32.6 C
Dhaka, BD
রবিবার, জুন ২৮, ২০২৬

জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মাগুরার শ্রীপুরের লাঙ্গলবাঁধ বাজারের শতাধিক দোকানঘর ভাঙচুর,লুটপাট

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে গতকাল মঙ্গলবার সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজলোর লাঙ্গলবাঁধ বাজারে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ধলহরাচন্দ্র্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান এর নেতৃত্বে অতর্কিত হামলা চালিয়ে শ্রীপুর উপজেলার ১নং গয়েশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মোল্যার বাজার কমিটির অফিস কক্ষসহ বাজারের অর্ধশত দোকানঘর ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে লাঙ্গলবাঁধ বাজারে মাগুরার ও ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়নে করা হয়েছে।

বাজারের ব্যবসায়ী ও ছাবিনগর গ্রামের বাসিন্দা আবদুর রাজ্জাক বিশ্বাস জানান, জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় শৈলকুপার উপজেলার ৮নং ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বিশ্বাসের সমর্থক নতুনভূক্ত মালিথিয়া গ্রামের সুজন সরকারের সাথে একই গ্রামের গ্রামের শহীদের লাঙ্গলবাঁধ বাজারে সংঘর্ষ বাধে।

এঘটনায় শ্রীপুর উপজলোর ১নং গয়েশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হালিম মোল্যার সমর্থক রুবেল ও জিনারুল শহীদের পক্ষ নিয়ে সুজনকে লাঞ্চিত করে।

এরই সূত্রধরে গতকাল মঙ্গলবার সকালে ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের নেতৃত্বে উক্ত ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৪ থেকে ৫ শত লোক জোটবদ্ধ হয়ে রামদা ,ছ্যানদা,লাঠি-সোটা ও ঢাল,সড়কি নিয়ে লাঙ্গলবাঁধ বাজারে হামলা চালায় ।

হামলাকালে প্রতিপক্ষরা গয়েশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মোল্যার ব্যবহৃত বাজার কমিটির অফিস ঘরসহ বাজারের অর্ধশত দোকানঘর ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে। সেই সাথে তার (আবদুর রাজ্জাক) দোকান থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা ।

বিষয়টিকে কেন্দ্র করে শৈলকুপার ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও শ্রীপুরের গয়েশপুরের উভয় চেয়ারম্যান পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেনে।

ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বিশ্বাস বলেন, হালিম চেয়ারম্যানের লোকজন সোমবার সন্ধ্যায় তার ইউনিয়নের নতুনভূক্ত মালিথিয়া গ্রামের সুজন সরকারের বাড়িতে হামলা করে। পরে মঙ্গলবার সকালে আবারও হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল এমন সংবাদে তার এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষকে মোকাবেলা করতে এ হামলা চালিয়ে থাকতে পারে।

তবে গয়েশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হালিম মোল্যা বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে মাগুরা-১ আসনের এমপি সাহেব ও প্রশাসনের নির্দেশে লাঙ্গলবাঁধ বাজারে তার ইউনিয়নের লোকজন চেকপোষ্ট বসানোর জন্য বাজারের পাশেই গড়াই নদীর ঘাটে লোক পারাপার বন্ধ করতে গেলে মতিয়ার চেয়ারম্যানের লোকজন বাধা দেয়।

এ নিয়ে বিরোধের কারণে গতকাল মঙ্গলবার মতিয়ার চেয়ারম্যানের কয়েক শ’ লোক একজোট হয়ে বাজারে আমার অফিসসহ প্রায় অর্ধশত দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।এতে প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে ।

শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহাবুবুর রহমান বলেন, তুচ্ছ ঘটনায় বাজারে কিছু ভাংচুর হয়েছে তবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে লাঙ্গলবাঁধ বাজারে শ্রীপুর ও শৈলকুপা উভয় থানার পুলিশ দায়িত্ব।

শৈলকূপা থানার ওসি বজলুর রহমান বলেন, পুনরায় যাতে কোন ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

দেবীদ্বারে উপজেলা প্রশাসন কতৃর্ক করোনা নমুনা কালেকশন বুথ শুরু

এ আর আহমেদ হোসাইন (দেবীদ্বার-কুমিল্লা)প্রতিনিধি : কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ সন্দেহজনক করোনা রোগীর নমুনা কালেকশন বুথ মঙ্গলবার সকালে উদ্ভোধন করা হয়।

দেবীদ্বারের নির্বাচিত (এমপি) রাজী মোহাম্মদ ফখরুল’র পরামর্শে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান ওই করোনা নমুনা কালেকশন বুথ নির্মাণ করেন।

সন্দেহজনক করোনা রোগীর নমুনা সংগ্রহ করতে উপজেলা প্রশসাসনের সৌজন্যে ওই বুথ চালু করা হয়। চালুকৃত ওই বুথ থেকে ০৭টি নমুনাসহ উপজেলার নতুন করে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ২১ টি সংগৃহীত নমুনা পাঠানো হয়।

ওই দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহাম্মদ কবীর জানান ০-৫-০৫-২০২০ইং তারিখ পর্যন্ত সর্বমোট নমুনা পাঠানো ১৪৮ জনের মধ্যে ১০৫টি রিপোর্ট থেকে ৮৫ জনের নেগেটিভ বাকী ২০ জনের পজিটিভ এদের মধ্যে মৃত ৩ জন, জীবিত ১৭ জন, পজিটিভ ১ জন দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছে, বাকী পজিটিভ ১৬ জন নিজেদের বাড়িতে হোম আইসোলেশনে আছেন।

ওই দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)সাহিদা আক্তার নিরলস পরিশ্রমী হয়ে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে উপজেলার জনসমাগম পয়েন্টগুলি লগডাউনসহ সচেতনতার পরামর্শ রেখে কাজ করে যাচ্ছেন এছাড়া প্রশাসনের সাথে সহযোগিতায় কাজ করছেন উপজেলা ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকর্মীরা।

ওই দিকে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় ফেইসবুক আইডি থেকে মোঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য পুরো জেলায় নতুন করে ৫ জন পজেটিভ পাওয়া যায় ওদের মধ্যে চান্দিনা উপজেলা-২ জন, বরুড়া-২ ও মুরাদনগরে-০১জন। নতুন ও পুরাতন মিলিয়ে মোট পজিটিভ জেলায় ৯৮জন,মৃত্যু বরন করেছেন মোট-০৪ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন-২৬জন।

ধামরাইয়ে ছুরিকাঘাতে স্কুল শিক্ষার্থী নিহত

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামারাইয়ে পুর্ব শত্রুতার জেরে চাচাত ভাইয়ের হাতে খুন হয়েছে ইমন হোসেন (১৭) নামে এক এসএসসির ফলপ্রত্যাশী।

মঙ্গলবার দুপুরে সাভারের এনাম মেডিকেলে সে মারা যায়। এর আগে সকাল ৯টার দিকে ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের মধ্যকেলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ইমন হোসেন উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের মধ্যকেলিয়া গ্রামে ঘটা মিয়ার ছেলে। সে জয়পুরা অ্যাসেড স্কুল থেকে এসএসসি পরিক্ষায় অংশ নিয়ে ফল প্রকাশের অপেক্ষমান ছিল।

অপরদিকে অভিযুক্ত চাচাত ভাইয়ের নাম সাত্তার (৩২) একই গ্রামের হুমায়ূনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, পুর্ব শত্রুতার জেরে সকালের দিকে তর্কে জড়িয়ে পড়ে ইমন ও সাত্তার। এসময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ইমনকে ছুরিকাঘাত করে অভিযুক্ত সাত্তার। পরে আহতাবস্থায় এলাকাবাসী তাকে সাভারের এনাম মেডিকেলে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ইমনকে মৃত ঘোষণা করে।

এবিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুলতান মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে। পুর্ব শত্রুতার জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধিন বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

শার্শায় দুই চিকিৎসক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় নতুন করে আরো দুই জন স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা সনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় মোট ৯ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত ৯ জনের মধ্যে ৬ জনই শার্শা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী।

এতে করে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগসহ শার্শা-বেনাপোলে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। নতুন আক্রান্ত দুই জন চিকিৎসক বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে ভারত থেকে আগত পাসপোর্টযাত্রীদের করোনা প্রতিরোধে প্রথম থেকে কাজ করে আসছিলেন।

শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার ইউসুফ আলী জানান, গত ২৪ ঘন্টায় ল্যাব থেকে পাওয়া রিপোর্টে হাসপাতালের দুই জন চিকিৎসক নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।

সাভারের আশুলিয়ায় দোকানীদের পিন্টু মোল্ল্যা নামের এক যুবকের হুমকি (ভিডিও)

সাভার প্রতিনিধি ঃ সাভারের আশুলিয়ায় নিজের ইজারাদার বাজারে অন্য বাজারের দোকান আনার জন্য দোকানীদের হুমকি দিয়েছেন পিন্টু মোল্ল্যা নামের এক যুবক।

আজ সোমবার বিকেলে সাভারের বড় আশুলিয়া বাজারে এঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষর্শীদের বরাত দিয়ে আশুলিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নায়েব আলী ও সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন বলেন করোনা ভাইরাসের কারণে আশুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজে একটি বাজারের ইজারাদার নেন ওই এলাকার পিন্টু মোল্ল্যা নামের এক যুবক।

পরে তিনি আজ বিকেলে আশুলিয়া বাজারে থাকা প্রায় চার শতাধিক কাঁচা বাজার ও মুদি দোকানীদের তার ইজারাদার বাজারে ওই সব দোকান আনার জন্য আশুলিয়া বাজার গিয়ে দোকানীদের হুমকি দেন ইজারাদার পিন্টু মোল্ল্যা ও তার লোক গিয়াস মোল্ল্যা। এসময় তারা দোকানীদের ৪৮ ঘন্টা সমায় বেধে দেন তাদের বাজারে দোকান আনার জন্য। ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দোকানপাট না আনলে ওই শত বছরের ঐহিত্যবাহী বাজারটি ভেঙ্গে ফেলার হুমকি দেন তারা। এঘটনায় চার শতাধিক দোকানী ওই বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করে বলেন শত বছরের এই বাজারটি কোন ব্যক্তি ভেঙ্গে ফেলতে আসলে তারা প্রতিহত করবেন।

পরে ওই বাজারের দোকানীরা বিষয়টি সাভার উপজেলায় গিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবকে জানালে তিনি ঐহিত্যবাহী আশুলিয়া বাজার যেখানে আছে সেখানেই থেকে দোকানীরা ব্যবসা করবেন বলে নির্দেশ দেন। পরে দোকানীরা চলে যান।

ওই বাজারের দোকানীরা জানান পিন্টু মোল্ল্যা ও গিয়াস মোল্ল্যা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ এর সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান স¤্রাটের লোকজন। তাদের অত্যাচারে ওই বাজারের দোকানীরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন। এসময় অসহায় দোকানীরা তাদের বিচার দাবি করেছেন সাভার উপজেলা প্রশাসনের কাছে।

এবিষয়ে আশুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজ বাজারের ইজারাদার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হয়নি।

সাভারের কাউনদিয়া ত্রানের চাল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে (ভিডিও)

ষ্টাফ রিপোর্টার ঃ ঢাকার উপকষ্ঠ সাভারের কাউনদিয়া ইউনিয়নে খাদ্য অধিদপ্তরের সরকারী চাল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় দরিদ্র দিনমুজুরদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার ত্রানের চাল দিনমুজুরদের না দিয়ে বাহিরে বিক্রি করছে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাকর্মীরা।

খাদ্য অধিদপ্তরের এসব সরকারী ত্রানের চাল বাহিরে সাধারনরে কাছে বিক্রিয় করা হচ্ছে বস্তাপতি ৮শো টাকা করে।

এব্যাপারে উপজেলার কাউনদিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সামাদ নগর এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় হত দরিদ্রদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য অধিদপ্তরের সরকারী ত্রানের চাল বিক্রয় করা হয়েছে। ওই এলাকার আবদুল এর বাড়ির ভাড়াটিয়া শেফালী বেগম বলেন, এলাকার স্থানীয় রুবেলের দাদী তাকে ডেকে নিয়ে চাল বিক্রয় করা হবে বলে জানান।

পরে এ ব্যাপারে রুবেলের দাদীর সাথে খাদ্য অধিদপ্তরের ৩০ কেজির প্রতিবস্তা চাউল ৮শো টাকা দরে মিটহয়ে। এসময় তিনি ২৪ শো টাকা দিয়ে তিনবস্তা চাউল নেন তার কাছ থেকে।

এসময় ফাতেমা নামে আরো একজন ভাড়াটিয়া বলেন, তরকারী বিক্রিয় করে তারকাছ থেকে শুনেছি কমদামে চাউল বিক্রয় করা হচ্ছে। পরে খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে ৮ শো টাকা দিয়ে একবস্তা চাল নিয়েছেন তিনি।

এদিকে এঘটনায় স্থানীয়রা এব্যাপারে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, করোনা ভাইরাস মহামারীর কারনে লক ডাউনে পড়া কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় দিনমুজুরদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার তাদের মাঝে বিতরন না করে নেতারা টাকার লোভে বাহিরে বিক্রিয় করছে এটা খুভ লজ্জা জনক ব্যাপার। প্রশাসন যদি কাউনদিয়া ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের বাড়িতে অভিযান চালায় তাহলে বিপুল পরিমান ত্রানের চাল উদ্ধার হবে।

তারা বলেন, দলের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য বিএনপি জামায়াত থেকে ডিকবাজি মেরে কিছু সুবিধাবাদী নেতাকর্মীরা আওময়ামীলীগে অনুপ্রবেশ করেছেন। তাই প্রধানমন্ত্রীর উপহার অসহায়দের কে না দিয়ে যারা চুরিকরে বাহিরে বিক্রিয় করে অতিদ্রুত তদন্তের মাধ্যমে তাদের অতিতের খবর নিয়ে আইনের আউতায় আনা উচিত।

এছারাও স্থানীয়রা আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহার অসহায়দের মাঝে বিতরন না করে বাহিরে বিক্রয় করে প্রধানমন্ত্রী ও দলের ভাবমূর্তি যারা ক্ষুন্ন করেছেন অতিদ্রুত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে এসব চাল চোরদের অতিতের খবর নিয়ে বিচারের মুখোমুখি দাড় করানো দাবি জানান স্থানীয়রা।

এব্যপারে কাউনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শান্ত খানের মুঠোফোনে ০১৭১১-৫৩৪৭৬৬,০১৬৭৪১৭৫৯৩৮ নাম্বারে একাধিকবার বার যোগাযোগ করা হলে সে ফোনটি রিসিভ করেনি।

মাগুরার শ্রীপুরের গড়াই নদীতে মশারী জালের পাটা বাঁধ দিয়ে অবাধে মাছ নিধন (ভিডিও)

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : দেশে করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারনে সরকারি অফিস বন্ধ থাকার সুযোগে এলাকার একশ্রেণির অসাধু মৎস্যজীবিরা সুযোগ বুঝে গড়াই নদীতে আড়াআড়িভাবে মশারী জালের মাধ্যমে শক্ত পাটা বাঁধ দিয়ে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও মাছের রেণু অবাধে নিধন করছে ।মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের লাঙ্গলবাঁধ বাজার এলাকা থেকে শুরু করে নাকোল ইউনিয়নের রাজধরপুর পর্যন্ত গড়াই নদীতে অসংখ্য মশারী জালসহ বাঁশ ও বাঁশের চটা দিয়ে পাটা তৈরী করে নদীতে আড়াআড়িভাবে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছে । এছাড়াও অত্যন্ত ঘন মিহি দীর্ঘ মশারী জাল দিয়ে নদীর বিস্তৃর্ণ এলাকা ঘিরেও মাছ শিকার করা হচ্ছে অহরহ । এ প্রক্রিয়ায় মাছ শিকারের ফলে মা মাছসহ সকল প্রকার মাছ নিধন তো হচ্ছে বটেই ! বরং অপরদিকে মাছের রেণুও ধ্বংশ হচ্ছে ব্যাপকহারে ।

বিশেষকরে ফাল্গুণ,চৈত্র ও বৈশাখ মাসে যখন নদীর পানি শুকায়ে যায় ঠিক তখনই এ মৎস্য খেকোরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে । মৎস্যজীবিদের মধ্যে অধিকাংশ মৎস্যজীবি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মদদপুষ্ট হয়ে তাদের ছত্রছায়ায় থেকে এধরণের অপকর্ম করছে। তবে সরকারি নজরদারীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,ইউপি সদস্য ও সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা এবিষয়ে এগিয়ে আসার প্রয়োজন । নইলে অদূর ভবিষ্যতে নদীর প্রাকৃতিক মাছ বিলুপ্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলার ১নং গয়েশপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান লিটু জানান, বৃহত্তর গড়াই এবং মাঝারী কুমার নামে দুটি নদী শ্রীপুর উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে প্রবাহিত ।

নদীতে এখনও যে পরিমান প্রাকৃতিক মাছ রয়েছে তা যদি সংরক্ষণ করা হয় তাহলে এলাকার মাছের চাহিদা পুরণ করেও অন্য জেলাতে বিপুল পরিমান মাছ রফতানি করা সম্ভব । আর যদি সংরক্ষণ করা না হয় তাহলে অদূর ভবিষ্যতে নদীর প্রাকৃতিক মাছ খাওয়া তো দূরের কথা মাছ দর্শনই দুঃষ্প্রাপ্য হয়ে যাবে।

তাই কর্তব্য হবে নদী ও নদীর মাছ রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি ইউপি চেয়ারম্যান ও সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের এগিয়ে আসা এবং যারা নিয়ম বহির্ভূতভাবে নদীতে মাছ শিকার করছে তাদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা ।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা(অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ শরীফ হাসান সোহাগ বলেন,গত বছর মোবাইল কোর্টে মাধ্যমে এ ধরনের পাটা বাঁধ উচ্ছেদ করা হয়েছিল কিন্তু এবছর করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারনে অফিস ছুটি থাকার কারণে হয়তবা যে কেউ সেই সুযোগে পাটা বাঁধ ব্যবহার করে মাছ শিকার করলেও করতে পারে । তবে বিষয়টি আমার জানা নেই । সুযোগ বুঝে যে কোন সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ঝালকাঠিতে পুলিশ সদস্যদের মাঝে পিপিই বিতরন করছে পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশে বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ প্রতিরোধে অধিক ভুমিকা রাখছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী।আর সে ক্ষেত্রে দেশের পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা নিজ জীবনের ঝুকি নিয়ে বিভিন্ন কর্মকান্ডের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায়, সচেতনতা সৃষ্টি, হোম কোয়ারেন্টাইন বজায় রাখা সহ কর্তব্য পালন করতে গিয়ে অনেকেই আক্রান্ত হওয়া সহ
জীবন হারাতে হয়েছে পুলিশ সদস্যের।

দেশে করোনা তৎপরতায় পুলিশের কোন ব্যক্তিগত সুরক্ষা পোশাক পিপিই না থাকায় জেলা পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন জেলা পুলিশের সকল সদস্যদের সুরক্ষিত থাকার জন্য অফিসার ও ফোর্সদের মাঝে পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাোভস বিতরণ পূর্বক কর্তব্যরত অবস্থায় এগুলো ব্যবহার নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর দেশের মহামারি করোনা ভাইরাসের মধ্যেও জনগনকে সেবা দেয়ার লক্ষ্যে তথা দেশের মানুষকে বাঁচাতে পুলিশ সদস্যদের বেতন থেকে সরকারি তহবিলে আর্থিক অনুদান প্রদান, হ্যান্ড স্যানেটাইজার, মাক্স বিতরন সহ রেশন থেকে আংশিক রেশন বিতরন করেন। তারপরও দেশ রক্ষা তথা দেশের মানুষকে বাঁচাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করার মাধ্যমে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

ঝালকাঠি সর্বদা সচেতন রাখাসহ জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে ঝালকাঠি জেলা পুলিশের সকল অফিসার ও ফোর্স সদা জাগ্রত।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের স্বেচ্ছাসেবী হতে ইচ্ছুক আমরা সবাই

স্টাফ রিপোটার :বিশ্ব এখন করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে আতঙ্কিত। সারা বিশ্ব আজ করোনা ভাইরাসের কাছে জিম্মি! করোনাভাইরাস গোটা বিশ্বকে অচল করে দিয়েছে।করোনার সঙ্গে মানুষের লড়াই জীবন-মৃত্যুর।বাংলাদেশেও করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত। নতুন আক্রান্ত রোগী ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই।

প্রত্যেকটি মানুষকে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। প্রতিটি যুদ্ধের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, অনেক শ্রেণীর লোক থাকে। এর মধ্যে কেউ যোদ্ধা কেউ স্বেচ্ছাসেবী, কেউ ডাক্তার, কেউ বুদ্ধিজীবি, কেউ বা আবার কলম সৈনিকও থাকে।

আমাদের এই মহামারী করোনা ভাইরাসের মধ্যে ডাক্তারদেরকে অগ্রসৈনিক হিসেবে গণ্য করতে হবে। এর পর দেশের আইনশৃঙ্খলারক্ষকারী বাহিনী ও গন মাধ্যম কর্মী, করোনা প্রতিরোধে মাঠে আছেন। তাদের সাথেও আমাদের সমন্বয় করে কাজ করে যেতে হবে।

করোনা একটি যুদ্ধ আর এই যুদ্ধে সকলের সমন্বয়ে এটিকে পরাজিত করতে হবে। বর্তমানে হাসপাতাল গুলোতে ডাক্তারদের হাহাকার লক্ষ্য করা যায় করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মাঝে। বাঙালী জাতী যেহেতু আবেগ প্রবণ জাতী। এ বাঙালী জাতী অল্পেই সন্তুষ্ট থাকে আবার অনেক পেয়েও সন্তুষ্ট হয় না!

এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমি আমার নিজস্ব একটি চিন্তাধারা থেকে চিন্তা করে দেখলাম। যে সমস্ত রোগীরা আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইনে আছে এবং যারা করোনা ভাইরাস টেষ্ট করতে হাসপাতালে যায় তাদের মধ্যে মনোবল চাঙ্গা করার জন্য একদল স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন। যারা কিনা রোগীদের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে বুঝিয়ে শুনিয়ে নিয়ম মেন্টেইন করাতে পারে এবং তাদের মধ্যে করোনার আতঙ্ক দূর করতে পারে।

আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা নার্স ও ডাক্তারদের সাথে কো-অপারেটিভ করে এবং সার্বক্ষনিক রোগীদের সন্নিকটে থাকে তাহলে রোগীরা আস্থা এবং মনোবল ফিরে পাবে। এতে করে রোগীরা চাঙ্গা হবে। আমার মনে হয় আমাদের থেকে একজন স্বেচ্ছাসেবী বের করতে পারলে দেশ থেকে এ ভাইরাসটি অতি দ্রুত নির্মূল হবে।

এ লক্ষ্যে আমরা স্বেচ্ছাসেবীদেরকে বিনা পারিশ্রমিকে আমাদের স্বজ্ঞানে ও স্ব-ইচ্ছায় উদ্বুদ্ধ হয়ে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে।

ইতি মধ্যে এই স্বেচ্ছাসেবী টিমের ব্যাপারে আমাদের অধিকার নামে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল সম্পাদক এবং বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মানণীয় সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মহাদয়ের সাথে আলাপ করেছেন।

তিনি মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশের মুখে বিস্তারিত শুনে খুশি হয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান করেছেন।
এছাড়াও মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ এর বন্ধুবর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার (১) খুরশিদ আলম এর সাথেও এ ব্যপারে আলাপ করেছেন। তিনি তাকে বলছেন,দেশের ক্রান্তিলগ্নে তোমার এই সুন্দর চিন্তাধারা এবং সেচ্ছাসেবী টিম অতান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। তুমি তোমার স্বেচ্ছাসেবী টিমের নামের তালিকা করে আমাকে দাও।

আমি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তালিকা পাঠাবো এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এর সাথে কথা বলে তোমার স্বেচ্ছাসেবী টিমের সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো। যাতে তুমি তোমার স্বেচ্ছাসেবী টিম নিয়ে জরুরী সেবায় কাজ করতে পারো। আমাদের সার্বিক আমাদের সহযোগিতা থাকবে তোমার এবং স্বেচ্ছাসেবী টিমের সাথে। সবাই ভালো ও সুস্থ থাকুন।

আপনারা যারা দেশের ক্রান্তিলগ্নে দল,মত,জাত,ধর্ম নির্বিশেষে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী। আমার সাথে যোগাযোগ করুনঃ মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ ফোনঃ০১৭৪০৫৯৯৯৮৮,০১৭১৫৬০৭৫৫৫

বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছা-সেবকলীগের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের পিপিই বিতরন

রাসেল ইসলাম ,বেনাপোল প্রতিনিধি: অদৃশ্য মহামারি কোভিড-১৯,করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরন ব্যবহার অতি আবশ্যকীয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভয়ঙ্কর এই ভাইরাসটি মানুষের সংস্পর্শে সংক্রমিত হয়,আর সে কারনেই স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরন ব্যবহার অতি জরুরী।

এ বিষয়ে তারা পার্সোনাল প্রটেক্ট ইক্যুইপমেন্ট(পিপিই) ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের সাধ্যমত নাগরিকদেরকে পিপিই পরিধানে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

বাংলাদেশেও ক্রমান্বয়ে এর ব্যবহার প্রচলিত হচ্ছে। তবে প্রয়োজনমত সরবরাহ না থাকায় এবং দামের ক্ষেত্রে ক্রয় ক্ষমতার উর্ধ্বে হওয়ায় এটা সকলে ব্যবহার করতে পারছে না। যার ফলে ভয়াবহ এই সংক্রমন ভাইরাসটি থেকে রক্ষা পেতে ঝুকি থেকেই যাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় যারা মাঠে-ময়দানে কাজ করছেন অর্থাৎ ডাক্তার,নার্স,পুলিশ বাহিনী,প্রতিরক্ষা বাহিনী সহ অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী’র প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকদের মাঝে সরকার ইতোমধ্যেই কিছু কিছু পিপিই প্রদান চালু রেখেছেন। সরকারের কার্যক্রমের পাশাপাশি সমাজের ব্যাক্তি বিশেষ,সমাজ সেবক, রাজনৈতিকদল এবং ছোট-বড় সামাজিক সংগঠন গুলো ঝুকিপূর্ণ পেশার মানুষ গুলোর জন্য তারাও পিপিই প্রদান করছেন।এ পর্যায়ে বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছা সেবকলীগ ব্যয় বহুল এবং ব্যাতিক্রমী এই কাজটি তারা হাতে নিয়েছে।

রবিবার(৩রা মে)সকালে তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে যশোর জিলার শার্শা উপজিলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের পিপিই প্রদান করেছেন। তাদের আজকের পিপিই প্রদানের স্থানগুলো হলো-শার্শা উপজিলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়, পোর্ট থানা বেনাপোল,বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস, এন এস আই বেনাপোল দপ্তর, ডিজিএফআই বেনাপোল দপ্তর, পিসি,আনসার(বেনাপোল স্থল বন্দর) এবং সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোল।

পৌর স্বেচ্ছা-সেবকলীগের পক্ষ থেকে বিতরন কার্যক্রমে অংশ নেন সংগঠনটির সভাপতি- মোঃ জুলফিকার আলী মন্টু,সাধারন সম্পাদক-মোঃ কামাল হোসেন এবং দপ্তর সম্পাদক- নাজিম উদ্দিন রাব্বি। পর্যায়ক্রমে অত্র উপজিলার অন্যান্য সকল প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকদের পিপিই প্রদান করা হবে বলে নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেট...