18 C
Dhaka, BD
সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬

সাভারে ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগরাকান্দা এলাকায় অবৈধ ফিশ অয়েল কারখানার তীব্র দূর্গন্ধে অতিষ্ঠ জীবন।

বিপ্লব,সাভার ঃ সাভার উপজেলার ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগরাকান্দা এলাকায় ভার্সেটাইল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট নামে একটি কারখানা দীর্ঘ প্রায় দুই বছর যাবৎ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্লান্ট হিসেবে অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ।কারখানাটি মাছের উচ্ছিস্টাংশ যেমন : আইশ,কাঁটা, লেজ, মাথা ও পাখনার বিভিন্ন অংশ কাঁচা বর্জ্য হিসেবে ঢাকা সহ তৎসংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন মাছের আড়ৎ থেকে নিজস্ব গাড়ীর মাধ্যমে সংগ্রহ করে। সংগৃহীত এসব বর্জ্য এনে এই কারখানায় সম্পূর্ণ খোলা পরিবেশে শুকানো হয়। এরপর মাছের এই শুকনো বর্জ্য কয়েকটি পাত্রে পানি দিয়ে চুলায় সিদ্ধ করে তেল উৎপাদন করা হয়।কারখানার মালিক আবুহেনার সাথে মুঠোফোনে কথা বলে জানা যায় , তাহার এই প্ল্যানের কোন কাগজ পত্রের দরকার নেই । তিনি প্রশাসনে মেনেজ করেই এই প্ল্যান চালাচ্ছেন । আর এই তেল মাছ ও মুরগীর খাবার হিসেবে বাজারজাত করণ কারা হয় ।বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্লান্ট হিসেবে কারখানাটি তাদের কার্যক্রম চালালেও তাদের নিকট পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র নেই। প্রায় দুই বছর পূর্বে ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের নিকট থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করলেও সেটি পুনরায় আর নবায়ন করেনি।

এমনকি তেলের উৎপাদন ও বাজারজাত করার জন্য বিএসটিআই এর কোন অনুমোদন নেই।

এবিষয়ে ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন , আমি কোন অবৈধ কারখানার অনুমোদন দেইনি ,আমি বেশ কয়েকবার এগুলো উচ্ছেদ করেছি , কিন্তু আমি নিজেও জানিনা তাহাদের কত লম্বা , যে ২/১ দিন পরেই দেখাযায় তাহারা তাদের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করে দেন ,আমি খুব দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাবো ও ব্যবস্থা নিবো ।

কারখানাটিতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম চললেও মালিক কিংবা ম্যানেজার কেউই সেখানে থাকে না।তারা আড়ালে থেকে ১০-১২ জন শ্রমিকের দ্বারা এসকল কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

কারখানাটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নামে খোলা পরিবেশে এসব কার্যক্রম করে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে।বর্জ্যের বিকট ও তীব্র দূর্গন্ধে পার্শ্ববর্তী এলাকার লোকজনের জীবন অতিস্ট হয়ে উঠেছে।এমনকি উৎপাদিত তেল বাজারে নকল কড লিভার অয়েল হিসেবে বাজারজাত হচ্ছে বলে ও ধারনা করা যাচ্ছে ।

ফিআবের সভাপতি মসিউর রহমান সময়ের খবর ২৪কে বলেন, খাদ্য উৎপাদনে বিএসটিআইর মান সনদ বাধ্যতামূলক করায় পোলট্রি ও মাছের খাদ্য শতভাগ নিরাপদ ও মানসম্মতভাবে উৎপাদন হবে। অবৈধ ও অনিবন্ধিত খাদ্যের মিলগুলো এবং ছোট খাদ্য উৎপাদনকারীদের (টোল ম্যানুফ্যাকচারার) কার্যক্রম বন্ধ হবে।

এতে নিম্নমানের খাদ্যের উৎপাদন ও বিপণন কঠোরভাবে দমন করা যাবে। পাশাপাশি যারা ভালো ফিড তৈরি করছেন তাদের পণ্যের মান আরও বাড়াতে উদ্যোগী হবেন। এটি দেশের পোলট্রি পণ্যের মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাভার বিরুলিয়ার দখিনা সিটির হাউজিং কোম্পানির বিজ্ঞাপনের ফাঁদে সাধারণ মানুষ নিঃস্ব!!

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বিজ্ঞাপনের ফাঁদে ফেলে সেনাবাহিনীর ৬নং বিএমএ লং কোর্সএর সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল আজম দখিনা সিটি হাউজিং নাম দিয়ে ২০০২/৩ সালে ব্যবসা শুরু করেন আশুলিয়া জিরাবোতে। কিন্তু ভূমিদস্যুতার কারণে এলাকাবাসীর প্রতিরোধে মুখে সুবিধা করতে না পেরে সেখান থেকে ব্যবসা গুটিয়ে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের সাদুল্লাহপুর মেস্তাপাড়ায় দখিনাসিটি হাউজিং কোম্পানির কাযক্রম ২০০৪ সালে আবার শুরু করে। যেহেতু হাউজিং ব্যবসা পুরাপুরি ধান্দাবাজি। যতটুকু শুনেছি কর্নেল আরিফুল আজম সেনাবাহিনীতে থাকাকালীন অনিয়মের অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে গিয়েছিলেন।যেহেতু প্রথমে মানুষের বাধার মুখে জিরাবো থেকে পালিয়ে এসে ব্যবসা আবার শুরু করেছে। তাই খুব চল-চাতুরী করে এলাকার মেম্বার হতে কিছু মাস্তানদের চাকুরী আর টাকার লোভ দেখিয়ে সুকৌশলে নামে মাত্র মূল্য কিনে সরকারি খাস জায়গা দখল করে প্লট বিক্রয় করতে শুরু করে। বেশিরভাগ সরকারি খাস জায়গা বলে নামজারি করে এখনো প্লট বুঝিয়ে দিতে পারেনি।কুমারখদা খাল ভরাট করে প্লট করে বিক্রয় ফেলেছে। লেখালেখির কারণে খালের ছিন্ন রেখেছেন মাত্র।

নবাবী স্টেটের জায়গা দখল করে প্লট বিক্রয় করলেও গত ১৫ বছরের গ্রাহকদের খারিজ করিয়ে দিতে পারছেনা।নবাবেরা থাকতে দেওয়া জায়গায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেওয়া বাড়িতে আদিবাসী হিন্দু সম্প্রদায়ের বিদ্যুৎ বিহীন করে রেখে তাদের জায়গা দখল করতে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির করছে। মানুষের বসতবাড়িও তাদের জায়গা বলে প্ল্যান দেখিয়ে প্লট বিক্রয় করছে।সরকারি গ্যাস লাইনের রাস্তার জায়গা দখল করে প্লটও বিক্রয় করে ফেলেছে । ইতিমধ্যে গ্যাসের রাস্তায় প্লট করা বাউন্ডারি আছে।

দখিনাসিটির পিছনেই হিন্দু সম্প্রদায়ের খুন্ডা গ্রামে দীর্ঘ দিন বিদ্যুৎ বিহীন করে রাখা হয়েছিল । পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান এবং সাভার এমপির হস্তক্ষেপে আদিবাসী হিন্দু সম্প্রদায়ের বিদ্যুৎ বিহীন থেকে মুক্তি পায়।

২০০৪ সালে প্রজেক্ট শুরু করেও এখন পর্যন্ত মোট ৩০ বিঘা জায়গা ক্রয় করে করেছে। সরকারের টেক্স ফাকি দিতে যার বাজার মূল্য দেখিয়েছে মাত্র ১০ হাজার টাকা শতাংশ করে। অথচ বিজ্ঞাপন দিচ্ছে আর গ্রাহকদের প্ল্যান দেখাচ্ছে তাদের ১২০০ বিঘা জায়গায় বহু হাজার প্লট।

অনেক মানুষকে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে জায়গা দখলের পায়তারা করছে। ওয়াইলার সুরুজ গাজীর বাড়ির জায়গা দখল করতে গিয়েও ঝামেলা করেছে দখিনাসিটি। স্থানীয় নেতা হালিম মুক্তারের সহযোগিতা জায়গা দখল করতে পারেনি।

স্থানীয় একজনের বাড়ি দখল করতে মরিয়া হয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে ।

আর এ সবই হচ্ছে স্থানীয় ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল আলিমের ছত্রচ্ছায়ায়। যেটাতে বিরুলিয়ার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন হতে এলাকার নেতারাও দখিনাসিটি হাউজিং নিয়ে খুব বিরক্ত। কিন্তু চেয়ারম্যান নিজের অবস্থান থেকে কিছুই করতে পারছেনা। কারণ হাউজিং কোম্পানি গুলো অবৈধ টাকার জোরে আর এদের খুঁটির জোরের কারণে।

যেহেতু নদ নদী ও সরকারি জায়গা দখলবাজদের উচ্ছেদ অভিযান চলছে। সুতরাং দখিনাসিটির বিরুদ্ধে চলবে

ধামরাই সরকারি হাসপাতালে দালাল চক্রের ৬ সদস্য আটক।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন(ধামরাই প্রতিনিধি)ঃ ঢাকার ধামরাইয়ে সরকারি হাসপাতালের ভিতর থেকে বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিয়োগ দেওয়া ৬ জন দালাল চক্রের সদস্যকে আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ।

বুধবার (১২ জানুয়ারী) সকালে ধামরাই সরকারি হাসপাতালের ভিতর থেকে এই ৬ জনকে আটক করা হয়।

জানা যায়, সরকারি হাসপাতালের সন্নিকটে বেম কিছু প্রাইভেট হাসপাতাল গড়ে উঠেছে।যেখানে ১০০ গজের মধ্যে কোন প্রাইভেট হাসপাতাল থাকার কোন বিধান নেই। অথচ হাসপাতাল গেইট সংলগ্ন গড়ে উঠেছে এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টার কতৃপক্ষ বেশ কিছু নারী কর্মী নিয়োগ দিয়ে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদেরকে বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে আসে। তার বিনিময়ে ঔসব কর্মকর্তারা শতকরা হিসেবে একটি ভাগ নিয়ে থাকে।

প্রতিদিনের মতো আজও সেই নারী কর্মকর্তারা ভিড় জমাতে থাকে হাসপাতাল গেইটে।তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে রোগী ভাগানোর সময় হাসপাতাল কতৃপক্ষ দালান চক্রের ৬ সদস্যকে হাতেনাতে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতের হাতে সোপর্দ করেন।আটককৃতরা হলেন সাভারের ঘুঘুদিয়া এলাকার হাসমত আলীর মেয়ে শিল্পী আক্তার, সাভারের নয়ারহাট এলাকার আব্দুস ছাত্তারের মেয়ে শিউলি আক্তার, ধামরাইয়ের শ্রীরামপুর এলাকার মোহাম্মদ আলীর মেয়ে মাসুমা, ধামরাইয়ের ইসলামপুর এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে মিনা আক্তার, ধামরাইয়ের কেলিয়া এলাকার রেজাবর ইসলামের মেয়ে নিলা আক্তার,ধামরাইয়ের ইসলামপুরের খোরশেদ আলমের মেয়ে শারমিন আক্তার। এরা প্রতিনিয়ত সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালের ভিতর থেকে রোগী ভাগিয়ে যে যে ক্লিনিকে নিয়োগ প্রাপ্ত সেখানে বিভিন্ন ধরনের পরিক্ষা নিরিক্ষার জন্য নিয়ে আসে।দেখা যায়, সরকারি হাসপাতালের সন্নিকটে চয়নিকা হাসপাতাল, আইকন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সন্ধানী ক্লিনিক,আজাহার ক্লিনিক অবস্থিত। এসব নামধারী হাসপাতাল ও ক্লিনিকের মালিকরা মাসিক বেতনে ও শতকরা হারে এই দালাল চক্রকে টাকা দিয়ে থাকে। তারা সরকারি হাসপাতাল হতে বিভিন্ন ছলনা করে, কম টাকায় চিকিৎসা দেওয়ার নাম করে রোগী নিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে থাকে।

আটককৃতরা বলেন, প্রাইভেট হাসপাতাল কতৃপক্ষ আমাদের মাসিক বেতনে নিয়োগ দিয়েছে। আমাদের কাজ হলো সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সরকারী হাসপাতালে যারা চিকিৎসা নিতে আসে তাদেরকে প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে আসা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্দার নূর রিফফাত আরা বলেন, সরকারি হাসপাতালের পাশে বেশ কিছু অবৈধ ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। এই সব ক্লিনিকের মালিকরা এইসব কিছু কর্মী নিয়োগ দিয়ে রোগী ভাগানোর কাজ করে থাকে। সরকারি হাসপাতালে কোন টেষ্ট হয়না। এই বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে তাদের নিয়ে যায়। এদের সাথে প্রাইভেট ক্লিনিকের মালিকরাও জড়িত।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সামিউল হক মানবিক বিষয় মনে করে তারা যেন আর এই কাজের সাথে জড়িত না হয় সতর্ক করে ১ হাজার টাকা জরিমানা করে আসামি ৬ জনকে ছেড়ে দেন।

কুমিল্লা দেবীদ্বারে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন

এ আর আহমেদ হোসাইন (দেবীদ্বার- কুমিল্লা): কুমিল্লার দেবীদ্বারে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে শাকিব (১৬) নামে এক কিশোরকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৩জন।সোমবার  (১০ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৫টায় দেবীদ্বার উপজেলার ধামতি ও রাধানগর গ্রামের সীমানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত শাকিব (১৬) দেবীদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়নের খয়রাবাদ গ্রামের তাজুল ইসলাম’র ছেলে। সে নানার বাড়ি রাধানগর গ্রামের থেকে হকারী করে খেলনা সামগ্রী বিক্রি করতো। আহত হয় সোহাগ, আল-আমিন ও শরীফ নামে আরও তিনজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- রাধানগর উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে রাধানগর ও ধামতি গ্রামের খেলোয়ারদের মধ্যে ঝগড়া হয়। ওই ঝগড়ার এক পর্যায়ে সোমবার বিকাল ৫টায় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এতে রাধানগর গ্রামের খেলোয়ারদের ছুরিকাঘাত করে প্রতিপক্ষের খেলোয়ারা। এতে শাকিব নামের এক জনের বুকে ছুরিকাঘাত হয়। তাকে দ্রুত চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, আহত শরীফ মিয়াজী জানায়- ধামতি গ্রামের আরিফ এর ছোট বোন রাহিমার সাথে একজনের প্রেম গঠিত বিষয় নিয়ে ক্ষিপ্ত হয় আরিফ। ক্রিকেট খেলার মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি করে প্রতিশোধ নিতে হামলা চালায় তারা।

চান্দিনা থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) ডালিম মজুমদার জানান- চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত কিশোরকে আনার পর ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে। যদিও খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে এসেছি তবে ঘটনাস্থল দেবীদ্বার থানাধীন হওয়ায় সেখানেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে দেবীদ্বার থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) জহিরুল আনোয়ার জানান- আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি, ঘটনার সূত্রপাত এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি। তদন্ত চলছে।

রানীশংকৈলে প্রতিমা বসিয়ে অভিনব কায়দায় জমি দখল

হুমায়ুন কবির রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় রাতের আঁধারে অবৈধ ভাবে প্রতিমা বসিয়ে জমি দখল করার অভিযোগ উঠেছে । উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের ভাংবাড়ী বিলের মাঝখানে নির্জন আবাদি জমিতে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, শ্রী পবেন্দ্র ওরফে টুনু রামের ছেলে জগদিশ ওরফে জগ রাম আবাদি জমি নিজ দখলে নিতে দু’দিন আগে রাতের আঁধারে প্রতিমা বসান।

জমি দখলের এ অভিনব ঘটনায় হিন্দু ও মুসলিম সমপ্রদায়ের মধ্যে চাঞ্চল্য বিরাজ করছে । সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আবু সুফিয়ান নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রায় বিশ বছর যাবৎ এক নম্বর খাস খতিয়ানের ৪৭৩৫-৩৬ দাগের ৫১ শতাংশ জমি শ্রী পবেন্দ্র ওরফে টুনু রামের নিকট ক্রয় করেছি ’।

এদিকে জগদিশ ওরফে জগরাম জানায়, ‘ আবু সুফিয়ান জমিটি আমার বাবার কাছ থেকে ক্রয় করেন, সে নাকি দশ সমাজে বসে কাগজ দেখাবে, তারপর সমাধান হবে’।

এদিকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘ফোনে আমি বিষয়টি জেনেছি, আশা করি বিষয়টি নিয়ে বসে সমাধান করা হবে’। ঐ ইউনিয়নের বাসিন্দা রাণীশংকৈল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহম্মেদ জানান, ‘আমিও বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে আবু সুফিয়ান আমার নিকট অভিযোগ করেছেন।

ঝালকাঠিতে নারী হয়েও সদর উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা সততা, নিষ্ঠার প্রতীক তানিয়া ফেরদৌস শেষ মুহূর্তে বদলি

ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠিতে যোগদানের পর বাল্য বিয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেও কুচক্রী মহলের কারনে মাঠে থাকতে পারেননি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌস। যার কারণ হল যোগদানের পর আট মাসের মাথায় বদলি।ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদানের পর ৭ মাসের মধ্যেই প্রায় ২০টি বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করেন। তানিয়া ফেরদৌসের অনত্র বদলী করায় জনমনে এক প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

ঝালকাঠিতে মাত্র কয়েক মাসেই সদর উপজেলায় যোগদানের পর থেকে যখন যে সময়, যেখানেই বাল্যবিয়ের কথা শুনেছেন সকাল, বিকেল আর রাত নেই ছুটে গেছেন প্রত্যন্ত এলাকায়। সেই সাথে ঘটনার সত্যতা পেয়ে সাংবাদিকদেরও অবগত করেছেন।

ঝালকাঠি সদর উপজেলায় যোগাদানের পর এখন পর্যন্ত দিন-রাত যার অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ২১টি বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ করেছেন।

সম্প্রতি গত ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারী মাত্র ১২ ঘন্টার ব্যবধানে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌসের হস্তক্ষেপে দুইটি ইউনিয়নে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধের মাধ্যমে ১৩ বছর বয়সী নবম শ্রনী পড়ুয়া দুইজন স্কুল ছাত্রীকে ফিরেয়ে দিয়েছেন নতুন জীবন ।এ বিষয় অনুসন্ধানে জানাযায়, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা, সদালাপি এবং সৎ কর্মতা হিসাবে ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া ফেরদৌস। উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে ঝালকাঠিতে যোগদানের মাত্র ৮ মাস যেতে না যেতেই, কেন বদলী জনিত কারনে ঝালকাঠিকে বিদায় জানাতে হলো ? এ বিষয়টি ওপেন সিক্রেট থাকলেও প্রশাসন, গোয়েন্দা বিভাগ, সাংবাদিক, দুদকসহ সরকারের সকল বিভাগ অবগত আছে।

সরকারী এই কর্মকর্তা বিরোধী এক চক্র কয়েকদিন আগে তার বিরুদ্ধে উৎকোচের বিনিময় চৌকিদার নিয়োগ করছেন বলে অপপ্রচার চালায়। সেই সাথে ঝালকাঠির একাধিক সিনিয়র সাংবাদিকদের এমন তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টায়ও কমতি ছিলো না।

কিন্তু অপপ্রচার কারী চক্রটি জানতেন না ঝালকাঠির পেশাদার সাংবাদিকদের কাছে তানিয়া ফেরদৌস একজন সাদা মনের সৎ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত মুখ। সাংবাদিকদের জানা ছিল তানিয়া ফেরদৌস এ নিয়োগে স্বচ্ছতা রাখতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সকল পর্যায় স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বাছাই প্রক্রিয়ার অন্যতম সদস্য সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), উপজেলা প্রকৌশলী এবং সদস্য সচিব আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট ছিলেন।শুধু তাই নয় নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে গোয়েন্দা বিভাগ ও পুলিশের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

অনুসন্ধানের গভীরে গিয়ে জানাযায়, শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়াই নয় ২০১৯ সালের জুন মাসে যোগদান করেই তিনি প্রথম ২০১৮-১৯ সালের এডিবি প্রকল্পের কাজ না দেখে চেকে স্মাক্ষর না দেয়ায় পড়েন রোসানলে। এডিবি প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের সংবাদ জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করে। প্রকল্পের সহ-সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থাকায় তানিয়া ফেরদৌস কাজ না দেখে চেক ফিরিয়ে দেয়ায় বিরাগভাজন ও অপ্রিয় হয়ে যান অনেকের কাছে। এক পর্যায় এডিবি প্রকল্পের কাজ দেখতে না পারলেও প্রকল্প সদস্য সচিব কতৃক চুড়ান্ত প্রতিবেদন ও কাজের মান প্রত্যয়ন স্বাপেক্ষে আর্থিক অনুমোদন দিতে বাধ্য হন তিনি। এছারাও একই সমস্যার সম্মুখিন হন টিআর, কাবিখা প্রকল্প নিয়েও। যার সভা না করে প্রকল্প অনুমোদনে দ্বিমত করায় তিনি আরো অপ্রিয় হয়ে ওঠেন বলেও অনুসন্ধানে করে জানা যায়।

ঝালকাঠিতে যোগদানের পর শুধু বাল্য বিয়েই নয় সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায় ও বিভিন্ন স্কুল, কলেজে গিয়ে জঙ্গী, মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিয়ে ও দুর্নীতি প্রতিরোধ, সভা সমাবেশ করেছেন। এছাড়াও সদর উপজেলাধীন ইউনিয়ন গুলোতে গিয়ে কিশোর কিশোরী ক্লাবের নিয়োগ, তথ্য অধিকার আইন, ধান ও গম বীজ সংগ্রহ, যাচাই বাছাই পূর্বক সততার সহিত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা বাছাইয়ের কাজ সম্পন্ন করেন।

২০১৯ এ ঘূর্নিঝড় বুলবুল অাঘাত হানার বার্তা সহ মানুষকে বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়স্থানে নিয়ে আসার আহবানে নিজ জীবনের ঝুকি নিয়ে তার নেতৃত্বে উপজেলার কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে নিয়ে নদী তীরবর্তী এলাকায় ছুটে গিয়ে সেখানকার মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে আনতে কাজ করেছেন। সেই সাথে ঘূর্নীঝড় বুলবুলের আঘাত শেষে ঐ সকল এলাকা সহ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষেকে সাহায্য করার মাধ্যমে তাদের পাশে দাড়িয়েছেন। প্রাকৃতিক দূর্যোগে শৈত প্রবাহে গরীব মাঝে কম্বল বিতরন করেছেন।ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তানিয়া ফেরদৌসকে শেষ পর্যন্ত ঝালকাঠি কর্মস্থল থেকে অনত্র চলে যেতেই হলো।

এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ফেরদৌসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানায়, ঝালকাঠিতে যোগদানের ৮ মাসেই বদলীর বিষয়ে কোন মন্তব্য না করে তিনি বলেন, বদলী একটি নিয়ম তান্ত্রিক প্রক্রিয়া, এটা যে কোন সময়ই হতে পারে। কতৃপক্ষের নির্দশনা পালন করা আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমার কাজের মূল্যায়ন সাধারন মানুষের উপর ছেড়ে দিলাম। ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি

মান্দায় বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ি নিহত

আপেল মাহমুদ,নওগাঁ প্রতিনিধি :নওগাঁর মান্দায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ি আওরঙ্গজেব ওরফে জেবু (৫০) নিহত হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে দেুলয়াবাড়ি-চৌবাড়িয়া রাস্তার বাঁকাপুর এলাকায় একটি আমবাগানে বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। নিহত জেবু উপজেলার দেলুয়াবাড়ি এলাকার মৃত নবির উদ্দিনের ছেলে। ঘটনায় ডিবির দুই সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফফর হোসেন জানান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ি জেবু বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। নিহত জেবুর বিরুদ্ধে মান্দা থানায় এক ডজনেরও বেশি মাদকের মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঝালকাঠিতে ডিবি পুলিশের হাতে ইয়াবা সহ দুই যুবক আটক

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ সোমবার বিকেলে ঝালকাঠি পৌরসবার কলেজ খেয়াঘাট থেকে অভিযান চালিয়ে ১২পিস ইয়াবাসহ দুই যুবককে আটক করেছে।ঝালকাঠি গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক এনামুল হোসেন জানান, সদর উপজেলা পৌরসভার পূর্ব চাদকাঠি এলাকার নান্নু মিয়ার ছেলে মোঃ জহির উদ্দিন ইব্রাহিম (প্রেম) ২০, মোঃ সুলতান আহমেদ খান এর ছেলে ইমরান খান (রুবেল) ২৮ দীর্ঘদিন যাবৎ ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।

গোপন সংবাদের ভিতিত্তে ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর এনামুল হোসেন, পরিদর্শক মাইন উদ্দিন, এস আই মফিজুররহমান এর নেতৃত্বে একটি টিম ১০/০২/২০২০ইং তারিখ সোমবার বিকেল উপজেলা সদরের পৌরসভার কলেজ খেয়াঘাট এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে জহির উদ্দিন ইব্রাহিম (প্রেম) ও ইমরান খান (রুবেল) কে আটক করে। পরে তাদের দেহ তল্লাশি চালিয়ে ১২পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সূত্র জানায়, এসএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পাওয়া ছাত্র মোঃ জহির উদ্দিন ইব্রাহিম (প্রেম) এখন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এবং তিনটি মাদক মামলার আসামি।

মাগুরার শ্রীপুরে বয়স্ক,বিধাব ও প্রতিবন্ধী ভাতার বাচাই পর্ব অনুষ্ঠিত

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধিঃ মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে দ্বারিয়াপুর ইউনিয়নে বসবাসরত নাগরিকদের উন্মুক্ত পদ্ধতিতে বয়স্ক,বিধবা, স্বামী নিগৃহীতা,অসচ্ছল ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর ভাতা প্রাপ্তির আবেদনকারীদের চুড়ান্ত বাছাই পর্ব অনু্ষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচীর আওতায় শ্রীপুর উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে সোমবার সকালে এ বাছাই পর্ব অনু্ষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইয়াছিন কবীর।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ ওয়াসিম আকরাম,দারিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন কানন, মাগুরা জেলা ওয়েভ ফাউন্ডেশনে সমন্বয়কারী তাসরিন জামান,ইউনিয়ন আঃ লীগের সাধারণ সম্পাদক শিহাবুল ইসলাম, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের সভাপতি হারুণ-অর-রশিদ আওয়ামী লীগ নেতা শফি উদ্দিন মোল্যা, ইউপি সদস্যবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা ।

রাণীশংকৈলে পিকআপ ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত-১

হুমায়ুন কবির,রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল – বালিয়াডাঙ্গী মহাসড়কে দ্রুতগামী পিকআপের ধাক্কায় মতিউর রহমান (৩০) নামে মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

অপর মোটরসাইকেল আরোহী রায়হান (২৮) গুরত্বর আহত হয়েছেন। ৯ ফেব্রুয়ারি রবিবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে রাণীশংকৈল – বালিয়াডাঙ্গী মহাসড়কের বিলপাড় নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মতিউর রহমান বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের আলোকছিপি গ্রামের ওলিউর রহমানের ছেলে। গুরুত্বর আহত রায়হানের বাড়িও একই গ্রামে।

বালিয়াডাঙ্গী সার্ভিসের তথ্যমতে, বালিয়াডাঙ্গী হইতে নেকমরদের উদ্দেশ্যে যাওয়া একটি মুরগির পিকআপ অপরদিক থেকে আসা মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান মোটরসাইকেল চালক মতিউর রহমান।
এ সময় মোটরসাইকেলের পিছনে থাকা রায়হান গুরুতর আহত হয়।

খবর পেয়ে বালিয়াডাঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুর্ঘটনাস্থল থেকে আহত রায়হানকে উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

রাণীশংকৈল থানার ওসি আব্দুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পিকাপটিকে আটক করা হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে ।

সর্বশেষ আপডেট...