17 C
Dhaka, BD
বুধবার, জানুয়ারি ২১, ২০২৬

বরগুনা গামী লঞ্চে আগুন , ৩৯ যাত্রীর লাশ উদ্ধার, নৌ-প্রতিমন্ত্রী’র ঘটনাস্থল পরিদর্শন

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে বরগুনা গামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় বিকাল ৪ টা পর্যন্ত ৪১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় দগ্ধ শতাধিক ও নিখোঁজ রয়েছেন ৪৬জন। ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬জন,বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬২জন,ঢাকা পাঠানো হয়েছে ৮জন। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া জানাযায়নি।

২৪/১২/২০২১ইং তারিখ শুক্রবার রাত ৩টার দিকে সুগন্ধা নদীর দিয়াকুল নামক এলাকায় ঢাকা থেকে বরগুনা গামী লঞ্চটিতে আগুন লাগে। এক সূত্রে জানা যায়, লঞ্চটির ইঞ্জিন কক্ষ থেকে আগুনের সূত্র পাত হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এ খবর পেয়ে বরিশাল, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠির কোস্ট গার্ডসহ ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট উদ্ধার কাজ করছেন।

বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক কামাল হোসেন ভূঁইয়া এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

খবর পেয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বিকাল তিনটায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জন প্রতি নিহত পরিবারকে দেড়লাখ টাকা ও দাফনের জন্য ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষনা দেন। এবং অগ্নিদগ্ধদের চিকিৎসার সকল ব্যায় সরকার বহন করবে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

এসময় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিবকে প্রধান করে ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি কে আগামী ৩ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান ।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর অগ্নিকান্ডের প্রকৃত কারন উদঘাটনের পর র্দূঘটনার জন্য দায়ীকে বা কারো দায়িত্বে অবহেলা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী জানায়, দূর্ঘটনার কারন অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক কে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্তটিম গঠন করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত লাশ স্বজনদের শনাক্তের জন্য পৌর মিনিপার্কে রাখার পর এ পর্যন্ত ৬ জনকে শনাক্ত করেছে।

হাজার খানেক যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি ঢাকা থেকে বরগুনা যাচ্ছিল। ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে থাকা অবস্থায় লঞ্চটিতে আগুন লাগে। লঞ্চের একাধিক যাত্রী জানান, রাত ৩টার দিকে লঞ্চের ইঞ্জিন রুমে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো লঞ্চে। এসময় লঞ্চে বেশ কয়েকজন যাত্রী দগ্ধ হন। প্রাণে বাঁচতে অনেক যাত্রীই নদীতে ঝাঁপ দেন।সাইদুর নামের এক যাত্রী জানান, ‘রাতে ঢাকা থেকে বরগুনা ফিরছিলাম। লঞ্চটি ঝালকাঠি এলাকায় পৌঁছালেই ঞ্জিন রুমে আগুন লেগে যায়। এরপর সে আগুন পুরো লঞ্চে ছড়িয়ে পড়ে। অসংখ্য মানুষ অগ্নিদগ্ধ হয়। প্রাণে বাঁচতে নদীতে ঝাপ দেন অনেক যাত্রী। নদী পাড়ে অপেক্ষায় থাকা আমেনা খাতুন জানান, ‘তার ভাই ঢাকা থেকে এ লঞ্চে রওনা দিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাচ্ছিনা। আমার ভাইয়ের সন্ধান চাই।’তবে লঞ্চের কেবিন গুলোতে অনেক মৃত্যু যাত্রীদের হাড় ও মাথার খুলি দেখা গেছে।
এদিকে চলন্ত লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারিহয়ে উঠেছে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর তীর। সকাল থেকে নদীতীরের গাবখান ধানসিঁড়ি এলাকায় অগ্নিদগ্ধদের স্বজনরা ভিড় করেন।লঞ্চটিকে বর্তমানে ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দেউড়ি সাইক্লোন শেল্টারের পাশে (বিষখালী নদীর তীরে) নোঙর করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর মেহেদি হত্যাকান্ডের ঘটনায় গ্রেফতার-৩

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর মেহেদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরমান (১৬) ও গালিবকে (১৬) গ্রেফতার করা হয়েছে।

তারা নিহত মেহেদির বন্ধু ছিলো। একই সঙ্গে আরমানের দাদা আকবর আলমকে (৬২) কেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আরমান ও গালিব মামাতো ফুফাতো ভাই হওয়ায় আকবর সম্পর্কে গালিবের নানা।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে তিনজনকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। এর আগে মেহেদির বাবা মালেক চারজনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন।

গ্রেফতারকৃত আরমান ও গালিব হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। আর আকবরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আগেই থানায় নেওয়া হয়েছিলো। মামলার চার নাম্বার আসামি আরমানের বাবা জুয়েল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

মামরার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রতিবেশি গালিব বাসা থেকে মেহেদিকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে আরমান ও তার বাবা জুয়েল তাদের সঙ্গে মিলিত হয়। তিনজন এক হয়ে মেহেদিকে নিয়ে দুরামারিতে চা খেতে যায়। আরও পরে আকবর সেখানে যোগ দিয়ে মেহেদিকে আহত করলে এক পর্যায়ে মেহেদির মৃত্যু হয়।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীরুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃতরা আাগে থেকেই সন্দেহের তালিকায় ছিলো। পরে তাদের নাম উল্লেখ করেই মামলা হলে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও জানান, আরমান ও গালিব পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আকবরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত : গত বুধবার ২২ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার দুরামারির শামিমের হোটেলের পাশে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে মেহেদি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন হয়।

সিংগাইরে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন-সেফ দা ফিউচার ফাউন্ডেশন

সিংগাইর (মানিকগঞ্জ)প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের সিংগাইরে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের খাঁন বানিয়ারা এলাকায় শতাধিক সাধারণ মানুষের মধ্যে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করে সেফ দা ফিউচার ফাউন্ডেশন।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সেভ দা ফিউচার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাফি মোদ্দাসের খান জ্যোতি। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে সামাজিক সংগঠন একজন বাংলাদেশ।

একজন বাংলাদেশ সংগঠনের চেয়ারম্যান নাফিসা আঞ্জুম খানের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান, সহকারী পুলিশ সুপার(সিঙ্গাইর সার্কেল) রেজাউল হক, সিঙ্গাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শফিকুল ইসলাম মোল্লা, জয়মন্টপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জি. শাহাদাৎ হোসেন, সেভ দা ফিউচার ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক সোয়াত আবেদিন, খুলনা জেলার সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

দোকান ভাড়া নিয়ে সংঘর্ষ, বোমা বিস্ফোরণ, আহত ১৫

দোকান ভাড়া নিয়ে সংঘর্ষ, বোমা বিস্ফোরণ, আহত ১৫ মাদারীপুরে দোকানঘর ভাড়া নিয়ে তর্কবিতর্কে দু’দল গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে নারীসহ আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের বড়মেহের ও ঘটমাঝি ইউনিয়নের ঝিকরহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযুক্ত ভাড়াটিয়া ইস্রাফিল জমাদ্দার ঝিকরহাটি গ্রামের বাসিন্দা ও আরেক অভিযুক্ত ঘরমালিক খবির মাতুব্বর বড়মেহের গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর পলাতক রয়েছে অভিযুক্তরা।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, তিন বছর আগে মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডের সৌদি প্রবাসী দিপু মাতুব্বরের একটি দোকানঘর ভাড়া নেয় ইস্রাফিল জমাদ্দার। আগামী ১ জানুয়ারি দোকানঘর ভাড়ার মেয়াদ (চুক্তি) শেষ হবে।

এজন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে ইস্রাফিলকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দোকান খালি করে দিতে বলে মালিকপক্ষের লোকজন (দিপু মাতুব্বরের ভাই খবির মাতুব্বর)। এ সময় ঘর মালিক ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে কথার কাটাকাটি হয়। পরে ইস্রাফিলের লোকজন বড়মেহের এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ঝিকরহাটি ও বড়মেহের গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বেশ কয়েকটি হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

এ সময় মো. শাহজালাল নামে এক রাজমিস্ত্রির ছেলের অনুষ্ঠানেও হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়। খবর পেয়ে টিয়ারশের নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

আহতদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ঠাকুরগাঁওয়ে দুই কিশোর গ্রুপের সংঘর্ষ , নিহত-১

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে বুধবার ২২ ডিসেম্বর রাতে কিশোর গ্যাংয়ের দু’পক্ষের সংঘর্ষে মেহেদি (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরমান (১৫) নামে আরও একজন আহত হয়েছে।

সদর উপজেলার দুড়ামারী শামিমের হোটেলের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

মেহেদি সদর উপজেলার রুহিয়া সেনেহারি গ্রামের আ. মালেকের ছেলে ও ঠাকুরগাঁও বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র। আহত আরমান শহরের পরিশোধ পাড়ার জুয়েল ইসলামের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, বুধবার রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে শামীম হোটেলের পাশে হঠাৎ কিশোর বয়সী কিছু ছেলেদের চিল্লাফাল্লা শুনতে পেয়ে বাজারের লোকজন এগিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাদের জখম করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা ধারনা করেন।

নিহত মেহেদির মামা আমজাদ হোসেন বলেন, স্কুলে যাওয়ার সুবিধার্থে মেহেদি আমাদের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতো। সন্ধ্যায় কেউ একজন মেহেদিকে ডেকে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে মোবাইলে একজন হামলার বিষয়টি জানায়। আহত আরমানের পিতা জুয়েল ইসলাম বলেন, আমি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলাম। হঠাৎ ছেলে আমাকে কল দিয়ে আহত হবার কথা জানায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি।

ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ছাবরিনা জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মেহেদির মৃত্যু হয়েছে। আরমানের অবস্থা খুব বেশি গুরুতর না হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম আতিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত পরবর্তি আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিংগাইরে অটো যাত্রীর এক দুর্ঘটনায় গলা থেকে মাথা আলাদা

স্টাফ রিপোর্টার:বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮ টার দিকে হেমায়েতপুর -সিংগাইর –মানিকগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের ধল্লা ইউনিয়নের বাস্তা-বিন্নাডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ বাজার থেকে কাঁচামাল কিনে কুদ্দুস অটোবাইকে সাভারের হেমায়েতপুর যমুনা মোড় বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন।

তিনি চালকের ডান পাশে বসে থাকা অবস্থায় চলন্ত গাড়ির চাকার সাথে নিজের শরীরের চাদর গলায় পেঁচিয়ে গেলে দেহ থেকে মাথা আলদা হয়ে যায়। নিথর দেহ গাড়িতে পড়ে থাকলে ও মাথা আলাদা হয়ে সড়কে ছটফট করতে থাকে।

ধল্লা-ফোর্ডনগর পুলিশ ফাঁড়ির কর্তব্যরত এএসআই ইমরান হাসান বলেন, অটোবাইক চালক কে এখনো পাওয়া যায়নি তবে গাড়িটি আটক করা হয়েছে।

সিংগাইর উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত,উদ্ধার করা হবে দখলকৃত সরকারী জমি (ভিডিও)

স্টাফ রিপোর্টার: মানিকগঞ্জ জেলা সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়ন ফোর্ড নগর এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত দখল করে রাখা ৮৩ শতক সরকারি জমি দখলমুক্ত করেছে সিংগাইর উপজেলা প্রশাসন।

উদ্ধারকৃত জমির আনুমানিক মূল্য সাড়ে তিন কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে এসব জমি দখলমুক্ত করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনা লায়লা ,সাথে অংশ নেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাম্ মা লাবিবা অর্ণব ।

স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন যাবত বেশকিছু ভূমিখেকো, দালাল চক্র, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা, এসব জমি ভোগ দখল করে আসছেন, এমনকি একটি চক্র গণতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এর সাইনবোর্ড লাগিয়ে সরকারি জমি ভোগ দখল করে আসছিল । এ ছাড়াও ধল্লা ইউনিয়ন শেখ পাড়া এলাকার শ্যামল , সরকারি জমিতে দীর্ঘদিন যাবৎ বসতবাড়ি করে ভাড়া দিয়েছেন ।

এ সময় সরকারি জমি অবৈধ দখল অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনা লায়লা ।

রাণীশংকৈলে কালের কন্ঠের শুভ সংঘের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় দৈনিক কালের কন্ঠের পক্ষ থেকে শুক্রবার ১৮ ডিসেম্বর বিকেলে শতাধিক গরিব-দুস্থ ব্যক্তির মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়।

এ উপলক্ষে এদিন অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির ও রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আনোয়ারুল ইসলাম। এছাড়াও অনুষ্ঠানে কালের কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি পার্থ সারথী দাস, রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব পুরাতনের সভাপতি কুসমত আলী, সম্পাদক সফিকুল ইসলাম শিল্পী, সহ-সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিরা তাদের বক্তব্যে এ শীতকালে দেশের উত্তরাঞ্চলে শুভ সংঘের কম্বল বিতরণের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান ও কালের কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ

জানান। তারা, শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম আরো বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ধামরাইয়ে এলমা চৌধুরী মেঘলার হত্যাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

মোঃ সম্রাট আলাউদ্দিন,ধামরাই (ঢাকা)থেকেঃ-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইলমা চৌধুরী মেঘলার (২৪) মৃত্যুর ঘটনায় ঢাকার ধামরাইয়ে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের ধামরাই প্রেসক্লাবের সামনে খুনি স্বামী ও নির্যাতনকারী পরিবারের সদস্যদের দৃষ্টান্তসুলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার ( ১৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।এই মানববন্ধনে ধামরাইয়ের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই, অঙ্কুর, স্বপ্নডানা, রক্ত সৈনিক, সচেতন নাগরিক সমাজ, ইচ্ছে আলো, কালের কন্ঠের শুভ সংঘ নামক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশার লোকজন এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ধামরাইয়ের মেয়ে ইলমাকে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করেছে।আমরা এর সঠিক বিচার দাবী করছি।নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। আমরা ইলমার হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আরো কর্মসূচী গ্রহণ করবো।মানববন্ধনে নিহত ইলমা চৌধুরী মেঘলার বাবা কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।তিনি বলেন, আমার মেয়েকে তার স্বামী ও পরিবারের লোকজন নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে। তার শরীরে আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে। আমি হত্যাকারীদের কঠিন শাস্তি দাবী করছি যেন আরো কোন মেয়ে তার শশুরবাড়িতে এমন ঘটনার সম্মুখীন না হয়।নিহত এলমার চাচা তিনজিন চৌধুরী বলেন, আমার ভাতিজিকে অন্যায়ভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।

হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করে তিনিও কান্নায় ভেঙে পড়েন।মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন প্রথম আলো পত্রিকার সিনিয়র সাব- এডিটর মাহমুদ ইকবাল, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আলতাফ হোসেন, কালের কন্ঠের ধামরাই প্রতিনিধি আবু হাসান, নিরাপদ সড়ক চাই ধামরাই শাখার সভাপতি নাহিদ মিয়া, অঙ্কুর সংগঠনের সভাপতি মন্জুরুল হক রনি, স্বপ্নডানা সংগঠনের সভাপতি শাহরিয়ার ফেরদৌস রানা, সচেতন নাগরিক সমাজের সভাপতি ইমরান হোসেন, রক্ত সৈনিক সংগঠনের নাহিদ খান।প্রসঙ্গত, এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতেই নিহতের বাবা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে ইলমার স্বামী ইফতেখার আবেদীন, শুশুর ও তার শাশুড়ীকে আসামি করে বনানী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন বলে জানান ইলমার বাবা।
মামলা স্বামী ইফতেখার আবেদীনকে গ্রেফতার করেছে বনানী থানা পুলিশ।

ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে বিজয় দিবস পালিত

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস ও বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়। দিবসটি পালনে ১৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সুর্যোদয়ের সাথে সাথে ৫০ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহরের কলেজপাড়াস্থ টাঙ্গন নদীর তীরে অবস্থিত অপরাজেয়-৭১ এ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করা হয়। এ সময় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, আ’লীগ, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, বিভিন্ন বেবসরকারী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরন করা হয়। অপরাজেয়-৭১ প্রাঙ্গন থেকে একটি বিজয় র‌্যালি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।

সেখানে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে, রক্তদান কর্মসূচী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় জেলা প্রশাসক মোঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা আ’লীগের সভাপতি মুহঃ সাদেক কুরাইশী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বদরুদ্দোজা বদর প্রমুখ। বিকালে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিববর্ষের শপথ অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণী, ও আতশবাজী প্রদর্শিত হয়। এরপর প্রীতি টি-২০ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা এবং প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

শেষে এক মনোঞ্জ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে দিবসটির সমাপ্তি ঘটে।

সর্বশেষ আপডেট...