28 C
Dhaka, BD
বুধবার, আগস্ট ১৯, ২০২৬

ঝালকাঠির অটোরিকশা,ম্যাজিক ও রেন্ট-এ-কার শ্রমিকদের আর্তনাদ

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির অটোরিকশা, ম্যাজিক ও রেন্ট-এ-কার শ্রমিকদের জীবন অচল, যাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায় সেই রকম দিনমজুর খেটে খাওয়া শ্রমিকদের জীবন আজ বিপন্ন , মান সম্মানের ভয়ে কারো কাছে হাত পাততেও পারছেন না এ শ্রমিকরা।

স্ত্রী, সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন আর মনে মনে ভাবেন কিভাবে তাদের মুখের আহার যোগাবেন। কে দিবে তাদের খাবার।‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌ এক মাস হলো প্রায় কর্মহীন জীবন চলা।

বেশিরভাগ শ্রমিকই ঋণে জর্জরিত। কিস্তি দেয়া বন্ধ থাকলেও নতুন করে আর ঋণ নেওয়ার কোন সুযোগ নাই তাদের। নিত্য নতুন যাদের ইনকাম ছিল আজ তারা পকেট শূন্য খালি হাতে ঘরে বসে আছেন। চা, পান ও সিগারেট না খেলে যাদের সময় কাটতো না তাদের আজ একটি টাকাও নেই কিছু খাবার কিনতে। জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকে কেউ সাহায্য নিয়ে আসে কিনা তাদের বাড়িতে। কিন্তু কই কেউ তো আসছেন না তাদের সাহায্য দিতে। এ রকম অভিব্যক্তি জানালেন ভুক্তভোগী এক ড্রাইভার।

এ বিষয়ে কথা হয় ঝালকাঠি জেলা হিউম্যান হলার রাইডার ও ম্যাজিক পরিবহন সমিতির সভাপতি মোঃ নান্নু মুন্সির সাথে।

তিনি জানান, করোনা ভাইরাসে আমাদের শ্রমিকরা কর্মহীন হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত স্থানীয় কাউন্সিলর রেজাউল করিম জাকির সাহেব ৫ কেজি চাল, ১ কেজি আলু, আধা কেজি ডাল একবার সাহায্য প্রদান করছিলেন।

এছাড়া ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯২ জন ম্যাজিক শ্রমিকদের একবার চাল, ডাল, আলু, তেল, সাবান দিয়েছেন তাতে কয়েক দিন চলেছে আমাদের।

তিনি আরো জানান, ম্যাজিক ড্রাইভাররা চার চাকার গাড়ির ড্রাইভার। সবাই ভাবেন তারা ভালো আছে, আসলে আমরা মোটেও ভালো নেই, আমাদের দুর্দশা চরম আকার ধারণ করেছে।

অপরদিকে, অটোরিকশা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মানবাধিকার নেতা আবু সাঈদ খান জানান, আমি ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে আবেদন করলে তিনি প্রায় ২ হাজার শ্রমিকদের মধ্য হতে ৪শত জনকে ১০ কেজি চাল, ৫কেজি আলু, ২ কেজি ডাল, ২ কেজি তেল, ২ খানা সাবান দেন যা ৮০০ জন শ্রমিকের মধ্যে ভাগ করে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া অন্য আর কোন সাহায্য সহযোগিতা পায়নি অটোরিকশা শ্রমিকরা। তবে আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি সকলকে সাহায্য সহযোগিতার আওতায় আনার জন্য।

অন্যদিকে, ঝালকাঠির প্রায় ৬০জন রেন্ট-এ-কার শ্রমিকরা একটু সৌখিন পেশায় নিয়োজিত থাকায় তাদের দিকে চোখ পড়ছে না কারো।

আসলে দৈনন্দিন খেটে খাওয়া এই মানুষগুলো করোনাভাইরাস আতঙ্কে কর্মহীন হ‌ওয়ায় চরম দুর্দশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। কেউ তাদের খোঁজ খবর নিচ্ছে না বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভুক্ত ড্রাইভার। ম্যাজিক পরিবহন, অটো রিক্সা ও রেন্ট এ কার ড্রাইভারগণ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট তাদের প্রতি সদয় সুদৃষ্টি রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন।

দেবীদ্বারে করোনা উপস্বর্গে আবারও মৃত্যু নারায়নগঞ্জে মৃত ব্যক্তি দেবীদ্বারে দাফন

এ আর আহমেদ হোসাইন (কুমিল্লা)প্রতিনিধি : কুমিল্লা দেবীদ্বার করোনা উপস্বর্গ নিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু এবং নারায়নগঞ্জে করোনা উপস্বর্গ নিয়ে মৃত: অপর এক ব্যক্তিকে নিজ এলাকায় এনে দাফন করার সংবাদ পাওয়া গেছে।

ওই ঘটনা দু’টি ঘটে উপজেলার ১০নং গুনাইঘর দক্ষিণ ইউপির কাশারিখোলা গ্রামে এবং একই ইউনিয়নের উজানিকান্দী গ্রামে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কাশারিখোলা গ্রামের মাঝি বাড়ির মৃত: হাজী দুধ মিয়া মাঝির ছেলে সহিদুল ইসলাম মাঝি(৫৫) রোববার সকাল ৭টায় করোনা উপস্বর্গ নিয়ে নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টেইনে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন। সে নারায়নগঞ্জে একটি ফ্যাক্টরীতে কাজ করতেন। অসুস্থ্য শরীর নিয়ে গত ১৫এপ্রিল বাড়িতে আসেন। বাড়ির লোকজন তাকে হোম কোরেন্টেইনে রাখার ব্যবস্থা করেন এবং হোম কোয়ারেন্টেইনে থাকা অবস্থায় রোববার সকাল ৭টায় তিনি মারা যান।

সংবাদ পেয়ে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডিজিজ কন্ট্রোল শাখার প্রধান ডাঃ অর্জুন সাহার নেতৃত্বে স্বাস্থ্য সহকারী মোঃ রুহুল আমীন ও টেকনেশিয়ান অলিউল্লাহ নমুনা সংগ্রহ করেছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আহাম্মেদ কবির।

অপর ঘটনাটি ঘটে গত শনিবারে। নারায়নগঞ্জ একটি ফ্যাক্টরীতে কর্মরত অবস্থায় দেবীদ্বার উপজেলার ওই একই ইউনিয়নের উজানিকান্দী গ্রামের বাচ্চু মিয়া (৬০) নামে এক ব্যাক্তি করোনা উপস্বর্গ নিয়ে নারায়নগঞ্জের নিজ বাসায় শুক্রবার দিবাগত রাতে মৃত্যুবরন করেন। তার স্বজনেরা রোবার সকালে মৃত: বাচ্চু মিয়ার মরদেহ নিজ গ্রাম উপজেলার উজানিকান্দী এনে দাফন করেছেন।

করোনার উপস্বর্গ নিয়ে মৃত: বাচ্চু মিয়ার জানাযা সম্পর্কে ১০নং গুনাইঘর দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম খান জানান, গতকাল শনিবার নারায়নগঞ্জ থেকে তার স্বজনেরা বাচ্চু মিয়ার মর দেহ নিয়ে আসার সংবাদ পেয়েই যথা নিয়মে মৃত: ব্যাক্তির দাফন ও কবর দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। যারা তাকে নিয়ে এসেছিল, তাদের বহনকারী এ্যাম্বুলেন্স থেকে নামতে দেইনি। জানাযা শেষে নারায়নগঞ্জ থেকে আসা মৃত; ব্যাক্তির স্বজনদের পুন:রায় নারায়নগঞ্জে পাঠিয়ে দিয়েছি।

দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিব হাসান জানান, কাশারিখোলা গ্রামের মৃত; ব্যাক্তির তথ্য নিয়েছি। তার নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত ব্যক্তির লক্ষণগুলো করোনার সাথে সংশ্লীষ্টতায় ঘাটতি রয়েছে। তার শ্বাসকষ্ট ছিল, নারায়নগঞ্জ থেকে ৪দিন পূর্বে নিজ বাড়িতে আসার পর থেকেই স্থানীয়রা তাকে হোম কোয়ারেন্টেইনে রেখেছিলেন। আপাতত পরিবারের লোকদের দূরত্ব বজায় রেখে নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছি আইইডিসিআর’র রিপোর্ট পজেটিভ হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ পর্যন্ত যতগুলো নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে সবগুলোর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এখন সিজনার জ্বর, সর্দী, কাসি, শ্বাসকষ্টের রোগী বেশী থাকবে, তাতে সব রোগিকে করোনা সন্দেহে মিলিয়ে দিলে হবেনা। করোনারলক্ষণগুলো আগে জানতে হবে, তারপর নিশ্চিত হয়ে আমাদের জানালে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। গনহারে সন্দেহের আবেগে সকলের নমুনা সংগ্রহ করা কঠিন, কারন আমাদের জনবল, ইকুইপম্যান্ট সে তুলনায় পর্যাপ্ত নেই। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন। বিচক্ষনতার সাথে আমাদের করোনা মোকাবেলা করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বলতে ব্যাক্তির দূরত্ব এবং মানবিক সামাজিক সহযোগীতা থাকতে হবে।

ইদানিং আরো একটি বিষয় লক্ষনীয়, সেটি হল,- নরায়নগঞ্জ, সাভার বা অন্যান্য ঝুকিপূর্ণ এলাকাগুলো লক ডাউন করা হয়েছে। সেখানকার লোকজন নিজ দায়িত্বে নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করার কথা থাকলেও তারা সেটি করছেননা।

কেউ কেউ প্রশাসনের লোকদের ফাঁকি দিয়ে ভিন্ন পথে বেড়িয়ে যাচ্ছেন। যেখানে আসছেন সেখানকার লোকজনও তাদের গ্রহন করতে চাচ্ছেননা। ফলে এদের মধ্যে মানবিক দূরত্ব ও সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এক্ষেত্রে যারা নিয়ম বহির্ভূতভাবে এসেই গেছেন, তাদের তাড়িয়ে না দিয়ে নিরাপত্তায় ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টেনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রশাসনকে অবহীত করে চিকিৎসকের পরামর্শে চলতে হবে। এক্ষেত্রে গোপনীয়তার কোন সুযোগ নেই। গোপনীয়তায় নিজের এবং পরিবারের যেমন ক্ষতি, তেমনি সমাজের অন্যদের ক্ষেত্রেও তেমনই ক্ষতির সম্ভাবনা থাকছে। আগতদের প্রতি কেউ অমানবিক আচরন করবেন না। তাতে নিজের মধ্যে অমানবিকতার প্রভাব পড়লে ধীরে ধীরে নিজের পরিবারের সদস্যদের প্রতিও অমানবিকতা প্রভাব পড়বে।

ফলে সমাজে মানবিকতা উবে যাবে। সামনের দিনগুলো আরো ভয়াবহ হতে পারে, এ অবস্থায় এখনই কেউ কাউকে সহযোগীতার মানষিকতা হারিয়ে ফেললে, সামনের দিনগুলোতে পরিবার, সমাজ আরো বেশী সংকটে পড়বে।

উপজেলার গোপালনগনর গ্রামে নারায়নগঞ্জ থেকে আসা একটি পরিবারকে পুনরায় নারায়নগঞ্জ ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ওই পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহযোগিতা ও গ্রাম ছাড়া করা লোকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারতাম।

বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস ১শ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: মহামারী করোনা ভাইরাসের দুর্যোগকালীন কর্মহীন দুস্থ অসহায় খেটে খাওয়া মানুষের সাহায্যার্থে আর্তমানবতার সেবায় বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স এর নিজ অর্থায়নে ১শ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। শনিবার(১৮ই এপ্রিল) সকাল থেকে বেনাপোলের বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের গাড়ি নিয়ে ১শ পরিবারের বাড়িতে গিয়ে এই খাদ্যসামগ্রী পোছে দেন বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ এর নেতৃত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বজলুর রহমান।

বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ বলেন,আমরা বেনাপোল ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স নিজেদের বেতনের টাকা দিয়ে ১শ পরিবারের মাঝে সামান্য একটু সহযোগীতা করার জন্য আমরা খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করি।

রাণীশংকৈলে আরো একজন করোনায় আক্রান্ত

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ   ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ১৮ এপ্রিল শনিবার আরো একজন ২৮ বছর বয়সী যুবকের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এদিন বিকেলে জেলা সিভিল সার্জন ডা: মোঃ মাহফুজার রহমান সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ নিয়ে রাণীশংকৈলে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো দুই জনে। গতকাল ১৭ এপ্রিল নতুন করে রাণীশংকৈলে একজন করোনা রোগী সনাক্ত হয়। ১৮ এপ্রিল আবারও রাণীশংকৈলে একজন করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি সনাক্ত হলো।

রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর আরএমও ডা: ফিরোজ আলম জানান, গতকালের পর আজ আরো একজনের নমুনায় করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। আক্রান্ত ব্যক্তির বয়স ২৮ বছর। সে রাণীশংকৈল উপজেলার উত্তরগাঁ এলাকার বাসিন্দা। ধারণা করা হচ্ছে সে নারায়ণগঞ্জ থেকে রাণীশংকৈল উপজেলায় এসেছে।

এ নিয়ে উপজেলায় এক শিশুসহ দুইজন করোনায় আক্রান্ত হলো। তাদের ২ জনকেই আইসোলুশনে রাখা হয়েছে।

সাভারের টিয়াবাড়ি মহল্লায় সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিককে মারধর

বিপ্লব, সাভার থেকে: সাভারে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এক সাংবাদিককে লাঞ্চিত এবং মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার সকালে সাভারের টিয়াবাড়ি মহল্লায় করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লোকসমাগম ঘটিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে কাজ করার খবর পেয়ে তার সংবাদ সংগ্রহ করতে ঘটনাস্থলে যান দেশ রূপান্তরের সাভার প্রতিনিধি মো. ওমর ফারুক।

সেখানে সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেনের উপস্থিতিতে দুই উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ ও স্থির চিত্র ধারন করেন তিনি।

একপর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতিতে আজাহারুল ইসলাম পিচ্চি নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিকের উপর হামলা করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করে তার মোটরসাইকের চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় সেখান থেকে উদ্ধার হন তিনি।

এব্যাপারে ভুক্তভোগী সাংবাদিক ওমর ফারুক জানান, ঘটনাস্থলে ছবি তোলার সময় আজহাজরুল পিচ্চি তাকে মারধর করে মোটরসাইকেলের চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে পুলিশের সহায়তায় সেখানে থেকে উদ্ধার হয়ে সাভার মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সাভার মডেল থানার অফিসার উনচার্জ (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিজস্ব অর্থায়নে পরিবহন শ্রমিক পরিবারের পাশে দাঁড়ালো নিসচা-ধামরাই শাখা।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) ঃ কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস মহামারির এই সময়ে নিরাপদ সড়ক চাই(নিসচা)- ধামরাই উপজেলা কমিটি পরিবহন শ্রমিক পরিবারের পাশে দাড়িঁয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই সকল পরিবহন শ্রমিক পরিবারের প্রতি সপ্তাহের খাবারের সহযোগিতা ও সরাবরাহ করবে তারা।শনিবার সকালে ধামরাইয়ে প্রথম ধাপে এই সকল পরিবারের মাঝে খাদ্য উপকরণ বিতরণের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শুরু করেন তারা। করোনা মহামারির পুরো সময় জুড়ে নিজস্ব অর্থায়নে এই পরিবারগুলো খাদ্য উপকরণ ও সামগ্রিক অন্যান্য সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। তবে এর আগে গত ১৪ই এপ্রিল নিরাপদ সড়ক চাই- ধামরাই উপজেলা শাখার উদ্যোগে এবং ধামরাই পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবিরের অর্থায়নে আরো ৬০টি এবং পৌর এলাকার ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আরিফুল ইসলামের সহযোগিতায় আরো ২০ টি পরিবহণ শ্রমিক পরিবারের মাঝে খাদ্য উপকরণ বিতরণ করে তারা।

বিগত প্রায় ১ মাসের লক ডাউন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের এই খেটে খাওয়া পরিবহন শ্রমিকের অধিকাংশই এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে। গাড়ির চাকা ঘুরলেই শুধুমাত্র যাদের পেট চলে তাদের জন্য এই করোনা পরিস্থিতি সামাল দেয়া কষ্টের। অধিকাংশ পরিবহণ শ্রমিকেরা এমন দুর্যোগপূর্ণ পরিবেশে পরিবারসহ মানবেতর জীবন যাপন করছে। তবে এই সংকট মুহূর্তে তাদের খোঁজ নেবার মতো এবং পাশে দাঁড়ানোর মতো মালিক পক্ষের দেখা মেলাই ভার। নিরাপদ সড়ক চাই – ধামরাই উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে বারংবার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে মালিক-শ্রমিক ভাই-ভাই হয়ে পরিবহণ শ্রমিকদের পাশে দাড়াঁনো হয়।

এই বিষয়ে নিরাপদ সড়ক চাই- ধামরাই উপজেলা শাখার সভাপতি মো: নাহিদ মিয়া জানান, সড়কে শৃঙ্খলা আনতে আমরা নিসচা সদস্যরা সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি। আর আমাদের কাজের সফলতা আনার পিছনে যারা আমাদের সবচাইতে সহযোগিতা করতে পারে, তারা হলেন আমার পরিবহন শ্রমিক ভাইয়েরা। এই সংকট সময়ে আমাদের পরিবহণ শ্রমিক ভাইদের পাশে দাড়াঁনোকে আমরা কর্তব্য বলেই মনে করি।

নিসচা – ধামরাই শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু রিফাত জাহান বলেন, মহামারির সময়ে পরিবহন শ্রমিকরো তাদের রোজগার করতে না পারায় কষ্টে জীবন যাপন করছে। আমরা আমাদের ধামরাইয়ের যে সকল পরিবহন শ্রমিকদের অবস্থা নাজুক, তাদের একটা তালিকা তৈরি করেছি। এর মধ্যে ২০ টি পরিবারের সম্পূর্ণ দায়িত্ব আমাদের সদস্যদের অর্থায়নে গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও আরো পরিবারকে সহযোগিতা প্রদানের জন্য আমরা বিভিন্ন মহলে চাপ প্রয়োগ করছি, যাতে যেভাবেই হোক এই শ্রমিকেরা এই দুর্যোগ মুহূর্ত পার করতে পারে।

নিসচা- ধামরাই শাখা গত প্রায় ১ মাস ধরে এই লক-ডাউন পরিস্থিতিতে প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। এর মধ্যে ত্রান বিতরণ, বাজারে সামাজিক দূরত্বে নিশ্চিতকরণে কর্মসূচি, ধামরাই থানা এবং পৌর মেয়রের সাথে করোনা মোকাবিলায় জনসচেতনতা সৃষ্টিতে অংশগ্রহন করে ইতিমধ্যে তারা প্রশংসনীয় হয়েছে।

উক্ত খাদ্য উপকরণ বিতরণে উপস্থিত ছিলেন,নিসচা ধামরাই শাখার সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম মিজানুর রহমান,সদস্য, আলম হাওলাদার, মোঃ নাঈম, মোঃশুকুর আলী, মোঃওয়াহিদ মিয়া প্রমূখ।

দেবীদ্বারে সালিশি ঘটনায় মেম্বার অপর মিমাংসাকারীকে মারধরের অভিযোগ

এ আর আহমেদ হোসাইন,(কুমিল্লা জেলা) প্রতিনিধি ঃ কুমিল্লা দেবীদ্বার ১৩ নং ধামতী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের পারিবারিক দ্বন্দ্বের সালিশিকে কেন্দ্র করে মেম্বর জাহাঙ্গীর(৫০)কে বিবাদী করে একই ওয়ার্ডের জাকির হোসেন (৩৯)বাদী হয়ে থানায় মারধরের অভিযোগ করেন।জানা যায় গত ১৭-০৪-২০২০ইং তারিখ রোজ শুক্রবার বিকাল ৪:৩০মিনিটের সময় ধামতী মধ্যে পাড়া বীরেন্দ্র পাল তার ছেলে রতনপাল উভয়ের স্ত্রীসহ পারিবারিক দ্বন্দ হলে ওই সময় রতনপাল জাকির হোসেন কে ডাকলে তপনকে নিয়ে সে ঘটনাস্থলে হাজির হন।

বাদী জাকির বলেন রতনপাল আমার বন্দু বাবা-ছেলের ঝগড়া সমাধান করলে ভালো হয় তাই ঘটনাস্থলে ছুটে যাই।

রতনের বাবা আমাকে ও তপনকে দেখে বলে তোরা ২ জনই আমার ছেলেকে নস্ট করেছিস। ওই কথা বললে আমি রতনের বাবা বীরেন্দ্র পালকে গালি দিলে মেম্বার জাহাঙ্গীর বীরেন্দ্র পালের পক্ষ হয়ে আমাকে মারধর করলে পরে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করি।

ওই দিকে বিবাদী জাহাঙ্গীর মেম্বার বলেন বীরেন্দ্র পাল ও তার ছেলে রতন পাল ঝগড়া করলে বীরেন্দ্র পালের স্ত্রী আমাকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই উভয় পক্ষকে সমাধান করতে গিয়ে যখন কথা বলাবলি হচ্ছিল তখন বাদী জাকির হোসেন বীরেন্দ্রপালের সাথে তর্ক করলে ঘটনাস্থলে ঝগড়া হবে বলে ঘর থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেই।

দেবীদ্বার থানা (এএসআই) মোঃ রুহুল আমিন বলেন বীরেন্দ্র পালের পারিবারিক কলহ জের ধরে জাকিরকে মেম্বার জাহাঙ্গীর মারধরের কথা উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করেন
তবে সরেজিমে গিয়ে তদন্ত করে উভয় পক্ষকে থানায় এনে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।

মাগুরার শ্রীপুরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা,দোকানদারকে মারপিট,টাকা ছিনতাই

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল বাজারের মোস্তাক ষ্টোর নামক এক প্রতিষ্ঠিত মুদি দোকানে জাহাঙ্গীর বিশ্বাস (৪৮)নামে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে দোকানের মালিক মোস্তাক বিশ্বাস(৪৯)কে মারধর করে প্রায় ৩৬ হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্যাতনের শিকার মোস্তাক ষ্টোরের মালিক মোস্তাক বিশ্বাস সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন,তিনি নাকোল বাজারের একজন পুরাতন প্রতিষ্ঠিত মুদি দোকানদার । করোনা ভাইরাসের কারণে প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার বিকেল ৫টার দিকে তিনি দোকানের কাজ-কর্ম সেরে বাড়িতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ।

এমন সময় নাকোল গ্রামের মজিদ বিশ্বাসের পুত্র জাহাঙ্গীর বিশ্বাস পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তেল মাপা বাটখারা নেওয়ার অজুহাতে মোস্তাকের দোকানে ঢুকে দোকানের মধ্যেই তাকে জামার কলার ধরে এলোপাতাড়ি মারধর করে আহত করে। সন্ত্রাসী হামলায় আহত ব্যবসায়ী মোস্তাক বিশ্বাস অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তখন তাকে সন্ত্রাসীরা ছেড়ে দিয়ে দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে ৩৫ হাজার ৭’শত টাকা ছিনতাই করে সটকে পড়ে । জাহাঙ্গীর বিশ্বাস এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধরের সময় কেউ তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেনি । পরে তার পরিবারের লোকজন সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায় । বিষয়টি নিরসনের জন্য নাকোল বাজার ব্যবসায়ী সমিতিকে অবগত করা হলেও করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারনে অদ্যবধি কোন সমাধান হয়নি বলেও জানা যায়।

এবিষয়ে প্রতিবেশী দোকানদার বিদ্যুত সাহা বলেন, আমার সামনেই মোস্তাক বিশ্বাসকে দোকানেই মধ্যেই মারধর করা হয়েছে। তবে জাহাঙ্গীর প্রভাবশালী হওয়ায় মোস্তাককে মারধরের সময় তাকে প্রতিহত করতে পারিনি ।

নির্যাতিত ব্যবসায়ী মোস্তাকের ছোট ভাই আছাদুজ্জামান বিশ্বাস ওরফে আসাদ জানান,তার বড়ভাই মোস্তাক বিশ্বাস নাকোল বাজারের একজন নিরীহ ব্যবসায়ী । জাহাঙ্গীর অন্যায়ভাবে তার ভাইয়ের দোকানে ঢুকে মারধর করেছে এবং ক্যাশ বাক্স থেকে প্রায় ৩৬ হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়েছে । বিষয়টি প্রতিবাদ করায় জাহাঙ্গীর বিশ্বাস ও তার লোকজন তাকে নারী নির্যাতন ও মিথ্যা চুরি মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করার ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে বলেও অভিযোগ করেন ।

এবিষয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বলেন, বাজারের মুদি দোকানদার মোস্তাকের নিকট তেল মাপা বাটখারা আনতে গিয়ে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ি । বাক-বিতন্ডার একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয় । হাতাহাতির মধ্যে মোস্তাকের মারধরের পরিমানটি একটু বেশি হয়ে যায় । তবে সে দোকানদারকে মারধরের বিষয়টি স্বীকার করলেও দোকান থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওইদিন সন্ধ্যায় মোস্তাক,আছাদসহ তিনভাই লোকজন নিয়ে তার বাড়িতে হামলা করেছে এবং হামলার সময় তার বাড়ি থেকে দেড় লাখ টাকা হারিয়ে যায়। টাকাগুলি কে বা কারা নিয়েছে,তা তিনি সঠিক করে বলতে পারেননি ।

এবিষয়ে নাকোল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ শাহজাহান মিয়া জানান,তারা উভয়ই একই গোষ্টির লোক । সাধারণ বিষয় নিয়ে তাদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি কারণে সংঘাত সৃষ্টি হয়েছে । তবে সুযোগ বুঝে এর একটি সমাধান করা হবে ।

এবিষয়ে নাকোল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস,আই প্রসেনজিৎ বিশ্বাস বলেন,বাজারের গোলমালের বিষয়টি তার জানা নেই । তবে কোন পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

সাভারে দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকের উপর হামলা

সাভার প্রতিনিধি: ঢাকার সাভারে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় এক সংবাদ কর্মীকে লাঞ্চিত এবং মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী ওই সংবাদ কর্মী সাভার মডেল থানায় বিষয়টি জানিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, জাতীয় দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সাভার প্রতিনিধি মোঃ ওমর ফারুক শনিবার সকালে পৌর এলাকার টিয়াবাড়ি মহল্লায় করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লোকসমাগম ঘটিয়ে বিরোধপূর্ন জমিতে কাজ করার একটি সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে উপস্থিত হয়ে তিনি সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেনের উপস্থিতিতে দুই উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করেন এবং স্থির চিত্র ধারন করেন। একপর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতিতে আজাহারুল ইসলাম পিচ্চি নামে এক ব্যক্তি সংবাদকর্মী ওমর ফারুকের উপর হামলা চালায় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করে তার মোটরসাইকের চাবি ছিনিয়ে নেয়। এসময় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সহযোগীতায় তিনি সেখান থেকে উদ্ধার হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এব্যাপারে সাংবাদিক ওমর ফারুক বলেন, আমি বিরোধপূর্ন জমিতে কাজ করার ছবি তুলা মাত্রই সেখানকার দায়িত্বরত ত্বত্তাবধায়ক আজহাজরুল পিচ্চি আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে সে আমাকে মারধর করে মোটরসাইকেলের চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় সেখান থেকে ফিরে এসে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, সংবাদ কর্মীর উপর হামরার বিষয়টি শুনেছি এবং লিখিত অভিযোগও পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রæত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কুমিল্লা দেবীদ্বার বড়শালঘরে ৫০০শ অসহায় পরিবারকে সহায়তাদান

এ আর আহমেদ হোসাইন,(কুমিল্লা)প্রতিনিধি : কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়ন পরিষদ’র ওয়ার্ড ভিত্তিক ৫০০শত অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে করোনার সংকট মোকাবেলায় ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি হাজী আব্দুল আউয়াল তার নিজ অর্থায়নে বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়নের প্রভাতি হ্যাচারীর সংলগ্ন হাফিযিয়া মাঠে প্রতিটি অসহায় পরিবারের মাঝে চাউল, ডাল, আলু, তৈলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।ওই খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান হাজী আবুল কাশেম (ওমানী), স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নুরুল আমিন৷উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাংবাদিক ইকবাল হোসেন রুবেল, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।

ওই ত্রান সামগ্রী বিতরনকালে করোনা মহামারী থেকে দেশ ও বিশ্ববাসীর সকল মানুষ মুক্তির জন্য উপস্থিতিগন মহান আল্লাহর নিকট বিশেষ দোয়া ও মোনাযাত করেন।

সর্বশেষ আপডেট...