27 C
Dhaka, BD
সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

মাগুরার শ্রীপুরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা,দোকানদারকে মারপিট,টাকা ছিনতাই

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল বাজারের মোস্তাক ষ্টোর নামক এক প্রতিষ্ঠিত মুদি দোকানে জাহাঙ্গীর বিশ্বাস (৪৮)নামে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে দোকানের মালিক মোস্তাক বিশ্বাস(৪৯)কে মারধর করে প্রায় ৩৬ হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্যাতনের শিকার মোস্তাক ষ্টোরের মালিক মোস্তাক বিশ্বাস সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন,তিনি নাকোল বাজারের একজন পুরাতন প্রতিষ্ঠিত মুদি দোকানদার । করোনা ভাইরাসের কারণে প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার বিকেল ৫টার দিকে তিনি দোকানের কাজ-কর্ম সেরে বাড়িতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ।

এমন সময় নাকোল গ্রামের মজিদ বিশ্বাসের পুত্র জাহাঙ্গীর বিশ্বাস পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তেল মাপা বাটখারা নেওয়ার অজুহাতে মোস্তাকের দোকানে ঢুকে দোকানের মধ্যেই তাকে জামার কলার ধরে এলোপাতাড়ি মারধর করে আহত করে। সন্ত্রাসী হামলায় আহত ব্যবসায়ী মোস্তাক বিশ্বাস অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তখন তাকে সন্ত্রাসীরা ছেড়ে দিয়ে দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে ৩৫ হাজার ৭’শত টাকা ছিনতাই করে সটকে পড়ে । জাহাঙ্গীর বিশ্বাস এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধরের সময় কেউ তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেনি । পরে তার পরিবারের লোকজন সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায় । বিষয়টি নিরসনের জন্য নাকোল বাজার ব্যবসায়ী সমিতিকে অবগত করা হলেও করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারনে অদ্যবধি কোন সমাধান হয়নি বলেও জানা যায়।

এবিষয়ে প্রতিবেশী দোকানদার বিদ্যুত সাহা বলেন, আমার সামনেই মোস্তাক বিশ্বাসকে দোকানেই মধ্যেই মারধর করা হয়েছে। তবে জাহাঙ্গীর প্রভাবশালী হওয়ায় মোস্তাককে মারধরের সময় তাকে প্রতিহত করতে পারিনি ।

নির্যাতিত ব্যবসায়ী মোস্তাকের ছোট ভাই আছাদুজ্জামান বিশ্বাস ওরফে আসাদ জানান,তার বড়ভাই মোস্তাক বিশ্বাস নাকোল বাজারের একজন নিরীহ ব্যবসায়ী । জাহাঙ্গীর অন্যায়ভাবে তার ভাইয়ের দোকানে ঢুকে মারধর করেছে এবং ক্যাশ বাক্স থেকে প্রায় ৩৬ হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়েছে । বিষয়টি প্রতিবাদ করায় জাহাঙ্গীর বিশ্বাস ও তার লোকজন তাকে নারী নির্যাতন ও মিথ্যা চুরি মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করার ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে বলেও অভিযোগ করেন ।

এবিষয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বলেন, বাজারের মুদি দোকানদার মোস্তাকের নিকট তেল মাপা বাটখারা আনতে গিয়ে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ি । বাক-বিতন্ডার একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয় । হাতাহাতির মধ্যে মোস্তাকের মারধরের পরিমানটি একটু বেশি হয়ে যায় । তবে সে দোকানদারকে মারধরের বিষয়টি স্বীকার করলেও দোকান থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওইদিন সন্ধ্যায় মোস্তাক,আছাদসহ তিনভাই লোকজন নিয়ে তার বাড়িতে হামলা করেছে এবং হামলার সময় তার বাড়ি থেকে দেড় লাখ টাকা হারিয়ে যায়। টাকাগুলি কে বা কারা নিয়েছে,তা তিনি সঠিক করে বলতে পারেননি ।

এবিষয়ে নাকোল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ শাহজাহান মিয়া জানান,তারা উভয়ই একই গোষ্টির লোক । সাধারণ বিষয় নিয়ে তাদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি কারণে সংঘাত সৃষ্টি হয়েছে । তবে সুযোগ বুঝে এর একটি সমাধান করা হবে ।

এবিষয়ে নাকোল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস,আই প্রসেনজিৎ বিশ্বাস বলেন,বাজারের গোলমালের বিষয়টি তার জানা নেই । তবে কোন পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

সাভারে দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকের উপর হামলা

সাভার প্রতিনিধি: ঢাকার সাভারে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এক সংবাদ কর্মীকে লাঞ্চিত এবং মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী ওই সংবাদ কর্মী সাভার মডেল থানায় বিষয়টি জানিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, জাতীয় দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সাভার প্রতিনিধি মোঃ ওমর ফারুক শনিবার সকালে পৌর এলাকার টিয়াবাড়ি মহল্লায় করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লোকসমাগম ঘটিয়ে বিরোধপূর্ন জমিতে কাজ করার একটি সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে উপস্থিত হয়ে তিনি সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেনের উপস্থিতিতে দুই উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করেন এবং স্থির চিত্র ধারন করেন। একপর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতিতে আজাহারুল ইসলাম পিচ্চি নামে এক ব্যক্তি সংবাদকর্মী ওমর ফারুকের উপর হামলা চালায় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করে তার মোটরসাইকের চাবি ছিনিয়ে নেয়। এসময় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সহযোগীতায় তিনি সেখান থেকে উদ্ধার হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এব্যাপারে সাংবাদিক ওমর ফারুক বলেন, আমি বিরোধপূর্ন জমিতে কাজ করার ছবি তুলা মাত্রই সেখানকার দায়িত্বরত ত্বত্তাবধায়ক আজহাজরুল পিচ্চি আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে সে আমাকে মারধর করে মোটরসাইকেলের চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় সেখান থেকে ফিরে এসে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, সংবাদ কর্মীর উপর হামরার বিষয়টি শুনেছি এবং লিখিত অভিযোগও পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রæত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কুমিল্লা দেবীদ্বার বড়শালঘরে ৫০০শ অসহায় পরিবারকে সহায়তাদান

এ আর আহমেদ হোসাইন,(কুমিল্লা)প্রতিনিধি : কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়ন পরিষদ’র ওয়ার্ড ভিত্তিক ৫০০শত অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে করোনার সংকট মোকাবেলায় ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি হাজী আব্দুল আউয়াল তার নিজ অর্থায়নে বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়নের প্রভাতি হ্যাচারীর সংলগ্ন হাফিযিয়া মাঠে প্রতিটি অসহায় পরিবারের মাঝে চাউল, ডাল, আলু, তৈলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।ওই খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান হাজী আবুল কাশেম (ওমানী), স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নুরুল আমিন৷উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাংবাদিক ইকবাল হোসেন রুবেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।

ওই ত্রান সামগ্রী বিতরনকালে করোনা মহামারী থেকে দেশ ও বিশ্ববাসীর সকল মানুষ মুক্তির জন্য উপস্থিতিগন মহান আল্লাহর নিকট বিশেষ দোয়া ও মোনাযাত করেন।

ধামরাইয়ে দুইজন করোনা পজিটিভ সনাক্ত

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকা সহ দেশের কয়েকটি জেলা উপজেলায় শত শত করোনা রুগীর খবর পাওয়া যাচ্ছিলো।সেখানে ঢাকার ধামরাইয়ে গতকাল পযন্তও ছিলোনা কোন করোনা আক্রান্তের খবর, কিন্তু হঠাৎ করেই আজ ১৬,৪,২০২০ইং ধামরাইয়ে করোনা আক্রান্ত এই প্রথম দুইজন রোগী শনাক্ত হয়েছে।করোনা শনাক্ত রোগির বাড়ী ধামরাই উপজেলার ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের মোঃ শামীম হোসেন। তিনি ঢাকা জেলা প্রশাসকের সাধারণ শাখার অফিস সহকারী এবং ধামরাই সরকারী হাসপাতালের একজন স্টাফ করোনা আক্রান্ত হয়েছে।

গত কয়েকদিন আগে শামীম নিজ গ্রামের বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে ধামরাই উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূর রিফফাত আরাসহ একটি টিম গিয়ে ওই ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে এবং ধামরাই উপজেলা হাসপাতালের স্টাফ টিকেট কাউন্টারে কর্মরত মোসাঃ আয়শা আক্তার (ময়না)কে সহ গতকাল নমুনা পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআর এ পাঠানো হয়।আজ দুপুরে তাদের দুইজনের রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নূর রিফফাত আরা জানান, সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যারা করোনা পজিটিভ রোগীর সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা আছে, তাদেরকে আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি ধামরাইয়ের সকলকেই আরো অনেকে সচেতন থাকার কথাও বলেন।

ফক্কা নাসিরের সন্ত্রাসী হামলায় চেয়ারম্যান লাঞ্চিত হওয়ায় তীব্রনিন্দা এবং ক্ষোভ জানিয়েছে পুটখালী গ্রামবাসী।

বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী ৫নং পুটখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মাষ্টার হাদিউজ্জামানের উপর ফক্কু নাসিরের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্রনিন্দা এবং ক্ষোভ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে পুটখালী গ্রামবাসী।গত ১৩ এপ্রিল সোমবার পুটখালী’র ফক্কা নাসির(বর্তমানে বহিরাগত) তার বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে চেয়ারম্যান-মাষ্টার হাদিউজ্জামানের উপর অতর্কীতে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান হাদীউজ্জামান মারাত্মক জখম ও লাঞ্চিত হন। অপমানজনীত এমন কর্মকান্ডে ঐ সময় গ্রামবাসীরা ঘটনা স্থলে ছুটে যায় এবং চেয়ারম্যান কে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে উদ্ধার করে।

ঘটনাটিকে বিপরীতমূখী করতে ফক্কু নাসির বাহিনী একটি মিথ্যা মামলা রুজু করার পরিকল্পনা করে। এ ব্যাপারে তারা বেনাপোল পোর্টথানায় মিথ্যা মামলা করতে গেলে পোর্টথানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মামুন খান সেটি গ্রহন না করে তাদের কে ফেরৎ পাঠিয়ে দেন। এরপর তারা ক্ষীপ্ত হয়ে ঘটনাটিকে অন্যদিকে প্রবাহিত করতে গনমাথ্যম কর্মীদের স্মরনাপন্ন হয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের ব্যবস্থা নেয়।

একটি অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে ঘটনার মূলপর্ব থেকে সরে গিয়ে ঐ গ্রামের গবাদী পশু খামার ব্যবসায়ী মৃত বুদো মাষ্টারের ছেলে মো:নাসির উদ্দিন কে জড়িয়ে অভিযোগ সাজায়। অথচ ঐ খামার ব্যবসায়ী মো:নাসির উদ্দিন ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিল না। সংবাদটিতে প্রকাশিত হয় ফক্কু নাসিরের চার সহযোগী আব্দুল ওহাব,আব্দুস সামাদ,আনোয়ার হোসেন মো:ফারুক সহ অন্যান্য সহযোগীকে মারধরের অভিযোগসহ খামার ব্যবসায়ী নাসিরের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সীমান্তে গরু পাচার,মাদক এবং অস্ত্র ব্যবসার সাথে জড়িত বলে প্রচার কার্যক্রম চালায়,যা একজন সৎ এবং নিষ্ঠাবান ব্যবসায়ীর জন্য মানহানীকর।

বিষয়টি’র সত্য-মিথ্যা জানতে ইউপি চেয়ারম্যান-হাদীউজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ফক্বু নাসিরের মূল উদ্দেশ্য ছিল গরুর খাটাল দখলে আনতে চেয়ারম্যানের সহযোগীতা চাওয়া। চেয়ারম্যান তাতে রাজি না হওয়ায় ফক্কু বাহিনীরা তার উপর জামলা চালায়। ঐ সময় গ্রামবাসীর তাড়নায় সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। খামার ব্যবসায়ী নাসিরের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা না স্বীকার করেন।

এদিকে,বুদো সর্দারের ছেলে খামার ব্যবসায়ী মো:নাসির উদ্দিন ঘটনার সময় ছিল না বলে,সাংবাদিকদের কাছে তার বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে ছড়ানো মিথ্যা অপবাদ যারা দিয়েছেন, আমি তাতের শাস্তি’র দাবী জানাচ্ছি। সে সময় গ্রামবাসীর পক্ষে কথা বলে-শামছুজ্জোহর,মিজানুর রহমান,মফিজুর রহমান,আল আমিনএবং পুটখালি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক-মো:ফারুক হোসেন। ছাত্রলীগ নেতা ফারুক বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ সরকারের একটি শক্তিশালি প্লাটফর্ম,জনগন এবং সরকারের সাথে সরাসরি বন্ধুত্ব তৈরীর একটি মূল কেন্দ্রস্থল। জনগনের প্রতিনিধি হয়ে যিনি সরকারের সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করেন,তিনি হচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান।

কোন কারন বশত: বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দ্বারা তিনি যখন অপমানিত এবং লাঞ্চিত হন,তখন তার ব্যবস্থা সরকারকেই নিতে হবে,আমি এব্যাপারে মাননীয় এমপি মহোদয় আমাদের প্রাণপ্রিয় শার্শাবাসীর নেতা আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ঐ দিন ঘটনার সাথে জড়িত ফক্কু নাসির সহ তার বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনী’র প্রত্যেককেই আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক।

ঘটনাটির সত্যতা জানতে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, চেয়ারম্যান নিজে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেন। আমরা সুষ্ঠ তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহন করে দোষী ব্যাক্তীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

রাণীশংকৈলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৮০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

হুমায়ুন কবির রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ দেশব্যাপি প্রাণঘাতী করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত তহবিল থেকে ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসন গত ১৫ এপ্রিল বুধবার বিকালে দুই ইউনিয়নে ৪০০ করে মোট ৮০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এ ত্রাণ সামগ্রী উপজেলার হোসেনগাঁও ও নন্দুয়ার ইউনিয়নে – ভিক্ষুক, ভ্যান-চালক,দিনমজুর, শ্রমজীবি,কর্মহীন,হতদরিদ্র ৮০০ পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে ছিল ১০ কেজি চাল ১ কেজি ডাল ও ১ কেজি আলু।

বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কমল কৃষ্ণ, উপ-সহকারি প্রকৌশলী (পিআইও অফিস) তাজ-উদ্দীন, সহকারি ভূমিকর্মকর্তা জাহেরুল ইসলাম, ম্যাধমিক একাডেমিক সুপারভাইজার ওবায়দুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম ও জমিরুল ইসলাম, ইউনিয়ন সচিব দবিরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।

মাগুরা শ্রীপুরের দারিয়াপুর ইউ,পি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউএনও’র কাছে ১০ ইউ,পি মেম্বারের অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি :মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ৫নং দারিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন কাননের বিরুদ্ধে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীরের কাছে ঔই ইউনিয়নের ১০জন নির্বাচিত ইউপি মেম্বর অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন । লিখিত অনাস্থা প্রস্তাবে জানা যায়, উপজেলার ৫ নং দারিয়াপুর ইউ,পি’র ১০জন সদস্য চেয়ারম্যান জাকির হোসেন কাননের বিরুদ্ধে ৮টি অভিযোগ প্রস্তাব আনেন। অভিযোগগুলি হচ্ছে ট্যাক্সের টাকা থেকে সম্মানী ভাতা না দিয়ে নিজে আত্মসাৎ, মাসিক সভা না করা, টিআর, কাবিখা, চল্লিশ দিনের কর্মসূচি, এডিবি ইত্যাদি প্রকল্পের তালিকা সভা না করে নিজে দেওয়া, এলজিএসপি’র কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ, বয়স্ক, বিধবা, পঙ্গু, গর্ভকালীন ভাতা সদস্যদের মাধ্যমে না দিয়ে টাকার বিনিময়ে নিজে দেওয়া, ইউনিয়ন পরিষদের সকল কাজ কোন সভা না করেই নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়া, টাকার বিনিময়ে বয়স্ক ভাতার কার্ড সমাজের বিত্তবানদের মাঝে প্রদান করা ও সদস্যবৃন্দের সাথে অসদাচরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন করে নিজে সহি সম্পাদন করানো।

অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষরকারীরা হলেন,ইউপি সদস্য মোঃ লাভলু বিশ্বাস, মোঃ নবুয়ত আলী, মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন, মোঃ বিল্লাল হোসেন মোল্যা, মোঃ জামাল বিশ্বাস, মোঃ ইলিয়াস কাঞ্চন, হামজা, মোঃ আবু সাইদ, মোঃ নওশের আলী শেখ ও মমতা সমাদ্দার।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান জাকির হোসেন কানন বলেন, অনাস্থার বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে তাদের অভিযোগগুলি সঠিক নয়। আমি বিভিন্ন ভাতার কার্ড বিতরণের পূর্বে মাইকিং করে ইউএনও মহোদয় এবং ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে তৈরি করেছি। এছাড়াও অন্য সব অভিযোগগুলিও মিথ্যা। আমি নিজের জীবনকে বাজি রেখে জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে রাত-দিন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি।

বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীরের সাথে কথা বললে, তিনি সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইউপি সদস্যদের অনাস্থা প্রস্তাবের কপি গ্রহণ করা হয়েছে। অফিস খোলার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

,মাগুরা, তাং-১৬-০৪-২০২০,মোবাঃ ০১৭১৮২৪৮৫৯৯

ধামরাইয়ে মানব কল্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধমূলক সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ধামরাই রিপোটার্স ক্লাবের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের হাতে ওই সুরক্ষা সামগ্রী দেওয়া হয়।

ওই সময় ধামরাই রিপোটার্স ক্লাবের সহ সভাপতি হুমায়ুন রশীদ , সাধারণ সম্পাদক আদনান হোসেন , সহ সাধারণ সম্পাদক সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজন আহমেদ, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক সম্রাট আলাউদ্দিন, প্রচার ও প্রচারনা সম্পাদক জাকির হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আমজাদ হোসেন, সদস্য সোহেল রানা, মনোয়ার হোসেন রুবেল, সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত থেকে সুরক্ষা সামগ্রী গ্রহণ করেন। সুরক্ষা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে পিপিই, হ্যান্ড স্যনিটাইজার, সার্জিক্যাল মাক্স, সার্জিক্যাল ক্যাপ, হ্যান্ড গ্লাভস, ও সাবান।

মানব কল্যান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সবুজ সরদার বলেন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পেশাগত দায়িত্ববোধ থেকে সংবাদকর্মীরা কর্তব্য পালন করে যাচ্ছেন। মাঠ পর্যায়ে সাংবাদিকরা সব-সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সাংবাদিকরা অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন, তাই তাদের মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ধামরাইয়ে সেনা সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে আলামিন হোসেন (২৬) নামে এক সেনা সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বাইশাকান্দা ইউনিয়নের বাঘাইর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আলামিন হোসেন ধামরাই উপজেলার বাইশাকান্দা ইউনিয়নের বাঘাইর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। সে ২০১৮ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। আলামিন খাগড়াছড়ি জেলার মঙ্গলছড়ি ২৫ বেঙ্গলে কর্মরত ছিলো।

এবিষয়ে বাইশাকান্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিএম মাসুদ রানা বলেন, আজই আলামিনের কর্মস্থলে যোগ দেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সকালের দিকে সে আত্মহত্যা করে। বাসায় কোন ঝগড়া বিবাদ বা কোন ধরনের কথা কাটাকাটিও হয়নি। সম্ভবত কোন মেয়েলি ঘটনার কারণেই সে আত্মহত্যা করেছে।

পুলিশ জানায়, একমাস আগে সে ছুটিতে আসে। আজ তার কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিলো। সকালে ব্যাগ গুছিয়ে ফেরার প্রস্তুতিও সম্পন্ন করে সে। পরে নিজ ঘরে দরজা বন্ধ করে আত্মহত্যা করে আলামিন।

এবিষয়ে ধামরাই থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, আত্মহত্যা করা সেনা সদস্যের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

ঝালকাঠিতে নতুন করে একজন করোনা ভাইরাসে আক্রন্ত হয়েছেন

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে নতুন করে একজন করোনা ভাইরাসে আক্রন্ত হয়েছেন। এনিয়ে জেলায় মোট ৪ জন করোনা ভাইরাসে আক্রন্ত।

১৬/০৪/২০২০ইং তারিখ বৃহস্পতিবার ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা. শ্যামল কৃষ্ণ হালদার এ তথ্য জানিয়েছেন।

আক্রন্ত ব্যক্তি একজন ইউপি সদস্য । তিনি এর আগে ওই এলাকায় আক্রান্ত একই পরিবারের তিন জনের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। প্রাথমিক অবস্থায় তাকে বাসায় রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

গত ১১/০৪/২০২০ইং তারিখ ঝালকাঠিতে প্রথম এক পরিবারের তিন জন করোনা ভাইরাসে আক্রন্ত হয়।

এছারা গত ২৪ ঘন্টায় ঝালকাঠিতে ঢাকা ফেরত পুলিশের এসআই, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বরসহ ২৭৩ জনকে বাধ্যতামূলক হোমকোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

এদিকে ১৪ দিন পূর্ণ হওয়ায় ১৮৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ঝালকাঠিতে ঢাকা নারায়নগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েক শত লোক প্রবেশ করায় শহরের প্রবেশদ্বারে পুলিশি চেক পোষ্টের উপর জোর দেয়া হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে শহরে পুলিশের টহল।

সর্বশেষ আপডেট...