24 C
Dhaka, BD
সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২৬

ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার পৌনে ৪ কোটি টাকা উধাও

নিজস্ব প্রতিবেদক : বংশালে ঢাকা ব্যাংকের পৌনে ৪ কোটি টাকা উধাও, আটক দুইজন ।

এ ঘটনায় ব্যাংকের ক্যাশ ইনচার্জসহ দুই কর্মকর্তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তারা হলেন- শাখার ম্যানেজার অপারেশন এমরান আহমেদ ও ক্যাশ ইনচার্জ সিনিয়র অফিসার রিফাজুল হক ।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে বংশাল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, ঢাকা ব্যাংকের শাখায় ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকা গরমিল পাওয়া গেছে। বিষয়টি ব্যাংকের ইন্টারনাল অডিটে ধরা পড়ে। এ বিষয়ে একটি মামলা হবে। পরে মামলাটি দুদকে চলে যাবে এবং আসামিদেরও আমরা দুদকে হস্তান্তর করে দেব। বিষয়টি দুদক তদন্ত করে দেখবে।

বংশাল থানার ডিউটি অফিসার মাসুম বিল্লাহ বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে টাকা উধাওয়ের বিষয়টি বুঝতে পেরে রাতেই ওই দুজনকে পুলিশ হেফাজতে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও মামলা দায়ের হয়নি। যেহেতু মামলা হয়নি, তাই ৫৪ ধারায় আটক করে রিফাজুল হক, এমরান আহমেদকে কোর্টে পাঠানো হয়েছে।

তবে ঢাকা ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘যতটুকু মনে হচ্ছে হিসেবের গরমিলের ঘটনা ঘটেছে। তদন্তের জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন মামলাটা তদন্তাধীন আছে। চুরি বলা যাবে না। হিসাব দিতে পারছে না, তাই থানায় দেয়া হয়েছে। রাতারাতি এতগুলোটাকা সরিয়ে ফেলা সম্ভব না।

মাগুরার শ্রীপুরের দ্বারিয়াপুর দরবার শরীফের পীর হযরত মাওলানা শাহসূফী

আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা প্রতিনিধি: প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বুধবার দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার দ্বারিয়াপুর দরবার শরীফের পীর হযরত মাওলানা শাহসূফী তোয়াজ আহম্মেদ (রহঃ) এর ২৯তম ওফাত দিবস পালিত হয়েছে ।

কর্মসূচির মধ্যে ছিল কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল,কবিতা পাঠ ও স্মরণসভা ।

বুধবার দুপুরে জোহর নামাজ বাদ দ্বারিয়াপুর পীর তোয়াজ আহম্মেদ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এলাকার শতশত মুসল্লি ও দরবার শরীফের মুরিদান এবং আশেকানদের উপস্থিতিতে এক বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।

এর পরপরই পীর তোয়াজ আহম্মেদ (রহঃ) পাবলিক লাইব্রেরী সভাকক্ষে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয় । তোয়াজ আহম্মেদ (রহঃ) পাবলিক লাইব্রেরীর সহ-সভাপতি প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মোল্যা মতিয়ার রহমান এর সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক নাসিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীর তোয়াজ আহম্মেদ (রহঃ) এর পৌত্র পীরজাদা হযরত মাওলানা আরিফ বিল্লাহ মিঠু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন পৌত্র পীরজাদা হযরত মাওলানা শাহ আবু তালহা মোহাম্মদ মুস্তাইন বিল্লাহ, বীরমুক্তিযোদ্ধা মিঞা শাহাদাত হোসেন, হাজী হাফিজুর রহমান ও হাজী গোলাম রসুল প্রমূখ।

এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবি,সাহিত্যিক,সাংবাদিক,মুক্তিযোদ্ধা,সমাজসেবক,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ ওলামে একরামগণ ।

রাজশাহীতে বাড়লো লকডাউনের মেয়াদ

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ মৃত্যু ও সংক্রমণ না কমায় রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকায় বিশেষ লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহের জন্য বাড়িয়েছে (২৪ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত) করেছে জেলা প্রশাসন।

আজ বুধবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সার্কিট হাউজে রাসিক মেয়র এ এইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠক শেষে ব্রিফিং করে নতুন সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান মেয়র লিটন।

এর আগে রাজশাহীতে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ১১ জুন থেকে সাতদিনের সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৭ জুন রাত ১২টায় এর মেয়দ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

মেয়র লিটন বলেন, গত ৬ দিন রাজশাহীতে করোনা পরিস্থিতির কোন উন্নতি হয়নি। সংক্রমণ উঠানামা করলেও মৃত্যু হার একই থেকে গেছে। ফলে সর্বাত্মক লকডাউন আরও আরও সাতদিন বাড়নো হয়েছে। যা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক শামীম ইয়াজদানী, জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল, সিভিল সার্জন ডা. কাইয়ুম তালুকদার প্রমূখ।

বেনাপোলে তরুণ ইসলামি বক্তা আদনানের দ্রুত সন্ধান চেয়ে মানববন্ধন 

মো. রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোলে ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা-মুহাম্মদ আদনান ও তার তিন সঙ্গীর সন্ধান চেয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ জুন) বিকেলে বেনাপোল বলফিল্ড মাঠের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের উপরে ছাত্ররা প্লে কার্ডে লেখা তরুণ ইসলামি বক্তা আদনানের সন্ধান চেয়ে এই কর্মসূচি পালন করেন।

উপস্থিত ছাত্ররা বলেন, আবু ত্ব-হা ও তার তিন সঙ্গী চারদিন ধরে নিখোঁজ। আবু ত্ব-হা-মুহাম্মদ আদনান একজন শিক্ষিত মানুষ। যিনি সমসাময়িক বিষয়গুলো থেকে ইসলামের মৌলিক বিষয়ের সঙ্গে মিল রেখে বক্তব্য দিতেন। তিনি আমাদের তরুণ সমাজকে ঈমাণের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতেন। উনি কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।

তারা আরো বলেন, এ ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা দাবি জানাই গুম হওয়ার বিষয়ে দ্রুত মামলা গ্রহণ করে তার অবস্থান চিহ্নিত করে তাকে উদ্ধার করা হবে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানায়।

মানিকগঞ্জ জেলার সিংগার থানার কাংশা এলাকায় বিষপানে আত্মহত্যা, স্ট্রোকে মৃত্যু বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ।

নিজস্ব প্রতিবেদক:মানিকগঞ্জ জেলার সিংগার থানার কাংশা এলাকায়, মুনাফ মোল্লা (৪০) নামের এক প্রবাস ফেরত ব্যক্তির আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, স্থানীয়দের বেশ কয়েকজন, জানান, মৃত মুন্নাফ মোল্লা প্রায় ২২ বছর যাবত , সৌদি আরব প্রবাসী জীবন যাপন করেন, গত দুই মাস আগে তিনি দেশে ফেরত আসেন, তারপর থেকেই তার সংসারে চলছিল নানান বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি ।

তার উপার্জনের কোটি টাকা তার সমুন্ধি আঃ সাত্তার বায়রা, ডাঃ সেলিম ও বায়রা মোঃআলী এবং তাহার স্ত্রীর নিকট থাকার পরেও ডায়েবিটিস এর ঔষধ কিনতে চাইলেও , মুন্নাফ মোল্লার তাহাদের কাছে টাকা চেয়ে ঔষধ কিনতে হতো বলে জানা যায় ।

এছাড়াও স্থানীয়রা আরো জানান, মুন্নাফ মোল্লা গেল ২৯ এপ্রিল বেলা ১২ ঘটিকায় ভাড়াটিয়া বাসার কাংশা তিন রাস্তার মোড়ে রুপচানের বিল্ডিং এর দুতালায় বিষপানে আত্মহত্যা করেন ।

বিষ পান করার সময় তিনি ওই বাসার দরজা বন্ধ করে ঘরের ভিতরে বিষপান করেন বলেও জানা যায়, যদিও পরবর্তীতে মুন্নাফ এর পরিবার স্ট্রোকের কারণে মারা গিয়েছেন বলে দাবি করেন ।

বিষ পান এরপর নিহত মুন্নাফ মোল্লাকে প্রথমে সিংগাইর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয় , সিংগাইর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার চিকিৎসা না করায়, মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ।

কোটি টাকা থাকা সত্ত্বেও কোন প্রাইভেট ক্লিনিকে সুচিকিৎসার জন্য, তাকে না নিয়ে, কেন তাকে সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এমন প্রশ্ন এলাকাবাসীর মনে আজও বিরাজমান । আর বিষপানের রোগীকে সিংগাইর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে, মানিকগঞ্জের রাস্তায় নিয়ে মরতে সহোযোগিতা করেছে এমনটাই দাবি স্থানীয়দের ।

তার পরই তড়িঘড়ি করে, স্থানীয় বেশ কয়েকজন কে সাথে নিয়ে পারিবারিক কবরস্থান ,খরার চড়ে নিহত মুন্নাফ মোল্লার দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয় ।

জানা যায়, বিগত দুই যুগ প্রবাসে জীবন কাটানোর পর তাহার ইচ্ছে ছিল নিজের জায়গায় একটি বাড়ি করবেন সে জন্য তিনি একটি বাড়ি করার জন্য জায়গাও কিনেছিলেন, এছাড়াও প্রায় কোটি টাকা তার শ্বশুর বাড়ির আত্মীয়স্বজনদের কাছে রেখে যায় তিনি ।

কেন তিনি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটিয়েছেন তা এখনও তা কেউ জানতে পারেননি ।
মৃত্যুকালে মুন্নাফ মোল্লার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছেন ।

এ বিষয়ে মুন্নাফ মোল্লার স্ত্রী পারভীন আক্তার এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি সাংবাদিক নাম শুনেই সঙ্গে সঙ্গে ফোনের সুইচটা অফ করে দেন । এ ব্যাপারে তার সাথে আর যোগাযোগ করা যায়নি ।

মাগুরায় চাঞ্চল্যকর আজিজুর হত্যার মূল রহস্য উৎঘাটন

আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি: মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার কালুকান্দি গ্রামে নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার আজিজুর রহমান (৩০) এর বিছিন্ন মাথা ও একটি পা ৮দিন পর সোমবার রাত ৮টার দিকে মাগুরা সদরের চাউলিয়া ইউনিয়নের ঘোড়ানাছ গ্রামের কালভার্টের নিঁচ থেকে পা ও পাট ক্ষেত থেকে খন্ডিত মাথা উদ্ধার করেছে ব্যার-৬ ।

সোমবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬ এর একটি চৌকস দল যশোরের শার্শা থেকে আজিজুর হত্যার মূল হত্যাকারী আশরাফ আলী বিশ্বাস (৩২) কে আটক করে। আটকের পর তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী উক্ত স্থান থেকে আজিজুরের মাথা ও পা উদ্ধার করা হয় এবং সে র‌্যাবের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

র‌্যাব খুলনার অধিনায়ক লে.কর্ণেল রওশনুল ফিরোজ জানান, আশরাফ সদর উপজেলার মালিকগ্রামের আহম্মদ আলী বিশ্বাসের ছেলে। মাগুরা শহরের বেলতলায় তার হোমিও প্যাথির ব্যবসা আছে।

পাশাপাশি সে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং-এমএলএম ব্যবসা করে। এই ব্যবসার সূত্রেই আজিজুরের সাথে তার সম্পর্ক ছিল। আশরাফ আজিজুরের নিকট ৩ হাজার টাকার ইনসেন্টিভ পেত কিন্তু আজিজুর তাকে ৫ শত টাকা দিতে চাওয়ায় দ্ব›েদ্বর সৃষ্টি হয়। এ দ্ব›েদ্বর জের ধরেই ৫ জুন খুনি আশরাফ আলী আজিজুরকে নিজ হোমিও দোকানে ডেকে এনে পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মস্তিস্কে হত্যা করে।

হত্যার পর দেহ থেকে মাথা ও পা খন্ডিত করে ঘোড়ানাছ গ্রামের কালভার্টের নিঁচে পা ও পাট ক্ষেতে খন্ডিত মাথা লুকিয়ে রাখে। আর মূল দেহসহ একটি পা বস্তাবন্দি করে আজিজুরের মামা বাড়ির সন্নিকটে কালুকান্দি গ্রামের একটি পুকুরে ফেলে রেখে আত্মগোপন করে।

উল্লেখ্য, পরে ৬ জুন সকালে কালুকান্দি গ্রামের মতিয়ার মোল্যার পুকুরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত বস্তা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বস্তা ভর্তি মাথা ও একটি পা বিহীন লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেন । এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান ওইদিনই মহম্মদপুর থানায় বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ও র‌্যাব এ হত্যাকান্ডে অভিযান শুরু করেন এবং হত্যার মূল খুনি আটকের পর সকল রহস্য উন্মোচিত হয় ।

সাভারের আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি অস্ত্র ও গুলিসহ আটক

বিপ্লব,সাভারঃ অস্ত্র ও গুলিসহ সাভারের আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম রবিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব ৪।

দুপুরে শিমুুলিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব ৪। র‌্যাব ৪ জানায়,আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি দীর্ঘদিন ধরে ওই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন।

পরে আজ দুপুরে শিমুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র‌্যাব-৪।

এসময় তার কাছ থেকে একটি পিস্তল,এক রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় তার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করে আশুলিয়া থানায় তাকে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়ে র‌্যাব ৪ এর কর্মকর্তারা।

এবিষয়ে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির বলেন,কোন অপরাধী লোক ছাত্রলীগে থাকতে পারেনা কেউ অপরাধী হলে আমরা তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।

প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাইলেন আদনানের স্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :আলোচিত ইসলামি বক্তা মো. আফছানুল আদনান (আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান) গত বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

এরপর ৯৬ ঘন্টা পার হয়ে গেলোও খোঁজ মিলছে না আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের। সঙ্গে তাঁর গাড়িচালকসহ অপর দুই সঙ্গীর হদিসও মিলছে না।

ইসলামি এই বক্তার নিখোঁজের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনেকেই। এরইমধ্যে চার দিন পার হয়ে গেলেও ছেলের খোঁজ না পেয়ে উৎকণ্ঠায় ও উদ্বিগ্নে দিনরাত পার করছেন মা আজেদা বেগম ও স্ত্রী সাবিকুন্নাহার। এই তার পরিবার প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন থানায় গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত কোনো মামলাও করতে পারেননি তার পরিবারের সদস্যরা।

শেষ পর্যন্ত কোন উপায় না পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানের স্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীকে মা সম্বোধন করে সহায়তা চেয়ে একটি চিঠি লিখেছেন আবু ত্ব-হার স্ত্রী সাবিকুন্নাহার।

যেখানে সাবিকুন্নাহার আবেদন করেছেন, ‘আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। কারও সহযোগিতা না পেয়ে আপনার (প্রধানমন্ত্রী) বরাবর শেষ আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

আপনাকে মা ও আমার অভিভাবক মেনে আমার দু হাত জোড় করে আমার স্বামী নিখোঁজ আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানাচ্ছি।’

আবু ত্বহা কোনো অপরাধ করে থাকলে, তাকে আইনের কাছে সোপর্দ করা হোক বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেন স্ত্রী সাবিকুন্নাহার।

এদিকে ত্ব-হার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘নিষ্কৃয়তায়’ ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনপ্রিয় এই বক্তার নিখোঁজের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন তারা।

গত ১০ জুন থেকে রংপুর থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে রওনা হওয়ার পর থেকে আবু ত্ব-হার ‘খোঁজ মিলছে না’ বলে জানিয়েছে তার পরিবার। একই সঙ্গে তার সঙ্গে থাকা আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দীন ফয়েজেরও খোঁজ মিলছে না।

রাণীশংকৈলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির রাণীশংকৈল( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১৪ জুন সোমবার বিকেলে পৌর শহরের শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক, অনুর্ধ-১৭)’ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালিকা,অনুর্ধ ১৭)’ র ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

খেলায় কাশিপুর ইউনিয়ন একাদশ পৌরসভা এক্দশকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। একমাত্র গোলটি করেন কাশিপুর দলের খেলোয়াড় রাসেল । খেলা শেষে ওই স্টেডিয়ামে সহকারি কমিশনার,ভূমি (ভারপ্রাপ্ত ইউএনও) প্রীতম সাহার সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান-শাহরিয়ার আজম মুন্না ।

বিশেষ সম্মানিত অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াসিন আলী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান-শেফালী বেগম, পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম ও কাশিপুর ইউপি চেয়ারম্যান-আব্দুর রউফ। এ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক নেতা, ক্রীড়ামোদি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থাপনা করেন,উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। খেলা পরিচালনা করেন বাফুফে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারি জয়নুল আবেদীন ও সুগা মুরমু। ধারা বর্ণনায় ছিলেন জুয়েল রানা। পরে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলকে ট্রফি প্রদান করা হয়।

রাণীশংকৈলে ৫ টি গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার-১

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ  ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা ১৪ জুন সোমাবার ৫ টি বড় আকারের গাঁজার গাছসহ আবুল আসাদ (৫৫) নামে এক  গাঁজা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে রাণীশংকৈল থানা পুলিশ।

আসাদ পৌরশহরের কুলিকপাড়ার মৃত কাজিমউদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে গাঁজা ব্যবসায়ী আসাদ সকলের অগোচরে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা চাষ করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। ঘটনার দিন দুপুরে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্ততে আসাদের বাড়িতে অভিযান চালায়।

পরে আসাদের বাড়ি থেকে কাটা অবস্থায় ৫ টি গাছসহ ২৬ টুকরা ডালপালা জব্দসহ  আসাদকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে আসাদ নিজ বাড়িতে গাঁজা গাছ চাষ করে বিক্রি করছিল বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেন।

পরে এনিয়ে আসাদের নামে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করে তাকে জেলা জেল হাজতে  পাঠানো হয়েছে।

রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ এস এম জাহিদ ইকবাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ৫ টি গাঁজার গাছসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। এবং আসামীকে জেলা জেল থাজতে প্ররণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেট...