আমিনুল ইসলাম, ইবি সংবাদদাঃ দেশের বিভিন্ন জেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপর হামলা, হত্যা, মন্দির ভাঙচুর এবং বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ তথা সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শনিবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের আয়োজনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ইবি শাখার সভাপতি(ভারঃ) ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল দেশের মানুষের সমৃদ্ধ ঠিকানা দেবার জন্য, মানবতার পতাকা তুলে ধরবার জন্য। আর সেই পতাকাই আজ পাকিস্তানী প্রেত্মাতা যারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বে, উন্নয়নে বিশ্বাস করে না তারা বার বার থাবা দিচ্ছে। এই অশুভ চক্র দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করতে চাই।দেশের মধ্যে বিঙ্খৃলা সৃষ্টি করতে চাই।
তাই অসাম্প্রদায়িক ও সম্পৃতির বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীগুলো পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। তিনি এই অশুভ চক্রকে বাংলার মাটি থেকে সমূলে উৎপাটনের জন্য সরকার প্রধানের কাছে জোরালো দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখনই দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের উপর আঘাত করছে। তাই আমাদেরকে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে এই অপশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, মুসলিম, হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধসহ সকল ধর্মের লোকেরই প্রথম পরিচিতি আমরা বাঙালী। আর এই আঘাতটা আজ বাঙালী জাতি সত্বার উপর আঘাত। তিনি বলেন, সবাই যার যার ইচ্ছেমতো নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। সেখানে স্বাধীনতা বিরোধী কুচক্রী মহল ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে দেশের মধ্যে বিঙ্খৃলা সৃষ্টি করবে তা কখনোই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে হতে দেয়া হবে না। তিনি বার বার এই ধর্মীয় আঘাতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবার জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহবান জানান।
অপর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ সম্পৃতি ও সাম্যের বাংলাদেশ। তাই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠগুলো এখানে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়াতে চাই। তারা চাই এই দেশ হবে আফগান। এদের বিরুদ্ধে এখনই আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম ধর্মে কোন ধরনের ধর্মীয় বাড়াবাড়িকারীদের জায়গা নেই।
শুরুতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠানে টেলিকনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ডাঃ এস.এ মালেক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি মতিউর রহমান লাল্টু, বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন, প্রফেসর ড. অরবিন্দু সাহা, প্রফেসর ড. শাহজাহান মন্ডল, প্রফেসর ড. মামুনুর রহমান, প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারন সম্পাদক প্রফেসর ড. মাহবুবুল আরফিন।
কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি সামছুল ইসলাম জোহা, সাধারন সম্পাদক ও আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের মহাসচিব মীর মোর্শেদুর রহমান প্রমুখ।
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ দেশব্যাপী উগ্র সাম্প্রদায়িক হামলা, মন্দির ভাংচুর, বাড়িঘর লুট, অগ্নিসংযোগ ও হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহীতে গণ অনশন এবং বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ রাজশাহী জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে সংগঠনের কেন্দ্রিয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ৯টায় নগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে এই কর্মসূচি শুরু হয়।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, মহিলা ঐক্য পরিষদ, ছাত্র ঐক্য পরিষদ, ইসকন ও রাজশাহীর সকল পূজা মণ্ডপের নেতৃবৃন্দ এতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রাজশাহী মহানগরের সভাপতি ড. সুজিত সরকারে সভাপতিত্বে গণ অনশন ও বিক্ষোভ চলাকালে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলার সভাপতি অনিল সরকার, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, সহ-সভাপতি দেবাশীষ প্রামানিক দেবু, অধ্যক্ষ রাজকুমার সরকার, জেলার সাধারণ সম্পাদক অসিত কুমার ঘোষ, মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ রনজিৎ সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ, নগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অলোক কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক শরৎ চন্দ্র সরকার, জেলার সভাপতি অম্বর সরকার, সাধারণ সম্পাদক কাঞ্চন রায় চৌধুরী, নগর সহ-সভাপতি আনন্দ কুমার ঘোষ, গৌতম দাস, বিপন্ন কুমার সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মৃদুল সাহা, ছাত্র ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক রুদ্র ধর, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সমন্বয়ক রনি সরকার, ইসকন রাজশাহী কেন্দ্রের অধ্যক্ষ রামেশ্বর দাস।
গণ অনশনের শুরুতে খেলাঘরের শিল্পীদের উদ্যোগে গণসঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। কর্মসূচিতে বক্তারা দেশব্যাপী উগ্র সাম্প্রদায়িক হামলা, মন্দির ভাংচুর, বাড়ীঘর লুট, অগ্নিসংযোগ ও হত্যার প্রতিবাদ জানান এবং এসব ঘটনায় দায়ীদের কঠোর বিচার দাবি করেন।
বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন। সকাল ৯টায় থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত এই গণ অনশন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি চলে।
হুমায়ুন কবির রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর রাতে উপজেলা আ’লীগের উদ্যোগে সম্প্রতি দুর্গাপুজায় কুমিল্লায় কোরান অবমাননার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার প্রতিবাদে মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হকের সভাপতিত্বে সভায় সভাপতি ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, আ’লীগ সম্পাদক তাজউদ্দিন, আ’লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, ফরিদা ইয়াসমিন, সুকুমার মোদক, ছবিকান্ত দেব, রেজাউল ইসলাম, অনিল বসাক, প্রশান্ত বসাক, মৌলানা আব্দুল হাকিম, মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, আবু শাহানশাহ ইকবাল, আহমেদ হোসেন বিপ্লব, অমল কুমার রায়, মহাদেব বসাক, তারেক আজিজ, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি প্রাণ গোবিন্দ সাহা বাচ্চু, সম্পাদক সাধন বসাক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালী বেগম, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহাফুজা বেগম ও ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা সাদেকুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানান এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পরে আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হককে সভাপতি করে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি ও শান্তি রক্ষা কমিটি গঠন করা হয়।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই(ঢাকা)থেকেঃ-ঢাকার ধামরাইয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন চারজন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধামরাই থানায় দুই পক্ষ পাল্টা পাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানাগেছে। ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর ফকির পাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।আহতরা হলেন. মোঃ ইমরান হোসেন পিতা মোঃ লোকমান হোসেন. হায়দার আলী পিতা লোকমান হোসেন. মোঃ মামুন হোসেন. বোন সোনিয়া বেগম. পিতা মোঃ নিলা মিয়া।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রে জানাযায়. গত ১৮ সেপ্টেম্বর রোজ সোমবার দিনগত রাত ৮ ঘটিকার সময় হযরত এন্ড রবিউল হ্যান্ডিক্যাপ একটি কুটির শিল্প কারখানার শ্রমিক মামুন ও হায়দার দুইজনে কাজ করার সময় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র দুইজনের মধ্যে ব্যাকবিতন্ড হয়। এই ঘটনায় দুইজনকে মিমাংসা করার লক্ষে এক জায়গায় বসে। সেখানে মামুন ও তার পিতা নিলামিয়া চলে যাওয়ার সময় হঠাৎ করে মামুন পিছনে থেকে গিয়ে হায়দারের মাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। তখন হায়দারের ভাই ইমরান এগিয়ে গিয়ে মামুনকে ধরে। সেখানে দুই পক্ষের মারামারিতে চার জন অহত হয়। পরে গ্রামের লোকজন এসে ৯৯৯ নাইনে ফোন দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। গ্রামের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে সাভার সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদের মধ্যে ইমরানের অবস্থা খারাপ হলে তাকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠান। পরে ইমরানের স্বজনরা তাকে সভার একটি প্রাইভেট হাসপালে ভর্তি করেন।এদিকে সোনিয়া ও মামুনকে সাভার সরকারি হাসপাতা ও এনাম মেডিকেলে ভর্তি করেন বলে জানাগেছে।প্রত্যক্ষদর্শী কারখানার শ্রমিক ও মালিক জানান, সোমবার বিকেলে কারখানায় কাজ করার সময় মামুনের মেশিন হঠাৎ নষ্ট হয়ে যায়। তখন শ্রমিক হায়দার বলেন তোমার কাছে যে মেশিন যায় সেই মেশিন তুমি নষ্ট করে ফেলো এ কথা বলার শেষ না হতে মামুন এক পর্যায়ে মালিকের ভাইকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাচ করতে থাকে মামুন। এসময় হায়দার প্রতিবাদ করতে গেলে ঘুষি মারে মামুন পরে তাদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এসময় মামুনর বোন সোনিয়া এগিয়ে এসে ভাই মামুনের সাথে মিলে হায়দারকে মারতে থাকে।
খবর পেয়ে হায়দারের বড় ভাই ইমরান এগিয়ে আসলে মামুন ও তার বোন সোনিয়া তাদের হাতে থাকা কাঁচি দিয়ে ইমরানকে মাথায়,বুকে, পিঠে আঘাত করলে নীচে ফুলোরে পড়ে যায়।পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে সাভার সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে।আরও বলেন, ৯৯৯ নাইনে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে শ্রমিক মামুনকে আটক করে রাখে মালিক পক্ষ পরে পুলিশ ও সাইফুল ইসলাম নামে এক প্রতিবেশি মামুনকে চিকিৎকার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।সাইফুল ইসলাম বলেন,কারখানায় মারামারির পর উভয় পক্ষই আমাকে ডাকলে আমি সেখানে উপস্থিত হয়। উভয় পক্ষইকে মিমাংসার কথা বললে তারা রাজি হয়।আমি বল্লাম চিকিৎসা করে সুস্থ হওয়ার পর মিমাংসা করে দেওয়া হবে। উভয় পক্ষ দরিদ্র হওয়ায় চিকিৎসার টাকা আমি দিয়েছি।
মামুনের পক্ষের লোকজন আমার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করছে।এখন পুরা বিষয়টা দেখি অন্য পর্যায়ে চলে গেছে। এলাকার লোকজন আমাকে মিমাংসার কথা বলেছিলো এখন আর সম্ভব নয়,শুনেছি উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ করেছে।এসময় তিনি উভয়পক্ষই অসহায় জানিয়ে বলেন, ‘যদি তারা (দুই) পক্ষই মিমাংসা হয় এটা হলো সবচেয়ে আলহামদুলিল্লাহ। যদি হ্যারা মিমাংসায় না আসে তাহলে মামলা করবে।ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর ইসলাম বলেন, ‘ওই ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকদের মধ্যে একটা ঝামেলা সৃষ্টি হয়। পরে ট্রিপল নাইনে ফোন পাইয়া আমি ওখানে যায়।
যাওয়ার পরে দেখলাম উভয়পক্ষই মারামারি করছে। পরে ওখানকার এলাবাসি ও সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ওসি স্যাররে সাথে কথা বলে উভয়পক্ষের সাথে মিমাংসার কথা বলে।ঠিক আছে আপনারা মিটমাট কইরা নিয়েন। বইলা আমি চইলা আসছি। তবে উভয় পক্ষের অভিযোগের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।
বিপ্লব,সাভারঃ ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস ৭০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ করার দাবিতে সাভারে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২০ অক্টোবর ) সাভার বাসস্ট্যান্ডের সিটি সেন্টারের সামনে মানববন্ধন করেন তারা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন স্কুল প্রতিষ্ঠান বন্ধ। দরিদ্র পরিবারের অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে, যারা এই মহামারিতেও ভার্চুয়ালি ক্লাস করতে পারেনি।
এমন অবস্থায় ও এতো অল্প সময়ে ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত সিলেবাস পড়ে শেষ করা কোনো শিক্ষার্থীর পক্ষেই সম্ভব নয়। তাই সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী ও দরিদ্র পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা চিন্তা করে সিলেবাস ৭০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা আরও বলেন, আমরা আপনার সন্তানের মতো। সন্তানদের সকল সুবিধা-অসুবিধা দেখার দায়িত্ব আপনার। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি বিবেচনা করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি আপনার (শিক্ষামন্ত্রী) মানতে হবে এবং দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা এমন সিদ্ধান্ত মানি না মানব না বলে স্লোগান দেন।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন, ধামরাই(ঢাকা)থেকেঃ- ধামরাই উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের রশ্মিমপুর গ্রামের মরিয়ম বেগম নামে এক শতবর্ষী বৃদ্ধা মাকে সন্তানরা গাড়ি থেকে ফেলে দিলেন স্থানীয় বঙ্গবাজারের পাশে। এলাকাবাসী তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে একটি বাড়িতে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।
ডাক্তার, ব্যাংকার, ইঞ্জিনিয়ার ও ব্যবসায়ীসহ ওই বৃদ্ধা মায়ের ৮ ছেলে মেয়েদের, সবাই সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত। তারপরও কোনো ছেলের বাড়িতেই তার মাথা গুঁজবার ঠাঁই হলো না। তার পিতার দেওয়া ১৫ বিঘা জমি সন্তানদের লিখে না দেওয়ায় এ পরিণতি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গ্রামবাসী। শেষ পর্যন্ত তার দায়িত্ব নিলেন গ্রামবাসী।
সরেজমিন জানা যায়, ওই গ্রামের প্রয়াত মো. আসুরুদ্দিন সরকার নামে এক ব্যক্তি ছিলেন। তাঁতশিল্পসহ কয়েকশ বিঘা জমি ছিল আসুরুদ্দিন সরকারের। তাই একমাত্র মেয়ে মরিয়ম বেগমের সুখের কথা ভেবে তাকে ১৫ বিঘা জমি লিখে দিয়ে বিলাসবহুল একটি বাড়ি নির্মাণ করে দিয়ে বিয়ে দেন। এরপর জামাতা মো. আব্দুস সালামকে ঘরজামাই হিসেবে বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত করেন।পরবর্তীতে মরিয়ম বেগম ৬ ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তানের জননী হন। প্রত্যেক সন্তানকেই তিনি লেখাপড়া শিখিয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন। বড়ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আক্তারুজ্জামান একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা। ছোট ছেলে ডা. মো. হুমায়ুন কবীর বিসিএস কর্মকর্তা (ডাক্তার)।
তিনি একটি সরকারি আবাসিক হাসপাতালে কর্মরত। সাখাওয়াত হোসেন সাকী ও আব্দুল্লাহেল বাকী নামকরা ব্যবসায়ী ও আলমগীর হোসেন বিদেশে ভালো বেতনে চাকরি করেন।তাদের কারও সংসারে কোনো অভাব অনটন নেই। শুধু বৃদ্ধা মাকে ভরণপোষণ করতে যেন তাদের অভাবের শেষ নেই। ক্ষুধার জ্বালায় সদা ছটফট করেন এই বৃদ্ধা মরিয়ম বেগম। ক্ষুধার যন্ত্রণা মেটাতে ঘুরে বেড়ান এদিক-সেদিক। না খেয়ে তার বাকশক্তি হারিয়ে ফেলার উপক্রম হয়ে গেছে।সন্তানদের কাছে বিষয়টি বারবার বলায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ওই শতবর্ষী বৃদ্ধা মাকে চিকিৎসার কথা বলে গাড়িতে তুলে স্থানীয় বঙ্গবাজারের পাশে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়। তার গোঙানির শব্দ পেয়ে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় মো. আব্দুল লতিফের বাড়িতে নিয়ে সেবা-শুশ্রূষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।বৃদ্ধার ছেলে মো. আলমগীর হোসেন বলেন, আমার মায়ের অনেক বয়স হয়েছে। তার মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।
তাই আমাদের নিয়ে এমন মিথ্যাচার করছেন। আমরা তাকে যথেষ্ট ভরণপোষণ দিচ্ছি ও সেবাযত্ন করছি।মো. আব্দুল লতিফ নামে এক গ্রামবাসী বলেন, বৃদ্ধার ছেলেরা যদি তার এত ভরণপোষণ দিচ্ছে ও সেবাযত্ন করছে তাহলে তার এ করুণদশা কেন? শুধু তাই নয়, গ্রামবাসী মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে স্থানীয় বঙ্গবাজারের পাশের রাস্তা থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দিচ্ছেন কেন?
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ “শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস অদম্য আত্মবিশ্বাস” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝরে যাওয়া এক উজ্জল নক্ষত্র শেখ রাসেলের ৫৮ তম জন্মদিন উদযাপন করলো রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসন।
এ উপলক্ষে সোমবার ১৮ সকাল ৭টায় সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহার নের্তৃত্বে পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এ সময় ওসি এসএম জাহিদ ইকবাল সহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সকাল ৯:৩০ মিনিটে স্কুল, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ১০০ টি তাল গাছের চারা রোপন করা হয়। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, এসিল্যান্ড ইন্দ্রজিত সাহা, কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ, উপসহকারি কৃষি অফিসার সাদেকুল ইসলামসহ অনেকে অংশগ্রহণ করেন। পরে সকাল সাড়ে ১১ টায় সহকারি কমিশনার ( ভূমি) ইন্দ্রজিত সাহার সভাপতিত্বে অলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কৃষি কর্মকর্তা সঞ্চলনা দেবনাথ, থান পুলিশের প্রতিনিধি এসআই আব্দুল মোমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান, মহিলা আ’লী সাধারণ সম্পাদব ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ। এছাড়াও সামাজিক, রাজৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে বিভিন্ন ইভন্টে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত: তিন ভাই এবং দুই বোনের মধ্যে রাশেল ছিলেন সর্বকনিষ্ঠজন। অপর চারজন হচ্ছেন শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভাই-বোনদের মধ্যে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছাড়া কেউই জীবিত নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালোরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু এবং মাতা ফজিলাতুন্নেছাসহ শেখ রাসেলকে ও তার পরিবারের সকল সদস্যরা ঘাতকদের হাতে নিহত হন।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন , ধামরাই(ঢাকা): শেখ রাসেল দীপ্ত জয়োল্লাস অদম্য আত্নবিশ্বাস” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকার ধামরাইয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন এবং শেখ রাসেল দিবস ২০২১ উদযাপন করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ধামরাই হার্ডিঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের হলরুমে বিদ্যালয়ের আয়োজনে কেক কাটা আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়। উদযাপন শেষে বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন করা হয়।
এই বঙ্গবন্ধু কর্ণার থেকে শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনি এবং ৭১এর মুক্তিযোদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারবে।এসময় বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ লিটনের সঞ্চালনায় উপজেলা নিবার্হী অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকি এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজীর আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহানা জেসমিন মুক্তা, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরুল হক, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোখলেসুর রহমান সহ সকল শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় আসাদুল্লাহ (২২) নামে কথিত এক বখাটে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
এ ঘটনায় বালিয়াডাঙ্গী থানা তদন্ত করে নারী শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা রুজু করে।
স্কুল ছাত্রীর পিতা গত বৃহস্পতিবার (১৪ই অক্টোবর) রাতে ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী থানায় এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়। পরে অভিযোগ তদন্ত করে মামলা রুজু করা হয়। যার মামলা নং-০৪, তাং-১৪/১০/২১।
বখাটে আসাদুল্লাহ (২২) বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের মেম্বারপাড়া এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মৃত এহ্সান আলীর ছেলে।
ছাত্রীকে উত্যক্ত করার কারণে এর আগেও আসাদুল্লাহকে কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছে। আসাদুল্লাহ নিজেকে স্থানীয় সাংবাদিক হিসেবে সকলকে পরিচয় দেয় ও এই পরিচয়ের আড়ালে অপকর্ম করে বেড়ায় এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ই অক্টোবর মঙ্গলবার স্কুল ছাত্রী সকালে বাসা হতে আইডিয়াল প্রি-ক্যাডেট স্কুলে যাওয়ার জন্য রাওনা দেয়। পথিমধ্যে আসাদুল্লাহ স্কুল ছাত্রীর সাথে কথা বলার জন্য রাস্তা আটকায়। এসময় স্কুল ছাত্রী থামতে না চাইলে আসাদুল্লাহ তার ব্যাগ ও হাঁত ধরে টানাটানি করে ও শারিরিক যৌন হয়রানী করে। পরে কোনভাবে স্কুল ছাত্রী পালিয়ে গিয়ে বাসায় তার বাবাকে বিষয়গুলো জানায়।
পরে স্কুল ছাত্রীর পিতা স্কুল কতৃপক্ষ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের সাথে কথা বলে আসাদুল্লাহকে আসামী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে মেয়ের পিতা বলেন, আমার মেয়ের গানের গলা অনেক সুন্দর। সে তার ভবিষৎ সুন্দর করার জন্য পড়ালেখা করতেছে। সেখানে বখাটে কথিত সাংবাদিক পরিচয়ধারী আসাদুল্লাহ আমার মেয়ের ভবিষৎ নষ্ট করার জন্য এসব করতেছে। এর আগেও আসাদুল্লাহ কে সতর্ক করা হয়েছে।
কিন্তু সে নাকি সাংবাদিক, তার কেও কিছু করতে পারবে না এমন ধমক দেখায়।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি হাবিবুল হক প্রধান বলেন, থানায় স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামীকে ধরার চেষ্টা চলতেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
স্টাফ রিপোর্টারঃ মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়ন এ পাবজি খেলার আইডিকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে খুন হলো রাজু (১৩) নামের এক কিশোর।
ভিকটিম নিহত রাজু উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহরাইল গ্রামের মোসলেম মিস্ত্রী ওরফে মোছার ছেলে।
খুনের প্রধান অভিযুক্ত আসামি একই এলাকার রাজু কোরাইশীর ছেলে আলিফকে (১৬) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৬ অক্টোবর) সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম মোল্যা গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অফিসার ইনচার্জ, মোঃ শফিকুল ইসলাম মোল্লা স্থানীয়দের বলেন, পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে রাজুকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয় আলিফ। পরে তাকে কৌশলে নিলাম্বরপট্রি এলাকার রুপারচর বাজারের কালিগঙ্গা নদীর পাড়ে কাশবনের ভেতর নিয়ে যায় এবং মুখে শার্ট ডুকিয়ে মাথা এবং বুকে ইট দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এক পর্যায় রাজুকে মৃত ভেবে আলিফ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
কাশবনের ভেতর থেকে গোঙ্গানির শব্দ পেয়ে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাহরাইল ইব্রাহিম মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় রাতেই সাভারস্থ এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার ভোর রাতে রাজুর মৃত্য হয়।
মৃত্যর খবর পেয়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তর বাড়ি ঘেরাও করে। বিষয়টি থানা পুলিশ জানতে পেরে ঘটনাস্থলে এসে উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুশফিকুর রহমান খান হান্নান, সিংগাইর পৌর মেয়র আবু নাঈম মোঃ বাশার, উপজেলা আওয়ামী লীগ এর নের্তৃত্ববৃন্দ সহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গের সহয়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অভিযুক্ত আলিফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলা প্রস্তুতি চলছে।