29.9 C
Dhaka, BD
রবিবার, জুন ৭, ২০২৬

শার্শা উপজেলায় তরমুজের আকাশচুম্বি মুল্যতে চাপা ক্ষোপ ক্রেতাদের

সুস্বাদু রসালো ফল তরমুজ। তরমুজ খেতে কার না ভালো লাগে। মৌসুমী ফলের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় ফল এই তরমুজ। দুঃসহ গরমে স্বস্তি এনে দেয় তরমুজ। তরমুজ তৃষ্ণা মেটাতে এর জুড়ি নেই। শরীরে এনে দেয় আলাদা প্রশান্তি। শরীরের পানির চাহিদাও মিটিয়ে থাকে তরমুজ। এছাড়াও তরমুজের রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। এসব কারণে এই অসহনীয় গরমে তরমুজের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।
পাশাপাশি মৌসুমী ফল হিসেবে আত্মীয় বাড়িতে তরমুজ পাঠানোরও রেওয়াজ রয়েছে ।

তাই এই সময়ে তরমুজের চাহিদা প্রচুর। এই ব্যাপক চাহিদাকে পূঁজি করে বর্তমান সময়ে তরমুজের দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা। ছোট্র একটি তরমুজের দাম ৩শ টাকা থেকে বড় সাইজের একটি তরমুজ এখন ৬০০ টাকা পর্যন্ত!
কিছু দিন আগেও বড় সাইজের একটি তরমুজ বিক্রি হতো যেখানে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়, সেখানে এখন ওই সাইজের একটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়! মাঝারি সাইজের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। ছোট সাইজের তরমুজও ২শ ৫০ বা ৩শ থেকে ৪০০ টাকার নিচে মিলছে না।

তরমুজের এই আকাশ ছোঁয়া দামের জন্য চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার অজুহাত দিচ্ছেন মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, বড় সাইজের একটি তরমুজ কিনে আনতে হচ্ছে ৪৫০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকায়। এ কারণে তারা বড় সাইজের তরমুজ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি করছেন। এর নিচে বিক্রি করলে তাদের লাভ তেমন হচ্ছে না। তাই তাদেরকে তরমুজের দাম একটু বাড়তিই রাখতে হচ্ছে।
যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ বাজারের ফল ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন, এই গরমে তরমুজের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। কিন্তু সেই তুলনায় সরবরাহ নেই। তাছাড়া এখন রমজান মাস। সব মিলিয়ে তরমুজের আঁকাশ ছোঁয়া মূল্য। গত এক সপ্তাহে কোনো তরমুজের তেমন কোনো সরবরাহ ছিল না। পুরো এক সপ্তাহ পর আবার তরমুজ এনেছি। এবারের তরমুজগুলো সাইজে ছোট বড় মিলেই এনেছি।

ছোট সাইজের প্রতিটি তরমুজ বিক্রি করছি আমরা ৩শ থেকে ৪০০ টাকা করে। গত সপ্তাহে বড় সাইজের তরমুজ বিক্রি করেছি ৫০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকায়। তরমুজের সরবরাহ কম থাকায় আমরা বাড়তি দামে কিনে এনেছি। এ কারণে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে আমাদের। এদিকে তরমুজের এই লাগামহীন দাম বৃদ্ধির কারণে ক্রেতাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তরমুজ ব্যবসায়ীরা এমন অনৈতিক সুযোগ নেয়ায় ভীষণ ক্ষুব্ধ তারা।

এ প্রসঙ্গে তরমুজ কিনতে আসা সালেহা খাতুন বলেন, হঠাৎ করে অসহ্য গরম পড়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে এখানে চাহিদা মতো বৃষ্টি হচ্ছে না। এরমধ্যে চলছে তাপদাহ। এ কারণে গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষজন। এই সুযোগে তরমুজের দাম কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন এখানকার মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা।

একটি বড় সাইজের তরমুজ কিনতে গিয়ে দাম শুনে আমি হতভম্ব হয়ে গেছি। কিছু দিন আগেও যে তরমুজের দাম ছিল দেড়শ’ থেকে আড়াইশ’ টাকা, সেই তরমুজ এখন বিক্রি করা হচ্ছে ৫শ থেকে সর্বচ্চো ৫০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকায়! এটা খুবই অন্যায়। কোনোভাবেই এটা কাম্য নয়। এভাবে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মতো দাম বাড়াতে পারেন না। বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজর দেয়া উচিত।
একই প্রসঙ্গে ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগেও মাঝারি সাইজের একটি তরমুজ কিনেছিলাম ১২০ টাকায়। এখন ওই সাইজের তরমুজ ৫০০ টাকার নিচে মিলছে না। এভাবে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তরমুজের দাম এত বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষ কিনবে কিভাবে? এ ব্যাপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। তীব্র দাবদাহের এই মৌসুমে তরমুজ খুবই উপকারী একটি ফল। বহু গুণে গুণান্তি তরমুজের কিছু উপকারিতা দেওয়া হলো-তরমুজের উপকারিতা : গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার। এই ফলে শতকরা প্রায় ৯২ ভাগ পানি আছে। তাই তরমুজ খেলে সহজেই পানির তৃষ্ণা মেটে।তরমুজের বিশেষ কয়েক ধরনের অ্যামাইনো এসিড, নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে রক্তের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালী বজায় রাখে।

উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে: উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। তরমুজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে। এতে বিটা ক্যারোটিনের পরিমাণও অনেক। বিটা ক্যারোটিন চোখ ভালো রাখে। প্রতিদিন দুই কাপ পরিমাণ তরমুজ খেলে শরীরে ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি-র চাহিদা মেটে। তরমুজে আরও আছে পটাশিয়াম, যা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিও কমায়। পটাশিয়াম শরীরে ফ্লুইড ও মিনারেলসের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ২ কাপ তরমুজে ৩৫০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম পাওয়া যায়। পরিমাণে কম হলেও তরমুজে সোডিয়াম রয়েছে।

ত্বক ভালো রাখে: প্রতিদিন ২ কাপের মতো তরমুজ খেলে শরীরে ভিটামিন এ-র চাহিদা পূরণ হয়। তরমুজ খেলে ত্বক উজ্জ্বল ও সুস্থ থাকে। কারণ ভিটামিন এ ত্বককে ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে। তরমুজের ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি শরীরে এনার্জি তৈরিতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন সি কোলাজেন গঠনে সাহায্য করে। এছাড়াও তরমুজে আছে থায়ামিন ও ম্যাগনেসিয়াম। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তরমুজ শরীর সতেজ রাখে। এতে ফ্রি র‌্যাডিকেলস প্রশমিত হয়। ফ্রি র‌্যাডিকেল রক্তনালীতে কোলেস্টেরলের স্তর তৈরি করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাঁড়ায়।
এর থেকে অ্যাজমাও বৃদ্ধি পেতে পারে। হাড়ের জোড়ায় ব্যথা বাড়ে।

সবুজ খোসাসহ তরমুজ ক্যানসার রোগীদের জন্য খুবই আদর্শ। অ্যাজমা, ডায়াবেটিসের মতো রোগে ব্যথা উমশমে তরমুজ সাহায্য করে। তরমুজের বিঁচি অন্ত্রের জন্য উপকারী। শুধু মাত্র তরমুজের উর্দ্ধমুখি দামের কারনে এমন হরেক রকম উপকারী বন্ধু ফল তরমুজের স্বাদ এবং উপকার থেকে পিছিয়ে পড়ছে নি¤œ আয়ের মানুষ সহ দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ।

বেনাপোল চেকপোস্টে মাদক-বিস্ফোরক উদ্ধারের কাজে বিজিবির প্রশিক্ষন প্রাপ্ত কুকুর

বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে পাসপোর্টযাত্রীদের মাধ্যমে মাদক ও বিস্ফোরক দ্রব্য যাতে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ না করে তার জন্য বিজিবি আরও এক ধাপ এগিয়ে, সন্দেহজনক ল্যাগেজ তল্লাশির জন্য প্রশিক্ষন প্রাপ্ত কুকুর এনেছে। এসব কুকুর নাকে শুকে মাদক ও বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করতে সক্ষম।

মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে বেনাপোল চেকপোষ্টের আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের সামনে ভারত থেকে ফেরত আসা সন্দেহজনক পাসপোর্টযাত্রীদের ল্যাগেজ তল­াশি করানো হয় প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে।

স্থানীয় জনসাধারনসহ পাসপোর্টযাত্রীরা বিজিবির এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানায়। ভারত থেকে ফেরত আসা পাসপোর্ট যাত্রী ঢাকার ফ্যাশান গার্মেন্টসের মালিক আবুল হোসেন বলেন , বিজিবির কুকুর দিয়ে ল্যাগেজ চেক করা নিঃসন্দেহে একটি ভাল কাজ। বিজিবি হাত দিয়ে যত সময় একটি ল্যাগেজ তল্লাশি করবে তার চেয়ে কম সময়ে কুকুর ওইসব ব্যাগ তল্লাশি করতে সক্ষম।

২১ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল সেলিম রেজা বলেন, সন্দেহজনক ব্যাগ কুকুরের কাছে দিলে তাতে কোন মাদক বিস্ফোরক দ্রব্য আছে কিনা তা সাথে সাথে তল্লাশি করে বের করতে সক্ষম। আর যদি ওই সব ল্যাগেজে এ জাতীয় কোন দ্রব্য না থাকে তাহলে ওই ব্যাগ কুকুর তল্লাশি করবে না। আমরা মাদক নির্মুলের জন্য সীমান্তে বিজিবির টহলের সাথে কুকুর দিয়ে মাদক উদ্ধার করার জন্য প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে কাজ করাচ্ছি।

সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা ।

মঙ্গলবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ বাজেট ঘোষণা করেন। ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে , অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত বাজেট সভায় তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফখরুল আলম সমর । প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলার চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব।

বাজেট অনুষ্ঠানে অর্থবছরের সম্ভব আয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ৩৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭৬০ টাকা। সম্ভাব্য ব্যয় ৮ কোটি ৩২ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩৬০ টাকা। এতে সম্ভাব্য উদ্বৃত্ত ১ লক্ষ ৮৮ হাজার ৪০০ টাকা।

উক্ত বাজেটে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা , ড্রেন, যোগাযোগ, রাস্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়।
বাজেট ঘোষণায় এ সময় তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছাড়াও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ সাধারন জনগন উপস্থিতিতে প্রশ্ন উত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

ধামরাইয়ে ট্রাকের চাপায় পথচারী নিহত

ঢাকার ধামরাইয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কালামপুর এলাকায় ট্রাকের চাপায় অজ্ঞাত (৭৫) পরিচয়ের এক বৃদ্ধ পথচারী নিহত হয়েছেন। এঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি আটক করা গেলেও এর চালক পালিয়ে গেছে।

মঙ্গলবার (১৪ মে) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের কালামপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

গোলরা হাইওয়ে থানার পরিদর্শক (ওসি) লুৎফর রহমান জানান, সকালে কালামপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অসাবধানতাবশত ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক পাড় হওয়ার চেষ্টা করছিলেন অজ্ঞাত পরিচয়ের এক বৃদ্ধ পথচারী। এসময় মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা ঘাতক ট্রাকটি আটক করে পুলিশে সোপর্দ করলেও এর চালক পালিয়ে যায়।

তিনি আরো জানান, নিহতের মরদেহ মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। একই সাথে নিহতের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

যশোরের নাভারণ হাইওয়ে থানা পুলিশের অভিযানে মদ ইয়াবাসহ আটক-১

যশোরের নাভারণ হাইওয়ে থানা পুলিশ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ২০ লিটার মদ ও ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মিকাইল (২৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।

সোমবার (১৩ মে) দুপুরে নাভারণ সাতক্ষীরা মোড় থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক মিকাইল বেনাপোল পোর্ট থানার শিকড়ী গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে।

নাভারণ হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ পলিটন মিয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একজন মাদক ব্যবসায়ী বেনাপোল থেকে বিপুল পরিমান মদ ও ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে যশোর যাওয়ার উদ্দেশ্যে নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়ে অপেক্ষা করছে। এমন সময় সেখানে অভিযান চালিয়ে দুটি সাদা ড্রাম ভর্তি ২০ লিটার তরল মদ ও সাদা কাগজে মোড়ানো অবস্থায় ২০পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মিকাইলকে আটক করা হয়।

আটক মিকাইলের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে যশোর আদালতে প্রেরন করা হবে বলে জানান তিনি।

যশোরের বেনাপোল গাতীপাড়া তেরঘর সীমান্তে বিজিবির অভিযান আটক-১৭

বেনাপোল গাতীপাড়া তেরঘর সীমান্তে বৃহস্পতিবার বিকালে অভিযান চালিয়ে ১১জন মহিলা ও ৬ জন পুরুষ কে আটক করেছে দৌলতপুর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা।

আটকরা সবাই চোরাকারবারী বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তবে তারা ভারত থেকে আসার সময় তাদের কাছে কোন অবৈধ মালামাল না পাওয়ায বিজিবি তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে ১১সি ধারায় মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করেছে।

এলাকাবাসী আরো জানান,ভারতের বনগাঁ থানার ভিতর অবস্থিত তেরঘর নামক এক গ্রাম বনগাঁ থেকে এ গ্রামে আসতে হলে সীমান্ত ঘেষা ইছামতি নদী পার হয়ে আসতে হয়। যার বাংলাদেশের দু-পাশে বেনাপোল পোর্ট থানার গাতীপাড়া ও দৌলতপুর গ্রাম অবস্থিত। দু-পাশে বিজিবি ২৪ ঘন্টা ডিউটি করে থাকেন। চোরাচালানীরা বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে তেরঘরের ভিতরে গিয়ে মাদকদ্রব্য সহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে আসে।

দৌলতপুর বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার মোজাম্মেল হোসেন জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি ১১জন মহিলা ও ৬ জন পুরুষ তেরঘর থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে সীমান্তের পাশে অবস্থান করছে।এ সময় সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।আটকদের বাড়ি গাতীপাড়া গ্রামে ও যশোর শংকরপুর এলাকায়। আটকরা হলো গাতীপাড়া গ্রামের ফজলুল রহমানের ছেলে রনি মিয়া(২২),আবদুস সাত্তারের ছেলে ফারুক হোসেন(৩৩,খলিল মন্ডলের ছেলে আহসান (৩৫),আবদুস সাত্তারের ছেলে মনিরুজজান (২৫),খোছতার আলীর ছেলে লালটু (২৫),মতিযার রহমানের ছেলে সোহেল (২৫),রেজাউল ইসলামের স্ত্রী মমতা (৪০),কালুর স্ত্রী আছমা (৩০),বড় আচড়া গ্রামের আব্দুল রশিদের স্ত্রী হাসিনা (৪৫), যশোর শংকরপুর এলাকার বেলাল মিয়ার স্ত্রী পান্না (৩০),ইছাহক মিয়ার স্ত্রী চন্দনা (২০),সিরাজ মিয়ার স্ত্রী শাহানাজ (৫০), আলমগীর হোসেনের স্ত্রী টুমপা (৩০),জহিরুল ইসলামের স্ত্রী শাহিদা(৬০),আসলামের স্ত্রী জোসনা (৩৬),ইদ্রিস আলীর স্ত্রী নুর জাহান(৫৫)ও যশোর শেখহাটি গ্রামের সরোয়ার হোসেনের স্ত্রী ফরিদা(৫৫)।তাদের কে আটক করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন যাদুরচর এলাকায় ডিশ ব্যবসায়ী তাইজুলের তান্ডব।

সাভারের তেতুলঝোরা ইউনিয়নের হেমায়েতপুর য়াদুরচর এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়ী তাইজুল ইসলাম এলাকায় আধিপত্য কে কেন্দ্র করে মামুন নামের একজনকে এলোপাথারি মারধোর করে জখম করেছে।

এলাকার মানুষের অভিযোগ ইয়াবা ব্যবাসায়ি তাজুর ইসলামের আচরনে অতিষ্ঠ এলাকা বাসি।
আজ সমবার দুপুর ১ টার দিকে য়াদুরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকা বাসিজানায় সন্ত্রাসী তাইজুল ইসলাম এলাকায় ডিশ ব্যবসায়ী নামে পরিচিত, তা ছাড়াও তিনি মাদকের সম্রাজ্য গরে তুলেছেন তার এলাকায়। এলাকা বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সন্ত্রাসী তাইজুল ইসলাম কে গ্রেফতার করলে ও জামিনে এসে আবারও ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পরছেন বলে জানান।

এ ছাড়াও য়াদুরচর এলাকায় ডিশ ব্যবসা একা করায়, এলাকার নিরিহ ভারাটিয়া দের উপর তার ইচ্ছে মতো বিল ও ডিশ সংযোগ এর ৩০০০/৪০০০ টাকা চাপিয়ে দিচ্ছেন। কেউ কোন অভিযোগ করতে পারছেন না তাহায় ভয়ে।

এলাকাবাসীরা আরো জানান আজ দুপুর ১ টার দিকে হাসমত আলীর ছেলে জমির জদ্দিন (৩০) ও তাহার স্ত্রি আঞ্জুয়ারা কে ডিশ বিল বাবদ ৩৫০ টাকা দাবী করলে, তিনি ওই টাকা দিতে অশিকার করলে তাকে এলোপাথাড়ি মার ধোর করতে থাকলে স্থানীয় মামুন নামের একজন বাধা দেওয়ায় তাকে ও এলোপাথাড়ি মারধোর করে ও মাথায় গুরুতর আঘাতে যখম করে। এতে এলাকায় এখন ও উত্তেজনা বিরাজ করছে ।

এলাকা বাসির দাবী দ্রুত মাদক নিরমুল ও সন্ত্রাসী তাইজুল ইসলামকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেওয়া হোক্।এলাকা বাসির পক্ষথেকে মামলার প্রস্ততি চলছে।

ধামরাইয়ে দুই বাসে সংঘর্ষে আহত ১০

ঢাকার ধামরাইয়ের বারবাড়িয়া এলাকার দুটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১ জনের অবস্থা আশস্কাজনক।

সোমবার (১৩ মে) সকাল ৮ টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বারবাড়িয়ার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভর্তি করা হয়েছে, আহতরা হলেন, মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার করজনা গ্রামের দারগালি বেপারীর ছেলে সোহরাব,মানিকগঞ্জ সদর এলাকার লেবুবাড়ী গ্রামের সংকর চন্দ্র রায় ছেলে প্রাণ গোপাল রায়, সাভারের নবীনগর এলাকার আজগর আলীর ছেলে স্বপন মিয়া, ধামরাইয়ে নওগা কেসটি এলাকার জবেদা স্বামী আকবর আলীর স্ত্রী জবেদা খাতুন, রাজবাড়ী জেলার বালিয়া কান্দি উপজেলার ধবলাবাড়ী গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে রুবেল। ১ জনের অবস্থা আশস্কাজনক তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্ররণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গোলড়া হাইওয়ে থানার পরিদর্শক (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হলেও কেউ নিহত হয়নি। বাস দুটি আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পৃথক অভিযানে ভারতীয় ফেন্সিডিল ও পণ্যসহ বেনাপোলে আটক-২

বেনাপোল সীমান্ত থেকে পৃথক অভিযানে ভারতীয় ফেন্সিডিল ও পণ্যসহ দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সদস্যরা।
রবিবার (১২ মে) দুপুরে তাদের আটক করা হয়।আটককৃতরা হলো,বেনাপোল পোর্ট থানাধীন বড় আঁচড়া গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে শিমুল মিয়া (২৮) ও খোকন মিয়ার ছেলে আল আমিন (১৩)।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে, দৌলতপুর কলিমের পুকুরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ শিমুল ও আল-আমিনকে আটক করা হয়। অপরদিকে, ২১ বিজিবি সদস্যরা দৌলতপুর গ্রামের মাঠের মধ্য থেকে ১৯৮০ পিস নেহা মেহেদী,৪৩ বোতল দোলহান কেশ কালা তেল ,৭২ পিস থ্রি- পিস, ৫০ পিস হাইজিং স্প্রে, ৫৫ পিস ফ্রেশ জেল,৬৮ পিস শ্যাম্পু, ৮০৫ পিস বিভিন্ন প্রকার ইনজেকশন,৮৪ পিস ফেসওয়াশ ও ৩৯ কেজি চা পাতা আটক করে। আটককৃত পণ্যের বাজার মূল্য আনুমানিক ৫,০৯,০৫০/- (পাঁচ লাখ নয় হাজার পঞ্চাশ টাকা) বলে জানায় বিজিবি। ২১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং জব্দকৃত মালামাল বেনাপোল কাস্টমস হাউসে জমা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

ধামরাইয়ে মা দিবসে: ছেলের হাতে মা খুন!

ঢাকার ধামরাইয়ে পাথরের আঘাতে ছেলের হাতে এক মায়ের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম অজুফা খাতুন (৬৫)।

রোববার (১২ মে) বিকাল ৬ টায় উপজেলার আমতা ইউনিয়নের বাউখন্ড গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আক্রমণকারী ছেলের নাম রমজান আলী (৩০) সে স্থানীয় মৃত চান মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রমজান আলী আগে থেকেই মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। সে এর আগেও কয়েকবার তার মায়ের উপর হামলা চালিয়েছে। বিকেলে একইভাবে মায়ের উপর হামলা চালায়। সে মায়ের বুকের উপর উঠে পাথর দিয়ে মাথায় কয়েকবার আঘাত করলে মা ঘঠনা স্থলে মারা যায়।

কাওয়ালীপাড়া বাজার তদন্ত কেন্দ্রের, এস আই জুয়েল ঘঠনা স্থালে গিয়ে আসামী রমজান ও ওয়াসিমকে গ্রেপ্তার ও লাশ উদ্ধার করে।

নিহতর মেয়ে কছিরন বলেন, আমার মাকে সম্পত্তির জন্য ভাইয়েরা খুন করেছে। আমি আমার মায়ের হত্যার বিচার চাই।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা ঘঠনা স্থল পরিদর্শন করে। তিনি বলেন, আসামীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেট...