26 C
Dhaka, BD
সোমবার, জানুয়ারি ১৯, ২০২৬

খাবার হোটেল ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালতের নগদ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ।

শোরের নাভারণ ঘোষ ডেয়ারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা  ।

যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ বাজারের বিশিষ্ট হোটেল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নাভারণ ঘোষ ডেয়ারী হোটেলে অভিযান চালিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার রান্না করার অপরাধে নগদ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বুধবার বিকালে শার্শা ম্যাজিস্ট্রেট (এসিল্যান্ড) মৌসুমী জেরীন কান্তা’র নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত নাভারণ ঘোষ ডেয়ারী রান্না ঘরে পরিদর্শনে যায় কিন্তু রান্নাস্থান খুবই অস্বাস্থ্যকর থাকার কারনে নাভারণ ঘোষ ডেয়ারী পরিচালক আতিয়ার রহমানকে তাতক্ষনিক ভাবে নগদ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, শার্শা উপজেলা হেলথ সেনেটারী ইন্সপেক্টর সেফালী খাতুন, শার্শা থানা পুলিশেন এস আই হাসান আলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ।

সুন্দরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ছেলে , নিহত মা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে চাচা শ্বশুড়ের দাফনে অংশ নেয়ার জন্য যাবার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় লিচু বেগম (৩৫) নিহত ও গুরুতর আহত হয়েছেন তার ছেলে লিমন মিয়া (২০)।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে সুন্দরগঞ্জ-গাইবান্ধা আঞ্চলিক মহাসড়কে গাইবান্ধা সদরের মালিবাড়ি ইউনিয়ন ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী মাঠেরহাট চৌরাস্তা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলেই লিচু বেগম নিহত হন। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় তার ছেলে লিমনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করান স্থানীয়রা।

নিহত লিচু বেগম সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের নতুন দুলাল গ্রামের আসরাফুল ইসলাম চাকলাদার ওরফে লিটন মহুরীর স্ত্রী ও আহত লিমন লিটন মহুরীর পুত্র। তারা (মা লিচু বেগম ও পুত্র লিমন মিয়া) মোটরসাইকেলযোগে গাইবান্ধা সদরে লিটন মহুরীর চাচা আবুল কাশেম চাকলাদার দাফন কাজে অংশ গ্রহনের জন্য যাবার পথে উক্ত চৌরাস্তা মো নামক স্থানে পৌঁছিলে এর বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি মোটরসাইকেলর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক- এনায়েত কবীর জানান, দুর্ঘটনার সংবাদ শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানোর প্রস্ততি চলছে।

গাইবান্ধা সদর থানা অফিসার ইনচার্জ- খাঁন মোঃ শহরীয়ার কবীর জানান, এখনো এ বিষয়ে থানায় কেউ আসেনি।

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় পালিত হলো জাহানারা জামানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় পালিত হলো জাহানারা জামানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান হেনার সহর্ধমিণী ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের মা এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সহ-সভাপতি ডাঃ আনিকা ফারিহা জামান অর্ণার দাদী জাহানারা জামানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে মরহুমার কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন পরিবারবর্গ। বুধবার দুপুরে মহানগরীর কাদিরগঞ্জস্থ পারিবারিক কবরস্থানে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

জানা গেছে, জাহানারা জামানের দ্বিতীয় মৃত্যুবাষির্র্কীতে বুধবার সকালে মরহুমার সুযোগ্য সন্তান সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের বাসভবনে কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুপুরে মরহুমার কবরে পরিবারবর্গের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। প্রথমে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান হেনার সুযোগ্য সন্তান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, তাঁর সহর্ধমিণী মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবী শাহীন আকতার রেনী, জাহানারা জামানের নাতনি ও মেয়রকন্যা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সহ-সভাপতি ডাঃ আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা এবং মাইশা সামিহা জামান শ্রেয়া মরহুমার কবের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। এরপর মেয়র ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে মেয়র ও পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান হেনার এবং জাহানারা জামানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, মেয়র এইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের চাচাতো ভাই এএইচএম সাদেকুজ্জামান টিপু, এএইচএম নুরুজ্জামান হ্যাপি, এএইচএম ওয়াহিদুজ্জামান, এএইচএম ওয়াহিদুর নবী অনু, চাচাতো ভাই এবিএম হাবিবুল্লাহ ডলার, এবিএম শহীদুল্লাহ পলাশ, ভাজিতা আবুল বাসার মো. তাজউদ্দিন বিন্দু, হাসাইন মুক্তাকিম বিশ^াসসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ

আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, নাইমুল হুদা রানা, ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন, ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনারসহ মহানগর আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

অন্যদিকে, মত্যৃবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাদ জোহর এতিমখানায় খাবার বিতরণ করা হবে। এছাড়া বাদ আসর রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। আর বাদ মাগরিব রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মহানগর কার্যালয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

যশোরের বেনাপোল সীমান্তে বিপুল পরিমাণ চন্দন কাঠ উদ্ধার ।

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আইসিপি ক্যাম্পের সদস্যরা বুধবার সকাল ১০ টার সময় সাদিপুর সীমান্ত থেকে ৫০ কেজি চন্দন কাঠ উদ্ধার করেছে। এ সময় কোন পাচারকারীকে আটক করতে পারেনি। যার মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা বলে বিজিবি জানিয়েছে।

আইসিপি ক্যাম্প কমান্ডার জানান বুধবার সকাল ১০ টার সময় গোপন সংবাদে জানতে পারি চোরাচালানীরা ভারত থেকে বিপুল পরিমান চন্দন কাঠ এনে যশোর নেওয়া জন্য সাদিপুর সীমান্তের বেলতলা নামক স্থানে অবস্থান করছে।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে আইসিপি ক্যাম্পের সুবেদার মনিরুজ্জামান, হাবিলদার দেলোয়ার হোসেন, ল্যান্স নায়েক নজরুল ইসলাম ও সিপাহী সিদ্দিকুর রহমান সেখানে অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি চন্দন কাঠ উদ্ধার করেন।

তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত চন্দন কাঠ বেনাপোল কাস্টমসে জমা দেওয়ার হবে বলে জানিয়েছেন বিজিবি। বেনাপোল সীমান্তে বিপুল পরিমাণ চন্দন কাঠ উদ্ধার।

বিশ্ব ইজতেমা একদিন বাড়িয়ে ১৫ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি-ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ । ।

এবার বিশ্ব ইজতেমা একদিন বাড়িয়ে ১৫ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে তাবলীগ-জামাতের দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি আরো জানান, আখেরি মোনাজাতের বিষয়ে দুই পক্ষ মিলে সিদ্ধান্ত নেবে।

প্রথম দুই দিন মাওলানা জুবায়ের আহমদ ও পরের দু’দিন সৈয়দ ওয়াসিকুল ইসলাম ব্যবস্থাপনা করবেন। ব্যস্ততার কারণে মাওলানা সাদ কান্ধলভি অংশ নিতে পারছেন না বলেও জানান তিনি।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক সাথে চার দিন যাতে ইজতেমাটা চলে, একই সাথে এক প্যান্ডেলে ১৫, ১৬, ১৭ এবং ১৮- এই চার দিন ইজতেমা হবে। এক পক্ষের মওলানা জুবায়ের সাহেব, মওলানা ওমর ফারুক সাহেব আরেক পক্ষে ছিলেন ওয়াসিক সাহেব।

উনারাই দুই গ্রুপের সর্বোচ্চ মুরুব্বি। আমরা সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি যে, ইজতেমা ঐক্যবদ্ধভাবে আয়োজন করা হবে।

সুন্দরগঞ্জে গৃহবধূর আত্মহত্যা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মর্জিনা বেগম (২৮) নামে এক গৃহ-বধূ নিজের শয়নঘরের ধর্ণার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

স্থানীয়রা জানান, গতকাল বিকালে উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের আরাজীদহবন্দ গ্রামের সাইফুল ইসলামের শয়নঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার স্ত্রী মর্জিনা বেগমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

দীর্ঘ ১১ বছরের দাম্পত্ত জীবনে মর্জিনা- সাইফুলের কোন সন্তান- সন্ততি নেই। প্রতিনিয়তই তাদের পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলতে থাকার একপর্যায়ে মর্জিনার মৃত্যুর পর থানার এসআই বাবুল হোসেন লাশ উদ্ধার পূর্বক সুরুতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে থানা অফিসার ইনচার্জ- এসএম আব্দুস সোবহান জানান, এব্যাপারে মর্জিনার বেগমের পিতা মহির উদ্দীন থানায় একটি ইউডি মামলা করেছেন ।

যশোরের বেনাপোল সীমান্তে কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক ।

যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী সীমান্তে অভিযান চালিয়ে দুই কেজি ওজনের ১৭টি স্বর্ণের বারসহ শাহাবুদ্দিন সরদার (২৫) নামে একজন স্বর্ণ পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। এ সময় একটি মোটর সাইকেলও জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুটখালির মসজিদ বাড়ি বিজিবি পোষ্ট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক শাহাবুদ্দিন সরদার পুটখালি গ্রামের উত্তর পাড়ার মোবারক সরদারের ছেলে।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, বিপুল পরিমান স্বর্ণের একটি চালান নিয়ে একজন স্বর্ণ পাচারকারী বেনাপোল বাজার থেকে পুটখালি সীমান্তের দিকে যাচ্ছে। এ ধরনের সংবাদের ভিত্তিতে পুটখালি বিজিবি ক্যাম্পের একটি টহল দল পুটখালির মসজিদ বাড়ি বিজিবি পোষ্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় শাহাবুদ্দিন নামে একজন স্বর্ণ পাচারকারী একটি পালসার মোটর সাইকেল চালিয়ে সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়।

পরে মোটর সাইকেলে তল্লাশি করে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় দুই কেজি ওজনের ১৭টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় কোটি টাকা

খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নর অধিনায়ক লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার স্বর্ণ উদ্ধার ও পাচারকারী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক পাচারকারী শাহাবুদ্দিনকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সুন্দরগঞ্জে সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধার,সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন বামনডাঙ্গা ক্রিকেট এন্ড ফুটবল ক্লাব (নপভপ) কর্তৃক আয়োজিত সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্ট ১৮/১৯ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল সোমবার (৪ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে চারটায় ( ৪:৩০) বামনডাঙ্গা আব্দুল হক ডিগ্রি কলেজ মাঠে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ফাইনাল খেলায় বামনডাঙ্গা ক্রিকেট এন্ড ফুটবল ক্লাবের সভাপতি মোঃ আরিফুল ইসলাম রাসেলের সভাপতিত্বে বামনডাঙ্গা ক্রিকেট এন্ড ফুটবল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান শাওনের সঞ্চালনায় সমাপনী খেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘এ সার্কেল (গাইবান্ধা) মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল,

সন্ত্রাস ও মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার শুভ উদ্বোধণ করেন,কার্য নির্বাহী সদস্য সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ, খয়বর হোসেন সরকার মওলা।

এসময় উক্ত ফাইনাল খেলায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুন্দরগঞ্জ থানা,মোঃ তাজুল ইসলাম বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ, মোঃ মাহফুজুর রহমান, সভাপতি বামনডাঙ্গা ব্যবসায়ী সমিতি, মোঃমাহাবুবার রহমান খান,দপ্তর সম্পাদক সুন্দরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টি, রাকিব মোঃ হাদিউল ইসলাম, সভাপতি বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টি, রেজাউল আলম রেজা , সাবেক ফুটবলার দিলিপ কুমার , অধ্যক্ষ বামনডাঙ্গা শিশু নিকেতন এন্ড মডেল হাই স্কুল, মোঃ আবুল কাশেম ,এসআই বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, মোঃ জহুরুল ইসলাম ও শায়লা শারমিন প্রমূখ।এছাড়াও
অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,মনিরুজ্জামান খান তপু ও আবদুল্লা আল মুহিত সহ বামনডাঙ্গা ক্রিকেট এন্ড ফুটবল ক্লাবের সকল সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত ফাইনাল খেলায় স্বাগতিক বামনডাঙ্গা ক্রিকেট এন্ড ফুটবল ক্লাব ও রংধনু স্পোটিং ক্লাব পীরগাছা নিজেদের মধ্যে লড়াই করেন।খেলায় নির্ধারিত সময়ে গোল না হওয়ায় গোলশুন্য অবস্থায় শেষ হয়।পরে ট্রাইব্রেকারের মাধ্যমে বামনডাঙ্গা ক্রিকেট এন্ড ফুটবল ক্লাব রংধনু স্পোটিং ক্লাব পীরগাছা কে হারিয়ে নতুন বছরের দ্বিতীয়তম শিরোপাটি অর্জন করেন ।

ধামরাইয়ে তিন ফসলি কৃষি জমির মাটি জোর করে ইটভাটায় বিক্রি,”এলাকাবাসির বিক্ষোভ” জানদিমু তবু জমি দিব না ।

ধামরাইয়ে তিন ফসলি কৃষি জমির মাটি জোর করে ইটভাটায় বিক্রি,”এলাকাবাসির বিক্ষোভ” জানদিমু তবু জমি দিব না ।
ভাই আমরা গরিব মানুষ আমাদের কথা কে শুনে, কে বা আমাদের কষ্ট দেখে, এই যে ইটভাটার কারণে কয়েক বছর থেকে ঠিক মত ফসলি জমিতে ফসল হয় না । যার কারণে আমরা কুষকরা আজ নিঃস্ব হয়ে পরেছি।

এর পর তিন ফসলি কৃষি জমির মাটি নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে জোর করে ইটভাটায় বিক্রি করিতেছে। আবার যতটুকু জমি চাষের আছে তাও আবার জোর করে ইটভাটায় নিয়ে যাচ্ছে। বাধাঁ দেওয়া সত্বে ও তারা বাধাঁ মানতেছে না। অবশেষে নিরুউপায় হয়ে উপজেলা ইউএনও স্যারের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কারণ ইটভাটার মালিকের অনেক টাকা পয়সা ও ক্ষমতা আছে,যার কারণে এলাকার কিছু প্রভাব শালী ব্যাক্তিরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে জোর করে আমাদের কুষি জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে।

এরই প্রতিবাদে এলাকাবাসির লোকজন মিলে ধামরাই উপজেলার সানোড়া ইউনিয়নের গ্রামের শোলধন আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে আজ বেলা ১২ ঘটিকার সময় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এই সময় তারা শ্লোগান দেয় জান দিমু তবু জমির মাটি দেব না।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, সানোড়া ইউনিয়নের মোঃ আব্দুল মান্নান, মোঃ দেলোয়ার, আব্দুস সামাদ, মিলে নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে তিন ফসলি কৃষি জমি থেকে মাটি কিনে ইটভাটায় বিক্রি করিতেছে। এই সময় এলাকাবাসি অভিযোগ করে বলে আমরা বার বার আব্দুল মান্নানের কাছে বলা সত্বে ও তারা আমাদের কথার কর্ণপাত না করে কৃষি জমি নষ্ট করে এলাকার রাস্তাঘাট ভেঙে ইটভাটাই মাটি বিক্রি করিতেছে। এরই প্রতিবাদে আজকে আমরা রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ মিছিল করিতেছি। আমরা এর প্রতিবাদ করে যাব। তারা আর বলে মাটি কাটার ফলে এলাকার হাজার বিঘা তিন ফসলি জমির ফসল উৎপাদন ব্যাহতসহ কৃষি জমি বিপর্য়য়ের মুখে পড়ার আশস্কায় দেখা দিয়েছে। এই ব্যাপারে এলাকাবাসি মিলে প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেছেন।

এই ব্যাপরে জমির মালিক মোঃ মীর হোসেন বলেন, আমার এই মূহুর্তে নগদ টাকার দরকার তাই আমি আমার জমিতে থেকে মাটি বিক্রি করেছি। যারা আজ বাধা দিতেছে তারা কি আমাকে টাকা দিবে নাকি। আপনারা দেখেন যা পারেন তা করেন।
এই ব্যাপারে বিক্ষোভকারী শোলধন গ্রামের মোঃ আব্দুল হালিম বলেন, কৃষি জমি থেকে মাটি কাটার ফলে আমাদের চার পাশের জমি গুলি ভেঙে পড়ার কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে পড়তেছে। এতে আমাদের জমিতে কোন ফসল বপন করতে পারি না। এছাড়া আমাদের চলা চলের রাস্তাগুলি ভেঙে পড়ার কারণে আমাদের রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে অসুবিদায় পরতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই ফসলি জমির মাটি বিক্রি বন্ধ করার জন্য আমরা বিক্ষোভ করিতেছি।

এই ব্যাপারে শোলধন গ্রামের মোঃ আবুল বাশার বলেন, আমি মান্নান ভাইকে বার বার বলার পর সে আমার কথা না শুনে আমাদের কৃষি জমিথেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে আমাদের দিন দিন ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
এই ব্যাপারে শোলধন গ্রামের মোঃ আলী হোসেন বলেন, যে ক্ষেতে মাটি কাটতেছে ঐ ক্ষেতের তিন দিকেই আমার জমি রয়েছে। মাটি কাটার ফলে আমার জমি ভেঙে পাশের জমিতে পড়িতেছে। তাই আমার প্রশাসনের কাছে জোর দাবি এই তিন ফসলি জমির মাটি কাটা যাতে বন্ধ হয়ে যায়।
এই ব্যাপারে মৃত আঃ গনির স্ত্রী তারাবান বিবি বলেন, আমার স্বামী ১৯৮৮ সালের বন্যায় মারা গেছে অনেক কষ্ট করে এই জমিটুকু চাষ করে ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে আমি বেচে আছি। আমার এই জমি টুকু যদি ভেঙে যায় তাহলে আমার পথে বসতে হবে।

এই ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা কৃষি আফিসার মোঃ লুৎফর রহমান বলেন কৃষি জমিতে ইটভাটা করাতে এক দিকে যেমন কৃষি জমির পরিমান দিন দিন কমে আসছে অন্যদিকে খ্যাদের সংকট দেখা দেওয়ার সম্ভনা বাড়ছে।এছাড়া মানুষের বিভিন্ন ধরনের রোগ বালায় দেখা দিচ্ছে। কারণ এই ইটভাটা তৈরির কারনে সব ধরণের ফলে গাছে ফল থকছে না। তাই অতি তাড়াতারি এই ইটভাটা তৈরি বন্ধ করতে হবে।
এই ব্যাপারে ধামরাই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, কৃষি জমি থেকে জোর করে ইটভাটায় বিক্রির বিষয়ে আমি আগে জানিনা। তবে এই ব্যাপারে আমার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ এসেছে। আমি জমির মালিককে নোটিশ করে তার বিরুদ্ধে যথা যথ আইনি ব্যাবস্থা নিব।

জাহালম ও তার পরিবারকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া উচিৎ।মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান

উচ্চ আদালতের নির্দেশে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর রোববার (০৩ ফেব্রুয়ারি) রাতেই টাঙ্গাইলের ধুবড়িয়া এলাকার বাড়িতে ফেরেন জাহালম মিয়া।

এরপর থেকে পরিবারে বইছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস। সোমবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন আশপাশের এলাকার মানুষজন ও স্বজনরা। খুশির জোয়ার বইলেও দুশ্চিন্তা বেড়েছে জাহালমের স্বজনদের।

তিন বছরে মামলা পরিচালনা করতে শেষ সম্বল হারানোর পাশাপাশি ঋণ করতে হয়েছে তাদের। দুর্বিসহ দিনগুলোর কথা জানান তার বৃদ্ধা মা।

পরিবারের সদস্যারা বলেন, এক সের করে চাল এনে খেয়েছি। কদুর পাতার জাও রান্না করে খেয়েছি। নুন দিয়ে ভিজিয়ে চাল রান্না করে খেয়েছি।

জাহালম মিয়া বলেন, আমার জীবন থেকে মূল্যবান তিনটা বছর হারিয়ে গেছে। এর জন্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।

এদিকে, সোমবার বিকেলে কক্সবাজারের এক অনুষ্ঠানে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, জাহালম ও তার পরিবারকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া উচিৎ।

মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, রাষ্ট্রকে জাহালম মিয়াকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। জাহালমের ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে আমরা পদক্ষেপ নেবো।

পাটকল শ্রমিক জাহালমের তিন বছর কারাভোগের ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। দুদক পরিচালক আবুল হাসনাত মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদকে এ তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়।

সোনালী ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগসহ ৩৩টি মামলার প্রকৃত আসামির নাম আবু সালেক হলেও জেল খাটতে হয় নিরাপরাধ জাহালমকে।

পরে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে দুদক ও সংশ্লিষ্টদের ডেকে পাঠান আদালত। পরে শুনানি শেষে আদালত জাহালমকে মুক্তির আদেশ দেন।

এ ধরনের ঘটনাকে জজ মিয়া কাহিনীর সাথে তুলনা করে আদালত।

সর্বশেষ আপডেট...