16 C
Dhaka, BD
রবিবার, জানুয়ারি ১৮, ২০২৬

পোর্টথানার এস আই হাবিব ও মনির বদলী-স্বস্থির নিশ্বাস বেনাপোলে

অবশেষে বহু বির্তকিত ঘটনার নায়ক যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই শরীফ হাবিবুর রহমান ও এসআই মনির হোসেনকে সাতক্ষীরা জেলায় বদলী করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে।

বহু বির্তকিত ঘটনার স্বাক্ষী এই দুই এসআই বেনাপোল পোর্ট থানায় দীর্ঘদিন থাকার পর সাধারন মানুষের সাথে একটা সক্ষতা গড়ে উঠলে ও পরে তা মাদক বিক্রেতা ও সাধারন মানুষের হয়রানী করার মধ্যে দিয়ে কাজ করার অভিযোগ উঠে তাদের বিরুদ্ধে । বেনাপোল সীমান্ত কবলিত এলাকা হওয়ার কারনে মাদকের পক্ষে হয়ে কাজ করে বিপুল পরিমান অবৈধ অর্থ আয় করে আসছিল এই বির্তকিত দুইজন এসআই হাবিব ও মনির। মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদেরকে অর্থের বিনিময়ের ছেড়ে দেয়া সহ তাদের বিভিন্ন অপকর্ম নিয়ে স্থানীয়রা বহুবার টেলিভিশন,পেপার পত্রিকা ও নিউজ পোর্টালে লেখার অভিযোগের মাধ্যমে পুলিশের উর্দতন কর্মকর্তাদের কাছে দৃষ্টি আর্কষন করেও কোন ধরনের সুফল পাওয়া যাচ্ছিলনা। তবে তারা বার বার অর্থের বিনিময়ে জেলার সেরা এস আই নির্বাচিত হলেও তাদের কু-কর্মগুলি পুরস্কারের আড়ালে থেকে যায়। সাধারন মানুষ অভিযোগ করে বলেন দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করলেই তবেই বেড়িয়ে আসবে তাদের সম্পদের ফিরিস্তি ও অল্পতে কোটিপতি বনে যাওয়া এই এসআই মনির হোসেন ও শরীফ হাবিবুর রহমানের।

স¤প্রতি বেনাপোল পোর্ট থানার সাদিপুর গ্রাম থেকে মাদক বিক্রেতা মহিলার নিকট থেকে ৩ লাখ ও নিরীহ ব্যবসায়ীর নিকট থেকে ২ লাখ টাকা নিয়ে হাজত খানা থেকে ছেড়ে দেওয়া নিয়ে জেলার পুলিশ সুপারের কাছে এই নিয়ে বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশন করা হলে অবশেষে দৃষ্টি পড়ে পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের। এর সুবাধে এক সপ্তাহের পূর্বে এক প্রজ্ঞাপনে তাদেরকে সাতক্ষীরা জেলায় বদলী করা হয়েছে বলে বেনাপোল পোর্ট থানা সুত্রে জানা গেছে।

এদিকে দুইজন এসআই এর বদলী খবর বেনাপোল এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষরা স্বস্থির নিশ্বাস ফেলে। বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনর্চাজ শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম আমাদের বেনাপোল প্রতিনিধিকে বদলীর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

ধামরাই অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরীর ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুকির মুখে

ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির সৃষ্ট ধোঁয়ার ফলে শ্বাসকষ্টসহ নানা ধরনের জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুকির মুখে পড়ছে বলে এলাকাবাসির দাবি করেছে।

এছাড়া ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির ফলে তিন ফসলি জমিসহ বিভিন্ন গাছের ফল ও ঝরে পড়ছে । যার কারণে এলাকায় আজকাল কোন গাছের ফল দেখা যায়না। শুধু তাই নয় আবার বিভিন গাছ কেটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে এলাকার গাছপালা উজার করে ফেলছে, যা পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরুপ।

প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে আইনের তোয়াক্কা না করে অনুমোদনহীন কারখানায় করে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি করিতেছে ধামরাই উপজেলার বাইশাকান্দা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর মঙ্গলবাড়ী গ্রামের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ ফারুক। তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে আইনকে বৃদ্ধাগ্ঙলী দেখিয়ে অবৈধ ব্যবসা করে আ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে । এই যেন দেখার কেউ নেই।
পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি করার ফলে পরিবেশের মারাঅœক হুমকির মুখে পড়েছে বলে এলাকাবাসির দাবি। কারণ ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি এবং কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার ফলে কালো ধোঁয়ার কারণে আশ পাশের এলাকায় লোকজনের দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ধরনের অজানা রোগ এবং ছোট বড় সকলের দেখা দিয়েছে শ্বাসকষ্ট। এই ব্যাপারে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার ফলে উল্টো প্রতিবাদ কারীদের বিভিন্ন হামলা মামলার ভয় দেখিয়ে এলাকা ছাড়ার হুমকি প্রদান করে বলে এলাকার লোকজনের অভিযোগে তা উঠে এসেছে। ফলে অসহায় হয়ে পড়েছে লোকজন।তাই এলাকাবাসির কষ্ট তাদের দেখার কেউ নেই।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে ঔ কারখানার চারপাশের বাড়ীর টিনের তৈরি ঘরগুলি সিসার তৈরি এবং কাঠপুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারণে টিনগুলি ছিদ্র ছিদ্র হয়ে গেছে। কারণ পুরাতন ব্যাটারী ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার সময় দেখা গেছে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া চারদিকে ছড়িয়ে পরার কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসে ভেশে আসে ঝাঁঝালো গন্ধ। এতে দেখাগেছে আশ পাশের যত গাছপালা আছে তাতে কোন রকমের ফল হয়না। যা পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরুপ শুধু তাই নয় মানুষের জন্য ও বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে বলে অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে আর দেখা গেছে রাতের অধারে শ্রমিকরা কোন প্রকার নিরাপত্তা বলাই না রেখে হাতে মুখে পস ও মার্কস না পরে আগুন জ্বালিয়ে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করিতেছে। শ্রমিকদের জিঞ্জাসাবাদ করে জানাযায়, এই ভাবে রাতে একই চুল্লিতে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সেই ব্যাটারী থেকে সিসা বের করা হয়। পরে সেই সিসা আবার লেঅহার তৈরি কড়াইয়ে ঢেলে পাটা তৈরি করা হয় এবং প্রতিটি পাটার ওজন প্রায় ৩০/৩২ কেজি।পরে সে গুলি বাজারে বিক্রি করা হয়। তবে কারখানার অনুমোদন নিয়ে একাদিকবার প্রশ্ন করা হলে মেলেনি কোন উত্তর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন, আমার বাড়ীর পাশে এই কারখানার কারণে আমিসহ আমার বাড়ীর ছোট ছেটে বাচ্চারা শ্বাসকষ্টেসহ নানা ধরণের রোগে ভুক্তে হচ্ছে। আমি সহ এলাকার সবায় মিলে ফারুক মেম্বারকে বার বার নিষেধ করা হলেও সে আমাদের অনুরোধ না শনে উল্টো বিভিন্ন ধরনের মামলা হামলার ভয়-ভীতি দেখায়।আমার এখন অসহায় হয়ে পড়েছি। তাই আমাদের দাবি যাতে এই অবৈধ সিসা কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এই বিষয়ে কাঠপুড়িয়ে কয়লা তৈরি হেড মিস্ত্রি মোঃ আবুল হোসেন জানান, ভাই কাগজপত্র সর্ম্পকে আমরা কিছু বলতে পারব না। এই গুলি সর্ম্পকে মালিক ভাল বলতে পারবে। আমরা জানি এই কাজ করলে আমাদের বিভিন্ন ধরনের আসুখ হবে কি করব পেটের দুঃখে কাজ করে খায়।
এই ব্যাপারে মঙ্গলবাড়ী গ্রামের মোঃ আতা মিয়া বলেন, পুরানো ব্যাটারীর সিসা গলানোর কারণে এলাকার অনেক মানুষের বিভিন্ন ধরণের রোগবালায় সহ মারাতœক শ্বাসকষ্টের রোগে ভুগতেছে।

এই ব্যাপারে একই গ্রামের মোঃ আতামিয়ার সাথে কথা বলে জানাযায়, জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে সেই সাথে এলাকার গাছ পালার সকল ফল ও জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। তিনি আর বলেন এসিডযুক্ত ধোঁয়া নির্গত হওয়ায় জমির ফসলের ক্ষতির কারণ।

এই ব্যাপারে ব্যাটারী কারখানার মালিক মোঃ ফারুক মেম্বারের সাথে কথা বলতে গেলে সে বলে, আপনারা যা পারেন তা করেন। আপনাদের চাইতে বড় বড় সাংবাদিক আমার কিছু করতে পারে নাই। যান যান যা পারেন করেন।
এই ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আরিফুল হাসান বলেন,সিসা এমনি এক খারাপ পদার্থ। এই সিসা যেখানে পরবে সেখানে কোন ধরনের ফসল হবে না। হলেও সেটা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবুল কালাম বলেন,অবৈধ সিসা কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে আইন অনুযাযী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আর বলেন যা মানবদেহের জন্য হুমকি স্বরুপ ও জমির ফসলের জন্য ক্ষতিকর সেই কারখানা বন্ধের ব্যাবস্হা নেওয়া হবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর শরীরে এসিড নিক্ষেপ ।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের এসিড নিক্ষেপে ঝলসে গেছে তানজিনা আখতার (১৬) নামের এক কিশোরীর শরীর। রবিবার রাতে সদর উপজেলার গুঞ্জরহাটে এ ঘটনা ঘটে।

পরে পরিবারের সদস্যরা ক্ষত অবস্থায় কিশোরীকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত কিশোরী তানজিনা (১৬) আখানগর ইউনিয়নের উত্তর ঝাড়গাঁও গ্রামের মোস্তফা কামালের মেয়ে। সে ঝাড়গাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মোস্তফা কামালের সাথে প্রতিবেশী আমজাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল কিছুদিন ধরে। এর জের ধরে রবিবার রাতে তানজিনার মুখে এসিড নিক্ষেপ করার চেষ্টা করে ঐ এলাকার আমজাদ সহ দুর্বৃত্তরা। এসময় ওই কিশোরী সরে গেলে এসিডে শরীরের পেছনের অংশ ঝলসে যায়। পরে তার চিৎকারে এসিড নিক্ষেপকারীরা পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের লোক কিশোরীকে উদ্ধার ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

মেয়ের মা মরিয়ম বেগম অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমজাদ সহ তার সঙ্গীরা আমাদের জমি দখল করার চেষ্টা করছে। আমাদের পরিবারের লোকদের নানা ভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে তারা। আজ আমার মেয়ের উপর এসিড মারে আমজাদ, সরবানু, কাউয়ুম, কমুলসহ আরো অনেকে। আমি এটার সঠিক বিচার চাই।

রুহিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার জানান এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যশোরের বেনাপোল রঘুনাথপুরে ১২ কেজি গাঁজা সহ আটক-১

বেনাপোল রঘুনাথপুর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা রবিবার রাতে রঘুনাথপুর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ভারত থেকে পাচার হয়ে আসা ১২কেজি গাঁজা সহ মোঃ রানা (২০)নামে এক মাদক পাচারকারীকে হাতেনাতে আটক করেছে।সে বেনাপোল পোর্ট থানার রঘুনাথপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

আটক আসামী গাঁজার চালান টি ভারত থেকে নিয়ে আসছিল বলে বিজিবি কাছে স্বীকার করেছেন।

বেনাপোল বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মিজানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি চোরাচালানীরা ভারত থেকে বিপুল পরিমান গাঁজার চালান এনে রঘুনাথপুর পশ্চিম পাড়া মাঠে অবস্থান করছে।

এমন সংবাদে হাবিলদার জুলহাস, হাবিলদার আশেখ আলী, সিপাহী ইমদাদ, সিপাহী আলমগীর হোসেন, সিপাহী ওমর ফারুক ও সিপাহী শামিম সেখানে অভিযান চালিয়ে ১২ কেজি গাঁজা সহ রানা কে হাতেনাতে আটক করা হয়।

যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধারকৃত গাঁজা সহ আসামীকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সাভারে একই দড়িতে স্বামী স্ত্রীর আত্মহত্যা!

প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে তিন দিন আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর থানার সালানচর গ্রামের মোহাম্মদ আলী (২২) ও রুমি খাতুন (১৬)। নিহত রুমি খাতুন স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। স্বামী মোহাম্মদ আলী একটি কলেজে পড়াশোনা করতেন।

সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুরের ,হরিণধরা এলাকার বজলুর রহমানের বাড়ি থেকে একই দড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সোমবার বিকেলে হেমায়েতপুর হরিণধরা এলাকার নিজ ভাড়া ঘরের আড়ার সঙ্গে এক রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দম্পতির লাশ দেখতে পায় বাড়ির অন্য ভাড়াটিয়ারা। পরে সাভার মডেল থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
গত তিন দিন আগে ওই দম্পতির বিয়ে হয়েছে বলে জানান ভাড়াটিয়ারা।

এলাকাবাসী জানান, দম্পতি প্রেম করে বিয়ে করায় দুই পরিবারের সদস্যরা তাদের বিয়ে মেনে না নেয়ায় তারা আত্মহত্যা করেছেন।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অখিল খন্দকার বলেন, নিহত দম্পতির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

এবিষয়ে সাভার থানার এ এস এই অখিল সাহেব এর সাথে কথা বলে আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী দেওয়ার রাজুর মনোনয়ন ক্রয় ।

সাভারে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী দেওয়ান রাজু আহমেদ মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেছেন। সোমবার বিকেলে সাভার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির হয়ে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মনোনয়নপ্রত্র ক্রয় করেন তিনি।

মনোনয়পত্র ক্রয়ের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দেওয়ান রাজু আহমেদ বলেন, আমি সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা এবং বর্তমানে ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একাধিক প্রার্র্থী থাকলেও আমি এলাকায় সবসময় সাধারন মানুষের সুখে দুঃখে, উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়ে আমি শতভাগ আশাবাদী।

দলের বিবেচনায় আমি যদি মনোনয়ন পাই তাহলে অবশ্যই নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় লাভ করে এলাকার মাদক, সন্ত্রাসসহ সব ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং সকলের সহযোগীতা নিয়ে সাধারন মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

যশোরের শার্শায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবতীর আত্মহত্যা ।

যশোরের শার্শার বাগআঁচড়া রিয়া খাতুন(১৬) নামে এক যুবতী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। রবিবার রাতে নিজ ঘরের মধ্যে ওই যুবতী এ আত্মহত্যা করে। নিহত রিয়া বাগআঁচড়া উত্তর পাড়া গ্রামের মালয়ে শিয়া প্রবাসী মিকাইল হোসেনের মেয়ে।

নিহতের প্রতিবেশীরা জানান, বাড়ির সকলের অজান্তে ঘরের মধ্যে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে রিয়া আত্মহত্যা করে। পরে বাড়ির লোকজন খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ঘরের মধ্যে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়।

নিহতের বোন রিপা জানান, ১বছর ৪মাস আগে তার মা তাসলিমা খাতুন এর মৃত্যুর পর রিয়ার ব্রেইনডের সমস্যা দেখা দেয়। তারপর ইন্ডিয়াতে যেয়ে চিকিৎসা দেওয়ার পর ভালো সুফল পাওয়া যায়নি। এটাই ছিল মৃত্যুর প্রধান কারন।

শার্শা থানা পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই) আনোয়ার আজিম ও নিলয় বসু রিয়া খাতুন এর আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের অজ্ঞাত রোগে একই পরিবারে ৫ জনের মৃত্যু ।

প্রথমে বাবার মৃত্যু, পরে একই দিনে স্ত্রী ও জামাইয়ের। অবশিষ্ট দুই ভায়ের মধ্যে এক ভাই রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে মারা যায়। অপর ভাই রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মারা যান রাত সাড়ে ৯টায়।

মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানে একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ধনতলা ইউনিয়নে ভান্ডারদহ মরিচপাড়া গ্রামে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা সকলে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ধনতলা ইউনিয়নে ভান্ডারদহ মরিচপাড়া গ্রামের আবু তাহের (৫৫) মৃত্যুবরণ করেন। আবু তাহের বয়স্ক হওয়ার কারণে বিষয়টি তেমন গুরুত্বের সঙ্গে দেখেনি তার পরিবার।

এরপর গত বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আবু তাহেরের জামাই সদর উপজেলার রুহিয়া থানার কুজিশহর গ্রামের কহিম উদ্দীনে ছেলে হাবিবুর রহমান বাবলু (৩৫) একইভাবে আক্রান্ত হন। পরদিন সকালে ৯টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বাবলুর মৃত্যু হলে জামাইয়ের সেই মৃত্যুর সংবাদ শোনার কিছুক্ষণ পর আবু তাহেরের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৪৫) মৃত্যুবরণ করেন। রোববার সকালে একই রোগে আক্রান্ত হন আবু তাহেরের দুই ছেলে ইউসুফ আলী (২৭) ও মেহেদী হাসান (২৪)। তাদের দুজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নেয়ার পথে সকালে ইউসুফ এবং রাতে সাড়ে ৯টার দিকে মেহেদী মারা যান।

সকালে মৃত্যুবরণ করা ইউসুফের স্ত্রী কোহিনুর বেগম তার একমাত্র কন্যা সন্তানকে নিয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রংপুর হাসপাতালে রোগীর সঙ্গে থাকা জাহির উদ্দীন ও ছাত্র দুলাল হোসেন জানান, চিকিৎসক রোগীর মুখে মাস্ক পরিয়ে দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি নেন। তবে মেহেদী কী রোগে আক্রান্ত হয়েছেন সেটা এখনও কোনো চিকিৎসক বলতে পারছেন না। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মোর্শেদ মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘কোহিনুর ও তার কন্যা সন্তান বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন। আমরা তাদেরকে নিবিড় পরিচর্যায় রেখেছি। আশা করছি কোনো ভয় নেই। তবে কোনো প্রকার সমস্যা হলে আমরা পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফিরোজ জামান জুয়েলকে বিষয়টি দেখার জন্য বলা হয়েছে। তিনি সকালে মৃত্যুবরণ করা

ইউসুফ আলীর প্রেসক্রিপশন সংগ্রহ করেছেন। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটছে বিশেষজ্ঞ ছাড়া আপাতত বলা যাচ্ছে না। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, ‘ঘটনা কথা শুনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে সিভিল সার্জনকে অবগত করা হয়েছে। তারা বিষয়টি দেখছেন।

যশোরের শার্শায় আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন

যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণে বিষপানে মাদ্রাসা ছাত্রীর আত্মহত্যাচেষ্টার জন্য মাদ্রাসা শিক্ষককে দায়ী করে ছাত্রী সুমী খাতুন (১৫)’র বাবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট ৩১ ডিসেম্বরের লিখিত অভিযোগের দীর্ঘ সময় পার করে অবশেষে রোববার দুপুরে তদন্ত করলেন তদন্ত কর্মকর্তা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডলের নিকট লিখিত অভিযোগটি দেওয়ার পর তিনি জরুরী তদন্ত করার নির্দেশ দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে। কিন্তু শিক্ষা কর্মকর্তা তদন্তে কালক্ষেপন করতে থাকে। বিষয়টি নিয়ে চলতে থাকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা।

ইতোমধ্যে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলেয়া পারভীন ছাত্রী সুমী খাতুন মাদ্রাসায় ক্লাস করতে আসায় তাকে ক্লাসে ঢুকতে না দিয়ে ছাড়পত্র দিয়ে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন এবং উপজেলার বসতপুর মাদ্রাসার ইংরাজী প্রভাষক মুনছুর আলীসহ নিজ মাদ্রাসার আরও তিনজন শিক্ষককে ছাত্রী সুমীর বাড়িতে পাঠিয়েছিলেন লিখিত অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য। এবং বিভিন্ন ভাবে চাপ সৃষ্টি করে। যে কারনে নিরুপাই হয়ে পূণরায় উপজেলা নির্বাহীর নিকট আবারও একটি লিখিত অভিযোগ করেন ছাত্রী সুমির পিতা। এবং অভিযোগের একটি অনুলিপি স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিকট পাঠানো হয়।

অভিযোগে জানা যায়, শার্শা উপজেলার নাভারণ মহিলা আলিম মাদ্রাসার দশম শ্রেনীর ছাত্রী সুমী খাতুন ও একই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এস এম রিজাউল বকুল অনুমান ভিত্তিক বিভিন্ন কুরুচিপূর্ন কাল্পনিক কাহিনী তৈরী করে শ্রেনী কক্ষে ছাত্রীদের কাছে কটাক্ষ ভাবে বর্ণনা করাসহ বিভিন্নভাবে কৈফিয়ৎ তলব করা, অন্যান্য মেয়েদের সামনে তার সাথে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করা, বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথা-বার্তা বলাসহ নানারকম আচরণ করার কারণে নিজকে অপমানিত বোধ করায় সোমবার মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফিরে অন্যদের অজান্তে প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে বিষ নিয়ে সুমী নিজে বিষপানে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। কিন্তু তাৎক্ষনিক সুমীর বাড়ির লোকজন জানতে পেরে নাভারণ-বুরুজবাগান সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করায় এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে যায়।

তদন্তের সময় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তদন্তকারী শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চৌধুরী হাফিজুর রহমান এক পক্ষীয় ভাবে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তির পক্ষের লোকদের নিকট থেকে সাফাই লিখিত প্রতিবেদন নিতে থাকে। এবং সেখানে উপস্থিত স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
এ ব্যাপারে ছাত্রী সুমি বলেন, তদন্ত করতে আসলে সেখানে আমাকে কোন কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি এক পক্ষের নিকট শোনা হয়েছে। শিক্ষকের বিরুদ্ধে আমার অভিযোগ সঠিক আছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক এস এম রিজাউল বকুল বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নহে। সম্পূর্ণ মিথ্যা। তদন্তকারী শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চৌধুরী হাফিজুর রহমান জানান, মাদ্রাসার দশম শ্রেনীর ছাত্রী সুমী খাতুন ও একই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এস এম রিজাউল বকুলের পৃথক পৃথক ভাবে বক্তব্য শোনার পর জানা যায় ছাত্রীর অভিযোগ সব সত্য নহে। শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ শিক্ষক অস্বীকার করলেন।

বোয়ালিয়া থানা কৃষকলীগের সভাপতি লিটনের এবারের মিশন কৃষিতে উন্নয়ন করা ।

রাজশাহী জেলার অধীনে বোয়ালিয়া থানা কৃষকলীগের সভাপতি জিয়াউর রহমান লিটন প্রতিষ্ঠা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয় এবং মহানগর কমিটি গঠন হবার পর ২০১৫ সালের ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হয়।

নির্বাচিত হবার পরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বোয়ালিয়া (পূর্ব) থানাধীন ৬ টি ওয়ার্ডের পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে এবং বোয়ালিয়া থানা (পূর্ব) কৃষকলীগ কে একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করে। মহানগর কৃষকলীগের সব চেয়ে শক্তিশালী ও মজবুত সংগঠনে পরিণত হয় বোয়ালিয়া থানা (পূর্ব) কৃষকলীগ।

কৃষকলীগ দেশের কথা দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে সব সময়।
আগামীতে এ ধারা অব্যাহত রেখে লক্ষ নির্ধারন করেছে। এ বিষয়ে লিটন বলে প্রতিটি নেতা কর্মি রাজনৈতিক সচেতনতার পাশাপাশি হাতে কলমে কৃষিতে উদ্বুদ্ধ করবে। আমাদের জননেত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা যে কৃষি বিপ্লবের সুচনা করেছেন সে ধারা অব্যাহত রাখতে এবং আমাদের মাননীয় মেয়র প্রিয় নেতা এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের যে ভিশন আমাদের মহানগরী কে গ্রীন সিটি তে রুপান্তর করার প্রয়াস কে এগিয়ে নিতে সকল স্তরের নেতা কর্মিকে তাদের বাসার ছাদে, সামনে পরিত্যাক্ত জায়গাতে ফুল সহ বিভিন্ন শাক সবজির চাষে উদ্বুদ্ধ করতে চাই।

এতে পরিবেশ এবং সাংগঠনিক বিকাশ দুটোই সমৃদ্ধ হবে। উপকৃত হবে আমার দেশ ও আমার মহানগর।এ বিষয়ে কৃষক নেতা অমিত রায় বলেন লিটন ভাই সভাপতি হবার পর বোয়ালিয়া থানা পূর্বকৃষকলীগ এর উন্নতি হতে শুরু করেছে।তার চিন্তা ভাবনা গুলো একত্তে করে আমরা দেশের কাজে উন্নতি সাদন করবো।এববার তা চিন্তা কৃষিতে বাংরাদেশ স্বনির্ভর হবে।

বোয়ালিয়া থানার কুষকলীগের অর্থসম্পাদক বেলাল বলেন লিটন ভাই আসার পর কৃষকলীগ শক্তিশালি হয়েছে। তিনি প্রতিদিন সকল সদস্যদের খোজকবর নেয়।এবার তার লক্ষ কৃষিতে বাংলাদেশ।

সর্বশেষ আপডেট...