গৃহকর্মী হত্যার অভিযোগে রাজধানীতে এক কলেজ শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ এপ্রিল) ওই শিক্ষিকার বাসা থেকে কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
মরদেহে আগুনে ঝলসানো ও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে জানিয়ে পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে হত্যার আলামত মিলেছে। পরিবারের অভিযোগ, কিছু হলেই ওই কিশোরীর ওপর চলতো অমানবিক নির্যাতন।
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার সিরাজ উদ্দীনের মেয়ে ১৬ বছরের কিশোরী লাইলি আক্তার ৮ মাস আগে গৃহকর্মী হিসেবে রাজধানীর বীরশ্রেষ্ঠ নূর মেহাম্মদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের হিসাব বিজ্ঞানের শিক্ষক ফারজানা ইসলামের বাসায় কাজ শুরু করে।
মাসিক এক হাজার টাকা দেয়ার কথা থাকলেও এ আট মাসে কোনো বেতন দেননি ফারজানা। উল্টো প্রায় মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হতো তাকে। এমনকি তিন মাস ধরে পরিবারের সাথে তাকে যোগাযোগ পর্যন্ত করতে দেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ স্বজনদের।
স্বজনরা বলেন, ফ্যামিলির সাথে যোগাযোগ করতে দিত না। আসামির চাচা উনাকে খুব গালিগালাজ করছে তিনিদিন আগে।
রোববার খবর পেয়ে পুলিশ ওই শিক্ষিকার সরকারি আবাসিক ভবন থেকে লাইলি আক্তারের লাশ উদ্ধার করে। খবর দিলে স্বজনরা ছুটে আসেন হাসপাতালে। লাইলির শরীরজুড়ে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে অভিযোগ করে স্বজনরা বলেন, তাকে হত্যা করা হয়েছে।
লাইলির ভাই বলেন, এরকম আঘাত মানুষ মানুষকে করে না। আমার বোনকে এভাবেই আঘাত করে মারছে। আমরা এই ঘটনার বিচাই চাই।
এ ঘটনায় লাইলির মা শ্যামলা বেগম বাদি হয়ে নিউ মার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতোমধ্যে ফারজানা ইসলামকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে হত্যার আলামত মিলেছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ভিকটিমের শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এটা নির্মম আঘাতের চিহ্ন বলা যেতে পারে।
রোববার দুপুরে ফারজানা ইসলামকে আদালতে পাঠিয়ে পুলিশ দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে ৪ দিন মঞ্জুর করেন আদালত।
রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁও জেলা রুহিয়া থানার এলাকার জমি মরিচ চাষের জন্যে বেশ উর্বর তাই ঠাকুরগাঁও জেলার অন্য উপজেলার মত রুহিয়ায় মরিচ চাষের উৎসাহী এলাকার কৃষক।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায় এবার রুহিয়া থানা এলাকায় প্রায় ৯০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে।
২০ নং রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়নে বিভিন্ন কৃষকের ফলন্ত মরিচ ক্ষেত মরে যাচ্ছে ব্যক্টেরিয়া রোগের কারণে।
বিভিন্ন কৃষকের মরিচ ক্ষেতে গিয়ে দেখা যায়, ফলনশীল মরিচ গাছ গুলো মরে যাচ্ছে এতে কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে যাচ্ছে।
ব্যক্টেরিয়া রোগে আক্রান্ত মরিচ চাষী তাপস চন্দ্র সেন বলেন, আমি ৫০ শতাংশ জমিতে মরিচ চাষ করছি এর মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ জমিতে মরিচ গাছ গুলো মরে যাচ্ছে। তিনি বলেন এবার মরিচ চাষে বিশ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এর মধ্যে ২৫ শতাংশ জমিতেই প্রায় ৭/৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে কিন্তু মরিচ ঘরে তোলার আগেই গাছ গুলো মরে যাচ্ছে আমি তো পথে বসে যাবো।
আরেক জন কৃষক কার্তিক চন্দ্র সেন বলেন, আমারও ৩০ শতাংশ জমিতে মরিচ গাছ মরে যাচ্ছে কেন কি কারণে এমন হচ্ছে আমি বুঝতে পারছি না, তিনি বলেন আমি এতো টাকা খরচ করলাম কিন্তু ঘরে মরিচ তোলার আগেই গাছ মরে যাচ্ছে আমরা তো বিপাকে পরে গেলাম।
২০ নং রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়নে দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী কৃষি সুবাস চন্দ্রকে জানানো হলে তিনি সরেজমিনে মরিচ ক্ষেতে আসেন এবং তিনি বলেন, এটা ব্যক্টেরিয়া রোগের কারণে এমন হচ্ছে, তবে তিনি কৃষকের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা কারো কথায় প্রচারনায় বিভিন্ন বিষ স্প্রে করে থাকেন যার জন্য কৃষির উপকারের তুলনায় ক্ষতিই বেশি হয়।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় বাল্যবিয়ের রাতেই শ্বশুরবাড়ি থেকে এক কলেজছাত্রী নববধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১০ এপ্রিল) রাতে বিয়ের কিছুক্ষণ পরেই তার মরদেহ একটি আমগাছে ঝুলতে দেখা যায়। ঝুলন্ত লাশ গাছ থেকে নামানোর পর তা উদ্ধার করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ। নিহত নাম মেঘনা খাতুন।
জানা গেছে, নিহত নববধূ কলেজছাত্রীর নাম মেঘনা খাতুন ( ১৬)। সে দাইরপোল গ্রামের ফজলুর রহমানের (হকার ফজলু) ছোট মেয়ে ও শ্রীপুর সরকারি কলেজে ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, গত ৭ এপ্রিল দাইরপোল গ্রামের চঞ্চল শিকদারের ছেলে আরাফাত হোসেন সাব্বির বাসা থেকে পালিয়ে কলেজছাত্রী মেঘনা খাতুনকে ২০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিয়ে করে। তাদের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। বিয়ের খবর পারিবারিক ভাবে জানাজানি হলে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদের সৃষ্টি হয়। গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছিলো বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে শনিবার (১০ এপ্রিল) রাতে ছেলে পক্ষের লোকজনের উপস্থিতিতে তাদের সামাজিকভাবে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট পরই নববধু লাশ তার শ্বশুরবাড়ির আঙ্গিনায় থাকা আম গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় শশুরবাড়ির লোকজন। সাথেসাথে শ্রীপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
নিহত নববধুর বাবা ফজলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, গত ৭ তারিখের আমার মেয়েকে চঞ্চল শিকদারের ছেলে সাব্বির শিকদার নিয়ে যায়। পরে বাড়িতে ফিরিয়ে দিতে চায়। আমি তখন প্রশাসনসহ তার বাড়িতে ফেরত পাঠাই। সেই রাত্রে আমার মেয়েকে তাদের বাড়ি রেখে পরের দিন বেলা ১০ টায় মাগুরা নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা কাবিন করে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। পরে, গতকাল শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে সে আমার মেয়েকে আবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করে। বিয়ের অনুষ্ঠানের পরই হঠাৎ চিল্লাচিল্লির আওয়াজ শুনতে পাই এবং আমরা সবাই আমার মেয়ের শশুর বাড়িতে যাই। মেয়ে যখন গাছে ঝুলে ছিলো তখন আমরা গিয়ে দেখি ছেলের বাবা, ছেলের মা, আর ছেলে ঝুলন্ত শরীর নিয়ে টানাটানি করছে। প্রশাসন যাওয়ার আগেই তারা লাশ নামিয়ে মাথায় পানি ঢালেন তারা।
মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাবা ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, জনগণের কাছে, জনপ্রতিনিধিদের কাছে, চেয়ারম্যানের কাছে, আমার মেয়ের হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাই। যেন আমার মত আর কোন বাবার মেয়েকে এই রকম নিষ্ঠুর হত্যার শিকার না হতে হয়। নববধু মেঘনার মা শিউলি খাতুন ও বড় চাচা মেঘনার হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানা ইনচার্জ সুকদেব রায় দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানান, এ ঘটনা আত্মহত্যা বা পরিকল্পিত খুন সেটি জানার জন্য লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আসল ঘটনা সম্পর্কে আমরা জানতে পারবো। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বর আরাফাত হোসেন সাব্বির, বাবা চঞ্চল শিকদার, ও বরের মাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
সাভারে নিজ বাড়ি থেকে ফাতেমা আক্তার (৬২) নামে এক বৃদ্ধার ক্ষত-বিক্ষত আগুনে পোড়া লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম। দুপুর দুইটার দিকে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের খাগান এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফাতেমা যশোর জেলার বাঘাপাড়া থানার ডক্টর শেখ ফজলুর রহমানের মেয়ে। তিনি ওই এলাকায় তার ছেলে জাহিদুল আলমের বাসায় থাকতেন।
নিহতের ছেলে জাহিদ আলম জানায়, আমি একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার। সেই সুবাদে আমাকে রাজধানীর মিরপুরে থাকতে হয়। প্রতি শুক্রবার খাগান আমার মাকে দেখতে আসি। আজও সকালে মাকে দেখতে আসি। পরে বাড়িতে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে কাজের লোককে প্রাচীর টপকে ভিতরে দেখতে বলি। কাজের লোক বলে বাহিরে পড়ে আছে। পরে গেট খুলে ভিতরে প্রবেশ করে দেখতে পাই আমার মায়ের মৃত দেহ। প্রথমে ভেবেছিলাম স্ট্রোক করে মারা যেতে পারে। কিন্তু মায়ের কাঁধে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। একই সাথে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে ৯৯৯ এ কল করে পুলিশে খবর দেই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অপূর্ব দত্ত জানান, লাশ উদ্ধার করে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ময়না তদন্তের জন্য। রিপোর্ট পাওয়া গেলে বুঝা যাবে কিভাবে মারা গিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লাশটি তিন থেকে চার দিনের আগের। নিহতের ছেলে সাভার মডেল থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছে।
আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা জেলা প্রতিনিধিঃ
সমন্বিত ব্যবস্থাপণার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় ২০২০-২০২১ অর্থ-বছরে বোরো মৌসূমে উন্নয়ন সহায়তা প্রদানের লক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সহযোগিতায় কৃষকদের মাঝে কম্বাইন হারভেষ্টার, রিপার ও রাইচ ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার সালমা জাহান নিপার সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার(ভুমি) হাছিনা মমতাজ।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রুপালী খাতুন,শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মসিয়ার রহমান, শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন পল্টু ও উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আমলসার গ্রামের আশরাফ মহাজন এর মাঝে কম্বাইন হারভেষ্টার, চিলগাড়ী গ্রামের রবিন্দ্রনাথ বাইন ও গোয়ালপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামান সরদার এর মাঝে রিপার এবং তারাউজিয়াল গ্রামের রবিউল ইসলামের মাঝে রাইচ প্লান্টার যন্ত্র বাজার মূল্যের অর্ধেক দামে সরকারি ভর্তুকিতে এ যন্ত্রগুলি বিতরণ করা হয়েছে ।
কৃষকগণ পরিবেশ বান্ধব এ যন্ত্রগুলির মাধ্যমে কম খরচে অতি সহজে স্বল্প শ্রমিক দ্বারা বৃহৎ কৃষি কাজ স্বল্প সময়ে সমাধান করতে সক্ষম হবেন।
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সাধারণ ছুটি থাকলেও মোংলা বাজারে নিত্যপন্যের বিভিন্ন বাজারের চিত্র ভিন্ন রকম।
বাসায় অবস্থান করাতো দূরের কথা বাজার করতে এসেও নিরাপদ সামাজিক দূরত্বের তোয়াক্কা করছেন না কেউই। বাজারে লোকজন একে অপরের পাশে গা ঘেষে দাঁড়িয়ে বাজার করছেন এখানকার লোকজন। মোংলা উপজেলা শহর সহ গ্রামের কয়েকটি কাঁচাবাজারে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জানা যায়, করোনা সংক্রমন ঠেকাতে মানুষের দূরত্ব ৩ ফুট বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়। কিন্তুু বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন স্থানে ও হাট – বাজারে সামাজিক দূরত্ব মানছেন না অনেকেই। মোংলা বাজারে কয়েকজন ক্রেতা – বিক্রেতার সঙ্গে আলাপ করলে তারা জানান, তারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে জানেন।
কিন্তুু বিক্রি ও কেনাকাটা করতে এসে ঠিক মত সে দূরত্ব রহ্মা করতে পারছেন না। আবার বিক্রেতারা দূরত্ব বজায় রাখার কথা বললেও ক্রেতা সমাগম বেশি থাকায় একে অপরের সঙ্গে দূরত্ব মানছেন না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর কর্মকর্তা ডাঃ জীবিতেষ বিশ্বাস বলেন, করোনা প্রতিরোধে কয়েকটি ধাপ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে একজন মানুষ অন্য মানুষ থেকে ৩ ফুট দূরত্বে থাকতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখলে এই ভাইরাস একজন থেকে আরেক জনের দেহে ছড়িয়ে পড়বে।
তাই আমাদের নিজেদের জন্য হলেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আমাদের একান্ত প্রয়োজন।
হুমায়ুন কবি, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলার মীরডাঙ্গী বাজারে ৮ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭ টায় ঢাকাগামী নাজ ক্লাসিক পরিবহন (ঢাকা মেট্রো ব-১১৬৩৯৬)
এর সুপারভাইজার নুরুজ্জামান ও ড্রাইভার ফারক আহম্মেদকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
করোনাকালে সরকারি নিষেধ অমান্য করে এবং স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ২০ জন যাত্রিকে জীবনের ঝুঁকির মধ্যে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার অপরাধে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারায় সুপারভাইজারকে ৫ হাজার ও ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় ড্রাইভার কে সড়ক পরিবহন আইনে ৫ হাজারসহ মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহা।
এ সময় ভূমি অফিসের অফিস সহকারি ও থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।
শিশুটির বয়স আট বছরের মতো । কথা বলতে পারে না, লিখতেও পারে না। বাবা-মাকে হারিয়ে ঠাকুরগাঁও শহরে আসা বাকপ্রতিবন্ধী এই শিশুটিকে বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) দুপুরে উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুপুরের পর থেকেই তাকে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় রাখা হয়েছে। পরিচয় শনাক্তে শিশুটির বাবা-মাকে খুঁজছে পুলিশ।
ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে জানান, দুপুরের দিকে ঠাকুরগাঁও শহরের রোড কালিতলা এলাকা থেকে আট বছর বয়সী বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটির বিষয়ে থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে সেখানে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পরিচয় জানতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় শিশুটির ছবি পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আমরা আমাদের নিজস্ব ফেসবুকসহ অফিসিয়াল ফেসবুকে শিশুটির ছবি পোস্ট করেছি।
তিনি আরও বলেন, শিশুটি কথা বলতে পারে না, তাকে তার বাসার ঠিকানা লিখতে বলা হলেও সে লিখতে পারছে না। তাই সঠিক পরিচয় না পাওয়া পর্যন্ত আমরা তাকে এখানেই রেখে দিব। তার দেখাশোনার দায়িত্ব আমাদের। পুলিশ সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে আছে বলে মন্তব্য করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার নিয়ামতপুরা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর সহকারী শিক্ষক তন্ময় বেপারী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করার ছয় দিন পরে তার পরিবারের তিন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
মৃত্যু তন্ময় ব্যাপারির পরিবারের করণা আক্রান্ত ব্যক্তিরা হলেন, স্ত্রী -শ্রাবনী রানী,পিতা – দিলীপ বেপারী ও ভাইয়ের স্ত্রী সম্পা রানী।
আক্রান্ত ব্যক্তিরা পার্শ্ববর্তী ভান্ডারিয়া হাসপাতালের আইসোলেশনে রয়েছেন।
উল্লেখ থাকে যে, তন্ময় বেপারী চেচরীরামপুর ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের দিলীপ ব্যাপারীর ছেলে। সে নিয়ামতপুরা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
গত ০৩/০৪/২০২১ইং তারিখ করণায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ স্বাস্থ্যবিধি মানবো, দোকানপাট খুলবো এ শ্লোগানে ঠাকুরগাঁও জেলার সকল ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবীতে মানববন্ধন করেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় জেলার সকল ব্যাবসায়ীদের সমন্বয়ে ঠাকুরগাঁও চৌরাস্তা মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
সরকারের নির্দেশনা অনুয়ায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় ছাড়া সকল দোকান বন্ধ রাখার নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
এতে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হোন ব্যবাসায়ীরা। দোকানপাট খোলার দাবিতে রাস্তায় নামতে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। এরই অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও জেলার সকল ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে অংশ নেন।
এতে শহরের চৌরাস্তায় ঠাকুরগাঁও জেলার সকল ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন। তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে রাখার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন বলে জানিয়েছেন ।
মানববন্ধনে ব্যবসায়ীরা তাদের বক্তব্যে বলেন,
রমজান মাসের আগে এভাবে দোকানপাট বন্ধ রাখা হলে ব্যবসায়ীরা পথে বসবেন। এমনিতেই গত বছরের ক্ষতি এখনো ব্যবাসায়ীরা পুষিয়ে নিতে পারেনি।
এ কারণে ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলার দাবি জানান।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারের জারি করা বিধিনিষেধ নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী জরুরি সেবা ছাড়া অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।