আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরার শ্রীপুর শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার সকালে বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় অসহায়, দুঃস্থ, প্রতিবন্ধী ও গরীব শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
দৈনিক কালের কণ্ঠ শুভ সংঘের আয়োজনে এ কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে সংগঠনের শ্রীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি খন্দকার আবু আনছার নাজাত আশার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিউজা উল জান্নাহ ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শুকদেব রায়, শ্রীপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ মশিয়ার রহমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার ইকরাম আলী বিশ্বাস, মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক কালের কণ্ঠ ও চ্যানেল আই টিভির মাগুরা জেলা প্রতিনিধি শামীম আহমেদ খান, শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ড. মুসাফির নজরুল, দৈনিক বর্তমান পত্রিকার মাগুরা প্রতিনিধি ইব্রাহিম আলী মোনাল, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার মাগুরা প্রতিনিধি রাশেদ খান প্রমুখ ।
শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন পল্টুর সমন্বয়ে এ কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অসহায়, দুঃস্থ ও গরীবদের মধ্যে ৩০০ টি কম্বল প্রদান করা হয় ।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই(ঢাকা)প্রতিনিধি,ঢাকার ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণে ব্যর্থ হয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে মো: রাশেদুল ইসলাম টিটু (১৭) এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার বড়চন্দ্রাইল গ্রামে নিজ ঘরে ফাঁস নেয় সে।
রাশেদুল ইসলাম টিটু ধামরাই হার্ডিঞ্জ সরকারি স্কুল আ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলো। সে ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের বড়চন্দ্রাইল গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
রাশেদুলের ছোট বোন জান্নাতুল আক্তার বলেন, দুপুরের দিকে ফলাফল প্রকাশের পরপরই ভাই দরজা বন্ধ করে দেয়। অনেকক্ষণ দরজা বন্ধ করে থাকলে আমি তাকে ডাকাডাকি করি। পরে ফুপুকেও ডাক দেই। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পরেও দরজা না খুললে দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে দেখতে পাই ভাই ফাঁস লাগিয়েছে। পরে সঙ্গে সঙ্গে তাকে নামিয়ে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করে।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআইদ মো: সাইদুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পাই। মরদেহের সুরতহালের কাজ চলছে।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জাতিগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার উৎকর্ষ এবং পেশার আধুনিকায়নের মাধ্যমে তাঁদের অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিসহ সমাজের মূল শ্রোতধারায় সম্পৃক্তকরণের নিমিত্তে জীবনমান উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রাণীশংকৈল উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে ৫ দিনব্যাপী সফ্ট স্কিল প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়।
এ উপলক্ষে বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না ও ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায়, ভার্চুয়াল ভিডিও কলমিটিংয়ের মাধ্যমে কর্মশালায় উপস্থিত কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক ও “বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের” প্রকল্প পরিচালক মো.কামরুজ্জামান।
এছাড়াও উপজেলা তথ্যসেবা কর্মকর্তা হালেমা খাতুন, প্রেস ক্লাব সভাপতি মোবারক আলী, অর্থ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, সাংবাদিক হুমায়ুন কবির, সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত: বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিলুপ্তপ্রায় আদিপেশার মানুষেরা যেমন: কামার, কুমার, নাপিত, মুচি, বাশঁ-বেত পণ্য প্রস্তুতকারী ও কাঁসা-পিতল পণ্য প্রস্তুতকারীদের নিয়ে কাজ করে- এই প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো প্রান্তিক পেশাজীবী গোষ্ঠীর জনগণের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও আয়বর্ধক কাজে অন্তর্ভুক্তকরণের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও আয়বর্ধক কাজের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি ও তাদের পণ্য রপ্তানি করা ।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় নিয়ে আসা। অর্থনৈতিক সম্পৃক্তির মাধ্যমে সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করা এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের স্রোতধারায় সম্পৃক্তকরণ করা।
তাদের পেশার টেকসই উন্নয়নের জন্যই এ সফ্ট স্কিল বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সাইফুল ইসলাম (৮০) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা গত মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে বাধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। ইন্না লিল্লাহি — ওয়া রাজিউন।
তার বাড়ি উপজেলার গোগর বাসনাহার গুচ্ছগ্রামে। তিনি স্ত্রী, সন্তানসহ অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
পরদিন বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে বনপীর কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়৷
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ,উপজেলা আ”লীগ সাধারন সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমেদ,বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান প্রমুখ। এছাড়াও রানীশংকৈল প্রেসক্লাব (পুরাতন) সভাপতি কুশমত আলী,প্রধান শিক্ষক ইকবাল হোসেন ও সাবেক ইউপি সদস্য ইব্রাহিম আলী উপস্থিত ছিলেন।
তার মৃত্যুতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার বড়ইছুটি নাভিয়াদ কয়েল কারখানায় ভিতরে থাকা বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
এলাকাবাসী, ও কারখানা সূত্রে জানাযায় উপজেলার বড়ইছুটি এলাকায় কয়েল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নেভাতে ব্যর্থ হলে কারখানার কর্তৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
কালিয়াকৈর উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি , তাৎক্ষনিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা যায়নি।
স্টাফ রিপোর্টার: ফেনী শহরের ওয়াপদা মাঠে বিএনপি-যুবলীগের পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে ঘিরে বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান।
জেলা প্রশাসক বলেন, উক্ত স্থানে মঙ্গলবার বিএনপির সমাবেশ করার কথা ছিল। অনিবার্যকারণ বশত তা স্থগিত করা হয়। বুধবার একই স্থানে সমাবেশ করতে বিএনপির আবেদনটি পুলিশ বিভাগে পাঠানো হয়।
কিন্তু প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়ায় বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে জেলা যুবলীগ উক্ত স্থানে কর্মীসমাবেশের জন্য অনুমতি চায়।
একই স্থানে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকায় পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এবং উপজেলা পরিষদ জাইকার অর্থায়নে মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে ২৫ জন নারীকে বিদায় ও সনদপত্র দেয়া হয়।
করোনাকালীন আর্থিক মন্দা উত্তরণে এ যুব মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেন প্রশিক্ষক সাগরিকা চৌধুরী রুমা।
এ মময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ, মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান শেফালি বেগম,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিরঞ্জন কুমার জাইকার উপ প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে ইউএনও বিদায়ী প্রশিক্ষণার্থীদের এ প্রশিক্ষণে অর্জিত কর্মকান্ড দিয়ে নিজেদের আর্থিক স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।
ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠিতে ‘অভিযান-১০’ নামের লঞ্চে আগুন ক্যানটিন থেকে নয়, ইঞ্জিনের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে হয়েছে বলে মনে করছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শাজাহান খান।
২৫/১২/২০২১ইং তারিখ শনিবার সকাল ১১টায় আগুনে পুড়ে যাওয়া লঞ্চ পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন গণমাধ্যমে যে সংবাদ গুলো আমরা দেখেছি, সেগুলো আমলে নিয়ে পর্যালোচনা করে এবং লঞ্চটি পরিদর্শনে কাজ করছে তদন্ত কমিটি।
নৌ মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির আহবায়ক যুগ্ম সচিব তোফায়েল হাসান বলেন, ‘যা কিছু দেখেছি, সবই প্রাথমিক তদন্ত। চূড়ান্ত ভাবে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।
ওই সময় নৌমন্ত্রণালয়ের ৭ সদস্য ফায়ার সার্ভিসের ৫ সদস্য এবং জেলা প্রশাসনের ৫ সদস্যে ও তদন্ত কমিটির সদস্যরা লঞ্চটি পরিদর্শন করে।
ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটির প্রধান উপ পরিচালক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, লঞ্চের ছয়টি সিলিন্ডারের মধ্যে একটিতে বিস্ফোরণ হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।
তবে ইঞ্জিন রুমের পাশের ক্যানটিনের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে পুরো লঞ্চে আগুন লেগেছে বলে জানিয়ে ছিলেন কেবিন বয় ইয়াসিন।
এ উপলক্ষে এদিন রাতে উপজেলার রাউত নগর আদিবাসি স্কুল মাঠে আদিবাসি নেতা সিংরাই স্বরেন মানিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান।
এছাড়াও প্যানেল মেয়র মতিউর রহমান, প্রেস ক্লাব সভাপতি মোবারক আলী, কাউন্সিলর রুহুল আমিন,ইউপি সদস্য শাহাজান আলীসহ প্রায় দুই শতাধিক আদিবাসি নারী- পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ চেয়েছেন শীতবস্ত্র, পেলেন সরকারি আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর। সরকারের বরাদ্দকৃত ঘর প্রদান করে নজির স্থাপন করলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান।
গণশুনানিতে অংশ নেয়া পঁচিশটি অসহায় ও ভূমিহীন পরিবারকে আনুষ্ঠানকিভাবে ঘরের চাবি তুলেন দেন তিনি।
অসহায় দরিদ্র পরিবারের মানুষেরা জেলা প্রশাসকের নিয়মিত গনশুনানিতে অংশ নিয়ে নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
তবে ব্যতিক্রম ছিল কয়েক দিন আগের গণশুনানি। শীত বাড়তে থাকায় হতদরিদ্র পরিবারগুলো গণশুনানিতে অংশ নিয়ে বস্ত্রের জন্য আহবান জানালে জেলা প্রশাসক নিজের আগ্রহে তাদের বাসস্থানের খবর জানতে চান। তাদের মধ্যে ভূমিহীন পরিবারদের আশ্রায়ন প্রকল্পের সরকারি ঘর বরাদ্দ দেয়ার কথা জানালে আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠেন তারা।
তাদের মধ্য থেকে তালিকা করে শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকালে সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের কান্দরপাড়া গ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ জন ভূমিহীন পরিবারকে আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘরের চাবি তুলে দেন।
বসতভিটাবিহীন পরিবারগুলো ঘর বরাদ্দ পেয়ে বেশ খুশি। পরে প্রত্যেক পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান করেন জেলা প্রশাসক।
ঘর পাওয়া পরিবারগুলো জানান, আমরা গণশুনানিতে অংশ নিয়ে শীতবস্ত্রের কথা জানালে ডিসি সাহেব আমাদের বাড়ি আছে কি না তার খোঁজ খবর নেন। যাদের ঘরবাড়ি নেই ভূমিহীন তাদের ঘর দেয়ার আশ্বাস দেয়ার পর আজ ঘরের চাবি তুলে দেন।