কারখানাটি মাছের উচ্ছিস্টাংশ যেমন : আইশ,কাঁটা, লেজ, মাথা ও পাখনার বিভিন্ন অংশ কাঁচা বর্জ্য হিসেবে ঢাকা সহ তৎসংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন মাছের আড়ৎ থেকে নিজস্ব গাড়ীর মাধ্যমে সংগ্রহ করে। সংগৃহীত এসব বর্জ্য এনে এই কারখানায় সম্পূর্ণ খোলা পরিবেশে শুকানো হয়। এরপর মাছের এই শুকনো বর্জ্য কয়েকটি পাত্রে পানি দিয়ে চুলায় সিদ্ধ করে তেল উৎপাদন করা হয়।
কারখানার মালিক আবুহেনার সাথে মুঠোফোনে কথা বলে জানা যায় , তাহার এই প্ল্যানের কোন কাগজ পত্রের দরকার নেই । তিনি প্রশাসনে মেনেজ করেই এই প্ল্যান চালাচ্ছেন । আর এই তেল মাছ ও মুরগীর খাবার হিসেবে বাজারজাত করণ কারা হয় ।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্লান্ট হিসেবে কারখানাটি তাদের কার্যক্রম চালালেও তাদের নিকট পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র নেই। প্রায় দুই বছর পূর্বে ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের নিকট থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করলেও সেটি পুনরায় আর নবায়ন করেনি।
যেহেতু প্রথমে মানুষের বাধার মুখে জিরাবো থেকে পালিয়ে এসে ব্যবসা আবার শুরু করেছে। তাই খুব চল-চাতুরী করে এলাকার মেম্বার হতে কিছু মাস্তানদের চাকুরী আর টাকার লোভ দেখিয়ে সুকৌশলে নামে মাত্র মূল্য কিনে সরকারি খাস জায়গা দখল করে প্লট বিক্রয় করতে শুরু করে। বেশিরভাগ সরকারি খাস জায়গা বলে নামজারি করে এখনো প্লট বুঝিয়ে দিতে পারেনি।
কুমারখদা খাল ভরাট করে প্লট করে বিক্রয় ফেলেছে। লেখালেখির কারণে খালের ছিন্ন রেখেছেন মাত্র।
নবাবেরা থাকতে দেওয়া জায়গায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেওয়া বাড়িতে আদিবাসী হিন্দু সম্প্রদায়ের বিদ্যুৎ বিহীন করে রেখে তাদের জায়গা দখল করতে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির করছে। মানুষের বসতবাড়িও তাদের জায়গা বলে প্ল্যান দেখিয়ে প্লট বিক্রয় করছে।
সরকারি গ্যাস লাইনের রাস্তার জায়গা দখল করে প্লটও বিক্রয় করে ফেলেছে । ইতিমধ্যে গ্যাসের রাস্তায় প্লট করা বাউন্ডারি আছে।
আটককৃতরা হলেন সাভারের ঘুঘুদিয়া এলাকার হাসমত আলীর মেয়ে শিল্পী আক্তার, সাভারের নয়ারহাট এলাকার আব্দুস ছাত্তারের মেয়ে শিউলি আক্তার, ধামরাইয়ের শ্রীরামপুর এলাকার মোহাম্মদ আলীর মেয়ে মাসুমা, ধামরাইয়ের ইসলামপুর এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে মিনা আক্তার, ধামরাইয়ের কেলিয়া এলাকার রেজাবর ইসলামের মেয়ে নিলা আক্তার,ধামরাইয়ের ইসলামপুরের খোরশেদ আলমের মেয়ে শারমিন আক্তার। এরা প্রতিনিয়ত সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালের ভিতর থেকে রোগী ভাগিয়ে যে যে ক্লিনিকে নিয়োগ প্রাপ্ত সেখানে বিভিন্ন ধরনের পরিক্ষা নিরিক্ষার জন্য নিয়ে আসে।
দেখা যায়, সরকারি হাসপাতালের সন্নিকটে চয়নিকা হাসপাতাল, আইকন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সন্ধানী ক্লিনিক,আজাহার ক্লিনিক অবস্থিত। এসব নামধারী হাসপাতাল ও ক্লিনিকের মালিকরা মাসিক বেতনে ও শতকরা হারে এই দালাল চক্রকে টাকা দিয়ে থাকে। তারা সরকারি হাসপাতাল হতে বিভিন্ন ছলনা করে, কম টাকায় চিকিৎসা দেওয়ার নাম করে রোগী নিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে থাকে।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৫টায় দেবীদ্বার উপজেলার ধামতি ও রাধানগর গ্রামের সীমানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত শাকিব (১৬) দেবীদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়নের খয়রাবাদ গ্রামের তাজুল ইসলাম’র ছেলে। সে নানার বাড়ি রাধানগর গ্রামের থেকে হকারী করে খেলনা সামগ্রী বিক্রি করতো। আহত হয় সোহাগ, আল-আমিন ও শরীফ নামে আরও তিনজন।
উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের ভাংবাড়ী বিলের মাঝখানে নির্জন আবাদি জমিতে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, শ্রী পবেন্দ্র ওরফে টুনু রামের ছেলে জগদিশ ওরফে জগ রাম আবাদি জমি নিজ দখলে নিতে দু’দিন আগে রাতের আঁধারে প্রতিমা বসান।
ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদানের পর ৭ মাসের মধ্যেই প্রায় ২০টি বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করেন। তানিয়া ফেরদৌসের অনত্র বদলী করায় জনমনে এক প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে দেুলয়াবাড়ি-চৌবাড়িয়া রাস্তার বাঁকাপুর এলাকায় একটি আমবাগানে বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। নিহত জেবু উপজেলার দেলুয়াবাড়ি এলাকার মৃত নবির উদ্দিনের ছেলে। ঘটনায় ডিবির দুই সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঝালকাঠি গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক এনামুল হোসেন জানান, সদর উপজেলা পৌরসভার পূর্ব চাদকাঠি এলাকার নান্নু মিয়ার ছেলে মোঃ জহির উদ্দিন ইব্রাহিম (প্রেম) ২০, মোঃ সুলতান আহমেদ খান এর ছেলে ইমরান খান (রুবেল) ২৮ দীর্ঘদিন যাবৎ ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচীর আওতায় শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে সোমবার সকালে এ বাছাই পর্ব অনু্ষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইয়াছিন কবীর।