বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মামুন খান বলেন, গোপন সংবাদে জানতে পারি যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী হাফিজুর রহমান গোপনে বাড়ি অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার হাফিজুর রহমানকে সোমবার সকালে যশোর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে বলে তিনি নিশ্চিত করে।
হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, ( ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল হোসেনগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি বার্ষিক কাউন্সিল ১০ ডিসেম্বর রবিবার দুপুরে রাউত নগর হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। হোসেনগাঁও ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি জি এম রাব্বানীর সভাপতিত্বে – প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অধ্যাপক সইদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ’লীগ সহ সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা।
এছাড়াও এতে উপজেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহম্মেদ, যুবলীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র আলমগীর সরকার, উপজেলা ও পৌর আ’লীগের নেতৃবৃন্দ ইউনিয়ন আ’লীগ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে আলোচনা সভা শেষে বিকেলে রাউত নগর স্কুল রুমে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচনে জিএম রাব্বানী ১৫৪ ভোট পেয়ে সভাপতি এবং বিশ্বনাথ রায় ১৫২ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে পুনরায় নির্বাচিত হন। সভাপতি পদে নিকটতম প্রার্থী আব্দুল খালেক মিয়া ৮২ এবং সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী নোওশাদ ৪৮ ভোট পান।
আবুল কালাম আজাদ ঃ শুদ্ধি অভিযানের মতো বড় ধাক্কার পর কেমন হবে যুবলীগের কমিটি- সেই আলোচনা এখন সর্বত্র। আগামী ২৩ নভেম্বর বেলা ১১টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুবলীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
নিজস্ব প্রতিবেদন : শুদ্ধি অভিযানের মতো বড় ধাক্কার পর কেমন হবে যুবলীগের কমিটি- সেই আলোচনা এখন সর্বত্র। আগামী ২৩ নভেম্বর বেলা ১১টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুবলীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুবলীগের অনেক নেতাও রয়েছেন দৌড়ের ওপর। সার্বিক পরিস্থিতিতে প্রথমবারের মতো যুবলীগের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী চেয়ারম্যান ওমর ফারুককে ছাড়াই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের যুবলীগের কাউন্সিলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে কমিটিতে, এটি নিশ্চিত। ক্যাসিনো ব্যবসায়ী, দুর্নীতি ও টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ নেতারা বাদ পড়বেন। নেতৃত্বে আনা হবে ক্লিন ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতাদের। ইতিমধ্যে নতুন নেতৃত্বের সন্ধান শুরু করেছেন খোদ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে সার্বিক সহযোগিতা করছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ নেতারা জানিয়েছেন, যুবলীগের নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্ন ইমেজকে প্রাধান্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
কারণ এই সংগঠনের বর্তমান ভাবমূর্তি তলানিতে এসে ঠেকেছে। এখন এমন নেতা প্রয়োজন, যারা ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার ও সেটা ধরে রাখবেন। এর ধারাবাহিকতায় আগামী ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এর আগে ১১ ও ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ দুই শাখা ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন। শীর্ষ এ পদের দৌড়ে এগিয়ে আছেন
ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণ এর সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচিত নেতৃবৃন্দ,
## মাইনুদ্দিন রানা ঃঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, তিনি ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।
## আহমেদ উল্লাহ মধুঃ ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সহ-সভাপতি হিসেবে বর্তমানে দ্বায়িত্ব পালন করছেন, আহমদ উল্লাহ মধুর ১৯৮৪-১৯৯০ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে থেকে ওয়ার্ড ও থানার দায়িত্ব পালন করেন।
## নাজমুল হাসান টুটুল ঃ বর্তমান সহ-সভাপতি, সাবেক ছাত্রলীগের রাজনিতীতে সক্রিয় ছিলেন সৎ পরিচ্ছন্ন সূদর্সন এ নেতা।
## হারুনুর রশীদঃ ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সহ-সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন সম্ভাব্য এই প্রার্থী৷
## মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পলাশঃ সাবেক ছাত্রনেতা ক্লিন ইমেজের প্রতিচ্ছবি ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান পলাশ সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।, ১/১১ আগে ও পরে ছাএ আন্দোলন সংগ্রামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালনকারী পলাশ নির্যাতনের শিকার। পলাশ কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত।
## এমদাদুল হক এমদাদ ঃঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন এই প্রার্থী।
## সৈয়দ মার্শীদ শুভ ঃসাবেক ছাত্রনেতা ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের স্বাস্থ্য সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন এই প্রার্থী।
## খন্দকার আরিফুজ্জামান ঃসাবেক ছাত্রনেতা, ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের উপ দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন।
## এম আর মিঠু ঃ ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের নির্বাহী সদস্য। ও সাবেক ছাত্রলীগের নেতা।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই প্রতিনিধি) আজ রবিবার ধামরাই মুন্নু কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে ধামরাই পৌরসভার ১,২ও ৩ নং এি বার্ষিকী সন্মেলন ২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়।১,২ ও ৩ নং তিনটি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সভাপতি দের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা ২০ এর মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমদ।
বিশেষ সন্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ধামরাই পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা, ধামরাই উপজেলার আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক সাখায়ত হোসেন সাকু, ধামরাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম সিরাজ,ধামরাই উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহনা জেসমিন মুক্তা,
ধামরাই উপজেলার যুবলীগনেতা হাফিজুর রহমান হাফিজ,ধামরাই পৌর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক সানাউল হক সুজন।
১,২ও৩ নং এই তিন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আরিফুর রহমান,আমজাদ,বাবুলুর রহমান বাবুল। ধামরাই পৌর যুবলীগ সহ-সভাপতি আলী খান,ধামরাই উপজেলা সাবেক ছাএলীগের যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার মাহবুব তুষার ।
এছাড়া ও উপস্হিত ছিলেন ধামরাই উপজেলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাএলীগ নেএি বৃন্দ গন।
মনির হোসেন,গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি: মির্জাপুর টু বাংলা বাজার,রাস্তার বেহাল দশা,যেনো দেখার কেউ নেই ।
গাজীপুরের ভাওয়াল মির্জাপুর থেকে বাংলাবাজার পর্যন্ত রাস্তাটি মানুষের চলাচলের জন্য একেবারেই অনুপোযোগী, বছর দুয়েক আগে রাস্তাটির সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হয়েছিল দুই মাস যেতে না যেতেই গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ড্রেনের পাইপ বসানোর জন্য রাস্তাটি আবার গর্ত করা হয় , সেই গর্তই এখন মরন ফাঁদ ।
মাঝে মধ্যে গর্তে গাড়ি উল্টে আহত হচ্ছে সাধারণ মানুষ অতি দ্রুত রাস্তাটির সংস্কার না করলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা
মোঃ রাসেল ইসলাম,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানাধীন বড়আঁচড়া গ্রামে সোনামনি ওরফে টুনু (২২)নামে এক তরুনী গলায় ওড়ান পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।ধর্ষনের পর লোক লজ্জার ভয়ে গলায় ওড়ান পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ধর্ষক রাকিব হাসানের মা রুপালি বেগম মেয়েটিকে গালিগালাজ করার পর ধর্ষনের পর লোক লজ্জার ভয়ে গলায় ওড়ান পেচিয়ে সে আতœহত্যা করেছে বলে স্থানীরা অভিযোগ করেন।
শুক্রবার রাত ৮ টার সময় বেনাপোলের বড়আঁচড়া গ্রামের লিটন এর বাড়িতে আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটে।ধর্ষনের শিকার আত্মহত্যা রুনী যশোর জেলার মনিরামপুর থানার ময়নুদ্দিনের মেয়ে। সে ওই গ্রামে লিটনের বাড়িতে ভাড়া থাকত তার বোনের সাথে।
বেনাপোল পোর্ট থানার বড়আঁচড়া গ্রামের শহিদের ছেলে ভরসা ও তার চাচাতো ভাই রফিকুল ইসলামের ছেলে রাকিব হোসেন এবং একই থানার গাতিপাড়া গ্রামের সাগর হোসেনের ছেলে সাব্বির হোসেন ধষর্ককারী বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা বলেন, শুক্রবার বেলা ৪ টার সময় জুথি নামে একটি মেয়েকে সংঙ্গে নিয়ে সোনামনি ওরফে টুনু রাকিবের ডাকে তার চাচাতো ভাই ভরসাদের বাড়িতে যায়। এসময় ওই বাড়িতে ভরসার বাবা মা কেউ ছিল না। টুনু ভরসাদের ঘরে উঠার কিছু সময় পর জুথি ওই বাড়ি থেকে চলে আসে। এরপর টুনুর বড় বোন মর্জিনা বাড়িতে এসে তার বোনকে না পেয়ে পাগলের মত প্রায় ৪০ মিনিট খোজাখুজির পর মেয়েটি বাড়ি আসে। সে কোথায় ছিল তা তার বোন জানতে চাইলে সে বার বার মিথ্যা কথা বলতে থাকে।এক পর্যায় রাকিবের মা রুপালী বেগম এসে মেয়েটিকে মারতে যায়,এবং বলে সে তার ছেলে ও ভাসুরের ছেলে ভরসার সাথে তার ভাসুর শহিদের বাড়িতে সময় কাটিয়েছে। এতে করে গ্রামের লোক কানা ঘুষা করতে থাকে। মেয়েটি লোকলজ্জার ভয়ে রাত ৮ টার দিকে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে। তবে একটি সুত্র দাবি করে বলে মেয়েটি নিজ ইচ্ছায় দারিদ্রতার কারনে অনৈতিক কাজ করে থাকতে পারে।
মেয়েটির বোন মর্জিনা বলেন তার বোনকে ওরা ফুসলিয়ে নিয়ে জোর করে ধর্ষন করেছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে সে তার বোনকে বকাঝকা করলে সে সুযোগ বুঝে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।
বাড়ির পাশের আসমা খাতুন বলেন, টুনুর বড় বোন মর্জিনার শিশু সন্তানকে টুনু রাখত এবং মর্জিনা একটি হোটেলে রান্নার কাজ করত। ওই বাচ্চার কান্নার চিৎকারে দৌড়ে এসে জানালা দিয়ে দেখা যায় টুনু গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে। তখন জানালা দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভিতর প্রবেশ করে টুনুকে উদ্ধার করে বেনাপোল রজনী ক্লিনিক এরপর নাভারন বুরুজ বাগান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ডাক্তাররা তাকে মৃত্যু বলে ঘোষনা করেন।
রাকিবের মা রুপালী বেগমের নিকট বিষয়টি জানতে চাইলে সে তাকে গালাগালি করেনি বলে জানায়। তবে টুনু ও তার ছেলে সহ আরো দুইজন তার ভাসুরের ঘরে ছিল বলে স্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে ভরসার পিতা শহিদ হোসেন ও মা বিউটি খাতুন বলেন, আমার ছেলে এ রকম কাজ করতে পারে না। সে গ্রামে একজন ভালো ছেলে হিসাবে পরিচিত। মেডিকেল রিপোর্ট আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে তার ছেলে দোষি কিনা।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভরসা, রাকিব ও সাব্বির পলাতক রয়েছে বলে এলাকাবাসি জানান।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন, মেয়েটি ধর্ষন হয়েছিল কিনা বলতে পারব না। তবে সে গলায় ওড়না জড়িয়ে আত্মহত্যা করেছে। তার শারীরীক ও পোষ্ট মর্টেম পরীক্ষার জন্য যশোর মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারী পরীক্ষার রিপোর্টে সব জানা যাবে। তবে এ ঘটনায় বেনাপোল পোর্ট থানার একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।
আশরাফ হোসেন পল্টু,মাগুরা প্রতিনিধি :মাগুরায় গৃহহীনদের মাঝে দুর্যোগ সহনশীল বসতবাড়ি গড়ে দিচ্ছেন সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। জেলার শ্রীপুর উপজেলার চলতি অর্থবছরের টিআর ও কাবিটা প্রকল্পের আওতায় ৮টি ইউনিয়নে ৯১টি পরিবারের জন্য ৯১টি বাসগৃহ নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতি ঘরে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫০০ শত টাকা ব্যয়ে দু’রুম বিশিষ্ট থাকার ঘর, একটি রান্না ঘর, একটি টয়লেটসহ অন্যান্য সুবিধা রয়েছে বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কহিনুর জাহান জানান।
সম্প্রতি মাগুরা জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম উপজেলার শ্রীপুর সদর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের দুঃস্থ,অসহায়, হতদরিদ্র বাসিন্দা তাইজেল বিশ্বাস এর নামে বরাদ্ধকৃত দুর্যোগ সহনশীল বাসগৃহের চাবি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেরা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর,শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমান, শ্রীপুর সদর ইউ,পি চেয়ারম্যান মোঃ মশিয়ার রহমান,শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মুসাফির নজরুল,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কোহিনুর জাহানসহ বিভিন্ন স্তরের সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ।
শ্রীপুর সদর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের সুবিধাভোগি তাইজুল ইসলাম জানান, তিনি জীবনে হয়তবা এতো সুন্দর একটি ঘর নিজের সামর্থে তৈরী করে বসবাস করা আদৌও সম্ভব হত কি-না জানি না । তবে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানটি শ্রীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মসিয়ার রহমানের সহযোগিতায় ঘরটি পেয়ে আমি কৃতার্থ হয়েছি ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়াছিন কবীর বলেন, ‘এ বাসগৃহগুলোর কাজ যাতে সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয় এবং সুবিধাভোগিরা যাতে কোন প্রকার ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি করে ঘরের কাজ সমাধান করা হচ্ছে’।
এ বিষয়ে মাগুরার জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগ সত্যিই প্রসংশনীয়। এ বাসগৃহগুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। গৃহহীনদের কাছে এটা স্বপ্নের মতো মনে হলেও আসলে এটি একটি সরকারের বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ। তবে অদূর ভবিষ্যতে এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
বিশেষ প্রতিবেদক ঃ ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে ‘কাউয়া মুক্ত আশুলিয়া থানা যুবলীগ লীগ চাই’ লেখা সম্বলিত একটি বিলবোর্ড। গত ৩১ শে অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিলবোর্ডটির ছবি ফেসবুকে শেয়ার করে সুমন মীর লেখেন:- মমতাময়ী মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনার কাছে আমাদের আশুলিয়া বাসীর দাবি জামায়াত-বিএনপি থেকে আসা নাশকতাকারী,কাউয়া ও হাইব্রিড মুক্ত যুবলীগ চাই।এরপর মো ইমন মোল্লা, উজ্জ্বল ভূঁইয়া, আমির সরকারসহ অনেকেই ছবিটি নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেন। ফেসবুকে এমন ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর আবার ও আলোচনায় আসে ‘কাউয়া যুবলীগ ‘।
আশুলিয়া থানা এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কাউয়া ও হাইব্রিড মুক্ত যুবলীগ চাই লেখা ,বিলবোর্ড, ব্যানার, পোস্টার। উল্লেখ যোগ্য স্থানগুলো মধ্যে আশুলিয়া প্রেসক্লাব পাশে, ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে, বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের পাশে, ওভার ব্রিজ , জামগড়া চৌরাস্তায় মোড়, নরসিংহপুর স্টান, আশুলিয়া বাজারসহ বিভিন্ন মার্কেট বিলবোর্ড ও ব্যানার টানানো।গত বছর সিলেটে আওয়ামী লীগের এক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘আওয়ামী লীগে কাউয়া ঢুকে গেছে।’
এরপর থেকে তার দেয়া উপাধি অনুযায়ী দলে অনুপ্রবেশকারীদের ‘কাউয়া’ বলে অভিহত করেন দলের ত্যাগী নেতারা। দলের তৃণমূল মনে করে, দলের মধ্যে যেসব অনুপ্রবেশকারী ঢুকে থাকে, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট জরিপ হওয়া প্রয়োজন।
‘কাউয়া’ বলতে যারা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি-জামায়াত, বিভিন্ন বাম দল এবং জাতীয় পার্টি থেকে দলে এসে দীর্ঘ দশ বছরে তাদের বিপুল অর্থ ভাণ্ডার তৈরি করেছেন তাদের বোঝানো হয়ে থাকে।
আশুলিয়ার বিভিন্ন ইউপি যুবলীগের ত্যাগী নেতা কর্মীরা জানান, আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটিতে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী একাধিক মামলার আসাামী ও পূর্বে দলের কেন পদ-পদবী না থাকার সত্বেও হঠাৎ করে আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি তে পদ বাগিয়ে নিয়েছে। এতে করে সকল ত্যাগী নেতাদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। এই সমস্ত নাম ধারী হাই-ব্রিড সুভিধা ভুগী নব্য নেতা বনে যাওয়া দের জন্যই যুব লীগের বদনাম হয়। এদের পদ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা উচিত বলে মনে করেন তারা।
মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন (ধামরাই-ঢাকা) আজ শুক্রবার ধামরাই উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে ধামরাই পৌরসভার ৪.৫.৬. নং ওয়ার্ডয়ের এি বার্ষিকী সন্মেলন ২০১৯ জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উওলোনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
৪.৫.৬ নং তিনটি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সভাপতি দের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা ২০ এর মাননীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমদ।বিশেষ সন্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামরাই পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ধামরাই পৌর মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা, ধামরাই উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও ধামরাই উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাদ্দেস হোসেন,ধামরাই উপজেলার আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক সাখায়ত হোসেন সাকু, ধামরাই উপজেলার যুবলীগনেতা হাফিজুর রহমান হাফিজ, ৪.৫.৬ নং এই তিন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী, সাহেব আলী, জাকির হোসেন।