26 C
Dhaka, BD
শনিবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৬

সিংগাইরে চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল।

সিংগাইর উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের বিন্নাডাঙ্গী বাজারে এলাকার সাধারণ জনগন চিহৃত সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী মিলন ও জামানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

শনিবার দুপুর ১২ টার দিকে জার্মিত্তা ইউনিয়নের বিন্নাডাঙ্গী বাজাররে নারী পুরুষসহ প্রায় পাঁচশতাধিক এলাকাবাসী এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে সাধারন এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, আমাদের এলাকায় শাহজাহান মেম্বর ও তার লোকজন দীর্ঘ দিন ধরে মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজি করে আসছিল, গত ২৪ এপ্রিল চেয়ারম্যানের পাওয়ার জেনারেশনের কাজের জন্য ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে, চাঁদা না দেওয়ায় শাহজাহান মেম্বরের লোক লেবারদের, চেয়ারম্যান ও তার ভাইরে উপরে হামলা চালায় সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীর লিডার শাহজাহান মেম্বর। এরপর গত ৯ মে চাঁদা না দেয়ায় আবারও চেয়ারম্যান ও তার লোক জনের উপরে হামলা চালায় সন্ত্রাস বাহিনী। এতে আহত হয় চেয়ারম্যানসহ ১০ জন

এ বিষয়ে জার্মিত্তা ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি খালিদ মাহমুদ খোকন বলেন, মাদক বিক্রেতার মদদদাতারা,সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ বাহিনীরা এলাকায় অনেক বেপোরোয়া হয়ে উঠেছে।

সমাজকর্মী,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ, মাদক প্রতিরোধে আন্দোলনকারীদের উপর যখন তখন হামলা ও মামলার ভয় দেখাচ্ছে। শুধু তাই নয়, চক্রটি একের পর এক ষড়যন্ত্র করে চলছে। যার কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ আতঙ্ক ও ভয়ে রয়েছে। এছাড়া কৃষকরা জমিতে কাজ করতে আতঙ্কে রয়েছে।

এ ব্যাপারে এলাকাবাসী মাদক, চাঁদাবাজ সন্ত্রাস নির্মুলে পুলিশসহ ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ আশা করে।

ধামরাইয়ে বিশ্ব নিরাপদ সড়ক সপ্তাহ পালিত

৫’ম বিশ্ব নিরাপদ সড়ক সপ্তাহ-২০১৯ পালিত হয়েছে নিসচা ধামরাই উপজেলা শাখার উদ্যোগে।

জাতীসংঘ ঘোষিত নিরাপদ সড়ক সপ্তাহের মধ্য দিয়ে সপ্তাহ ব্যাপি সরকারের পাশাপাশি নিরাপদ সড়ক চাই(নিসচা) এই কর্মসূচি পালন করছে নানা রকম সচেতন মূলক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে।

এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নিসচা ধামরাই উপজেলা শাখা ৬ষ্ঠ দিনে সচেতনতা কর্মসূচি পালন করেছে।

“জীবন বাঁচান, আওয়াজ তুলুন” এই প্রতিপাদ্য কে নিয়ে নিসচা উপজেলা শাখার উদ্যোগে শনিবার (১১ মে) বিকেল ৫ টায় ধামরাই পৌর বাজারে সচেতনতার লক্ষ্যে মানব্বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত আয়জনে, সকলকে সচেতনমুলক বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেয়া হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে।

নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে সড়ক নিরাপত্তার জন্য।

এ সময় নিসচা ধামরাই উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃনাহিদ মিয়ার সভাপতিত্বে মুল্যবান বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নেতারা।

শার্শা-বেনাপোল সীমান্তে অভিযান ফেন্সিডিল ও মদ সহ আটক-৫

খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ শার্শা সীমান্তের রুদ্রপুর ক্যাম্পের সদস্যরা শনিবার সকালে সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৬৮ বোতল ফেন্সিডিল সহ মফিজুল মন্ডল (৩০),মোঃ আলমগীর হোসেন(২১),মোঃ ইকবাল হোসেন (২৮),মোঃ তরিকুল ইসলাম (৩৫)ও শহিদুল ইসলাম (৩৫) নামে ৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।আটকরা সবাই এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসাবেই পরিচিত বলে জানা গেছে।

খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ অধিনায়ক মেজর সোহেল আহম্মেদ জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর জেলার শার্শা থানাধীন রুদ্রপুর মাঠের মধ্যে হতে ১১ মে ২০১৯ তারিখ অনুমানিক ০৬০০ ঘটিকায় ০৬-০৭ জন বাংলাদেশী চোরাকারবারী দল ভারত হতে আসার সময় ০৪ জন আসামী যথাক্রমে (এক) মোঃ মফিজুল মন্ডল (৩০), পিতা- মোঃ খাইরুল, (দুই) মোঃ আলমগীর হোসেন (২১), পিতা- মোঃ আনার হোসেন (তিন) মোঃ ইকবাল হোসেন (২৮), পিতা- খোরশেদ আলী, গ্রাম-বাইকোলা এবং (চার) মোঃ তরিকুল ইসলাম (৩৫), পিতা- মোঃ আদম আলী মন্ডল, গ্রাম- অগ্রভ‚লাট, পোষ্ট- গোগা, সকলের থানা- শার্শা, জেলা- যশোরকে তারকাটা বেড়া কাটার সরঞ্জামাদি ও ৬৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক করে অপর একজন পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আটককৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট এবং মদতদাতা হিসেবে শহিদুল ইসলাম (৩৫), পিতা- মোঃ মোসলেম কাজী সকলের গ্রাম- রুদ্রপুর, পোষ্ট- কায়বা, থানা-শার্শা, জেলা-যশোরকে আটক করা হয়। আটককৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, তারা গত রাত ১২.০০ ঘটিকায় গরু আনার জন্য ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং গরু না পেয়ে ফেন্সিডিল নিয়ে বাংলাদেশে ফেরত আসে।

এছাড়াও রুদ্রপুর বিওপির অন্য একটি টহল দল কর্তৃক ১০ মে ২০১৯ তারিখ ২১৩০ ঘটিকায় পূর্বরুদ্রপুর মেহগনি বাগান হতে ১৩ বোতল বাংলা মদ আটক করে।দৌলতপুর বিওপির টহল দল কর্তৃক আজ ১১ মে ২০১৯ তারিখ ০৩০০ ঘটিকায় দৌলতপুর মাঠের মধ্যে হতে ৭৮ কেজি চা পাতা, ২৩০ বোতল দুলহান কেশ কালার এবং ৩৫০ পিস নেহা মেহেদী আটক করে। আটককৃত মালামালের সর্বমোট মূল্যমান- ১,০৫,৩৫০/- টাকা।

আটককৃত আসামী ও মাদকদ্রব্য শার্শা থানায় সোপর্দ করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন এবং অন্যান্য পণ্য সামগ্রী বেনাপোল কাস্টম এ জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ধামরাইয়ে লোড-আনলোড শ্রমিক কর্মরত অবস্থায় নিহত

ঢাকার ধামরাইয়ে রেডিসন কেজুয়াল ওয়ার লিমিটেড পোশাক কারখানার আব্দুল হাই নামে এক লোড- আনলোড (লেবার) শ্রমিক কর্মরত অবস্থায় তিন তলা থেকে পরে নিহত হয়েছে । নিহতর লাশ উদ্ধার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।

(১০ মে) সন্ধ্যায় তিন তলা থেকে কাপড় বেয়ে নামতে গিয়ে নিহত হয়। নিহত আব্দুল হাই সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী থানার দপুলিয়া গ্রামের মৃত বিরু মোল্লার ছেলে।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার উপ – পরিদর্শন (এস আই) ছোটন জানান, তিন তলা থেকে কাজ শেষে কাপড় বেয়ে নামতে গিয়ে কাপড় ছিড়ে গিয়ে আব্দুল হাই প্রথমে আহত ও হাসপাতালে গিয়ে মারা যান। নিহতর লাশ আমরা উদ্ধার করেছি।পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায়। লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

যশোরের বেনাপোলে রোহিঙ্গা সন্দেহে ৫ জনকে নির্যাতন চালিয়ে আহত করেছে এলাকাবাসী

যশোরের বেনাপোল ও শার্শায় রোহিঙ্গা ছেলে ধরা সন্দেহে আট জনকে শারিরীক নির্যাতন চালিয়ে আহত করেছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার(১০মে) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ে আহত পাঁচ মানসিক রোগীকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া মানসিক রোগীরা হলেন, যশোরের রায়পুর ইউনিয়নের বাঘারপাড়া উপজেলার শালবরাত গ্রামের অরবিন্দের স্ত্রী বুলু(৭০), সিলেটের দক্ষিনসার গ্রামের মেশের আলীর ছেলে গিয়াসউদ্দীন(৩৩), সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শৃকলম গ্রামের রুহুল আমিনের স্ত্রী সকিনা বেগম(৪৮), গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলার রানদিয়া গ্রামের সঞ্জিতের স্ত্রী নমিতা রানী(৪২) ও অন্য এক নারী হলেন মনোয়ারা(৩৬)।

স্থানীয় বাসীন্দা আরিফ জানায়, প্রথমে বেনাপোল মাছ বাজারে এক বৃদ্ধ নারীকে রোহিঙ্গা ছেলে ধরা সন্দেহে স্থানীয়রা মারধোর করে পুলিশে দেয়। এর পর পরই এলাকায় রোহিঙ্গা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা এলাকায় অবস্থানরত মানসিক ভারসাম্য সব পাগল শ্রেনীর নারী,পুরুষদের রোহিঙ্গা ছেলে ধরা সন্দেহে মারধোর করে পুলিশে দিতে শুরু করে ।

বেনাপোল পোর্টথানা এসআই এইচ এম লতিফ আমাদের বেনাপোল প্রতিনিধি রাসেল ইসলামকে জানান, শিশুদের অবিভাবকদের সাথে কথা বলে শেষ পর্যন্ত মনে হয়নি আটকরা ছেলে ধরা। এছাড়া তারা কেউ রোহিঙ্গা না। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় চেয়ারম্যানদের জেম্মায় উদ্ধার হওয়া পাচ নারী,পুরুষকে তাদের নিজ নিজ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

মান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় মোটরসাইকেল আরোহী মোঃ সুমন (২০) নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সন্ন্যাসী তলা নামক স্হানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার নাড়া ডাঙ্গা গ্রামে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মান্দা উপজেলার দেলুয়া বাড়ি থেকে চৌবাড়িয়া যাওয়ার পথে এসিআই ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় নিম গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলটি ধাক্কা লেগে রাস্তায় ছিটকে পড়ে। এতে মোটরসাইকেল চালক মোঃ সুমন আলী ঘটনা স্থলেই নিহত হন।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে সুমন নামের ওই যুবক মারা যান বলে স্থানীয় মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেননি।

সাভারে পৌর কাউন্সিলর মিনহাজ উদ্দিন মেল্লার নির্যাতনে অতিষ্ট এলাকাবাসী

জাহিন সিংহ, সাভার থেকে : কথায় আছে কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না। কথাটি যে কতটা সত্য, তা নিজের আচরণ দিয়ে ফের বুঝিয়ে দিলেন যুবদল থেকে ডিগবাজী দিয়ে আওয়ামী লীগে ভেরা সাভার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিনহাজ উদ্দিন মোল্লা। পবিত্র রমজান মাসে রোজাদার নিরীহ এক ডাব বিক্রেতাকে পিটিয়েছেন প্রকাশ্যে। ডাব কাটার দা নিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশে তেড়ে গিয়েছেন।

এ ঘটনা গত বুধবারের। সাভারের নয়াবাড়ি মহল্লার সড়কে। নিরীহ সেই ডাব বিক্রেতা কুখ্যাত এই কাউন্সিলর ভয়ে এখন দিন কাটাচ্ছেন ভয়ে আর আতংকে।আর রোজা রেখে প্রতিনিয়ত অভিশাপ দিচ্ছেন এই কাউন্সিলরকে।

মানুষ খুন থেকে চাঁদাবাজী। বিএনপির হরতাল, অবরোধে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা থেকে জমি দখল – এমন অসংখ্য অভিযোগে সাবেক যুবদল নেতা মিনহাজ উদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে আদালত ও সাভার মডেল থানায় মামলা রয়েছে এক ডজনের ওপরে। ২০১৭ সালের জুন মাসে সাভারের টেউটিতে প্রকাশ্য টেটাবিদ্ধ করে হত্যা করা হয় যুবলীগের কর্মী সি এম বাদশা ফয়সালকে।

পুলিশ সূত্রের খবর,এই ঘটনার পর প্রধান আসামী হিসেবে মিনহাজ উদ্দিন মোল্লার ওরফে মিনার নাম ওঠে ক্রস ফায়ারের তালিকায়।প্রাণ বাঁচাতে দীর্ঘ সময় ভারতে পালিয়ে থাকতে হয় এই কাউন্সিলরকে। রাজনৈতিক নেতাদের ধর্না ধরে দেশে ফিরে এসেও নিজেকে শোধরান নি এই কাউন্সিলর।

সাভার মডেল থানার তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী ও অপরাধীর বিষয়ে প্রতিবেদন দেবার পর-ও সে কি করে আওয়ামী লীগের রাজনীতি পূর্ণবাসিত হচ্ছে এই নিয়েও খোদ প্রশ্ন রয়েছে আওয়ামী লীগে।

তাকে কে পূর্ণবাসন করছে? কে তার কাছ থেকে সুবিধা নিচ্ছে এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে কেঁচো খুড়তে সাপ। দ্বিতীয় স্ত্রী হত্যার দায়ে জেলে থাকা যুবলীগের বহিস্কৃত নেতা সেলিম মন্ডলের হাত ধরে যুবলীগের রাজনীতিতে নিজেকে পূর্ণবাসনের চেষ্টা চালায় এই মিনহাজ। সেখানেও সুবিধে করতে না পেরে এর ওর কাছে ভিরে ফেসবুকে ছবি দিয়ে নিজেকে জাহির করে আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে।

তবে সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাভার পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল গনি জানান,মিনহাজকে আওয়ামী লীগের কোন পদে নেয়া হয়নি। ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এরশাদুর রহমান রাজা হত্যাকান্ডে পলাতক থাকার সময় সে পদটি দখলের পায়ঁতারা করলেও তাকে সেখানে নেয়া হয় নি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমান এমপি জানান, আমি ফেসবুকে এক ডাব বিক্রেতার নির্যাতনের বর্ননা শুনেছি। একজন কাউন্সিলের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ দু:খজনক। তবে আমার সাফ কথা।কেউ অপরাধ করলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যথাযথ ব্যব্স্থা নিতে।যদি ভয়ে ডাব বিক্রেতা মামলা নাও করে সেটার ব্যবস্থাও পরে হবে বলে জানান তিনি।

সাভারে জেলা যুবলীগের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মিনহাজ উদ্দিন মোল্লাদের অনেকে কনডমের মতো ব্যবহার করছে মাত্র।কাজ শেষ,দায়ও শেষ।তাকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়া হয়েছে।

সে কেবল হাইব্রিডই নয়,বিএনপির আমলে পুড়িয়ে মানুষ হত্যার আসামী।সে ছিলো যুবদলের নেতা। এ ছাড়াও যুবদলের আরেক নেতা সাজাপ্রাপ্ত পলাতক সাবেক কাউন্সিলর খোরশেদ আলমের দেহরক্ষি।তার সাথে মিনহাজের যুবদলের সাংগঠনিক কর্মকান্ডের অনেক ছবি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও রয়েছে।তাকে দলে ভূক্তকরণ করা হলে সেটা হবে দলের জন্যে আত্নঘাতি। কারণ ত্যাগী নেতারা তখন দলে নিষ্কৃয় হয়ে যাবে।

সে কারনেই মুখে আওয়ামী লীগের জিগির তোলা মিনহাজ উদ্দিন মোল্লাকে আপাতত দলে অন্তর্ভূক্তকরণের সুযোগ-ও সংকুচিত হয়ে এসেছে। কারণ নেত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। দলে বহিরাগত কাউকে ঠাইঁ দেয়া যাবে না।আর যারা মিনহাজকে শেল্টার দিচ্ছে তাদের তালিকাও করা হচ্ছে বলে জানান ওই নেতা।

সাভার মডেল থানার সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহবুবুর রহমান বলেন, আমার সময়ে মিনহাজ উদ্দিন মোল্লা ওরফে মিনা ছিলো সাভার মডেল থানার তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী ও হত্যাকারী।তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াতে সে আমার বিরুদ্ধে নানা জায়গায় দরখাস্ত দিয়েও সুবিধা পায়নি।

তবে তার পাপের পাল্লা ভারী হচ্ছে। দেখবেন ফল-ও পাবে অচিরেই-যোগ করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

তিনি আরো বলেন, তার অতিত ও বর্তমান সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে একাধিক রিপোর্ট-ও পাঠানো রয়েছে।আমরা জানতে পেরেছি,সে বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধির ভুয়া সুপারিশ দেখিয়ে রাজনৈতিকভাবে সুবিধা আদায়ের চেষ্টা-ও করছে।

জমি দখল থেকে চাঁদাবাজী।সর্বত্রই জড়িয়ে আছে মিনহাজ উদ্দিনের নাম।কেন বার বার এসব অপকর্মে তার নাম উঠে আসছে- জানতে চাইলে মিনা বলেন,সবই ষড়যন্ত্রমূলক।কিন্তু আরো তো কাউন্সিলর আছেন। তাদের নাম তো সেভাবে আলোচনায় আসে না? তো আপনার নাম ঘুরে ফিরে কেন আসে?

‘আসলে আমার কপালডাই খারাপ।যেই মামলা গুলি আমার নামে দিছে সবই মিথ্যা আর ষড়যন্ত্রমূলক’- জানান মিনা।

এদিকে ইউনাইডেট কর্মাশিয়াল ব্যাংক সাভার শাখার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,মিনা যে কত বড় বাটপার,সন্ত্রাসী আর চাঁদাবাজ- তা আমার নিরীহ বাবা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে।তিনি বলেন,ওই এলাকায় জায়গা জমিতে যত ভেজাল নেপথ্যে রয়েছে মিনার হাত।

প্রশ্ন উঠেছে, এত বিতর্কিত হয়ে কি লাভ মিনার? একে তে নানা অসুখ বিসুখে আক্রান্ত। তার ওপর দাপট দেখিয়ে মানুষকে অত্যচার। বিশেষ করে রমজান মাসে একজন ডাব বিক্রেতাকে মারধর ও দা দিয়ে তেড়ে হত্যার চেষ্টায় সাভারে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে জনমনে।

বিষয়টি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও। জামসিং মহল্লার বাসিন্দা শামীম আহমেদ জানান,ফেসবুকে দেখলাম নিজের জন্মদিনে গাই গাইছেন মিনহাজ উদ্দিন মোল্লা। সেই মানুষ কি করে মানুষ খুন করে- সেটাই ভেবে পাই না।

আসলে হোয়াইট কালার ক্রিমিনাল তো এমনই হয়।

এলাকাবাসী জানান, ওই ডাব বিক্রেতার অপরাধ তার মেয়ের জামাই বিদেশে মানুষ পাঠানোর কথা বলে প্রতারণা করে নিরীহ মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে সে গা ঢাকা দেয়। এই মিনহাজ উদ্দিনই সালিস করে জামাতাকে না পেয়ে তার শ্বশুড়কে দেড় লাখ টাকা জরিমানা দেবার রায় দিয়েছে।কিন্তু সেই ক্ষোভে রাস্তায় বসা অন্যান্য হকারদের কিছু না বলে বলে কেবল ডাব বিক্রেতাকে মারধর করাটা কেবল অন্যায়ই নয়,ক্ষমতার অপব্যবহার।

নয়াবাড়ির বাসিন্দা নাজিম উদ্দিন জানান,মিনহাজের অত্যচার সীমা ছাড়িয়ে গেছে।তার দাপটে অস্থির এলাকার নিরীহ মানুষ।

তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর কাছে বিচার দিসি।দেখি আল্লাহ এই জালেমরে কি শাস্তি দেয়।

হাফেজ সুফিয়ান ফারাবী নামের স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন, জনপ্রতিনিধি হলেও মিনহাজ উদ্দিন এক অর্থে বধির, মূক ও অন্ধ : কারন মুনাফিকরা হক কথা শোনার ব্যাপারে বধির, তারা হক কথা শোনে না, সত্য কথা বলার ব্যাপারে মূক ও বোবা এবং সত্য কথা বলে না।

সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার ব্যাপারে অন্ধ। মহান আল্লাহ তাআলা মিনহাজদের মতো সুবিধাভোগীদের অবস্থা বর্ণনা করেন, ‘তারা বধির, বোবা ও অন্ধ। তারা (হকের দিকে) আদৌ ফিরে আসবে না।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮)

তবে কি মিনহাজ উদ্দিন মিনা আদৌ ভালো হবে না। মানুষের ভালোবাসা অর্জন করবে না। নাকি দাপট দেখিয়ে যাকে তাকে মারবে।

এই প্রশ্নের উত্তরে ওই হাফেজ আরো বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম।এই পবিত্র রমজানের প্রথম ১০ দিন হলো রহমতের।আর এর মধ্যে সে একজন রোজাদারকে মারপিট করে মুনাফিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছে।

সামাজিক শান্তির বিরোধিতা করে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। কিন্তু নিজেদের ভ্রষ্টতা ও অজ্ঞতার কারণে সেটা অনুভব করতে পারছে না।এই শ্রেনীর মানুষদের জন্যে মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘সাবধান! এরাই ফ্যাসাদ সৃষ্টিকারী, কিন্তু তাদের সে অনুভূতি নেই।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১২)

সাভার মডেল থানা পুলিশের রেকর্ড বলছে,২০১৩ সালেও যুবদলের নেতা হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছিলো এই মিনহাজ উদ্দিন মোল্লা ওরফে মিনা। তার বিরুদ্ধে সাভার থানা ও আদালতে তখন মামলা ছিলো ৬টি ।অধিকাংশ মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ঝুলছিলো।

দিন যায়। ডিগবাজী দিয়ে রাজনীতির ভোল পাল্টালেও মিনহাজ উদ্দিন পাল্টায়নি তার স্বভাব।যে কারনে মামলা হত্যা,চাঁদাবাজী,নাশকতাসহ মিনহাজ উদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে মামলা এখন এক ডজন।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান জানান,অপেক্ষা করেন। সন্ত্রাসী সে যত বড়ই হোক রেহাই পাবে না। আর মিনহাজ উদ্দিনের বিষয়ে আমাদের নজর আছে। সময় মতোই ফল পাবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ,অপরাধ করলে কেউ পার পাবে না।বিচারের আওতায় আসতেই হবে।

মিনহাজ উদ্দিন মিনা কি তবে সেই পরিণতির অপেক্ষাতেই থাকবে নাকি ভালো মানুষ হবে? সময়ই বলে দেবে সবকিছু।

ঠাকুরগাঁওয়ে ইট ভাটার গ্যাসে পুড়ছে ৩৫ একর জমির ধান

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া থানার শালবাড়ি কশাল গাঁও এলাকায় এস আর এম ব্রিকসের বিষাক্ত গ্যাসের কারণে প্রায় ৩৫ একর জমির বোরো ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ লক্ষ্য টাকার বেশি বলে দাবি কৃষকদের।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩৫ একর জমির বোরো ধান ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ধানের শীষ থাকলেও এতে কোনো ধান না থাকায় এলাকার প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষক এক রকম হতাশার মধ্যে দিন পার করছেন। এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ধানের শীষ বের হয়েছে। ইট ভাটার ধোঁয়ায় আশ পাশের ধান ফসলের ১৫-২০ ভাগ ক্ষতি হয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নামের তালিকা বিস্তারিত বর্ণনাসহ প্রস্তুতির কাজ চলছে। এ বিষয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাদের তালিকা প্রদান করবে।’

সদর উপজেলার এই কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘উল্লেখিত ভাটা মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা যেন শতভাগ ক্ষতিপূরণ পায় সে বিষয়ে যোগাযোগ অব্যাহত আছে।’

যদিও এখন পর্যন্ত এস আর এম ব্রিকসের সত্ত্বাধিকারী রাজু ইসলামের সঙ্গে বারংবার যোগাযোগ করে তার কোনো সাক্ষাৎ পাওয়া যায়নি। এমনকি মুঠো ফোনে বেশ কয়েকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি তিনি।

অপর দিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ধীরেণ, বিষ্টু, আমিন, হুমায়ুন কবির, আজাদ আলী এবং আব্দুল আলী অভিযোগ করে বলেন, ‘গত শুক্রবার ঘূর্ণিঝড় ফণী আসার কথা থাকায় আবহাওয়া মেঘলা ছিল। সেই রাতে ভাটার মালিক রাজু ইসলাম ভাটার গ্যাস ছেড়ে দেয়।

ভুক্তভোগীরা এও অভিযোগ করেন, ‘সে (ইট ভাটার মালিক) ভাবছিল সব দোষ ফণীর হবে। কিন্তু ফনীর কোনো প্রভাব এলাকায় দেখা না যাওয়ায় রাজুর পরিকল্পনা নষ্ট হয়ে যায়। আমরা স্পষ্ট ভাবে বুঝেতে পারছি, রাজু ইসলামের ভাটার গ্যাসের কারণে ধান নষ্ট হয়ে গেছে। আমাদের ক্ষতির কথা তাকে বার বার বলার পরেও কোনো কাজ হচ্ছে না।

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে সুদৃষ্টি কামনা করে তারা এও বলেছেন, ‘মানুষের কাছ থেকে ধার দেনা এবং দোকানে বাকি করেও ফসল উৎপাদন করেছি। ধান না পেলে পরিবার নিয়ে কি করব। সে জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে সুদৃষ্টি কামনা করছি।’

ঠাকুরগাঁওয়ে নদীর জমি দখল করে মাকের্ট নির্মাণ

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়ার পাথরঘাটা নদীর জমি ভরাট করে মাকের্ট নির্মাণ করছে রহিদুল ইসলাম ও আব্দুস সামাদ নামের দুই ব্যক্তিসহ স্থানীয় কয়েক জন। নদী সংকোচনের কারণে আশে-পাশের বসবাসরত মানুষ গুলো অধিক ঝুঁকিতে বসবাস করছে। সরজমিনে গেলে দেখা যায়, পাথরঘাটা নদীটি সরু ও ড্রেনে পরিণত হয়েছে।

গড়েয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার বিপরীত দিকে নদীর জমি দখল করে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করা হচ্ছে। মার্কেট নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। রহিদুল ইসলাম এর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে, তিনি ক্যামেরার সামনে বলতে নারাজ ও কিছু না বলেই তিনি মোটরসাইকেল নিয়ে তরিঘরি করে সে স্থান ত্যাগ করেন। অপরদিকে আব্দুস সামাদ বলেন, এটা আমার ক্রয়কৃত জমি, আমার জায়গায় আমি ঘর তুলেছি।

গড়েয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম বলেন, ইতিমধ্যে আমরা ঘটনা স্থলে গিয়ে তাদেরকে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেছি। কিন্তু তা সত্ত্বেও যে তারা নির্দেশ অমান্য করে কাজ চলমান রেখেছে তা আমরা জানতাম না। নদীর যে সীমারেখা আছে তার কোনভাবেই ভরাট করা যাবে না। নদী নদীর অবস্থানেই থাকবে। সার্বেয়ারকে নিয়ে এসে মাপযোগ করে পাথরঘাটা নদীর সীমানা চিহ্নিত করে খাস জমিগুলো দখল মুক্ত করা হবে।

সুন্দরগঞ্জে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের নগর কাঠগড়া হাটে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ভুক্তভোগী ক্রেতা ও বিক্রেতাগণ। ঘন্টাব্যাপি চলাকালীন মানববন্ধনে বক্তৃতা দেন ব্যবসায়ী আলম মিয়া, জাহিদ মিয়া, বিপ্লব মিয়া, নয়ন মিয়া ও সুধীর চন্দ্র প্রমূখ। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল হাটের বিভিন্ন গলিতে প্রদর্শন করেন। বক্তব্যে তারা বলেন, অনেক বড় এবং পুরাতন হাট আমাদের নগর কাঠগড়া হাট।

এহাটে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী, মাছ-মাংসসহ বিভিন্ন তরিতরকারী পাইকারী বিক্রি হয়। এখানে বিভিন্ন উপজেলা এবং জেলা থেকে ব্যবসায়ীগণ আসেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো হাটে খাজনা বা টোল আদায়ে কোন তালিকা কোথাও সাঁটানো নেই। ফলে ইজারাদারগণ ইচ্ছামত অতিরিক্ত টোল আদায় করে আসছেন। প্রতিবাদ করলে ব্যবসায়ী এবং সাধারণ ক্রেতাদের হুমকি দেন বলেও জানান বিক্ষোভকারীরা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পায়নি তারা। ইউএনও মোঃ সোলেমান আলী লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি যোক্তিকভাবে ভাবে খতিয়ে দেখা হবে।

সর্বশেষ আপডেট...