মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল প্রতিনিধি: স¤প্রীতির বন্ধন, ভ্রাতৃত্ব, বন্ধুত্ব সব কিছুতেই ফাগুনের ছোঁয়া। তারপরও বুকের ভিতর মুষড়ে ওঠে এক অজানা কষ্ট। আমার ভাইয়ের রক্তে ভেজা রাজপথ ধরে যখন ছোট্ট শিশুটি এক তোড়া ফুল হাতে শহীদ মিনারের দিকে এগিয়ে যায় তখন মাথার ওপর উড়তে থাকা পাখিটাও আনমনে গেয়ে উঠে- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ শে ফেব্রয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে বেনাপোলে ভারত-বাংলাদেশ নো ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় দু‘বাংলার মানুষ মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে দু‘বাংলার আমন্ত্রিত মন্ত্রী, এমপি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তারা, কবি, সাহিত্যিক, লেখক এবং দু‘বাংলার ভাষাপ্রেমী মানুষেরা অংশগ্রহণ করেছে। দু‘বাংলার মানুষের এ মিলন উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে দু‘বাংলার একুশ উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ইতোমধ্যে উভয় চেকপোস্ট এলাকা পরিদর্শন করেছেন। অনুষ্ঠানকে সার্থক করতে দু‘দেশের উচ্চ পর্যায়ের কয়েকদফা বৈঠকও করা হয়েছে দুই সীমান্তে। বেনাপোল-ভারত সীমান্তে মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে দুদেশেই নেয়া হয়েছে নানা আয়োজন। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নো ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে অস্থায়ী শহীদ বেদি। উভয়দেশের নেতৃবৃন্দ সকাল সাড়ে ৯টায় শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু করে। এরপর উভয় দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। উভয় দেশের চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের সামনে তৈরি করা হয়েছে সুসজ্জিত ২১ মঞ্চ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন যশোর-১শার্শা) আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, বেনাপোল কাস্টম হাউজের কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী, অতিরিক্ত কমিশনার ড. নিয়ামুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন,বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্তপরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল, শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডল, নাভারন সার্কেল এএসপি জুয়েল ইমরান, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসিফ-উদ-দৌলাহ্ সরদার, জেলা পরিষদ সদস্য ইব্রাহিম খলিল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান। বেনাপোল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন পরিষদের আহŸায়ক শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মঞ্জু।
অপরদিকে ভারতের পক্ষে উপস্থিত থাকবেন প্রধান অতিথি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বিশেষ অতিথি থাকবেন বনগাঁ পৌরসভার মেয়র শঙ্কর আঢ্য, উওর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মেন্টর গোপাল শেঠ, দমদম পৌরসভার সিআইসি রিঙ্কু দে দত্ত।এ ছাড়াও একুশের কবিতা আবৃতি, ছড়া, গীতিনাট্য, আলোচনা আর সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সাত গুণীকে মৈত্রী পদক প্রদান করেছে দুই দেশের অতিথিরা। পদক পেলেন কালের কণ্ঠ’র বিশেষ প্রতিনিধি ফখরে আলম, পশ্চিমবঙ্গের কবি মুক্তি বসু, সমাজসেবক কার্ত্তিক দত্ত, বাংলাদেশের রাজনীতিক আজগর আলী মিঞা, রাজনীতিক মিনহাজ উদ্দিন, শিক্ষাবিদ শান্তিপদ বিশ্বাসও বৃক্ষপ্রেমিক আব্দুল ওয়াহেদ সর্দার।
দু‘বাংলার মানুষের এ মিলন উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। প্রতি বছরই দুই বাংলার সীমান্তবর্তী এ অংশের বাসিন্দারা এক সাথে মিলিত হয়ে দিবসটি পালন করেন। তখন দুই দেশের সীমান্তের মধ্যবর্তী ওই স্থানে আবেগাপ্লæত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। একে অপরকে আলিঙ্গন করে সকল ভেদাভেদ যেন ভুলে যায় কিছুসময়ের জন্য। ফুলের মালা দিয়ে উভয় দেশের আবেগপ্রবণ অনেক মানুষ বাঙালির নাড়ির টানে একজন অপরজনকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন। দুই বাংলার মানুষের মাঝে বসে এক মিলন মেলা।
ভারত-বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নেয় এ অনুষ্ঠানে। এ সময় পেট্রাপোল ও বেনাপোল চেকপোস্টে ঢল নামে হাজার হাজার মানুষের। ক্ষণিকের জন্য হলেও স্তব্ধ হয়ে যায় আন্তর্জাতিক সীমারেখা।২০০২ সাল থেকে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল চেকপোস্টের জিরো পয়েন্টে মাতৃভাষা দিবস পালন করে আসছে দু‘বাংলার মানুষ। প্রথম দিক থেকে স্থানীয় এমপি ও আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান হয়ে আসলেও ২০১৫ সাল থেকে এমপি-মেয়র দ্ব›েদ্বর কারণে এমপিকে বাদ দিয়ে মেয়র একাই অনুষ্ঠান করে আসছিলেন। এবার মেয়রকে বাদ রেখে এ অনুষ্ঠান করছেন এমপি অনুসারীরা। ফলে এ অনুষ্ঠানে মেয়র ও তার অনুসারিরা যাচ্ছেন না। সমগ্র অনুষ্ঠানে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে দুই সীমান্তে। বেনাপোল-পেট্রাপোল চেকপোস্টে যাতে কেউ প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বিজিবি ও বিএসএফ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করেছে দুই সীমান্তে।
স্টাফ রিপোর্টার: সাভার পৌর গেন্ডা এলাকায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে ভূমিদস্যু সন্ত্রাসীদের হামলায় ৩জন আহত হয়েছেন। এঘটনায় ১জনকে আটক করেছে পূলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপূরে সাভার পৌর এলাকার গেন্ডা আল মুসলিম এর পিছনে এ ঘটনা ঘটে। জমির মালিক মোঃ মনোয়ার হোসেন মিষ্ঠু ভূমিদস্যু সোহেল জনে মিলে তার জমি দখল করতে গেলে তিনি দখলের বাধা প্রদান করতে গেলে ভূমিদস্যু বাহীনি তাদের লাঠিসোটা,দাড়ালো অস্ত্র নিয়ে তাদের উপরে হামলা চালায় এবং এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে যখন করে ফেলে রেখে যায় পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় ঘটনায় জমির মালিক মিষ্টু সহ তিন জন আহত হয়।খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে সাভার মডেল থানা পুলিশ পরিদর্শন করে ডিব্বা সোহেল (৩০) নামে একজনকে আটক করেছে।
জমির মালিক মোঃমনোয়ার হোসেন মিষ্ঠু জানান, তার ভাবী মোসাম্মত ইসমতারা দাড়ালো অস্ত্রের কুপে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে এখনো ভর্তি রয়েছেন। তিনি আরো জানান এ ঘটানা পূর্বে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কোর্ট ও থানার মাধ্যমে মামলা রয়েছে। জমির মালিক মোঃমনোয়ার হোসেন মিষ্ঠু আরো জানান উৎরাধীকার সূত্রে ৪৫ শতাংশ জমির মালিক তারা। কিন্তু দামী জমি হওয়ায় স্থানীয় ভূমিদস্যুদের নজরে আসলে সোহরাবগং দখলের পায়তারা চালায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ত্রাসী ভূমিদস্যু রুহুল ও দিপু গেন্ডা এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ীর নিকট থেকে ২২ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত এলাকায় বিভিন্ন আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছে।
তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছেন এলাকার ভুক্তভোগিরা।
রফিকুল ইসলাম উজ্জল জানান,বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার সময় এ হামলার স্বীকার হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হোন। সোহরাব গং এর ভুমিদস্যু হামলাকারীরা তাকে দেখেই প্রথমে হাতে থাকা রড দিয়ে পিটিয়ে বাম হাত জখম করলে মাটিতে লুটিয়ে পরলে তাকে দেহের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে।
বিপ্লব,সাভার ঃ ২১ ফেব্রয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাত ১২ টা এক মিনেটে সাভারের অধর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা.এনামুর রহমান।
সময় সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া আশুলিয়ায় বিভিন্ন স্কুলে স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড.ফারজানা ইসলাম।
অন্যদিকে ঢাকার ধামরাই বিভিন্ন শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি নেছারাবাদ দরবার শরীফে শুরু হচ্ছে ২ দিন ব্যাপী বার্ষিক ঈছালে ছওয়াব ওয়াজ-মাহফিল-২০২০। ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে সকল প্রস্তুতি। জেলা জুড়ে এখন সাজ-সাজ রব আর এ নিয়ে
আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করেছে মাওলানা গাজী মো. শহিদুল ইসলাম।২০/০২/২০২০ইং তারিখ বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে যে,২২ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠান উদ্বোধন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি বাদ ফজর সমাপনী বয়ান ও আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করবেন হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ.এর একমাত্র ছাহেবজাদা আমীরুল মুছলিহিন হযরত মাওলানা মুহম্মদ খলীলুর রহমান নেছারাবাদী হুজুর।উক্ত বার্ষিক ইছালে ছওয়াব মাহফিলে ভারত সহ বিভিন্ন দেশ থেকে ওলামায়ে কেরামগন অংশ নিয়ে তাশরীফ নিবেন।এ মাহফিলে লক্ষ লক্ষ মেহমান আ’মলী জিন্দেগী গঠনে অংশ নেবেন । সংবাদ সম্মেলনের লিখিতপত্রে আরও জানানো হয়েছে, র্নিমান করা হয়েছে ৫টি প্যান্ডেল। প্রতি প্যান্ডেলে ৫ হাজার মুয়াল্লেম ও দশ হাজার স্বেচ্ছাসেবক মাহফিলের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করবেন। বসানো হয়েছে গ্রামীণ ফোনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সিস্টেম, সিসি ক্যামেরা। তিন বেলা খাওয়ার সুব্যবস্থাসহ রয়েছে চিকিৎসাসেবাও। যাতায়াতে মূল সড়ক ছাড়াও তৈরি করা হয়েছে সংযোগ সড়ক।
সব প্রস্তুতি শেষে এখন সাজ-সাজ রব। এ বছর ৫ লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি বিল্পব সরকার (৪৫) গ্রেফতার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।আজ বৃহস্পতিবার ২০,০২,২০২০ইং সকালে ধামরাই উপজেলার বাস্তা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ধামরাই থানা পুলিশ গ্রেফতারকৃত বিল্পব সরকার ধামরাই উপজেলার বাস্তা এলাকার মৃত তুলা সরকারের ছেলে ও বালিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি।
এ বিষয়ে কাওয়ালীপাড়া বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক রাসেল মোল্লা জানান, গত ৩০,০৯,২০১৮ সালে তার বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় নাসকতার সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের হয়। মামলার পর থেকেই বিল্পব সরকার পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে অভিযান চালিয়ে উপজেলার বাস্তা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ, আর আহমেদ হোসাইন,দেবীদ্বার(কুমিল্লা) ঃ সমাজকে গড়তে হলে, দেশকে গড়তে হলে নিজেকে আগে গড়ে তুলতে হবে। নিজেকে উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিতই নয়, মানবিক শিক্ষায় এবং দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আজ মুজিব শতবর্ষে বলতে চাই,- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সত্তর’র নির্বাচন কিংবা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধেই নন; তিনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম এবং এদেশের নিপিড়িত মানুষের জন্য যে ত্যাগ, জেল- জুলুম, নির্যাতন ভোগ করে গেছেন,- তার থেকে আমাদের শিক্ষা অভিজ্ঞতা নিয়ে আগামী দিনে আমাদের এ দেশকে একটি ক্ষুধা, দারিদ্র মুক্ত সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।বৃহস্পতিবার দুপুরে দেবীদ্বার উপজেলার ‘গঙ্গামন্ডল মডেল কালেজ’র নবনির্মীত ভবনের উদ্ভোধন ও মুজিব শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে যেয়ে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ওই বক্তব্য তুলে ধরেন।
কলেজ প্রতিষ্ঠাতা আমেরিকা প্রবাসী মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিব হাসান, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান হাজী আবুল কাসেম ওমানী, উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট নাজমা বেগম, জুলিওকুরি বঙ্গবন্ধু পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল আউয়াল ভূঁইয়া, দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল আনোয়ার।
স্বাগতিক বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ’র নির্বাহী সদস্য মোঃ জহিরুল হক সরকার, অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফতেহাবাদ ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান মাসুদ, প্রভাষক সাইফুল ইসলাম শামিম, যুবলীগ উপজেলা সাধারন সম্পাদক বাবুল হোসেন রাজু, ছাত্রলীগ কুমিল্লা উত্তর জেলা সভাপতি আবু কাউছার অনিক, শিক্ষার্থী মোঃ বাছির প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন গঙ্গামন্ডল কলেজ’র ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক মোঃ রাশেদুল মনির।
আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পূর্বে নবনির্মীত ভবনের উদ্ভোধন করেন প্রধান অতিথি কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিপ্লব,সাভার ঃ বকেয়া বেতনের দাবিতে সাভারে একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের হেমায়েতপুরের তেঁতুলঝোড়া এলাকায় রাকেব এ্যাপারেলন্স কারখানার শ্রমিকরা হেমায়েতপুর সিঙ্গাইর আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
এঘটনায় ওই সড়কে কয়েক ঘন্টা যানচলাচল বন্ধ থাকে যাত্রীরা পড়েন চরম দুর্ভোগে । গত কয়েকদিন আগে ২৩-০১-২০২০ইং তারিখে বকেয়া বেতনের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছিল কারখানার শ্রমিকরা । পর পর ওই কারখানার শ্রমিকরা বেতনের জন্য সড়ক অবরোধ করায় কারখানা কতৃপক্ষের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন বাসযাত্রী ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
শ্রমিকরা জানায় ওই কারখানায় প্রায় চার হাজার শ্রমিক কাজ করে আসছিলো গেল জানুয়ারি মাসের বেতন দেওয়ার কথা ছিলো আজ কিন্তু মালিকপক্ষ নানা অজুহাতে শ্রমিকদের আজ বেতন দিতে পারবে না জানালে শ্রমিকরা উৎপাদন বন্ধ রেখে দুপুর থেকে হেমায়েতপুর সিঙ্গাইর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে রাত নয়টারদিকে পুলিশ শ্রমিকদের সড়ক থেকে সড়িয়ে দিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উপব্যবস্থাপক শাকিল মাহফুজ সময়ের খবর কে জানান শ্রমিকদের বেতন ২৭ তারিখ প্রধান করা হবে । আর শনিবার অফিস আগের মতোই খোলা থাকবে । আর আমরা আপাতত সুইং সেকশন বন্দ রাখবো ।
শ্রমিকরা বলছে ওই কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তারা কারখানার পোশাক বিক্রির লাভের টাকা লুটপাট করে খাওয়ার কারনে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের বেতন দিতে পারছে না এমন অবস্থায় কারখানার মালিক পথে বসে গেছেন। পুরাতন ম্যানেজ মেন্টের লোকজনকে সড়িয়ে নিয়ে নতুন লোক নিয়োগ করলে কারখানাটিতে আবারও মালিক লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা করেন তারা।
এদিকে বকেয়া বেতনের দাবিতে গেল এক মাস আগেও ওই কারখানার শ্রমিকদের সাথে কারখানা কতৃপক্ষ ও বহিরাগতদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয় এতে আহত হয় অন্তত ৩০ জন শ্রমিক
এদিকে কারখানার এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন আরে ভাই আমাদেরই চাকুরী চলে যায় যায় অবস্থা আমরা আর কিবলবো।
এদিকে যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কারখানাটির সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
স্টাফ রিপোটার ঃ ঢাকার সাভারে ভাকুর্তা ইউনিয়নের ছাত্রলীগের উপরে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ভাকুর্তা ইউনিয়ন ছত্রলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ আঃ রহমান গুরুতর আহত হয়েছে।বুধবার বিকেলে উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়ের মুগড়াকান্দা আউয়াল মার্কেট এলাকায় এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ আঃ রহমান বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে ক্রিকের টুর্নামেন্ট খেলার বিষয়ে আলাপ শেষে ভাকুর্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ আনোয়ার হোসেন এর বাসা থেকে ফেরার পথে আউয়াল মার্কেট এলাকায় পৌছালে উৎপেতে থাকা এলাকার চিহৃত মাদক ব্যাবসায়ী ৪/৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল তাদের উপরে অতর্কিত হামলা চালায়।
এসময় সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ আঃ রহমানকে এলোপাথারী ভাবে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহতবস্থায় উদ্ধার করে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
এঘটনায় মোঃ কবির হোসেন ও নাদির হোসেনসহ চার জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি অভিযোগ দায়ো করা হয়েছে।
আহত আঃ রহমানের বাবা আঃ রহিম বলেন মুগড়াকান্দা এলাকার মোঃ কবির ও নাদির হোসেন এলাকার চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী।
এর আগে এলাকায় তাদের মাদক ব্যবসায় বাধাদিলে আমার ছেলেসহ পবিবারের সদস্যদের উপরে তারা ভিবিন্ন ভয়ভিতি দেখিয়ে আসছিলো।
তাদের মাদক ব্যবসা বাধা দেয়ার কারনে তারা খিপ্ত হয়ে তার ছেলের উপওে হামলা চালায় বলেন জানান তিনি।
এসময় তিনি আরো বলেন, মোঃ নাদির হোসেন মাদক ব্যবসা করতে করতে মাদক সেবনে আসক্তি হয়ে পরেছেন। এর আগে বহুবার তাকে মাদক আসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি রাখা হয়েছিলো।
ভাকুর্তা মুগড়াকান্দা এলাকার মোঃ কাবির হোসেনের কাছে এ ব্যপারে জান্তে চাইলে তিনি বলেন, ভাকুর্তা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হাজী আব্দুল বাতেন এর অসুস্থ্যর ব্যাপার নিয়ে আঃ রহমান বলেন বাতেন মরেগেছে । এব্যপারে আঃ রহমানের সাথে তার বাকবিতন্ডতা হয়।
এসময় মোঃ কবির হোসেন প্রতিবেদককে বলেন এ ব্যপাওে আপনি হাজী বাতেন ভাইয়ের সাথে কথা বলেন।
এ ব্যপারে ভাকুর্তা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মোঃ এনামুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন হামলার ঘটনায় দু-পক্ষ থেকেই লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি) : ঢাকার ধামরাইয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগে ২ ইটভাটা ও ২ ব্যাটারি কারখানাকে ১৫ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ইটভাটাগুলোর অনেকাংশ ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে যাতে করে তারা পরবর্তীতে কোন ইট উৎপাদন করতে না পারে এবং পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা পায়।বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারী) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ধামরাইয়ের ডাউটিয়া এলাকায় ২ টি ইট ভাটাকে ১২ লাখ টাকা ও ২ টি ব্যাটারি কারখানাকে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিদ আহমেদ।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামজিদ আহমেদ জানান, বাসা-বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের দেড় কিলোমিটারের মধ্যে কোন ইট ভাটা থাকবে না, ইটভাটা থাকা বেআইনি।কিন্তু ডাউটিয়া এলাকার ২টি ইটভাটার মালিক এ আইন অগ্রাহ্য করে দির্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে । এছাড়া ইটভাটাগুলো কৃষি জমির টপ সয়েল ব্যবহার করে ইট তৈরি করছে ও মারাত্বকভাবে পরিবেশ দূষণ করছে ।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সকাল থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ২টি ইটভাটাকে ৬ লাখ টাকা করে মোট ১২লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এদের মধ্যে প্রিয়াংকা ও লাকী সেবেন ব্রিকসের মালিকরা জরিমানার ১২ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। অপরদিকে ধামরাইয়ের ডাউটিয়া এলাকায় আরগাজ ব্যাটারি কারখানাকে ২ লাখ ও বেলিশ্বর এলাকায় একটি চায়না ব্যাটারি কারখানাকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, ইট ভাটা ও ব্যাটারি কারখানার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। তাদের কোন বৈধ কাগজপত্র নাই। বিশেষ করে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন বৈধ কাগজপত্র নাই এবং ব্যাটারি কারখানার দূষিত বর্জে পানি ও পরিবেশে র মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। তাই এ অভিযান এবং তা অভ্যাহত থাকবে।
ঢাকা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী হাকিম তামজিদ ইসলাম বলেন, ডাউটিয়ার ২টি ইটভাটা ৪০০ থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যেই হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যা ইটভাটা আইনের বহির্ভূত। তাই এসব ইটভাটাকে জরিমানার পাশাপাশি তাদের কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বাকী ২ টি ব্যাটারি কারখানার কারণে পানি দূষিত হচ্ছে এবং তাদের কোন বৈধ কাগজপত্র নাই।তাই তাদের জরিমানার আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার বায়ু দূষণের পরিমাণ অতিমাত্রায় বেড়ে যাওয়ায় আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দূষণ রোধে হাইকোর্টের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকার আশপাশের অবৈধ ইটভাটা বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার ঘটনার দীর্ঘ সাড়ে ১৪ বছর পর দুইজনকে যাবজ্জাীবন যাবত জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত ।দন্ড প্রাপ্তরা হলেন ঝালকাঠির বিকনা গ্রামের মো. ইউনুস মল্লিক এর ছেলে মো. জিয়াউর রহমান এবং বৈদারাপুর গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে ফরিদ হোসেন । একই সাথে বিস্ফোরক আইনের ৪ ধারায় তাদেরকে আরো দশ বছরের কারাদেশ দেয়া হয়েছে।
১৯/০২/২০২০ইং তারিখ বুধবার দুপুরে ঝালকাঠির বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিচারক শেখ মো. তোফায়েল হাসান আসামীদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
ঝালকাঠি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ আদলতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আসম মোস্তাফিজুর রহমান মনু জানান, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ঝালকাঠি জেলা শহরের পাঁচটি স্থানে একই সঙ্গে পাঁচটি বোমার বিস্ফোরণে কেপে ওঠে ঝালকাঠি শহর।
ঝালকাঠি জেলা জজ আদালত চত্বর, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, আইনজীবী সমিতি, সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর ও বিকনা টেম্পোস্ট্যান্ডে এ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ঝালকাঠি থানার তৎকালীন ওসি মো. সোহরাব আলী বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আহত অবস্থায় আটক ফরিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২০০৬ সালের ২২ অক্টোবর গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) দাখিল করেন।
জেএমবির সদস্য ঝালকাঠির বিকনা গ্রামের মো. জিয়াউর রহমান ও আহত অবস্থায় আটক রিকশা চালক ফরিদ হোসেনকে অভিযোগপত্রে আসামী করা হয়। মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রাহণ করে উপরোক্ত রায় ঘোষণা করা হয়।
রাস্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আসম মোস্তাফিজুর রহমান মনু এবং আসামী পক্ষে ছিলেন এ্যাড. নাসির উদ্দিন কবীর।
প্রসঙ্গত, ১৭ আগস্ট বোমা হামলার ঘটনার আড়াই মাস পর ১৪ নভেম্বর জেএমবির আত্মঘাতী বোমা হামলায় ঝালকাঠির দুই বিচারক সোহেল আহমেদ নিহত হন।
এ মামলায় ঝালকাঠির আদালতেই জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমানসহ ৭ শীর্ষ জঙ্গির ফাসির আদেশ হয়।