মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামারাইয়ে পুর্ব শত্রুতার জেরে চাচাত ভাইয়ের হাতে খুন হয়েছে ইমন হোসেন (১৭) নামে এক এসএসসির ফলপ্রত্যাশী।
মঙ্গলবার দুপুরে সাভারের এনাম মেডিকেলে সে মারা যায়। এর আগে সকাল ৯টার দিকে ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের মধ্যকেলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইমন হোসেন উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের মধ্যকেলিয়া গ্রামে ঘটা মিয়ার ছেলে। সে জয়পুরা অ্যাসেড স্কুল থেকে এসএসসি পরিক্ষায় অংশ নিয়ে ফল প্রকাশের অপেক্ষমান ছিল।
অপরদিকে অভিযুক্ত চাচাত ভাইয়ের নাম সাত্তার (৩২) একই গ্রামের হুমায়ূনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, পুর্ব শত্রুতার জেরে সকালের দিকে তর্কে জড়িয়ে পড়ে ইমন ও সাত্তার। এসময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ইমনকে ছুরিকাঘাত করে অভিযুক্ত সাত্তার। পরে আহতাবস্থায় এলাকাবাসী তাকে সাভারের এনাম মেডিকেলে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ইমনকে মৃত ঘোষণা করে।
এবিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুলতান মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে। পুর্ব শত্রুতার জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধিন বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় নতুন করে আরো দুই জন স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা সনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় মোট ৯ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত ৯ জনের মধ্যে ৬ জনই শার্শা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী।
এতে করে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগসহ শার্শা-বেনাপোলে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। নতুন আক্রান্ত দুই জন চিকিৎসক বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে ভারত থেকে আগত পাসপোর্টযাত্রীদের করোনা প্রতিরোধে প্রথম থেকে কাজ করে আসছিলেন।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার ইউসুফ আলী জানান, গত ২৪ ঘন্টায় ল্যাব থেকে পাওয়া রিপোর্টে হাসপাতালের দুই জন চিকিৎসক নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।
সাভার প্রতিনিধি ঃ সাভারের আশুলিয়ায় নিজের ইজারাদার বাজারে অন্য বাজারের দোকান আনার জন্য দোকানীদের হুমকি দিয়েছেন পিন্টু মোল্ল্যা নামের এক যুবক।
আজ সোমবার বিকেলে সাভারের বড় আশুলিয়া বাজারে এঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষর্শীদের বরাত দিয়ে আশুলিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নায়েব আলী ও সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন বলেন করোনা ভাইরাসের কারণে আশুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজে একটি বাজারের ইজারাদার নেন ওই এলাকার পিন্টু মোল্ল্যা নামের এক যুবক।
পরে তিনি আজ বিকেলে আশুলিয়া বাজারে থাকা প্রায় চার শতাধিক কাঁচা বাজার ও মুদি দোকানীদের তার ইজারাদার বাজারে ওই সব দোকান আনার জন্য আশুলিয়া বাজার গিয়ে দোকানীদের হুমকি দেন ইজারাদার পিন্টু মোল্ল্যা ও তার লোক গিয়াস মোল্ল্যা। এসময় তারা দোকানীদের ৪৮ ঘন্টা সমায় বেধে দেন তাদের বাজারে দোকান আনার জন্য। ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দোকানপাট না আনলে ওই শত বছরের ঐহিত্যবাহী বাজারটি ভেঙ্গে ফেলার হুমকি দেন তারা। এঘটনায় চার শতাধিক দোকানী ওই বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করে বলেন শত বছরের এই বাজারটি কোন ব্যক্তি ভেঙ্গে ফেলতে আসলে তারা প্রতিহত করবেন।
পরে ওই বাজারের দোকানীরা বিষয়টি সাভার উপজেলায় গিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবকে জানালে তিনি ঐহিত্যবাহী আশুলিয়া বাজার যেখানে আছে সেখানেই থেকে দোকানীরা ব্যবসা করবেন বলে নির্দেশ দেন। পরে দোকানীরা চলে যান।
ওই বাজারের দোকানীরা জানান পিন্টু মোল্ল্যা ও গিয়াস মোল্ল্যা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ এর সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান স¤্রাটের লোকজন। তাদের অত্যাচারে ওই বাজারের দোকানীরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন। এসময় অসহায় দোকানীরা তাদের বিচার দাবি করেছেন সাভার উপজেলা প্রশাসনের কাছে।
এবিষয়ে আশুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজ বাজারের ইজারাদার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হয়নি।
খাদ্য অধিদপ্তরের এসব সরকারী ত্রানের চাল বাহিরে সাধারনরে কাছে বিক্রিয় করা হচ্ছে বস্তাপতি ৮শো টাকা করে।
এব্যাপারে উপজেলার কাউনদিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সামাদ নগর এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় হত দরিদ্রদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য অধিদপ্তরের সরকারী ত্রানের চাল বিক্রয় করা হয়েছে। ওই এলাকার আবদুল এর বাড়ির ভাড়াটিয়া শেফালী বেগম বলেন, এলাকার স্থানীয় রুবেলের দাদী তাকে ডেকে নিয়ে চাল বিক্রয় করা হবে বলে জানান।
পরে এ ব্যাপারে রুবেলের দাদীর সাথে খাদ্য অধিদপ্তরের ৩০ কেজির প্রতিবস্তা চাউল ৮শো টাকা দরে মিটহয়ে। এসময় তিনি ২৪ শো টাকা দিয়ে তিনবস্তা চাউল নেন তার কাছ থেকে।
এসময় ফাতেমা নামে আরো একজন ভাড়াটিয়া বলেন, তরকারী বিক্রিয় করে তারকাছ থেকে শুনেছি কমদামে চাউল বিক্রয় করা হচ্ছে। পরে খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে ৮ শো টাকা দিয়ে একবস্তা চাল নিয়েছেন তিনি।
এদিকে এঘটনায় স্থানীয়রা এব্যাপারে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, করোনা ভাইরাস মহামারীর কারনে লক ডাউনে পড়া কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় দিনমুজুরদের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার তাদের মাঝে বিতরন না করে নেতারা টাকার লোভে বাহিরে বিক্রিয় করছে এটা খুভ লজ্জা জনক ব্যাপার। প্রশাসন যদি কাউনদিয়া ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের বাড়িতে অভিযান চালায় তাহলে বিপুল পরিমান ত্রানের চাল উদ্ধার হবে।
তারা বলেন, দলের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য বিএনপি জামায়াত থেকে ডিকবাজি মেরে কিছু সুবিধাবাদী নেতাকর্মীরা আওময়ামীলীগে অনুপ্রবেশ করেছেন। তাই প্রধানমন্ত্রীর উপহার অসহায়দের কে না দিয়ে যারা চুরিকরে বাহিরে বিক্রিয় করে অতিদ্রুত তদন্তের মাধ্যমে তাদের অতিতের খবর নিয়ে আইনের আউতায় আনা উচিত।
এছারাও স্থানীয়রা আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহার অসহায়দের মাঝে বিতরন না করে বাহিরে বিক্রয় করে প্রধানমন্ত্রী ও দলের ভাবমূর্তি যারা ক্ষুন্ন করেছেন অতিদ্রুত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে এসব চাল চোরদের অতিতের খবর নিয়ে বিচারের মুখোমুখি দাড় করানো দাবি জানান স্থানীয়রা।
এব্যপারে কাউনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শান্ত খানের মুঠোফোনে ০১৭১১-৫৩৪৭৬৬,০১৬৭৪১৭৫৯৩৮ নাম্বারে একাধিকবার বার যোগাযোগ করা হলে সে ফোনটি রিসিভ করেনি।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : দেশে করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারনে সরকারি অফিস বন্ধ থাকার সুযোগে এলাকার একশ্রেণির অসাধু মৎস্যজীবিরা সুযোগ বুঝে গড়াই নদীতে আড়াআড়িভাবে মশারী জালের মাধ্যমে শক্ত পাটা বাঁধ দিয়ে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও মাছের রেণু অবাধে নিধন করছে ।মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের লাঙ্গলবাঁধ বাজার এলাকা থেকে শুরু করে নাকোল ইউনিয়নের রাজধরপুর পর্যন্ত গড়াই নদীতে অসংখ্য মশারী জালসহ বাঁশ ও বাঁশের চটা দিয়ে পাটা তৈরী করে নদীতে আড়াআড়িভাবে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করা হচ্ছে । এছাড়াও অত্যন্ত ঘন মিহি দীর্ঘ মশারী জাল দিয়ে নদীর বিস্তৃর্ণ এলাকা ঘিরেও মাছ শিকার করা হচ্ছে অহরহ । এ প্রক্রিয়ায় মাছ শিকারের ফলে মা মাছসহ সকল প্রকার মাছ নিধন তো হচ্ছে বটেই ! বরং অপরদিকে মাছের রেণুও ধ্বংশ হচ্ছে ব্যাপকহারে ।
বিশেষকরে ফাল্গুণ,চৈত্র ও বৈশাখ মাসে যখন নদীর পানি শুকায়ে যায় ঠিক তখনই এ মৎস্য খেকোরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে । মৎস্যজীবিদের মধ্যে অধিকাংশ মৎস্যজীবি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মদদপুষ্ট হয়ে তাদের ছত্রছায়ায় থেকে এধরণের অপকর্ম করছে। তবে সরকারি নজরদারীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,ইউপি সদস্য ও সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা এবিষয়ে এগিয়ে আসার প্রয়োজন । নইলে অদূর ভবিষ্যতে নদীর প্রাকৃতিক মাছ বিলুপ্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলার ১নং গয়েশপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান লিটু জানান, বৃহত্তর গড়াই এবং মাঝারী কুমার নামে দুটি নদী শ্রীপুর উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে প্রবাহিত ।
নদীতে এখনও যে পরিমান প্রাকৃতিক মাছ রয়েছে তা যদি সংরক্ষণ করা হয় তাহলে এলাকার মাছের চাহিদা পুরণ করেও অন্য জেলাতে বিপুল পরিমান মাছ রফতানি করা সম্ভব । আর যদি সংরক্ষণ করা না হয় তাহলে অদূর ভবিষ্যতে নদীর প্রাকৃতিক মাছ খাওয়া তো দূরের কথা মাছ দর্শনই দুঃষ্প্রাপ্য হয়ে যাবে।
তাই কর্তব্য হবে নদী ও নদীর মাছ রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি ইউপি চেয়ারম্যান ও সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের এগিয়ে আসা এবং যারা নিয়ম বহির্ভূতভাবে নদীতে মাছ শিকার করছে তাদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা ।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা(অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ শরীফ হাসান সোহাগ বলেন,গত বছর মোবাইল কোর্টে মাধ্যমে এ ধরনের পাটা বাঁধ উচ্ছেদ করা হয়েছিল কিন্তু এবছর করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারনে অফিস ছুটি থাকার কারণে হয়তবা যে কেউ সেই সুযোগে পাটা বাঁধ ব্যবহার করে মাছ শিকার করলেও করতে পারে । তবে বিষয়টি আমার জানা নেই । সুযোগ বুঝে যে কোন সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশে বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ প্রতিরোধে অধিক ভুমিকা রাখছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী।আর সে ক্ষেত্রে দেশের পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা নিজ জীবনের ঝুকি নিয়ে বিভিন্ন কর্মকান্ডের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায়, সচেতনতা সৃষ্টি, হোম কোয়ারেন্টাইন বজায় রাখা সহ কর্তব্য পালন করতে গিয়ে অনেকেই আক্রান্ত হওয়া সহ
জীবন হারাতে হয়েছে পুলিশ সদস্যের।
দেশে করোনা তৎপরতায় পুলিশের কোন ব্যক্তিগত সুরক্ষা পোশাক পিপিই না থাকায় জেলা পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন জেলা পুলিশের সকল সদস্যদের সুরক্ষিত থাকার জন্য অফিসার ও ফোর্সদের মাঝে পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাোভস বিতরণ পূর্বক কর্তব্যরত অবস্থায় এগুলো ব্যবহার নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর দেশের মহামারি করোনা ভাইরাসের মধ্যেও জনগনকে সেবা দেয়ার লক্ষ্যে তথা দেশের মানুষকে বাঁচাতে পুলিশ সদস্যদের বেতন থেকে সরকারি তহবিলে আর্থিক অনুদান প্রদান, হ্যান্ড স্যানেটাইজার, মাক্স বিতরন সহ রেশন থেকে আংশিক রেশন বিতরন করেন। তারপরও দেশ রক্ষা তথা দেশের মানুষকে বাঁচাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করার মাধ্যমে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
ঝালকাঠি সর্বদা সচেতন রাখাসহ জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে ঝালকাঠি জেলা পুলিশের সকল অফিসার ও ফোর্স সদা জাগ্রত।
স্টাফ রিপোটার :বিশ্ব এখন করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে আতঙ্কিত। সারা বিশ্ব আজ করোনা ভাইরাসের কাছে জিম্মি! করোনাভাইরাস গোটা বিশ্বকে অচল করে দিয়েছে।করোনার সঙ্গে মানুষের লড়াই জীবন-মৃত্যুর।বাংলাদেশেও করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত। নতুন আক্রান্ত রোগী ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই।
প্রত্যেকটি মানুষকে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। প্রতিটি যুদ্ধের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, অনেক শ্রেণীর লোক থাকে। এর মধ্যে কেউ যোদ্ধা কেউ স্বেচ্ছাসেবী, কেউ ডাক্তার, কেউ বুদ্ধিজীবি, কেউ বা আবার কলম সৈনিকও থাকে।
আমাদের এই মহামারী করোনা ভাইরাসের মধ্যে ডাক্তারদেরকে অগ্রসৈনিক হিসেবে গণ্য করতে হবে। এর পর দেশের আইনশৃঙ্খলারক্ষকারী বাহিনী ও গন মাধ্যম কর্মী, করোনা প্রতিরোধে মাঠে আছেন। তাদের সাথেও আমাদের সমন্বয় করে কাজ করে যেতে হবে।
করোনা একটি যুদ্ধ আর এই যুদ্ধে সকলের সমন্বয়ে এটিকে পরাজিত করতে হবে। বর্তমানে হাসপাতাল গুলোতে ডাক্তারদের হাহাকার লক্ষ্য করা যায় করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মাঝে। বাঙালী জাতী যেহেতু আবেগ প্রবণ জাতী। এ বাঙালী জাতী অল্পেই সন্তুষ্ট থাকে আবার অনেক পেয়েও সন্তুষ্ট হয় না!
এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমি আমার নিজস্ব একটি চিন্তাধারা থেকে চিন্তা করে দেখলাম। যে সমস্ত রোগীরা আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইনে আছে এবং যারা করোনা ভাইরাস টেষ্ট করতে হাসপাতালে যায় তাদের মধ্যে মনোবল চাঙ্গা করার জন্য একদল স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন। যারা কিনা রোগীদের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে বুঝিয়ে শুনিয়ে নিয়ম মেন্টেইন করাতে পারে এবং তাদের মধ্যে করোনার আতঙ্ক দূর করতে পারে।
আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা নার্স ও ডাক্তারদের সাথে কো-অপারেটিভ করে এবং সার্বক্ষনিক রোগীদের সন্নিকটে থাকে তাহলে রোগীরা আস্থা এবং মনোবল ফিরে পাবে। এতে করে রোগীরা চাঙ্গা হবে। আমার মনে হয় আমাদের থেকে একজন স্বেচ্ছাসেবী বের করতে পারলে দেশ থেকে এ ভাইরাসটি অতি দ্রুত নির্মূল হবে।
এ লক্ষ্যে আমরা স্বেচ্ছাসেবীদেরকে বিনা পারিশ্রমিকে আমাদের স্বজ্ঞানে ও স্ব-ইচ্ছায় উদ্বুদ্ধ হয়ে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে।
ইতি মধ্যে এই স্বেচ্ছাসেবী টিমের ব্যাপারে আমাদের অধিকার নামে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল সম্পাদক এবং বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মানণীয় সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মহাদয়ের সাথে আলাপ করেছেন।
তিনি মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশের মুখে বিস্তারিত শুনে খুশি হয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান করেছেন।
এছাড়াও মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ এর বন্ধুবর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার (১) খুরশিদ আলম এর সাথেও এ ব্যপারে আলাপ করেছেন। তিনি তাকে বলছেন,দেশের ক্রান্তিলগ্নে তোমার এই সুন্দর চিন্তাধারা এবং সেচ্ছাসেবী টিম অতান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। তুমি তোমার স্বেচ্ছাসেবী টিমের নামের তালিকা করে আমাকে দাও।
আমি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তালিকা পাঠাবো এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এর সাথে কথা বলে তোমার স্বেচ্ছাসেবী টিমের সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো। যাতে তুমি তোমার স্বেচ্ছাসেবী টিম নিয়ে জরুরী সেবায় কাজ করতে পারো। আমাদের সার্বিক আমাদের সহযোগিতা থাকবে তোমার এবং স্বেচ্ছাসেবী টিমের সাথে। সবাই ভালো ও সুস্থ থাকুন।
আপনারা যারা দেশের ক্রান্তিলগ্নে দল,মত,জাত,ধর্ম নির্বিশেষে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী। আমার সাথে যোগাযোগ করুনঃ মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশ ফোনঃ০১৭৪০৫৯৯৯৮৮,০১৭১৫৬০৭৫৫৫
রাসেল ইসলাম ,বেনাপোল প্রতিনিধি: অদৃশ্য মহামারি কোভিড-১৯,করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরন ব্যবহার অতি আবশ্যকীয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভয়ঙ্কর এই ভাইরাসটি মানুষের সংস্পর্শে সংক্রমিত হয়,আর সে কারনেই স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরন ব্যবহার অতি জরুরী।
এ বিষয়ে তারা পার্সোনাল প্রটেক্ট ইক্যুইপমেন্ট(পিপিই) ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের সাধ্যমত নাগরিকদেরকে পিপিই পরিধানে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
বাংলাদেশেও ক্রমান্বয়ে এর ব্যবহার প্রচলিত হচ্ছে। তবে প্রয়োজনমত সরবরাহ না থাকায় এবং দামের ক্ষেত্রে ক্রয় ক্ষমতার উর্ধ্বে হওয়ায় এটা সকলে ব্যবহার করতে পারছে না। যার ফলে ভয়াবহ এই সংক্রমন ভাইরাসটি থেকে রক্ষা পেতে ঝুকি থেকেই যাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় যারা মাঠে-ময়দানে কাজ করছেন অর্থাৎ ডাক্তার,নার্স,পুলিশ বাহিনী,প্রতিরক্ষা বাহিনী সহ অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী’র প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকদের মাঝে সরকার ইতোমধ্যেই কিছু কিছু পিপিই প্রদান চালু রেখেছেন। সরকারের কার্যক্রমের পাশাপাশি সমাজের ব্যাক্তি বিশেষ,সমাজ সেবক, রাজনৈতিকদল এবং ছোট-বড় সামাজিক সংগঠন গুলো ঝুকিপূর্ণ পেশার মানুষ গুলোর জন্য তারাও পিপিই প্রদান করছেন।এ পর্যায়ে বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছা সেবকলীগ ব্যয় বহুল এবং ব্যাতিক্রমী এই কাজটি তারা হাতে নিয়েছে।
রবিবার(৩রা মে)সকালে তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে যশোর জিলার শার্শা উপজিলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের পিপিই প্রদান করেছেন। তাদের আজকের পিপিই প্রদানের স্থানগুলো হলো-শার্শা উপজিলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়, পোর্ট থানা বেনাপোল,বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস, এন এস আই বেনাপোল দপ্তর, ডিজিএফআই বেনাপোল দপ্তর, পিসি,আনসার(বেনাপোল স্থল বন্দর) এবং সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোল।
পৌর স্বেচ্ছা-সেবকলীগের পক্ষ থেকে বিতরন কার্যক্রমে অংশ নেন সংগঠনটির সভাপতি- মোঃ জুলফিকার আলী মন্টু,সাধারন সম্পাদক-মোঃ কামাল হোসেন এবং দপ্তর সম্পাদক- নাজিম উদ্দিন রাব্বি। পর্যায়ক্রমে অত্র উপজিলার অন্যান্য সকল প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকদের পিপিই প্রদান করা হবে বলে নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: আর দশটি ছেলের মত শার্শা উপজেলার অবহেলিত জনপদের ছেলে মিজানুর রহমান। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগতা যোগ্যতা না থাকলেও সে নিজ মেধা গুনে এখন দেশের সেরা উদ্ভাবক। ইতিমধ্যে সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মন্ত্রী, সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হাত থেকে তার মেধা গুনের জন্য এবং তার উদ্ভাবনি আবিস্কারের জন্য পুরস্কারপ্রাপ্ত হয়েছেন। এই উদ্ভাবকের তার উদ্ভাবানি পেশার পাশাপাশি রয়েছে একটি মায়ার, ভালবাসার হৃদয়।
তাই করোনা দুর্যোগের সময় সে যশোরের শার্শার এ প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্ত ছুটে চলেছেন অসহায় রাস্তার পাশে, ছাদের নীচে যারা শুয়ে থাকে যাদের খবর কেউ নেয়না সেই ভবঘুরে পাগল, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী মানুষ ও বেওয়ারিশ অভূক্ত কুকুরকে খাবার বিতরন করে।
যশোরের সেই দেশসেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমান মিজান বেওয়ারিশ অভুক্ত কুকুর, ভিক্ষুক, পাগল, প্রতিবন্ধী ও ভবঘুরে মানুষের মাঝে একবেলা খাবার তুলে দিচ্ছেন। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের থাবায় সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পড়েছে দিনমজুর ও শ্রমজীবি মানুষ। তবে তাদের সাহায্যার্থে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে পাশে আছেন সরকার, অনেক মানুষ ও প্রতিষ্ঠান কিন্তু বেওয়ারিশ অভুক্ত কুকুর, ভিক্ষুক, পাগল ও ভবঘুরে মানুষগুলোর কথা ভাবছেন কয়জন ? করোনা আতঙ্কে যশোরের শার্শা উপজেলার সব জায়গাতেই থেমে গেছে মানুষের কোলাহল। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, বেকারি। এতে করে খাদ্য সংকটে পড়েছে পাগল, প্রতিবন্ধী, ভবঘুরে মানুষ ও বেওয়ারিশ কুকুরগুলো। কেননা হোটেল-বেকারির উচ্ছিষ্ট খাবার খেয়েই বেঁচে থাকে এ প্রাণীটি। আবার রাস্তায় যখন মানুষের চলাচল থাকে অনেক মানুষের ভিড়ে কেউ না কেউ এই অসহায় পাগল গুলোর মুখে খাবার তুলে দেন। তবে আজ সবই বন্ধ তাই মানবিক কারণে করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিজের তৈরি স্কুটি চালিয়ে পাগল ও অভুক্ত কুকুরদের খাবার দিয়ে যাচ্ছেন মিজানুর রহমান মিজান।
শার্শা উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, উদ্ভাবক মিজান বেওয়ারিশ অভূক্ত কুকুর, পাগল ও ভবঘুরেদের খাবার দিচ্ছেন। করোনার সময় দীর্ঘ হওয়ায় যাতে তাদের খাবার দেওয়া বন্ধ না হয় সেজন্যই আমরা তাকে ৪সহযোগিতা করছি। রবিবার (৩ মে) পর্যন্ত টানা ৩২ দিন ধরে বেনাপোল বাজার, শার্শা উপজেলা সদর, নাভারন ও বাগআচড়া বাজারের ৫০-৬০টি কুকুরকে বিস্কুট, পাউরুটি, খিচুড়িসহ বিভিন্ন খাবার খাওয়াচ্ছেন। এসব বাজারের ভিক্ষুক, পাগল ও ভবঘুরে মানুষের জন্য সাদা ভাত কিম্বা খিচুড়ি রান্না করার পর প্যাকেট করে তাদের কাছে পৌছে দিচ্ছেন।
মিজানুর রহমান মিজান বলেন, লকডাউনের শুরুতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিলি, মাস্ক, হ্যান্ড সেনিটাইজার ও সাবান দিতে গিয়ে দেখেছি হাট বাজারে পাগল, প্রতিবন্ধী ও কুকুরগুলো অনাহারে কাঁদছে, হন্যে হয়ে খাবার খুঁজছে। তখন অনুভব করলাম এদেরও ক্ষুধা আছে, খাবারের জন্য ওরা হাহাকার করছে। করোনায় যখন রাস্তায় কোন মানুষই নেই এই মুহূর্তে তাদের পাশে দাঁড়ানো খুবই জরুরী, তাই সেদিন রাতেই এদের জন্য খিচুড়ি রান্না করে বেরিয়ে পড়ি। আজ ৩০ দিন যাবত কুকুরগুলোকে একবেলা করে খাবার দিচ্ছি। মাঝে মধ্যে শার্শা থেকে ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলাতেও যাচ্ছি।
মিজান বলেন, কুকুরগুলো এখন আমাকে অসম্ভব ভালোবাসে। রাস্তায় যখনই বের হই তারা আমার পিছু নেয়। আমার দোকানের সামনেও ১০-১৫টি কুকুর সার্বক্ষণিক থাকে। ওদের ভালোবাসা পেয়ে আমি মুগ্ধ। আমার এই কাজে সহযোগিতা করেছেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এসিল্যান্ড ও ফেসবুক বন্ধুরা।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল বলেন, দেশসেরা উদ্ভাবক মিজান উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে যেসব ভবঘুরে পাগল, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী ও কুকুর থাকে তাদের মাঝে প্রতিদিন খাবার সরবরাহ করছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু সহযোগিতা করার প্রয়োজন আমরা করছি।
আশরাফ হোসেন পল্টু, মাগুরা, প্রতিনিধি :মাগুরায় করোনা ভাইরাসের কারণে ভিক্ষুকদের মাঝে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদ। তারা পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত ৩৮৫ জন ভিক্ষুকের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় মাগুরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী দেয়া হয়। এ সময় সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু নাসির বাবলু, রাঘবদাইড় ইউপি চেয়ারম্যাান আশরাফুল আলম বাবুল ফকির, জগদল ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, কুছুন্দি ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ও হাজরাপুর ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সুফিয়ান জানান, আমরা করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব এড়াতে সদরের ১৩ ইউনিয়নের মাঝে ইতিমধ্যে গরীর, দুস্থ, অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এবার পৌরসভা ও সদরের ১৩ ইউনিয়নের ৩৮৫ জন তালিকাভুক্ত প্রতি ভিক্ষুককে দেয়া হল নগদ পাঁচশত টাকা ও খাদ্য সামগ্রী। বিতরণকৃত খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল ৫ কেজি, আলু ৩ কেজি, চিনি ১ কেজি ও ডাল ১ কেজি।
মাগুরা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জাহিদুল আমিন জানান, করোনার মাঝে জেলায় গরীর, দুস্থ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর। জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর অসহায় মানুষের সাহাযোর্থে ধাপে ধাপে ৬ লক্ষ টাকা প্রদান করবে। রবিবার পৌরসভা ও সদরের ১৩ ইউনিয়নের ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী ভিক্ষুকদের মাঝে নগদ ১ লক্ষ ৯২ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করেছে। পরবর্তীতে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এ নগদ অর্থ সহায়তা দেয়া হবে।