21 C
Dhaka, BD
বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০২৬

ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ সহ আটক ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশ পরিচয়দানকারী একজন পকেট থেকে ইয়াবার প্যাকেট টেবিলে রেখে নাজমুলকে বলেন, তিনি ইয়াবা ব্যবসা করেন। উপায় না দেখে তিনি ৫৫ হাজার টাকা রাজধানীতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় সোমবার (২১ জুন) রাতে সূত্রাপুর থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পল্টন থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন- উপপরিদর্শক রহমত উল্লাহ ও সহকারী উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম। এছাড়া ঘটনায় জড়িত ফরহাদ হোসেন ও হাসিব হাসান নামে দুই ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে, ওই দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশের একটি সূত্র।

পুলিশ জানায়, ১৪ জুন রাতে নাজমুল হক নামের এক ব্যক্তির শান্তিনগরের বাসায় দুই ব্যক্তি গিয়ে ডিবি পুলিশ সদস্য পরিচয় দেন। তারা বাসার আলমারি, বিছানাসহ বিভিন্ন জায়গা তছনছ করেন। তাদের একজন পকেট থেকে ইয়াবার প্যাকেট টেবিলে রেখে নাজমুলকে বলেন, তিনি ইয়াবা ব্যবসা করেন। উপায় না দেখে তিনি ৫৫ হাজার টাকা দেন।

টাকা পাওয়ার পর ডিবি পরিচয়দানকারী একজন নাজমুলের মোবাইল থেকে ফরহাদ নামের এক ব্যক্তিকে বাসায় ডেকে আনেন। ফরহাদ তার পূর্বপরিচিত। পুলিশ পরিচয়দানকারীরা বলেন, ফরহাদের মোটরসাইকেল তারা নিয়ে যাবেন। এক লাখ টাকা দিয়ে সেটি ফিরিয়ে আনতে হবে। পরে তারা চলে যান।

ঘটনার দুদিন পর ফরহাদ তার সঙ্গে হাসিব হাসান নামের এক ব্যক্তিকে নিয়ে তার বাসায় আসেন। তারা টাকা দিতে চাপ দেন। টাকা না পেলে ডিবি পুলিশ মোটরসাইকেল ফেরত দেবে না বলেও জানান। পরে নাজমুল জানতে পারেন, টাকা আদায় করতে ফরহাদ ও হাসিব হাসান মিলে পুলিশ সদস্য পরিচয়দানকারী দুজনকে নিয়ে নাটক সাজিয়েছে।

এ ঘটনায় সোমবার পল্টন থানায় মামলা করেন নাজমুল। মামলা দায়েরের পর ফরহাদ ও হাসিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ডিবি পরিচয়দানকারী ওই দুই পুলিশ সদস্যের পরিচয় জানায়। পরে তাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার আবুল হাসান তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো কথা বলা সম্ভব নয় বলে গণমাধ্যমকে জানান।

ঢাকাসহ সাত জেলায় লকডাউন-খোলা রয়েছে গার্মেন্টস

নতুন করে করোনা ঢাকাতে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া রোধে সাত জেলায় কঠোর লকডাউনের স্ধিান্ত নিয়েছে মন্ত্রী পরিষদ।

জেলাগুলো হলো মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জ। আগামী কাল মঙ্গলবার ২২ জুন থেকে থেকে বুধবার ৩০ জুন পর্যন্ত এ ঘোষণা কার্যকর হওয়ার কথা। তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) বলছে, এই ঘোষণা তৈরি পোশাক শিল্প এলাকায় কার্যকর হবে না। তৈরি পোশাক শিল্প কারখানা খোলা থাকবে।

সাত জেলার মধ্যে দুই জেলা গাজীপুর ও নারায়নগঞ্জ প্রধান গার্মেন্ট শিল্প এলাকা। এছাড়া নরসিংদী ও মানিকগঞ্জ জেলাতে তৈরি পোশাক শিল্প, টেক্সটাইল শিল্প সহ নানা ধরণের শিল্প কারখানা রয়েছে। তাহলে এ শিল্প এলাকা কী বন্ধ থাকবে–এমন প্রশ্নের জবাবে বিজিএমইএ-এর পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল একটি দৈনিককে বলেন, না, তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ থাকবে না। তৈরি পোশাক শিল্প এলাকা এ ঘোষণার আওতামুক্ত থাকবে।

বিজিএমইএ-এর পক্ষ থেকে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ টিমের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমাদের তৈরি পোশাক কারখানাগুলো খোলা থাকবে। এ বার্তা আমরা আমাদের তৈরি পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তাদের কাছে অফিসাল ভাবে কিছুক্ষনের মধ্যে পৌছে দেওয়া হবে। তারা কারখানা খোলা রাখবেন।

মহিউদ্দিন বলেন, আগে থেকেই তৈরি পোশাক শিল্পে করোনা কোন এ্যাফেক্ট করতে পারেনি। আমরাও যথাযথ প্রতিরোধ মুলক ব্যবস্থা নিয়েছি। এ ব্যবস্থা এখনো কার্যকর আছে। ফলে নতুন কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য আমাদের তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ করতে হবে না।

রাজধানী ঢাকার বাইরে এবারই প্রথম করোনা মহামারী আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী বৃহত্তর খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া ও রাজশাহী জেলাতে মহামারী আকার ধারণ করেছে। হাসপাতালগুলো রোগী ভর্তি করে কুলাতে পারছে না। আগে রাজধানী ঢাকাতে আক্রান্ত হলেও এবার গ্রামে মহামারী আকার ধারণ করেছে। এবং এই ভয়ঙ্কর ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত-মৃত্যুতে বেহাল ভারতীয় সীমান্তবর্তী এ সব এলাকা।

করোনার এই ধরণ যাতে রাজধানী ঢাকাতে নতুন করে আক্রান্ত না করে সে বিবেচনা থেকে রাজধানীর চার পাশে জেলাগুলোতে সাত দিন সব ধরণের চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার।

পর্যবেক্ষকরা মনে করছে মূলত রাজধানীকে বাঁচানোর জন্য মন্ত্রী পরিষদের এ উদ্যোগ ছিল। রাজধানীর চার পাশে জেলাগুলোতে গার্মেন্টস কারখানা চললে এবং গাড়ী চলাচল করলে কার্যত সরকারের এ উদ্যোগ ভেস্তে যাবে।

১০ বছর আগে কুড়িয়ে পাওয়া কন্যাকে বিয়ে দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান (ভিডিও)

বিপ্লব,সাভারঃ দশ বছর আগে কুড়িয়ে পাওয়া এক কন্যা শিশুর ভরণপোষণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সহযোগিতা প্রদানের পর অবশেষ নিজের সন্তান পরিচয়ে বিয়ের আয়োজন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফখরুল আলম সমর।

এর আগে, করোনা ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত তার ইউনিয়নের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান, বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচী পালন, রমজানের প্রতি সন্ধ্যায় বিভিন্ন গ্রাম ভিত্তিক ইফতার বিতরণ, ইউনিয়নবাসীর জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন, বিনামূল্যে ঈদ বাজার, প্রতি সকালে বিনামূল্যে সবজির বাজারসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে ইতিমধ্যে ব্যাপক সুনাম কুঁড়িয়েছেন উপজেলা এই ব্যতিক্রমধর্মী ইউপি চেয়ারম্যান।

এলাকাবাসী জানায়, গত দশ বছর আগে সাভারের বলিয়ারপুরের টেকেরবাড়ি এলাকা থেকে নাসিমা নামের এই কন্যা শিশুকে কুড়িয়ে পেয়ে হেমায়েতপুরে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে শিশুটিকে লালন পালনের দায়িত্ব দেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. ফখরুল আলম সমর। এরপর থেকেই ওই শিশুর লেখাপড়া ও ভরণপোষণের জন্য যাবতীয় অর্থ সহায়তা দিয়ে আসছিলেন তিনি। পরে নাসিমার বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলে নিজেই পাত্র খুঁজে গত শনিবার নিজের বাড়িতে তার বিয়ের আয়োজন করেন ইউপি চেয়ারম্যান সমর।

সাভার পৌরসভায় কর্মরত শাহাজালাল নামের এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ের আয়োজনে কনের অভিবাবক হিসেবে ইউপি চেয়ারম্যান নিজেই উপস্থিত ছিলেন। নিজের সন্তান পরিচয়ে বিয়ের আয়োজনে নগদ অর্থ, গহনাসহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দেন নব দম্পতিকে।

এছাড়া বরপক্ষের আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। নবদম্পতিকে সুখে থাকার জন্য দোয়া ও অর্শিবাদ করেন বিয়ের আসরে আমন্ত্রিত অতিথিরা।

এদিকে ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে ভিন্নভর্মী এই বিয়ের আয়োজন দেখতে ভীড় করেন এলাকার স্থানীয় লোকজন।

এ বিষয়ে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফখরুল আলম সমর বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করতে চেষ্টা করছি। অসহায় এতিম নাসিমার মা-বাবার পরিচয় না থাকায় তাকে আমার নিজের সন্তান হিসেবে গ্রহণ করেছি। শুধুমাত্র বিয়ে দিয়েই দায়িত্ব শেষ না করে পরবর্তীতেও সবসময় নাসিমার পাশে থাকবো।

সমাজের বিত্তবানদের এভাবেই অসহায় মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

মাগুরার শ্রীপুরে ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমিসহ গৃহ হস্তান্তর

আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা প্রতিনিধি:আশ্রায়ণের অধিকার,শেখ হাসিনার উপহার এ প্রতিপাদ্য বিষয়টিকে সামনে নিয়ে মুজিববর্ষে বাংলাদেশ সরকারের আশ্রায়ণ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে আশ্রায়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় নতুন করে ৪০জন ভুুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমির দলিল ও ঘরের চাবি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রোববার গণভবন থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তরের শুভ উদ্ভোধন ঘোষনা করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্ভোধন ঘোষনা শেষে তাঁর পক্ষ থেকে সারাদেশে উপকারভোগী পরিবার গুলোর মাঝে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তরের নির্দেশ দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণদের। এরই পেক্ষিতে রবিবার সকালে শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিউজা-উল-জান্নাহর সভাপতিত্বে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডঃ সাইফুজ্জামান শিখর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগী পরিবারের মাঝে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন মাগুরা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান, শ্রীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়া মাহমুদুল গনি শাহিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসিনা মমতাজ, ওসি (তদন্ত) বোরহান উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক ও নাকোল ইউপি চেয়ারম্যান হুমাউনুর রশিদ মুহিত, ইউ,এইচ,এফ,পিও ডাঃ রঈচউজ্জামান, শ্রীপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ মশিয়ার রহমান ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইকরাম আলী বিশ্বাস এ অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,সরকারি কর্মকর্তা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সুধী সমাজের প্রতিনিধি, আওয়ামী ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং উপকারভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ ।

জানা যায়, সারাদেশে ৪৫৯টি উপজেলার ৫৩ হাজার ৩৪০জন উপকারভোগী পরিবারের হাতে দুই শতক জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।

মাগুরায় মসজিদের ভেতরে নামাজের সময় শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি:মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া উত্তর-পূর্ব পাড়া মসজিদের ভিতরে নামাজের আগ মুহুর্তে পাখি মাস্টার (৫৫) নামের এক শিক্ষককে  পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকেরা। ১৯ জুন শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে আসরের নামাজের সময় পূব শত্রুতার জের ধরে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকাল ৫ টার দিকে আসরের নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে যান পলাশবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা,এবং উক্ত গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পাখি মাস্টার। একই সময়ে গ্রামের প্রতিপক্ষ দলের মৃত ইসরাফিল মোল্লার ছেলে রবিউল মোল্লা এবং মৃত মুন্নাফ মোল্লার ছেলে বাঁশি মোল্লাসহ ঘাতকেরা মসজিদে প্রবেশ করে।

এ সময় নামাজে দাঁড়ানোর আগ মুহূর্তে পাখি মাস্টারকে পিছন থেকে জাপটে ধরে নিচে ফেলে দিয়ে মসজিদের ভিতরে থাকা কাঠের বাটাম দিয়ে বেদম প্রহার করে তারা।

এ অবস্থায় পার্শ্ববর্তী লোকজন দ্রুত ছুটে এলে ঘাতক রবিউল ও বাঁশি মোল্লাসহ তারা পালিয়ে যায়। পরে পাখি মাস্টারকে উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে মহম্মদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে  চিকিৎসারত অবস্থায় রাত সাড়ে ১১ টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।

২০ জুন রবিবার বিকেলে মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারক বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে  জানান, এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এলাকার পিরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ও হত্যা পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহ রাসেল,কামরুল ও সোহেল নামে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

পাখি মাস্টারের হত্যাকান্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, সেই সাথে এলাকার সর্বত্রে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ২৯৬ জন ভ‚মিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে ঘরের চাবি ও জমির কাগজ হস্তান্তর

হুমায়ুন কবির রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ” মুজিব শতবর্ষ” উপলক্ষে আশ্রয়ণ -২ প্রকল্পের আওতায় ২০ জুন রোববার সকাল সাড়ে দশটায় সরাসরি গণভবন থেকে সারাদেশে একযোগে ভার্চুয়ালে সংযুক্ত হয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩ শত ৪০ জন ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী’র দেওয়া নির্মিত ঘরের চাবি ও ২ শতাংশ জমির কাগজ প্রদানের শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরই অংশ হিসেবে এদিন সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলার ভ‚মিহীন ও গৃহহীন ২৯৬

ভ‚মিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ঘর প্রদানের লক্ষে উপস্থিত ৪০ জনকে বিনাম‚ল্যে ঘরের চাবি ও জমির কাগজ প্রাদান করা হয়। সহকারি কমিশনার (ভ‚মি) ও (ভারপ্রাপ্ত) ইউএনও প্রীতম সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কামরুন নাহার।

অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সাংসদ ইয়াসিন আলী, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম, উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহম্মেদ প্রমুখ।

এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সামাজিক- রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সুবিধাভোগীদের মাঝে ঘরের চাবি ও জমির কাগজ তুলে দেয়া হয়।

উপজেলার সুবিধাভোগী ভিক্ষুক, ছিন্নম‚ল, বিধবা, দিনমুজুর,দলিত, হরিজন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর, অসহায় মানুষেরা “স্বপ্নের স্থায়ী নীড়”পেয়ে তাদের চোখে মুখে উচ্ছাস ও আনন্দের হাসি ফুটে উঠতে দেখা যায়। এজন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মাগুরায় মুজিববর্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহপ্রদান উপলক্ষ্যে প্রেস ব্রিফিং

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি: মুজিব বর্ষ উপলক্ষে দ্বিতীয় পর্যায়ে মাগুরায় ঘর পাচ্ছেন ১৯৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার।

শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অনলাইন প্লাটফর্মে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মহম্মদুপর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহেল কাফি, মাগুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামীম খান, শ্রীপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মুসাফির নজরুল, শালিখা প্রেসক্লাবের সভাপতি দীপক চক্রবর্তী, সাংবাদিক লিটন ঘোষ, রাশেদ খান, কাজী আশিক রহমান, অরুণ কুমার গুহ প্রমুখ।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না।’ মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাগুরাসহ দেশের সকল জেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কার্যক্রামের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে মাগুরার ১৯৫টিসহ সারাদেশে ৫৩ হাজার ৩৪০টি ঘরের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

মাগুরায় ১৯৫টি ঘরের মধ্যে সদর উপজেলায় ৩৫টি, শ্রীপুরে ৪০টি, শালিখায় ৮০টি এবং মহম্মদপুর উপজেলায় ৪০টি ঘর পাচ্ছেন উপকারভোগীরা। প্রতিটি পরিবারের নামে ২ শতক খাস জমি বরাদ্দ দিয়ে এ সকল ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মানের জন্য ব্যয় হয়েছে ২ লাখ টাকা।

এর আগে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রথম পর্যায়ে মাগুরা জেলার চার উপজেলায় ১১৫টি ঘর ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর হস্তান্তর করা হয়।

জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম জানান, আগামীকাল ২০ জুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাগুরাসহ দেশের সকল জেলায় একযোগে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করবেন। মাগুরা জেলার চারটি উপজেলা প্রান্তে সংযুক্ত থাকবেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও সকল উপকারভোগী।

মাগুরার শ্রীপুরে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন

আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা প্রতিনিধি:“গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁছান” এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের ৩ মাস ব্যাপী বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাগুরা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নির্দেশনায় শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের পক্ষ থেকে উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির শুভ উদ্ভোধন করা হয়।

শুক্রবার বিকালে শ্রীপুর ওয়াপদা রোড সংলগ্ন শ্রীপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে আম গাছ ও লেবু গাছের চারা রোপনের মাধ্যমে কর্মসূচির সুচনা করা হয়।

শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আলি নুূর মোল্লার সহযোগিতায় বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর উদ্ভোধন ঘোষনা করেন শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোঃ কবির হোসেন মোল্লা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রুবেল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আব্দুর রশিদ মোল্লা, মোঃ রাজিব, আকিদুল ইসলামসহ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা কর্মীবৃন্দ।

পাবনায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল

আর কে আকাশ, পাবনা প্রতিনিধি: ২০২১-২০২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি শিল্পের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব না করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বেলা ৩টায় আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরি লি. দুলাই শাখা কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিড়ি মজদুর ইউনিয়ন পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলা শাখার আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সুজানগর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিনুজ্জামান শাহীন।

আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরি লি. দুলাই শাখার সহ-ব্যবস্থাপক কাজী হুমায়ন কবীরের সভাপতিত্বে ও পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সভাপতি হারিক হোসেনের পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, দুলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান, পাবনা জেলা বিড়ি শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি শাহাদত হোসেন, পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামীম ইসলাম, দুলাই ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম, হারুনুর রশিদ প্রমূখ।

আলোচনাসভায় জেলা বিড়ি শিল্প মালিক সমিতি ও বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ২০২১-২০২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি শিল্পের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব না করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়রম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে বিগত অর্থবছরের বাজেটে আরোপিত বিড়ির ওপর অতিরিক্ত ৪ টাকা ম‚ল্যস্তর কমানো, আরোপিত অগ্রিম ১০ ভাগ আয়কর কমানো এবং বহুজাতিক কোম্পানির আগ্রাসন থেকে সুরক্ষার দাবি জানান।

আলোচনাসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এসময় গণমাধ্যমকর্মী, স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ক্যাপসন : পাবনায় প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি শিল্পের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব না করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।। ছবি- আর কে আকাশ/বাংলার মুখ

রাণীশংকৈলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২য় পর্যায়ের গৃহ প্রদান উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ মুজিববর্ষে ভূমিহীন – গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে শুক্রবার ১৮ জুন প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে এদিন বিকেলে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে প্রেস ব্রিফিং করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি)ও ভাঃ প্রাঃ ইউএনএ প্রীতম সাহা।

এ সময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা স্যামুয়েল মার্ডি, ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তা জাহিরুল ইসলাম, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, ভূমি অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় সাংবাদকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত: আগামী ২০ জুন রবিবার সারাদেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৫৩ হাজার ৩ শত ৪০ জন ভূমিহীন- গৃহহীন পরিবারকে অনুষ্ঠানিক ভাবে গৃহ প্রদান করবেন। এরই অংশ হিসাবে রাণীশংকৈল উপজেলায় ঐ দিন ২৯৬ জন ভূমিহীন -গৃহহীন পরিবারকে গৃহ প্রদানের লক্ষে ৪০ জনকে দলিলসহ ঘর হস্তান্তর করা হবে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারপ্রাপ্ত ইউএনও জানান।

সর্বশেষ আপডেট...