এসএসসির সিলেবাস কমানোর দাবিতে সাভারে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ( ভিডিও)
বিপ্লব,সাভারঃ ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস ৭০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ করার দাবিতে সাভারে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২০ অক্টোবর ) সাভার বাসস্ট্যান্ডের সিটি সেন্টারের সামনে মানববন্ধন করেন তারা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন স্কুল প্রতিষ্ঠান বন্ধ। দরিদ্র পরিবারের অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে, যারা এই মহামারিতেও ভার্চুয়ালি ক্লাস করতে পারেনি।
এমন অবস্থায় ও এতো অল্প সময়ে ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত সিলেবাস পড়ে শেষ করা কোনো শিক্ষার্থীর পক্ষেই সম্ভব নয়। তাই সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী ও দরিদ্র পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা চিন্তা করে সিলেবাস ৭০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা আরও বলেন, আমরা আপনার সন্তানের মতো। সন্তানদের সকল সুবিধা-অসুবিধা দেখার দায়িত্ব আপনার। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি বিবেচনা করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি আপনার (শিক্ষামন্ত্রী) মানতে হবে এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা এমন সিদ্ধান্ত মানি না মানব না বলে স্লোগান দেন।
ধামরাইয়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারসহ প্রতিষ্ঠিত ৮ সন্তানের মা এখন রাস্তায়
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই(ঢাকা)থেকেঃ- ধামরাই উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের রশ্মিমপুর গ্রামের মরিয়ম বেগম নামে এক শতবর্ষী বৃদ্ধা মাকে সন্তানরা গাড়ি থেকে ফেলে দিলেন স্থানীয় বঙ্গবাজারের পাশে। এলাকাবাসী তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে একটি বাড়িতে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।
ডাক্তার, ব্যাংকার, ইঞ্জিনিয়ার ও ব্যবসায়ীসহ ওই বৃদ্ধা মায়ের ৮ ছেলে মেয়েদের, সবাই সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত। তারপরও কোনো ছেলের বাড়িতেই তার মাথা গুঁজবার ঠাঁই হলো না। তার পিতার দেওয়া ১৫ বিঘা জমি সন্তানদের লিখে না দেওয়ায় এ পরিণতি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গ্রামবাসী। শেষ পর্যন্ত তার দায়িত্ব নিলেন গ্রামবাসী।
সরেজমিন জানা যায়, ওই গ্রামের প্রয়াত মো. আসুরুদ্দিন সরকার নামে এক ব্যক্তি ছিলেন। তাঁতশিল্পসহ কয়েকশ বিঘা জমি ছিল আসুরুদ্দিন সরকারের। তাই একমাত্র মেয়ে মরিয়ম বেগমের সুখের কথা ভেবে তাকে ১৫ বিঘা জমি লিখে দিয়ে বিলাসবহুল একটি বাড়ি নির্মাণ করে দিয়ে বিয়ে দেন। এরপর জামাতা মো. আব্দুস সালামকে ঘরজামাই হিসেবে বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত করেন।পরবর্তীতে মরিয়ম বেগম ৬ ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তানের জননী হন। প্রত্যেক সন্তানকেই তিনি লেখাপড়া শিখিয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। বড়ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আক্তারুজ্জামান একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা। ছোট ছেলে ডা. মো. হুমায়ুন কবীর বিসিএস কর্মকর্তা (ডাক্তার)।
তিনি একটি সরকারি আবাসিক হাসপাতালে কর্মরত। সাখাওয়াত হোসেন সাকী ও আব্দুল্লাহেল বাকী নামকরা ব্যবসায়ী ও আলমগীর হোসেন বিদেশে ভালো বেতনে চাকরি করেন।তাদের কারও সংসারে কোনো অভাব অনটন নেই। শুধু বৃদ্ধা মাকে ভরণপোষণ করতে যেন তাদের অভাবের শেষ নেই। ক্ষুধার জ্বালায় সদা ছটফট করেন এই বৃদ্ধা মরিয়ম বেগম। ক্ষুধার যন্ত্রণা মেটাতে ঘুরে বেড়ান এদিক-সেদিক। না খেয়ে তার বাকশক্তি হারিয়ে ফেলার উপক্রম হয়ে গেছে।সন্তানদের কাছে বিষয়টি বারবার বলায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ওই শতবর্ষী বৃদ্ধা মাকে চিকিৎসার কথা বলে গাড়িতে তুলে স্থানীয় বঙ্গবাজারের পাশে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়। তার গোঙানির শব্দ পেয়ে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় মো. আব্দুল লতিফের বাড়িতে নিয়ে সেবা-শুশ্রূষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।বৃদ্ধার ছেলে মো. আলমগীর হোসেন বলেন, আমার মায়ের অনেক বয়স হয়েছে। তার মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।
তাই আমাদের নিয়ে এমন মিথ্যাচার করছেন। আমরা তাকে যথেষ্ট ভরণপোষণ দিচ্ছি ও সেবাযত্ন করছি।মো. আব্দুল লতিফ নামে এক গ্রামবাসী বলেন, বৃদ্ধার ছেলেরা যদি তার এত ভরণপোষণ দিচ্ছে ও সেবাযত্ন করছে তাহলে তার এ করুণদশা কেন? শুধু তাই নয়, গ্রামবাসী মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে স্থানীয় বঙ্গবাজারের পাশের রাস্তা থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিচ্ছেন কেন?
রাণীশংকৈলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ “শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস অদম্য আত্মবিশ্বাস” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝরে যাওয়া এক উজ্জল নক্ষত্র শেখ রাসেলের ৫৮ তম জন্মদিন উদযাপন করলো রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসন।
এ উপলক্ষে সোমবার ১৮ সকাল ৭টায় সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহার নের্তৃত্বে পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এ সময় ওসি এসএম জাহিদ ইকবাল সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সকাল ৯:৩০ মিনিটে স্কুল, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ১০০ টি তাল গাছের চারা রোপন করা হয়। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, এসিল্যান্ড ইন্দ্রজিত সাহা, কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ, উপসহকারি কৃষি অফিসার সাদেকুল ইসলামসহ অনেকে অংশগ্রহণ করেন। পরে সকাল সাড়ে ১১ টায় সহকারি কমিশনার ( ভূমি) ইন্দ্রজিত সাহার সভাপতিত্বে অলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কৃষি কর্মকর্তা সঞ্চলনা দেবনাথ, থান পুলিশের প্রতিনিধি এসআই আব্দুল মোমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, মহিলা আ’লী সাধারণ সম্পাদব ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ। এছাড়াও সামাজিক, রাজৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বিভিন্ন ইভন্টে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত: তিন ভাই এবং দুই বোনের মধ্যে রাশেল ছিলেন সর্বকনিষ্ঠজন। অপর চারজন হচ্ছেন শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভাই-বোনদের মধ্যে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছাড়া কেউই জীবিত নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালোরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু এবং মাতা ফজিলাতুন্নেছাসহ শেখ রাসেলকে ও তার পরিবারের সকল সদস্যরা ঘাতকদের হাতে নিহত হন।
ধামরাইয়ে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন ও বঙ্গবন্ধু কর্ণার শুভ উদ্বোধন।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন , ধামরাই(ঢাকা): শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস অদম্য আত্নবিশ্বাস” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকার ধামরাইয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন এবং শেখ রাসেল দিবস ২০২১ উদযাপন করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ধামরাই হার্ডিঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের হলরুমে বিদ্যালয়ের আয়োজনে কেক কাটা আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়। উদযাপন শেষে বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন করা হয়।
এই বঙ্গবন্ধু কর্ণার থেকে শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনি এবং ৭১এর মুক্তিযোদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারবে।এসময় বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ লিটনের সঞ্চালনায় উপজেলা নিবার্হী অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহানা জেসমিন মুক্তা, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরুল হক, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোখলেসুর রহমান সহ সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ঠাকুরগাঁওয়ে কথিত এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা
রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় আসাদুল্লাহ (২২) নামে কথিত এক বখাটে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
এ ঘটনায় বালিয়াডাঙ্গী থানা তদন্ত করে নারী শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা রুজু করে।
স্কুল ছাত্রীর পিতা গত বৃহস্পতিবার (১৪ই অক্টোবর) রাতে ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী থানায় এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়। পরে অভিযোগ তদন্ত করে মামলা রুজু করা হয়। যার মামলা নং-০৪, তাং-১৪/১০/২১।
বখাটে আসাদুল্লাহ (২২) বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের মেম্বারপাড়া এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মৃত এহ্সান আলীর ছেলে।
ছাত্রীকে উত্যক্ত করার কারণে এর আগেও আসাদুল্লাহকে কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছে। আসাদুল্লাহ নিজেকে স্থানীয় সাংবাদিক হিসেবে সকলকে পরিচয় দেয় ও এই পরিচয়ের আড়ালে অপকর্ম করে বেড়ায় এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ই অক্টোবর মঙ্গলবার স্কুল ছাত্রী সকালে বাসা হতে আইডিয়াল প্রি-ক্যাডেট স্কুলে যাওয়ার জন্য রাওনা দেয়। পথিমধ্যে আসাদুল্লাহ স্কুল ছাত্রীর সাথে কথা বলার জন্য রাস্তা আটকায়। এসময় স্কুল ছাত্রী থামতে না চাইলে আসাদুল্লাহ তার ব্যাগ ও হাঁত ধরে টানাটানি করে ও শারিরিক যৌন হয়রানী করে। পরে কোনভাবে স্কুল ছাত্রী পালিয়ে গিয়ে বাসায় তার বাবাকে বিষয়গুলো জানায়।
পরে স্কুল ছাত্রীর পিতা স্কুল কতৃপক্ষ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের সাথে কথা বলে আসাদুল্লাহকে আসামী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে মেয়ের পিতা বলেন, আমার মেয়ের গানের গলা অনেক সুন্দর। সে তার ভবিষৎ সুন্দর করার জন্য পড়ালেখা করতেছে। সেখানে বখাটে কথিত সাংবাদিক পরিচয়ধারী আসাদুল্লাহ আমার মেয়ের ভবিষৎ নষ্ট করার জন্য এসব করতেছে। এর আগেও আসাদুল্লাহ কে সতর্ক করা হয়েছে।
কিন্তু সে নাকি সাংবাদিক, তার কেও কিছু করতে পারবে না এমন ধমক দেখায়।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি হাবিবুল হক প্রধান বলেন, থানায় স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামীকে ধরার চেষ্টা চলতেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
সিংগাইরে পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে প্রাণ গেল কিশোরের
স্টাফ রিপোর্টারঃ মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়ন এ পাবজি খেলার আইডিকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে খুন হলো রাজু (১৩) নামের এক কিশোর।
ভিকটিম নিহত রাজু উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহরাইল গ্রামের মোসলেম মিস্ত্রী ওরফে মোছার ছেলে।
খুনের প্রধান অভিযুক্ত আসামি একই এলাকার রাজু কোরাইশীর ছেলে আলিফকে (১৬) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৬ অক্টোবর) সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম মোল্যা গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অফিসার ইনচার্জ, মোঃ শফিকুল ইসলাম মোল্লা স্থানীয়দের বলেন, পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে রাজুকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয় আলিফ। পরে তাকে কৌশলে নিলাম্বরপট্রি এলাকার রুপারচর বাজারের কালিগঙ্গা নদীর পাড়ে কাশবনের ভেতর নিয়ে যায় এবং মুখে শার্ট ডুকিয়ে মাথা এবং বুকে ইট দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এক পর্যায় রাজুকে মৃত ভেবে আলিফ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
কাশবনের ভেতর থেকে গোঙ্গানির শব্দ পেয়ে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাহরাইল ইব্রাহিম মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় রাতেই সাভারস্থ এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার ভোর রাতে রাজুর মৃত্য হয়।
মৃত্যর খবর পেয়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তর বাড়ি ঘেরাও করে। বিষয়টি থানা পুলিশ জানতে পেরে ঘটনাস্থলে এসে উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুশফিকুর রহমান খান হান্নান, সিংগাইর পৌর মেয়র আবু নাঈম মোঃ বাশার, উপজেলা আওয়ামী লীগ এর নের্তৃত্ববৃন্দ সহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গের সহয়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অভিযুক্ত আলিফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলা প্রস্তুতি চলছে।
ওমরাহ যাত্রীদের জন্য সৌদির নতুন নির্দেশনা
স্টাফ রিপোর্টর: ওমরাহ যাত্রীদের জন্য সৌদির নতুন নির্দেশনা ওমরাহ হজে যেতে ইচ্ছুক যাত্রীদের জন্য নতুন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে সৌদি আরব।
শনিবার (১৬ অক্টোবর) সৌদি আরবের মিনিস্ট্রি অব হজ অ্যান্ড ওমরাহ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেয়।
একইদিন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ যেসব এয়ারলাইন্স বাংলাদেশ থেকে ওমরাহ যাত্রী বহন করে তাদেরও বিজ্ঞপ্তিটি পাঠানো হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনা আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ওমরাহ যাত্রীরা বাস এবং প্রাইভেটকারের সম্পূর্ণ সিট ব্যবহার করতে পারবেন। তবে হোটেলের ক্ষেত্রে প্রতি রুমে সর্বোচ্চ ২ জনের অবস্থান বলবৎ থাকবে। আগে যাত্রীরা বাস ও গাড়ির ৫০ শতাংশ সিট ফাঁকা রেখে চলাচল করতেন।
ওমরাহ করতে যাওয়া যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত (খোলা) স্থানে মাস্ক পরা আর বাধ্যতামূলক থাকবে না (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া)। তবে বদ্ধ জায়গায় মাস্ক পরতে হবে।
মক্কার মসজিদ আল-হারাম (কাবা শরিফ এলাকা) এবং মদিনার মসজিদে নববীতে ধারণক্ষমতার সম্পূর্ণ অংশে মুসল্লিরা যেতে পারবেন ও নামাজ আদায় করতে পারবেন। এখানে কর্মরত কর্মী এবং আগত ভিজিটরদের অবশ্যই সার্বক্ষণিক মাস্ক পরতে হবে।
ওমরাহ, নামাজ, জিয়ারতের জন্য আগের মতোই ওমরাহ কোম্পানি থেকে তাসরিয়া বা তাওক্কালনা অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। তবে টিকার সম্পূর্ণ ডোজ গ্রহণ ছাড়া কিংবা তাওয়াক্কালনায় এপয়েন্টমেন্ট ছাড়া কেউ এসব জায়গায় যেতে পারবেন না।




























এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধামরাই থানায় দুই পক্ষ পাল্টা পাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানাগেছে। ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর ফকির পাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।আহতরা হলেন. মোঃ ইমরান হোসেন পিতা মোঃ লোকমান হোসেন. হায়দার আলী পিতা লোকমান হোসেন. মোঃ মামুন হোসেন. বোন সোনিয়া বেগম. পিতা মোঃ নিলা মিয়া।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রে জানাযায়. গত ১৮ সেপ্টেম্বর রোজ সোমবার দিনগত রাত ৮ ঘটিকার সময় হযরত এন্ড রবিউল হ্যান্ডিক্যাপ একটি কুটির শিল্প কারখানার শ্রমিক মামুন ও হায়দার দুইজনে কাজ করার সময় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র দুইজনের মধ্যে ব্যাকবিতন্ড হয়। এই ঘটনায় দুইজনকে মিমাংসা করার লক্ষে এক জায়গায় বসে। সেখানে মামুন ও তার পিতা নিলামিয়া চলে যাওয়ার সময় হঠাৎ করে মামুন পিছনে থেকে গিয়ে হায়দারের মাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। তখন হায়দারের ভাই ইমরান এগিয়ে গিয়ে মামুনকে ধরে। সেখানে দুই পক্ষের মারামারিতে চার জন অহত হয়। পরে গ্রামের লোকজন এসে ৯৯৯ নাইনে ফোন দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। গ্রামের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে সাভার সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন।
মাগুরা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান জানান, সদরের জগদল ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বর নজরুর ইসলাম ও সবুর মোল্লার সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
এ বিরোধের জের ধরে ১১ নভেম্বর ইউপি নির্বাচনে সবুব মোল্লার পক্ষে সৈয়দ হাসানকে একই ওয়ার্ডে মেম্বর প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। যা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার এক পর্যায়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় জগদল মাঝিপাড়া এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।
ফ্যাক্টরির এক শ্রমিক জানান, দুপুরে লান্স শেষ করে তারা পুনরায় কাজে যোগ দেন। এ সময় হঠাৎ করে ফেব্রিক্সের গোডাউনের মাঝে আগুনে শিখা দেখতে পায় এক শ্রমিক।