সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে চলছে কিন্তু কর্মিরা এসে পদ্মার পাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অনেক নেতাকর্মী।আর পদ্মার পাড় থেকে কিছুটা দূরে সমাবেশের মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন নেতারা। মঞ্চে আছেন বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মীর্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রমুখ।
বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশ উপলক্ষে রাজশাহী এসেছেন বিভাগের আট জেলার নেতাকর্মীরা। সমাবেশ শুরু হলেও এদের অনেকেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন পদ্মা নদীর পাড়ে। কেউ কেউ যাচ্ছেন নৌকা ভ্রমণেও।
অনেকেই আবার বসে আছেন পদ্মার পাড়ের লালন শাহ মঞ্চে। এদের একজন পাবনার সাথিয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মী মনু মিয়া। তিনি বলেন, রাজশাহীতে এসে এই জায়গাটা খুব ভাল লাগছে। তাই আমরা কয়েকজন বসে আছি। পেয়ারা খাচ্ছি।
পদ্মা নদীর একেবারেই পাড়ে কয়েকজন বসে ছিলেন চেয়ারে। তাদের মধ্যে ছিলেন রাজশাহীর কাটাখালি পৌরসভা বিএনপির সহসম্পাদক কায়সার হামিদ। তিনি বলেন, শহরে ঢোকার আগেই পুলিশ সিএনজি থেকে নামিয়ে দিয়েছে। এখানে আসতে কষ্ট হয়েছে। ক্লান্ত হয়ে গেছি। তাই বাতাসে একটু বসে আছি।
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুবদলের সভাপতি রুবেল আলীকেও পাওয়া যায় পদ্মার পাড়ে। তিনি বলেন, জায়গাটা সুন্দর। কিন্তু সচরাচর আসা হয় না। তাই একটু বসে আছি। তবে গাড়ি না পেয়ে হেঁটে আসার কারণে ক্লান্ত হয়ে তিনি বসে আছেন বলে জানান রুবেল।
রোববার দুপুর আড়াইটা থেকে সমাবেশ শুরু হয়েছে। এই সমাবেশে যোগ দিয়েছেন রাজশাহী বিভাগের আট জেলার নেতাকর্মীরা।
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ বৃষ্টি উপেক্ষা করে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয়েছে।আজ রবিবার বেলা আড়াইটায় রাজশাহী মাদ্রাসা মাঠের পাশে ঈদগাহ রোডে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হয়।সমাবেশকে কেন্দ্র করে প্রশাসন সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। সমাবেশস্থলের প্রবেশপথে কঠোর নিরাপত্তার বলয় দেখা গেছে।নানা বাধা উপেক্ষা করে সমাবেশ শুরুর আগে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির স্লোগানে স্লোগানে বিভিন্ন ব্যানার নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা।
সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন।
স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হোসেন মাহমুদ টুকু, রাজশাহীর সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ বক্তব্য দেবেন।
আরও উপস্থিত আছেন গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এমপি, নাদিম মোস্তফা, শ্যামা ওবায়েদ,শাহিন শওকত, গোলাম মোস্তফা, মাহদুদা হামিদা, যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, আমিরুল ইসলাম খান আলীম, শ্রমিক দল সভাপতি আনোয়ার হোসেন, মোরতাজুল করিম বাদরু, তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, চেয়ারপাসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ।
সভাপতিত্ব করছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়ের মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।
সমাবেশ পরিচালনা করছেন রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক রুহুল কুদ্দুস দুলু ও মহানগর বিএপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন।
রবিবার (২৯/৯/২০১৯ ইং) তারিখ বেলা ১১ টার দিকে এই কর্মসূচি শুরু হয়।বেনাপোল স্থল বন্দর এর ব্যবসায়িক সংগঠন সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বন্দরের ৭ টি সংগঠনের সমন্বয়ে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ- সভাপতি ও পদ্মা ট্রেডিং এর সত্ত¡াধিকারী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান, সহ-সভাপতি, খায়রুজ্জামান মধু ও কামাল উদ্দিন শিমুল,সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক লতা,
যুগ্ম -সাধারণ সম্পাদক,আলহাজ্ব মহাসিন মিলন ও আলহাজ্ব জামাল হোসেন, কাস্টম বিষয়ক সম্পাদক, নাসির উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক মুকুল,বন্দর বিষয়ক সম্পাদক ,শাহাবুদ্দিনসহ বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন আমদানী -রপ্তানি কারক ব্যবসায়ী ও সাধারন নাগরিকবৃন্দ।
মানব বন্ধনে কর্মসুচির প্রতি সমর্থন জানিয়ে একাত্তত্ত¡া ঘোষনা করে মানব বন্ধনে অংশ নেয় বেনাপোলের বন্দর ব্যবহারকারী সাতটি সংগঠন। এদের মধ্যে রয়েছে সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন ,সি এন্ড এফ ষ্টাফ এসোসিয়েশন, বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক সংগঠন ৯২৫ ও ৮২১,বোনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতি, ট্রাক মালিক সমিতি, বেনাপোল শার্শা, নাভারন,ট্রাংলরি শ্রমিক সমিতি। পরে কাস্টমস কর্মকর্তারা একাত্মতা ঘোষণা করে মানববন্ধনে যোগ দেয়।
কেবল উল্লেখ্য যে, স¤প্রতি প্রায় ২০০০ হাজার কোটি মূল্যের অধিক ৬৭ মন(২৭০০কেজি)ভায়াগ্রা পাউডার বেনাপোল কাষ্টমস হাউজ থেকে ছাড়পত্র না পাওয়াই দূর্নীতি দমন কমিশন দুদকের সাবেক উপরিচালক (ডিডি) উপ-পরিচালক আহসান আলী বেনাপোল কাষ্টমস কমিশনার এবং সি এন্ড এফ এজেন্টদের বিরুদ্ধে একটি সংঘবদ্ধ চক্রে সহায়তায় দুদক কার্যালয় ঢাকা এবং কয়েকটি পত্র পত্রিকায় বির্ভান্ত মুলক কিছু কথাবার্তা তুলে প্রচার প্রচারনা চালায়। কেবল মাত্র হয়রানি শত্রুতামূলক প্রতিহিংসা চরিতার্থের জন্যে ডিডি আহসান আলী দুদকের মত প্রতিষ্ঠানের নাম পদবী ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চেয়েছেন। সাবেক দুদক কর্মকর্তার এহনো কার্যকলাপের কারণে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানিতে স্থবিরতা নেমে এসেছে।যার ফলে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট সহ বন্দর ব্যবহারকারী সাতটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রতারক উপ-পরিচালক আহসান আলীকে আটকের জন্য জোর দাবি জানিয়ে আজকের এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি ঃহিন্দু স¤প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দূর্গাপূজা শুরু হতে আর মাত্র ৪দিন বাকী ।
শেষ মূহুর্তে অধিকাংশ মন্দিরে চলছে প্রতীমা রং আর সাজ-সজ্জার কাজ। শ্রীপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মনোরঞ্জন সরকার জানান, এবছর মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ১৩৮টি পূজামন্ডপে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে গয়েশপুর ইউনিয়নে ১৫টি, আমলসারে ১৭টি, শ্রীকোলে ১৪টি,শ্রীপুরে ১৬টি,দ্বারিয়াপুরে ১৩টি,কাদিরপাড়ায় ১৭টি,সব্দালপুরে ১০টি ও নাকোল ইউনিয়নে ৩৬টি ।
এর মধ্যে ৩৪টি পূজা মন্ডপকে সাধারণ এবং ৬টিকে অধীক ঝুকিপূর্ণ বলে সনাক্ত করেছে পূজা উদযাপন পরিষদ। এর মধ্যে গঙ্গারামখালী, গোয়ালবাড়ি, বড়তলা, রাধাকান্তপুর, খালিয়াবাজার, খড়িচাইল, সরইনগর দুইটি পূজামন্ডপগুলি অধীক ঝুকিপূর্ণ বলে ঘোষনা রয়েছে ।
অন্যান্য বছরের ন্যায় এ বছরেও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন, পূজামন্ডপগুলিতে নিরাপত্তা বিধান ও আইন-শৃংঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে র্যাব, পুলিশ, আনসার, উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে ।
আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, উপজেলা আওয়ামীলীগ, জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, হিন্দু,খ্রিষ্টান,বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ ও পূজা মন্ডপ কমিটির সভাপতি,সম্পাদকসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের মাধ্যমে মন্ডপগুলিতে বিশেষ নজরদারী ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূজা মন্দিরগুলো মনিটরিং করা হচ্ছে। তবে পূজা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অবাধ শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের ক্ষেত্রে প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতা করবে। এছাড়াও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সকল পূজা মন্দিরকে প্রশাসনের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসন সার্বক্ষণ প্রস্তুত থাকবে ।
রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়ায় হাজী কল্যান সমিতির আয়োজনে ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে নতুন গড়েয়া হাট কেন্দ্রীয় মস্ জিদে প্রতি বছরের ন্যায় এবারো নতুন হাজীদের ১২ তম পূর্ণমিলনী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব ওয়াহেদ আলী খাঁন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ সদস্য মারুফ হোসেন বক্তব্য রাখেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আক্তারুল ইসলাম (আক্তার), গড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল ইসলাম (রেদ) শাহ, গড়েয়া ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলহাজ্ব সাইফুর রহমান, আলহাজ্ব ইলিয়াস হোসেন মাষ্টার (প্রঃশিক্ষক),আলহাজ্ব মজিবর রহমান (মাস্টার) অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
এছাড়াও গড়েয়ার সকল হাজী সাহেব গণ সহ ঠাকুরগাঁও, বীরগঞ্জ ও দেবীগঞ্জ উপজেলার হাজী সাহেব গন পূর্ণমিলনী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে হাজী কল্যান সমিতিতে আলহাজ্ব ওয়াহেদ আলী খাঁন বিশ হাজার টাকা,আক্তারুল ইসলাম (আক্তার) দশ হাজার টাকা দান করেন এবং জেলা পরিষদ সদস্য মারুফ হোসেন হাজী কল্যান সমিতির একটি ঘর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন ।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি ঃ মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর আয়োজনে শনিবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্ম পালন করা হয়েছে । কর্মসূচির মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য র্যালি,আলোচনা সভা,কেক কাটা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোঃ কবির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী নূর রহমান মোল্লার নেতৃত্বে শেখ রাসেল মিনি ষ্টেডিয়াম থেকে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয় ।
আলোচনা সভায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোঃ কবির হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলী নূর রহমান মোল্লার,সিনিয়র সহ-সভাপতি(১) এরশাদ মোল্লা, সহ-সভাপতি(২) ফারুক হোসেন, সহ-সভাপতি (৩) শফিকুর জামান রিপন, সহ-সভাপতি (৪),হারুণ ফকির,যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ ওহিদুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ(২) অমিত কুমার বিশ্বাস,সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল হোসেন মোল্লা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাওন বিশ্বাস,দপ্তর সম্পাদক শফিউল্লাহ কর্ণেল,প্রচার সম্পাদক এস,এম ওহিদ ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা অন্তরা জোয়ারদার । অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও শ্রীপুর ৪নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মসিয়ার রহমান ও শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ বদিয়ার রহমান মন্ডল ।
আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ কেক কেটে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন । পরিশেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার প্রতি মাগফেরাত ও জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান করা হয় ।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) : সনাতন ধর্মালম্বদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী সুর বেজে উঠেছে সারাদেশে। ধামরাই পূজা মণ্ডপগুলো অপূর্ব সাজে সাজানো হচ্ছে। গতবারের চেয়ে এবার ভিন্নতা রয়েছে। এরইমধ্যে ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজগুঁলো খুব দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে।
সনাতন বিশ্বাস ও পঞ্জিকামতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা এবার ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যলোকে (পৃথিবী) আসবেন। যার ফল হচ্ছে ফসল ও শস্যহানি। দেবী স্বর্গালোকে বিদায় নেবেন দোলায় (পালকি) চড়ে। যার ফল হচ্ছে মড়ক। এ সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রোগ ও মহামারীর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাবে।
দুর্গোৎসব চলাকালে প্রতিদিনই সব মণ্ডপে অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও ভোগআরতির আয়োজন করা হবে। এছাড়া, মণ্ডপে মণ্ডপে আলোকসজ্জা, আরতি প্রতিযোগিতা, স্বেচ্ছায় রক্তদান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, নাটক, নৃত্যনাট্যসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন রয়েছে।
পুরাণে আর ও আছে, অশুভ অসুর শক্তির কাছে পরাভূত দেবতারা স্বর্গলোকচ্যুত হয়েছিলেন। এই অশুভ শক্তি বিনাশ করতে একত্র হন দেবতারা। অসুরের বিনাশে এক মহাশক্তির আবির্ভাব ঘটে। দেবতাদের তেজোরশ্মি থেকে আবির্ভূত হলেন অসুরবিনাশী দেবী দুর্গা।
সনাতন বিশ্বাস মতে, জগতের মঙ্গল কামনায় এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘটবে ঘোটকে (ঘোড়ায়), গমনও হবে ঘোটকে।
এদিকে শারদীয় দূর্গা পূজাকে সামনে রেখে শেষ মুর্হুতে প্রতিটি মন্ডপে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাষ্করা। ইতোমধ্যে তারা মাটির কাজ শেষ করছে। এখন চলছে রং তুলির কাজ। প্রতিমা তৈরিতে সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতা হয় ভাস্ককরদেরও মধ্যে। পূজা শুরু হওয়ার পর ভক্তরা যে প্রতিমা সুন্দর হয়েছে বলে রায় দেয় সে ভাস্কর তত বেশী সফল। আজ২৮সেপ্টেম্বর মহালয়ার দিনটি থেকে হিন্দুদের এ পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তবে মূল পূজা শুরু হবে ৪অক্টোবর। ষষ্ঠী পূজা বা দেবী বোধনের মধ্যে দিয়ে। আর বিজয়া দশমীর মধ্যে দিয়ে এ পূজা সমাপ্ত হয়।
ধামরাই উপজেলায় মোট ১৯৬টি পূজামন্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে তার মধ্যে পৌরসভায় ৪০টি বাকি১৫৬টি বিভিন্ন ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হবে।
ধামরাই পৌরসভার ডঃ অজিত রঞ্জন বসাক বলেন পূজার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি এরই মধ্যে প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষ হয়েছে।রংতুলি ও নতুন কাপড় পরানোর মাধ্যমে বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে, তিনি আরো বলেন দেশের ও সমাজের মঙ্গল সমৃদ্ধি কামনায় এবার শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে এই দুর্গোৎসব শেষ হবে বলে আশা করছি।
ধামরাই থানার সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা বলেন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদযাপনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
নিজেস্ব প্রতিবেদক ঃ মাদারীপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে আনন্দ মিছিল বের করাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪ পুলিশসহ আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ ।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সরকারি নাজিমউদ্দিন কলেজ ক্যাম্পাসে এই সংঘর্ষের ঘটনা হয়।থেমে থেমে এখনো চলছে সংঘর্ষ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে খণ্ড খণ্ড আনন্দ মিছিল নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে জড়ো হয় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হোসেন অনিকের সমর্থকরা। এরই কিছু পরে সদ্য বহিষ্কৃত জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবির মাহমুদ তানভীরের সমর্থকরা আলাদা মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। এ নিয়ে প্রথমে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মাঝে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসের ভেতরেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এতে চার পুলিশসহ আহত হয় অন্তত ২৫জন। তাদেরকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা জানান, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে। আহত ৪ পুলিশকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ সিনিয়র তথ্য অফিসার ঃ তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সকল ধর্মের মানুষের রক্তে গড়া আমাদের লাল-সবুজের পতাকা এদেশের অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক। মহালয়ার দিনে এ সম্প্রীতির বন্ধন আরো দৃঢ় হোক।
শনিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় রাজধানীর বনানী খেলার মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন এবং পরে সকাল আটটায় ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সনাতন সমাজ সংঘ আয়োজিত ‘শুভ মহালয়া’ উদ্যাপনের অনুষ্ঠান্দ্বয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকল ধর্মের ত্রিশ লক্ষ মানুষের রক্তস্রোতের বিনিময়ে আমরা গড়েছি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। এখানে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির কোনো স্থান নেই।
ড. হাছান বলেন, আমাদের এদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমরা যে আন্তঃসাম্প্রদায় সম্প্রীতির নজীর স্থাপন করেছি, তা বিশ্বের দেশগুলোর কাছে এক অনন্য উদাহরণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিশ্বাস করে, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।
আমাদের প্রথম পরিচয়, আমরা বাঙালি, তারপর আমরা কেউ হিন্দু বা মুসলিম, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান, বলেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক।
মহালয়া উপলক্ষে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, হিন্দু ধর্মমতে আজ মর্ত্যে দুর্গাদেবীর আগমনের ক্ষণে সকল অসুর, অশুভ অপশক্তি পরাজিত হোক, আমাদের সম্প্রীতির বন্ধন আরো দৃঢ় হোক। সকলে মিলে আমরা এগিয়ে যাই ‘স্বপ্নের বাংলাদেশ’ গড়ার পথে।
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ ৬৯ জনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার ২৪ ঘন্টায় রাজশাহী মহানগরীর থানা ও ডিবি পুলিশ মহানগরীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়। শনিবার আরএমপি অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার সদর গোলাম রুহুল কুদ্দুস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতদের মধ্যে বোয়ালিয়া মডেল থানা ২৫ জন, রাজপাড়া থানা ৬ জন, চন্দ্রিমা ৫ জন, মতিহার থানা ৮ জন, কাটাখালি থানা ৭ জন, বেলপুকুর ২জন, শাহমখদুম থানা ৩ জন, এয়ারপোর্ট থানা ৫জন, পবা থানা ৫ জন, কাশিয়াডাঙ্গা থানা ৩ জন, কর্ণহার ১ জন, দামকুড়া ১ জন ও ডিবি পুলিশ ১ জনকে আটক করে। যার মধ্যে ১৬ জন ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী, ১৭ জনকে মাদকদ্রব্যসহ ও অন্যান্য অপরাধে ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্যসহ আটককারিরা হলেন, বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ সুমন হোসেন @ সাদ্দাম (২২) কে ৪ গ্রাম হেরোইন, শিশির (২৫) কে ১২ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, এম আলম @ আলম (৩৮) কে ১৬ গ্রাম হেরোইন, জনি (৩৩) কে ১০ দশমিক ৯ গ্রাম হেরোইন, ইমন আলী (২২) কে ২২ পিচ ইয়াবা, রকি (৩০) কে ৫ গ্রাম হেরোইনসহ আটক করে।
রাজপাড়া থানা পুলিশ এম এ রাজীব @ মীম (২৫) কে ১৯ গ্রাম হেরোইন, চন্দ্রিমা থানা পুলিশ মোজাম্মেল হোসেন @ মোজা (৩৫) কে ২০ গ্রাম হেরোইন, শাহমখদুম থানা পুলিশ জিয়ারুল ইসলাম (৩৩) ও রকনুল ইসলাম@ রাহি (৩৪) দ্বয়কে ৪১০ পিচ ইয়াবা, মতিহার থানা পুলিশ জসিম উদ্দীন (২৬) কে ১০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক করে।
কাটাখালী থানা পুলিশ আস্তাকিন (২২)কে ৫০ পিস ইয়াবা, এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ সুমন ইসলাম (২৫) কে ৬ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, কর্ণহার থানা পুলিশ মুকুল হোসেন (৪৫) কে ৮ লিটার চোলাইমদ, পবা থানা পুলিশ জাহিদ হাসান @ শুভ(৩০) কে ৫০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ডিবি পুলিশ মান্না @ সজিব(২৩) কে ৩০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করে। আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।