শার্শার রামপুরে শশুরের বিরুদ্ধে পুত্রবধূর শ্লীলতাহানির অভিযোগ: থানায় মামলা
বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শার রামপুর গ্রামের নিজ শশুরের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে শার্শা থানায় একটি নারী নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন এক সন্তানের জননী ভুক্তভোগী পুত্রবধূ।এমন অভিযোগ দেওয়ায় পুত্র ও পুত্রবধূকে জোর পূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন পাষÐ শশুর রফিকুল ইসলাম বিশ্বাস ওরফে সুদখোর রফিকুল।সরেজমিন গিয়ে দেখা যাই অভিযুক্ত সুদখোর রফিকুল এর আগেও এমন অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে এলাকা বাসী এবং স্থানীয় চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে জানা যায়। এলাকাবাসী অভিযুক্ত বিত্তবান রফিকুলের ভয়ে মুখ খুলতে পারে না। সে রামপুর গ্রামের কদর উদ্দীন বিশ্বাসের পুত্র।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়,সুদখোর রফিকুল তার সুদের ব্যবসাতে অল্পদিনে কোটিপতি বনে গিয়েছে।অবৈধ ভাবে আয় করা কোটি টাকার বনিয়াদে সে যা ইচ্ছা তাই করে?তার নামে নারীঘটিত কেলেঙ্কারি শেষ নেই।এমনিতেই দুইটা বউ নিয়ে সংসার করে।এবার তার কু নজর পড়লো নিজের ছেলের বউয়ের দিকে!এলাকাবাসী এমন নিকৃষ্ট লজ্জাজনক কর্মকাÐ মেনে নিতে পারছে না।এলাকাজুড়ে ধিক্কার জানাচ্ছে আর তার উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।
শ্লীলতাহানি হওয়াতে লম্পট শশুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এক সন্তানের জননী বলেন,বিয়ের পর পরই লম্পট শশুর আমার দিকে তার কু নজর দিতে শুরু করে।এক পর্যায়ে আমার সাথে আপত্তিকর কথাবার্তা বলতে লাগে।আমি লজ্জায় কারোর সাথে কিছু বলতে পারি না।একদিন হঠাৎ করে আমার লম্পট শশুর আমার হাত টেনে ধরে আর কু-প্রস্তাব দেয়।তখন আমি সহ্য না করতে পেরে আমার স্বামীর সাথে সব ঘটনা খুলে বলি,কিন্তু অভিযোগ স্বামীর জন্মদাতা লম্পট বাবার বিরুদ্ধে ছিলো বলে সে আমার শাশুড়িদের সাথে বলতে বলে।তাদের সাথে বলার পর হিতের বিপরীত হয়।শাশুড়িরাই তখন আমার উপর নির্যাতন শুরু করে।
স¤প্রতি আমার লম্পট শশুর আমাকে আপত্তিকর কথা বলে।আর বিভিন্ন প্রলোভন দেখাতে থাকে।আমাকে কু-প্রস্তাব দেয়।আমি রাজি না হওয়ায়,লম্পটটা আমার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং জোর করে ধর্ষন করার চেষ্টা চালাই।আমি কোনোরকম প্রান নিয়ে পালিয়ে আসি। পরবর্তিতে আমি আর আমার স্বামী স্থানীয় ভাবে বিচার দিয়ে আসি।এতে ক্ষিপ্ত এক পয়ার্যে আমাদের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক বের করে দেয়।এখন আমি স্বামী সন্তান নিয়ে পথে পথে ঘুরছি।আমি তার উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাই।
এ বিষয়ের সুদখোর রফিকুলের ছেলে অভিযোগ করে বলেন,আমার বাবা চরিত্রগত সমস্যা আছে। আমার বাবা এর আগেও অনেক বার এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।আমার স্ত্রীর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য স্থানী ভাবে বিচার দিলে সেখানে সে হাজির না হয়ে তার পক্ষ থেকে তার ভাই সাবেক মেম্বার বাদশাকে তার তরফ থেকে পাঠায়। পরে স্থানীয় শালিসি বিচারের রায় প্রত্যাখ্যান করে।এবং আমাকে ত্যাজ্যপুত্র করার ও মৃত্যুর হুমকি প্রদান করে।
এবিষয়ে উলাশী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আয়নাল হক বলেন,ঘটনাটি পারিবারিক সমস্যা বলে সুষ্ঠ ভাবে সমাধান করে দেওয়ার জন্য উক্ত ওয়ার্ডের মেম্বার কবির হোসেন কে দায়িত্ব দিয়েছিলাম।পরে শুনলাম শালিসি বৈঠকের রায় অভিযুক্ত সুদখোর রফিকুল প্রত্যাখ্যান করে পালিয়ে গেছে।আসলে সুদখোর রফিকুলের নামে নারীঘটিত কেলেঙ্কারির শেষ নেই।স¤প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাটি আমি ভুক্তভোগী মেয়েটির কাছ থেকে শুনেছি।ঘটনাটি আসলেই খুবই লজ্জাজনক আপত্তিকর ঘটনা। তাদের আমি থানা পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।
এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম বলেন, অভিযুক্ত রফিকুলের বিরুদ্ধে তার পুত্র ও পুত্রবধূ বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি নারী নির্যানত আইনে মামলা দায়ের করেছেন।আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে।
ধামরাইয়ে পৌরসভা সহ ৬টি ইউনিয়নকে লকডাউন ঘোষণা,
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন , ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার ধামরাই উপজেলায় করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ও অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার পৌরসভা সহ ৬টি ইউনিয়নকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মইনুল আহসান এই ঘোষণা দিয়ে পরিপত্র জারি করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূর রিফফাত জানান, ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মইনুল আহসান হলুদ জোন থেকে উপজেলার পৌরসভা সহ আরো ছয়টি ইউনিয়নকে রেড ঘষোনা করে রেড জুন ইউনিয়নগুলো হলো আমতা ইউনিয়ন, সানোড়া ইউনিয়ন, সুতিপাড়া ইউনিয়ন, সোমভাগ ইউনিয়ন, ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন, ধামরাই সদর ইউনিয়ন ও ধামরাই পৌরসভা।
এ সকল রেড জুন এলাকার মধ্যে ধামরাই পৌরসভাকে পুরোপুরি লকডাউন করা হবে আর বাকি ছয় ইউনিয়নে মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন হচ্ছে না। ইউনিয়ন পর্যায়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এমন সব এলাকাকেই লকডাউন ঘষোণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার থেকে ধামরাই পৌরসভা, রোয়াইল ইউনিয়নের সেনাইল গ্রাম, সূতিপাড়া ইউনিয়নের কালামপুর, বাথুলি, শ্রীরামপুর বাজার, ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের কাকরান ও তেতুলিয়া বাজার কঠোর লক ডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এদিকে উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮৩ জন। এর মধ্যে এক চিকিৎসক সহ ৭ জন মারা গেছেন। এছাড়া ৫১ জন সুস্থ হয়েছেন এবং ৩৩ জন প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন। অন্যরা বাড়ি থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবির মোল্লা জানান, বুধবার ধামরাই উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এলাকা ভিত্তিক কঠোর লক ডাউন ঘোষণা করার সময় জানিয়ে দেয়া হবে এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পৌর প্রশাসন সব সময় মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।
তালতলীতে করোনা উপসর্গে একজনের মৃত্যু
মৃধা শাহীন শাইরাজ,তালতলী প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে করোনা উপসর্গ নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে ১জনের মৃত্যু হয়েছে। বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
জনিাগেছে, উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের লালুপাড়া গ্রামের মেহের আলী সরদারের ছোট ছেলে মোঃ খলিলুর রহমান(৫০) ভোলা জেলা শিক্ষা অফিসের অতিরিক্ত শিক্ষা অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। সেখানে বসে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত রোববার বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্ত্তি হন।
মঙ্গলবার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তাকে বিকেলে পুলিশ প্রটোকলে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
শার্শার নাভারন সদর ও বেনাপোল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড লক ডাউন ঘোষনা
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ মহামারী করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে প্রশাসনের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলাকে রেড জোন ঘোষণা করায়, তার আওতাধীন শার্শা উপজেলার নাভারণ সদর ও বেনাপোল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড সম্পূর্ণরুপে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর থেকে শার্শা উপজেলার নাভারণ সদরের কাজিরবেড়, নাভারন রেলবাজার, উত্তর ও দক্ষিণ বুরুজবাগান এবং বেনাপোল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড নামাজগ্রাম ও দূর্গাপুর গ্রামকে সম্পূর্ণ রুপে লকডাউনের আওতাভুক্ত করা হয়।
এসময় সেখানে উপস্থিত থেকে বাঁশের বেড়া দিয়ে তাতে লকডাউন ব্যানার টাঙিয়ে এর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোরশেদ আলম, বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান সহ প্রশাসন ও পৌরসভার কর্মকর্তাগণ ও সংশ্লিষ্ট বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল জানান, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস দেশে দিন দিন ভয়াবহ রুপ ধারণ করছে। ইতিমধ্যে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। তাই সরকারি সীদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। রেড জোন, ইয়োলো জোন ও গ্রীন এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে করোনা প্রাদুর্ভাবে দেশকে। সেই সাথে দেশে রেড জোন এলাকা লকডাউনভুক্ত ঘোষণা করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এসব এলাকা লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে।
উদ্ভাবণী কার্যক্রমে স্বীকৃতিস্বরুপ পুরস্কার পেলেন মাগুরা জেলা তথ্য অফিসার রেজাউল করিম
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার আলোকে গৃহীত উদ্ভাবন কর্মপরিকল্পনা ২০১৯-২০২০ মোতাবেক উদ্ভাবণী কার্যক্রম “এসো মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি” শীর্ষক অনুষ্ঠান গ্রহণের স্বীকৃতিস্বরুপ গণযোগাযোগ অধিদপ্তর,তথ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা কর্তৃক মাগুরা জেলা তথ্য অফিসার মোঃ রেজাউল করিমকে সম্মাননা পুরস্কার প্রদানের জন্য মনোনিত করা হয়েছে ।
মাগুরা জেলা তথ্য অফিসার মোঃ রেজাউল করিম বলেন,তাঁর এ অর্জনের জন্য গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক,পরিচালকবৃন্দ,উপ-পরিচালকবৃন্দসহ মাগুরা জেলা তথ্য অফিসের সহকর্মীবৃন্দ ও মাগুরার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে চিরঋনী । তাঁর এ পুরস্কার ও সম্মাননা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী সকল বীরমুক্তিযোদ্ধাদেও প্রতি উৎসর্গ করেছেন ।
তিনি আরোও জানান, তারঁ এ স্বীকৃতি তাঁর কাজের প্রতি অরোও বেশী আন্তরিক ও মনোযোগি হতে অনুপ্রাণীত করবে।
তালতলীতে একটা পাকা রাস্তার অপেক্ষায় ৭টি গ্রাম
মৃধা শাহীন শাইরাজ ,তালতলী প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীতে একটা পাকা রাস্তার অপেক্ষায় স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ ৭টি গ্রামের মানুষ। রাস্তাটি পাকা করনের দাবিতে মানববন্ধন করেন এলাকার সাধারণ মানুষ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সড়কটি পাকা করার আশ্বাস দেন।

মঙ্গলবার(১৬জুন)বেলা ১২টার দিকে কাঁচা রাস্তায় মানববন্ধন করেন ঐ সব গ্রামের জনসাধারণ।
জানা যায়, উপজেলার আমতলী-তালতলী সড়কের পশুহাসপাতালের পাশেই একটি গ্রামীন রাস্তা বয়ে গেছে। ছাতনপাড়া,জাকিরতবক,সুন্দরিয়া,চল্লিশ কানি,বেহেলা,পাঁচশবিঘা ও বেতিপাড়া গ্রামের স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ হাজার মানুষের চলাচলের এক মাত্র রাস্তা এটি। কিন্ত বর্ষার সময় ৩ কিলোমিটাররের এই রাস্তাটি কাঁদা হয়ে যায়। ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় এই ৭টি গ্রামের জনসাধারণদের। সাপ্তাহিক বাজারের জন্য তালতলী বন্দর বাজারে আসতে হয় এই প্রান্তিক মানুষের। বর্ষার সময় ঠিকভাবে বাজারের আসাযাওয়া করা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে জীবনজীবিকা তাগিদে ছুটে বেড়াতে হয় দিনমজুর মানুষের কিন্তু বর্ষার এই তিন মাস কর্মহীন হয়ে ঘড়ে বসে থাকতে হয়। এদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সড়কটি পাকা করার আশ্বাস দেন।
মানবন্ধনে বক্ত্যরা বলেন, আমাদের ৭ টি গ্রামের মানুষের প্রানের দাবি এই রাস্তাটি যাতে পাকা হয়। প্রতি বছর বর্ষার সময় আমাদের সব ধরণের কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়।ঘন বর্ষায় এই রাস্তা দিয়ে চলাচলেরন সুযোগ হয়না।তাই সরকারের কাছে দাবি উপজেলার পাশের এই রাস্তাটি পাকা করে দিলে ৭ গ্রামের স্কুল-মাদ্রাসা ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ হাজারহাজার মানুষের দুঃখ-দুদর্শা থেকে মুক্তি পাবে।
এবিষয়ে তালতলী উপজেলা প্রকৌশলী আহম্মেদ আলী বলেন,খোঁজখবর নিয়ে দেখতে হবে আমাদের কোনো প্রকল্প দেওয়া আছে কি না। থাকলে দ্রুত কাজ করা হবে। যদি নাও তাকে তাহলে পাকা করণের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হবে ।
রাণীশংকৈলে একই রশিতে স্বামী- স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল,(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার চাপোড় পারবর্তীপুর গ্রামে ১৬ জুন সকালে বিপুল ও পারুল রাণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বিপুল চন্দ্র রায় ( ২২) চাপোড় পারবর্তীপুর গ্রামের শেদ কুমারের ছেলে ও পারুল রাণী রায় (২০) চাপোড় পারবর্তীপুর গ্রামের বিপুল চন্দ্রের স্ত্রী ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আধারদিঘি গ্রামের ঝাটালু শিংহের মেয়ে। পারুল রাণী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রমতে, বিপুল ও পারুল গত ১৫ জুন রাতে খেয়ে দেয়ে নিজ ঘরে শুতে যায়। পরদিন সকালে তার বিমাতা মা ঘুম থেকে দেরিতে উঠায় ডাকতে যায়। কিন্তু দরজায় শব্দ করার পরও কোন সাড়াশব্দ না পেলে চিৎকার করে পাশের লোকজনকে ডাকে। লোকজন দরজা ভেঙ্গে দেখে স্বামী স্ত্রী ঘরের সরের দুপাশে একই রশিতে ফাঁস লাগিয়ে মৃত অবস্থায় ঝুলে আছে। পুলিশকে খবর দিলে, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ নিয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।মামলা নং ১৩ তারিখ- ১৬/৬/২০২০ খ্রিঃ।
রাণীশংকৈলথানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে, রিপোর্ট আসলে ঘটনার সত্যতা জেনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
রাণীশংকৈলে নতুন করে ১ নারী ও ১ পুরুষ করোনায় আক্রান্ত
হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল,(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১৫ জুন সোমবার নতুন করে এক নারী ও এক পুরুষ করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।
রোগীরা হলেন, উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের হাটগাঁও গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে মামুন (২১) ও রাতোর ইউসিয়নের বাবুরিয়া গ্রামের জড়াস চন্দ্রের মেয়ে এপি রায় (১৮) এরা দুজনই ঢাকা ফেরত। গত ৬ জুন তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং ১৫ জুন প্রাপ্ত রিপোর্টে তাদের ফলাফল পজিটিভ আসে। রাত ৯ টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপঃ স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ চৌধুরী। রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃপক্ষের তত্বাবধানে রোগীদের নিজ বাড়িতে হোম আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন বলে জানান টিএইচএ ও পঃ পঃ কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত: বর্তমানে এই উপজেলায় এ নিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৪ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫ জন এবং মৃত্যুর পর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে ১ জনের। বাকীরা চিকিৎসাধীন।
আশুলিয়ায় পরিবহনে চাঁদাবাজির সময় ওয়েলকাম মিন্টু গ্রেফতার
সাভারের আশুলিয়ায় পরিবহনে চাঁদাবাজিকালে জিএম মিন্টু ওরফে ওয়েলকাম মিন্টু নামে এক চিহ্নিত চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মিন্টুসহ অজ্ঞাত আরো দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) ভোরে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকা থেকে পরিবহনে চাঁদা আদায়কালে তাকে হাতেনাতে আটক করে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ।
গ্রেফতার জিএম মিন্টু ওরফে ওয়েলকাম মিন্টু আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।
গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, সম্প্রতি পরিবহনে চাঁদাবাজি নিয়ে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে চাঁদাবাজি বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ভোরে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার রূপসা হোটেলের সামনে স্থানীয় পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়ের গোপন খবর পান তারা। পরে অভিযান চালিয়ে মৌমিতা ও ওয়েলকাম পরিবহন থেকে চাঁদা আদায়কালে জিএম মিন্টু ওরফে ওয়েলকাম মিন্টু নামে এক চিহ্নিত পরিবহন চাঁদাবাজকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এসময় অজ্ঞাত আরো দুই চাঁদাবাজ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলে তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বেলায়েত হোসেন জানান, জেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে চলাচলরত পরিবহনে সকল প্রকার চাঁদাবাজি বন্ধে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদারের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। তাই পরিবহন চাঁদাবাজদের আটকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পরিবহনে চাঁদাবাজির ঘটনায় ঢাকা জেলার সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইসহ বিভিন্ন থানায় এক ডজন মামলা দায়ের করে পুলিশ। এ পর্যন্ত এসব মামলায় ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সময় ডেস্ক ঃ

































