কয়েক লাখ টাকার সোয়েটার পরে নজর কাড়লেন নাগার্জুনা
ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পীদের বিলাসবহুল গাড়ি ও স্পোর্টস বাইকের প্রতি আলাদা ভালোবাসা রয়েছে। মার্কেটে নতুন মডেলের গাড়ি বা মোটর সাইকেল এলেই তা সংগ্রহ করার চেষ্টা করেন তারা।
তেলেগু সিনেমার বরেণ্য অভিনেতা নাগার্জুনা আক্কিনেনিরও বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ির প্রতি ভালোবাসা কম নয়। বয়স ৬৪ বছর হলেও এখনো সাজপোশাকে তাক লাগিয়ে দেন এই অভিনেতা। এবার কয়েক লাখ টাকার সোয়েটার পরে নজর কাড়লেন এই অভিনেতা।
নাগার্জুনার একটি ছবি অন্তর্জালে ভেসে বেড়াচ্ছে। তাতে দেখা যায়, নাগার্জুনার মাথার চুলগুলো এলোমেলো, মুখভর্তি দাড়ি-গোঁফ। পরনে অফ হোয়াইট রঙের সোয়েটার। নাগার্জুনার পরনের সোয়েটারটি প্রথম দেখায় অনেকেরই মনে ধরেছে। তবে এর মূল্য প্রকাশ্যে আসার পর নেটিজেনদের চোখ কপালে উঠেছে।
নাগার্জুনার পরনের সোয়েটারটি তৈরি করেছে বিলাসবহুল ফরাসি ব্র্যান্ড লুই ভিতোঁর। ব্র্যান্ডটির ওয়েব সাইট ভিজিট করে দেখা যায়, সোয়েটারটির মূল্য ২ হাজার ১৯৪ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য ২ লাখ ৪১ হাজার ৫৪৬ টাকার বেশি।
নাগার্জুনা অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘দ্য গোস্ট’। এতে অবসরপ্রাপ্ত একজন ‘র’ এজেন্টের চরিত্রে দেখা যায় তাকে। প্রবীণ সাত্তারু পরিচালিত এ সিনেমা গত বছরের ৫ অক্টোবর মুক্তি পায়। নাগার্জুনা ছাড়াও সিনেমাটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন— সোনালি চৌহান, মনিষ চৌধুরী, রবি ভার্মা, জয় প্রকাশ প্রমুখ।





























শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) রাত ৯ টায় উপজেলার নেকমরদ কোচ স্টেন্ড থেকে থানার এস আই এরশাদ আলীসহ সঙ্গীয় ফোর্স তাকে গ্রেফতার করে। ওই নৈশ্য কোচের সুপারভাইজার খোরশেদ আলম পৌর শহরের শিবদিঘি এলাকার মৃত আবু সুফিয়ানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ব্যাগ ভর্তি ফেনসিডিল নৈশ্য কোচের ব্যাগ রাখা লোকারে রাখার সময় হাতেনাতে সুপারভাইজারকে আটক করে পুলিশ। এস আই এরশাদ আলী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নৈশ্য কোচের সুপারভাইজারকে ৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়েছে।
গেল ১৯শে নভেম্বর দিবাগত রাত অনুমান ৩ ঘটিকার সময় ৯ থেকে ১০ জন ডাকাত সিংগাইর থানার ধল্লা ইউনিয়নের গাজিন্দা (হঠাৎপাড়া) এলাকায় সৌদি প্রবাসী জুয়েল রানার বাড়িতে বাঁশের মই দিয়ে বিল্ডিংয়ের ছাদে উঠে চিলেকোঠার দরজা খুলে বিল্ডিংয়ে প্রবেশ করে ,জুয়েল রানার স্ত্রী মনি বেগম, ভাই সোহেল রানা, মা জাহানারা বেগম, ভাগিনী আশা মনি-কে ধারালো রাম দা, লোহার শাবল, লোহার কাটার ও রড ইত্যাদি দিয়া মারপিট করে গরুতর আহত সহ ভয়-ভীতি দেখিয়ে ৩৩ ভরি, ১৪ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার সহ ঘরের দামি বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। য়ার আনুমানিক মূল্য ৩৫,১৮,৫০০ (পঁয়ত্রিশ লক্ষ আঠার হাজার পাঁচশত) টাকা।