জাহিন সিংহ, সাভার : সাভারে নানা আয়োজনে মাসব্যাপী পালিত হচ্ছে মুজিববর্ষের বিভিন্ন কর্মসূচী। এরই অংশ হিসেবে সাভার উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজন করা হয়েছে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট।
প্রতিদিন রাতে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে বিভিন্ন পর্যায়ে অংশ নিচ্ছে সাভারের অঞ্চলের প্রায় ২৪টি দল। তরুন প্রজন্মের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগানো এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব।
প্রতিদিন শত শত ক্রিড়াপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয় উপজেলা পরিষদের মাঠ। ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টটির সার্বিক পরিচালনা করছেন সাভার উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক।
মুজিবর্ষ উপলক্ষে মাসব্যাপী এ ধরণের কর্মসূচীর নানান কর্মসূচীর আয়োজন করেছে সাভার উপজেলা পরিষদ।
সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুরে ছোট ভাই আব্দুল্লাহ’র দায়ের কোপে কলেজ পড়ুয়া বড় ভাই আব্দুর রহমান নিহত হয়েছেন। দাখিল পরীক্ষার্থী ছোট ভাই আব্দুল্লাহ ও নিহত আবদুর রহমান উভয়ই কেওতা গ্রামের আবু বকরের ছেলে।
২৭/০১/২০২০ইং তারিখ সোমবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের কেওতা গ্রাম থেকে নিহত আব্দুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে তুচ্ছ ঘটনায় বাকবিতন্ডা’র একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ঘরে থাকা দা দিয়ে আব্দুর রহমানকে কোপ দেয় ছোট ভাই আব্দুল্লাহ। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন আব্দুর রহমান। রাজাপুর থানা পুলিশ খবর পেয়ে আব্দুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে । পুলিশ জানায় ঘাতক আব্দুল্লাহ পলাতক রয়েছে।
রাজাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, ঘাতক আব্দুল্লাহকে আটক করতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
হত্যাকান্ডের কারণ অনুসন্ধান চলছে। সামান্য বিষয় না-কি অন্য কোনো কারণে এ হত্যাকান্ড ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে খুলনা বিভাগীয় চাম্পিয়ন মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার গোয়ালদহ প্রাথমিক বিদ্যালয় দলকে গতকাল মঙ্গলবার সংবর্ধনা জানানো হয়েছে। খুলনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী (ডিএস) মোঃ আসাদুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয় পরিচলনা কমিটির সভাপতি ডাঃ অমরেন্দ্রনাথ দেউড়ির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশষে অতিথি ছিলেন খুলনা টিভির চেয়ারম্যান এএইচএম জামাল উদ্দিন, জেলা শিক্ষা অফিসার কুমারেশ চন্দ্র গাছি। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোশাররফ হোসেন, শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মুসাফির নজরুল, জেলা পরিষদের সদস্য আরজান বাদশা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিহাবউদ্দিন আহমেদ প্রধান শিক্ষক প্রভাস কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে বিদ্যালয়ের খেলোয়ার দলকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য এ বিদ্যালয়ের ৯ জন মেয়ে ফুটবলার জাতীয় দল এবং ১২ জন মেয়ে খেলোয়ার বিকেএসপিতে খেলোয়ার হিসেবে রয়েছে। এ বিদ্যালয় দু’বার খুলনা বিভাগীয় চাম্পিয়ন ও দুবার জাতীয় পর্যায়ে রানার আপ হয়েছে।
আপেল মাহমুদ,নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর মান্দায় ২০ হতদরিদ্র পরিবার পাচ্ছেন দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এসব বসতবাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বাড়িগুলো নির্মাণ করছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস।গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের বড়বেলালদহ গ্রামের গৃহবধূ শাহনাজ বিবির বসতবাড়ি নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার জসিম উদ্দিন। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হালিম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, উপসহকারি প্রকৌশলী গোলাম সরোয়ার, স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মিসহ এলাকার সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, ‘আমার দপ্তরের তত্ত¡াবধানে ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি মাধ্যমে বসতবাড়িগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রত্যেক বাসগৃহে থাকছে দুটি শয়নঘর, একটি রান্নাঘর ও একটি টয়লেট। এতে ব্যয় হচ্ছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬০ টাকা।’
এ প্রসঙ্গে গৃহবধূ শাহনাজ বিবি জানান, ‘আমার স্বামী মহির উদ্দিন একজন শ্রমিক। তার আয়ে কোনো মতে সংসার চলে। সামান্য জমি থাকলেও সেখানে পরিবশে সম্মত বসতঘর নির্মাণ করার সাধ্য ছিল না। এ কারণে বুনের বেড়ায় তৈরি খুপড়িঘরে কোনভাবে জীবন-যাপন করছি। এ অবস্থায় সরকার একটি পাকাবাড়ি নির্মাণ করে দিচ্ছেন। এজন্য আমি বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশ ওসি খোরশেদ আলম যোগদান করার পর পরই ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট অফিসের মধ্যে চিহ্নত দালালদের নিয়ে তৈরী করেছে টাকা আদায়ের বিশাল সিন্ডিকেট। কারনে অকারনে পাসপোর্ট যাত্রীদের বিভিন্ন ভাবে ফাদে ফেলে হয়রানী সহ টাকা আদায় করছে।বাংলাদেশে যে সমস্ত দেশের দূতাবাস নাই পাশের দেশ ভারত থেকে সে সব দেশের ভিসার জন্য বাংলাদেশীরা ভারতে যায়। তাদেরকে বিদেশ পার্টি হিসাবে আখ্যায়িত করে পাসপোর্ট প্রতি ২ থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়ে তাদের পাসপোর্টে ডিপারচার সিল দেওয়া হয়।এ কাজে ওসিকে সহযোগিতা করে এসআই হামিদ,কনস্টেবল হাসিব ও কম্পিউটার ইনজিনিয়ার আমিনুল।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ইন্টিগ্রেটেড চেকপোষ্ট হওয়ায় এই চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতীয় ভিসা প্রাপ্ত সকল পাসপোর্ট ধারী যাত্রীরা যাতায়াত করতে পারবে। কিন্ত ওসি খোরশেদ আলম পাসপোর্ট যাত্রীদের ভিসায় অন্য চেকপোষ্টের নাম থাকলে তাদের ইমিগ্রেশন সিল না দিয়ে বাহিরে ফেরত পাঠায়। পরবর্তীতে ওসির নিয়োগকৃত দালালের মাধ্যমে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা আদায় করে তাদের পাসপোর্টে সিল দিয়ে ভারতে পাঠায়।
১ বছরের ভিসা থাকলেও পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাস নেই বলে ওসি রিপোর্ট দেখিয়ে ওসির নামে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা আদায় করে সিল দেয়া হয়।যাত্রীর পাসপোর্টে উলেখ কৃত পেশার প্রত্যায়ন পত্র দেখাতে না পারলে ২ হাজার টাকা আদায় করা হয়। যাত্রীদের পাসপোর্টে ডলার ইনর্ডোসমেন্ট না থাকলে ডেস্ক থেকে সরাসরি যাত্রীদের ওসির রুমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকে ওসির সিন্ডিকেট সদস্য কনস্টবল হাসিব দালাল সোহেল,তালেব,দেলোয়ার ও কবিরদের সাথে দফারফা করলেই সব ঠিক হয়ে যায়। ইমিগ্রেশনের ওসির নিয়োগকৃত দালালদের চিহ্নত করতে সিসি টিভির ক্যামেরার ফুটেজ চেক করলেই দেখা যাবে। ভারতীয় পাসপোর্টে বিজনেস ভিসা থাকলে ইমিগ্রেশন সিল লাগাতে হলে ওসির নির্দেশে প্রতি পাসপোর্ট যাত্রীকে ২ শ টাকা ঘুষ দিতে হয়। ১৫ জন লোক ইমিগ্রেশন অফিসের ভিতরে কাস্টসম সাইডে ল্যাগেজ পার্টির মালামাল কাস্টম চেকিং থেকে ছাড় করানোর কাজ করে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাদের একজন বলেন ওসি খোরশেদ স্যার আমাদের সবার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা হারে প্রতিদিন ১৫ হাজার টাকা আদায় করে। সে আরো বলে ইমিগ্রেশন ভবনের সঙ্গে সংযুক্ত কাস্টমস অফিসের পাশে থাকতে হলে এ টাকা ওসি স্যার কে দিতে হবে।
যাত্রী হয়রানী নমুনা হিসাবে বিনা কারনে শত শত যাত্রীকে রোধ বৃষ্টি মধ্যে বাহিরে দাড় করিয়ে রাখা হয়।ভিতরে অল্প কয়েকজন যাত্রীকে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়।ওসির খাস লোক দালাল সোহেল নিজেকে এসবির নিয়োগকৃত লোক বলে পরিচয় দেয়।
ওসি খোরশেদ আলম যাত্রীদের সাথে সব সময় অসৌজন্য মূলক আচরণ করেন।তিনি অফিস টাইমে পুলিশের নির্ধারিত পোষক না পড়ে সব সময় হাফ হাতা প্রিন্টের টি সার্ট পড়ে থাকেন। অপর দিকে সাংবাদিক যাতে সরাসরি ইমিগ্রেশন অফিসে ঢুকতে না পারে সে জন্য খাতায় নাম এন্ট্রির ব্যবস্থা চালু করেছেন। কোন সাংবাদিক ইমিগ্রেশনে ঢুকতে গেলে মাঝ পথে একজন কনস্টেবল তাকে থামিয়ে খাতায় না এন্ট্রি করতে বলে এ সুযোগে সে ওসিকে ফোন করে।ততক্ষনে ওসি তার অপকর্ম বন্ধ করে ফেলে ।
এ ব্যাপারে ওসি খোরশেদ আলমের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি এ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আমাদের অফিসের সমস্ত কায়ক্রম ঢাকা হেড অফিস থেকে মনিটরিং করা হয়। সে জন্য মাঝে মধ্যে যাত্রীদের শৃংখলা ফেরাতে ইমিগ্রেশনে প্রবেশের ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।কোন যাত্রী হয়রানী বা কারো কাছ থেকে কোন প্রকার টাকা পয়সা নেয়া হয় না। বিষয়টি এসবির উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোড় দাবী জানিয়েছে ভোক্তভোগী পাসপোর্ট যাত্রীরা।
আপেল মাহমুদ,নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁর মান্দায় পাঁচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থী বিদায় ও ষষ্ঠ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার প্রতিষ্ঠানগুলোতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। উপজেলার গোটগাড়ী শহীদ মামুন সরকারি হাইস্কুল ও কলেজ চত্বরে অধ্যক্ষ জহুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ইউএনও আব্দুল হালিম প্রধান অতিথি ছিলেন। প্রভাষক পান্ডব কুমার সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম শেখ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন খান, সহকারি প্রধান শিক্ষক মাহফুজা খাতুন, সহকারি শিক্ষক এম জসিম উদ্দিন প্রমুখ।
অন্যদিকে রেবা আখতার আলিম মাদরাসা অধ্যক্ষ আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোল্লা এমদাদুল হক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গৌতম কুমার মহন্ত ও মাহবুবা সিদ্দিকা রুমা, অধ্যক্ষ মনজুর হোসাইন, অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ, অধ্যক্ষ মজিবর রহমান, অধ্যক্ষ মোজাফফর হোসেন প্রমুখ।
এছাড়া উপজেলার মান্দা থানা আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ, মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় এবং গোয়ালমান্দা উচ্চ বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের মধ্যদিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীণ শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়া হয়েছে।
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে বাংলাদেশের রামগঞ্জ উপজেলায় মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর কাছে কালেমা পাঠ করে মুসলমান হওয়া ১১ জন ভারতীয় সনাতন ধর্মের মানুষকে ফেরত দিল ভারতে।সোমবার সকাল ৮ টার সময় বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার পুলিশ তাদের বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ফেরত পাঠিয়েছে।
ফেরত যাওয়া ভারতীয় নাগরীকরা হলেনঃ- সুজাতা, শেফালি, রাজা, সমা, রেখা সুর্য, শ্যামলী, কোয়েল, মিতালী ও শঙ্কর অধিকারী। এদের মধ্যে ২ জন শিশু ও ৪ জন কিশোর কিশোরী রয়েছে।
ফেরত আসাদের সাথে লক্ষীপুর থেকে আসা পুলিশ সদস্যদের কাছে তাদের এত নিরপত্তার ভিতর দিয়ে কেন ভারত পঠানো হচ্ছে এ প্রশ্নে তারা কোন কথা বলতে রাজী নয়। নেমপ্লেড বিহীন একজন পুলিশের এসআই বলেন এদের উপরেরর নির্দেশ মোতাবকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
তাদের সাথে আসা পুলিশ সাংবাদিকদের সাথে কোন কথা না বলে জোর করে ওই যাত্রীদের নোম্যান্সল্যান্ডে নিয়ে গেলে সেখানে সাংবাদিকদের ধর্মান্তরিত যাত্রী শঙ্কর অধিকারী ওরফে মনির হোসেন বলেন, আমরা গত ২০১৯ সালের আগষ্ট মাসে ২ মাসের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করি। এরপর আমরা আমাদের পৈতৃক বাড়ি লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার ইছাপুর গ্রামে থেকে যাই। আমার মা সংরক্ষিত মহিলা আসনের চন্ডীপুর ইউনিয়নের একজন মেম্বার। তার নাম ফাতেমা। তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হয়েছি। ভারত আর ফেরত যেতে চাইনা। পুলিশ আমাদের ঢাকা নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বেনাপোল দিয়ে ভারত পাঠাল। আমরা সেদেশে যেয়ে কি করব। সবকিছু বিক্রি করে আমরা বাংলাদেশে এসে মুসলমান হয়েছি।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি মাসুম বিল্লাহ বলেন এরা পাসপোর্ট যাত্রী এরা নিয়ম অনুযায়ী নিজ দেশে ইমিগ্রেশন এর আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে ফিরে গেছে। যদি তেমন কোন সমস্যা থাকত আমরা সে বিষয়টি দেখতাম। যাত্রীদের ভাষ্যমতে তাদের পাসপোর্টের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে বলে জানা যায়। তারা কিভাবে ভিসা ছাড়া সেদেশে গেল তাও জানা যায়নি। সুত্র মতে ভিসা শেষ হলে দিন হিসাবে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী একটি জরিমানা দিয়ে নিজ দেশে প্রত্যবর্তন করতে হয়। এ ক্ষেত্রে তারা জরিমানা দিয়েছে কি না তাও জানা যায়নি।
এনামুল ইসলাম , রাজশাহী ঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অদম্য ৩১ এর সম্মিলিত ব্যাচ ডে উদযাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থীরা।অাজ সোমবার ২৭ জানুয়ারি সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব চত্বর থেকে এক আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে মিলত হয়।সকাল সাড়ে ১০ টায় বিডিক্লিন কুষ্টিয়ার এবং অদম্য৩১ এর যৌথ উদ্যোগে ক্যাম্পাসে পরিষ্কার অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পরিস্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান শেষে আলোচনা সভায় ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন, অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেমিকৌশল বিভাগের ও অদম্য৩১ এর উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকগণ ও অদম্য ৩১ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভার শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অদম্য৩১ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা নাচ, গান ও কবিতা পাঠ করে মাতিয়ে তুলেন মিলনায়তন।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাই উপজেলায় সোয়াপুর ইউনিয়ন বাথুলি এলাকায় থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। নিহত শাবনাজের স্বামী হাসান (২৫)কে ঘটনা স্থল থেকে আটক করে পুলিশ ।
নিহত শাবনাজ (১৮)ও তার স্বামী হাসান (২৫) বাথুলি এলাকায় বাদশার বাড়িতে ভাড়া থাকতো। স্বামী হাসান ধামরাই সরকার স্টীলমিলে চাকরি করতো নিহত শাবনাজের গ্রামের বাড়ি ভোলা চরফ্যাশান উপজেলায় নাজিমুদ্দিন গ্রামের শাহআলমের মেয়ে।আসামি হাসান একই গ্রামের আজিউল্লাহর ছেলে ।
আত্নীয় সুএে জানা যায় গত ছয় মাস আগে হাসান ও শাবনাজ প্রেম করে বিয়ে করে হাসানের বাড়িতে মেনে না নেওয়ায় ধামরাইয়ে বাথুলি এলাকায় চাকরি শুবাদে বসবাস করতো। বিবাহর পর থেকে হাসান যৌতুকের জন্য বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করতো এবং শাবনাজের বাড়ির লোক ও আত্নীয় সজন কাহারো সাথে যোগাযোগ করতে দিত না স্বামী হাসান।
এ ঘটনার জের ধরে গতকাল (২৬ জানুয়ারী) রবিবার বাথুলি ভাড়া বাড়িতে ৮.৩০মি. দিকে স্বামী হাসানের সাথে অভিমান করে ওড়না দিয়ে ঘরের ফ্যানের সাথে ফাঁস নেয়। স্হানীয় লোকজন জানতে পেরে ধামরাই থানা পুলিশকে খবর দেয়, পুলিশ ঘটনা স্থলে থেকে শাবনাজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে, লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
উক্ত ঘটনায় নিহতের মা মাকসুদা বেগম বাদী হয়ে পাঁচ জনকে আসামি করে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করে,মামলা নং-(২৩) দারা ৩০৬ এর (খ)।
এই ব্যাপারে ধামরাই থানা এস. আই. সুলতান বলেন ঘটনা স্থলে গিয়ে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করি, ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং নিহতর স্বামীকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয় ।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার রামরাই দিঘি সংলগ্ন বিলের নির্জন এলাকায় জুয়ার আসর থেকে ৪ জুয়াড়িকে আটক করেছে রাণীশংকৈল থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম। ২৬ জানুয়ারি রবিবার রাতে উপজেলার রাউতনগর রামরাই দিঘির পার্শ্বে, বিলের খোলা জায়গায় জুয়া খেলা অবস্থায় তাদের আটক করা হয়। এ সময় সেখান থেকে জুয়ার সামগ্রী ও নগদ পাঁচ হাজার চার’শ টাকা জব্দ করা হয়। আটককৃতরা হলেন, উপজেলার কদমপুর গ্রামের আব্দুল সালামের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩৮), একই গ্রামের মৃত আবদুল গফুরের ছেলে বাপ্পী বাপ্পি (২৮), জিন্না শেখের ছেলে তরিকুুল (২৪) এবং জয় ডাংগী গ্রামের সমীর উদ্দিনের ছেলে হামিদুর রহমান (২৮)।
রাণীশংকৈল ওসি (তদন্ত) খাইরুল আনাম ডন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,আমাদের পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুয়া খেলা অবস্থায় তাদের আটক করেছে।
এ ঘটনায় আটককৃত ৪ জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনের ৪ ধারায় রাণীশংকৈল থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং- ১৮। আটককৃতদের জেলা জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।