23 C
Dhaka, BD
শুক্রবার, এপ্রিল ১০, ২০২৬

ডেংগু আক্রান্ত আলোচিত পথশিশু নাহিদ এখন সম্পূর্ণ সুস্থ; খুঁজে পেল হারানো পরিবারকেও।

সাদেকুর রহমান বিশেষ প্রতিবেদক ঃ ছোট বেলা থেকেই বাবা-মা’কে হারিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে গাবতলী বাস টার্মিনালে বেড়ে উঠে নাহিদ। ঠিকানা-পরিচয় না থাকায় পথশিশু হিসেবেই পরিচিত ৭বছর বয়সী নাহিদ।

গত ৩০ জুলাই প্রচন্ড জ্বরে আক্রান্ত হয় পরিবারবিহীন এই শিশুটি। গাবতলী বাস টার্মিনালের অন্যান্য পথশিশু ও একজন পরিবহন শ্রমিকের নজরে পড়লে তারা চিকিৎসার জন্য নাহিদকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রথমে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষায় ডেংগু ধরা পড়ে। ডেংগু আক্রান্ত এই পথশিশুর খবর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এগিয়ে আসেন শাহীন নামে মিরপুরের এক বাসিন্দা। নাহিদের সুচিকিৎসার কথা বিবেচনা করে তাকে বেসরকারী হাসপাতাল আল-হেলালে ভর্তি করেন মোহাম্মদ শাহীন। পরিবার পরিচয়হীন এই শিশুটির সুচিকিসা নিশ্চিতে এগিয়ে আসেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। বিনা পয়সায় প্রায় ৩ সপ্তাহ চিকিৎসা দেয়ার পর সম্পূর্ণ সুস্থ হয় নাহিদ। ইতোমধ্যে এই পথশিশুকে নিয়ে সময় টেলিভিশন প্রতিবেদন প্রকাশ করলে তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মানুষের মুখে নাহিদকে নিয়ে প্রচারিত সংবাদের কথা শুনতে পেরে নাহিদের গ্রামের বাড়ি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানার শরালকী এলাকা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করেন নাহিদের নানী। ঢাকায় পৌঁছানোর পর হাসপাতালের নাম-ঠিকানা না জানার কারণে পথে পথে ঘুরতে হয় তাকে। অবশেষে হাসপাতালের ঠিকানা পেয়ে ছুটে যান এবং দেখা পান আদরের নাতি নাহিদের। নাহিদ তার হারানো স্বজনকে (নানি) খুঁজে পাওয়ায় তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরে “পাথওয়ে” নামক বেসরকারী একটি উন্নয়নমূলক সংস্থা এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মুহিববের উপস্থিতিতে পথশিশু নাহিদকে তার খুঁজে পাওয়া স্বজনের কাছে তুলে হস্তান্তর করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাক আহম্মেদ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু, আল-হেলাল স্পেশালাইজ্ড হাসপাতালের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শাহাবুদ্দিন খাঁন, চিত্রনায়ক সায়মন সাদিক ও পাথওয়ের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহিন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন পাথওয়ের চেয়ারম্যান ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র মোঃ জামাল মোস্তফা। পাথওয়ের পক্ষ থেকে নাহিদের শিক্ষা ও বেড়ে উঠার খরচ বহনের প্রতিশ্রতি দেয়া হয়। নাহিদের মতো পথ শিশুদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে সবার প্রতি আহ্বান জানান অনুষ্ঠানের বক্তারা।

শিবগঞ্জে ৩ হাজার ইয়াবাসহ ১ জন আটক ।

শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ খাসেরহাট থেকে ৩২০০ ইয়াবা সহ ১ জনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) ফজল-ই-খুদার নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখার অভিযানে ২৭ আগষ্ট ২০১৯ মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় শিবগঞ্জের খাসেরহাট মাস্তানবাজার থেকে সাহাপাড়া ভবানীপুর এলাকার দাউদ আলীর ছেলে তহুরুল ইসলাম (৩৭) কে আটক করা হয় । এসময় তার নিকট থেকে ৩ হাজার ২ শত পীস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় ।শিবগঞ্জে ৩ হাজার ইয়াবাসহ ১ জন আটক

শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ খাসেরহাট থেকে ৩২০০ ইয়াবা সহ ১ জনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) ফজল-ই-খুদার নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখার অভিযানে ২৭ আগষ্ট ২০১৯ মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় শিবগঞ্জের খাসেরহাট মাস্তানবাজার থেকে সাহাপাড়া ভবানীপুর এলাকার দাউদ আলীর ছেলে তহুরুল ইসলাম (৩৭) কে আটক করা হয় । এসময় তার নিকট থেকে ৩ হাজার ২ শত পীস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় ।শিবগঞ্জে ৩ হাজার ইয়াবাসহ ১ জন আটক

শামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ খাসেরহাট থেকে ৩২০০ ইয়াবা সহ ১ জনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) ফজল-ই-খুদার নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখার অভিযানে ২৭ আগষ্ট ২০১৯ মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় শিবগঞ্জের খাসেরহাট মাস্তানবাজার থেকে সাহাপাড়া ভবানীপুর এলাকার দাউদ আলীর ছেলে তহুরুল ইসলাম (৩৭) কে আটক করা হয় । এসময় তার নিকট থেকে ৩ হাজার ২ শত পীস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় ।

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩৫ নং শেডে আগুন: ৩০ মিনিট পর নিয়ন্ত্রনে ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: আবারও বেনাপোল স্থল বন্দরে আগুন ৩০ মিনিট পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয় বেনাপোল ফায়ার ইউনিট।
মঙ্গলবার(২৭/০৮/১৯ইং)তারিথ সকাল সাড়ে ৯ টার সময় এ আগুনের সুত্রপাত ঘটে বেনাপোল স্থল বন্দরের ৩৫ নং শেডে। আগুনে ওই শেডে রাখা আমদানিকৃত কেমিক্যাল পন্য পুড়ে যায়। এ সময় বন্দরের নিজস্ব ফায়ার ইউনিট, বন্দরের শ্রমিকরা এক যোগে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রনের জন্য। সকাল ১০ টার সময় বেনাপোল ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট এসে আধাঘন্টা কাজ করে আগুন সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রনে আনে। অগ্নিকান্ডে সংঘটিত ৩৫ নং শেড বেনাপোল বন্দরের পরিচালক প্রদোষ কান্তি দাস সহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন।

বেনাপোল বন্দরের শ্রমিক আলম হোসেন বলেন, হঠাৎ কেমিক্যাল ষ্টোর (গোডাউন) ৩৫ নং শেডে আগুন এর সুত্র পাত দেখা যায়। তখন আমরা আগুন নিয়ন্ত্রনের জন্য গ্যাস ব্যবহার করি। এরপর বেনাপোল স্থল বন্দরের নিজস্ব ফায়ার ইউনিট এসে কাজ করে। কিছু সময় পর বেনাপোল ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট এসে আগুন সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হন।

৩৫ নং শেডের ইনচার্জ মনির হোসেন জানান, এখানে লিকুইট কেমিক্যাল ছিল। কিভাবে এই কেমিক্যাল পন্য আগুন এর সুত্র পাত ঘটেছে তা তদন্ত না করে বলা যাবে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন কত টাকার পন্য পুড়েছে তাও এই মুহুর্তে বলা যাবে না।

বেনাপোল ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ তৌহিদুর রহমান সুমন বলেন, বেনাপোল বন্দরের ৩৫ নং শেডে আগুনের কাজ আধা ঘন্টার মধ্যে নিয়ন্ত্রনে আসে। তবে কিভাবে আগুনের সুত্রপাত ঘটেছে তা এই মুহুর্তে বলা যাবে না।

স্থল বন্দরেরর পরিচালক প্রদোষ কান্তি দাস জানান, আগুন এখন সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রনে। কি ভাবে আগুন লেগেছে তা তদন্ত না করে কিছু বলা যাবে না। এর জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আগুন ধরার ঘটনা বন্দর চেয়ারম্যান সহ অন্যান্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।

ধামরাইয়ে লরির চাপায় তিন সন্তানের জননী নিহত।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে ঢুলিভিটা বাসস্টান্ডে লরির চাপায় ফাতেমা বেগম(৪২) ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছে। আহত হয় নিহতের কন্যা সামিরা(৬) অক্ষত রয়েছে ছেলে সন্তান ফাহিম(১৩) তবে সেইও মায়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু দেখে বাকরুদ্ধ রয়েছে। আহত সামিরা ধামরাই ঢুলিভিটা মমতাজ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সোমবার (২৬ আগষ্ট) সকাল ৯:৪৫ মিনিট সময়ে এ মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বায়রার সভাপতি স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ নিহতের পরিবারদেরকে গভীর সমবেদনা জানান।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, টাংঙ্গাইলের মির্জাপুর এলাকায় স্বামীর বাড়ি থেকে ধামরাই আত্মীয় বাড়ীতে যাওয়ার সময় ঢুলিভিটা বাসস্ট্যান্ডে রাস্তাপাড়াপার হওয়ার সময় দ্রুতগামী বেপরোয়া লরির চাপায় গৃহবধূ নিহত হয়।

নিহতের আত্মীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ এমপি, নিহতের পারিবারিক সূত্রে আত্মীয়।

নিহতের স্বামী সেলিম হোসেনের বাড়ি টাংঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার হারিয়া গ্রামে।

এব্যাপারে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা জানান, ঘাতক লরিটি আটক করা হয়েছে। এবং মামলার প্রস্ততি চলছে। প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

ইবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ! গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা।

এনামুল ইসলাম (রাজশাহী প্রতিনিধি) ঃ দলীয় কর্মীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোকের মাসে রাতভর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে বিদ্রোহী ও পদবঞ্চিত গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (২৬ আগস্ট) রাতের প্রথম প্রহর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসিক হল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এসময় বিদ্রোহী ও পদবঞ্চিত গ্রুপের নেতাকর্মীদের হাতে লোহার রড, লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়। ঘটনার এক পর্যায়ে লালন শাহ হল ও জিয়া হলের সামনে কয়েক রাউন্ড গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। রাত সোয়া ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ছাত্র উপদেষ্টার মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ ঘটনায় দুই গ্রুপের কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩জনকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে প্রায় ২৫-৩০ জন নেতাকর্মী সাদ্দাম হোসেন হলের ২৩৫ নম্বর রুমে যান। গিয়ে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মীরা দরজায় লাথি মারতে থাকলে ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের কর্মী মোশাররফ হোসেন নীল রুম থেকে বেরিয়ে আসেন। নীল ও শিমুলকে তারা হুমকি ও মারধর করে বলে অভিযোগ করছে।

তারপর নীল হল থেকে বেরিয়ে তার গ্রুপের নেতাকর্মীদের জানালে তারা জিয়া মোড়ে অবস্থান নেয় পরে দু’গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি হয়। হাতাহাতির একপর্যায়ে সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সুমনসহ অন্যান্য কর্মীরা জিয়া মোড় থেকে চলে যান। পরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীরা জিয়া মোড়ে অবস্থান নিলে বিদ্রোহী ও পদবঞ্চিত গ্রুপের নেতাকর্মীদের ধাওয়া খেয়ে ইবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীরা আতংকিত হয়ে যারযার হলে ভিতরে ঢুকে যায়। তারপর বিভিন্ন হলের সামনে ছাত্রলীগের বিদ্রোহী গ্রুপের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেয়। আজ সকালেও বিভিন্ন হলের সামনে তারা অবস্থান নেওয়াতে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মীদের ভিতর আতংক সৃষ্টি হয়। পরে সকাল ১০টার দিকে লালন শাহ ও সাদ্দাম হোসেন হল থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দলীয় ট্রেন্ট এ এসে অবস্থান নেয়।

রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণ ও সহকারী প্রক্টর এস এম নাসিমুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রলীগের বিদ্রোহী ও পদবঞ্চিত গ্রুপের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে পরিবেশ কিছুটা স্বাভাবিক করে দেয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ঘটনাটি একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত। এটাকে পুঁজি করে কিছু অছাত্র ও বহিরাগত ছাত্রলীগ পরিচয় দিয়ে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। আমরা সাংগঠনিকভাবে এর ব্যবস্থা নেবো।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম রবিউল ইসলাম পলাশ বলেন, শোকের মাসে তারা যে এইভাবে হামলা চালিয়েছে সেটা খুবই দুঃখজনক। তারা ছাত্রলীগ দাবি করতেছে তাদের মধ্য অনেকে বহিরাগত,মাদকাসক্ত রয়েছে। আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ তাদের রিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে এই ঘটনার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী বলেন, ক্যাম্পাসে যারা বিশেষ করে এই শোকের মাসে বিঙ্খলা সৃষ্টি কর‍তে চাই তারা আর যাই হোক ছাত্রলীগ দাবি করতে পারে না। জননেত্রী শেখ হাসিনার স্যান্ডিং নির্দেশে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে কোন ক্যাম্পাসে বিঙ্খলা করা যাবে না। সুতরাং যারা বিঙ্খলা সৃষ্টি করছে তারা ছাত্রলীগ দাবি করার কোন অধিকার রাখে না। অভ্যান্তরীণ কিছু ব্যাপার থাকতেই পারে কথাকাটাকাটি,ভুল বোঝাবুঝি এইটা কিন্তু উভয়ই বৈধ ছাত্রের মধ্য করতে পারে।

একজন অবৈধ ছাত্র কোন অবস্থাতেই ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারবে না এবং ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতে পারবে না।এই মূহুর্তে থেকে যদি কেউ বিঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাই তাহলে সে দায়-দায়িত্ব আমরা প্রশাসন নিলাম।ছাত্রলীগ কোন সন্ত্রাসী সংগঠন নয় যে কেউ যদি ছাত্রলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে বিঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাই তাদের উপর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন,এই ঘটনার সূত্রপাত কিভাবে হলো তার জন্য খুব শক্তিশালী কমিটির মাধ্যমে কেন এই গুলি ফুটলো,বোমাবাজি হলো,ককটেল বাজি হলো এটা আমরা কমিটির মাধ্যমে সনাক্ত করবো।ক্যাম্পাস থেকে সম্পূর্ণ বহিরাগত মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে আমরা তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা গ্রহন করবো।

বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানিকৃত পন্য খোলা আকাশের নিচে:ক্ষতির মুখে আমদানিকারকরা ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোল বন্দর দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর। এ বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে ৪৫০ থেকে ৫০০ পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। তবে বন্দরে পর্যাপ্ত শেড/ গুদাম না থাকায় আমদানিকৃত পণ্য খোলা আকাশের নিচে রাখা হচ্ছে। খোলা আকাশের নিচে আমদানি পণ্য রাখার কারণে রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে পণ্যের গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। এদিকে বন্দরের ভেতর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি ঢুকে পড়ছে শেডের ভিতর।

অনেক শেডে বৃষ্টির পানি পড়ে মালামাল ভিজে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমদানিকারকরা। এ বন্দর থেকে সরকার প্রতিবছর সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে। এ বন্দরে ৪২টি শেড থাকলেও সংস্কারের কারণে ভেঙে ফেলা হয়েছে ১০টি শেড, আছে ৩২টি শেড। বন্দরে চারটি ওপেন ইয়ার্ড ও একটি ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড রয়েছে।

বন্দরে পণ্য রাখার ধারণ ক্ষমতা ৪৬ হাজার মেট্রিক টন। গত দুই বছর আগে প্রতিদিন এ বন্দর দিয়ে ২৫০ থেকে ৩০০টি পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করত। দুই বছর আগে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাড়াতে দুই দেশের সরকার বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দর সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বেড়ে যায়। আগে যেখানে ২৫০ থেকে ৩০০টি পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করত এখন সেখানে ৪৫০ থেকে ৫০০টি পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে।

বন্দরে পণ্য ধারণ ক্ষমতা ৩৬ হাজার মেট্রিক টন থেকে ৪৬ হাজার মেট্রিক টন করা হলেও বর্তমান প্রতিদিন এ বন্দরে ৩ লাখ টনের অধিক পণ্য ওঠানামা করে থাকে। আমদানি বাড়লেও সে তুলনায় বেনাপোল বন্দরে শেড/ গুদাম ও ইয়ার্ড তৈরি না করার কারণে আমদানিকৃত পণ্য খোলা মাঠে রাখতে হচ্ছে। আমদানিকৃত পণ্য খোলা আকাশের নিচে রাখায় পণ্য রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে একদিকে যেমন এর গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আমদানিকারকরা।

আর এসবের কারণে আমদানিকারকরা বেনাপোল ছেড়ে অন্য বন্দর দিয়ে আমদানি করছেন। তবে এসব সমস্যা সমাধানের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে ২৪.৯ একর জমি অধিগ্রহণ করেছেন। আরো ২৬ একর জমি অধিগ্রহণ প্রস্তাবনায় রয়েছে। এসব জমি অধিগ্রহণের পর সেখানে নতুন নতুন শেড/ গুদাম/ ইয়ার্ড নির্মাণ করা হলে বন্দরে আর জায়গা সংকট থাকবে না বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন আমাদের প্রতিনিধি রাসেল ইসলামকে জানান, বেনাপোল স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্য রাখার জন্য ৩২টি শেড ও চারটি ওপেন ইয়ার্ড রয়েছে। যার ধারণক্ষমতা ৪৬ হাজার মেট্রিক টন। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে গতিশীলতা বাড়াতে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আধুনিক চেকপোস্ট নির্মাণ করলেও বেনাপোল বন্দরকে করা হয়নি আধুনিকায়ন। জরুরিভিত্তিতে ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল রাখার জন্য একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গুদামসহ ১৫টি শেড নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া দুটি এক্সপোর্ট শেড ও একটি ছাউনিযুক্ত ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড নির্মাণের দাবিও করা হয়েছে কর্তৃপক্ষের কাছে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের কাস্টম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আমাদের প্রতিনিধি রাসেল ইসলামকে বলেন, বেনাপোল স্থল বন্দরের মালামাল পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি রয়েছে। সিসি ক্যামেরার জন্য দুই-তিন বছর ধরে অবহিত করার পরেও এখন স্থাপন করা হয়নি। আমদানিকৃত পণ্য বেশিরভাগ ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারি হওয়াই খোলা আকাশের নিচে রাখার কারণে ধুলাবালি রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে, এ ব্যাপারে বন্দর কর্তৃপক্ষের সুনজরে আসা উচিত বলে আমি মনে করি।

বেনাপোল বন্দর পরিচালক প্রদোষ কান্তি দাস আমাদের প্রতিনিধি রাসেল ইসলামকে জানান, অদূর ভবিষ্যতে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। জায়গা সংকুলন না থাকার কারনে যে পন্যগুলো খোলা আকাশের নিচে রাখা যায় আমরা শুধুমাত্র সেই পন্য গুলোই উন্মুক্ত স্থানে রাখা হয়। মাল নষ্ট হওয়ার কোন সুযোগ নাই।

বেনাপোল সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী আয়ুব হোসেন পক্ষী আমাদের প্রতিনিধি রাসেল ইসলামকে জানান, খোলা আকাশের নিচে আমদানিকৃত মোটরপার্টস,মেশিনারী, কেমিকেল পণ্য রোদ বৃষ্টিতে থাকার কারণে ডেলিভারি নেওয়ার সময় দেখা যায় পণ্যগুলো অনেকাংশে ড্যামেজ হয়ে গেছে, পরবর্তীতে আমদানিকারকের নিকট থেকে অনেক অভিযোগ আসে। সবচেয়ে বড় কথা বন্দরে প্রবেশের সময় ধুলাবালি ও কাঁদা মাটির জন্যে অনেক সময় কাজে বাধাগ্রস্ত হতে হয়।

প্রেরক:
মোঃ রাসেল ইসলাম
বেনাপোল,যশোর
মোবাঃ ০১৯৯০৫৪৫৩৫৮

ধামরাইয়ে ফুপার হাতে ধর্ষণের শিকার হয়ে থানায় অভিযোগ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাইয়ে ফুপার হাতে ধর্ষিতা হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ৯ম শ্রেণী পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী।

রোববার (২৫ আগষ্ট) এ ঘটনায় ধামরাই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। অভিযুক্ত ফুপার নাম আলমগীর (৪৫)। সে একটি প্রাইভেটকারের ড্রাইভার।

ভুক্তভোগী ধর্ষিতা সুয়াপুর ইউনিয়নের সুয়াপুর গ্রামের । অভিযুক্ত আলমগীর ন্নানার ইউনিয়নের ঘোড়াকান্দার হায়দার আলীর ছেলে।

অভিযোগকারী বলেন, গত বুধবার প্রেমিক নাহিদের সঙ্গে বিয়ে দেয়ার নাম করে ফুপা আলমগীর তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে নাহিদের বাড়ি যাবার কথা বলে বাইরে যেতে চাইলেও ঘরের দরজা বন্ধ করে জোর করে ধর্ষণ করে ভুক্তভোগীকে।

অভিযোগকারীর খালা রাবেয়া বেগম বলেন, ঘটনার পর আলমগীর ভুক্তভোগীকে বাড়িতে পৌছে দেয়। দুদিন পর ভুক্তভোগী এই ঘটনা তার মাকে জানায়।

ভুক্তভোগীর মা বলেন, এই ঘটনা শোনার পর আমরা চেয়ারম্যান, মেম্বারকে জানাই। তারা মিমাংসার কথা বলেন। আলমগীরকে আটক করা হলেও সুয়াপুর ইউনিয়নের মেম্বার প্রভাত তাকে ছেড়ে দেয়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মেম্বার প্রভাত বলেন, ঘটনাটা জানি। দুইজনকেই আমি চিনি। আমরা মিমাংসার কথা বলেছিলাম। তবে তারা চলে যায়। পরে আলমগীরও নিজের বাসায় চলে যায়।

সুয়াপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান সোরহাব বলেন, ঘটনাটা কয়েকদিন আগে ঘটে। পরে আমার কাছে অভিযোগ জানায়।

আলমগীরকে পুলিশে সোপর্দ না করার এ বিষয়ে তিনি বলেন, এটা আমাদের এখতিয়ার না।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বলেন, খবর পেয়ে অভিযুক্তদের ধরতে যাই। তবে তাদেরকে পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীরা থানায় এসে লিখিত অভিযোগ করেছেন। আসামীদের ধরার চেষ্টা চলছে।

সাভার উপজেলা ও পৌর হকার্স লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪-তম শাহাদাত বার্ষিকী উদযাপন ।

মনজুরুল ইসলাম বিশেষ প্রতিবেদক ঃ সাভারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪-তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৫ শে আগস্ট সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডে সাভার উপজেলা ও পৌর হকার্স লীগের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা হকার্স লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন আকন্দ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল গনি।

এসমায় তিনি বলে, আপনাদের কথা আমি শুনলাম,আপনাদের দাবি যত দূরে পৌঁছে দেয়ার আমি পৌঁছে দেবো।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিল নজরুল ইসলাম মানিক মোল্লা।

এসময় তিনি বলেন,আগস্ট শোকের মাস। এই শোকের মাসে শুধু কষ্টের কথাই আসে, যার জন্ম না হলে আমরা এই বাংলাদেশ পেতাম না, তিনি হলেন,আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উনার মেয়ে দেশরত্ন মানবতার মা,গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা , যার গুনের কথা সাড়াদিন রাত বলেও শেষ করা যাবে না, যিনি ৫ ওয়াক্ত নামাজ তো পড়েন এবং তাহাজ্জুদের নামাজ পরে বাংলাদেশের মানুষের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া চান, তিনি ফজরের নামাজের সময় ৩০ মিনিট কোরআন তেলোয়াত করে তারপর ঘর থেকে বের হন,

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা হকার্স লীগের সাধারণ সম্পাদক লিটন খান,উপজেলা শাখা ছিন্নমূল হকার্স লীগের সাধারণ সম্পাদক ,আবু হানিফ দুলালসহ আওয়ামী লীগ এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনর নেতা কর্মীসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জাবির প্রশাসনের দুর্ণীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ।

সাঈদ বিন ইসলাম জাবি প্রতিনিধি ঃ অস্বচ্ছ ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং দুর্ণীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

আজ রবিবার দুপুর ১টায় সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহীদ মিনার চত্বর, নতুন কলা ভবন, পুরাতন রেজিস্টার ভবন ঘুরে মুরাদ চত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল ও সমাবেশে অংশ নেয় প্রায় শতাধিক শিক্ষক, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতা কর্মী এবং সাধারন শিক্ষার্থীরা।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দর্শন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, “প্রশাসন উন্নয়নকে বাণিজ্যে রূপান্তর করেছে শুধু তাই নয় প্রশাসন লুটপাট করে উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে”
নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস তার বক্তব্যে বলেন , “শিক্ষকদের কাজ চুরি করা নয়। প্রশাসন সকল অংশীদারদের মতামত এবং অনুরোধ উপেক্ষা করে গায়ের জোড়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের উচিত তাদের বিরুদ্ধে দুর্ণীতির যে অভিযোগ তা মিথ্যা প্রমানিত করা।”

ছাত্র ফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী) এর সাধারন সম্পাদক সুদীপ্ত দে অভিযোগ করে বলেন, অগণতান্ত্রিক প্রশাসনকে গণতান্ত্রিক মুখোশ পরানোর চেষ্টা, উপাচার্য কতৃক ছাত্রলীগকে দুই কোটি টাকা ভাগ ভাটোয়ারা করে দেয়ার যে অভিযোগ উঠেছে তার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন । এছাড়াও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্র ফ্রন্ট এর সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ দিদার, সাংস্কৃতিক জোট সভাপতি আশিকুর রহমান, ছাত্র অধিকার সংরক্ষন পরিষদের সমন্বয়ক্ আবু সাইদ এবং অধ্যাপিকা শামীমা সুলতানা।

শার্শা উপজেলার সকল কর্মকর্তাদের সাথে মত বিনিময় করলেন যুগ্মসচিব মোস্তফা কামাল ।

মোঃ রাসেল ইসলাম বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার সকল সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

রবিবার(২৫/০৮/১৯ইং)তারিখ সকালে শার্শা উপজেলায় যুগ্মসচিব ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল (কঃ ও অঃ) মহোদয়ের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সকল উপজেলায় সমন্বয় রাখার লক্ষে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। যুগ্মসচিব মহোদয়কে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি উপজেলার সকল কর্মকর্তার সাথে পরিচিত হন এবং অফিসারদের মাধ্যমে উপজেলার সার্বিক সমস্যার কথা শোনে। যুগ্মসচিব মহোদয় উন্নয়নের গতি অব্যাহত রাখার জন্য কিছু পরামর্শও দেন। শার্শা উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তাবৃন্দের কাজের সমন্বয় এবং শার্শা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন দেখে যুগ্মসচিব মহোদয় খুশি হয়েছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল,উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তি যোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, শার্শা ভূমি কমিশনার মৌসুমি জেরিন কান্তা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৌস,শার্শা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডাঃ জয়দেব কুমার সিংহ,বেনাপোল কাস্টম সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমাসহ উপজেলার সকল কর্মকর্তাবৃন্দ।

অন্যান্য যে সকল উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে সরকারকে অবহিত করে যতটা সম্ভব সমাধানের চেষ্টা করবেন বলে তিনি জানান। যুগ্মসচিব মহোদয় উপস্থিত সবার সার্বিক মঙ্গল কামনা করে এবং ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

সর্বশেষ আপডেট...