23 C
Dhaka, BD
শনিবার, জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

ধামরাইয়ে ভূয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে সরকারি পাঠ্যপুস্তক বরাদ্দ।

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি): ঢাকার ধামরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস অস্তিত্ব বিহীন একটি ভূয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নামে বিনামূল্যের সরকারি পাঠ্যপুস্তক বরাদ্দ ও সরবরাহ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃক ইস্যুকৃত চালানে বিনামূল্যে সরকারি পাঠ্য পুস্তক বরাদ্দ ও সরবরাহ প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটির নাম লেখা রয়েছে স্কলার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ। প্রকৃত পক্ষে স্কলার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ নামে কোন মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব ধামরাই উপজেলা বা এর পার্শ্ববর্তী কোন উপজেলাতেও নেই বলে জানা গেছে।ধামরাই পৌর-শহরের ঢুলিভিটা বাস্ট্যান্ডের দক্ষিণ পাশে স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, সাইবোর্ডে আনোয়ার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে এর নাম পরিবর্তে করে স্কলার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ লেখা রয়েছে। এই ব্যাপারে আনোয়ার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক মোঃ সুজন বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি জিডি করেন, সেই জিডি নং-৬৯৪।

সুত্রে জানাযায়, আলামিন, নাহিদ ও রাশেদ নামে তিন ব্যাক্তি মিলে আনোয়ার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের নামে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে বই আনতে গেলে সেখানে আনোয়ার পাবলিক স্কুর এন্ড কলেজর পরিচালক মোঃ সুজন মিয়া সেটা বাধা দিয়ে বলে আনোয়ার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ আমার, তখন মাধ্যমিক অফিসার আমাকে তার প্রমান দেখাতে বলে। তখন আমি আমার স্কুলের সকল কাগজ পত্র নিয়ে মাধ্যমিক অফিসারকে দেখালে তারা আমাকে বই দিয়ে দেয়। এর মধ্যে আলামিন,নাহিদ ও রাশেদ উপায়ন্তর না দেখে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সাথে যুগসাজসে স্কলার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের নামে বই তুলে নেন। কিন্তু দেখা যায় স্কলার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেঝের নামে কোন স্কুলই ধামরাই উপজেলায় নেই।

এই ব্যাপারে আনোয়ার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক মোঃ সুজন বলে, আমার সাথে নাহিদ,আলামিন ও রাশেদ মিথ্যা কথা বলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা আফিস থেকে বই তুলে নিতে চেয়েছিল কিন্তু আমি বাধা দিলে সেটা আর পারিনি। তাই ভুয়া একটি স্কুলের নাম ব্যাবহার করে বই তুলে নিয়েছিল। এই কারণে আমি ধামরাই থানায় জিডি করেছিলাম। তবে এখন আর সমস্য নেই তারা স্কুলের সকল কাগজ পত্র ঠিক করেছে।

এই ব্যাপারে নাহিদ,আলামিন বলেন, আমরা প্রথমে আনোয়ার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষকতা করতাম কিন্তু পরে আমারা সবায় মিলে আরেকটি স্কুল করার জন্য প্রস্তাব দিলাম সেখানে আনোয়ার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ-২ নাম হবে। কিন্তু আমরা যখন বই আনতে যায় তখন আনোয়ার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক সুজন আমাদের বাধা দেয়। পরে আমরা স্কলার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ নামে বই আনি।
এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাঃ নায়ার সুলতানার বলেন, আমি সকল ঘটনা শুনার পরে ঐ স্কলার পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ বন্ধ করে দিতে চেয়ে ছিলাম, তবে বাংলাদেশ সরকার প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছে যেখানে অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে সেই স্কুলে বই দিতে।

রাজাপুরে জীনের রানী আসিয়া খাতুন গ্রেফতার

সৈয়দ রুবেল ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি: ঝালকাঠি রাজাপুর উপজেলার জীনের রানি আসিয়া খাতুন গ্রেফতার।

জিনের ভয় দেখিয়ে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ও সাড়ে ১১ ভরি সোনা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে জীনের রানি আসিয়া খাতুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তার পিতা মন্নাফ সিকদার এবং ভাই কাওসার সিকদারকেও গ্রেফতার করা হয়।

০৩/০১/২০২০ইং তারিখ শুক্রবার বিকেলে গ্রেফতার কৃত তিনজনকে ঝালকাঠি আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে রাজাপুর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের সাবেক স্কুল শিক্ষক মৃত মোকসেদ আলীর স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন বাদি হয়ে ৫ জনের নামে বৃহস্পতিবার ০২/০১/২০২০ইং তারিখ রাতে রাজাপুর থানায় এ মামলা করলে পুলিশ রাতেই ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে।

অপর আসামি ফরিদ সিকদার ও ইব্রাহিম জিনের রাণী আসিয়া খাতুনের ভাই। মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলার ১ নম্বর আসামি আসিয়া খাতুন নিজেকে কোরআনের হাফেজ দাবি করে বাবা মন্নাফের বাড়িতে এলাকার মহিলাদের নিয়ে কয়েক বছর ধরে তালিমের মাধ্যমে কোরআন শিক্ষাসহ বিভিন্ন হাদিসের মাধ্যমে ইসলামের দাওয়াত প্রচার করে এবং মাঝে মধ্যে তার কাছে জিন আসে এই কথা বলে নানা অযুহাতে টাকা ও সোনা হাতিয়ে নিতে শুরু করে।

পরবর্তীতে জিনের ভয় দেখিয়ে টাকা ও সোনা হাতিয়ে নেয়। মামলার বাদি আম্বিয়া খাতুনকে বিভিন্নভাবে জিনের ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন সময় আসিয়া খাতুন ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং সাড়ে ১১ ভরি সোনার গয়না হাতিয়ে নেয়।

ভুক্তভোগী আম্বিয়া খাতুনের ছেলে অভিযোগ করে জানান. তার মা আম্বিয়া খাতুন সহজ সরল হওয়ায় বিভিন্নভাবে জিনের ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে আসামি আসিয়া খাতুন ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং সাড়ে ১১ ভরি সোনার গহনা হাতিয়ে নেয়।

রাজাপুর থানার ওসি জাহিদ হোসেন জানান, মামলার ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আশুলিয়া থানা যুবলীগ নেতা কর্মীদের  মিথ্যা মামলার ফাঁসানোর অভিযোগ

সাভার,  প্রতিদিনঃ আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ কবির হোসেন সরকারসহ থানা যুবলীগ ও ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা কর্মীদের  মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

lপ্রতিপক্ষ ঘায়েল ও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে তাদের বিরুদ্ধে এহেন মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ দায়ের করেছে বলেও অভিযোগ করেন যুবলীগ নেতাকর্মীরা।

গত কাল বৃহস্পতিবার রাতে আশুলিয়া থানায় মিথ্যা  অভিযোটি দায়ের করেন মাহফুজ আহাম্মেদ।

অভিযোগের ব্যাপারে আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহব্বায়ক কবির সরকার বলেন, একটি কুচক্রীমহল কু স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রমূলক আমাকে জড়িয়ে  মিথ্যা অভিযোগ করেছেন ঝুঁট ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে আমি  কারো কাছে চাঁদা দাবী করিনি। ঘটনাটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি আরও বলেন গত দুই বছর আগে আশুলিয়ার বাইপাইল নতুন পাড়া এলাকার  সেবলটেক্স নামে ওই কারখানার ঝুট ব্যবসা তিনি সেকেন্ট পাটি হিসাবে লুৎফর রহমান এবং মাহফুজসহ কয়েকজন যুবলীগ কর্মীদের দেন। তবে মাহফুজ পরবর্তীতে কাউকে সাথে না  রেখে একাই ব্যবসা পরিচালনা করেন। যুবলীগের নেতা কর্মীরা বিষটি আমাকে জানালে ওই ঝুট ব্যবসায় মাফুজের নামে থাকা চুক্তি বাতিল করে যুবলীগের নেতা কর্মীদের নামে করে দিয়েছি। এই সত্য ঘটনাটিকে আরাল করে আমিসহ আমার নেতাকর্মীদের নামে সে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।

এই  মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মাগুরার শ্রীপুরের বিল থেকে এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার জোকা গ্রামের পূর্বপাশের বিল থেকে গতকাল শুক্রবার সকালে জালাল উদ্দীন মোল্লা (৫৫) নামে এক কাঁচামাল ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। নিহত জালাল উদ্দীন মোল্লা ঔই গ্রামের আবু তালেব মোল্লার পুত্র ।

নিহতের স্ত্রী কমলা বেগম ও তার ভাই হাসেম মোল্লা জানান, নিহত জালাল উদ্দীন মোল্লা একজন কাঁচামাল ব্যবসায়ী । সে প্রতিনিয়তই লাঙ্গলবাঁধ ও খামারপাড়া বাজারে ব্যবসার উদ্দেশ্যে সকালে বাড়ি থেকে বের হয় এবং সন্ধ্যায় ব্যবসা সেরে বাড়ি ফিরে আসে । গত বৃহস্পতিবার সকালে সে বাড়ি থেকে ব্যবসার উদ্দেশ্যে লাঙ্গলবাঁধ বাজারে যায় কিন্তু ব্যবসার কাজ শেষে ঐদিন সন্ধ্যায় আর জালাল উদ্দীন বাড়িতে ফিরে আসে নাই । পরদিন অর্থ্যাৎ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে গ্রামের লোকজন বিলের ধারে মাঠে কাজ করতে গিয়ে তার লাশ দেখতে পেয়ে নিহতের পরিবার ও থানা পুলিশকে অবগত করেন।

সংবাদ পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ নিহতের পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় লাশটি উদ্ধার করে মাগুরা মর্গে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহাবুবুর রহমান বলেন,মৃত্যুর কারন বর্তমানে সঠিক করে বলা সম্ভব নয় । এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু হয়েছে । তবে ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যাবে ।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও এখনো আশা করছেন সঠিক সিদ্ধান্ত এই ৪৮ নং ওয়ার্ডবাসী

দলীয় প্রার্থী হয়েও মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও যদি এখনো আশা করছেন সঠিক সিদ্ধান্ত এই ৪৮ নং ওয়ার্ডবাসী অবশ্যই দেখতে পাবে ৮/৯ এর মধ্যেই,এর প্রেক্ষিতে জাহিদ হোসেন জুয়েল আমাদের বলেন, এ ওয়ার্ডে আমি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। বাবার আদর্শ বুকে ধারণ করে ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু কখনও মূল্যায়ন পাইনি,ওয়ার্ড থেকে থানা কলেজ ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলাম এর পরে আমি ব্রিহত্তর ডেমরা থানা আওয়ামীলীগের কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হই। এ বছর আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার আশ্বস্ত করা ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি সেক্রেটারি একটা দায়িত্ব আমি পাব,আর তাই গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচিত করেছিলাম,আর ঢাকা-৫ এর বাকী দুই ওয়ার্ড সরকার সমর্থিতরা পরাজিত হয়। কিন্তু আমাকে মূল্যায়ন করা হয়নি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার কথা তৃণমূলে বাস্তবায়ন হচ্ছে না,তার প্রমান আমি নিজেই তিনি যেখানে দল মত এর বাহিরে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করেন,আর সেখানে আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও এতিম,আর এতিমের জ্বালা তিনি না বুঝলে কে বুঝব,তাই বলছি নেত্রী চাইলেও হচ্ছেনা ত্যাগী বঞ্চিতদের কথা, এজন্য আমার কর্মী ও ভোটারদের অনুরোধে প্রার্থী হয়েছি। নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডটিকে পরিকল্পিত ও আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করে,জবাবদিহিতা মুলুক বাসযোগ্য করে গড়ে তুলব।

তাছাড়া কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠ, শিশুপার্ক, হাসপাতাল নির্মাণ করব। এছাড়া এলাকাটি সবুজায়ন করা ও তরুণ সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করে।আর সবচেয়ে বড় কথা এই ওয়ার্ডবাসী আবাসিক সুবিধা নাই বউ বাজার থেকে কলাপট্টি ও কাজলা রোড় এর আশেপাশের কারখানা যা অবৈধ ভাবে প্রিষ্টপোষকতা পায় তা থাকবেনা,ও আমি বিশ্বের বিভিন্ন জায়গাতে গিয়েছি দেখেছি কি করে সুয়ারেজ এর সহজ ব্যবস্থা করা যায় ও মানুষের দাড় গোড়ায় পৌঁছে হয়,তাই কথা দিতে পারি কোন সনদ নিতে একটি পয়সা আমাকে দিতে হবেনা,আমার বাবা দেশের জন্য আমাদের রেখে যদি প্রান দিতে চিন্তা না করেন আমি তার সন্তান মানুষের সেবা করতেই আশা এখানে আর পাবে এই এলাকার অসহায় এতিমরা অভিভাবক হিসেবে আমাকে,এর বাহিরে কিছু নাই সব কিছুই যা লাগে আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডটিতে শতভাগ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে চান কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডটিতে শতভাগ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে চান কাউন্সিলর প্রার্থীরা।

পরিকল্পিত সর্বাধুনিক মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছেন তারা। ওয়ার্ডে খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার, ব্যায়ামাগার ও পাঠাগার নির্মাণ, নিরাপত্তা জোরদার, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে চান তারা। নির্বাচন কমিশন ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ওয়ার্ডটিতে নির্বাচনী আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।

নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বলে জানান প্রায় সব প্রার্থী। নির্বাচনী প্রস্তুতির পাশাপাশি জয় নিশ্চিত করতে কাজ করছেন তারা। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে দলীয় সমর্থন নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় ভোটাররাও প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডটি অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন। ডিএমপির যাত্রাবাড়ী থানায় অবস্থিত এ ওয়ার্ডটি ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনের অন্তর্গত এলাকা।

ডিএমপির যাত্রাবাড়ী থানার উত্তর যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, উত্তর ও দক্ষিণ সায়েদাবাদ, বিবির বাগিচা, বৌবাজার সুতি খালপাড়সহ ৩০টি পাড়া মহল্লা নিয়ে ওয়ার্ডটি গঠিত। লক্ষাধিক মানুষ বসবাসকারী ওয়ার্ডটির ভোটার সংখ্যা প্রায় ২৯ হাজার ৪শ’ ২৫ জন। ডিএসসিসির ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আবুল কালাম অনু আর বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী হলেন, মো. আবদুল কাদের। এছাড়া স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে জাহিদ হোসেন জুয়েল ও জাহিদুল কবীর রাজু (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, যাত্রাবাড়ী থানাধীন ডিএসসিসির ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ সরু অলিগলিতে ঠাসা। রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় ময়লার স্তূপ। মশা-মাছিসহ নানা ধরনের কীটপতঙ্গ এলাকাবাসীর নিত্যদিনের সঙ্গী। এখানকার অপরিকল্পিত ও অপ্রশস্ত রাস্তাঘাটে তেমন একটা পরিকল্পিত স্যুয়ারেজের ব্যবস্থা নেই।

বাণিজ্যিক ও বাস টার্মিনাল হওয়ায় সড়কে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা লেগেই থাকে। সরু গলিতে আবাসিক বাড়ি নিয়ে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রীর ছোট ও মাঝারি কারখানা গড়ে উঠেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বৃষ্টি হলেই অভ্যন্তরীণ কয়েকটি সড়কে জলাবদ্ধতা হয়। এ ওয়ার্ডে ডিএসসিসির কোনো কমিউনিটি সেন্টার, মাতৃসদন, ব্যায়ামাগার, খেলার মাঠ ও শিশুপার্ক না থাকায় সমস্যায় রয়েছে বাসিন্দারা। কমিউনিটি সেন্টার না থাকায় নিুবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের বিয়েসহ সামাজিক অনুষ্ঠানাদি পালন করতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। ওয়ার্ডটিতে মাদকের আনাগোনা খুবই বেশি বলে অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর।

বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবুল কালাম অনু যুগান্তরকে বলেন, আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর ওয়ার্ডে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি উন্নয়ন হয়েছে। রাস্তা সংস্কার কাজ, স্যুয়ারেজ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সড়ক বাতি স্থাপনের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। কমিউনিটি সেন্টার ও খেলার মাঠ নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া মাদক নির্মূলে কাজ করেছি। আমার বিগত দিনের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে দল থেকে আবারও মনোনয়ন পেয়েছি। আশা করি ভোটাররাও আমার বিগত ৫ বছরের কর্মকাণ্ডে মূল্যায়ন করবে। নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডের বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করবেন বলে জানান তিনি।

বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মো. আবদুল কাদের যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচিত হলে এলাকাবাসীর সমস্যা সমাধানে আমি আন্তরিকভাবে কাজ করব। ওয়ার্ডে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাব।

স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহিদ হোসেন জুয়েল। যুগান্তরকে বলেন, এ ওয়ার্ডে আমি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। বাবার আদর্শ বুকে ধারণ করে ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু কখনও মূল্যায়ন পাইনি। এ বছর আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার আশ্বস্ত করায় গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচিত করেছি। কিন্তু আমাকে মূল্যায়ন করা হয়নি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার কথা তৃণমূলে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এজন্য আমার কর্মী ও ভোটারদের অনুরোধে প্রার্থী হয়েছি। নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডটিকে পরিকল্পিত ও আধুনিক বাসযোগ্য করে গড়ে তুলব। তাছাড়া কমিউনিটি সেন্টার, খেলার মাঠ, শিশুপার্ক, হাসপাতাল নির্মাণ করব। এছাড়া এলাকাটি সবুজায়ন করা ও তরুণ সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করব।

আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ৪৮নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল কবীর রাজু যুগান্তরকে বলেন, আমরা দলের ত্যাগী নেতা হয়েও মূল্যায়ন পাইনি। এজন্য ভোটারদের অনুরোধে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নির্বাচিত হলে মাদক নির্মূলে অগ্রণী ভূমিকা পালন করব। শিশুদের জন্য খেলার মাঠ, এলাকাবাসীর সামাজিক প্রোগ্রামের জন্য কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ করব। জলাবদ্ধতা নিরসন ও শহীদ জিয়া স্কুলের সামনে জমে থাকা ময়লা পানি অপসারণ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
সূত্র : দৈনিক যুগান্তর

যশোরের বেনাপোলে কাভার্ডভ্যান থেকে ফেনসিডিল উদ্ধার: আটক-২

মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল বন্দরের ২২ নং শেড কাঁচা মালের মাঠের প্রধান গেটের সামনে রাখা কাভার্ডভ্যান থেকে ৯২ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিলসহ ড্রাইভার আলমগীল (৪৭) ও হেলপার নেওয়াজ খান (৩২)কে আটক করে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ।বৃহস্পতিবার(২/১/২০২০)তারিখ সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই পিন্টু লাল দাস,এসআই মাসুম,এএসআই আলমগীর হোসেন ও কনেস্টবল আইয়ুব আলী বেনাপোল বন্দরের কাঁচা মালের মাঠের প্রধান গেটের সামনে থেকে কাভার্ডভ্যানের কেবিনে অভিনব কায়দায় রাখা ৯২ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করে। আটককৃত মোঃ আলমগীর বেনাপোল পোর্ট থানাধীন পুটখালী গ্রামের গোলাম রসূলের ছেলে ও নেওয়াজ খান পিরোজপুর জেলার সিংগোরিয়া গ্রামের মোঃ আলী খানের ছেলে ।এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মামুন খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল বন্দরের ২২নং শেডের প্রধান গেটের সামনে থেকে ঢাকা মেট্রো-ট-১৮-৯৯১৩ নাম্বারের একটি কাভার্ডভ্যানে অভিযান চালানো হয়। কাভার্ডভ্যানের ক্যাবিনের ভিতর অভিনব কায়দায় সাজানো ৯২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারসহ কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে ড্রাইভার ও হেলপারকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি এবং একজন পলাতক রয়েছে। আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে।

ধামরাইয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনাসভা।

মোঃ (ধামরাই প্রতিনিধি) ঢাকার ধামরাইয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ৩০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও মাদক বিরোধী প্রচারণা সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।“মাদককে রুখবো, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়বো” এ প্রতিপাদ্যে ধামরাই য়ে পালিত হয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ৩০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।

আজ সকাল ১১ টার দিকে ধামরাই উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় চত্ত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সামিউল হক সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ও শিক্ষার্থীরা র‌্যালিতে অংশ নেয়।

মাদক বিরোধী প্রচারণা উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম হলরুমে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়,এ সময় ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সামিউল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- ধামরাই উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও ধামরাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাদ্দেস হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ পরিদর্শক কবির উদ্দিন তালুকদার,পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নূরে রিফাত আরা সহ আরও অনেকে।

রাণীশংকৈলে আনন্দ স্কুলের সমাপনী ফলাফলে অকৃতকার্য-২৪৬

রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় সারা দেশের ন্যায় সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। ৩৫ টি স্কুলে ৫৭০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৩২৪ জন যা কাঙ্খিত ফলাফলের তুলনায় অপ্রতুল। দেশে ঝড়ে পড়া শিশুদের জন্য কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এবং রস্ক অনুমোদিত কেন্দ্রের শিখন ব্যবস্থার মাধ্যমে আট থেকে চৌদ্দ বছরের যে সব শিশু বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি অথবা প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করতে পারেনি এসব শিশুরাই আনন্দ স্কুলে পড়ছে। রাণীশংকৈল উপজেলায় ৩৫ টি আনন্দ স্কুলের ২০১৯ সারের পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার সম্ভাব্য ফলাফল নিরাশ করেছে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের। এ নিয়ে উপজেলায় চলছে সমালোচনার ঝড়!

এ উপজেলায় আনন্দ স্কুলের কাঙ্কিত ফলাফল না হওয়ায় শিক্ষানুরাগী সচেতন মহল মনে করছেন, ‘এটি একটি অপ্রত্যাশীত ফলাফল যা আমাদের কারই কাম্য নয়’। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ট্রেনার কো-অডিনেটর (টিসি) রেজাউল করিম বলেন,‘ ফলাফল ভাল হয়েছে এরা সবাই ঝরে পড়া শিশু’। তিনি আরোও বলেন, ‘এবারে উপজেলায় ৩৫ টি স্কুলে ৫৭০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩২৪ জন পাশ করেছে । এর মধ্যে ৫ জন জিপিএ- ৫ পেয়েছে’।

সরেজমিনে অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ‘আনন্দ স্কুলের ফলাফলে তারা বেশীর ভাগই আছেন নিরানন্দে’। রাণীশংকৈল উপজেলা শিক্ষা মোকছেদুর রহমান জানান,‘ উপজেলায় আনন্দ স্কুলের রেজাল্ট সন্তোষজনক নয় তবে ৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ- ৫ পেয়েছে শিক্ষার মান আরো ভালো করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে” ।

মাগুরার শ্রীপুরে কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন

আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা খাদ্য গুদামে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি আমন মৌসূমের ধান সংগ্রহ অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ।শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অঃদাঃ) মোঃ আবু সুফিয়ান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন ঘোষনা করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী জালাল উদ্দীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সালমা জাহান নিপা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মসিয়ার রহমান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তানজিলুর রহমান, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, শ্রীপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন পল্টু, ইউপি সদস্য ও কৃষক সিরাজুল ইসলাম টোকন, ধান প্রদানকারী কৃষক তালেব আলী বিশ্বাস ও আবুল হোসেন মোল্লা । সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,চলতি অর্থ-বছরে উপজেলার পাঁচ হাজার একশত ত্রিশ জন কৃষকের মধ্যে লটারীর মাধ্যমে এগার শত চার জন প্রান্তিক,ক্ষুদ্র,মাঝারি ও বড় ধরণের কৃষকদের নিকট থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে বারো হাজার আটচল্লিশ মেঃটন ধান সংগ্রহ করা হবে। প্রতি প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক এক মেঃটন এবং মাঝারি ও বড় ধরণের কৃষকগণ দুই মেঃটন হারে সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহ করতে পারবে। এ অভিযান ২৮ ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত চলমান থাকবে ।

সর্বশেষ আপডেট...