28 C
Dhaka, BD
শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬

ধামরাইয়ে মাদক সম্রাট কালাচাঁন ইয়াবাসহ আটক।

ঢাকার ধামরাইয়ে উত্তর হাতকোড়া এলাকা থেকে মাদক সম্রাট মোঃ কালাচাঁনকে (৪৫) মাদক ৫২ পিছ ইয়াবাসহ আটক করেছে ধামরাই থানা পুলিশ এবং সে আরেকটি মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি।

শুক্রবার (২৫জানুয়ারী) দিনগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর হাতকোড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।আটককৃত কালাচাঁনের বাড়ী ধামরাই উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের উত্তর হাতকোড়া গ্রামের মৃত কপিল উদ্দিনের ছেলে।এই ব্যাপারে এলাকাবাসি জানান, কালাচাঁন এলাকায় মাদক ব্যাবসা করে এলাকার যুবসমাজকে ধংশের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশ কালাচাঁনকে ধরে কোটে চালান দেয় , কিন্তু কিছু দিন পর জামিনে এসে কালাচাঁন আবার সেই ইয়াবা ব্যাবসা করে। এর আগে কালাচাঁনের বিরুদ্ধে কয়েকটি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানান পুলিশ ফাঁড়ীর উপ-পরিদর্শক ( এ এস আই) মোঃ শামীম হোসেন। তাই এলাকা বাসির দাবি সেযেন জেল থেকে সহজে ছাড়া না পায়।

এ ব্যাপারে কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ীর উপ-পরিদর্শক ( এ এস আই) মোঃ শামীম হোসেন জানান , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি কালাচাঁন ইয়াবা বিক্রি করতেছে। তখন সাথে সাথে ঐ এলাকায় দ্রুত পৌছিয়ে ৫২পিচ ইয়াবাসহ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি । সে আরেকটি মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি । আজ সকালে তার বিরুদ্ধে ৫২পিচ ইাবাসহ একটি মামলা দিয়ে কোটে প্রেরণ করা হয়েছে।

চলছে সাভার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের গণসংযোগ ।

আসন্ন সাভার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মঞ্জুরুল আলম রাজীবের পক্ষে গণসংযোগ ও মুক্ত আলোচন সভা ।

করছেন স্থানীয় আওয়ামী-লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতারা। শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে এ সভার কার্য্যক্রম।

বনগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগের পরে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেয় তারা।

এ সময় অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তেতুঁলঝোড়া ইউপি চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর। ঢাকা জেলা উওর এর সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সায়েম মোল্লা। যুবলীগ নেতা মনির হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা সাঈদুল সহ অনেকে।

দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালি করতে নৌকা মার্কায় ভোট চান নেতাকর্মীরা। সাভার উপজেলা আওয়ামী-লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীবকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় সাভারবাসী।

সুন্দরগঞ্জে খেঁজুরগাছ থেকে পড়ে একজনের মৃত্যু

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের সীচা গ্রামে খেঁজুরের গাছ পরিষ্কার করতে গিয়ে ঐ গাছ থেকে পড়ে সুনীল চন্দ্র মহন্ত ওরফে গাছী সুনীলের (৩৫) মৃত্যু হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীনাবস্থায় গত ২৪ দিন পর সুনীলের মৃত্যু হয়। সুনীল উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের ম্যাচপাড়াস্থ কন্ঠস্বর মহন্তের পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন থেকে নারিকেল ও খেঁজুরের গাছ পরিস্কারের জন্য দিন মজুরী করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এরই একপর্যায়ে গত ২রা জানুয়ারী উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের সীচা গ্রামের আলহাজ্ব ফজলার রহমানের পুত্র খোকা মিয়ার খেঁজুরগাছ পরিষ্কার করতে গিয়ে
অসাবধানতা বশতঃ ঐ গাছ থেকে পড়ে যান।এতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে ও পরে রমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ২৪ দিন চিকিৎসা শেষে তার মৃত্যু হয়।
শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান- শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
থানা অফিসার ইনচার্জ- এসএম আব্দুস সোবহান জানান, এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ আসেনি। তবে, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মোবাইলফোনের মাধ্যমে জানিয়েছে।

বার কাউন্সিলের সদনপ্রাপ্ত আইনজীবীদের অর্ভ্যথনা

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে পাশকৃত ৩০ জন শিক্ষার্থী বার কাউন্সিলের সনদ পাওয়ায় অর্ভ্যথনা দেয়া হয়েছে। ২৬ জানুয়ারি, ২০১৯ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. লায়লা পারভীন বানু এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. লায়লা পারভীন বানু বলেন- ‘একসঙ্গে ৩০ জন শিক্ষার্থীর সনদ পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের ও আনন্দের’। নতুন সনদপ্রাপ্ত আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, একজন কৃষক থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবী যে কেউ আইনের দারস্থ হতে পারে। তাই বিচার বিভাগের সর্বত্র যাতে বাংলার ব্যবহার বৃদ্ধি পায় সেদিকে তোমাদের নজর দিতে হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেজিস্ট্রার মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন- ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুতে শুধু বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয় পড়ানো হতো। কিন্তু পরবর্তীতে ইংরেজি ও আইন বিভাগ চালুর অল্প সময়ের মধ্যে এ বিভাগ দুটির শিক্ষার্থী সংখ্যা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যায়। বর্তমানে চাকরির বাজারে এ বিভাগগুলোর শিক্ষার্থীরা খুব ভাল করছে। যা সত্যিই আশাব্যঞ্জক।’ অনুষ্ঠানে ডীনগণ, বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সনদপ্রাপ্ত নতুন আইনজীবীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।

সন্ত্রাস-চাঁদাবাজের দায়িত্ব নেবে না আওয়ামী লীগ – খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ।

দলের নামে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী ও উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ড করলে তার দায়িত্ব আওয়ামী লীগ নেবে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

দিনাজপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বুধবার (২৩ জানুয়ারি) জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এই আওয়ামী লীগকে মানুষ ভোট দিয়েছে, কোন মালিকানা প্রতিষ্ঠার জন্য নয়। এখানে কোন মালিকানা থাকবে না।

এখানে বাংলাদেশের মানুষকে সেবা করার জন্য আওয়ামী লীগকে অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। কোন ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা চাই না। দিনাজপুরে কোনো ধরনের মাস্তানতন্ত্র ও সন্ত্রাসতন্ত্র থাকবে না। এরকম কিছু করলে তার দায়িত্ব সরকার নেবে না।’

সুন্দরগঞ্জে একটি সড়কসহ ফুটব্রীজের জন্য জন দুর্ভোগ চরমে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর গ্রামে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত একটি সংযোগ সড়কসহ ফুটব্রীজের জন্য প্রত্যহ হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোয়াতে হচ্ছে। বিগত নব্বই দশকে নির্মিত ঐ ফুটব্রীজসহ সংযোগ সড়কের আজও কোনরূপ উন্নয়ন হয়নি।

সরজমিনে জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ পৌর শহরে অবস্থিত কেন্দ্রীয় মন্দির তথা সুন্দরগঞ্জবাজার থেকে তারাপুর ইউনিয়নের তারাপুর গ্রাম হয়ে কুড়িগ্রাম সদর, চিলমারী, উলিপুর, লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, রংপুর সদর, কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার সঙ্গে সংযোগ রক্ষাকার্থে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শহরের নিকটস্থ গোয়ালেরঘাট নামক জলাশয়ের উপর ফুটব্রীজটি সরু (চিকন) বা প্রস্থ স্বল্পতার ফলে একটি রিক্সাভ্যান পারাপারের সময় পায়ে হাটা মানুষকে দু’পাশে অপেক্ষা করতে হয়। সারাক্ষণ ব্যস্ততম জন গুরুত্বপূর্ণ ও দূরুত্ব কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে ব্যবসা- বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, হাট- বাজারসহ নানান প্রয়োজনে যোগাযোগের উন্নয়নশীলতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বা পরিকল্পনানুযায়ী ব্রীজসহ সংযোগ সড়কটির নির্মাণ জরুরী বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এ সড়কটি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ, তারাপুর, চর-তারাপুর, খোর্দ্দারচর, বেকরীরচর, লাটশালারচর, কাশিমবাজার, মধ্যবেলকা, কিশামত সদর, জিগাবাড়ির চর, মাঝবাড়ির চর, চর-চরিতাবাড়ি, চর-হরিপুর, কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর ও চীলমারী উপজেলার চর-বজরা, নাগড়াকুড়া, বজরা, তবকপুর, গুনাইগাছা, লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, রংপুর সদর, পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা তথা গাইবান্ধা, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার বিশেষ অংশের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্ববহণকারী জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে প্রত্যহ কয়েক লাখ মানুষের পদ-চারণা লক্ষ্যনীয়। কিন্তু, সড়কটি এখনো কাঁচা আর ফুটব্রীজটি অত্যন্ত সরু (চিকন)। দৈর্ঘ অনুপাতে প্রস্থ একেবারেই কম হওয়ায় একটি রিক্সাভ্যান বা একঘোড়াগাড়ি ব্রীজের উপর উঠলে বাইসাকেল, মোটরসাইকেল এমনকি পায়ে হাটা মানুষকেও ব্রীজের দু’পাশের কোন স্থানে দাড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয় ব্রীজের উপরে ওঠা রিক্সা-ভ্যান, ঘোড়াগাড়ি বা চলন্ত মোটরসাইকেলটি পার হয়ে যাওয়া পর্যন্ত।

এছাড়া, ফুটব্রীজটি পুরাতন হওয়ায় চলন্ত মোটরসাইকেল উঠলেই কাপুনি বা কম্পনের সৃষ্টি হয়। এই ফুটব্রীজ ও মেঠো পথটির দিন দিন যেমন গুরুত্ব বাড়ছে। তেমনি বৃদ্ধি পাচ্ছে জন দুর্ভোগ। এসব মানুষের ভোগান্তি লাঘবে পরিকল্পনানুযায়ী ফুটব্রীজের বদলে আধুনিক ও উন্নত মানের ব্রীজসহ সংযোগ সড়কটি নির্মাণের জন্য প্রত্যহ ভোগান্তির শিকার লাখ লাখ মানুষের পক্ষে জোরদাবী জানিয়ে , তারাপুর ইউপি চেয়ারম্যান- আমিনুল ইসলাম বলেন- “মহান মুক্তিযুদ্ধের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, উন্নয়নের রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট ৪ জেলার সম্পূর্ণরূপে ৬/৭টি উপজেলাসহ আংশিকভাবে অন্যান্য স্থানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যোগাযোগের ক্ষেত্রে লাখ লাখ মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে অতীব জরুরী ভিত্তিতে এই ফুটব্রীজ ও কাঁচা সড়কের বদলে পরিকল্পনা মাফিক ব্রীজ ও সড়কটি নির্মাণ করা হোক”।

যে দেশ বিজ্ঞানে এগিয়ে থাকে সে দেশ তত উন্নত

একটি বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনের জন্য বিজ্ঞানচর্চা বাড়াতে হবে। বিজ্ঞান শিক্ষাকে বাদ দিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা যাবে না বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি । তিনি আজ শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ৯ম বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াড-২০১৮ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন । শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যে দেশ বিজ্ঞানে যত এগিয়ে থাকে সে দেশ তত উন্নত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার বিজ্ঞান শিক্ষাকে উৎসাহিত করছে। বিজ্ঞান শিক্ষা উন্নয়নের ক্ষেত্রে নিয়ামকের ভূমিকা পালন করবে।

এসময়ে মন্ত্রী আরও বলেন, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি শিক্ষায় মেয়েরা কম আসে। বিভিন্ন সুযোগের অভাবে এটি ঘটছে। সুযোগ দিলে বিজ্ঞান শিক্ষায়ও মেয়েরা ভাল করবে। নারীদের বিজ্ঞান চর্চায় এগিয়ে আসার আহব্বান জানান।

স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েদের নিয়ে রসায়ন অলিম্পিয়াডে এবার ১৩ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে জানিয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, এ উদ্যোগ বাংলাদেশে রসায়ন পঠন-পাঠনে যেমন ভূমিকা রাখবে, তেমনি একটি জ্ঞানভিত্তিক চৌকষ জাতি গঠনে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশ রসায়ন সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদ, বাংলাদেশ রসায়ন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আফতাব আলী শেখ, ৯ম বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াড-২০১৮ এর আহ্বায়ক ড. মো. ওয়াহাব খান, সিটি গ্রুপের উপদেষ্টা আব্দুস সামাদ এবং মেঘনা গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার কাজী মো. মহিউদ্দিনসহ আরো অনেকে।

এরশাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটছে বলে জানিয়েছেন তাঁর ছোট ভাই জিএম কাদের।

বুধবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী আফিসে এরশাদের সুস্থতা কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে এ কথা জানান জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।

এসময় জিএম কাদের বলেন, এরশাদের শারীরিক উন্নতি ঘটছে এবং হাসপাতালে হাঁটাহাঁটি করেছেন। কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তার কর্ম দিয়েই মানুষের হৃদয় জয় করেছেন।

দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম জয়ের উদ্যোগে পল্লীবন্ধুর সুস্থতা কামনায় এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

দীর্ঘদিন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে গত ২০ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে গেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ওইদিন দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে (এসকিউফোরফোরনাইন) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তিনি।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) উপনির্বাচন ও উপজেলাসহ কোনো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৯টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এ কথা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে, উত্তর সিটি করপোরেশন ও উপজেলা নির্বাচনে আমরা অংশ নিচ্ছি না। কারণ আমরা মনে করি- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রহসনের মধ্য দিয়ে হয়েছে। তাই এই সরকার ও ইসির অধীনে বিএনপি কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। ইতোমধ্যে প্রমাণ হয়ে গেছে এ সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। এটা আমাদের পার্টির সিদ্ধান্ত। আমরা কোনো উপ নির্বাচনেও যাচ্ছি না।’

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন দলের নেতারা। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা ধরে চলে এ বৈঠক। এরও আগে মাগরিবের নামাজ বাদ এক দোয়া মাহফিল শেষে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বিএনপির আইনজীবী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ডিএনসিসি নির্বাচন ছাড়াও বৈঠকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, দল পুনর্গঠনসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। লন্ডন থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্কাইপিতে অংশ নিয়েছিলেন। খালেদা জিয়ার মুক্তি ইস্যুতে রাজনৈতিক পদক্ষেপের বিষয়টিও আলোচনা হয়েছে।

১৫ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ইজতেমা

এবার এক পর্বে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। দ্বন্দ্ব নিরসনের পর তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষ মিলে ১৫-১৭ ফেব্রুয়ারি ইজতেমা আয়োজন করবে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

তাবলিগের দুই পক্ষ এক হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দফতরে তাবলিগ নেতাদের নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান, তাবলিগের শূরা সদস্য মাওলানা জুবায়ের, সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে তাবলিগে বিশৃঙ্খলা চলছে। এটাকে প্রশমিত করার জন্য সবাই মিলে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বুধবার (২৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দফতরে সব পর্যায়ের সবাইকে নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে দুই গ্রুপকে একসঙ্গে বসাতে সক্ষম হয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সেখানে আমরা একটা ঐকমত্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি যে, এবার বিশ্ব ইজতেমা একসঙ্গে এক জায়গায় এবং উভয় গ্রুপ মিলেই করবে।’

কিছু কর্মপদ্ধতি ও ইজতেমার তারিখ নির্ধারণের জন্য আজকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছিল জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দুপক্ষ মিলে তারিখ ঠিক করেছে, সরকারের পক্ষ থেকে কিছু চাপিয়ে দেয়া হয়নি। আমরা বলেছি এ কাজটি একতাবদ্ধভাবে করতে হবে যেন দেশবাসী খুশি হয়। ওনারা রাজি হন।’

‘দুই পক্ষ দুটি ডেট ঠিক করছিলেন। একদল বলেছিলেন ৮ তারিখ (৮, ৯, ১০ ফেব্রুয়ারি), আরেক দল বলেছিল ২২ (২২, ২৩, ২৪ ফেব্রুয়ারি)। তখন মীমাংসার পথ হিসেবে আমরা প্রপোজ করেছি, এমন না হয় এক পক্ষ বলবে ওনাদের কথামত তারিখটা ঠিক হলো। আমরা দু’টার মাঝামঝি একটা তারিখ রাখলাম ১৫, ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি। এই তিনদিন একসঙ্গে টঙ্গীর ময়দানে অন্যান্য বছরের মতো বিশ্ব ইজতেম সুন্দরভাবে পালিত হবে’ বলেন শেখ আব্দুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্ববাসীর কাছে আবেদন করব, আপনারা জেনে খুশি হবেন বাংলাদেশে তাবলিগ জামাত নিয়ে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই। গোলামাল-গোলযোগ নেই, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা নেই। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সুশৃঙ্খলভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়োজিত রেখে ইজতেমা সুন্দরভাবে করার একটা প্রয়াস নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপের কারণেই আমরা এটি করতে সক্ষম হয়েছি’ বলেন প্রতিমন্ত্রী।

ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সুবিধার্থে বিগত বছরগুলোতে দু’পর্বে বিশ্ব ইজতেমা হয়েছে- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এবার একবারেই হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যাতে কোনো ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে না পারে তা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করা দরকার করা হবে।’

ঐক্যবদ্ধভাবে ইজতেমা করার জন্য দু’পক্ষের কিছু শর্ত ছিল, সেগুলো নিষ্পত্তি হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদি কোনটা মিটমাট না হত তাহলে ঐক্যবদ্ধ হল কীভাবে। ওনাদের সব প্রশ্নের সন্তোষজনক সমাধান করতে পারছি বলেই তাদের আমরা সন্তুষ্ট করতে পেরেছি। এক হয়ে (ইজতেমা) করতেছে মানেই আমরা তাদের অল্প হলেও সন্তুষ্ট করতে পেরেছি। একদিনে সবটুকু হয় না।’

‘লেট আস হোপ ফর দ্য বেস্ট। ভবিষ্যতে আরও সময় পাব সেই সময়ে চেষ্টা করব যেটুকু বাকি আছে সবটুকু সমাধান করে চিরদিনের জন্য দ্বন্দ্ব দূর করব।’

তাবলিগ জামাতের দিল্লির আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য নিয়ে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে বাংলাদেশের তাবলিগ জামাত। আলেমরা সাদবিরোধী ও সাদপন্থী দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। এক গ্রুপে রয়েছেন সাদ কান্ধলভিপন্থী বাংলাদেশ তাবলিগের শূরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। অপর গ্রুপে রয়েছেন মাওলানা সাদবিরোধী কওমীপন্থী শূরা সদস্য মাওলানা জুবায়ের আহমেদ।

এ বিভক্তি চরম আকার ধারণ করে গত বছরের জানুয়ারিতে বিশ্ব ইজতেমার সময় মাওলানা সাদের বাংলাদেশে আসার পর। বিরোধীদের বাধার মুখে ইজতেমায় অংশ না নিয়েই মাওলানা সাদকে ওই সময় বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল।

গত ১ ডিসেম্বর ইজতেমা মাঠে দুই পক্ষের হতাহতের ঘটনাও ঘটে। টঙ্গীতে তুরাগ নদীর তীরে বিশ্বের মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় সম্মেলন ‘বিশ্ব ইজতেমা’র আয়োজনও করেছিল তাবলিগ জামাত। তবে নির্বাচনের আগে সরকার দুই পক্ষের সঙ্গে সভা করে ইজতেমা স্থগিত করে। সরকারের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়েছিল, নির্বাচন শেষে দুপক্ষের সঙ্গে বসে অভিন্ন ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সভায় দুপক্ষের বিবাদ নিরসন হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সর্বশেষ আপডেট...