে রোজ রবিবার এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।এই ব্যাপারে ধামরাই উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের দফাদারদের সভাপতি মোঃ লাল মিয়া বলেন, আমাদের দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে দফাদার ও মহলদার হিসেবে কর্মরত গ্রাম পুলিশের সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার। এদের মধ্যে দফাদারদের মাসিক বেতন ৩ হাজার ৪০০ টাকা। আর মহলদারদের বেতন ৩০০০ টাকা। গ্রাম পুলিশের চাকরি

সরকারের রাজস্ব খাতে অন্তরর্ভুক্ত না হওয়ায় এই বেতনের অর্ধেক দেয় ইউনিয়ন পরিষদ আর সরকারের কোষাগার থেকে আসে বাকিটা।তিনি আর বলেন
ব্রিটিশ আমল থেকে এ বাহিনী বিভিন্ন আইনের অধীনে কাজ করে আসছে। সর্বশেষ স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ সালের অন্তরর্ভূক্ত করা হয়। এ আইনের অধীনে ২০১৫ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) গ্রাম পুলিশ বাহিনীর গঠন, প্রশিক্ষণ, শৃংখলা ও চাকুরির শর্তাবলী সম্পর্কিত বিধিমালা তৈরি করা হয়।

কিন্তু এ বিধিতে তাদের কোনো শ্রেণি নির্ধারণ করা হয়নি। এদিকে ২০০৮ সালের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় গ্রাম পুলিশদের চতুর্থ শ্রেণির স্কেল নির্ধারণে অর্থ বিভাগকে চিঠি দেয়। কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় পরে আমি বাদী হয়ে হাইকোর্টে রিট করি।

সেই রিটে চাকরি রাজস্ব খাতে অন্তরর্ভুক্তি, সরকারি বেতন কাঠামোর চতুর্থ শ্রেণির সমমর্যাদা, মানসম্মত পোশাক, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতো রেশন চালু ও ঝুঁকি ভাতা প্রদান, প্রত্যেক বিভাগে একটি করে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন এবং গ্রাম পুলিশের সন্তানের জন্য সরকারি চাকরিতে কোটা সংরক্ষণের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে আন্দোলনের পর গ্রাম পুলিশরা প্রতিকার পেতে উচ্চ আদালতে আসি।

পরে ধামরাই ইপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সামিউল হক গ্রাম পুলিশদের ধন্যবাদ জানিয়ে শুশৃংখল ভাবে নিষ্ঠার সাথে প্রত্যেককে কাজ করতে বলেন।

মাগুরার শ্রীপুরে দু’দিন ব্যাপি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন (ভিডিও)

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ রবিবার দুপুরে ৪১তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ,বিজ্ঞান মেলা এবং অলিম্পিয়াড আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়েছে।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর এর সভাপতিত্বে সাংবাদিক আশরাফ হোসেন পল্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নারগিস সুলতানা,ভাইচ চেয়ারম্যান কাজী জালাল উদ্দিন,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ তারিকুল আলম,শ্রীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ নির্মল কুমার সাহা,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছাঃ তাহমিনা আফরোজ,খামারপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান,শ্রীপুর সরকারি এম,সি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শামীমুল ইসলাম,শ্রীপুর থানার এস,আই মোঃ হামিদুল ইসলাম,সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইকরাম আলী বিশ্বাস প্রমূখ ।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকবৃন্দ,সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ ।

মেলায় উপজেলার কলেজ ও মাধ্যমিক পর্যায়ের ২১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উদ্ভাবনী আবিস্কার প্রদর্শন করেন। আলোচনা সভা শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীরসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ মেলার ষ্ট্রল ও ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের প্রদর্শিত উদ্ভাবনী আবিস্কারগুলো নিঁখুতভাবে পর্যবেক্ষণ করেন ।

পরিশেষে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সর্বশেষ আপডেট...