16.5 C
Dhaka, BD
সোমবার, জানুয়ারি ১৯, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮টি স্কুলের একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন 

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে ৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নব-নির্মিত চারতলা একাডেমিক ভবনের  উদ্বোধন করা হয়।

বুধবার ২ ফেব্রুয়ারি  দুপুরে  ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভার মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে নব-নির্মিত একাডেমিক ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ২০ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ ৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নব-নির্মিত চারতল ভবন নির্মিত হবে।

জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহাম্মদ সাদেক কুরাইশী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়, ত্রাণ ও সমাজক্যালণ বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম স্বপন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, ঠাকুরগাঁও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী ইকবাল প্রমুখ।

উদ্বোধনকৃত বিদ্যালয় সমূহ হলো, পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয়, দৌলতপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ভুলি­ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, লাউথুতি এসসি উচ্চ বিদ্যালয়, কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়, মহাদেবপুর জলেশ্বরী  বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বালাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও পুরাতন ঠাকুরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়। এই কাজটি বাস্তবায়ন করবেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। অনুষ্ঠানের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষার কার্যক্রম আরও ব্যাপক আকারে প্রসারিত করার জন্য কাজ করছে। এ সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার হিসেবে শিক্ষা সহায়ক সকল প্রকল্প হাতে নিয়েছে। শিক্ষার উন্নয়নে বাজেটে সর্বাধিক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরমধ্যে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। যাতে শিক্ষার্থীরা সুন্দর পরিবেশে পাঠদান গ্রহণ করতে পারে।

তিনি বলেন, যেমন দেখুন বছরের প্রথম দিন নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে; যা এই সরকারের কারণেই। নতুন বইয়ের পাশাপাশি উপবৃত্তিসহ সকল প্রকার শিক্ষা উপকরণও বিতরণ করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে যেসব দৃশ্যমান কাজ করেছে যা বিগত কোন সরকার করতে পারেনি।

রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, বিশ্বে করোনা ভাইরাস মহামারিতে প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই শিক্ষা অর্জনে পিছিয়ে পড়েছে। এরপরেও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা করোনা মোকাবেলায় বিশেষ অবদান রেখেছেন। তিনি শিক্ষা, স্বাস্থসহ সর্বোপরি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

বিশেষ করে অর্থনৈতিক জোন ও শিল্পপার্ক গড়ে তোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করে দেশের বেকারত্ব দূর করাসহ বিশ্ববাণিজ্য ক্ষেত্রে অবদান রাখবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরিশিক্ষা গ্রহণের কথা বলেন।

ডিঙ্গামানিক ৩ নং ওয়ার্ডে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষ হতাহতের শিকার

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ ২৭ ও ২৮ জানুয়ারি শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে একই বাড়ীর ইয়ারবক্স সরদার ও জলিল সরদারের পরিবারের মাঝে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মাঝে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

জানা যায় একটি পুকুবের ঘাট ব্যবহার করা নিয়ে মহিলাদের ঝগড়া সৃষ্টি হয়।

এই হতাহতের ঘটনায় দুই পরিবারের লোক আহত হন।
বর্তমান জলিল সরদার নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।

এই হতাহতের ঘটনায় দুই পরিবারের লোকজন আইনানুগত ব্যবস্থা নিয়েছেন। তবে স্থানিয় সচেতন মহল এর লোকজন ও এলাকাবাসী জানান এ তুচ্ছ ঘটনায় – মামলায় না জরিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মুরব্বীদের নিয়ে এর একটা সঠিক সঠিক সমাধান করা হোক।

এ বিষয়ে ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ সরদার জানান-তিনি এই দুই পরিবারের বিষয়টি উভয়ের সাথে আলোচনা করে সমাধানের ব্যাবস্থা নিবেন।

রাণীশংকৈলে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌরশহরের সানরাইজ কেজি স্কুল প্রাঙ্গণে বুধবার ২ ফেব্রুয়ারি মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়।

এ উপলক্ষে এদিন সকালে এ কোর্সের শুভ উদ্বোধন করেন পৌরমেয়র ও উপজেলা আ’লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান। পরে সংস্থার প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে সংস্থার প্রশিক্ষক রুখসানা আফরোজা, নিশাত রহমান, জুবলী খাতুন,তরিকুল ইসলাম ও শিরিন আখতারসহ প্রশিক্ষণার্থী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরো বক্তব্য দেন- প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল ও প্রেসক্লাব সভাপতি মোবারক আলী প্রমুখ। মেয়র তার বক্তব্যে এ প্রকল্পের মাধ্যমে নারীদের কর্মসংস্থান ও সম অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এই সাথে তিনি রাণীশংকৈল উপজেলায় এ প্রকল্প নিয়ে আসার জন্য সাবেক সাংসদ সেলিনা জাহান লিটাকে ধন্যবাদ জানান।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে নারীর সার্বিক উন্নয়নে দৃঢ় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এইসাথে তিনি সঠিকভাবে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করার জন্য প্রশিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা কৃষক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা প্রতিনিধি:মাগুরার শ্রীপুর সরকারি এমসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে বুধবার শ্রীপুর উপজেলা কৃষক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি শরীফ আশরাফ আলী।

উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খবির হোসেন খান বাবুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মাকসুদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম পানু, বেসরকারি সংস্থা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মিরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক ও নাকোল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হুমাউনুর রশিদ মুহিত, শ্রীপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ মশিয়ার রহমান, খুলনা মহানগর কৃষক লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মুকুল হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাদশা, জেলা সম্মেলন কমিটির আহবায়ক ও সম্মেলনের উদ্বোধক এ্যাড. মঈনুল ইসলাম পলাশ প্রমুখ।

সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সব্দালপুর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোছাঃ পান্না খাতুন, জেলা কৃষক লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব সাজ্জাদুল ইসলাম বিপু, জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি মীর মেহেদী হাসান রুবেল, সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন মুক্তসহ অন্যরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাইফুজ্জামান শিখর এমপি বর্তমান সরকারের কৃষিখাতে বহুবিধ উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, সার কেনার জন্য এখন আর লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় না। সরকার কৃষিখাতে নানা ধরনের ভতুকি প্রদান করছে, বিভিন্ন ধরনের কৃষি যন্ত্রপাতি দিচ্ছে।

সম্মেলনে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও ডেলিগেটগণ অংশ নেন।

ডিমলায় ২ কেজি গাঁজাসহ আটক ১

মোঃ মিজানুর রহমান নীলফামারী:নীলফামারীর ডিমলায় ২ কেজি গাঁজাসহ ১ জন আটক হয়েছে।

থানা সুত্রে জানা যায়, নীলফামারী মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুল রহিমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স সহ একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪নং খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের পানবেছাটারী ৯নং ওয়ার্ডের মৃত মকছেদ আলীর পুত্র সাহিদুল ইসলাম (৪৮) কে গতকাল পহেলা ফেব্রুয়ারী বিকেলে নিজ বাড়ী থেকে ২ কেজি গাঁজাসহ আটক করেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় সাহিদুল ইসলাম কিছুদনি আগে ভ্যান চালাত সে এখন হঠাৎ করে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছের মত কোটি টাকার মালিক।
পুলিশ আটক করার পর এলাকাবাসী জানতে পারে সে মাদক ব্যবসায়ী ও জাল টাকার ব্যবসা করে।

নীলফামারী মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুল রহিম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০২, তারিখ-০১/০২/২০২২ ।

এ বিষয়ে ডিমলা থানার ওসি মোঃ সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন আসামীকে ২ ফেব্রুয়ারী দুপুরে নীলফামারী জেলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে এতিমখানা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে বেসরকারি সকল এতিমখানা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সোমবার ৩১ জানুয়ারি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। সদর উপজেলার ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট প্রাপ্ত বেসরকারি এতিমখানার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও তত্ত্বাবধায়কদের অংশগ্রহণে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে।

এ উপলক্ষে এদিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁও সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আল মামুন।

পরে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,
সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আ’লীগ সভাপতি অরুনাংশু দত্ত টিটো,ইউএনও আবু তাহের মো.সামসুজ্জামান।
এছাড়াও সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রশিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত: ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশের জনগণ অবহেলিত দুঃস্থ এতিম শিশুদের প্রতিপালনের দায়িত্ব গ্রহণে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশের সকল ধর্মীয় জনগনেরই এতিম শিশুদের লালনপালনের জন্য বেসরকারিভাবে এতিমখানা পরিচালনা করে আসছে। এরই প্রেক্ষিতে এসব এতিমখানা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত করার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তর এ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে সংশ্লিষ্ঠ সুত্র জানিয়েছেন।

ধামরাইয়ে অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন ,ধামরাই(ঢাকা)থেকেঃ-ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির সৃষ্ট ধোঁয়ার ফলে শ্বাস কষ্টসহ নানা ধরনের জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং এলাকার লোকজনের গরুসহ বিভিন্ন জাতের প্রাণী মারা যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুকির মুখে পড়ছে বলে এলাকাবাসির দাবি করেছে। এছাড়া ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির ফলে তিন ফসলি জমিসহ বিভিন্ন গাছের ফলও ঝরে পড়ছে । যার কারণে এলাকায় আজকাল কোন গাছের ফল দেখা যায়না। শুধু তাই নয় আবার বিভিন গাছ কেটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে এলাকার গাছপালা উজার করে ফেলছে, যা পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরুপ।প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে আইনের তোয়াক্কা না করে অনুমোদনহীন কারখানায় করে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি করিতেছে ধামরাই উপজেলার নান্নার ইউনিয়নে মোঃ আরিফ হোসেন নামে এক ব্যাক্তি। তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধ ব্যবসা করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে । এই যেন দেখার কেউ নেই।পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি করার ফলে পরিবেশের মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে এলাকাবাসির দাবি। কারণ ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি এবং কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার ফলে কালো ধোঁয়ার কারণে আশ পাশের এলাকায় লোকজনের দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ধরনের অজানা রোগ এবং ছোট বড় সকলের দেখা দিয়েছে শ্বাসকষ্ট। এই ব্যাপারে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার ফলে উল্টো প্রতিবাদ কারীদের বিভিন্ন হামলা মামলার ভয় দেখিয়ে এলাকা ছাড়ার হুমকি প্রদান করে বলে এলাকার লোকজনের অভিযোগে তা উঠে এসেছে। ফলে অসহায় হয়ে পড়েছে লোকজন।তাই এলাকাবাসির কষ্ট তাদের দেখার কেউ নেই।অনুসন্ধানে দেখা গেছে ঔ কারখানার চারপাশের বাড়ীর টিনের তৈরি ঘরগুলি, সিসার তৈরি এবং কাঠপুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারণে টিনগুলি ছিদ্র ছিদ্র হয়ে গেছে। কারণ পুরাতন ব্যাটারী ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার সময় দেখা গেছে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া চারদিকে ছড়িয়ে পরার কারণে ভেশে আসে ঝাঁঝালো গন্ধ। এতে দেখাগেছে আশ পাশের যত গাছপালা আছে তাতে কোন রকমের ফল হয়না। যা পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরুপ শুধু তাই নয় মানুষের জন্য ও বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে বলে অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে।অনুসন্ধানে আর দেখা গেছে রাতের অধারে শ্রমিকরা কোন প্রকার নিরাপত্তা বলাই না রেখে হাতে মুখে গ্লাভস ও মাক্স না পরে আগুন জ্বালিয়ে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করিতেছে। শ্রমিকদের জিঞ্জাসাবাদ করে জানাযায়, এই ভাবে রাতে একই চুল্লিতে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সেই ব্যাটারী থেকে সিসা বের করা হয়। পরে সেই সিসা আবার লোহার তৈরি কড়াইয়ে ঢেলে পাটা তৈরি করা হয় এবং প্রতিটি পাটার ওজন প্রায় ৩০/৩২ কেজি।পরে সে গুলি বাজারে বিক্রি করা হয়। তবে কারখানার অনুমোদন নিয়ে একাদিকবার প্রশ্ন করা হলে মেলেনি কোন উত্তর।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন, আমার বাড়ীর পাশে এই কারখানার কারণে আমিসহ আমার বাড়ীর ছোট ছেটে বাচ্চারা শ্বাসকষ্টেসহ নানা ধরণের রোগে ভুক্তে হচ্ছে। আমিসহ এলাকার সবায় মিলে আরিফকে বার বার নিষেধ করা হলেও সে আমাদের অনুরোধ না শনে উল্টো বিভিন্ন ধরনের মামলা হামলার ভয়-ভীতি দেখায়।আমার এখন অসহায় হয়ে পড়েছি। তাই আমাদের দাবি যাতে এই অবৈধ সিসা কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়।এই বিষয়ে কাঠপুড়িয়ে কয়লা তৈরি হেড মিস্ত্রি মোঃ আবুল হোসেন জানান, ভাই কাগজপত্র সর্ম্পকে আমরা কিছু বলতে পারব না। এই গুলি সর্ম্পকে মালিক ভাল বলতে পারবে। আমরা জানি এই কাজ করলে আমাদের বিভিন্ন ধরনের অসুখ হবে কি করব পেটের দুঃখে কাজ করে খায়।এই ব্যাপারে নান্নার গ্রামের মোঃ আতা মিয়া বলেন, পুরানো ব্যাটারীর সিসা গলানোর কারণে এলাকার অনেক মানুষের বিভিন্ন ধরণের রোগবালায় সহ মারাত্মক শ্বাসকষ্টের রোগে ভুকতেছে।এই ব্যাপারে একই গ্রামের মোঃ আতামিয়ার সাথে কথা বলে জানাযায়, জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে সেই সাথে এলাকার গাছ পালার সকল ফল ও জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। তিনি আর বলেন এসিডযুক্ত ধোঁয়া নির্গত হওয়ায় জমির ফসলের ক্ষতির কারণ।এই ব্যাপারে ব্যাটারী কারখানার মালিক মোঃ আরিফ হোসেনের সাথে কথা বলতে গেলে সে বলে, আপনারা যা পারেন তা করেন।আমি ৩২বছর যাবত এই পেশার সাথে জড়িত। আপনাদের চাইতে বড় বড় সাংবাদিক আমার কিছু করতে পারে নাই। যান যান যা পারেন করেন।এই বিষয়ে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নুর রিফাত আরা বলেন, ব্যাটারী ও কাঠ পুড়ানোর ফলে কার্বন ও সিসা উৎপন্ন হয়।পওে সে গুলি বাতাসের সাথে মিশে মানব দেহের ক্ষতি করে। যেমন মানুষের শ্বাস কষ্টজনিত রোগ, অ্যালার্জি,চর্মরোগ, চোখে কম দেখাসহ নানা ধরণের রোগ দেখা দেয়।এই ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আরিফুল হাসান বলেন,সিসা এমনি এক খারাপ পদার্থ। এই সিসা যেখানে পরবে সেখানে কোন ধরনের ফসল হবে না। হলেও সেটা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর।এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি বলেন,অবৈধ সিসা কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে আইন অনুযাযী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আর বলেন যা মানবদেহের জন্য হুমকিস্বরুপ ও জমির ফসলের জন্য ক্ষতিকর সেই কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হবে।ধামরাইয়ে অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন ,ধামরাই(ঢাকা)থেকেঃ-ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির সৃষ্ট ধোঁয়ার ফলে শ্বাস কষ্টসহ নানা ধরনের জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এবং এলাকার লোকজনের গরুসহ বিভিন্ন জাতের প্রাণী মারা যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুকির মুখে পড়ছে বলে এলাকাবাসির দাবি করেছে। এছাড়া ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরির ফলে তিন ফসলি জমিসহ বিভিন্ন গাছের ফলও ঝরে পড়ছে । যার কারণে এলাকায় আজকাল কোন গাছের ফল দেখা যায়না। শুধু তাই নয় আবার বিভিন গাছ কেটে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে এলাকার গাছপালা উজার করে ফেলছে, যা পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরুপ।প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে আইনের তোয়াক্কা না করে অনুমোদনহীন কারখানায় করে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি করিতেছে ধামরাই উপজেলার নান্নার ইউনিয়নে মোঃ আরিফ হোসেন নামে এক ব্যাক্তি। তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধ ব্যবসা করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে । এই যেন দেখার কেউ নেই।পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি করার ফলে পরিবেশের মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে এলাকাবাসির দাবি। কারণ ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা তৈরি এবং কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার ফলে কালো ধোঁয়ার কারণে আশ পাশের এলাকায় লোকজনের দেখা দিয়েছে বিভিন্ন ধরনের অজানা রোগ এবং ছোট বড় সকলের দেখা দিয়েছে শ্বাসকষ্ট। এই ব্যাপারে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার ফলে উল্টো প্রতিবাদ কারীদের বিভিন্ন হামলা মামলার ভয় দেখিয়ে এলাকা ছাড়ার হুমকি প্রদান করে বলে এলাকার লোকজনের অভিযোগে তা উঠে এসেছে। ফলে অসহায় হয়ে পড়েছে লোকজন।তাই এলাকাবাসির কষ্ট তাদের দেখার কেউ নেই।অনুসন্ধানে দেখা গেছে ঔ কারখানার চারপাশের বাড়ীর টিনের তৈরি ঘরগুলি, সিসার তৈরি এবং কাঠপুড়িয়ে কয়লা তৈরির কারণে টিনগুলি ছিদ্র ছিদ্র হয়ে গেছে। কারণ পুরাতন ব্যাটারী ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করার সময় দেখা গেছে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া চারদিকে ছড়িয়ে পরার কারণে ভেশে আসে ঝাঁঝালো গন্ধ। এতে দেখাগেছে আশ পাশের যত গাছপালা আছে তাতে কোন রকমের ফল হয়না। যা পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরুপ শুধু তাই নয় মানুষের জন্য ও বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে বলে অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে।অনুসন্ধানে আর দেখা গেছে রাতের অধারে শ্রমিকরা কোন প্রকার নিরাপত্তা বলাই না রেখে হাতে মুখে গ্লাভস ও মাক্স না পরে আগুন জ্বালিয়ে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সিসা ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করিতেছে। শ্রমিকদের জিঞ্জাসাবাদ করে জানাযায়, এই ভাবে রাতে একই চুল্লিতে পুরাতন ব্যাটারী পুড়িয়ে সেই ব্যাটারী থেকে সিসা বের করা হয়। পরে সেই সিসা আবার লোহার তৈরি কড়াইয়ে ঢেলে পাটা তৈরি করা হয় এবং প্রতিটি পাটার ওজন প্রায় ৩০/৩২ কেজি।পরে সে গুলি বাজারে বিক্রি করা হয়। তবে কারখানার অনুমোদন নিয়ে একাদিকবার প্রশ্ন করা হলে মেলেনি কোন উত্তর।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন, আমার বাড়ীর পাশে এই কারখানার কারণে আমিসহ আমার বাড়ীর ছোট ছেটে বাচ্চারা শ্বাসকষ্টেসহ নানা ধরণের রোগে ভুক্তে হচ্ছে। আমিসহ এলাকার সবায় মিলে আরিফকে বার বার নিষেধ করা হলেও সে আমাদের অনুরোধ না শনে উল্টো বিভিন্ন ধরনের মামলা হামলার ভয়-ভীতি দেখায়।আমার এখন অসহায় হয়ে পড়েছি। তাই আমাদের দাবি যাতে এই অবৈধ সিসা কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়।এই বিষয়ে কাঠপুড়িয়ে কয়লা তৈরি হেড মিস্ত্রি মোঃ আবুল হোসেন জানান, ভাই কাগজপত্র সর্ম্পকে আমরা কিছু বলতে পারব না। এই গুলি সর্ম্পকে মালিক ভাল বলতে পারবে। আমরা জানি এই কাজ করলে আমাদের বিভিন্ন ধরনের অসুখ হবে কি করব পেটের দুঃখে কাজ করে খায়।এই ব্যাপারে নান্নার গ্রামের মোঃ আতা মিয়া বলেন, পুরানো ব্যাটারীর সিসা গলানোর কারণে এলাকার অনেক মানুষের বিভিন্ন ধরণের রোগবালায় সহ মারাত্মক শ্বাসকষ্টের রোগে ভুকতেছে।এই ব্যাপারে একই গ্রামের মোঃ আতামিয়ার সাথে কথা বলে জানাযায়, জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে সেই সাথে এলাকার গাছ পালার সকল ফল ও জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। তিনি আর বলেন এসিডযুক্ত ধোঁয়া নির্গত হওয়ায় জমির ফসলের ক্ষতির কারণ।এই ব্যাপারে ব্যাটারী কারখানার মালিক মোঃ আরিফ হোসেনের সাথে কথা বলতে গেলে সে বলে, আপনারা যা পারেন তা করেন।আমি ৩২বছর যাবত এই পেশার সাথে জড়িত। আপনাদের চাইতে বড় বড় সাংবাদিক আমার কিছু করতে পারে নাই। যান যান যা পারেন করেন।এই বিষয়ে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নুর রিফাত আরা বলেন, ব্যাটারী ও কাঠ পুড়ানোর ফলে কার্বন ও সিসা উৎপন্ন হয়।পওে সে গুলি বাতাসের সাথে মিশে মানব দেহের ক্ষতি করে। যেমন মানুষের শ্বাস কষ্টজনিত রোগ, অ্যালার্জি,চর্মরোগ, চোখে কম দেখাসহ নানা ধরণের রোগ দেখা দেয়।এই ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আরিফুল হাসান বলেন,সিসা এমনি এক খারাপ পদার্থ। এই সিসা যেখানে পরবে সেখানে কোন ধরনের ফসল হবে না। হলেও সেটা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর।এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি বলেন,অবৈধ সিসা কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে আইন অনুযাযী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আর বলেন যা মানবদেহের জন্য হুমকিস্বরুপ ও জমির ফসলের জন্য ক্ষতিকর সেই কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

রাণীশংকৈলে ৭৬ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার-২

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকলে মিঠুন (২৮) এবং শাহাজামাল (৩০) নামে দুই মাদক কারবারিকে সোমবার ২৫ জানুয়ারি ভোররাতে ৭৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করেছে থানা পুলিশ।

মিঠুন উপজেলার দোশিয়া গ্রামের এন্তাজের ও শাহাজামাল পশ্চিম ভান্ডারা গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে।

থানা সুত্র জানা গেছে, থানা পুলিশের একটি মাদক অভিযান পরিচালনাকারী টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরশহরের রাজবাড়ি সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর থেকে মিঠুনকে ২২ পিস এবং শাহাজামালকে ৫৪ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

রাণীশংকৈল থানা ওসি তদন্ত আব্দুল লতিফ সেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ৭৬ পিস ইয়াবাসহ মিঠুন ও শাহাজাহানকে গ্রফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে জেলা জেল পঠানো হয়েছে।

মাগুরায় শতভাগ করোনা টিকা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণটিকা কর্মসূচি উদ্বোধন

আশরাফ হোসেন পল্টু ,মাগুরা: মাগুরা জেলার ৪টি উপজেলা মাগুরা সদর, শ্রীপুর, শালিখা ও মহম্মদপুর উপজেলার ৩৬টি ইউনিয়নে করোনা টিকার শতভাগ নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে মাগুরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার সকালে একযোগে গণটিকা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

মাগুরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জুলিয়া সুকায়না শ্রীপুর উপজেলা সদরের মা ও শিশু কেন্দ্রে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিউজা-উল-জান্নাহ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্যামানন্দ কুÐু, শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন পল্টু প্রমুখ।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিউজা-উল-জান্নাহ বলেন, এখন পর্যন্ত যারা করোনা টিকার একটি ডোজও গ্রহণ করেননি একমাত্র তাদের জন্যই মূলত এ ভ্যাক্সিনেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে । জেলা ৩৬ টি ইউনিয়নে একযোগে এ টিকা দান কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয় । স্বাস্থ্য বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় জেলা, উপজেলা প্রশাসন ও আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী প্রথম থেকেই এবিষয়ে নিষ্ঠার সংগে কাজ করে যাচ্ছেন।

শতভাগ ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচি সফল করতে সবাই কে একসাথে মিলে-মিশে কাজ করার আহবান জানান।

গফরগাঁওয়ে ডাকাত আতঙ্কে নজি বসতভটিায় উঠতে পারছনে না ষার্টোধ্ব গোলন্দাজ”

স্টাফ রিপোর্টার: ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজলোর নগিুয়ারী ইউনয়িনরে চাকুয়া গ্রামরে মৃত আব্দুল গণি শখেরে সন্তান মোঃ গোলন্দাজ ময়িা।

গত ২৭বছর যাবত নজি বসতভটিায় ফসলি জমতিে চাষাবাদ করে কোনরকম জীবন-যাপন করে আসছলি ষার্টোধ্ব গোলন্দাজ। এলাকার কছিু ভূমদিস্যুর নজর পড়ে গোলন্দাজ এর জমরি উপর।

গোলন্দাজ পরবিার ও  নাম উল্লখে না করা র্শতে এলাকাবাসী কয়কেজন জানান, র্দীঘদনি যাবৎ গোলন্দাজ এর পতৈৃক সম্পত্তি নয়িে বরিোধ চলে আসছলি। বশে কছিুদনি ধরে র্কোটে মামলা চলমান অবস্থায় নষিধোজ্ঞা জারি করা হয় তাদরে সম্পদরে উপর। তব,ে আদালতরে আদশে অমান্য করে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দখেযি়ে স্থানীয় দুস্কৃতকিারী অবধৈভাবে জমতিে বাঁশরে খুঁটি দযি়ে জবর দখলরে চষ্টো করে বলে অভযিোগ গোলন্দাজরে।

স্থানীয় ডাকাতদল জোরর্পূবক জমটিি দখলে নয়িে শুরু করে দয়ে সবজি চাষ। জমরি মালকি গোলন্দাজ জমি দখলে বাধা দওেয়ায় দশেীয় অস্ত্রশস্ত্র নযি়ে গোলন্দাজ কে হামলা করে এবং স্থানীয়দরে সহযোগতিায় প্রাণে বঁেচে যায় ষার্টোধ্ব গোলন্দাজ। তার অভযিোগ, প্রতনিযি়তই তাদরেকে ডাকাতদল হুমকি দযি়ে যাচ্ছনে প্রাণনাশরে। এই ঘটনায় গোলন্দাজ পাগলা থানায় একটি অভযিোগ দায়রে করেন ।

এলাকাবাসীর অভযিোগ, বভিন্নি সময়ে ডাকাতি সন্ত্রাসী র্কাযকলাপে এলাকায় ত্রাসরে রাজত্ব কায়মে করছনে স্থানীয় ডাক্তাত দলটি ।

গোলন্দাজ এর সম্পত্তরি তফসলি, জলো ময়মনসংিহ ,থানা পাগলা ,মৌজা চাকুয়া খতযি়ান নং এসএ বআিরএস ২২৫ ,২৩৭৩ ,দাগ নং এস এ ৪৮৪, জমরি পরমিাণ ৪৩ শতাংশ , জমরি চৌহদ্দি উত্তরে রহমান গং, দক্ষনিে প্রথম পক্ষ নজি, র্পূবে আবুল-কালাম গং,পশ্চমিে প্রথম পক্ষ।

সর্বশেষ আপডেট...