28.1 C
Dhaka, BD
সোমবার, জানুয়ারি ১৯, ২০২৬

শিবগঞ্জে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক ।

শিশামশুজ্জোহা বিদ্যুৎ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ শিবগঞ্জে গোয়েন্দা পুলিশ ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ ওয়াসিম(২৩) নামে এক যুবককে আটক করেছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার দুপুর সোয়া একটায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা ইউনিয়নের বাবুপুর চালকি পাড়া গ্রামে সততা ইটভাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দূর্লভপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের হাবিুবুর রহমানের ছেলে ওয়াসিম(২৩)কে হানেনাতে আটক করে। পরে ওয়াসিমের বিরুদ্ধে আইননুগ ব্যবস্থা গ্রাহন করা হবে বলে জানা গেছে।

বেনাপোল উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন করবে “বেনাপোল এক্সপ্রেস” জানালেন রেলওয়ে মহা-পরিচালক ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: দেশের দক্ষিন-পশ্চিম জেলা শহর যশোরের বেনাপোলকে উন্নয়নের দ¦ার প্রান্তে পৌছে দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষনা দেওয়া “বেনাপোল এক্সপ্রেস” নামের ট্রেনটি কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে জানালেন রেলওয়ে মহা পরিচালক মোঃ শামসুজ্জামান।
তিনি আজ শনিবার(১৩/০৭/২০১৯ইং)তারিখ সকাল ১০ টায় বেনাপোল স্টেশনে সরেজমিনে পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন। বেনাপোল টু ঢাকাগামী “বেনাপোল এক্সপ্রেস” নামের এই ট্রেনটি আগামী ১৭ই জুলাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্ভোধন করবেন। সপ্তাহে ৬ দিন নন ষ্টপ এ ট্রেনটি বেনাপোল টু ঢাকা চলাচল করবে। ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী শোভন চেয়ার-৫৬৪ টাকা,এসি চেয়ার ১০১৩ টাকা(ভ্যাটসহ)এসি-সীট-১২১৩ টাকা,এসি ¯িøপার-১৮৬৯(ভ্যাট এবং বেডিং চার্জসহ)নির্ধারন করা হয়েছে।
রেলওয়ে মহ-পরিচালক ট্রেনটি চালুর ব্যাপারে বেনাপোলের স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,ব্যবসায়ী এবং গন্যমান্য ব্যাক্তীবর্গের সাথে সৌজন্য মুলক মত বিনিময় করেন। মহা-পরিচালকের সাথে উপস্থিত ছিলেন,রেলওয়ে চীফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার,ডিভিশনাল কমার্শিয়াল অফিসার আনোয়ার হোসেন,জেনারেল ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম,চীফ সিগন্যাল এন্ড টেলিকম অফিসার অসীম কুমার তালুকদার,স্টেশন মাস্টার মোঃ সাইদুজ্জামান সভাপতিত্বে মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহ উদ্দীন আহম্মেদ,শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান ও বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু,শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডল, আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ নুরুজ্জামান,ভাইচ চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান,শার্শা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন,যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল,যুবলীগ সভাপতি অহিদুজ্জামান অহিদ.পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক এনামুল হক মুকুল,সাধারন সম্পাদক আলহাজ¦ নাসীর উদ্দীন,বেনাপোল সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজল, প্রেসক্লাব বেনাপোলের সভাপতি আলহাজ¦ মহাসিন মিলন,সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোলের সভাপতি মোঃ সাহিদুল ইসলাম শাহীন,সাধারন সম্পাদক আয়ুব হোসেন পক্ষী,সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন,প্রচার সম্পাদক রাসেল ইসলাম,সহ-প্রচার সম্পাদক সেলিম রেজা তাজ,সদস্য মুক্তার হোসেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সর্দ্দার,সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন রাসেল,সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুলফিকার আলী মন্টু,বাস্তহারালীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

ইবি ভিসির আকস্মিক বিভিন্ন অফিস পরিদর্শন ।

এনামুল ইসলাম রাজশাহী প্রতিনিধি ঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী বিভিন্ন অফিস পরিদর্শন করেছেন।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আকস্মিকভাবে বিভিন্ন প্রশাসনিক অফিস পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি প্রতিটি কক্ষে প্রবেশ করেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতির খোঁজ-খবর নেন এবং অনুপস্থিতির তালিকা তৈরী করেন। এসময় তাঁর সাথে ছিলেন রেজিস্ট্্রার (ভার:) এস এম আব্দুল লতিফসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
পরিদর্শনকালে ভাইস চ্যান্সেলর ড. রাশিদ আসকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিকীকরণের পথে এগিয়ে চলেছে। সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। এজন্য প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সততা, দক্ষতা এবং আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। তিনি সকলকে চাকুরী বিধি মেনে চলার আহবান জানান।

বেনাপোলে শত শত পাসপোর্টযাত্রী দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধিঃ যশোরের বেনাপোল চেকপোষ্টে ইমিগ্রেশনের সুষ্টু ব্যবস্থাপনা ও পাসপোর্টযাত্রী বৃদ্ধি পাওয়ায় শত শত পাসপোর্টযাত্রী দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। ইমিগ্রেশনে স্বচ্ছতা ও বহিরাগত প্রবেশ বন্ধ করায় যার কাজ সে করবে এধরনের কড়া পদক্ষেপ নেওয়ায় যাত্রীদের দুর্ভোগ হচ্ছে বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার সকাল ৮ টা থেকে বেনাপোল চেকপোষ্টে এলাকায় দেখা যায় পাসপোর্টযাত্রীদের দীর্ঘ লাইন। কেউ ব্যাংকে লাইন দিয়ে ভ্রমন ট্র্যাক্স নিচ্ছে । কেউ ইমিগ্রেশনে প্রবেশ করার জন্য আছে লাইনে দাঁড়িয়ে। এর ভিতর আষাড়ে বৃষ্টি। ছোট ছেলে মেয়ে ও রোগিদের নিয়ে বিপাকে পড়েছে তাদের সাথে থাকা অভিভাবকরা। স্মরন কালের সীমাহীন দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে পাসপের্টযাত্রীদের বেনাপোল চেকপোষ্টে। এসব যাত্রীদের নিকট থেকে বিশ্রাম ও রৌদ বৃষ্টি থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য চেকপোষ্টে আছে একটি আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল। সেখানে প্রবেশ করতে নেওয়া হচ্ছে প্রতিটি যাত্রীর নিকট থেকে ৪৫ টাকা। অথচ রিসিট দেওয়া হচ্ছে ৪১.৭৫ টাকা। সেখানে বৃষ্টি নামলেও প্রবেশ করতে দেয়নি পোর্টের নিয়োজিত আনছার, আমর্ড পুলিশ,ও পিমা নামে একটি নিরাপত্তা গ্রæপের নিরাপত্তা প্রহরী।
স্থানীয়রা জানান, এর আগে মাঝে মধ্যে বেনাপোল চেকপোস্টে পাসপোর্টযাত্রীদের দীর্ঘ সারী হয়েছে কয়েক বার। কিন্তু সম্প্রতি একটানা এধরনের লাইন হওয়ায় বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে পাসপোর্টযাত্রীরা। তারা বলেন, ঢাকা সহ দেশের দুর দুরান্ত থেকে পরিবহনে আসা যাত্রীরা সব থেকে বেশী ভোগান্তিতে পড়ছে। কারন সারারাত জেগে থেকে সকালে বেনাপোল এসে ভ্রমন ট্র্যাক্স ও ইমিগ্রেশন কাস্টমস এর আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে বর্তমানে প্রায় কয়েক ঘন্টা অতিবাহিত করতে হচ্ছে।
খুলনা থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রী নিলীমা শীল ( পাসপের্ট নং বিএফ ০৬১৬৭১৫) অভিযোগ করে বলেন বেনাপোল আন্তর্জাতিক প্যাচেঞ্জার টার্মিনালের ট্যাক্স ৪৫ টাকা দিলেও তারা ভিতরে বৃষ্টি নামলে প্রবেশ করতে দেয়নি। এধরনের অভিযোগ আরো একাধিক যাত্রীর।
আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে অর্থ দিয়ে কিছু যাত্রী ভিতরে প্রবেশ করেছে এরকম প্রশ্নে ইমিগ্রেশন সুত্র জানায়, আমরাও বিষয়টি শুনেছি আজ প্যাচেঞ্জার টার্মিনালের সামনে কিছু অনিয়ম হয়েছে। সেখানে দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাতে কোন আনছার সদস্য যাত্রীদের নিকট থেকে অর্থের বিনিময়ে আগে প্রবেশ করাতে না পারে।ইমিগ্রেশন পুলিশ সার্বোক্ষনিক যাত্রীদের টার্মিনালের সামনে কাউকে টাকা দিয়ে যাতে ভিতরে প্রবেশ না করে তার জন্য সতর্ক করছে।
ইমিগ্রেশন ওসি তদন্ত মাসুম বিল্লাহ বলেন, সঠিক ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ইমিগ্রেশনে কাজ চলছে। কোন প্রকার অনিয়ম হচ্ছে না। যার বই সে হাতে নিয়ে কাজ করছে ইমিগ্রেশনে। পাসপোর্ট যাত্রীদের কোন হয়রানি নেই। দ্রæত সকল যাত্রীদের কাজ করার কাজ চলছে বিরোতীহীন ভাবে। এখানে অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে যা ঢাকা থেকে কি হচ্ছে সব কিছু দেখতে পারবে। অপর একটি সুত্র দাবি করে বলেন, ইমিগ্রেশনের জনবলও সংকট। এখানে ২৪ জন এসআই থাকার কথা সেখানে আছে ১৮ জন, এবং ৯ জন এ এসআই এর জায়গায় আছে মাত্র ৩ জন। এছাড়া সম্প্রতি পাসপোর্ট যাত্রীর সংখ্য পুর্বের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

ধামরাইয়ে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হলো আজ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাইয়ে আজ (১২ জুলাই) বিকেল ৫.৩০ মিনিটে বাংলার গৌরবময় এই সুপ্রাচীন ও প্রায় চার শত বছরের পুরোনো হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী দেশের সর্ববৃহৎ রথ উৎসবের উল্টো রথযাত্র অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
ধামরাই যশোমাধব মন্দির পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি অজিত চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে সম্মানিত বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা উত্তর ক্রাইম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইদুর রহমান,ধামরাই উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও ধামরাই উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাদ্দেছ হোসেন,
ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ধামরাই পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম, ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা।
গত ৪ জুলাই বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে রথ উৎসবের শুরু হয়েছিল,আজ ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। মেলায় নিরাপত্তার স্বার্থে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে,মেটাল ডিটেক্টর বসানো হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে পুলিশ র‌্যাব গোয়েন্দা বাহিনী সহ সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করছেন। আজ ঠিক উল্টো রথেও একই ব্যবস্থা গ্রহন করার হয় বলে জানালেন ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা ।
প্রতি বছরের মতো এবারো পুরো অনুষ্ঠানাটি পরিচালনা করেছেন ধামরাই মাধব মন্দির ও রথ মেলা কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নন্দ গোপাল সেন।
ভারতের পুরি ও মাহেশের রথের পরেই উপ মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধামরাইয়ের এই রথ উৎসবকে কেন্দ্র করে রথ উৎসবের শরু থেকেই সাধারন মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রতি দিন হাজার হাজার ভক্ত আগত দর্শকদের ভীড়ে মেলাঙ্গন জমজমাট, রথ মেলাকে কেন্দ্র করে মেলাঙ্গন জুড়ে বসছে সহস্রাধিক বিভিন্ন শ্রেণীর ষ্টল।
আজ ৯ দিন পর আজ ১২ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্টো রথযাত্রার এ উৎসব। পূর্বের ন্যায় মাধব ও তার সহচরদের রথে চড়িয়ে পুনরায় ভক্তরা টেনে এনেছে পূর্বের স্থান ধামরাই পৌর এলাকার কায়েতপাড়াস্থ রথখোলায়। এখান থেকে মূর্তি গুলি চলে যাবে পুরোনো মাধবের নিজ আলয় মন্দিরে।

ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে শার্শার কামার শিল্পের কারিগররা ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আযহা। আর মাত্র কিছুদিন পরেই কুরবানি ঈদ। এই ঈদের অন্যতম কাজ হচ্ছে পশু কুরবানি করা। ঈদ-উল আযহা সামনে রেখে পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় পার করছেন যশোরের শার্শা উপজেলার কামার শিল্পের কারিগররা। কয়লার দগদগে আগুনে লোহাকে পুড়িয়ে পিটিয়ে তৈরি করছেন সব ধারালো সামগ্রী। তবে এসব তৈরিতে এখনো আধুনিকতার কোন ছোঁয়া লাগেনি। পুরানো সেকালের নিয়মেই চলছে আগুনে পুড়ে লোহা হতে ধারালো সামগ্রী তৈরির কাজ। তবে দ্রব্য মূল্যের দাম কিছুটা বেশি এবং ঈদের এখনও বেশ কিছুদিন বাকি থাকায় জমে উঠেনি দা, কাচি, হাসুয়া, কোপা, ছুরি চাপাতির বেচাকেনা। ফলে এই মুহুর্ত্বে অলস সময় পার করছে ব্যবসায়ীরা।
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের অন্যতম হচ্ছে ঈদুল আযহা। আর এই ঈদে মুসলিম ধর্মের অনুসারীরা আল্লাহকে রাজি খুশি করতে পশু জবাই করে থাকে। এই পশু জবাইয়ের জন্য প্রয়োজন হয় বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামাদি। মাংস কাটা এবং কুরবানির পশু জবাই করার বিভিন্ন ধাপে ছুরি, দা, চাপাতি এসব ব্যবহার করা হয়। ঈদের বাকি আরও বেশ কিছুদিন। তাই পশু কুরবানিকে কেন্দ্র করে কামার পল্লীগুলো অনেকটাই ব্যস্ত সময় পার করছে।
দগদগে আগুনে গরম লোহায় ওস্তাদ-সার্গেদের পিটাপিটিতে মুখর হয়ে উঠেছে কামার পল্লীগুলো। প্রস্তুত করছেন জবাই সামগ্রী। ঈদে শত শত গরু, খাসি, ভেড়া, মহিষ ইত্যাদি পশু কুরবানি করা হয়ে থাকে। এসব পশু জবাই থেকে শুরু করে রান্নার চূড়ান্ত প্রস্তুত পর্যন্ত দা-বঁটি, ছুরি, চাপাতি ইত্যাদি ধাতব হাতিয়ার আবশ্যকীয় হয়ে যায়। ঈদের আগেই পশু জবাই করার ছুরি, চামড়া ছাড়ানোর ছুরি, চাপাতি, পস্টিক ম্যাট, চাটাই, গাছের গুঁড়িসহ সবকিছু প্রস্তুতি রাখতে হয়।
দেশি চাপাতিগুলো কেজি হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে। প্রতি কেজি ওজনের চাপাতির দাম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এছাড়া বিদেশি চাপাতির দাম ৭০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা জানান, সারাবছর বেচাকেনা কিছুটা কম থাকে। কোনোরকম দিন যায়। এই সময়ের জন্য সারা বছর অপেক্ষায় থাকি। কুরবানির ঈদের আগে এক সপ্তাহ ভালো বেচাকেনা হয়। ওই সময় দামও ভালো পাওয়া যায়। লোহার তৈরি ছোট ছুরি ৬০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জবাই ছুরি মিলছে ৫০০-৬০০ টাকায়।
বিভিন্ন সাইজের চাপাতি ৬০০-৮০০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। দা-বঁটি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০০ টাকায়। ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখনো পুরোদমে বিক্রি শুরু হয়নি। ঈদের গরুর বাজার এখনো ভালোভাবে শুরু না হওয়াকেই কারণ হিসেবে উলে¬খ করেন। আগে মানুষ গরু কিনবে পরে ছুরি-চাপাতিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম কিনবে। তবে কবে থেকে পুরোদমে বেচা কেনা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তারা জানান, ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হয়।
তবে এবছর অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার বেচাকেনা ভালো হবে বলে আশা করেন তারা। ঈদের বেচাকেনা এখনো শুরু হয়নি। আরও পরে শুরু হবে। তবে আমরা এখন বানিয়ে রাখতেছি পরে শুধু বিক্রি করব। সারা বছর কাজ না থাকলেও কুরবানির ঈদের এ সময়টা বারবারই ব্যস্ত থাকতে হয় তাদের।
কামাররা জানায়, এ পেশায় অধিক শ্রম, জীবিকা নির্বাহে কষ্ট হলেও শুধু বাপ-দাদার ঐতিহ্য ধরে রাখতে এ পেশাটিকে তারা এখনও আঁকড়ে ধরে আছেন। বিভিন্ন সময় এসবের চাহিদা কম থাকলেও কুরবানির পশুর জন্য বেশি প্রয়োজন হওয়ায় সকলেই এখন ছুটছেন কামারদের কাছে। আর এতেই এক মাসে পেশাটি জমজমাট হয়ে উঠেছে। কামাররা এই ঈদ মওসুম ছাড়া কাস্তে, হাঁসুয়া, পাসুন, বাঁশিলা, কুড়ালও তৈরি করে থাকেন।
কয়েকজন ক্রেতা জানান, কুরবানির ঈদের আরও বেশ কিছুদিন বাকি তাই আগেই পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম কেনার কাজটি সেরে ফেলছেন। তবে অন্য বছরের চেয়ে এবার ছুরি, চাকু, কাটারির দাম একটু বেশি বলে জানান তারা। লোহার পাশাপাশি স্টিলের ছুরি চাকুও বিক্রি হয় অনেকাংশে।

রহস্যজনক ভাবে আটকে আছে জাবির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহীনের বিচার ।

সাঈদ বিন ইসলাম জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহিনের বিরুদ্ধে রিক্সাচালক, কর্মচারী মারধর ও এক সংবাদ উপস্থাপিকাকে উত্যক্ত, মাদক গ্রহণ, করা সহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ থাকলেও এ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
উল্লেখ্য, একাধিক অভিযোগের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি মো. শরিফ মিয়াকে মারধরের বিচার চাইলে তিনি সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উক্ত ঘটনায় গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেন। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর প্রায় চার মাস অতিবাহিত হলেও ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এদিকে একাধিক অভিযোগ এবং তদন্ত কমিটি গঠন করে বিচারের কথা থাকলেও সুদীপ্ত শাহীনকে স্বপদে বহাল রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য অধ্যাপক এটিএম আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এখন পর্যন্ত কেন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি তা বলতে পারব না।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার রহিমা কানিজ বলেন, ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদিপ্ত শাহীনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের বিষয়টি সত্য। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী শিগগিরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এর আগে তদন্ত চলাকালীন এক কর্মচারীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিলেও সুদীপ্ত শাহীনকে অব্যাহতি না দেয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। এ বিষয়ে কথা বলতে পরবর্তীতে দেখা করার জন্য বলেন।
নিরাপত্তা কর্মকর্তার লাগামহীন আচরণ ও বিচারকার্যে বিলম্বের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে সুষ্পষ্ট অভিযোগ পেলে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে। মৌখিক অভিযোগ না করে কেউ লিখিতভাবে জানালে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এছাড়া পূর্বের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেড়াতে গেলে বাংলা ভিশনের সংবাদ উপস্থাপিকা রাফিয়া জাহান সাবরিনকে উত্যক্ত করা ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক গ্রহণ, বহিরাগতদের কাছে চাঁদাবাজি, রিক্সাচালকেদের মারধর ও রিক্সা ভাংচুরের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতা ও কর্তা ব্যক্তিদের সাথে সুসম্পর্কের জোরে সে এ ধরণের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

শ্বশুরের ফ্ল্যাট পেতে নিঃসন্তান স্ত্রীকে অন্যের বিছানায় পাঠালেন স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ২০১০ সালে বিয়ে হয় মানসা (নাম পরিবর্তিত) এবং রোহিতের (নাম পরিবর্তিত)। বিয়ের সময় শ্বশুর ঘোষণা দিয়েছিলেন, সন্তান হলেই একটি বাণিজ্যিক বহুতল ভবন লিখে দেবেন মেয়ের নামে। কিন্তু তারপর ৯ বছর কেটে গেলেও কোল আলো করে আসেনি সন্তান।

ফলে শ্বশুরের ওই সম্পত্তি নিজের কব্জায় নিতে স্ত্রীকে অন্য পুরুষের সঙ্গে সঙ্গমে চাপ দিতে শুরু করেন স্বামী।  এ জন্য স্ত্রীকে প্রতিনিয়ত শারিরীক-মানসিক নিপীড়ন-নির্যাতন চালান তিনি। এ কাজে রোহিতকে সাহায্য করছে তার পরিবারের অন্য সদস্যরাও। এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর বাসাভানাগুড়ি এলাকায়।

ইতোমধ্যে স্বামী রোহিত এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর বাসাভানাগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মানসা। অভিযোগে মানসা বলেছেন, বিয়ের সময় রোহিতকে তার বাবা ১০ কোটি মূল্যের সোনা, ১৫০ কেজি রূপা, একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি দিয়েছিল। এছাড়াও অন্যান্য আরো অনেক সামগ্রী দেয়া হয়। শুধু তাই নয়, ৫০ লাখ টাকা খরচ করে বিয়ের অনুষ্ঠানও করেছিলেন বেশ ধুমধামে। বিয়ের প্রথম কয়েকমাস সবকিছু ঠিক ছিল।

কিন্তু তারপর থেকেই যৌতুক এবং অন্যান্য সামগ্রীর জন্য মানসাকে হেনস্থা করতে শুরু করে রোহিত ও তার বোন। শেষপর্যন্ত জয়নগরের ওই বাড়ি থেকে ভাড়াবাবদ প্রাপ্ত ১ কোটি টাকাও রোহিতকে দিতে শুরু করেন মানসার বাবা। এভাবে ৬ বছরে প্রায় ৬ কোটি টাকা দিয়েও দেন। পাশাপাশি জানান, মানসার সন্তান হলে ওই সম্পত্তি তিনি মেয়ের নামে লিখে দেবেন।

এদিকে, শারীরিকভাবে রোহিতের সমস্যা থাকায় বিয়ের বহু বছর পরও নিঃসন্তান থেকে যায় রোহিত-মানসা। এবার রোহিতের পরিবারের সদস্যরা মানসাকে অন্য পুরুষের সঙ্গে জোর করে সঙ্গমে বাধ্য করতে থাকে। যাতে পুত্রবধূ মা হয় এবং তার বাবা ওই সম্পত্তি মেয়ের নামে লিখে দেন। এরপর রোহিতের বোনের বিয়ের পর, তার স্বামীর সঙ্গে মানসাকে সঙ্গম করতে বলা হয়।

মানসা অস্বীকার করলে মারধরও করা হতে থাকে। বেশ কয়েকবার সেই চেষ্টা করে রোহিতের পরিবার। শেষপর্যন্ত মানসার মা-বাবা ঘটনা জানতে পারেন। এরপর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ধামরাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে বর্নাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) ঃ আজ ১১ই জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। জনসংখ্যা ও উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর।
সারা দেশের ন্যায় ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক এক বর্নাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেন।
সকাল ১১ টায় র‍্যালিটি উপজেলা মাঠ থেকে শুরু করে ধামরাইয়ের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে আবার উপজেলা মাঠে এসে সমাপ্ত হয়। র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুল কালাম এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন— ধামরাই উপজেলার আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও ধামরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোহাদ্দেছ হোসেন।
বিশেষ অতিথি- হিসেবে উপস্হিত ছিলেন- পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ধামরাই পৌরসভার মেয়র – আলহাজ্ব গোলাম কবীর মোল্লা । উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন সিরাজ , মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট সোহানা জেসমিন (মুক্তা ) সহ সাংবাদিক বৃন্দ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সুধীজন।

আবাসিক হোটেলে উঠে ভুলেও এসব কাজ করবেন না!

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ছুটি কাটাতে কিংবা কাজের তাগিদে বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও গেলে থাকার জন্য হোটেলই ভরসা। কমদামি হোক কি বেশি দামি—সব হোটেলেই কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। সে সঙ্গে অনেকেই হোটেলে থাকতে গিয়ে এমন কিছু ভুল করে বসেন, যার মাশুল গুনতে হয় বিশাল পরিমাণের। স্মার্টার ট্রাভেল এমন কিছু সচরাচর ভুল নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে। হোটেলে অবস্থানের ক্ষেত্রে এই ভুলগুলো যেন কখনোই না হয়, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখা উচিত আমাদের সবার।
১. রিমোট কন্ট্রোল ব্যবহার করবেন না : হোটেলটি সুলভ বা বিলাসবহুল যেমনই হোক না কেন, এতে জীবাণুর উপস্থিতির সম্ভাবনা বেশি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। আর এসব জীবাণুর একটি বড় অংশ থেকে যায় টেলিভিশনের রিমোট কন্ট্রোলে। ঘরদোর যতই ঝেড়ে পরিপাটি করা হোক, রিমোট কিন্তু সেভাবে পরিষ্কার করা হয় না। কাজেই এতে জীবাণু বহাল তবিয়তে রয়ে যায়। সুতরাং সাবধান!
২. মূল্যবান জিনিস রুমে রাখবেন না : মূল্যবান জিনিসপত্র অনেকেই হোটেলরুমের গোপনীয় কোনো একটি জায়গায় রেখে দেন। এটি চরম ভুল। হোটেলরুম থেকে চুরি করতে যারা ওস্তাদ, তারা কিন্তু ওই সব ‘গোপন’ জায়গার হদিস আপনার চেয়ে ভালো জানে! সুতরাং একটু পয়সা খরচ করে কর্তৃপক্ষের লকারে নিজের মূল্যবান জিনিস রেখে দিন। নিরাপদ থাকবেন।
৩. ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন : দরজা লাগিয়ে দিলেই কিন্তু হলো না। যতক্ষণ না ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন বাইরে ঝুলিয়ে দিচ্ছেন, ততক্ষণ যে কেউ এসে উটকোভাবে আপনার ব্যক্তিগত সময় যাপনে বাদ সাধতে পারে। আবার ঘর পরিষ্কারের চিন্তা থাকলে সেটি সরিয়ে ফেলুন। কারণ, ওই সাইন ঝোলানো থাকলে হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও আপনার ঘরের আশপাশে ঘেঁষবে না।
৪. রুম নম্বর বলবেন না : যেখানে সেখানে বা চেক-ইনের সময় আপনার হোটেলের রুম নম্বরটি নিজে উচ্চারণ করবেন না। দুষ্কৃতকারীরা এসব তথ্যের জন্যই মুখিয়ে থাকে। এ বিষয়টি যতটা পারেন গোপন রাখুন, নতুন পরিচিত কাউকেই রুম নম্বর জানাতে যাবেন না।
৫. চট করে দরজা খুলবেন না : দরজায় কড়া নাড়া হলো আর কিছু না বুঝেই বললেন, ‘কাম ইন।’ এই বিশাল ভুলটি কখনোই করতে যাবেন না। হোটেল কিন্তু দিন শেষে কখনোই তেমন নিরাপদ জায়গা নয়। সুতরাং পরিচয় জেনে তার পরে দরজা খুলুন। মনে রাখবেন, অচেনা জায়গায় অচেনা কেউ তো আপনার সঙ্গে দেখা করার কথা নয়। কাজেই সাবধান। আর সব সময় দরজা লাগিয়ে রাখতে ভুলবেন না।
৬. হোটেলের মিনিবারের পানীয় নয় : কোমল কিংবা কঠিন, যেমন পানীয়ই খান না কেন, সেটি হোটেলের মিনিবার থেকে খেতে যাবেন না। কারণ, সাধারণত হোটেলের মিনিবারগুলোতে পাঁচ টাকার খাবারের দাম অন্তত ৫০ টাকা রাখা হয়! শেষে দেখবেন, আপনার রুম ভাড়ার চেয়ে মিনিবারের বিলই গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ-তিন গুণ!
৭. ছারপোকায় সাবধান : যত বিলাসবহুল কক্ষই হোক আর সুসসজ্জিত বিছানা হোক, ছারপোকা ঠিকই জানে কীভাবে নিজের জায়গা করে নিতে হয়। কাজেই এ ব্যাপারে ভালোমতো তল্লাশি চালান, ছারপোকার সামান্য আনাগোনা দেখলেই সবকিছু ঠিকঠাক করে দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন। কারণ, এই ছারপোকা কেবল আপনাকে কামড়াবে তা-ই শুধু নয়, আপনার সঙ্গে সওয়ার হয়ে আপনার বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে যাবে অবলীলায়।
৮. কলের পানি খাবেন না : এক ব্রিটিশ দম্পতি লস অ্যাঞ্জেলেসে বেড়াতে এসে ট্যাপ বা কল থেকে পানি পান করেন। সেই পানিতে কেমন যেন বিচিত্র স্বাদ, এমন স্বাদের পানি নাকি তারা কখনোই খাননি। পরে অনুসন্ধানে জানা গেল, হোটেলের জলাধারে একটি মৃতদেহ! কার ভাগ্যে কী থাকে, তা তো আর বলা যায় না। সুতরাং ভুলেও কিছু টাকা বাঁচানোর জন্য হোটেলরুমের কলের পানি খাবেন না। ভরসা রাখুন দোকান থেকে কেনা মিনারেল ওয়াটারের বোতলে।

সর্বশেষ আপডেট...