18 C
Dhaka, BD
শুক্রবার, জানুয়ারি ৩০, ২০২৬

Immediate Solutions Of Cbd Oil Topical – Insights

CBD, or cannabidiol, is gaining popularity among the many well being and wellness business. Bioavailability is outlined as the quantity of a substance that turns into accessible (reaches the target organ or system circulation) to an organism’s body for bioactivity when launched by means of ingestion, inhalation, injection, or skin contact.” Briefly, it’s how a lot of the substance your body can effectively use based mostly on the type and route taken.

Deciding Upon Immediate Secrets Of Cbd Topical Cream

Though proof reveals it might be unlikely to fail a drug test from topical use of CBD merchandise, unease will proceed for many who are drug examined at work. If employment relies on a clear studying, it’s cheap to accept purchasers’ hesitation or resistance to CBD use or services.

Lower blood strain: Individuals who eat CBD might expertise a short lived drop in blood strain as the product takes effect. For many, this is not a significant concern. Nonetheless, individuals with low blood pressure or those taking certain drugs (akin to blood thinners) should consult with a physician earlier than utilizing CBD products.

The Facts On Straightforward Cbd Topical Programs

CBD salves assist scale back ache through its more than 120 cannabinoid compounds When the body receives CDB it processes it by producing endocannabinoids. After trying Kushly’s CBD ointment, I lessened the necessity for ibuprofen and different oral pain relievers. It is also nice for rashes and minor irritation.

It accommodates 750 mg of CBD, allowing its energetic components to be absorbed directly by the skin. It can also be used to deal with points like gentle seborrheic dermatitis, environmental injury, ageing pores and skin and dryness. Additionally, we have made positive to make use of natural moisturizing components with the intention to replenish and beautify the pores and skin, all while providing the body with the superb effects of hemp extract.

Putting hemp oil cream to work on drawback skin can be an efficient means of combating common pores and skin conditions. Acne, Eczema, and Rosacea all trigger irritation of the pores and Topical Cbd Oil skin that can cause soreness, itchiness, and redness. Thanks to the anti-inflammatory properties of hemp oil cream these situations can be handled and your skin left feeling and searching more healthy.

The topical’s ingredients include soothing substances like aloe vera, cocoa butter, and coconut oil that concentrate on and alleviate high-pain areas. It additionally has a pleasant blood orange scent that masks the odor of CBD and different cannabinoids. The topical is considered vegan, and is derived from organic, non-GMO hemp. Its present price-point is roughly $zero.11 per mg, which is considered beneath-average.

Comparing Practical Cbd Oil Topical Methods

HEMP CBD oil could be very completely different from hemp seed oil. The so known as snake oil salesmen out there within the marketplace selling hemp seed oil that incorporates no CBD are to be averted. Hemp CBD is present in three completely cbd muscle rub different varieties Full Spectrum – Broad Spectrum – and Isolate if a product says full spectrum” which means it does include 0.three% THC which if taken internally might cause you to fail a drug check but if used topically is not going to as topical use by no means enters the blood stream.

যুবলীগ দক্ষিণের সততা,নিষ্ঠা,যোগ্যতা,ক্লিন ইমেজের নেতা মাহবুবর রহমান পলাশ ।

নিজস্ব প্রতিনিধি :বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ দক্ষিণের ক্লিন ইমেজের নেতা মাহবুবর রহমান পলাশ – এইতো কিছু দিন আগে তার যেটা ছিল অযোগ্যতা! রাস্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযানের ফলে এখন এটাই তার সবচেয়ে বড় যোগ্য ।রাস্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযানের ফলে বেড়িয়ে আসছে অযোগ্য নেতাদের আসল মুখোশ । শেখ হাসিনার নির্দেশনার বাইরে যাননি যুবলীগ দক্ষিণের ক্লিন ইমেজের নেতা মাহবুবর রহমান পলাশ । নিজেকে চেষ্টা করেছে সর্বোচ্চ পরিচ্ছন্ন রাখতে মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি পলাশ ।ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ক্লিন ইমেজ নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ । ১৯৮০ সালের ১লা মার্চ রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পূর্ব-তেজতুরী বাজার এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন মাহবুবুর রহমান পলাশ। রাজধানী ঢাকায় শৈশব কাটলেও বেড়ে ওঠেন মুন্সিগঞ্জে। ছোটবেলা থেকেই ভালবাসতেন আওয়ামী লীগকে। সেই ভালবাসা থেকেই ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় নৌকা মার্কার পক্ষে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগানে ভোটের ময়দানে নেমে পড়েন সে সময়কার ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া পলাশ।পলাশের রাজনীতিতে হাতেখড়ি তার বাবা মুহাম্মদ আঃওয়াদুদ গোড়াপীর কাছ থেকে, যিনি ‘৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক-হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প পোড়ানোর জন্য ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হন এবং গ্রেফতার হন। নির্যাতনের ফলে পাকবাহিনী তার ডান হাত ভেঙ্গে দিয়ে কারাবন্দি করে তাকে। প্রায় ৭ মাস বন্দি থাকার পর ১৬ ডিসেম্বর মুক্তি পান।রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে ১৯৯২ সালে মধ্যপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, ১৯৯৪ সালে তেজগাঁও ৩৯নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কার্যকরী সদস্য, ১৯৯৫ সালে বিকেবি ডিগ্রি কলেজের অর্থ সম্পাদক, ১৯৯৭ সালে সিরাজদিখান থানার পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, ১৯৯৯ সালে বিকেবি ডিগ্রি কলেজ ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের জিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জামায়াত-বিএনপি শাসকদের অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি পরিচ্ছন্ন এই ছাত্রনেতা। মুন্সিগঞ্জের মধ্যপাড়া বাজার এলাকায় অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে মৃত্যু নিশ্চিত করে তাকে ফেলে যায় তারা। তবে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফিরলেও পাঁচ টুকরা হয় মাথার খুলি, যেখানে ৩১টি সেলাই দেওয়া হয়। এলোপাথাড়ি নির্যাতনের ফলে শরীরের সব নার্ভ শুঁকিয়ে যায়, যার আমৃত্যু চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন তাকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া কলকাতার এক নিউরোলজিস্ট। তার রক্তের উপর ভর করে সিরাজদিখান উপজেলা ছাত্রলীগ আজ সুসংহত।সেন্ট্রাল ল’ কলেজে শাহদাত শাওনের আহ্বায়ক কমিটিতে ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক ছিলেন তিনি। ছাত্রলীগের রাজনীতি অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের রিপন-রোটন প্যানেলে ছিলেন কার্যনির্বাহী সদস্য এবং মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের মিরাজ-পলাশ কমিটির সদস্য ও শুভ্র-কবীর কমিটির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, ২০০৭ সালে মহানগর দক্ষিণ ছাত্র লীগের অন্যতম সভাপতি প্রার্থী ছিলেন মুহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান পলাশ। তবে বয়সের কারণে বাদ পড়তে হয় তাকে।তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিতর্কিত উপদেষ্টা কে এম হাসান মাহমুদ ও নির্বাচন কমিশনার এম এ আজিজ হটাও আন্দোলনের সময় যখন রাজনীতির অনেক রথি-মহারথীরা গা ঢাকা দিয়েছেন, তখন পলাশকে সূধাসদন থেকে শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারি জাহাঙ্গীর আলম তাকে ডেকে নিয়ে বলেন, ‘দেশের এই দুঃসময়ে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।’ সানন্দে তার এই নির্দেশ গ্রহণ করে বিপাকে পড়েন পলাশ। তখন সে তার মেধাবী বন্ধু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ক্যামিস্ট্রির ছাত্র খাইরুল, জিওগ্রাফির কাজী মহসীন মিঠু, বন্ধু মঈন, তমাল, বাটুল ও ছোট ভাই রিয়াজকে নিয়ে নেমে পড়েন রাজপথে। তখন তার চারজন বন্ধু গুরুতর আহত হন। তাদের প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে পুলিশের ভয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সেন্ট্রাল হাসপাতালে। এ সময় তাদের সঙ্গে নিয়মিত দেখা করতেন জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও চিকিৎসার খরচ বাবদ এক লাখ টাকা প্রদান করেন। সুস্থ হওয়ার পর তাদেরকে নিয়ে সূধাসদনে যান, শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করানোর জন্য। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ, এপিএস ডা. আওলাদ, এপিএস সাইফুজ্জামান শিখর। নেত্রী জাহাঙ্গীর আলমের মুখে পলাশের রাজপথের ভূমিকা শুনে তাকে বুকে জড়িয়ে নেন এবং বলেন, ‘পলাশ তোকে মনে রাখব, ভুলবো না তোকে।’

যেদিন মানবতার জননী, জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘পলাশ তোকে মনে রাখব। সেদিন থেকে নেত্রীর আদেশ নিষেধের বাইরে যাননি। সমাজের অটিজম শিশুদের সেবা করে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের আদর্শ ও অনুপ্রেরণায়।’ ৭ বছর ধরে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অস্থায়ী শিশু পার্ক করে প্রতিবন্ধী শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা করে প্রশংসিত হয়েছেন এবং পুরস্কৃত হয়েছেন ছয়বার, যা দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রচার করে।শিক্ষা বিস্তারে রয়েছে তার গভীর আন্তরিকতা ও সংশ্লিষ্টতা ইতোমধ্যে তিনি গুলিস্তান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের যুগ্ম সম্পাদক, মদিনাতুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক, বিএসএমইউ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের তিনবার অভিভাবক প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছর তিনি আরেকজনের হাতে এই দায়িত্বভার তুলে দেন।নেতা তিনিই, যিনি পদ নয় জনসেবাকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। যেখানে ছোট খাট দলীয় পদ পেয়ে অনেকে ধরাকে সরা জ্ঞান করে, দুর্নীতি, সন্ত্রাস চাঁদাবাজি ইত্যাদি সমাজ ও ধর্মবিরোধী কাজ করে সেখানে সহ-সভাপতির পদে থেকেও এসব কোন কিছুই তাকে স্পর্শ করতে পারে নি। তিনি হজ্ব করেছেন এবং মানবতার উপকারে নিজেকে নিবেদিত করেছেন। বিক্রমপুরে তার নিজ গ্রামে একটি কবরস্থান এবং তিনটি রাস্তা সম্পূর্ণ নিজ প্রচেষ্টায় করেছেন।

আওয়ামী লীগকে ভালবেসে বিভিন্ন সময় রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন মাহবুবর রহমান পলাশ। ১/১১ কিংবা কে এম হাসান মাহমুদ, এম এ আজিজ হটাও আন্দোলনে লগি-বৈঠা নিয়ে মিছিলে সক্রিয় ছিলেন তিনি। আন্দোলনের সময় পুলিশের কাঁদুনেগ্যাস ও এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জ উপেক্ষা করে ছিলেন মিটিং-মিছিলের অগ্রভাগে।প্রাণের চেয়েও প্রিয় নেত্রীর বাসভবনে গুলিবর্ষনকারীর সঙ্গে যখন কোনো মিছিল-মিটিং করতে হয়, তখন সেই অনুপ্রবেশকারী অস্ত্রধারী বডিগার্ডদের জন্য যাওয়া যায় না মিছিলের অগ্রভাগে। এ কারণে যুব রাজনীতিতে মাহবুবুর রহমান পলাশ ছিলেন অনেকটা অসহায়। কিন্তু নিজেকে গুটিয়ে লিলেও আবার যখন দেখেন জাতির জনকের কন্যা এমন বিষয় মোকাবিলা করে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে সোনার বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সফলভাবে, তখন পলাশরা আর বসে থাকতে পারেন না। নিজের মতো সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান সমান তালে।

বিষ্ময়ের বিষয়, এ পলাশ কি সেই পলাশ যে কিনা ১/১১ সময় ও এর আগে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সর্বনিম্ন ৭ জনের মিছিলের তিনি ছিলেন একজন। মতিয়া চৌধুরী, সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, মেহের আফরোজ চুমকি, তহুরা বেগম,শাহিন মনোয়ারা, ফরিদুননাহার লাইলিকে প্রায় প্রতিদিনই পুলিশের লাঠিচার্জ থেকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজে আহত হয়েছেন পলাশ। তৎকালীন যে সকল মিডিয়া মতিয়া চৌধুরীর নাম আছে তার অধিকাংশটাতে আছে তার নাম।

২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় গুরুতর আহত হওয়া বর্তমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কারাবন্দি অবস্থায় যখন তাকে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেলে তার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে গেছেন পলাশ। পরবর্তীতে কারামুক্তির পর তিনি যখন উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি হন, তখন একমাত্র পলাশই তার সঙ্গে প্রায় এক মাস অবস্থান করেন।

১/১১ এর সময়, যখন প্রায় সব রকম রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয় এবং পলাশের প্রাণ প্রিয় নেত্রীকে কারাবন্দি করা হয়, সে সময় জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ মিছিল করেন পলাশ। এখানে পুলিশের মারধরের শিকারও হন তিনি। এছাড়াও সংসদ ভবন এলাকার বিশেষ কারাগারে কারাবন্দি নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যখন আইনজীবীরা ও অ্যাডভোকেট ডা. দীপু মনির (বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী) সঙ্গে দেখা হতো নিয়মিতভাবেই।

এ সময় সাইফুজ্জামান শিখরের নির্দেশে রাতের অন্ধকারে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লিফলেট বিলি, দেয়ালে পোস্টার সাটানোর মতো কাজ এবং নীলক্ষেতের দোকান বাইরে থেকে বন্ধ করে প্রত্যেকটি গণমাধ্যমের কাছে ফ্যাক্সের মাধ্যমে বার্তা পৌঁছে দিতেন পলাশ নিজে উপস্থিত থেকে।

কে এম হাসান, এম এ আজিজ হটাও আনদোলনের সময় ২৩ বিবি এভিনিউতে মতিয়া চৌধুরীকে যখন পুলিশ আক্রমণ করতো, কিংবা এমিলি, চুমকিদের টানা-হেচরা করতো, তখন পলাশ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের লাঠিচার্জ নিজের উপর নিয়ে তাদের রক্ষা করে গেছেন। পুলিশ যখন পলাশের দলীয় কর্মীদের নির্বিচারে লাঠিচার্জ, গুলি, টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতো, জীবন বাঁচাতে তখন পলাশ ও দলীয় নেতা কর্মীরা পার্টি অফিসের ভিতরে আশ্রয় নিতো। কিন্তু যখন পুলিশ বাহিনী কেচিগেটের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করতো, সে সময় এলোপাথাড়ি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতো পুলিশ।

মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ তখন তার উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে তোফায়েল আহমেদকে ফোন করে বলতেন, ‘লিডার বাঁচান আমাদের। পার্টিঅফিস ভেঙে,পুলিশ ভিতরে ঢুকে আমদের মেরে ফেলবে।’ সর্বদাই তোফায়েল ভাই ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই চলে আসতেন এবং পুলিশের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেন। লগি-বৈঠার পল্টন এলাকায় পলাশকে দেখা যেত সবার আগে। পলাশ জানান, তোফায়েল ভাই এবং মরহুম মেয়ের হানিফ সাহেবকে সমীহ করতো তৎকালীন পুলিশ বাহিনী।

মাহবুবুর রহমান পলাশের দল তিনবার ক্ষমতায়। নিজেকে গুটিয়ে রাখার বিষয়ে পলাশ জানান, বিরোধী দলের সঙ্গে আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে নিজেদের অধিকার আদায় করতে শিখেছি প্রিয় নেত্রীর কাছ থেকেই। কিন্তু পাওয়ার পাটির অপব্যবহার, অনুপ্রবেশকারীদের দলে নেওয়া, দুর্নীতি, টেন্ডারবাজী, দখলদারি নেত্রী শেখাননি আমাকে।

বর্তমানে পলাশ মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি। এছাড়াও নিজের রাজনৈতিক জীবনে তিনি একজন পরিচ্ছন্ন ব্যাক্তি হিসেবেই সকলের কাছে পরিচিত। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের তৃণমূল পর্যায়ে কথা বলে জানা যায়, এই অংশের নতুন নেতৃত্বে মাহবুবর রহমান পলাশকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করছেন যুবলীগ নেতা মাহবুবর রহমান পলাশ। এর স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ছয়বার বাণিজ্যমেলায় পুরস্কারপ্রাপ্ত ।

শার্শা সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের শার্শার শিকারপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৭৯৬ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বিজিবি।আজ বৃহস্পতিবার ভোর রাতে শিকারপুর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা আনদুরপোতা মাঠ থেকে ৭৯৬ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করে।

৪৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান.গোপন সংবাদে জানতে পারি মাদক পাচারকারীরা ভারত থেকে বিপুল পরিমান ফেনসিডিল এনে আনদুরপোতা মাঠে অবস্থান করছে।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে শিকারপুর ক্যাম্পের সুবেদার সরোয়ার হোসেন,সিপাহী ইমরান হোসেন সহ ক্যাম্পের একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭৯৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।

রাণীশংকৈল বনগাঁও দাখিল মাদ্রাসায় ৪ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বনগাঁও দাখিল মাদ্রাসায় ৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে ৪ তলা শিক্ষা ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর ( সিসি ঢালায়) স্থাপনের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

জানা যায় শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধীনে ৩ কোটি ২৬ লক্ষ টাকা ব্যায়ে এ নির্মান কাজ সম্পন্ন হবে । ভিত্তিপ্রস্থর অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াসিন আলী, সাবেক মহিলা সংসদ সদস্য সেলিলা জাহান লিটা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমি আফরিদা প্রেসক্লাব সভাপতি ফারুক হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও শিক্ষা বিভাগের প্রকৌশলী, মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, সুপার, সহ সুপার, স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, শিক্ষক মন্ডলী, ছাত্রছাত্রী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মাদ্রাসা সহ সুপার আনিসুর রহমানের দোয়ার মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

ধামরাইয়ে ৪ ছাত্রকে আটক, নকল সরবরাহের দায়ে ছয়মাসের কারাদণ্ড।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি)বৃহস্পতিবার (০৭ নভেম্বর) দুপুরের দিকে কালামপুরে ভালুম আতাউর রহমান খান উচ্চ বিদ্যালয়ের দেয়াল টপকে নকল সরবরাহের সময় এই চার যুবককে নকল সরবরাহের সময় আটক করে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী,প্রত্যেক ছাত্রকে ছয়মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

স্থানীয় সুএে জানা যায়, আজ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কুল্লা ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামের ওসমান গনির ছেলে মো. রবিউল, একই গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে মো. শামীম, লাড়য়াকুন্ডু গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. রুবেল, ও একই গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মো, আব্দুল মান্নান নামে চার বহিরাগত ছাত্র কালামপুর আতাউর রহমান খান উচ্চ বিদ্যালয়ের দেয়াল টপকে তাদের স্বজনদের কাছে নকল সরবরাহের সময় পুলিশ তাদের আটক করে। তারা সকলেই কুল্লা ইউনিয়নের কুল্লা গ্রামের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে ৩ জন জলশীন এলোকেশি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং একজন ধামরাই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের কলেজ শাখার ছাত্র।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল হক বলেন, ধামরাইয়ের কালামপুর আতাউর রহমান খান উচ্চ বিদ্যালয়ে জে.এস.সি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ১৪৪ ধারা আইন ভঙ্গ করে রবিউল, শামীম, রুবেল, মান্নান নামে ৪ যুবক দেয়ার টপকে কেন্দ্রের ভিতর নকল সরবরাহ করে,এজন্য ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদেরক বিনাশ্রমে ৬ মাসের করে কারাদণ্ড দেয়া হয় ।

মাগুরা শ্রীপুরে নবাগত জেলা প্রশাসক এর সাথে সুধী সমাজের মতবিনিময় সভা ।

আশরাফ হোসেন পল্টু,শ্রীপুর(মাগুরা)প্রতিনিধি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাগুরা জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক আশরাফুল আলম এর সাথে সুধী সমাজের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) হাসিনা মমতাজ,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী জালাল উদ্দিন,ভাইস চেয়ারম্যান নারগিস সুলতানা,শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমান,মুক্তিযদ্ধকালীন শ্রীপুর বাহিনীর সহঃঅধিনায়ক ও মাগুরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডের সাবেক কমান্ডার মোল্লা নবুয়ত আলী,শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুসাফির নজরুল,সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইকরাম আলী বিশ্বাস,শ্রীপুর সদর ইউ,পি চেয়ারম্যান মসিয়ার রহমান,চেয়ারম্যান জাকির হোসেন কানন,শ্রীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ নির্মল কুমার সাহা,চেয়ারম্যান মোস্তাসিম বিল্লাহ সংগ্রাম,ইউ,পি সদস্য সিরাজুল ইসলাম টোকনসহ আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সকল দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা,ইউ,পি চেয়ারম্যান,মুক্তিযোদ্ধা,সাংবাদিক,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ,রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ,এনজি কর্মী,পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু,খ্রীস্টান,বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সভাপতি,সম্পাদক,সার ডিলার সমিতির সভাপতি,ইট ভাটা মালিক সমিতির সভাপতিসহ গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ।

এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচকগণ আলোচনা করেন এবং অনুষ্ঠানের মধ্যমণি নবাগত জেলা প্রশাসক সকল সমস্যা সমাধান সাধ্যমত সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।

কটিয়াদীতে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী কুটির ও দূর্বাবিল “খাল খননের দাবী এলাকাবাসীর”

মিয়া মোহাম্মদ ছিদ্দিক,কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)ঃ বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী কুটির ও দূর্বাবিল! খাল খননের দাবী এলাকাবাসীর।কতিপয় অসাধু স্বার্থপর লোকরা খাল ভরাট করে বিলীন করে দিচ্ছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চরপুক্ষিয়া গ্রামের ঐতিহ্যবাহী কুটির ও দূর্বাবিলের খালটি।খাল ভরাট করার কারনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি ও শত শত কৃষকেরা ক্ষতির স্বীকার।বর্তমানে এ বিল দুটি কচুরিপনা আর বিভিন্ন আর্বজনায় ভরপুর রয়েছেন।

জানা যায়, জালালপুর ইউনিয়নের চরঝাকালিয়া গ্রামের কতিপয় অসাধু স্বার্থপর লোকরা তাদের বাড়ীর চরঝাকালিয়া মৌজা খাস খতিয়ান নং ২৯০৮,২৯৫০,২৯৪০ দাগের প্রায় দেড় কিঃ মিঃ লম্বা কুটিরবিল থেকে দুর্বাবিল পর্যন্ত খালটিকে কাটতে কাটতে প্রায় জমির সাথে মিশিয়ে ফেলছে। এতে করে বর্ষার মৌসুমে কয়েক গ্রামের পানি এই খাল দিয়ে প্রবাহিত না হতে পারলে এলাকার কৃষি জমি পানিতে তলিয়ে যাবে ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্চে এবং কৃষি জমির উপর হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে।

যা এই এলাকার শত শত কৃষকেরা ক্ষতির স্বীকার হবে বর্ষা মৌসুমে।এ এলাকার লোকজন একে অপরের সাথে পাল্লা দিয়ে তাদের বাড়ি বরাবর মাটি দিয়ে এই খালটি বরাট করায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্চে এলাকার সাধারন প্রান্তিক কৃষকেরা।এছাড়া দূর্বার বিলের পানি কুটির বিলে আবার কুটির বিলের পানি লোহাজুড়ি মরাগাঙ্গে প্রবাহিত হয়ে আড়িয়াল খা নদীতে প্রবেশ করত।বর্তমানে অড়িয়াদর বাজার সংলগ্ন সুইচগেইট বন্ধ থাকায় আড়িয়াল খা নদীতে ও এ দুটি বিলে পানি আসতে পারেনা।পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা ভূমি অফিসে কয়েকবার আবেদন করলেও কোন প্রদক্ষেপ নিচ্চেন না প্রশাসন।

টুনিয়ারচরের প্রবীনলোক হাজী আঃ রাজ্জাক মুন্সী/মোঃ শহিদুল্লাহ জানান, বহু বছর আগে থেকে বর্ষার মৌসুমে এই খাল দিয়ে এলাকার কৃষকরা তাদের ফসল নৌকা বা ভোর দিয়ে আনা নেওয়া করত এবং রবি মৌসুমে খাল থেকে পানি নিয়ে বোরো ধান, আলু, মরিচ, পেয়াজ সহ বিভিন্ন শীতকালীন শাক সবজি চাষাবাদ করত।

এলাকার প্রান্তিক চাষিরা জানান,এখালটির প্রস্থ ছিল ২৫-২৮ফুট।এখন এলাকার কিছু ভূমিদস্যুরা মাটি দিয়ে ভরাট করতে করতে ড্রেনের মত করে ফেলেছে।ফলে বর্ষার মৌসুমে পানি চলাচল করতে পারেনা এবং জমাট বেধে থাকে।এতে করে কয়েকশত কৃষকের ফসল নষ্ট হচ্চে। জনপ্রতিনিধিদের নিকট একটাই দাবি এখালটি দ্রুত খনন করে আমাদের ফসলগুলো রক্ষা করলে আমরা সকল কৃষকগন উপকৃত হব।

১০নং জালালপুর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ গোলাপ মিয়া জানান,এ ব্যাপারে আমরা উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট আবেদন পাঠিয়েছি।বাজেট আসলেই খাল খননের কাজ শুরু করব।

ঝালকাঠিতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উদ্বোধন ।

সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনধিঃ ঝালকাঠিতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উদ্বোধন করা হয়েছে।০৬/১১/২০১৯ইং তারিখ বুধবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জোহর আলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন করেন ।

ঝালকাঠির ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ে ‘সচেতনতা, প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি দুুর্যোগ মোকাবেলার সর্বোত্তম উপায়’ এ প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদা আক্তারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জোহর আলী, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাাধারন সম্পাদক এডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, সাংগঠনিক সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর বাবু তরুণ কর্মকার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ সহকারী পরিচালক মোঃ সেলিম মিয়া।

সভা শেষে ঝালকাঠির ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সুদক্ষ কর্মীরা এক মহড়া প্রদর্শন করেন।

মাগুরার শ্রীপুরের সড়কে গাছ ফেলে মাইক্রোবাসকে গতিরোধ করে ডাকাতি ৩ ডাকাত আটক ।

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি :মাগুরার শ্রীপুর-ওয়াপদা সড়কের রায়নগর গ্রামস্থ ওয়াপদা খাল নামক স্থানে মঙ্গলবার গভীর রাতে সড়কের ওপর গাছ ফেলে মাইক্রোবাস ও মোটর সাইকেলের ঠেকিয়ে এক দুঃসাহসিক ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে । ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ ৩জন ডাকাতকে আটক করেছে ।

পুলিশ ও ভুক্তভোগিরা জানান, উপজেলার শ্রীপুর বাজারের ব্যবসায়ী সাগর বিশ্বাস, নেপাল পাল ও গোয়ালপাড়া গ্রামের পার্থ বিশ্বাসসহ ৬ বন্ধু গত মঙ্গলবার রাতে ফরিদপুরের কানাইপুর বাজারে কাত্যায়নী পূজা দেখে মাইক্রোবাস যোগে শ্রীপুরের আসছিল। পথিমধ্যে রাত অনুমান আড়াইটার দিকে নাকোল ইউনিয়নের রায়নগর গ্রামস্থ ওয়াপদা খাল নামক স্থানে মাইক্রোবাসটি পৌছালে ডাকাতদল সড়কের ওপর গাছ ফেলে সড়কটি অবরোধ করে রাখে এবং মাইক্রোবাসটি ভাংচুর করে দেশীয় অস্ত্র রামদা, ছ্যানদার মুখে যাত্রীদের জিম্মি করে ১২টি বিভিন্ন ব্রান্ডের দেশী-বিদেশী মোবাইল সেট, অর্ধলক্ষ টাকা এবং একই সময় অপর মোটরসাইকেল অরোহী কচুয়া গ্রামের সুমনকেও মারধর করে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ও টাকা পয়সা কেড়ে নেয় ।

ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগিরা নাকোল পুলিশ ক্যাম্পকে বিষয়টি অবগত করলে ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই প্রসেজিৎ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার নোহাটা গ্রামের আব্দুল গফুর এর পুত্র আবুল কালাম (৫২),নাকোল গ্রামের রোস্তম শেখ এর পুত্র সোহরাব শেখ(৪৮) ও রায়নগর গ্রামের ওহাব মোল্লার পুত্র ছামছু মোল্লা (২৮)কে আটক করতে সক্ষম হন।

এ ব্যাপারে বুধবার বিকেলে শ্রীপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে এবং আটককৃতদেরকে মাগুরা কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে ।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ওসি (তদন্ত ) লিটন সরকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন ।

ধামরাইয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০১৯ উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে ।ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ধামরাই অফিসের উদ্যোগে এ লিফলেট বিতরণ করা হয়।

গতকাল মঙ্গলবার  সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ধামরাইয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার লাগানো, লিফলেট ও সচেতনতা মূলক বই বিতরন করা হয়। সচেতনতা প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতি ভূমিকম্প মোকাবেলার সর্বোত্তম উপায় এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে ধামরাইব্যাপী এ সপ্তাহ পালিত হচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধামরাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর  স্টেশন অফিসার হুমায়ুন কবিরসহ স্টেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

ধামরাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের অফিসার হুমায়ুন কবির বলেন, দায়িত্ব, সেবা কার্যক্রম, অগ্নিকাণ্ডসহ যেকোনো দুর্ঘটনা, দুর্যোগ মোকাবেলায় করণীয় বিষয় সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেট...